ইউজার লগইন

আমাদের ভবিষ্যত

শেখার সাথে মেধার সম্পর্কহীন শিক্ষাচর্চায় বিদ্যালয় নেহায়েত একটা যন্ত্র যার সদর দরজা দিয়ে উজ্জ্বল, উচ্ছ্বল শিক্ষার্থী প্রবেশ করে বিদ্যায়াতনে আর খিড়কি দুয়ার দিয়ে সার্টিফিকেটধারী মুর্খ জীবিকার সন্ধানে শ্রমবাজারে নেমে যায়। মুখস্তবিদ্যার উপরে অধিকতর নির্ভরতা বিদ্যার্জনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকেই যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শিক্ষার্থীরা না বুঝে মুখস্ত করে নিজেদের বিদ্যা উগড়ে দিচ্ছে পরীক্ষায় খাতায়। এই প্রবনতা কি খুবই সাম্প্রতিক কোনো প্রবনতা?

উপমহাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধাচর্চার খুব বেশী প্রয়োজন ছিলো না কখনও। বিনা প্রশ্নে, বিনা দ্বিধায় মেনে নেওয়ার সামাজিক অনুশাসন শৈশব থেকেই শিক্ষার্থীর চেতনা আঁকড়ে রাখে। বৈদিক শিক্ষার সুদুর অতীতে হয়তো কখনও ছন্দোবদ্ধ বাক্যের সাথে মেধার ক্ষীণ যোগাযোগ ছিলো, তবে পন্ডিতের টোল আর পাঠশালায় উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম ব্যতীত এই চিরায়ত শিক্ষা ব্যবস্থা মূলত স্মার্ত তৈরী করেছে। এইসব স্মার্তরা হাজার হাজার শ্লোক স্মৃতিতে ধারণ করেছে কিন্তু কখনও শ্লোকগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ, বৈপিরীত্ব কিংবা সম্পর্ক খুঁজে নি।
টলের সাথে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার পার্থক্যটা মূলত পাঠ্যপুস্তকের। শ্লোকের বদলে আয়াত, পূরাণ কথার বদলে হাদিস কিন্তু বোধ-বুদ্ধিহীন স্মার্ত তৈরীর প্রক্রিয়াটা একই রকম।

কেমব্রীজ- অক্সফোর্ড শিক্ষিত মিশনারী এবং তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় প্রশিক্ষিত এই দেশীয় খ্রীষ্টানেরা যখন মিশনারী স্কুল শুরু করলো শিক্ষার্থীর স্মৃতিসক্ষমতার বদলে তাদের মেধাসক্ষমতা বিকাশের কিছুটা প্রচেষ্টা এই স্কুলগুলোতে ছিলো।
কোম্পানীর কেরানীগিরি অর্থনৈতিক ভাবে লাভজনক হওয়ায় কোলকাতা শহরের ছাপানো বইয়ের বিক্রী আর সস্তায় ইংরেজী শেখার স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। গ্রামের প্রথাগত টোল-পাঠশালা ধীরে ধীরে শিক্ষার্থী শূণ্য হয়েছে। নবাবী আমলের নিস্কর জমির আয়ে যেসব মাদ্রাসা চলতো, নিস্কর জমিগুলো সরকারী দখলে চলে যাওয়ায় সেইসব মাদ্রাসাও উঠে গেলো। আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার সমাধিতে ইংরেজী শিক্ষা ব্যবস্থার বুনিয়াদ নির্মাণ করলো কোম্পানীর লোকেরা।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডার এবং রাষ্ট্রের যৌথ সিদ্ধান্ত ছিলো কোম্পানী মুনাফার নির্দিষ্ট একটা অংক এই দেশীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করতে হবে। এই বাধ্যবাধকতা মাথায় রেখেই কোম্পানী শিক্ষাখাতে তার বিনিয়োগ নিশ্চিত করে। সরকারী খরচে বিভিন্ন জেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়। ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড খুঁজে মাণসম্পন্ন শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয় এইসব স্কুলে। শিক্ষার মাণযাচাইয়ের প্রয়োজন স্কুল ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়। শিক্ষা বাজেটের বড় একটা অংশ এইসব স্কুল পরিদর্শকদের বেতনভাতা এবং শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রনালয় পরিচলনায় ব্যয় হওয়ায় ভারতীয়দের দাবীর মুখে নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন কিংবা বিদ্যমান শিক্ষা অবকাঠামোগুলোর সম্প্রসারণের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গরিমসি করছিলো ভারতীয় প্রশাসন।

অসভ্য ইতর ভারতবাসীকে পাশ্চাত্য শিক্ষা এবং খ্রীষ্টপ্রেমের আলোয় আলোকিত করতে উদগ্রীব মিশনারীরা দলে দলে নেমেছেন উপমহাদেশের বন্দরগুলোতে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাদ্রীরা এসেছেন খ্রীষ্টপ্রেমের বানী শেখাতে, দরিদ্র পল্লী ঘুরে ঘুরে তারা গ্রামের পর গ্রাম চন্ডাল চামাড় মুচিকে ধর্মান্তরিত করেছেন কিন্তু তাদের সামাজিক মর্যাদা কিংবা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা তৈরী করতে পারেন নি। রাজার জাতের ধর্মছোয়া বর্ণাশ্রমের ছোয়াছুয়ির বাধ্যবাধকতা থেকে এইসব ইতরজাতকে মুক্ত করতে পারে নি। নাম বদলে উপাসনালয়ে প্রবেশাধিকার পেলেও এইসব "রাইস খ্রীষ্টান"দের মানসিকতায়, তাদের পৌত্তলিক বিশ্বাসে এবং বদ্ধ সংস্কারে কোনো পরিবর্তন আসে নি।

মিশনারীরা উপলব্ধি করে নি উপমহাদেশে ধর্ম কখনও বিচার বিশ্লেষণে নিঁখুত নিরুপনের বিষয় ছিলো না। মানুষ জন্মসুট্রে ধর্মপরিচয় লাভ করতো এবং ধর্মের রীতিনীতি না বুঝেই মৃত্যুর পর ধর্মমতেই দাহ-দাফন হয়ে যেতো। নিজের বিশ্বাস মূল্যায়ন, সেখানে নতুন ভাবনা সংযোজন বিয়োজনের প্রয়োজন উপমহাদেশে ছিলো না। উপমহাদেশের প্রথাগত স্মার্তউৎপাদক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীর যুক্তিবোধের প্রয়োগের খুব বেশী সুযোগ ছিলো না।

রেঁনেসা পরবর্তী সময়ে ইউরোপে -এবং ইউরোপের তৎকালীন উপনিবেশগুলোতে শিল্পবিপ্লব পরবর্তী সময়ে নবলব্ধ বিদ্যা এবং ধর্মবিশ্বাসের ধারাবাহিক সংঘাতে সেসব দেশের ধর্মপ্রিয় মানুষেরা যেভাবে নিজেদের বিশ্বাসকে নতুন আবিস্কারের কষ্টিপাথরে ঘষে মেজে সময়ের মাপে সাজিয়ে নিচ্ছিলেন, উপমহাদেশের বদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রথাগত কূলগত অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি সেভাবে বিকশিত হয় নি। উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ জয় করেছে, নিজস্ব আমলাতন্ত্র নির্মাণ করেছে, নিজস্ব আমলাতান্ত্রিক প্রয়োজনে কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে কিন্তু প্রশাসনিক বিস্তার প্রান্তের সমাজ কাঠামোতে তেমন গুণগত পরিবর্তন আনতে পারে নি।
ধর্মসমন্বয়ের ব্যক্তিগত উদ্যোগগুলো প্রশাসনের মদতে সর্বব্যপ্ত হতে পারে নি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে যারা ধর্ম সমন্বয় এবং ধর্ম বিশ্লেষণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারা নিশ্চিত ছিলেন ইসলাম ধর্মই মূলত শ্রেষ্ঠ, সনাতন ধর্মের একেশ্বরবাদী ধারাটা ইসলামপূর্ব যুগের একেশ্বরী ধারার বিকৃত রূপ। খ্রীষ্টান মিশনারীরা বহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরের তিন মুর্তির সাথে নিজেদের ফাদার-সান এন্ড হলি ঘোস্টের ধারণা মেশাতে চেয়েছেন। ধর্মতাত্ত্বিক কচকচানি বাদ দিয়ে ধর্মের আত্মিক বিষয়ে মিল খুঁজে পেতে চেয়েছেন। ইসলামের সুফি ধারার সাথে খ্রীষ্ট ধর্মের ধ্যান ধারণা সংযুক্ত করে ধর্মীয় সংলাপের ভেতর দিয়ে এই দেশের মানুষের ভেতরে ধর্মবোধ নির্মাণ করতে চেয়েছেন। ধারাবাহিক সমন্বয় উদ্যোগ এবং শিক্ষিত শ্রেণীর ভেতরে ধর্মভাবনা নির্মানের জন্যে মিশনারীদের জনগ্রহনযোগ্যতার প্রয়োজন ছিলো। দাতব্য কাজের ফাঁকে ফাঁকে ধর্মীয় উপদেশ দিয়ে বিপূল সংখ্যক মানুষের ধর্মভাবনা নির্মাণ করার কাজটা অসম্ভব ছিলো। মিশনারী স্কুলগুলোতে এমন ধর্মালোচনার পরিবেশ তৈরী হলেও প্রয়োজনের তুলনায় স্কুলের সংখ্যা ছিলো কম। মিশনারীরা স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেও স্কুল প্রতিষ্ঠার অর্থনৈতিক সম্বল তাদের ছিলো না।

কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের কতৃত্বাধীন একটি সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ মেনে চলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার বিভিন্ন অংকের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। মিশনারীরা সরকারী প্রস্তাবে উৎসাহী হয়ে উপমহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে মিশন স্কুল খুলে বসে। তবে স্কুল পরিচালনার কাজে মনোযোগী হওয়ার পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিধান মেনে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার জন্যে প্রস্তুত করতে গিয়ে তাদের মূল লক্ষ্য থেকে তারা অনেক বেশী দূরে সরে যায়। অধিকাংশ স্কুলেই শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভেতরে নিয়মিত ধর্মীয় পর্যালোচনা এবং ধর্ম বিশ্লেষণের জন্যে প্রয়োজনীয় সময় বরাদ্দ করা সম্ভব হয় নি।

ধর্মজাতের বাছবিচারে গোঁড়া বর্ণ হিন্দুরা ইতর জাত, ম্লেছ আর যবনের সাথে একই স্কুলে পড়বে না, ম্লেছের জাতের সাথে যদিওবা শ্রেণীকক্ষ ভাগাভাগি করা যায়, ইতরজাতের সাথে শ্রেণীকক্ষ ভাগাভাগি করা অসম্ভব। সুতরাং ইতরজাতের হিন্দুরা অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ব্রাত্য ছিলো, ধর্ম বদলে কেউ কেউ মিশনারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার পেলেও মিশন স্কুলগুলোতে মূলত বর্ণহিন্দুরাই ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিবারের সাথে মিশনারীদের সুসম্পর্কের ভেতরের চোরা কাঁটা ছিলো বর্ণহিন্দুর ধর্ম রক্ষা তীব্র তাগিদ। এমন কি মিশন স্কুলে পড়া কোনো শিক্ষার্থী ধর্মান্তরিত হলে সেটার তীব্র সামাজিক প্রতিক্রিয়া হয়েছে।

বিভিন্ন দিক সামলে শিক্ষা ব্যবস্থা ফাঁদে আটকে যাওয়া মিশনারী প্রতিষ্ঠানগুলো শুধুমাত্র মাণসম্মত শিক্ষা প্রদানের কাজেই নিজেদের মনোযোগ স্থির রেখেছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর নৈতিক চরিত্রের মাণ উন্নয়ন, তাদের অধীত বিষয়গুলো বিশ্লেষণের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে অধিক মনোযোগী হওয়ার পরও একটা পর্যায়ে মিশনারী স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীরাও মেধা, নৈতিকতা, নিয়মানুবর্তিতায় সরকারী স্কুলের সমপর্যায়ে নেমে যায়।

মিশনারী স্কুলগুলো কোনো না কোনো ধর্ম প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে পরিচালিত হতো। সেসব প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিলো উপমহাদেশে খ্রীষ্টপ্রেমে অনুরাগীদের সংখ্যা বাড়ানো। মিশনারী স্কুলগুলো অন্তত ধর্মান্তরনের কাজে খুব বেশী মনোযোগ দিতে পারে নি। আর্থিক টানাটানি এবং বিদ্যমাণ সরকারী সহযোগিতা নিশ্চিত করতে স্কুল পরিদর্শকদের খুশী করা এবং পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার তীব্র চাপে মিশনারীরা শিক্ষার মাণে সমঝোতা করতে বাধ্য হয়। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে তারাও আক্ষেপ করে বলেছে মুখস্ত বিদ্যার উপরে অধিকতর নির্ভরতায় এরা আসলে তেমন কিছু শিখছে না। শিক্ষার লক্ষ্য যদি হয় শিক্ষার্থীর ভাবনা নির্মাণ, শিক্ষার্থীর বিচার বিশ্লেষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, সে লক্ষ্য পুরণে মিশনারী স্কুলগুলো ব্যর্থ।

আমাদের বাহারী একটা শিক্ষানীতি আছে তবে বাৎসরিক বাজেটে শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান নেই। শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের নানাবিধ উদ্যোগগুলো পর্যালোচনা এবং কর্মপদ্ধতি নির্ধারণের বিভিন্ন ধরণের মডেল নির্মাণে সীমাবদ্ধ। অত্যাধিক অপ্রয়োজনীয় পাবলিক পরীক্ষার চাপে শিক্ষার্থীরা কোনো কিছু না বুঝেই মুখস্ত করতে আগ্রহী হয়- একশত বছর আগে মিশনারীরা ইংরেজ প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটি সম্পর্কে এই মন্তব্য করেছিলো। আমরা সেই শিক্ষা ব্যবস্থার ঐতিহ্য বহন করছি। দুটো অপ্রয়োজনীয় পাবলিক পরীক্ষা সংযোজন করেছি জাতীয় জীবনে।

সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতি নামের একটা উদ্ভট কর্মযজ্ঞ শুরু করেছি যেখানে সৃজনশীল গাইড ঘেঁটে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরী করা হয়ে, তারচেয়েও ভয়াবহ হলো সবগুলো পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষা শুরুর আগে থেকেই অবৈধ উপায়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যায়।

আমরা তৈরী পোশাক শিল্প শ্রমিক এবং প্রবাসী শ্রমিকের রক্ত ঘামে পরিসংখ্যানে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। স্বস্তা কায়িক শ্রমের চাহিদা ফুরিয়ে যাওয়ার পর আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ফাঁপা বেলুন চুপসে যাবে, আমাদের ভিত্তিহীন শিক্ষা ব্যবস্থায় নির্মিত শিক্ষিত শ্রেণী এই বিপর্যয়ে আমাদের কোনো উপকারে আসবে না। আমরা শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে মেধা এবং মনশীলতার চর্চার সামান্য সুযোগও নিপূণ নির্মমতায় কেটে বাদ দিয়েছি। এখন যারা শিক্ষার্থী হিসেবে উঠে আসছে তারা মেধা চর্চায় অক্ষম। এই অক্ষম শিক্ষিত সমাজ দিয়ে ভবিষ্যতের সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ নির্মাণ করার চেয়ে কোমরে দড়ি বেধে চাঁদে উঠে যাওয়া সহজ।

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

তানবীরা's picture


শিক্ষার মান কী হয়েছে তা সাম্প্রতিক ঘটনাবলীই প্রমান করছে। দল বেঁধে সব জিহাদে যাচ্ছে। কী হবে কে জানে

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.