ইউজার লগইন

নিজস্ব ভাবনা ২

তথ্যপ্রযুক্তি যুগে বৈষম্য নির্ধারণের একটি চমৎকার উন্নয়নমুখী শব্দ তৈরী হয়েছে, ডিজিটাল ডিভাইড। মূলত শব্দটা দিয়ে সমাজের এমন একটা শ্রেণীকে চিহ্নিত করা সম্ভব যারা এখনও কোনো যন্ত্রের সাথে নিজের অস্তিত্ব জুড়ে দিতে অসমর্থ। আধুনিকতা একটা পর্যায়ে এসে যন্ত্রসম্ভোগে পরিণত হয় এবং ডিজিটাল ডিভাইড মূলত যন্ত্রসম্ভোগে অসমর্থ শ্রেণীকে যন্ত্রসম্ভোগে আগ্রহী করতে চায়।

প্রযুক্তিঅভ্যস্ততা এবং প্রযুক্তিআসক্তি দুটো ভিন্ন বিষয় অবশ্য অভ্যস্ততা এবং আসক্তির মাত্রাগত তফাতটা খুব বেশী স্পষ্ট না। তথ্যপ্রযুক্তিযুগে ডিজিটাল ডিভাইড তথ্যপ্রযুক্তিব্যবহারসক্ষম মানুষদের যন্ত্রের সাথে জুড়ে দেওয়ার বিকল্প পথ খুঁজে। যন্ত্র যেহেতু তথ্য আদানপ্রদান করে, তথ্যের সাথে ব্যক্তির বৈশিষ্ঠ্য, ব্যক্তির পছন্দ অপছন্দ সব মিলিয়ে ব্যক্তির ভার্চুয়াল প্রতিলিপি কি বোর্ডের প্রতিটি স্ট্রোকে এবং মাউসের প্রতিটি ক্লিকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য তথ্যসংরক্ষণকেন্দ্রে প্রতিনিয়ত জমা হয় এবং এইসব প্রতিলিপি এক সুঁতোয় গেঁথে কখনও শ্রেণীগত কখনও জাতিগত কখনও বয়স ও লিঙ্গগত বৈশিষ্ঠ্য আরোপ করা হয়। অসংখ্য যন্ত্র প্রতিনিয়ত আমাদের প্রতিটি কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করছে, কৌশলে আমাদের চাহিদা নির্ধারণ এবং চাহিদা নির্মাণের চেষ্টা করছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বাণিজ্যিক শক্তির উৎস আমাদের ব্যক্তিগত, সামষ্টিক পছন্দ-অপছন্দগাঁথা।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ফ্রান্সের শিল্পীদের ১০০ বছর পরের বিশ্ব কল্পনা করতে বলা হয়েছিলো। এমন একটা সময়ে এইসব শিল্পীরা ১০০ বছর পরের পৃথিবী কল্পনা করছেন যখন বিকটাকৃতির যন্ত্রশকট তৈরী হচ্ছে, স্টিমইঞ্জিন থেকে ডিজেল ইঞ্জিনে পদার্পন করছে বিশ্ব, যান্ত্রিক বিনোদনকৌশল তখনও অজানা, আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং হলোগ্রাফিক ইমেজ দিয়ে দর্শকদের চমকে দেওয়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কুম্ভুতকিমাকার সব উপকরণ নগরে নগরে সার্কাসে প্রদর্শণ করে বিশ্বের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র জানান দেওয়া হচ্ছে, চলচিত্র প্রযুক্তি আবিস্কৃত হয়েছে কিন্তু তখনও যান্ত্রিক শব্দধারণ কৌশল এবং চলচিত্রের ভেতরে সংযোগ তৈরীর কৌশল অজানা। এমন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে শিল্পীরা তাদের কল্পনার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে শতবর্ষ পরের পৃথিবীর যে ছবি এঁকেছেন তার সাথে বর্তমানের পৃথিবীর কোনো মিল নেই।

গত ১০০ বছরে পৃথিবীর মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে ৩ গুণ তবে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতায় আমাদের মানুষ হত্যার দক্ষতা বেড়েছে শতসহস্র গুণ। স্যাটেলাইট এবং ড্রোনের আবির্ভাবে এখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো মুহূর্তে প্রায় নিশ্চিতভাবে যেকোনো ব্যক্তিকে হত্যা করা সম্ভব। পঞ্চদশ শতকে যখন চার্চের কতৃত্ব অস্বীকার করে ব্রুনো বিচারের মুখোমুখি হলেন, চার্চের সহৃদয় বন্ধুর সহযোগিতায় রাতের অন্ধকারে পাদ্রীর পোশাক জড়িয়ে তীর্থযাত্রী হিসেবে তিনি প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপের পথে রওনা হলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানীতে ফেরারী আসামী হয়েও প্রায় স্বাধীন জীবনযাপন করেছেন, প্রতারক ভক্তের প্রলোভনে মিথ্যে অভিযোগে আটক হওয়া এবং রাজনৈতিক জটিলতায় রোমে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আগের সময় পর্যন্ত তিনি যেমন স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করেছেন, স্বাধীন ভাবে নিজের মত এবং চিন্তা প্রকাশ করতে পেরেছেন আজকের যুগে তেমনটা করা সম্ভব না।

বর্তমান যুগে অনেক বেশী বশ্যতার যুগ, এখন মানুষ অনেক বেশী নিয়মতান্ত্রিক বিদ্রোহী। কাঠামোর ভেতরে থেকে কাঠামোর দুর্বলতা চিহ্নিত করে এড়ে বাছুরের মতো কাঠামোর দেয়ালে ধাক্কা দেওয়া এইসব বিদ্রোহীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিভিন্ন ধরণের আক্ষেপ আছে। তথ্য প্রযুক্তির অসংখ্য জালে প্রতিনিয়ত নিজেদের জুড়ে রেখে তারা যেভাবে নিজেদের নিরাপদ ভাবছে, তারা এই প্রযুক্তির কারাগারে সবচেয়ে বেশী অনিরাপদ তবে তারা নিজেদের নিরাপত্তাহীনতা উপলব্ধি করতে পারছে না। ডিজিটাল ডিভাইড শব্দটা সমাজের সকল উপাদান যারা সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় নেই, যাদের ব্যপারে এই প্রযুক্তিমোগলরা একেবারে অনিশ্চিত, তাদের নজরদারির আওতায় নিয়ে আসার প্রয়াসের একটি উন্নয়নমুখী প্রতারণামূলক শব্দ।

গত ১০০ বছরে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দুটো বিশ্বযুদ্ধ পৃথিবীর মানচিত্র, মানুষ এবং যন্ত্রের সম্পর্ক আমূল বদলে ফেলেছে। যুদ্ধরত সৈনিকদের মানসিক অবসাদ কাটাতে রগরগে পর্ণো ছবির অবাধ সরবরাহ এবং অধিকৃত ভূখন্ডে নারী ধর্ষণ এবং নারী নিপীড়নের সম্পর্কের তুলনামূলক আলোচনা হয়তো কেউ করেছেন তবে আমার নজরে আসে নি। ব্যাঙ্কারে অবরুদ্ধ সৈনিকদের যুদ্ধের নিয়মিত রসদের সাথে সাথে চা-তামাকত,পর্ণোগ্রাফিক চলচিত্র এবং যৌনচাহিদানিবারণের জন্যে যন্ত্রের সরবরাহ করা হতো। সেই বিরুপ পরিস্থিতিতে সৈনিকরা যৌনচাহিদানিবারক যন্ত্রাসক্ত হয়ে যায় নি। যুদ্ধের পর তারা নিয়মিত জীবনে ফিরে এসেছে তবে বর্তমানের প্রযুক্তিগত বিচ্ছিন্নতার যুগে মানুষের ভেতরে কামনানিবৃতিযন্ত্রাসক্তির পরিমাণ বেড়েছে।
যৌনচাহিদা নিবারণের জন্যে আকর্ষণীয় পুতুলের বাজার এখনও পুরুষতান্ত্রিক। এইসব বোবাপুতুল ভোক্তার সর্বোচ্চ পরিতৃপ্তির প্রয়োজন মেটাতে তার কল্পনার সবটুকু দিয়ে সাজানো সম্ভব হবে। হাইলী কাস্টমাইজ এইসব পুতুল সঙ্গী আমাদের প্রাযুক্তিক বিচ্ছিন্নতাকে আরও পরিতৃপ্ত করবে। "আমাকে কেউ বুঝে না, আমার ভাবনা কেউ জানতে চায় না" এই ধরণের আক্ষেপ মেটাতে সোলমেট জাতীয় একটা বাজারমুখী শব্দ আবিস্কৃত হয়েছিলো, সেই বাজারমুখী শব্দ মানুষের সোল মেটের প্রয়োজনীয়তাকে উস্কে দিয়েছে, কিন্তু মাথার ভেতরে অবিরাম যে ধরণের শব্দ এবং ভাবনাবিক্ষোভ চলে, প্রতিনিয়ত পরস্পরবিরোধী ভাবনার ঘাত প্রতিঘাত সবটুকু সব সময় একজন জীবিত সোলমেটকে অবহিত করা কঠিন, সেও মানুষ এবং তার ভেতরেও প্রতিনিয়ত এমন ভাবনার স্রোত বইছে। যন্ত্রের সাথে মানুষের ভাবনাবিনিময় এবং প্রেম বিষয়ে সিনেমা নির্মিত হয়েছে, অসহিষ্ণু মূলত স্বার্থপর মানুষের নিজস্ব চাহিদাপুরণের ব্যাগ্রতার বাইরে সে সিনেমা নতুন কোনো উপাদান যুক্ত করে নি সভ্যতার ইতিহাসে। ভাবনাবিনিময়ের যন্ত্রাসক্তি এবং কামনানিবৃতির যন্ত্রাসক্তি একসাথে জুড়ে যখন একটি মাত্র পুতুলে দুটোকে জুড়ে দেওয়া সম্ভব হবে তখন হয়তো আমাদের প্রেমের উপন্যাসগুলোতে পরকীয়ার নতুন উপকরণ যুক্ত হবে। মানবী এবং যন্ত্রের ভেতরে প্রেমের দ্বন্দ্ব নিয়ে সিনেমা হবে। হয়তো নিভৃতচারী কোনো যুবক কোনো একদিন এমন যন্ত্রের সাথে সহবাসের আইনী বৈধ্যতা চাইবে। আদালতে বিক্ষুব্ধ কেউ অভিযোগ করবে শুধুমাত্র যন্ত্রসহবাসের জন্যে সে বিবাহিত মানুষের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বিবাহিত মানুষকে রাষ্ট্র যেসব সুবিধা দেয়, সেসব সুবিধা সেও ভোগ করতে চায় কারণ সে তার যন্ত্রের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।
হয়তো শুধু পুরুষের চাহিদা পুরণের জন্যে নারী পুতুল না বানিয়ে পরবর্তীতে নারীর চাহিদা পুরণের জন্যে উপযুক্ত পুরুষাকৃতির পুতুল তৈরী হবে, হয়তো পরবর্তী কোনো সময়ে আমরা গভীর প্রেমের দৃশ্য দেখবো, নায়ক নায়িকা মোবাইল স্ক্রীনে প্রেমের কথোপকথন শেষ করে বলছে চলো শোবার ঘরে যাই। দুজনেই শোবার ঘরে গিয়ে যন্ত্রউপগত হচ্ছে এমন রোমান্টিক দৃশ্য দেখে দর্শকেরা হাপুস হুপুস কান্নাকাটি করবে। মানুষের কল্পনা এবং আসক্তির সীমানা নির্ধারণ করা খুবই কঠিন।

তবে আমাদের অনুভব এবং ব্যক্তিগত ভাবনা প্রকাশের দুর্নিবার আবেগের বাণিজ্যিকায়নের বিস্তৃতি প্রতিরোধ করা অসম্ভব। ডিজিটাল ডিভাইড নিসরনের নানাধরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে তাদের ব্যবসার সম্প্রসারণ করছেন, নিশ্চিতভাবেই শ্লোগানগুলো আকর্ষণীয়। সবার জন্যে সমান মাপের তথ্য অবকাঠামো, সবার কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার আকুতি, সবাইকে সভ্য করে তোলার মিশনারী স্বপ্নের সাথে তুলনীয়। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবসায়ীরা হয়তো পরবর্তীতে নিজেরাই স্যাটেলাইট পাঠিয়ে সবার জন্যে ইন্টারনেট উন্মুক্ত করে দিবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে শুধুমাত্র মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্যে সুবিধাটা উন্মুক্ত থাকলেও পরবর্তী পর্যায়ে গুগল ফেসবুক কতৃপক্ষ শুধু তাদের তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ব্যবহারের উপযোগী ছোটো ছোটো ডিভাইস বাজারে নামাবে। মুফতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে, ফেসবুকে নিজেদের জীবনের সবটুকু তুলে দেওয়া যাবে কিন্তু সে সেবা পাওয়ার জন্যে ফেসবুক চিপ কিনতে হবে। এই ফেসবুক চিপ সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পাঠাবে মোবাইল- কম্পিউটারে। হয়তো ন্যুনতম মূল্যের বাৎসরিক নবায়ন ফি সংযুক্ত থাকবে। আগামী ১০ বছরের ভেতরেই এই ধরণের যন্ত্রাংশের উপস্থিতি স্থানীয় তথ্য প্রযুক্তিসেবাবিক্রেতাদের ব্যবসা থেকে হটিয়ে দিবে। ডাটাবাইট রপ্তানী করা আমাদের সরকার তখন হয়তো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে নতুন ধারা সংযোজন করে বলবেন এই ধরণের ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয়। যাদের বাসায় এমন যন্ত্রাংশ পাওয়া যাবে তাদের ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ডের বিধান থাকে নতুন আইনে।

সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আমাদের বিপ্লবী তরুণেরা ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করবে, ফ্রি ইন্টারনেটের দাবীতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। আমাদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার তাগিদটা যেভাবে ক্রমবর্ধমান, আমার আশংকা আগামী শতাব্দীতে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির পরিমাণ হবে ধীর। ব্যবসায়িক কারণে হয়তো প্রযুক্তির বিকাশ অব্যহত থাকবে কিন্তু যন্ত্রাসক্তি এবং নিজেকে জানান দেওয়ার তীব্র প্রতিযোগিতায় প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং বৈজ্ঞানিক ভাবনার অগ্রগতি পুনরায় অষ্টাদশ শতকের পর্যায়ে নেমে যাবে।

আমাদের আত্মরতিপরায়নতা এবং মুফতে তথ্য প্রযুক্তিসেবা ব্যবহারের আসক্তি যে পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে ধীরে ধীরে হয়তো পরবর্তীতে সরকার এবং কতৃপক্ষ আমাদের আসক্তি ব্যবহার করে আমাদের ডিজিটাল কারাগারে বন্দী রাখবে। ডিজিটাল লক আউট এমন একটা প্রকল্প যেখানে একটি নির্দিষ্ট সীমানার ভেতরে ফ্রি হাইস্পীড ইন্টারনেট এবং ফ্রি খাওয়ার সুযোগ থাকবে। ইন্টারনেট আসক্ত মানুষেরা যে যার যন্ত্রপাতি নিয়ে সে সীমানার ভেতরেই বসবাস করবে। পর্যাপ্ত খাওয়া এবং পর্যাপ্ত ব্যান্ড উইডথ থাকলে এরা সভা সেমিনার আন্দোলন নিয়ে মাথা ঘামাবে না।

বর্তমানের ঢাকা শহরে অবশ্য এমন একটা উন্মুক্ত ডিজিটাল কারাগার আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্ত্বর। সেখানে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় এবং সকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত সেখানে তরুন তরুনী মুফতের ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের জীবনযাপনের যাবতীয় তথ্য সম্প্রচার করে। আমার ধারণা যদি কোনো দিন রাজু ভাস্কর্যের উপরের চত্ত্বরে যদি একদল যুবক অন্য একজনকে কুপিয়ে হত্যা করে আধা ঘন্টা ধরে কিংবা যদি সেখানে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাও ঘটে, টিএসসির মুফতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এইসব তরুণ তরুণী সবাই ল্যাপটপ আর জি৩ ফোন ব্যবহার করে সেসব দৃশ্য ধারণ করবে তারপর সে ভিডিও ইয়ুটিউবে আপলোড করে ফেসবুকে শেয়ার দিয়ে লিখবে হ্যাপেনিং নাউ- কি নৃশংস, এই হলো আমাদের বাংলাদেশ।

ডিজিটাল সরকার কৌশলী হলে ফেসবুক প্রজন্মের কোনো সংঘবদ্ধ আন্দোলন প্রতিরোধে দাঙ্গা পুলিশ পাঠাতো না বরং ২০টা ভ্যানে হাই স্পীড ইন্টারনেট রাউটার বসিয়ে আন্দোলন বানচালের চেষ্টা করতো। ইন্টারনেট রাউটারের সর্বোচ্চ পরিসীমা হবে ১০ মিটার। ২০টা ভ্যানে ২০টা গিগাবাইট রাউটার বসিয়ে উপরে বড় করে আন্দোলনকারীদের সমর্থনে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা ব্যনার ঝুলিয়ে দিলে আন্দোলনকারীরা ভ্যান অনুসরণ করে নিজের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে যেতো।

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.