ইউজার লগইন

গ্রো আপ- দেন ওয়েক আপ...

একটি কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। কথা বলতে পারা এবং সঠিক স্থানে সঠিক কথাটা বলতে পারা একটি শিল্প। এবং এর মাঝে পার্থক্য আগারতলা আর চৌকির তলার মতো। লিখতে পারা বিষয়টিও ক্ষানিকটা তেমনই। সঠিক পয়েন্টে সঠিক লেখাটি লেখা এবং "মন-গড়া" আত্ম বিবেচনা বর্ণনা করা বোধ হয় পাগলে কিনা লেখে প্রবাদের মতোই। (এজন্যই আমি কম লিখি..Smile..)
আজকে আমার পরিবেশনা বাংলাদেশের, বাংলা ভাষাভাষীদের "লেখক" হয়ে ওঠার মনোভাবকে কেন্দ্র করে। প্রথমেই অভ্যাস অনুযায়ী ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি..

প্রসঙ্গক্রমে বলে নিতে চাই, কিছু বিষয় পুরোন। যা বার বার হয়তো আমার লেখায় আসে। যেমন ধরুন পারসোনার 'ক্যামেরা' বিষয়ক বিষয়টি। এটি নিয়ে বিভিন্ন জনে নানা ধরণের বিশ্লেষণ দিয়েছেন, যুক্তি দেখিয়েছেন, সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করেছেন। যা আমি সম্মান করি এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্বাসও করি। এই সেক্টরে কাজ করার সুবাদে কোন নদীর পানির গভীরতা কতটুকু তা বোঝার ক্ষমতা সৃষ্টিকর্তা আমাকে দিয়েছেন বলে আমি বিশ্বাস করি। ষোল কোটি মানুষের মাঝে নগণ্য আমিও যখন কারো মনোযোগ কাড়তে পারি - মাত্র একটি স্টেটাস দিয়ে, তারমানে ডাল মে কালা আউর কালেমে ডাল হ্যায়। সেই পুরান কাসুন্দী ঘাটাবো না। কথা বলবো, তৌহীদা শিরোপাকে নিয়ে। মেয়েটি প্রথম আলোয় লেখে..সম্ভবত বিশেষ করে নকশায়। 'পারসোনা' ঘটনার কিছুদিন পর, প্রথম আলো ছাপালো পারসোনাকে নিয়ে মোটামুটি পজিটিভ কিছু, যদি ভুল না হয়, শিরোনাম ছিলো, "পারসোনার ক্যামেরাতো কিছু পাওয়া যায়নি" টাইপ কিছু। আমাদের ইন্টারনেট লেখকরা জেগে উঠলো..সবকিছু ফেলে শিরোপাকে নিয়ে আজে বাজে কথা লেখা শুরু করলো, যা এখানে উল্লেখ করে আমার লেখাকে নষ্ট করতে চাইনা।
অবশ্যই যারা লিখেছে, তারা "ব্লগার" হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার যোগ্যতা কতটুকু অর্জন করেছে তা প্রশ্নের ব্যাপার। যাদের আমি লেখক হিসেবে চিনি তারা কোন রকম খারাপ উক্তি করেছে বলে আমার মনে পড়েনা। অতএব এটা তারাই করেছে যারা "লেখা এবং ভালো লেখা"র পার্থক্য বোঝেনা।
যাই হউক, খারাপ লেগেছে তখন, যখন মেয়েটির ফেইসবুক প্রোফাইল কপি করে লিংক পোস্ট করেছে। মেয়েটির ছবি অনুমতি না নিয়ে ব্যবহার করে মন্তব্য করেছে। আমার প্রশ্ন হলো, এটা কোন আচরণবিধির মাঝে পড়ে? যারা মেয়েটিকে গালাগাল করেছে তারা কি জানে একটি লেখা কখনই সম্পাদকের অনুমতি ছাড়া ছাপা হয়না! হয়তো মেয়েটিকে অ্যাসাইনই করা করা হয়েছে এভাবেই স্টোরি করার জন্য। সেক্ষেত্রে মেয়েটিকে এভাবে উপস্থাপন করা কোনখানকার স্মার্টনেস কে জানে। শুধু তাই নয়, বিশেষ ক্রিয়েটিভরা পরিমলের সাথে কানিজ আলমাসের ছবি যুক্ত করে যে মস্করা করেছে আমি মনে করি তা "পারসোনা" এবং "পরিমল" উভয় বিষয়কে হালকা করে দিয়েছে..ভাবতেও অসহায় লাগে যে এরা আমাদের পরের প্রজন্মের কাছে ব্লগার হিসেবে পরিচিতি পাবে! ভাবুন তো সেটার লেভেলটা কি হবে?

শুনেছি, সায়কার একটি লেখাতেও বায়বীয় লেখকরা অশ্লীল মন্তব্য করেছে। আমার ফেসবুকে আমার নিজস্ব ধারনা লিখলে কার উদরে বিষম হয় সেটা তো আমার দেখার বিষয় নয় (অবশ্যই যদি লেখাটি যুক্তিযুক্ত, েসাশাল ইস্যুর ক্ষেত্রে সঠিক তথ্যনির্ভর এবং শ্লীল হয়) । তাহলে বায়বীয় লেখক এবং আসিফ মহীউদ্দীনকে নাজেহাল করা প্রসাশনের পার্থক্য কোথায়। গলদ যদি নিজের থাকে অন্যকে গলতির বালতি বলা মোটেই স্মার্টনেস নয়।

পুরোন কথা নিয়ে ভাবতে ভাবতেই সে দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলম দাদুর স্টোরি পড়লাম। বোকামি যে লিংকটা কপি করে রাখিনি। ঘটনা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ে কলম বিক্রি করে বেঁচে থাকা কলম দাদুর মিথ্যে অসুস্থতার গল্প ফেঁদে তাপস নামে একজন বেশ কিছু টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এবং সেই ফাঁদানোর ব্যবসায় তাকে সহায়তা করেছে আরেক ব্লগার। সে তাপসের কথা শুনে "মর্মান্তিক" ঘটনার বর্ননা দিয়ে এমন ব্লগ লিখেছে যে সাহায্যের বন্যা বয়ে যায়। পরবর্তীকালে এই ব্লগার তাপসের সাথে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করলেও সে যে সরেজমিনে কোন তথ্য না নিয়ে ব্লগ লিখেছে তা পরিষ্কার। যদি ব্লগিং এক ধরনের সাংবাদিকতা হয়, তাহলে সরেজমিনে তথ্য না নিয়ে কি করে মানুষ একটি ভারী বিষয় নিয়ে লিখে!! অজ্ঞতা যেখানে মজ্জাগত সেখানে শিক্ষার আলো পৌঁছাবেনা- এটা তারই প্রমাণ।
কিছুদিন পর বিষয়টি যখন ঠাণ্ডা হয়ে যাবে, তখন ক্ষতিগ্রস্থ হবে কেবল কলম দাদু...এরপর অসুস্থতার কথা হয়েতা কেউ বিশ্বাস করবেনা। একা ঘরে জীবন শেষ হলেও হয়তো কেউ উকিঁ দিবেনা ঐ এক তাপস আর তার ব্লগার বন্ধুর জন্য।

ভাবুন তো, যখন থেকে জেনেছেন ভিক্ষাাবৃত্তি এখন পেশা- কজনকে মন থেকে সাহায্য করেছেন?
অথবা মার্কেটে ছবি নিয়ে সহায়তা চাওয়া মেধাবী 'বন্ধু"র দলকে টাকা দান করেছেন? কারণ আপনিও জানেন, নিজেও জানেন, এদের আশি শতাংশ মাদকসেবী..অথচ এই আশি শতাংশের জন্য বিশ শতাংশ সত্যিকারের দুস্থ মেধাবী আজ অবহেলিত..

ব্লগারদের সরেজমিন তথ্য অজ্ঞতার কারণে অনেকে এখন অন্যায়কেও মেনে নেয়। হাসপাতালের একটি ঘটনা বলি, এক হাসপাতালে একজন মাদকসেবী গেছে পেটের পীড়া নিয়ে..উল্লেখ্য দির্ঘদিন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক নিয়েছে বলে তাকে ব্যাথা কমার ইঞ্জেকশন দেয়া যাচ্ছিল না। এদিকে কর্পোরেট সেই মাদকসেবী একেতে গর্ব করে বলছে সে প্যাথড্রিন নেয় বেশ কয়েক বছর ধরে, তার উপর গলাবাজী- কেন তার চিকিৎসা শুরু হচ্ছেনা। কতর্ব্যরত ডাক্তার আপ্রাণ চেষ্টা করে সমাজের কলং্ককে সেদিন বাচিঁয়েছেন। ঘটনা শুনে আমি বললাম, হাসপাতালগুলোতে সাইনবোর্ড দেয়া উচিৎ, মাদকসেবীদের প্রবেশ নিষেধ..তখন সেই ডাক্তার আমাকে বললেন, "হ্যা, তারপর আপনারই 'মাদকসেবী' কথাটা ফেলে ব্লগ লিখবেন, হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা হয়না!..তখন আমরা কি করবো?"

চুপ মেরে গেলাম, নিজের যুক্তিকে সহায়তা করার যুক্তি পেলাম না। ..

তবে আশার কথা এই যে, সহায়তার ব্যাপারে এখনো আমরা উদার এবং আন্তরিক। অন্তত পাশ্চাত্যের মতো একঘরো মনোভাবের নই মোটেই। এজন্যই জাগো ফাউন্ডেশনের শিশু দিবসের কার্যক্রমে আমরা আন্তরিকভাবে সাড়া দিয়েছি।
কিন্তু দুটো বিষয় উল্লেখ করতে চাই, জাগো'র শুভাকাঙ্খী বলেই। যে ছেলেমেয়েরা টাকা তুলছিল, তাদের কারো হাতে কোন টাকা রাখার আলাদা ব্যাগ, রেজিস্ট্রার বা জার দেখিনি। তারা টাকা নিয়ে প্যান্টের পকেটে বা পার্সে রাখছিল (বিজয় সরনী থেকে বনানীর পথে) । বন্ধুগণ, ছোট্ট এ অসচেতনতার জন্য মহান এই উদ্যোগের বারোটা বাজাবেন না। টাকাটি সংরক্ষণের বিশ্বাসযোগ্য আশ্বাস দিন। আমার পরিচিত অনেকেই টাকা রাখার এই পদ্ধতিতে প্রতিবাদ করেছে।
দ্বিতীয়ত, একটি ছবিতে দেখলাম, একটি দু:স্থ শিশুকে দুই জন জাগো ভলেন্টিয়ার ছুড়ে ফেলছে..বাচ্চাটির মুখে আতঙ্ক, ওদের মুখে হাসি!! এটা কেমন রসিকতা। এদের কাজে পাঠানোর আগে বলুন, এটা পিকনিক নয়, ফান নয়.. আমরা মনে করে সঠিক কাউন্সিলিং এসব ভলেন্টিয়ারকে দেশ এগিয়ে নেয়াতে সহায়তা করবে। এই উদ্যোগ নিতে হবে এক্ষুণী। বাচ্চারা আমাদের খেলনা নয়, বাচ্চারা আমাদের ভবিষ্যতের ধারক ও বাহক।

সেই ভবিষ্যতদের এভাবে ছুড়ে ফেলা থেকে বিরত করতে প্রয়োজন কাউন্সিলিং। যেমন প্রয়োজন সঠিক লেখাটি লেখার। জাফর ইকবাল স্যারের কন্যা কেন "স্লিভলেস' পড়বে এটা নিয়ে যখন পাতার পর পাতা লেখা হবে তখন বিষয়টি আমার বিবেচনামতে ভাবনারই বটে। ধর্মের উগ্রতাকেই নিয়ে যারা আছেন, তাদের অনুরোধ, এসব স্মার্ট উগ্র "ইয়ং"দের ফেসবুক গ্রুপ দেখে আসুন। দেখবেন এরা আরো ভয়ংকর এবং আদতে উগ্র মানুষ। এরা শুধুই "লিখে"। কি লিখে তা জানে না। শুধু লিখে..

কিছু হলেই ফেসবুক বা ব্লগ লেখা যখন ফ্যাশন তখন লেখাটি শেষ করতে চাই, আমার প্রিয় নাহিয়ান প্রসঙ্গ নিয়ে। যেই মিউজিশিয়ানকে অন্যায়ভাবে জেলহাজতে ভরে অত্যাচার করা হয়। এবং তার প্রতিবাদে অন লাইনে ব্লগ এবং ফেসবুকের মাধ্যমে মানব বন্ধন ডাকা হয়। পরে অবশ্য "সমঝোতা"র কারণে সেই মানব বন্ধনের মাঠ ছিল গড়ের মাঠ।
আবারও সেই একই কথা বলবো, এই বোকামীর দন্ড হবে এরপরে এমন প্রতিবাদসরূপ মানব বন্ধনে মানুষের অনীহা।
আমরা এরপরে কাউকে কোনভাবেই সাহায্য করার মতন মন-মানসিকতা পাবোনা এসব কারণে...

যদি এভাবেই চলে, তাহলে কুম্ভের জেগে উঠায় কিবা আসে যায়.. অসংখ্য কুম্ভ না হয়ে আগে দক্ষ হয়ে অর্জুনবেশে জেগে উঠাই কি বাঞ্ছণীয় নয়!!

*ব্লগ গুলো কি করে অপ্রাসঙ্গিক লেখা কন্ট্রল করতে পারে! আদৌ পারে কি? কোন নীতিমালা আছে?

পোস্টটি ১৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মিতুল's picture


ব্লগ গুলো কি করে অপ্রাসঙ্গিক লেখা কন্ট্রল করতে পারে! আদৌ পারে কি? কোন নীতিমালা আছে?

খুবই জরুরী প্রশ্ন। কেউ কি উত্তর দিবে ?

”আমাদের বন্ধু “ আমাকে আগে যতটা আকর্ষন করতো এখন আর তেমন করছে না।

যেনতেন লেখা পোষ্ট করার চেয়ে ভালো লেখা পড়া জরুরী।টাইপ করতে জানলেই ব্লগার হয়ে যাচ্ছি, বিষয়টা যথেষ্ট ভীতিকর।

আরেকটি বিষয়, প্রথম পৃষ্ঠায় যেনতেন লেখার চাপে ভালো লেখা পিছনে পড়ে যায়।এটার কি কোন সমাধান আছে?

রাসেল আশরাফ's picture


”আমাদের বন্ধু “ আমাকে আগে যতটা আকর্ষন করতো এখন আর তেমন করছে না।

কেন? আকর্ষন কমলো কেন?

রাতুল's picture


অনেক ভালো লেগেছে রুপকথাপু...Smile আমি নিয়মিত ব্লগার না....কিন্তু তারপরও আমি আপনার সাথে একমত...অ্প্রাসঙ্গিক লেখাগুলোর জন্য নীতিমালা প্রনয়ণ প্রয়োজন.।:)

student's picture


মুল চিনতা ভালো লেগেেস।

অনীক ইকবাল's picture


খুব সময়োপযোগী একটা পোস্ট। ধন্যবাদ। আমার মনে হয়, একটা ব্লগ ক্রিটিক কমিউনিটি গড়ে তোলা দরকার, যারা বিভিন্ন ব্লগ লেখার ব্যাপারে নিজেদের মতামত লিখবেন, রেটিং করবেন। সেটা কীভাবে সম্ভব জানিনা। তবে ধীরে ধীরে হবে আশা করা যায়। অন্তত আপাতত, প্রতিটি ব্লগেই একটা ক্যাটাগরি করা দরকার- যেটা হবে সেই ব্লগের এলিট ব্লগারদের লেখার সংকলন। যেখানে গিয়ে কোনো ফালতু লেখা পাওয়া যাবেনা। সেই এলিট শ্রেণীতে যুক্ত হতে গেলে থাকতে হবে কয়েক বছরের ব্লগিংএর অভিজ্ঞতা এবং ব্লগিংএর মাধ্যমে জনসচেতনতায় অবদান রাখার ট্র্যাক রেকর্ড। তাছাড়া, কবিতা, গল্প, খবর, টেকনলজি বিষয়ক পোস্ট, মুভি রিভিউ, সাম্প্রতিক বিষয়- এ সব কিছুই একই হোম পেজে প্রকাশ করা হয়। এটার পরিবর্তন দরকার। অন্তত একটা শ্রেণীভিত্তিক ইনডেক্সিং প্রয়োজন।

এছাড়া, হোমপেজে পোস্টের ক্রম পরিবর্তন করার অপশন থাকতে হবে। যেমন, একটা অপশন থাকতে পারে- বিগত ৩ দিনের পোস্টগুলি দেখতে চাই- তাদের জনপ্রিয়তার কমানুসারে। অর্থাৎ, গত তিন দিনের মধ্যে যে পোস্টটি সবচেয়ে বেশি লোক পড়েছে/কমেন্ট করেছে/প্লাস দিয়েছে- সেটা সবার ওপরে থাকবে। আবার, চাইলে আমি সময়ের ক্রমানুসারে সাম্প্রতিক পোস্টগুলো সবার ওপরে দেখতে চাইতে পারি। মোট কথা- ব্লগগুলোকে আরো কাস্টমাইজেবল করা দরকার।

রাসেল আশরাফ's picture


টাইপ করতে জানলেই ব্লগার হয়ে যাচ্ছি, বিষয়টা যথেষ্ট ভীতিকর।

ঐ জন্যতো লিখি কম!! Smile

নুরুজ্জামান মানিক's picture


পড়লাম তোমার ভাবনাগুলি । ভাল্লাগছে

লীনা দিলরুবা's picture


হুম

গৌতম's picture


বাংলা ব্লগ এখনো আতুঁড় ঘর পার হয় নি। আর যে কোনো নতুন প্রযুক্তিকে প্রথমে কচলে তেতো বানানোতে আমরা যথেষ্ট দক্ষতার প্রমাণ বারবারই দিয়েছি।। মোবাইল ফোন যখন প্রথম আসলো তখন এটা নিয়ে আদিখ্যেতা এবং মিস কলের সমাহার নিশ্চয়ই মনে আছে? কিন্তু আস্তে আস্তে মোবাইল ফোন যখন জীবনের সঙ্গী হয়ে গেল, তখন এই উটকো ঝামেলাগুলো আস্তে আস্তে কমতে থাকলো।

বাংলা ব্লগকেও আমার সেরকমই মনে হয়। আগে কোনোদিন লেখার সুযোগ পায় নি, কোনো ধরনের মডারেশন বা সম্পাদনার ঝুলিতে কোনো লেখা পড়েনি- এমন মানুষ (ব্যতিক্রম ছাড়া) স্বভাবতই লেখার সুযোগ পেলে যা ইচ্ছে হোক লিখে দিবেন। আস্তে আস্তে যখন দেখবে এই ওপেন স্পেসের সে অপব্যবহার করছে কিংবা তার লেখায় মানুষ বিরক্ত হচ্ছে, তখন যদি আত্মসচেতনতা কাজ করে, তাহলে তার কাছ থেকে চিন্তা ও গঠনমূলক লেখা বেরিয়ে আসবে। আজকে সামুর প্রথম পৃষ্ঠায় যখন যাই, তখন খুব বিরক্তি উঠে যায় কারণ সেখানকার মডারেশন পলিসি কি তা আজো বুঝতে পারি নি। অন্যদিকে যেসব ব্লগে মডারেশন আছে, সেখানে তুলনামূলক ভালো লেখাগুলোই পড়া যায়।

স্বাধীনতাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করাটা আমরা এখনো শিখে উঠতে পারি নি।

১০

সাজেদুল ওয়াহিদ নিটোল's picture


আপনার ভাবনাগুলো ভালো লাগল।

১১

একজন মায়াবতী's picture


পোস্ট ভালো লাগলো আপু। আপনার সাথে একমত। Smile
তবে জাগোর যে ছবিটার কথা আপনি বললেন সেটার পরে আরো কয়টা ছবি আছে। চাইলে দেখতে পারেন জাগো

১২

রুম্পা's picture


লিংক শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ মায়াবতী.. ফেইসবুকের আমলে "ছবির খেলা" একটি আননন্দদায়ক বিষয়। আপনি যা বলতে চাইছেন- আমি তা বুঝেছি..কিন্তু আমি যা দেখেছি বনানী- গুলশান এলাকায় দেখেছি এবং শুনেছি তা হয়তো আপনি দেখেননি। যখন একটি মহৎ উদ্যোগ "ফটোসেশন" এ উৎসর্গ করা হয় তখন দো মুখ ফিরিয়ে নেয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। আমি আবারো বলছি, জাগো একটি ভালো কাজ করছে বলেই এর স্বচ্ছতা প্রয়োজন। আশা করি সকলে এতে একমত হবেন। Smile

১৩

একজন মায়াবতী's picture


আপনি যা দেখেছেন আপু বনানী- গুলশান এলাকায় সত্যি বলতে সেটা কম বেশি সব পয়েন্টেরই চিত্র। আমি নিজেই গতবছর গুলশানে জাগোর জন্য কাজ করেছি, দেখেছি। Sad

অনেক কিছু হয়ে গেছে এরমধ্যে জাগো নিয়ে। প্রশ্ন উঠার মতো অনেক কাজই করেছে তারা। ফেসবুকে, বিভিন্ন ব্লগে প্রশ্ন করাও হয়েছে তাদের যার কোনোটার জবাব তারা দেন নাই।

ভালো উদ্যোগ যেন ভালোই থাকে এছাড়া আর কিছুই বলার নাই।

১৪

প্রিয়'s picture


ভাবনাগুলো সুন্দর।

১৫

তানবীরা's picture


আপনার ভাবনাগুলো ভালো লাগল।

১৬

জেবীন's picture


ভালো লাগলো আপনার লেখাটা।

১৭

আরাফাত শান্ত's picture


ভিন্নমত ছিলো একটু তা আর বলে কথা বাড়ালাম না।তবে ভাবনা গুলা ভাবার মতোই!

১৮

রুম্পা's picture


এটা কেমন কথা বললেন ভাইজান? কেন আপনার মতটা বললেন না? ব্লগ মাত্রই সেখানে যুক্তি এবং পাল্টা যুক্তি থাকবে..আপনি কিছু বললে আমি বলবো না বা আমি কিছু বললে আপনি বলবেন না- তা হলে তো আলোচনা জমবে না! বলেন, মন খুলে মনের কথাটা বলেন- ফের দেখা যাবে.. Smile

১৯

মীর's picture


এই লেখাটা আমার মনোঃপুত হৈসিলো। তার মানে অবশ্য এই না যে, অন্য কোনো লেখা মনোঃপুত হয় নাই। আসলে তো আপনের সব লেখাই আমার ভালো লাগে। খুব ভালো লেখেন তো তাই। Smile
যাক্ আছেন কেমন রুম্পা'পু? নতুন লেখা কই?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

রুম্পা's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি তো ভালো মানুষ। বেড়াতে, বই পড়তে আর ঘুমাতে পছন্দ করি। আর অন্তত তিন মাস পর পর একদিন একদম একা থাকতে পছন্দ করি।