ইউজার লগইন

পুরানো সেই দিনের কথা-৪

বছর বিশেক আগে এই ডিসেম্বর মাস আসলে মনে হতো কত কি জয় করে ফেলেছি।স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।সন্ধ্যার পর টিভি দেখলে আব্বা আম্মা কিছু বলতো না।আর তক্কে তক্কে থাকতাম বড় মামা কবে গ্রামে যাবে।গেলেই তার পিছু নিতাম আমাকেও নিয়ে যেতে হবে।

গ্রামে যাওয়ার আগের রাতে কেন জানি আমার ঘুম হতো না টেনশনে।সারারাত গ্রামের ভাষা প্র্যাক্টিস করতাম এই যেমন গোসল করাকে ‘নাইতে’ রাস্তা কে ‘হালুট’ বাজারকে ‘হাটখোলা’ মুড়ি কে ‘উরুম’ বলতে হবে।যাওয়ার সময় আম্মার কড়া বারণ থাকতো রোদে বেশী ঘুরাঘুরি আর নদীতে বেশীক্ষন গোসল করা যাবে না।আমি শুধু মাথা ক্যাত করে বলতাম আচ্ছা ঠিক আছে আর মনে মনে বলতাম খালি গিয়ে নেই।

রাজশাহী থেকে ট্রেনে চড়ে ভেড়ামারা তারপর সেখান থেকে বাসে করে হোসেনাবাদ টমটম অথবা ভ্যানে করে আবিদের ঘাট দিয়ে ট্রলারে করে নদীর ঐ পাড়। কিছুক্ষন হাঁটার পর নানার বাড়ি।কোনমতে জুতা খুলেই মামাদের সাথে পদ্মা নদীতে ঘন্টা দুয়েক গোসল সাথে কি যেন একটা খেলা হতো পানির মধ্যে থেকে চুল ছুয়েঁ পানির উপরে তোলা।আসার সময় রাস্তার পাশের ক্ষেত থেকে পিয়াজ আর রসুন তুলে আনতাম।আর এর জন্য সেজ ভাইয়া(আম্মার সেজ চাচা) খুব মন খারাপ করতো কারন অধিকাংশ সময় আকাম গুলো আমরা তার ক্ষেতের উপর দিয়ে করতাম।আর মটরশুটিতো দিনে কেজি পাচেঁক ছিড়তাম।

আমার সমবয়সী মামা ছিলো অনেকগুলা ছিলো কিছু খালাতো ভাই আর মামাতো ভাই সবাই ঐ সময় একসাথে হতাম আর মজাগুলো করতাম।আমার আরেকটা প্রিয় কাজ ছিলো ছোট রাখালের সাথে করে মাঠে গিয়ে রাখালদের সাথে ভাত খাওয়া টিনের একটাইপের প্লেট কেমন জানি খাড়া।আউশ ধানের ভাত আহা সে কি তার স্বাদ!!!!!এখনো লেগে আছে। জমিতে যখন মই দিতো তখন মইয়ের উপর দাড়িঁয়ে থাকলে পায়ে যে সুড়সুড়ি পাওয়া যেতো সেটা আমি এখনো মাঝে মাঝে পাই।

নানাবাড়ির এলাকায় শনিবার আর মংগলবার হাট বসতো।আমাদের কাজ ছিলো নানা মামারা যে চা স্টলে বসে আড্ডা দিতো সেই চা স্টলের সামনে ঘুরঘুর করা।ঘুরঘুর করার সুবাদে গুড়ের জিলাপী,গজা,সন্দেশ,আর গুল্লা খেয়ে পেট টিন টিন করে বাড়িতে ফিরতাম।

শীতের সময় নানাবাড়ি গেলে একেকদিন একেক পিঠা বানাতো বু(নানী)।যেদিন ভাপাঁপিঠা বানাতো সেদিন খুব ভোরে উঠে পিঠা বানানো শুরু করতো আর আমরা ছোটরা চুলার আশেপাশে শীতে জুবুথুবু হয়ে থাকতাম।একেকটা অনেক বড় হতো।

আরেকটা পিঠা আমার নানাবাড়িতে খুব চলে সেটা হচ্ছে চিতই পিঠা যেটা দুপুরে বানানো হতো দিয়ে মাংস দিয়ে খাওয়া হতো।আর রাতে বানিয়ে সেটা রস অথবা দুধে ভিজানো হতো সকালে খাওয়ার জন্য নামটা তখন পালটে হতো ভিজানো পিঠা।

কয়েকদিন ধরে এই চিতই পিঠা খুব খেতে ইচ্ছা করছে এই কারনে সেদিন অর্ডার দিয়ে চালের গুড়া আনাইছি কিন্তু কিভাবে বানাতে হয় সেটা জানি না আম্মা বা নানীকে জিজ্ঞাসা করতে পারছিনা।

কেও জানেন এর রেসেপি??????

আসার আগে শেষ পিঠা খেয়েছিলাম নানা বাড়ি থেকে তার ছবি দিলাম।

1_1.jpg

2_0.jpg

অফট পিকঃ মীর,নুশেরাপু,তাতাপু আর জয়িতা ফুপিরে উৎসর্গ করলাম পোস্টটা।

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

জ্যোতি's picture


আজ সকালে নীড়দার এক কমেন্ট পড়ে ছোটবেলার পিকনিকের কথা মনে পড়েছে খুব। এখন রাসেলের পোষ্ট পড়ে পুরা নষ্টালজিক হলাম।ছোটবেলার ডিসেম্বর মাস, নানার সাথে বেড়াতে যাওয়া, নানুর হাতের পিঠা খাওয়া ...সব মনে পড়ছে।সব হারিয়ে ফেলেছি। ফিরে পেতে ভীষণ ইচ্ছে করে।
রাসেল, আমি রান্না ভালো পারি না, তবু আমার পিঠা বানানোর পদ্ধতিটা বলি।একদম ফ্রেশ চালের গুড়া তো পাই না, ফ্রিজে রাখি অথবা শুকিয়ে রাখা হয়।তাই হালকা গরম পানি দিয়ে চালের গুড়াটা মোটামুটি পতলা করে মাখাই। তারপর কড়াই অথবা মাটির পাতিলে চালের গোলা গোল করে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢাকি। চুলা অল্প আঁচে খাকে।কিছুক্ষণ পর ঢাকনা তুলে পিঠা উল্টিয়ে দেই।
পোষ্টে আমার নাম দেখে ব্যাপক খুশী হইলাম। ধইন্যা।আপনে মীরের মতন বদ না।

রাসেল আশরাফ's picture


আসলেই কথা ঠিক জয়িতা

সব হারিয়ে ফেলেছি।

আর ফিরে পাবো না। Sad Sad Sad

জ্যোতি's picture


Sad

মীর's picture


সুতরাং ধইন্যাপাতা। আসেন হাত মিলাই। কোরিয়া (পুসান) গেলে আপনার সঙ্গে দেখা করবো।
নুশেরা'পুর দেখা পাই না কেনু কেনু...
১৯৯২'র পর রাসেল ভাই আরেকটা পোস্ট দিলো

আমি কি বদামি করলাম? @ জয়িতা'পু

টুটুল's picture


১৯৯২ - ২০১০ = ১৮+
মীর আসলে কি বুঝাইলো বুঝি নাই Wink ... এইটা কি ১৮+ পোস্ট?

রাসেল আশরাফ's picture


কবে আসবা পুসান?আর আমি জানুয়ারীর শেষে দেশে যাবো।তোমার সাথে দেখা করতে চাই।

১৯৯২ সাল মানে??? Crazy Crazy Crazy Crazy

শাওন৩৫০৪'s picture


ওয়াও!
এমনেই শীত শুরু শুরু করতাছে, এর মাঝে তুমি এরাম ধুপ কৈরা হিঁচড়াইয়া নিয়া গেলা লোকজনরে স্মৃতিকাতরতায়?
মটরশুঁটি ছেঁড়া কিংবা মইয়ে দাড়াইয়া থাইকা সুড়সুড়ি খাওয়া!! এমন ডিটেইলসে যে কেউ শৈশবের বিলয় বিন্দুতে হারাই যাইবো রে!
(যদিও আমার শৈশবে গেরাম নাই, কোনো কালেই নাই)
তাই, যারা যারা আইসা তোমার পোষ্টে স্মৃতিকাতর হৈবো, তাদের সমবেদনা আর হিংসা জানাইয়া গেলাম যুগপৎ।

টুটুল's picture


আসলে তোমার ব্যানারটাই আম্রারে স্মৃতীকাতর বানাইয়া দিছে Smile

রাসেল আশরাফ's picture


(যদিও আমার শৈশবে গেরাম নাই, কোনো কালেই নাই)

তোমার তো জীবনের ১৪ আনা মিছা।

১০

উলটচন্ডাল's picture


বাহ! চমৎকার লেখার হাত আপনার। পড়তে পড়তে খিদা লেগে গেল। গ্রামের রান্নার স্বাদ সবসময়ই অন্যরকম।খাওয়ার সময় মসলার গন্ধ আলাদা ভাবে পাই- শহরে যা পাই না।

১১

রাসেল আশরাফ's picture


ধন্যবাদ আপনাকে।

১২

টুটুল's picture


চিতই পিঠা ভাজার এই খোলা গুলো ঢাকায় ইভেন গ্রামেও প্রায় নাই হইয়া গেছে Sad

রাসেল্রে ধইন্যা

১৩

রাসেল আশরাফ's picture


আসলেই আমরা সব কিছু শহরের চাপে হারিয়ে ফেলছি। Sad Sad Sad

১৪

লীনা দিলরুবা's picture


শীতের সময় নানাবাড়ি গেলে একেকদিন একেক পিঠা বানাতো বু(নানী)।যেদিন ভাপাঁপিঠা বানাতো সেদিন খুব ভোরে উঠে পিঠা বানানো শুরু করতো আর আমরা ছোটরা চুলার আশেপাশে শীতে জুবুথুবু হয়ে থাকতাম।একেকটা অনেক বড় হতো।

মিলে মিলে যায়।

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


ধন্যবাদ লীনাদি পড়ার জন্য।

১৬

হাসান রায়হান's picture


মিলে যায়। নানার বাড়ি যাওয়ার মত আনন্দ আর কিছুতে ছিলনা ছোটবেলায়। আর নানা নানু যেন সব উজাড় করে দিতেন আমাদের খুশি করার জন্য।

মনে পড়ল সেই নানী এখন পাশাপাশি শহরে থাকেন কিন্তু দেখতে যাওয়ার সময় হয়না।

১৭

রাসেল আশরাফ's picture


নানার বাড়ি যাওয়ার মত আনন্দ আর কিছুতে ছিলনা ছোটবেলায়

একমত রায়হান ভাই।

১৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


সকালে খেজুরের রস (রাব - এটার খাঁটি বাংলা বলতে পারব না) দিয়ে এই চিতই পিঠা খেতে অনেক মজা।

১৯

রাসেল আশরাফ's picture


কিন্তু আমাদের এলাকায় মাংস দিয়ে খাওয়া হয়।

খেজুরের রস দিয়ে খাইনি কখনো।

ধন্যবাদ কাকা।

২০

রুমিয়া's picture


আহারে..!!! নানুর হাতের সেই পিঠা.. Sad

২১

রাসেল আশরাফ's picture


আহা রে.।.।।

২২

নাজমুল হুদা's picture


"হারানো সেই দিনের কথা ভুলবো কেমন করে ................."

২৩

রাসেল আশরাফ's picture


ভুলা যায় না দাদা ভাই।। Sad Sad

২৪

শওকত মাসুম's picture


নানার বাড়ি যাওয়ার মত আনন্দ আর কিছুতে ছিলনা ছোটবেলায়

এইটা আমার সাথেও খুব মেলে

২৫

রাসেল আশরাফ's picture


হুম।

২৬

জেবীন's picture


অনেক দারুন একটা লেখা...  Smile

ছুটিতে যাওয়া হইতো অনেক অনেক ছোট্টকালে নানাবাড়িতে। কিন্তু মজার স্মৃতি মনে আছে একখালার শ্বশুড়বাড়িতে করা দুষ্টুমিগুলা...  সক্কালবেলা উনার ভাসুরের খেজূঁরগাছে ঝুলানো হাড়ি থেকে রস নিয়ে খালি হাড়ি দিয়ে দিছিলাম ... Laughing out loud

পিঠা ভালো পারি না, তাই রেসিপি খুজেঁ দিলাম চিতই পিঠার, তবে চালের গুড়া যেহেতু আছেই ট্রি করতে পারেন ছিটা পিঠাটাও বেশ মজা ঝোলা গুড় কিবা গরুর মাংশের ঝুরি দিয়েও, কথায় আছে  দান দান তিন দান, তাই দিলাম আরো একটা মজার পিঠা নাম রসভরি তবে আমাদের বাসায় এটা দুধে ভেজানো থাকে।

শীতের হ্যাপা পিঠার নিয়ে আদ্দিকালে কষ্টের কাহিনী দিছিলাম সেইখান থেকে দুধ চিতই'য়ের ছবি দিলাম

 

২৭

রাসেল আশরাফ's picture


শুধু খালি করেছিলেন আর কিছু করেন নাই???

কমেন্টে দেখি রেফারেন্স দিয়ে ভরে ফ্যালাইছেন।পরে দেখুম নে।

এই জন্য একবাটি কিমছি শুভেচ্ছা। Smile Smile

২৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


সেই সময় প্রতি শীতে গ্রামে যেতাম। পরীক্ষা শেষ। থাকতাম ১০/১৫ দিন। আমাদের নানা বাড়িও একই গ্রামে। নানী তখন বেঁচে। সীমের বিচি দিয়ে মুরগী রান্না করে আমাদের খাওয়াতেন। চামুচে না নিয়ে নিজের হাতে পাতিল থেকে মুরগীর টুকরা নিয়ে আমাদের দিতেন। হাতে তুলে নেবার কারনে আমাদের (যারা তথাকথিত শহুরে) ঘেন্না লাগতো... অথচ বড় হয়ে বুঝলাম, কী মজা আর আন্তরিকতায় ভরা ছিল নানীর সেই পাতিল খুঁজে দেয়া মুরগীতে...
পিঠা খাওয়াতেন নিজের হাতে বানিয়ে... কত রকমের পিঠা... ছিতল হিডা (চিতই পিঠা), হাডি বঁডা হিডা (পাটি সাপ্টা পিঠা), আন্ডার হিডা (ডিমের পিঠা), ছাইন্না হিডা (শুদ্ধ নাম জানিনা), ধুঁই হিডা (ভাঁপা পিঠা)...
আজ নানী নাই, সেই সব পিঠাও নাই...
ক্যানো যে এই রকম লেখতে গেলা ভাইস্তে !!!!!

২৯

রাসেল আশরাফ's picture


কেন যে লিখলাম জানি না মুরুব্বি। Sad Sad Sad

৩০

তানবীরা's picture


আমি আমার ১৪ / ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত বছরে একবার করে ৫/৭ দিনের জন্যে গ্রামে যেতে পারতাম। আমরা সবাই কোরবানী ঈদ করতে "বাড়িতে" যেতাম। সব চাচাতো ভাইবোনেরা, পুরো পরিবার। টেনশনে আমারো আগের রাতে ঘুম হতো না। ভোর হওয়ার আগের মুহূর্তে ঘুম পেতো। লঞ্চে করে গেলে মনে হতো কতো আস্তে লঞ্চটা চলে।

দাদু আগে যেয়ে বাড়িঘর পরিস্কার করিয়ে কাজের লোক সব রেডী করে রাখতেন তার আদরের নাতী নাতনীদের জন্যে। যখন কোরবানী ঈদ শীতের সময় পড়ত, তখন গ্রামের বাড়িতে শীতের পিঠা হতো। আব্বুরা লোকদের বলে রাখতো খাটি খেজুরের রসের জন্যে। ভোরে রসের কলসী নিয়ে লোক আসতো। শাল দিয়ে আমাদেরকে আপাদমস্তক প্যাচিয়ে রাখার পরো, রসের গ্লাসে চুমুক দিলেই আমাদের গা কাঁপাকাপি শুরু হয়ে যেতো।

মাঝে মাঝে কোরবানীর ঈদ আর দুর্গাপূজা একসাথে পড়তো। তখন অন্যেরাও পূজা উপলক্ষ্যে বাড়িতে যেতো। ওদের বাড়িতে আমাদের দাওয়াত হতো। আহা কি সুন্দর সময় ছিলো।

মাথা কাঁত হয় জানতাম। "ক্যাত" হওয়া প্রথম শুনলাম Wink

এই জীবনে প্রথম কেউ আমারে পোষ্ট উৎসর্গ করলো। অনুভূতি প্রখর। কিন্তু কেনো উৎসর্গ করা হলো? আমি পিঠা বানাতে জানি না বলেই কি? Puzzled

৩১

রাসেল আশরাফ's picture


আমার আম্মার সামনে মাথা কাঁত হতো না ক্যাতই হতো। Wink Wink

খালি হাসিনা-খালেদার মতো প্যাচ খুঁজেন?? Crazy Crazy

৩২

সাহাদাত উদরাজী's picture


কাকা,
কিমচির রেসিপিটা পাঠান। এখন দেশে ব্যাপক মুলার শাক (কিমচি বানাতে চলবে তো) পাওয়া যাচ্ছে। আমি অনেক বার কিমচি খেয়েছি। এবার নিজে বানিয়ে খেতে চাই।

৩৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মুলা ! কী গন্ধরে বাবা ! Wink

৩৪

রাসেল আশরাফ's picture


কাকা@ এখানে মুলার শাক দিয়ে কিমচি বানাতে দেখি নাই।সবই তো বাধাঁকপি দিয়ে বানায়।তাও আমাদের দেশের বাধাঁকপি না।এখানকার এই বাধাঁকপির নাম ''ভেচু''।আপনার জন্য রেসেপি দিয়ে দিলাম।

Korean Kim Chi Recipe
(KimChi)
Ingredients :

1 big Chinese cabbage (approximately 1 lb)
1/2 cup sea salt
1/2 teaspoon of Cayenne pepper
6 Finely chopped scallions
2 finely chopped garlic cloves
5 cm grated ginger
3~4 teaspoons chopped chili
1 tablespoon fine sugar
2 1/2 cups drinking water
Cooking Method :
First halved the Chinese cabbage before cutting them into large pieces of the bite-sized. Then start layering the cut cabbage by using a big bowl before sprinkling some salt on top of them. Once you have finished with the first layer, continue with the next layer until you have used up all the cabbage. However, remember to end the final layer with salt. Next is to get a heavy plate to be placed on top of the layered cabbage as they need to be weighted down with some heavy items. Then leave aside for about 5~6 days in a cool spot. After the few days, remove the weighted items and discard off any liquid in the bowl before rinsing the earlier layered cabbage with cold running water.

Remove as much excess water as possible before adding the pepper, scallions, ginger, chili, garlic and sugar. Toss them well to combine thoroughly before putting them in a dry and sterilized container. Add the drinking water into the container and tightly seal with a lid. Keep refrigerated for about 4 days before it will be ready for consumption.

সাথে একবাটি কিমচির ছবি

kimchi.jpg

৩৫

অতিথি's picture


খুবিই মনোমুগ্ধকর........................কোথায় যেনো হারানোর ইচ্ছে হয়......

৩৬

নুশেরা's picture


এই পোস্টটা আমি ক্যাম্নে মিস করছিলাম! ধিক্কার নিজেরে।

রাসেলরে, শীতের পিঠার স্মৃতি তো পুরাই 'চিমটি কাঠ'! মাটির খোলার মতো পিঠা টেফাল বা বেসেমারের হাজার ডলারের ননস্টিকি প্যানেও হয় না। চিমসায় যায়। আমি মেলবোর্নে হ্যান্ড লাগেজে করে মাটির খোলা নিয়ে গেছিলাম। অথচ দেশে এসে আর বানাইনা। তুমি চিটাগাং আসবানা ভাই?

৩৭

রাসেল আশরাফ's picture


ঐ সময় আপনি নিখোঁজ ছিলেন। Smile Smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

রাসেল আশরাফ's picture

নিজের সম্পর্কে

কিছুই জানি না...