জেলার নাম কুষ্টিয়া
গত পাঁচদিন কুষ্টিয়া কাটিয়ে আসলাম।এবার শহরের আমার প্রিয় জায়গা গুলাতে আমি ইচ্ছা করেই যাইনি বা যাওয়া হয়ে উঠেনি।জায়গাগুলো মনের মধ্যে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক সেই কারনে। কিন্তু কুষ্টিয়া মনে হয় আগের মতোই আছে।সেই রকম নিরিবিলি।যে রকম দেখে আসছি ছোটবেলা থেকে।এই শহরটা আমার জন্মস্থান কিন্তু এই জীবনে এই শহরে আমার গোটা তিরিশদিনও থাকা হয় নাই।ছোটবেলাতে নানাবাড়ি গেলে আমরা ছোটরা স্কুলের সমাজ বই নিয়ে বসতাম দেশের কোন বিভাগ বেশি ভালো এই নিয়ে বরাবরের মতো আমি আর আমার এক খালাতোভাই থাকতাম রাজশাহীর পক্ষে আর বাড়ির অন্যরা থাকতো খুলনা বিভাগের পক্ষে।তখন খুব মন খারাপ হতো কারন জন্মস্থান আমার কুষ্টিয়া হলেও আমি খুলনা বিভাগের লোক হতে পারতাম না বলে।
রেনউইক বাঁধ আর পৌরসভার সামনের জায়গাটা আমার খুব প্রিয়।বন্ধুবান্ধব মিলে অনেক আড্ডা দিয়েছি এই জায়গা দুটোতে।অনেকদিন নদী পার হয়ে গড়াই নদীর ঐপাড়ে চলে গেছি গ্রামের রাস্তাইয় হাটাঁর জন্য।এবার কিছুই করি নাই।বন্ধুবান্ধবরা যার যার কাজে ব্যস্ত।সারাদিন ওদের অফিস সন্ধ্যার পর শুধু একটু আড্ডা।আর সারাদিন নানাদের সাথে ঝগড়া কেন তারা চালের দাম বাড়াচ্ছে? এই নিয়ে।
‘মনেরমানুষ’ দেখলাম বনানীসিনেমা হলে। আমি এর আগেও এই সিনেমা হলে সিনেমা দেখেছি কিন্তু এবার শুধু হতাশ না খুব কষ্টও পেয়েছি। হলের টিকিটে কোন সিট নাম্বার দেয়া নাই।যে যেখানে পারছে বসে পরসে।সিটগুলো ছিড়েঁ গেছে দেখে ইউরিয়া সারের বস্তা দিয়ে মুড়িয়ে দেয়া হয়ছে।মশা ভন ভন করে উড়তেছে সাথে কিছু চড়ুইপাখিও দেখলাম ঊড়তেছে।আর সিনেমা শুরুর পর দেখলাম কিছু বাদুঁড়ও উড়ছিলো।সাউন্ড সিস্টেম এতো খারাপ আমি সংলাপের পঞ্চাশভাগ বুঝি নাই।কিন্তু যখন একটা করে গান শুরু হচ্ছিলো পুরা হল সেই গানের সাথে তাল দিচ্ছিলো।গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলো বার বার।পুরা সিনেমা হল হাউজফুল এমনকি বের হওয়ার সময় দেখলাম কিছু এক্সট্রা চেয়ার দেয়া হয়ছে অতিরিক্ত দর্শক সামাল দেয়ার জন্য।
এই শহরটা দিনে দিনে একটু একটু করে পরিবর্তন হচ্ছে কিন্তু তার ছিমছাম কাঠামো ঠিক রেখেই।সবাই দেখলাম ডেপেলপার দিয়ে বাড়ি তৈরী করাচ্ছে।কিন্তু এন এস রোডটা ঠিক আগের মতোই আছে। হালিম খেলাম সেই আগের মতোই ডাল রান্না,থানার মোড়ের চটপটি আগের মতোই বেশি লবন দেয়া।কোর্ট ষ্টেশনের পিয়াজুও আগের মতোই।তাহলে কেন আমি বা আমরা আগের মতো থাকছি না।





গভীর রাতে হালিম খাওয়ার কথা বলায় আপনাকে মাইনাস।
সিনেমা হল টা যেমনই হোক না কেন আপনি যে সাথে এমন দর্শক পেলেন সেজন্য হিংসা।
কুষ্টিয়াতে যে থাকলেন, কারো দেখা কি পাওয়া গেলো?
মাইকিং করা হয়ছে।কিন্তু সময়সল্পতার জন্য প্রজেক্ট বাদ দেয়া হয়ছে।
আপনেরও দেখি কপাল পোড়া।এমনই বোধ হয় হয়। সমবেদানা।বেদানা কিন্তু মিষ্টি।
কি আর করা আপাতত বেদেনা খাই।আর কোরিয়া গেলে বেদেনার জুস খামু নে।ঐখানে বেদেনার জুস খুব জনপ্রিয়।
মাইয়ার বাপরে রাজী করাইতে গেলে এমনই হপে। মাইয়ার বাপরে কি দরকার?হারিয়ে যাওয়া গান্টা শুনেন। মীররে বলেন লিংক দিতে।
মাইয়ারে কই আর ঈভটিজিং এ ধরা খাই।ভালো বুদ্ধি।

মীরের গল্প পড়েও কিছু শিখলেন না। এজন্যই আপনেরে বুকটুস কই।
মেয়েদের মন এতই নরম যে তারা অকারণেই পটে যায়।
কে যেন আজ কইলো মেয়েদের মন স্টীলের তৈরী।
কত অজানারে।

নাদান বালক।
এরপরেরবার গেলে বনানী সিনেমা হল আর নাও দেখতে পারেন। দেশে পুরোনো সিনেমা হলগুলো ভেঙ্গে ফেলার মচ্ছব লেগেছে। সর্বত্র প্রায় একই অবস্থা।
সে আর বলতে??
রাজশাহী শহরে এখন একটা সিনেমা হল।বাকী তিনটাই ভেঙ্গে ফেলা হয়ছে।আর হল মালিকরা না ভেঙ্গে করবে কি??এই হল গুলো টিকিয়ে রাখার জন্য আমার মতে হিন্দি সিনেমা আমদানী করা উচিত।
শহরগুলাতে এখন একটা করে সিনেপ্লেক্স মানের হল বানানো উচিত। এবং মফস্বলেও সিনেপ্লেক্সএ যা দেখায় দেখানো উচিত। দেশের মানুষ মুভি দেখা বিষয়টার সঙ্গে পরিচিত হৈতে পারে।
পুরাতন স্মৃতির শহরে বহুদিন পর একা একা ঘুরতে শিরশির লাগে।
ইভটিজিং করা লাগতেসে ক্যান?
বুঝলাম না।
বুঝতেসি না তো আমি। কেউ দেখি কোনো খবরও দেয় না।
বাংলাদেশে এসে ব্যস্ত হয়ে গেছে। বালিকার বাপরে পটাইতে না পেরে বাউল হতে চায়।
বালিকাকে সাথে করে কোরিয়ায় নিয়ে গেলেই হয়। এক বছরের মধ্যে সবার সবকিছু মেনে নেয়ার কথা।
সে তো এই কথা শুনলো না। সে শুনলো ভুট্রো সাহেবের কথা। কোরিয়ান চান্তেক বিবাহ করবে মনের দুঃখে।সারাক্ষণ চ্যাং ব্যাং শুনবে আর মাথার চুল ছিঁড়বে।
কোরিয়ান চান্তেক চ্যাং ব্যাং বলবে কেনো??
সারাদিন বলবে.당신을 사랑합니다
ভুট্টো সাহেব কি চায়? @ রাসেল ভাই
সেটা বেনজীরের বাপ জানে।
আমি সবসময় আপনের পক্ষে আছি। ডোন্ট ওরি ব্রো।
আমরাও দাওয়াত খাওয়ার জন্য বসে আছি।
লেখা আর মন্তব্য সবই খুব ভালো লাগলো । আমার বন্ধুর এক নম্বর ব্যাচেলর তাহলে রাসেল আশরাফ । তার পাত্রী নিয়ে সবাই ভাবছে দেখছি । বার বার তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে সবাই তাও লক্ষ্য করছি। রাসেল আশরাফকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্য ব্যাচেলরদের উপেক্ষা করা হচ্ছে । ব্লগতো বন্ধুত্বের পাশাপাশি আর একটু এ্যাডভান্স কিছু করতে পারে । রাসেল আশরাফ সহ বাকীদের কপালে কিছু যোগ হয় । ২০/২৫ দিনের জন্য দেশে গিয়ে পাত্রী পাওয়া কি যে কঠিন তা দেখছি অস্ট্রেলীয়া প্রবাসী এক বন্ধুকে দেখে, বিগত ৫ বছর থেকে চেষ্টা চলছে , একাধিক পত্রিকায় ধারাবাহিক বিজ্ঞাপন দিয়েও লাভ হয়নি । এ ক্ষেত্রে ব্লগের একতা দায়িত্ব থাকা উচিৎ । বন্ধুরাতো থাকে বন্ধুর জীবন সহজ আর সুন্দর করতে । এবি কি একটু এগিয়ে আস্তে পারে না ?
নারে ভাই এক নাম্বার না।আরো কতজন আছে।
তয় প্রস্তাব পছন্দ হয়ছ।আর দাদা কি খুব শীঘ্রই দেশে আসতেছেন?তাইলে আপনারটা দিয়ে শুরু হোক।
সারা জীবন ভালো প্রস্তাব দিয়ে গেলাম, কোন প্রস্তাবই কেউ ভেবে দেখলো না । তবে আপনারা ব্লগের কড়া মেম্বার, আপনারা যদি চাইপা ধরেন তবে এবি এ ব্যাপারে কিছু না করে পারবে না । আমাকে দিয়ে শুরু হবে না , কারণ এবি এর সব মেম্বার আমার উপরে সে রকম বিলা । একবার পাইলে কান মইলা ছিড়া ফালাইব । এক খান পোস্ট দিছিলাম, নিজের কানটারে সারা জীবনের জন্য বিপদে ফেলছি । গরীব মানুষ দেশে যাওনের প্লেন খরচা নাই। এ বছরের প্লেন খরচা অফিস থেকে তুলে খেয়ে ফেলেছি । দেশের কথা বইলা মনটা কাবু কইরা দিলেন ।
কড়া ব্লগার???এটা আবার কি জিনিস??
আপনার উপর কেও বিলা না।আপনি যদি হুদাই কারো কান ডলতে চান তাইলেতো আপনারটাও ডলবো।সেটাই নিয়ম। প্লেন খরচার টাকা দিয়ে কি খাইছেন?? সিঙ্গারা না কালাইয়ের রুটি??
মানে হলো ব্লগে যাদের সমাদর আছে আর যারা জনপ্রিয় ব্লগার । বেশি লিকারের চা যেমন কড়া চা ঠিক তেমনি আদৃত ব্লগাররাও কড়া । ভাষার ভেরিয়েশন আর কি ? আশা করি ব্যাখ্যাতীত ব্যাপারটা বুঝেছেন ।
ছবি তুলেন নাই কেনো? ক্যামেরা নিতে ভুলে গিয়েছিলেন? পরের বার এই রকম ভুল করলে খবর আছে!
তবে লেখার বিষাদটা ঠিকই মন ছুঁয়ে গেল।
ধন্যবাদ দাদা।
ছবি ইচ্ছা করেই তুলি নাই।
ছবি না দেয়ায় পোস্টে মাইনাস। তবে বর্ণনা সুখপাঠ্য হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা আমারও ভীষণ প্রিয়। জানি না আবার কোনোদিন সেখানে পা রাখার সৌভাগ্য হবে কি না।
ছবি না দেয়ার জন্য আমার যদি মাইনাস প্রাপ্য হয় সেটা মেনে নিলাম।কিন্তু আপনারে কি করুম?অষ্ট্রেলিয়া গিয়া আপনে পর হয়ে গেছেন।
পোস্ট, কমেন্ট সব মিলে দারুণ 'সমৃদ্ধ' একটা প্রদর্শনী।
লোকজন দেখি আজকাল "উনার পাতে দৈ দেন" বলে না। "খালি উনারে দিলেই হবে, আমারে দ্যাখেন না?"-- এই হৈলো অবস্থা।
সেই দিন কি আর আছে????দিন বদলাইছে না!!!!!!!!

মীরকে নিয়ে কুষ্টিয়া লালনের মাজারে গেলে আমার জমতো বেশ।
লালনের মাজারে গেলে এমনিতেই জমে যাবেন। যদি কখনো যান তাহলে লালনের জন্ম অথবা প্রয়াণতিথি তে যাবেন,তাইলে বুঝবেন জমাজমি কাকে বলে কাকা।

আমি কুষ্টিয়ায় ছিলাম মাত্র ছয় মাসের মত । পুলিশ লাইন স্কুলে ভর্তি হইছিলাম । শুনছিলাম সেই স্কুলে নাকি বাচ্চাদের পিটায়ে হাস্পাতালে ভর্তি করাই দেয়
। সে এক ভয়ানক দিন গেছে। প্রতিদিন মন দিয়ে পড়া লাগতো স্যারদের ভয়ে

প্রিয় স্থানগুলোর ছবি তুলে রাখেন । পরে হয়তো আর নাও দেখতে পারেন । যেভাবে মফস্বলগুলো শাড়ি ছেড়ে সালোয়ার কামিজ পরছে । কয়দিন পর মিনিস্কার্ট পরতে আরম্ভ করবে । তখন আর চিনতেই পারবেননা প্রিয় শহরকে ।
কবে পড়তেন পুলিশলাইন স্কুলে??
আমার অনেক বন্ধুবান্ধবী পড়তো পুলিশলাইনে।অবশ্য ওরা ৯৬ এর ব্যাচ ছিলো।
আমি ১৯৯৪ সালে ক্লাশ থ্রি তে ভর্তি হইছিলাম কয়দিনের জন্য । পরে খুলনায় চলে যাই । একবারে ক্লাশ ফোর এ ভর্তি হই ওই বছরই । থ্রি তে আর পড়িনাই
।
কিছু মনে কইরেন্না । নতুন ইমো দেইখা ট্রাই মারলাম । মজার সব ইমো ।
আমিও কয়টা দেই নতুন ইমো।
আমি ১ম বার কুষ্টিয়া গেছিলাম ১৯৯৭ সালে, এক বন্ধুর নানার (আসলে নানার ছোট ভাই) বাসা বেড়াতে । খুব ভালো লেগেছিল । শীতের মধ্যে রবীন্দ্রনাথের কুঠীবাড়ি বেড়ানোর মজাটা আজো অনুভব করি ।তবে ফিরে আসবার পথে ঐ বন্ধুর পরামর্শে ট্রেনের হাফ টিকিট কেটে কী যে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়েছিলাম আল্লাহ জানেন । এখনও মনে পড়লে আমি ভয়ে নীল হয়ে যায় । পরে আমার এক চাচার রেফারেন্স দিয়ে কোন রকমের মুক্তি । পরে বুঝেছি যে আসলে বেশি বেশি ভয় দেখানো হয়েছিল, তবে ভয় কিন্তু যায় নাই এখনও, আজব ভয় ১৪ বছর তাড়া করে ফিরছে ।
২য় বার কুষ্টিয়া গেলাম ২০০২ সালে ৩য় বর্ষের ছাত্র তখন । পিকনিকে । কত শত ঝামেলা পেরিয়ে সকাল ৯ টায় রাজশাহী থেকে রওয়ানা দিয়ে বিকাল ৫টায় কুঠিবাড়ি, গিয়ে দেখি বাড়িটির কালার চেঞ্জ করা হয়েছে । খুব কষ্ট হয়েছিল মনে ।দুপুরের খাবার রাত ৮ টায় খেয়ে বাড়ি ফিরেছিলাম রাত ২ টায় । এখন ঐ ঘটনা মনে হলে পেটার ভিতরটা মোচড় দিয়ে উঠে ।
এই জন্য কবি বলেছেন''নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়া ভালো পরের বুদ্ধিতে বড়লোক হওয়া ভালো না।মাত্র ১৫ টাকা বাচাঁতে গিয়ে কি কেলেংকারীর মধ্যে পড়েছিলেন।

কাকার কি হাতে ব্যথা??

কাকা, এটা ছিল নূতন ইমোর প্রথম প্রয়োগ!
পোষ্ট পড়তে পড়তে ইচ্ছা হচ্ছিল আপনার হাতে একটা ক্যামেরা তুলে দিতে। এত সুন্দর করে স্মৃতিভ্রমন করলেন, কটা ছবি যোগ করলে পাঠকের খিদায় উপকার হতো। কখনো কুষ্টিয়া যাইনি। শুনেছি কুষ্টিয়ার লোক নাকি বাংলাদেশে সবচেয়ে শুদ্ধ বাংলায় কথা বলে? ঠিক নাকি?
হ বদ্দা, অনে ঠিক কৈছেন...



শুদ্ধ বাংলায় সারাজীবন কথা শুনুম বৈলাইতো মাইয়ার লগে পিরিত হৈছিল...
সেই মাইয়ারে কাইড়া নিলো জলপাই মেজর...
দ্রষ্টব্য: মধুপুর, কুমারখালীর জ্যাকী। আফসুস !!
চউক্ষে পাণি আয়া পড়ল।
কথা একশো ভাগ ঠিক।
ছবি না তুলে আসলেই ভুল করেছি মনে হচ্ছে।

ঋহান ঘুমায়া ঘুমায়া আপনারে এইটা দিছে
আর হ্যাঁ, মানুষ মরে গেলে পচেঁ যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়। কারনে-অকারনে বদলায়।
আমরা যেহেতু মরতে পারিনা, তাই আমরা বদলাই/ আগের মত থাকতে পারিনা!
ওরে আমার দোস্তরে।।


তুমি এক থাকবা কেমনে, তুমি কি হালিম চটপটি?
এটা নিজের চোখে আমিও দেখলাম
আমি হালিম না।আমার স্কুলের এক দোস্তের নাম হালিম।

' লালনের দেশের মানুষ ভাল" -এই কথাটি আমার ছোটখালামনির মুখে যখন শুনেছি তখন লালন কি তাও বুঝতাম না এত ছোট ছিলাম.।কথাটা এখনও মনে আছে।।, আসলেই কি তাই?
চমৎকার লিখেছেন,শুধু কুষ্টিয়া নয় সময়ের সাথে সাথে সব শহর গুলোরই স্নিগ্ধতা হরিয়ে যাচ্ছে। ।
তাই মানে।১০০ ভাগ সত্য কথা।
স্মৃতির শহর! সুন্দর!!
জী অতিথি নারায়ণ।
বনানী তো মজমপুরে না? আমার কলেজ লাইফ কেটেছে কুষ্টিয়াতে। খুবই সুন্দর একটি জেলা শহর। আড্ডা দিতে আমরা যেতাম হাউজিং এর ডি ব্লকে আর পিয়ারা তলার পুকুর পাড়ে। পুকুরটাকি এখনো আছে?
হ্যাঁ বনানী সিনেমা হল মজমপুর রেল্গেটের কাছে।
পিয়ারাতলার আমারও অনেক স্মৃতি আছে।ঐ খানের একটা হোটেলে একবার চা খেয়েছিলাম।অসাধারণ!!
পুকুরটার খবর জানি না।কারন এবার যাই নি।
মন্তব্য করুন