স্পেশাল রেসিপিঃ ট্রাই না করলে মিস
মেঘের দেশে ভাই যেদিন থেকে "এবি" তে আসলেন একের পর এক রান্না-বান্নার পোস্ট দিয়ে যাইতেসেন। অনেকেই আবার তার চেয়েও বেশী উৎসাহের সাথে সেগুলো ট্রাই মারতেছেন।
ঘটনা হইলো মেঘের দেশের ভাই দেশ ছাইড়া বিদেশ আছেন। আর কি সেই জে ডি না জ্যাঠীরে রান্না করে খাওয়াইতে খাওয়াইতে তিনি টায়ার্ড। তাই মনের দুঃখ বুকে চাপা দিয়ে তার থেকে সুখ বের করার জন্য তিনি আমাদের সাথে রেসিপি শেয়ার করেন।
এইসব রান্না আর খানা-পিনার পোস্ট দেখে আমারও একটা রেসিপি দিতে মন চাইতেছে। তাই এবি র সকল রন্ধন এবং ভোজন প্রিয় বন্ধুদের জন্য দিলাম আমার স্পেশাল এই রেসিপি।
করলার হালুয়াঃ
করলাঃ ১/২ কেজি
বাদামঃ যত খুশী
চিনিঃ যত খুশী
কনডেন্সড মিল্ক ১ কৌটা
এসেন্স ২ বোতল (সুগন্ধের জন্য)
ঘি পরিমাণ মতো
দুধ ১ লিঃ
গুড়া দুধ ৫ টেঃ চাঃ
দারুচিনি, এলাচ, জাফরান, কিসমিস, মাওয়া, নারকেল ইত্যাদি।
প্রথমে করলাকে চিরে ভেতর থেকে বিচি গুলো ফেলে দিতে হবে। তারপর কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে। ভালো করে ধুয়ে, দুধ দিয়ে সিন্ধ করতে হবে।
৩০ মি সিন্ধ করার পর দুধ থেকে করলা ছেঁকে তুলে নিতে হবে। এভাবে ২ বার করে করলা থেকে দুধ ঝরিয়ে নিতে হবে।
এবার আলাদা পাত্রে ঘি দিয়ে করলা গুলো দিয়ে দিতে হবে। সাথে এক কৌটা কনডেন্সড মিল্ক, যত খুশী বাদাম ও চিনি, ২ বোতল এসেন্স, জাফরান, দারুচিনি ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে দিতে হবে ঘুটা।
ঘুটে ঘুটে তোলার আগ মূহুর্তে দিতে হবে গুঁড়া দুধ। তারপর খেতে পারেন গরম কিংবা ঠান্ডা।
খেয়ে দেয়ে সবশেষে মন্তব্য করে যাবেন হালুয়া কেমন লাগলো তারপর আমি রান্না করে খাবো।





এত খুশী কেন?? খুব মজা হইসে নাকি হালুয়া??
আমি করলা খাই না
হালুয়া খেয়ে দেখেন করলার পাংখা হয়ে যাবেন।
আপ্পি তুমি বানানোর পর আমারে বইল, তোমার বাসায়ে আসবো......।।
এইসব আবজাব চলবে না আপ্পি। আগে তুমি বানাও। খেয়ে আমাকে বলো কেমন হইসে তারপর আমি বানাবো।
নতুন রেসিপি ট্রাই করে খেয়ে তারপর বারো ঘন্টা জীবিত থাকার পর এবিতে পোষ্ট দেয়ার নিয়ম। আপনে নীতিমালা ভংগ করছেন জনাবা
আর হাদিসেও নিষেধ আছে, নিজে না করে অন্যকে করতে বলা নিয়ে। মহানবীর মিষ্টির গল্প জানেন না আপনে?
আফামণি আপনার নীতিমালাটা বুঝলাম না।
বুঝায়া বলেন।
মহানবীর মিষ্টির গল্প জানি। কিন্তু কিছু করার নাই আমি তো পাপী বান্দা।
আমার প্রিয় করলারে এইভাবে হালুয়া বানানোর জন্য আপনাকে মাইনাস।

ভর্তা বানাইলে কি প্লাস দিবেন??
আবার ভর্তা নিয়ে বাজে কথার ইঙ্গিত!!!!!!!!জয় মামারে মেইল দিমু???

সাথে একটু হালুয়াও পাঠায়া দিয়েন আপনার মামা হেপি হইয়া যাবে।
পইড়াই প্যাট টা জানি কেমুন কেমুন করতেছে
! খাইলে যে কী হইবু 
খাওয়ার পর জানাবেন কি হইলো।
জীবনে এমুন পাপ করিনাই যে করলার হালুয়া খেতে হবে!
আর রেসিপি পোস্টে আমার একটা কমন প্রশ্ন-চুল দিতে হয় কখন?
মাসুম ভাই ভাবী কি আপনাকে সব কিছুতে চুল দিয়ে খাওয়ায়??
ভাবীর কাছ থেকে শুনে আপনে একটা চুল রান্নার রেসিপি পোস্ট দেন।
ভুল করে আমি এই কুন জায়গায় চলে আসলাম। মাফ করেন গো আফামনি। আমি এমুন কনু অপরাধ করি নাই যে এরম করে বিষ খাওয়াইতে চাইবেন।
আমি সিরিয়াসলি স্কুলে থাকতে একবার মা'র সাথে জিদ করে আম দুধ এর সাথে করলা দিয়ে মাখায়া ভাত খাইছিলাম
আমার সেজোমামারে দেখতাম শাক, মাছ দিয়ে দুধ ভাত খাইতো আপনিও দেখি সেইরকম।
আর জ্ঞানী লোকেরা যে অনেক আগে থেকে চিন্তা করতে পারে আপনি তার প্রকৃত উদহারণ। না হলে মায়াবতী এতোদিন পর যে চিন্তা করছে আপনি তার অনেক আগেই সেটার সফল বাস্তবায়ন করে রেখেছেন।

একলব্যের পুনর্জন্ম: খাইসিলেন তা তো বুঝলাম। মজা কেমন লাগসিল তাই বলেন।
করলার লগে দুধ !!!!!!!!!!! তুইতো হাতির লগে পিপড়ার বিয়া দিয়ে দিলি রে !!!!!!! আমি যাই দেই না কেন তা অবশ্যই মানুষের খাওয়ার যোগ্য থাকে ।
করলা বিখ্যাত তিতার জন্য আর তুই কিনা ঐডারে মিষ্টি বানাইবার চাস !!!!! করলার বিরুদ্ধে এই বৈদেশিক মিথ্যা এবং অতিরন্জিত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এই ব্যাপারে ৩৬ ঘন্টার হররবেতাল ডাকা হইলো।
তুই তো চিরাচরিত রান্না করস খালি। ক্রিয়েটিভ কিছু কর ব্যাটা। জ্যাঠী তো নাহলে পটবে না। আমার এই রেসিপি একবার করে জ্যাঠীরে খাওয়া দেখবি সাথে সাথে তুই পারমানেন্ট।
পাগলে কামড়াইছে নাকি কুত্তায় দৌড়াইছে ???????
আমি মনে মনে বুঝলাম এর টেস্ট হবে এক্কেবারে সিপ্রোসিন সিরাপের মত। কি ব্যাপার পাগলী আপুর পোস্ট পড়তে পড়তে কি আমি ও পাগলী হয়ে যাচ্ছি। সঙ্গদোষ।
খাওয়ার আগে

খাওয়ার পরে
একমাত্র আপ্নেই খাইলেন। এই জন্য আপনাকে
মাফ ও চাই ক্ষেমাও চাই

করল্লা থাকলে ওই এলাকায় আমি নাই
কেনু?? করলা তো মজা।
মায়াবতীর হঠাৎ কি হলো? এতো মায়া যার সে কিনা এমন সর্বনাশা ভাইরাস ছুঁড়ে মারলো।
ওঝা ডাকা দরকার।
পীর-ফকির ডাকা দরকার।
কবিরাজ ডাকা দরকার।
আসেন মায়াবতীর জন্য মিলাদ পড়াই।
মিলাদে করলার হালুয়া বিতরণ করা হপে।
"স্যাডিস্টিক রেসিপি" নামে নতুন একটা রান্নার ধরন তৈরি করে এক নম্বরে এটা অন্তর্ভূক্ত করা দরকার
)
~
আপ্নেই করে দেন।
হুম......................
এইগুলার সাথে এক কেজি তেতুল গুইলা দিলে মনে হয় জমতো ভালো।
আপনি চাইলে দিতে পারেন। জানাইয়েন কেমন হইলো।
করলার হালুয়া!!!!!!!!
শুনেইতো কান্না আসতেছে 
কান্না করেন কেনো আপু? চলেন টেস্ট করি।
কই জানি শুঞ্ছিলাম, দুষ্টামি করেই বলা, যে পর্যাপ্ত পরিমানে তেল/ঘি, দুধ/চিনি, বাদাম দিয়া ঘুটাঘুটি করলে ঘাসেরও দারুন হালুয়া বানানি যায়, তাও মানতে পারি কিন্তু তাই বলে করল্লার হালুয়া!! আল্লাহ মাফ করো!!
এমনই স্পেশাল রেসিপি দিলাম যে খাইয়া না খাইয়া সবাই মাফ চাইয়া গেলো।
গাজর, ডালের হালুয়া হলে করলার হালুয়া হলে ক্ষতি কি? খারাপ হয়না কিন্তু বাকরা সাধলো আপু নিজেই
আমিও তো তাই বলি। গাজর, লাউ, ডাল দিয়ে হইলে করলা খারাপ কি?

কিন্তু বাকরা দিল কে?
আপু তো অনেক মজার মজার রেসিপি জানেন। এবার আমারটা ট্রাই করে বলেন কেমন হলো?
আপু কেমন খাদ্য রসিক তাতো পোসট থেকে সবাই বুঝে ফেলেছেন। Health Minister এক জন
আমার হেলথ নিয়া আপনে আর বেশী টেনশন নিয়েন না। আপনার কাছে আসবো খুব তাড়াতাড়ি।
মন্তব্য করুন