ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ

ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ যখন তার বন্ধুকে নিয়ে হোয়াইটহাউজে ফোন লাগালেন, সেটা আপনার আমার মতো আমজনতা যেভাবে ফোন দেয় সেভাবে করেননি। সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছেই কল করেছিলেন সবরকম প্রটোকল ফাঁকি দিয়ে। জানতে নিশ্চয়ই ইচ্ছে করছে, প্রটোকল ফাঁকি দেয়ার এতো হাঙ্গামা করে কি এমন বলতে চেয়েছিলেন তাঁরা প্রেসিডেন্টের সাথে? ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের বন্ধু প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে বলেছিলেন লস এঞ্জেলসে টয়লেট পেপারের ব্যাপক ঘাটতির কথা!
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চকে নিয়ে উপরের ঘটনা কম্পিউটার বিজ্ঞানের জগতে, আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে চাইলে হ্যাকিং-ফ্রীকিং এর জগতে লিজেন্ড হয়ে আছে। এরকম আরো হরেক পদের লিজেন্ড তাঁকে নিয়ে চালু আছে বাজারে। ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ নাকি একবার একটা পাবলিক টেলিফোন বুথ থেকে কল করলেন, তারপর সে কল জাপান-রাশিয়া-ইংল্যান্ড সহ ১০-১২টা দেশ ঘুরিয়ে শেষে এসে ঠিক পাশের ফোনটায় কল করলেন, এপাশের ফোন থেকে কথা বলে পাশের ফোনের রিসিভার কানে দিলেন, কিছুক্ষণ পর শুনতে পারলেন দুনিয়া ঘুরে ক্লান্ত(!) হয়ে যাওয়া প্রায় স্তিমিত নিজের কন্ঠ!
এটুকুই কি শেষ? নাহ! কম্পিউটার নিরাপত্তার উপর বারেবার প্রশ্ন যারা তুলেছেন, বিভিন্ন পদের গালভরা নামে আমরা যাদের ডাকি -- হ্যাকার, ক্র্যাকার, ফ্রীকার ইত্যাদি ইত্যাদি, তাদের সবার পূর্বসূরী ছিলেন ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এ ভদ্রলোক(!) - জন ড্র্যাপার। সেই ১৯৭১ এ প্রথম মিডিয়ার আলোতে আসে তাঁর ব্লুবক্স ফোন ফ্রীকিং(Freaking না, Phreaking) এর গল্প। এস্কোয়ার ম্যাগাজিনের পাতাতে প্রথম আলোচনায় আসেন তিনি। কিভাবে তাঁর শুরু? কেনই বা তাঁর নাম ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ? দুটো প্রশ্নেরই একটা উত্তর ।
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের গল্প শুরুর একটু আগে আমরা জয়বাবলসের গল্প অল্প করে শুনে নিই। বিশ্বাস করুন, ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের শুরুতে এই মানুষটার বিশাল অবদান। জন্মান্ধ এ মানুষটার আসল নাম জোসেফ কার্ল এনগ্রেসিয়া জুনিয়র। মাত্র চার বছর বয়সে টেলিফোন নিয়ে উৎসাহী হয়ে উঠেন তিনি। পাঁচ বছর বয়সে নিজে থেকে আবিষ্কার করেন ফোন ট্যাপিং। সাত বছর বয়সে আবিষ্কার করেন টেলিফোনে পারফেক্ট পিচ ব্যবহার করে ফ্রি কল করার ক্ষমতা। কোনো যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই শুধু হুইসেল দিয়ে তিনি বাজাতে পারতেন মিউজিক নোট। এ ক্ষমতাকে ইংরেজিতে এবসলিউট পিচ বা পারফেক্ট পিচ বলা হয়। টেলিফোনের মধ্যে দিয়ে এ হুইসেল বাজিয়ে তিনি টেলিফোন তরঙ্গে অনুপ্রবেশ করতে পারতেন, ফ্রি করতে পারতেন লং ডিসট্যান্স ফোন কল। ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় এই কাজ করে বন্ধুদের কাছ থেকে ভালই কামাতেন, কল প্রতি এক ডলার। বন্ধুরা তার নাম দিয়েছিল হুইসলার। পরবর্তীতে তিনি ধরাও পড়েন। শৈশবে এক নান দ্বারা যৌন নির্যাতিত এ মানুষটা তাঁর পুরো অতীতকে পেছনে ফেলে নিজের নাম পাল্টে জয়বাবলস রাখেন।
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চও অবশ্য ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের আসল নাম নয়, তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম ছিল জন ড্র্যাপার। আর জন ড্র্যাপারেরই বন্ধু ছিলেন জয়বাবলস। তো যাই হোক, জয়বাবলস একবার আবিষ্কার করলেন যে ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ সিরিয়ালের প্যাকেটে করে ফ্রি দেয়া একটা হুইসেল দিয়ে ২৬০০০ হার্জের তরংগ তৈরি করা যায়, কাকতালীয়ভাবে ঠিক একই তরংগ এটিএনটি নামে এক ফোন কোম্পানি ব্যবহার করতো এটা বুঝাতে যে একটা নতুন কল রাউট করার জন্য ট্রাঙ্ক লাইন প্রস্তুত আছে। জয়বাবলস এ আবিষ্কারের কথা জানালেন ড্র্যাপারকে, বন্ধুর এ আবিষ্কারের পরে ড্র্যাপার গবেষণা শুরু করলেন হুইসেল আর তার ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ে। তৈরি করলেন ব্লু-বক্স, যা দিয়ে ফোন কোম্পানি ব্যবহার করে এমন বিভিন্ন টোন তৈরি করা যায়! শুরু হলো তাঁর ফ্রীকিং... ছদ্মনাম হিসেবে তিনি বেছে নেন সিরিয়ালের প্যাকেটের সেই ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ।

মধ্য সত্তরের দশকে, টেলিফোন হ্যাক করছেন ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ
ভুলে না গেলে নিশ্চয়ই মনে আছে, এস্কোয়ার ম্যাগাজিনের পাতায় ফ্রীকিং আর জন ড্র্যাপারকে নিয়ে লেখা আর্টিকেলের কথা। ঐ খবরের ফলশ্রুতিতে টেলিফোন-ফ্রডের চার্জ মাথায় নিয়ে জেলে ঢুকতে হয় তাঁকে ১৯৭২এ। পত্রিকার ঐ আর্টিকেল আরো একজনের নজর কেড়েছিল, তাঁর নাম স্টিভ ওজনিয়াক। পরবর্তীতে ড্র্যাপার এই ফোন ফ্রীকিং শেখান স্টিভ ওজনিয়াক আর তাঁর এক সহচরকে। সে সহচরের নাম শুনে চমকে উঠবেন না যেন...স্টিভ জবস! হ্যা, স্টিভ জবস আর স্টিব ওজনিয়াক- যারা পরবর্তীতে এপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ড্র্যাপার এক অর্থে এপলের জন্যও কাজ করেছিল। এপল পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য তৈরি করেছিলেন এক টেলিফোন ইন্টারফেস বোর্ড, যা এপল কখনোই বাজারজাত করেনি। পরবর্তীতে ওজনিয়াক এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এপলের মধ্যে হয়তো ওজনিয়াকই একমাত্র ড্র্যাপারের পক্ষে ছিলেন, আর কেউ ছিল না। তাই ড্র্যাপারের এ পরিশ্রম বৃথাই গিয়েছে। এর পেছনে আরো একটা কারণ হতে পারে ১৯৭৭ এ ড্র্যাপারের ওয়ার চার্জে(wire charge) দোষী সাব্যস্ত হওয়া। এপল হয়তো দাগী আসামীর সাথে সংযুক্ত হয়ে সুনাম নষ্ট করতে চায়নি!
জেলে বসেই ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ তথা জন ড্র্যাপার তৈরি করেন এপল-২ এর জন্য প্রথম ওয়ার্ড-প্রসেসর -ইজিরাইটার। এ ওয়ার্ড-প্রসেসরের কোড করা নিয়ে আছে নানা গল্প। ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের মতে, আলমেইদা কাউন্টি জেলে বসে রাতের পর রাত হাতে কোড লিখেই তিনি তৈরি করেন এ ওয়ার্ড-প্রসেসর, অন্য এক সূত্র যদিও বলে ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল সংশোধন কেন্দ্রে হাজতবাসের চার মাস ধরে তিনি এ কোড করেন। কোনোরকম কম্পিউটার ছাড়াই খালি হাতে কোডিং এর ঘটনা খানিকটা অবাস্তব মনে হতে পারে, তবে "যা রটে তার কিছুটা হলেও ঘটে"- সূত্রমতে এ রটনায় তাঁর মেধার কথা পরিষ্কার হয়ে যায়।
জন ড্র্যাপারের ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট ইজিরাইটারের কোডিং নিয়ে বলছে একটু ভিন্ন কথা, খানিকটা বাস্তববাদী। ক্যালিফোর্নিয়ার জেলে থাকার সময় তিনি একটা ছোট ব্যান্ড প্রাকটিস স্টুডিওতে কাজ পান। যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ার্ক ফারলো নামে এক প্রোগ্রাম ছিল, যার বদৌলতে কয়েদীরা দিনের বেলা জীবিকার জন্য বিভিন্ন সাধারণ কাজ করার সুযোগ পায়, রাতে যদিও সেই হাজতবাসই! যাই হোক, ঐ ছোট্ট ব্যান্ড স্টুডিওতে তিনি কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ পান, আর প্রতিদিন করা কোড প্রিন্ট করে নিয়ে যেতেন রাতে কাজ করার জন্য। এমনি করে তৈরি করে ফেলেন তিনি ইজিরাইটার। কম্পুজ্ঞানীরা কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, এ আর এমন কিই বা বানিয়েছে...আমি কতো কিছু বানালাম!
ইজিরাইটারের মহিমা হলো এই যে, পরবর্তীতে আইবিএম পিসির জন্য এই ইজিরাইটার দিয়েই ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ এক বিশাল বিড জিতে নেন, হারিয়ে দেন বিল গেটসকে...নামটা চেনা চেনা লাগছে তো? গেটসের নাম শুনেই মুগ্ধ হয়ে গেলেন? অর্থমূল্যটা শুনবেন না ইজিরাইটারের? পরবর্তী ছয়বছর ধরে রয়ালিটি হিসেবে ১ মিলিয়ন ডলার করে আয় করেছেন ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ। সাথে যুক্ত হয়েছে বাড়তি কামাই, যখন তার সফটওয়ারের ডিস্ট্রিবিউটার বিল বেকার অবৈধভাবে এ সফটওয়ার বাজারজাত করে ধরা পড়ে...ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিল বেকারকে গুনতে হয় বড় অঙ্কের হিসাব।
ড্র্যাপারের বাবা ছিলেন ইউ.এস এয়ারফোর্সের ইঞ্জিনিয়ার, ড্র্যাপার নিজেও ১৯৬৪ সালে ঢুকেছিলেন এয়ারফোর্সে। এয়ারফোর্সে কর্মরত অবস্থায় যখন আলাস্কাতে ছিলেন, সহকর্মীদের বিনামূল্যে ফোন ধরিয়ে দিতেন স্থানীয় টেলিফোন সুইচবোর্ড হ্যাক করে। পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে তাকে চাকরি থেকে সম্মানমূলক অব্যাহতি দেয়া হয়।
২০০১ সালে ডিসকোভারি চ্যানেল জন ড্র্যাপার, স্টিভ ওজনিয়াক আর কম্পিউটার জগতের আরেক শীর্ষ হ্যাকার কেভিন মিটনিককে নিয়ে তৈরি করে ডকুমেন্টারি The Secret History of Hacking । তাঁকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে চলচ্চিত্র, চিত্রনাট্য আর মিউজিক স্কোরের কাজ হচ্ছে। তাঁর অসংখ্য কাজের উদাহরণ আছে তাঁর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে , যা এ সংক্রান্ত বিষয়ে অজ্ঞতাহেতু এড়িয়ে গেলাম। এখন জন ড্র্যাপার কাজ করছেন বিভিন্ন কম্পিউটার সিকিউরিটি সফটওয়ার নিয়ে, en2go নামের এক মিডিয়া সরবরাহের কোম্পানি চালাচ্ছেন সিটিও হিসেবে, আর হোস্ট করছেন ইন্টারনেট টিভি শো-ক্রান্চ টিভি। এ সবই পোষাকি পেশা হতে পারে... হয়তো এখনো পৃথিবীর প্রথম হ্যাকার ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের মাথায় চলছে দুর্বোধ্য কোনো দুষ্টুমি, কে জানে!
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
ছবিসূত্রঃ ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ও মাইস্পেস





তথ্যবহুল পোস্ট; লাইক্কর্লাম
থেঙ্কু
ইন্টারেস্টিং!
ভাঙ্গার লেখা সত্যিই দারুণ ঝরঝরে
আসল লেখাটাই ঝরঝরে , আমি তো শুধু অনুবাদক
আসল লেখার গুণ যেমনই হোক, অনুবাদ সেটাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে সক্ষম। সিন্ডারেলার গল্প নিয়ে ওয়াল্ট ডিজনী যে অ্যানিমেশন করেছে তার ঢাকাই সংস্করণের ডিভিডি দেখলাম। একটা আক্ষরিক অনুবাদের নমুনা দিচ্ছি:
I am not getting any younger - আমি কোন ছোট নাতি পাচ্ছি না।
পুরাই উড়াধুড়া
তন্ময় হয়ে পড়লাম।
পছন্দ না করে উপায় নেই, প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম, পরে যাতে খুঁজে পাই। আপনার লেখা আসলেই দুর্দান্ত ঝরঝরে, আরো পড়তে চাই এরকম।
ভাবতেছি কম্পু রিলেটেড হাবিজাবি মাঝে মধ্যে লেখবো।
আহা... কত্ত কামেল লুকদের কাহিনি শুনি...
কেভিন মিটনিকের কাজ-কামের ঘটনা শুনে পুরা পাঙ্খা ছিলাম ম্যালা আগের থেকেই
আরেকবার চমৎকৃত হলাম
কেভিন মিটনিকের কাহিনীও পড়ছি। সবচাইতে মজার পার্ট ছিল এটা যে ওর বিরুদ্ধে যখন রায় হয়, তখন পুলিশ/সরকারি উকিল ওর যেকোনো কমিউনিকেশন রিলেটেড জিনিস্পাতি ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার জন্য কোর্টকে কনভিন্স করতে চেষ্টা করে; কোর্টকে তারা বলছিল, মিটনিক শুধু পে ফোনে হুইসেল বাজাইয়া পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু করে দিতে পারে
হাহাহাহাহা
নিজেদের নিরাপত্তা ঠিক না কৈরা অন্যের জবান বন্ধ করা শোভন না
ইনিই কি ফাদার অব দ্য হ্যাকার?
ফাদার কিনা জানি না, কিন্তু উনিই প্রথম!
http://en.wikipedia.org/wiki/Timeline_of_computer_security_hacker_history
মিটনিকের কাহিনী জানতাম, ক্রান্ঞ সমপর্কে এই প্রথম জানলাম।
আমিও খেয়াল করছি, সবাই মিটনিকের কাহিনী জানে, ক্রাঞ্চের কাহিনী কেন যেন জানে না। অথচ আমার ইনাকেই বেশি পছন্দ। একাধারে এপল মাইক্রোসফট এর জবস-গেটস সবগুলার উপ্রে বস মনে হয়।
ক্রাঞ্চ মিয়ার ঘটুনা এই প্রথম জান্লাম.... অনেক ধন্যবাদ.... পোষ্ট প্রিয়তে
থেঙ্কু
.....এইধরনের মেধাবী আকামের কথা শুনতে/পড়তে/ দেখতে খুবই ভালো লাগে, এর জন্যই তো ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান মুভিটা ভালো লাগে....
আপনার অনুবাদ খুব ই ভালো হৈছে, বিশেষত সাম্পর্তিক কালে একটা অনুবাদ পৈড়া আসল মজা্নষ্ট হবার দু:খে দুখি ছিলাম.....
থেঙ্কু...
লেখা ভালো লাগলো...
এই গল্প থেকে শিক্ষণীয় জিনিস হইল, "বেশি করে ঝামেলা করুন, ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল!!"
আমরা কেন আন্দুলন করি, মিছিল করি সেইটা নিয়া হা-হুতাশ কইরা মেকানিক্যালের তারেক স্যার(যদ্দুর মনে পড়ে তারেক স্যারই বলছিল) বলছিল, "তোমাদের এক বড়োভাই এরকম আন্দোলন করে বুয়েটের মেইন গেটে তালা মারছিল। এখন সে পাশ করে গেছে, চাকরিবাকরি করে, আমার সাথে ঐদিন দেখা, বলে ভুল করছিলাম স্যার, এখন বুঝতে পারছি। "
আমরা স্যাররে জিগাইলাম, "স্যার, ঐ ভাই কই চাকরি করে?"
স্যার বলে, "নাসা।"
গল্পের মোরাল কি?
বুয়েটের গেটে তালা লাগাইলে নাসায় চাকরি করা যায়।
মোরাল শুইনা আবার কেউ বুয়েটের দারোয়ান হইতে চাইয়েন না
এত বছর পর ও তারেক স্যার রে মনে পড়ে! (এত বছর কয়া একটা ভাব লইলাম!! )
লেখাটা ভালা পাইলাম । মাথা ভালু হইতে হয়, ইবলিশি কাজ কাম করার লেগা। মাথার যা অবস্থা!! মানুষজন নাকে হাত দ্যায়!
আমার ঠিক মনে পড়তাছে না তো...তারেক স্যার না রিয়াজ স্যার কে জানি কইলো
পোস্ট ভাল্লাগলো
...
আর ক্যাপ্টেন ক্রান্চ এর ইয়াং বয়েসের ঐ টেলিফোন হ্যাক করার সময়ের ছবিটা জোস লাগছে...এই ধরনের হেয়ার স্টাইল আর এইটাইপের গোফ দুইটাই করতে চাইছিলাম একবার... মাগার হয়নাই
হিটলার স্টাইলটা ট্রাই কইরা দেখতে পারেন
যাহার জন্য একদিন জ়েল খাটলো তাহাই ইতিহাসে পাঁতিহাস করে স্থান দিলো। আহারে জীবন আর নিয়তি
এইটাই তো সিস্টেম... এরশাদ শিকদাররে দুনিয়ার সবাই চিনে, ঠেলাগাড়ি চালায় মনু মিয়ারে ওর বউও চিনে না।
মন্তব্য করুন