ইউজার লগইন

সামছা আকিদা জাহান'এর ব্লগ

কাল বৈশাখী

আকাশ জুড়ে ধুসর মেঘ ভোর থেকেই। মাঝে মাঝে অভিমান ভেঙ্গে উজ্জ্বল হচ্ছিল আকাশটা। বৈশাখে প্রথমদিনেই সূর্যের সাথে তার দারুন অভিমান। সূর্য হঠাৎ করেই হেসে উঠলো। বাতাসেরা যে সব আসা যাওয়া করছে। আকাশকে ছেড়ে সূর্য বাতাসদের নিয়েই বুঝি বেশি ব্যাস্ত। সূর্যে অবহেলায় আকাশ গুমরে উঠলো। অভিমানে আকাশ হয়ে উঠলো ঘনকালো। বেজে উঠলো রণডংকা । ভয়ে বাতাসেরা শুরু করলো মাতম।

ঝড় যেন প্রচন্ড হুংকার তুলে ডাকছে --সীমাহীন গতিতে নাচ আর ছন্দে তুমি এসো। আমার রক্তের নাচন সব রক্ত চক্ষুকে কটাক্ষ করে আমায় নিয়ে যায় তার কাছে। ঘর থেকে ছুটে বেড় হয়ে এলাম।
আমার চারিদিকের গাছগুলি নেচে উঠলো। ডালিয়া ফুলের গাছগুলি বাতাসের তালে নাচতে না পেরে শুয়ে পড়ল মাটিতে। গাছেদের মাথা আছড়ে আছড়ে ঝড়ের কাছে অবনত আকুতি যেন এক অপূর্ব নৃত্য। গাছের পাতার উড়াউড়ি তার সাথে পাখিদের উড়াউড়ি।

শুভ নববর্ষ এবং -----------কৈশোরের প্রথম অপরাধ

শুভ নববর্ষ।

এখন আমার এমন সময় নববর্ষ মানে হিসেব করা। গত বছর কি কি করেছি । কিসে সফল হলাম বা কিসে ব্যর্থ। খুব আঁতেলএর মত হয়ে গেল কথাটা । নব বর্ষ এলেই ব্যাস্ততা বেড়ে যায় । কী ভাবে সাজাব বরনোৎসবকে? গতবারে কি ছিল, এবারে কি হবে, কোনটা নতুন আংগীকে আসবে, আর কোনটা গতানুগতিক হলেই চলবে। তবে যাই করি, যাই হোক সেটাতেই সবাই মেতে উঠে । যেন সবাই মনে রাখে আজ শুধু হাসবার, সাজবার, আনন্দ করবার। দূরে যাক বেদনা,ভয়, উৎকন্ঠা।

১২ এপ্রিল সৈয়দপুরের স্থানীয় শোক দিবস।

আগামীকাল ১২ এপ্রিল সৈয়দপুরের স্থানীয় শোক দিবস। স্মাধীনতার ৪০ বছর চলে গেল। প্রতি বছর এই দিনটি স্থানীয় শহীদ দিবস হিসাবে পালিত হয়। সৈয়দপুরে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২৫মার্চের কাল রাত্রি থেকেই। সে এক ভয়াবহ সময়। বিহারী অধ্যুষিত নগরী। একে একে কিছু বুঝবার আগেই মানুষ হারিয়ে ফেলেছে তাদের ধন-সম্পদ, বসতবাট, প্রান ও সভ্রম।

২৫শ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্য মেরে ফেলা হয় ২৯৭ জনকে। যাদের অনেকে জননেতা আবার অনেকে দিনমজুর অনেকে সাধারন খুব সাধারন মধ্যবিত্ত।

শহীদ আমিনুল হক(গোলাভাই)কে হত্যা করতে একটি গুলিও খরচ করেনি শান্তিবাহিনী ও তার দোসরেরা।

শহীদ আমিনুল হক(গোলাভাই)কে হত্যা করতে একটি গুলিও খরচ করেনি শান্তিবাহিনী ও তার দোসরেরা। কারন গুলির অনেক দাম।??!!!!

১৯৭১, ৭মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ৮মার্চ রেডিওতে প্রচারিত হলে তা সম্পূর্ন রেকর্ড করেন শহিদ আমিনুল হক (গোলাভাই)। এই রেকর্ডই তার জীবনে নিয়ে আসে নির্মম পরিনতি। তিনি জানতেন বাংলার স্বাধীনতা চাইবার জন্য তাকে যে কোন মূহূর্তে প্রাণ দিতে হবে। তার জন্য তিনি প্রস্তত ছিলেন। যেমন প্রস্তত ছিলেন তার বড় ভাই শহিদ জহুরুল হক, শহিদ ডাঃ জিকরুল হক । (এই নিবেদিত প্রাণ বাঙ্গালী পরিবারটির এই ব্যাক্তিদের নাম উচ্চারন করার আগে বিহারী বা বঙ্গালী যে কেউ শহিদ শব্দটি অবশ্যই ব্যাবহার করে। ) কিন্তু তিনি বা তার পরিবারের বা তার সময়কার সৈয়দপুরবাসী কেউ কল্পনা করেনি কি নির্র্মম পরিনতি তার জন্য আপেক্ষা করছে। সেই সময়ের সৈয়দপুরকে যারা দেখেছেন, তারা সেই কথা ভাবলে আজও শিউরে উঠেন।

------এর হাতে যখন মাইক

আমার বাসার সামনে একটি মসজিদ আছে । প্রতি শুক্রবার সেখানে খুতবা পাঠ হয়। বাধ্য হয়ে তাদের বক্তৃতা শুনতে হয়। বিশেষ যখন বারান্দায় যাই তখন শুনতেই হয়। আমি বিভিন্ন ওয়াজে দেখেছি সেখানে ৮০% থাকে মহিলাদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার। এই মসজিদে প্রতি শুক্রবার মোটামুটি এই বিষোদ্গারটা কম বেশী থাকবেই।

ওরা ঈশ্বর প্রেরিত ত্রাতা

গভীর রাত চারিদিকে ভয়ঙ্কর নিস্তব্ধতা। পাঁচজন বোরখা পরা মহিলা দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে শহরের রাস্তা দিয়ে। শহরের এক প্রান্তে ক্যাথেলিক গির্জা। গির্জার সামনে এসে একজন মহিলা খুব আস্তে আস্তে দরজায় আঘাত করলো। তাদের চোখে, মুখে, এমন কি সমস্ত শরীরে ভয়। বার বার এদিক ওদিক তাকাচ্ছে, যেন তাদের পিছনে কোন নেকরে তারা করে আসছে।

এক বিদেশিনী মহিলা দরজা খুলে ভিতরে আসতে ইঙ্গিত করলেন। তার হাতে একটি হারিকেন। এই মৃদু আলোতেই তারা পাঁচজন যেন প্রান খুঁজে পেল। মহিলা বললেন--- কোন ভয় নেই, ঈশ্বর আপনাদের সহায় হবেন। পাঁচ মহিলার একজন রওশনারা ডুকরে উঠলো। বিদেশিনী তাকে পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন ---আপনার স্বামী, সন্তানেরা ভাল থাকবেন।

HOW DO YOU DECIDE WHOM TO MARRY

1. HOW DO YOU DECIDE WHOM TO MARRY?(written by kids)

-You got to find somebody who likes the same stuff. Like, if you like sports, she should like it that you like sports, and she should keep the chips and dip coming.
-- Alan, age 10

-No person really decides before they grow up who they're going to marry. God decides it all way before, and you get to find out later who you're stuck with.
-- Kristen, age 10

2. WHAT IS THE RIGHT AGE TO GET MARRIED?
Twenty-three is the best age because you know the person FOREVER by then.
-- Camille, age 10

3.HOW CAN A STRANGER TELL IF TWO PEOPLE ARE MARRIED?
You might have to guess, based on whether they seem to be yelling at the same kids.
-- Derrick, age 8

মৃত্যুঞ্জয়

হঠাৎ করেই মাথাটা হালকা মনে হচ্ছে। ঘাড়ের উপর মাথাটা স্থির থাকতে চাইছে না। মাথাটা যেন হয়ে গেছে বাতাস ভর্তি বেলুন। সোজা হয়ে থাকতে পারছে না । নিজের ভারে একদিকে হেলে পড়ছে। জোর করে সোজা রাখতে চাইলাম, না রাখা যাচ্ছে না। শরীরটা নিস্তেজ হয়ে আসছে। মাথাটা হাত দিয়ে সোজা করে রাখবার জন্য দুই হাত দিয়ে ধরতে চাইলাম। হাত আমার নিয়ন্ত্রনে নেই, হাত উপরে উঠলো না। আমি হাঁটু ভেঙ্গে বসে পড়লাম। বসার সময় মনে মনে বলছি সাবধানে বসতে হবে, খুব সাবধানে।

চোখ মেলে দেখি সামনেই সাদা রঙের চাপা দেয়াল। হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে। দেয়ালে ধোঁয়াটে সাদা আলো। মোম এর আলো কি? এত উপরে মোমের আলো কেন? আমি কোথায়? আবার সব আধাঁর । ধীরে ধীরে আঁধার কেটে গেল।

হাতি নিয়ে মাতামাতি

বাংলাদেশ/নেদারল্যান্ড। নিশ্চিত বাংলাদেশ জিতবে। তবুও মনে ভয় কখন কি হয়। উইকেট পরা শুরু করলেতো তা মহামারী আকার ধারন করে। খেলা চলছে। এমন সময় আমার কাজের বুয়া এসে আমার মেজ মেয়েকে বললো '' হাতি দেখবে? মাঠে দাঁড়িয়ে আছে।" একথা শুনে আমার বাচ্চা তিনটা উঠে দৌড় ওদের পিছন পিছন আমি। বারান্দায় এসে দেখি হাতি চলে যাচ্ছে। বাচ্চারা ঘ্যান ঘ্যান শুরু কবলো --মা হাতিকে ডাকো, বাসায় আনো , আমি হাতির পিঠে চড়ব। বিরক্ত হয়ে বললাম ডাকতে।

দূরত্ব

বাসার দরজায় আমাকে দেখেই লিজা প্রান খোলা হাসি দিয়ে আমাকে স্বাগত জানালো। আমাকে বসতে
বলে নিজে সামনের সোফায় বসতে বসতে ভ্রু নাচিয়ে জিজ্ঞাসা করলো --কি ব্যাপার? এতদিন পর মনে পড়লো। আমিও রহস্যময় হাসি হাসতে হাসতে বললাম -- মনে পড়ে আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে আমরা আজকের দিনে কোথায় ছিলাম?
--হ্যাঁ, কলকল করে হাসতে হাসতে বললো ---একটা সবুজ পাহাড়, তার নীচে কুলকুল বেগে বয়ে যাওয়া নদী।।
---মনে পড়ে সেই নদীর তীরে ঘাসের উপর বসে আমার হাত দুটি ধরে কি বলেছিলে তুমি? আমি মৃদু হাসতে থাকি। এরপর একদিন খুব কাছে আসতে চেয়েছিলাম।

মৎস্য শিকার_------------

photo0193.jpg

ঈদের নামাজ শেষে সকলে যখন কোরবানীর পশু নিয়ে ব্যাস্ত তখন আমার জানের জান জানু মিয়া তার পুত্র-কন্যাসহ এক বিশাল বাহিনী তৈরী করে নেমে গেছে নীচু ধান ক্ষেতে যেখানে বর্ষার সময় পানি জমে ও শীতে শুকিয়ে যায়। সেই পানিতে থাকে অসংখ্য বানে ভেসে আসা মাছ।
photo0188_001.jpg

এই কচুরীপানা তুলে কাদাপানিতে মাছশিকার।
photo0202.jpg

কান্তনগরের কান্তগিড় মন্দির।

photo0378.jpgদিনাজপুরের কান্তগির এ কান্তগির মন্দির। এটা কান্তনগরের কান্তগিরে অবস্থিত। কান্তগির আমি ঠীক জানি না এটা কি ভাবে কান্তজির হলো। রাস্তায় সে সাইনবোর্ড তাও কান্তগীর। অথচ সকল বই বাংলাপিডিয়া সর্বত্র কান্তজীর। কান্তজির নিয়ে আমার আসলে লেখার কিছুই নেই। এর ইতিহাস এক গঠন সবই বাংলা পিডিয়ায় আছে। আমি তাই এখানে দেব শুধু ছবি।photo0379.jpg
photo0380.jpg

photo0381.jpg
photo0383.jpg

জনক জননীর গল্প /মোস্তফা কামাল--------------একটি বই যা আমার অমূল্য সম্পদ।

Image0706.jpg

Image0707.jpg

"জনক জননীর গল্প" বইটি মোস্তফা কামালের লেখা।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি রাষ্ট্র সম্মান না জানালেও মুক্তিযোদ্ধারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়েছে। এটাই সোলায়মান মন্ডলের বড় পাওয়া।

এবারে বই মেলা শুরু হবার পর পরই আমাকে ফোন করে বললো --আপু ঢাকায় কবে আসছেন? আপনাদের জন্য একটা সামান্য উপহার আছে।
আমি হাসলাম,বললাম-- কি আমাকে কোন বই উৎসর্গ করেছ?
সে হাসলো-- আপনি কি বই উৎসর্গ করার মত বড় কিছু হয়েছেন?
আমি ও কপট রাগ দেখিয়ে বললাম ---ইস্‌ আমি তোমাকে কত কি খাওয়াই তবুও একটা বই আমাকে উৎসর্গ করা যায় না।

এক অসহায় মা সাহায্য চাই

আমি সাহায্য চাই। আমি আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সহজ ভাবে আমার সমস্যার কথা বলছি। আমার চৌদ্দ বছরের মেয়েকে নিয়ে সমস্যা। অত্যান্ত মেধাবী মেয়ে আমার। ক্লাশ ফাইবে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তাই বলে ভাববার কোন অবকাশ নেই যে তাকে তার অভিভাবকেরা ফার্স্ট হবার জন্য শুধু পড়িয়েছে। সে জন্মগত ভাবেই মেধাবী এবং অত্যান্ত সুন্দর পারিবারিক পরিবেশে বসবাসকারী। এদেশের তথাকথিত শিক্ষিত হবার দৌড়ে তার বাবা মা পাল্লা দেন নি। এ

উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ

ফেইসবুক বন্ধ হওয়াতে সবচেয়ে খুশি হয়েছে কারা? সবচেয়ে খুশি হয়েছে জামায়াতি ইসলাম অর্থাৎ রাজাকার গ্রুপ। এইটুকু বোঝবার ক্ষমতা আমাদের সরকারের যদি না থাকে তবে আর কি বলার আছে।!