আবোল তাবোল - ১০
#
অনেকদিন হাবিজাবি কিছু লিখি না, এবি তে এসে অভ্রাস খারাপ হইয়া গেছে।
মাঝে মাঝে কোন প্ল্যান ছাড়াই হাবিজাবি কিছু না লিখলে ভাল্লাগে না!
অন্যান্য দিন তাও মাথায় কিছু না কিছু থাকে, যে এই এই জিনিস নিয়া লিখুম।
আজকে তাও নাই, মাথা পুরা খালি। টাইপ করতে করতে যা আসে তাই স-ই!
তাই, আগে ভাগেই কইয়া রাখতেছি। এই হাবিজাবি পইড়া ভাল না লাগলে আমার কিস্যু করার নাই!
#
দিনকাল ভাল যাচ্ছে না, বিভিন্ন কারনে মন মেজাজও তাই।
কয়েক দিনের জন্য নিজের ভেতর ডুব দিতে পারলে বেশ হত, তাও পারছি না আরও কিছু কারনে।
বাসায় অসুখ বিসুখ লেগেই আছে, কিছুতেই যাচ্ছে না।
আমরা নিজেরা অসুস্থ হলে খুব একটা অস্বাভাবিক লাগে না। বাসার দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ও হয়ত খুব বেশি পরিবর্তন টের পাওয়া যায় না। জ্বর হলে সারাদিন শুয়ে শুয়ে গান শুনবো, খুব খারাপ লাগলে আম্মু এসে মাথায় পানি ঢেলে দিলে খুব ভাল লাগবে। খারাপ কি?!
কিন্তু, যারা দিনরাত সংসার টা দিব্যি সবকিছু ঠিকঠাক চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অথবা বাসার আর সবার ওপর তাদের ছায়া দিয়ে যাচ্ছে - তারা হঠাৎ বিছানায় পড়লে সবকিছু বড় বেশি খাপছাড়া হয়ে যায়। কোন কিছুই যেন ঠিকমতো হয় না। সবকিছুই হয়তো চলার মত করে চলে যায়, কিন্তু চেনা গানের সুরটা কোথায় যেন তাল কেটে যায়; প্রানে বাঁধে।
কয়েক দিন ধরেই মনের ভেতর ভ্যাঁপসা একটা ভাব করে আছে, কিছুতেই মন ভাল হয় না।
আজকাল কেন জানি মৃত্যুভয় জিনিসটা মাঝে মাঝেই ঘুরে ফিরে আসছে মনের ভিতর।
নিজের জন্য না, খুব কাছের প্রিয় কিছু মানুষের জন্য। কোন কারন ছাড়াই।
কিছু মানুষ হারিয়ে গিয়েও আমাদের জীবনে আগের চাইতেও আর বেশি করে ফিরে আসে।
এমন কয়েকজনের জন্যও মাঝে মাঝেই মন খুব বেশি উদাস হয়ে যায় আজকাল।
কনফিওজড লাগে আমার,
আসলে কোনটা বেশি কষ্টের?!
প্রিয় কাঊকে একেবারে হারিয়ে হারিয়ে বসা নাকি যারা এখনও আমাদের জীবনের অনেকটা অংশ জুড়ে আছে তাদের কোন একদিন হারিয়ে ফেলার শঙ্কা! কে জানে! দুইটাই হয়তো ক্ষেত্রভেদে একই রকম কষ্টের। ভয়ংকর তীব্র হাহাকারে হৃদয় বিদীর্ণ করার মত কষ্টের!
আমরা মনে মনে যা ভাবি,
মানে মাথায় সাড়া দিনরাত নানা রকম যত চিন্তা খেলা করে।
নিজের ইচ্ছেমতন যদি তাদের ঠিক করে নেওয়া যেত, তাহলে আসলেই বেশ হত!
#
আজকাল এবি তে আসলেই মন বেশ ভাল হয়ে যায়।
প্রিয় কিছু ব্লগার নিয়মিত আসছেন, লেখা দিচ্ছেন - কমেন্টও করতেছেন।
অন্যান্য আরও কিছু আঙ্গুলের ছাপে ভালোবাসায় ভাল ভাল লেখা চোখে পড়ছে মাঝেই।
তবুও, আরও কিছু প্রিয় ব্লগারকে মিস করছি। লেখার চাইতেও হয়তো বেশি তাদের কথকতাটুকুই!
কিন্তু খারাপ লাগে যখন দেখি,
প্রিয় কিছু বন্ধু এবিতে আসে ঠিকই মাঝে মাঝে উঁকিঝুঁকি দিতে- কিন্তু কোন সাড়াশব্দ নাই।
সকলের সুমতি হোক!
#
আমি নিজেরে বেশ ব্র্যান্ড লয়াল মানুষ ভাবতে পছন্দ করি।
এমনিতে লাইফের সবকিছুতেই বেশ চুজি হইলেও যা আমার ভাল লাগে বেশ ভালই ভাল লাগে!
এই যেমন বাসার বাইরে আমার রঙ চা খাওয়ার দোকান একটা;
গরুর দুধের চা খাওয়ার দোকান একটা,
আবার লেবু চা খাওয়ার দোকান হইল আরেকটা।
এই তিন দোকান বাদে এমনিতে বলা যায় চা খাওয়াই হয় না!
বয়স হইছে সাড়ে তেইশ,
এর মধ্যেই আমি এক দোকানে চুল কাটাইছি ১৬ বছর!
টিশার্ট তো সবাই পড়ে,
গত দশ বছরে আমি 'নিত্য উপহার' বাদে দশটা টিশার্ট পড়ছি বইলা মনে হয় না!
এহেন আমি যখন ভার্চুয়াল জীবনে প্রবেশাধিকার পাইলাম ভিন্ন আর কি হইব!
আমার ফার্স্ট ক্র্যাশ ছিল একটা ফোরাম টাইপ ওয়েবসাইট, আমাদের রাজ্য!
বছরখানেক লাগছিল ওই পেজের এডমিন রে বাদ দিলে সেকেন্ড ম্যান হইতে!
তারপর, হাইফাইভ।
এফবি তে ঢুকার আগে ওইখানে সময় খারাপ যায় নাই।
আর, এফবি তো লাইফের কম সময় খায় নাই।
তবে, ৪/৫ বছরে বন্ধুর সংখ্যা ৫০/৬০ এর বেশি যাইতে দেইনাই বইলাই হয়তো,
যারা এখনও আছে বেশ ভালই আছে। আর সময়ও বেশ ভালই যায়!
অনেক দিন এফবি'র আগের দুই জায়গায় যাওয়া হয়না।
আজকে হঠাৎ হাইফাইভে ঢুইকা দেখলাম ওঁরা আপডেট করছে অনেক।
আগের কিছুই আর আগের মতন নাই।
ওখানে বেশ কয়েকটা ভাল ফ্রেন্ড ছিল,
বেশ কয়েকবার ভাবছি ওঁদের এফবিতে নিয়া নিমু- সব হারায়া গেল।
তারপরে ট্রাই করলাম 'আমাদের রাজ্য',
জাস্ট নাই হইয়া গেছে! গুগলে খুজলে একটা চাইনিজ না জাপানিজ সাইটে ঢুকায় দেয়! আজব!
এফবি-তে বেশ কিছু ভাল বন্ধু পাইছি এখন পর্যন্ত। এমনকি আমার লাইফের খুব খুব প্রিয় কয়েকটা মানুষের মধ্যেও দুয়েকজন আসছে এই এফবি থিকা।
তবে, একটা জিনিস খুব আজব লাগে।
এফবি, হয়তো পুরা ভার্চুয়াল দুনিয়াতেই একটা জিনিস খুব কমন-
মানুষজন বেশ মন খুইলা মিশে- হুট কইরাই অনেক কাছের হইয়া যায় অনেকে।
কিছু মানুষ হয়তো একই রকম প্রিয় থাকে সবসময়,
কিন্তু অনেকেই দেখা যায় কথা নাই বার্তা নাই হুট কইরাই নাই হইয়া যায়!
আজকাল, ক্যান জানি মাঝে মাঝে মনে হয়-
মানুষজনের কাছে ফ্রেন্ডশিপের মানেও দিনে দিনে অনেক বদলাইয়া যাইতাছে।
কেমন জানি, 'থাকলে ভাল, না থাকলে নাই' ভাব!
আজকাল, মন দিয়া না- ব্রেনের অনেক হিসাব নিকাশে ফ্রেন্ডশিপ হয়!
জানি, সবকিছুই দিনে দিনে বদলায়। কিছুই আগের মতন থাকেনা।
তবুও কেন জানি আরও অনেক কিছুর মত,
এ বিষয়েও আমি অনেক আগের মতই অনেক ব্যাকডেটেড রইয়া গেছি।
ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ড, এই দুইটা জিনিস নিয়াই আমার গর্বের কোন সিমা পরিসীমা নাই।
শুধুমাত্র এই দুইটা যায়গায় আমার ইগো বলতে কোন বস্তু নাই,
ফ্যামিলির বাইরে শুধু ফ্রেন্ডদের জন্যই লাইফ রিস্ক নেওয়ার মত কোন অবস্থায় পড়লে মনে হয়না এ নিয়া ভাবতে আমার চোখের পলক ফেলার চাইতে বেশি সময় নষ্ট করতে হইব!
আজকে,
আমরা বন্ধুতে আসার ৪২ সপ্তাহ পর দেখতেছি -
আমার পাতায় আমার নামের পাশে
৫৫ টা লেখার সাথেই আমার করা কমেন্টের সংখ্যা এখন ১০০০!
এবি'র অনেকের তুলনায় এটা হয়তো কিছুই না।
আমার কাছে, আসলেই অনেক কিছু!
এখন বুঝতেছি, আমার নেশা হইয়া গেছে! ছুটতে খবর আছে!
আই এম ইন লাভ উইদ এবি!!
#
আমি কখনই খুব বড় কোন কোন স্বপ্ন দেখি না,
তাই কোন কিছু নিয়াই আমার চাওয়া গুলো কখনই খুব বেশি হয় না।
কেউ একজন আছেন,
যিনি আমার জন্য ভাল ছাড়া খারাপ কিছু করবেন না-
এভাবে ভাবতে পারলে খারাপ লাগে না!
তবুও আমি বেশ অস্থির স্বভাবের ছেলে, ধৈর্যও খুব বেশি নাই।
তাই,
নিজের মত করে একটা কিছু প্ল্যানমত না হলেই মন খারাপ হয়ে যায়।
ছোট ছোট চাওয়া গুলো না পাওয়ার মত বড় হয়না বলেই হয়তো,
এই চাওয়া গুলো পাওয়া না হয়ে এলে মনে একটু বেশিই আঘাত লাগে!
কি অদ্ভুত আমাদের চিন্তাভাবনা,
দিনরাত শুধু না পাওয়া আর দুঃখ গুলিও জ্বালিয়ে মারে!
ভাল ভাল মুহূর্তগুলো মনেই থাকে না!
এত্ত এত্ত মন খারাপের কথকতায় বলাই হয় না-
অনেক দিনের পর আজকাল মাঝে মাঝেই বিকেলটা কেটে যাচ্ছে ক্রিকেট খেলে;
গত দুই সপ্তাহে বেশ কয়েক বার ভেজা হয়েছে ঝুম বৃষ্টিতে,
বৃষ্টির তুমুল দাপটে ভেসে যেতে যেতে খোলা আকাশের নিচে দাড়িয়ে
ঠাণ্ডায় জমে যেতে যেতে চায়ের কাপে চুমুক দিতে- ভুল হয় নি একবারও।
ভুলেই যাই,
এখনও কারও কারও একটা দুটা কথায় মন খুব ভাল হয়ে যায়-
বুঝিবা চোখে পানিই এসে পড়ে।
এখনও,
খেয়ালে বেখেয়ালে আমারি কোন কাজে বা কথায় হয়তো কারও ঠোঁটে ফুটে উঠে আলতো হাসি-
জল টলমল চোখের কোল ঘেসে ছুঁয়ে যায় এক চিলতে রোদ্দুর!
এইসব নিয়েই তো আমার আমি, আমার বেঁচে থাকা। এই বা কম কি?!
#
নতুন কোন গল্পের বই পড়া হয়নাই অনেক দিন হল, ভালই লাগেনা এটা ভাবতে।
মুভি দেখাও দিনে দিনে কেবল কমতেছে, আজকাল এত দেরি হয় ভাল প্রিন্টের নতুন মুভি আসতে-
কি কি মুভি যে দেখতে হবে তার নামই মনে থাকে না।
নতুন খুব ভাল কোন গান পাইনাই ইদানিং।
আজ প্রায় সারাদিন কেটেছে অর্ণবের গানে আর রবীন্দ্রনাথের কিছু গানের ইন্সট্র্যুমেন্টাল ভার্সন শুনে। আর সারা রাত গেল রবিশংকরের একটা মিউজিকাল স্কোরে, ইম্প্রোভাইজেশন অন থিম মিউজিক অফ পথের পাঁচালী' ।!
একটা সময় প্রায় নেশার মত হয়ে গিয়েছিল একটা টিভি সিরিয়াল, 'ফ্রেন্ডস' -
টানা ২/৩ বার দেখা হইছিল পুরা দশ সিজন।
ওই মজা টা আবার পাইতেছি, 'দ্য বিগ ব্যাং থিওরি' দেখে।
এটার ৪ সিজন দেখে মোটামুটি মানের আরেকটা সিরিজ দেখলাম কয়েকদিন, নাম 'হাও আই মেট ইউর মাদার' ।
এখন আবার ব্যাক টু বিগ ব্যাং, চলতেছে সিজন ৫।
মাঝে মাঝে সিরিয়াসলি একেকজনের কাণ্ডকারখানা দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দেওয়ার অবস্থা হয়!
কয়েক দিন আগে জাতীয় যাদুঘরে দেখে এলাম আমাদের দাদা সৌরভ গাঙ্গুলির স্ত্রী,
মানে আমাদের বৌদি ডোনা গাঙ্গুলির দলের পরিবেশনায় রবীন্দ্র নৃত্যনাট্য ' শাপমোচন'। বেশ লাগলো।
বেশ কয়েক বছর আগে, রবীন্দ্র নৃত্যনাট্য 'চিত্রাঙ্গদা' দেখেছিলাম পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে। সেটার কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল।
আজ থেকে সেই শওকত ওসমান মিলনায়তনেই শুরু হচ্ছে,
বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা আয়োজিত ৫ দিন ব্যাপি '১৫১ তম রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী' উৎসব।
আমি তো যাবই, ইন শা আল্লাহ্। বন্ধুরাও যেতে পারেন - ভালই লাগবে আশা করি।
#
অনেক হাবিজাবি বকলাম,
ভোরের বৃষ্টি শুরু হয়েছে - আজ এখানেই থামি।
আগামি কয়েকদিন পিসি বেশ বিজি থাকবেন,
আর মুঠোফোনে এবিতে ঘুরে ঠিক শান্তি পাই না।
তাই, আপাতত কয়েকদিন হয়তো একটু কমই আসা হবে।
তদ্দিন -
ভাল থাকুন সবাই। অনেক ভাল। প্রতিটি দিন, প্রতিটি ক্ষণ।।





অভিনন্দন!!! আবোল তাবোল পড়তে ভালই লাগে ..
ধন্যবাদ। জেনে ভাল লাগলো।
লেখা ভালো হইসে। দিন কাল বেশি ভালো যাইতেসেনা বুঝতে পারলাম। সেইম হেয়ার। আমারো দিনকাল ভালো যাইতেসেনা। তোর পড়ালেখার খবর কি?
আমার পড়ালেখার অবস্থা কেরোসিন!
ডিগ্রি ২য় বর্ষের পরীক্ষা দিছিলাম গত বছরের নভেম্বরে, এখনও তারই রেজাল্ট ই দেয়নাই।
এরপর আবার ৩য় বর্ষ। ধুর, আর ভাল্লাগেনা এইসব পড়াশুনা!
তুমি এত ঝিম মাইরা থাকো কেন আপুনি?
সুরের ধারা রবীন্দ্র উৎসবের শেষ দিন তুমি কিসে পারফর্ম করছিলা?
ডিভিডি কালেক্ট করছি। তুমি কি কোন সংগঠনে আছো?
আরো বেশি আবোল তাবোল লিখা চাই
মাথায় কিছু আসলে অবশ্যই লিখে ফেলব, যখন আসবে তখনই।
পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
বাম হাতের টাওয়াল কোথা থিকে কিনো আর ডান হাতেরটা
লেখা যারপর নাই মুচমুচে হয়েছে। ছোটবেলায় জীবন এমনই সহজ থাকে বোধহয়
হিঃ হিঃ
খুব বেশি ভুল বলেন নাই অবশ্য!
তবে, দুই হাতের জন্য দুই গামছার অবস্থায় এখনও যাইনাই!
আপাতত,
হাত মুছার জন্য একটা আর গোসলের জন্য একটাতেই কাজ চলে যায়!
লেখা ভাল লাগছে।
অফট পিকঃ আপনার লেখাগুলোতে এতো স্পেস দেন কেন? আরাম পাই না পড়তে।
হুম একটু কবিতা স্টাইল হয়ে যায়। অনেক জায়গা নেয়।
কি জানি!
এলোমেলো কাব্যকথন লিখতে লিখতে এই অবস্থা হইছে মনে হয়!

এখন হাবিজাবি গুলিও একটু ভেঙে ভেঙে না লেখলে নিজের কাছে অস্বস্তি লাগে!
স্পেস না দিলে পুরো লেখা এসে পরে প্রথম পাতায়,
এত জায়গা দখল করে রাখতে ভাল্লাগেনা। তাই।।
আবোল তাবোল ভালোই লাগলো ।
কিন্তু, যারা দিনরাত সংসার টা দিব্যি সবকিছু ঠিকঠাক চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অথবা বাসার আর সবার ওপর তাদের ছায়া দিয়ে যাচ্ছে - তারা হঠাৎ বিছানায় পড়লে সবকিছু বড় বেশি খাপছাড়া হয়ে যায়। কোন কিছুই যেন ঠিকমতো হয় না। সবকিছুই হয়তো চলার মত করে চলে যায়, কিন্তু চেনা গানের সুরটা কোথায় যেন তাল কেটে যায়; প্রানে বাঁধে।
ঠিকই বলছো ।
পোস্টের নাম দেন আবোল তাবোল। অথচ বক্তব্যগুলো খুব-ই সমসাময়িক
-----যা বলেছেন। এখনকার বন্ধুত্ব হছে, যাকে দিয়ে নিজের কোন কাজ হবে। সব কিছুই হিসেব করে। হিসেব-এর দুনিয়া।
ফ্রেন্ডস খুব-ই পছন্দের একটা সিরিয়াল। অগুনতি বার দেখেছি এবং দেখছি।
দ্য বিগ ব্যাং থিওরি', ফ্রেন্ডস-এর মতো অতোটা ভালো লাগে না। তবে, অন্যান্যগুলোর থেকে ভালো।
ঠিক বলছেন।
মন্তব্যে ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
সুমতি হইসে মনে হচ্ছে
হ..
সকলের সুমতি হোক!
হ। মতি নিয়া সবাই সু-এর অধীনে থাকুক.........
সু কে ভাই?! নাম ধাম কি?!
গন্ধটা খুব সন্দেহজনক!
দলে দলে সবাই যোগদান করুক।
হায় ২৩ বছর !!!!
পিছে ফিরে তাকাই শুধু । আবোল তাবোল লাগলো ভালো
ধন্যবাদ, সাঈদ ভাই।
অনেক দিন কিছু লেখেন না। ভাল আছেন তো?
পরিবেশ পরিস্থিতি ভিন্ন হলেও চা টিশার্ট চুল কাটানো সবই দেখি মোটের উপরে মিলে যাচ্ছে আমার সাথে!
আবোল তাবোল ভালই লাগে!
এইরাম আবোল-তাবোল লেখকের সংখ্যা বাড়ুক, এবিতে
বয়'স উইল বি বয়'স!

লন, দুইজনে মিল্যা কুক খাই!
আবোল-তাবোলের লেখক বাড়ুক এবি'তে। লেখকদের লেখার সাপ্লাইও বাড়ুক।
হ..ব্লগরব্লগর কম হইলে ব্লগ জমে না বেশি। লাইনে দাঁড়াইয়া দোয়া করতে থাকেন।
মন্তব্য করুন