ইউজার লগইন
ব্লগ
কামাল ভাইয়ের ইফতার পার্টি এবং আরাফাত শান্তর মন কষ্ট
REOSA এর ইফতার পার্টিতে যোগদান করেছিলাম ২০ জুলাই ২০১৩ তারিখে পাবলিক হেলথ অডিটরিয়ামে। পাবলিক হেলথ অডিটোরিয়াম থেকে উত্তরায় ফেরার পথের ট্রাফিক জ্যামের কথা মনে করে সিদ্ধান্ত নিলাম না আর এতদুরে কোন ইফতার পার্টিতে আসা যাবে না। তারই প্রতিফলন ঘটলো ২৪ তারিখের আই ই বির (IEB) ইফতার পার্টিতে যোগদান না করা। সত্যি কথা হল IEB তে যেতে আসতে যে সময় লাগে সে সময়ে আমি দিনাজপুর চলে যেতে পারি। এ নিয়ে আমার দেশী ও RUET এর বন্ধু প্রিন্সের সাথে কয়েক দিন আগে অনেক হাসা হাসি হল। ওর মেয়ের দল জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম হল অথচ তাকে ইউস করতে যাওয়া হল না। কারন একটাই ওর বাসা আজিমপুর আর আমার উত্তরা। কি আর করা ফোনেই ইউস করলাম। অথচ এমন একটা সময় ছিল RUET ছুটি থাকলে একদিনও আমাদের দেখা হয়নি মনে করতে পারি না। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটা ইফতার পার্টিতে যোগদান করা হয়নি শুধু জ্যামের কষ্টের জন্য।
Those were the Days
সেই কৈশোরে গ্রাম থেকে চলে এসেছি। আজও গ্রামে গেলে ফেলে আসা দিনগুলি স্মৃতিকাতর করে তোলে। পুরনো বন্ধুদের সাথে কাটানো সময়গুলো পিছু ডাকে বার বার। সময় চলে যায় নিজস্ব নিয়মে কিন্তু কিছু কিছু মূহুর্ত, স্থান কখনও মন থেকে হারিয়ে যায়না। তেমনি কিছু কবিতা, গান নিমিষেই নিয়ে যায় অন্য ভুবনে, নস্টালজিক করে দেয়। এরকম একটি গান Those were the days.
গানটির কৃতিত্ব ‘জেনে রাস্কিন’ এর যিনি রাশিয়ান কবি Konstantin Podrevskii কবিতা থেকে তৈরি একটি রোম্যান্টিক গান Dorogoi dlinnoyu কে ইংরেজিতে রুপ দেন। সর্ব প্রথম ১৯২৫ সালে রাশিয়ান গায়ক Alexander Vertinsky এবং জর্জিয়ান গায়ক Tamara Tsereteli গানটির রেকর্ডিং বের করেন। কিন্তু ইংরেজী ভাষাভাষীদের মধ্যে গানটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে মূলত ১৯৬৮ সালে Mary Hopkins কণ্ঠে, যা দীর্ঘদিন ইউএস এং ইউকে সহ বিভিন্ন দেশের টপ চার্টে ছিল। গানটি তৎকালীন সময়ে এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে পরবর্তীতে Mary Hopkins আরও চারটি ভাষায় গানটি রেকর্ড করেছিলেন। স্প্যানিশ (Que Tiempo Tan Feliz), জার্মান (An jenem Tag), ইতালিয়ান (Quelli Erano Giorni), ফ্রেঞ্চ (Le temps des fleurs)
মারুফ প্রতীক ভাইয়ার দুই টাকা
মারফ ভাইয়া আপনার দুই টাকা গল্পটা আমাকে এত বেশী নাড়া দিয়েছে যে আমি বাধ্য হলাম কিছু লিখতে। আপনি আপনার অসাধারন লেখার স্টাইলে যেভাবে একটি অসহায় ক্ষুধার্থ কিশোরকে দু টাকার একটি ছেড়া নোট প্রদান করার চিত্র তুলে ধরেছেন। তা আমাদের সমাজের তথাকথিত কিছু বিত্তবানের বাস্তব চরিত্রের বাস্তবতাই ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনি নিজেই লেখেছেন এটা বাস্তব গল্প।
প্রথমে টাকা দুটি পেয়ে ছেলেটি যে ভাবে আকাশ ছোয়া আনন্দে আত্ন হারা হয়েছিল। সে রকম আকাশ ছোয়া আনন্দ হঠকারী দান কারিটিও হতে পারত, মহান রাব্বুল আলামিনের দানের বদৌলতে। কোরআন হাদীসের বহু হায়গায় দানের ফজিলতের কথা বলা আছে।যা আমরা মুসলিম মাত্র সবাই জা্নি। তাই ওই দিকে আমি যাব না।
দান করা একজন মুসলিমের জন্য ফরজ বা অবশ্য করনীয় যাহা আমরা জাকাত হিসেব জানি। তবে যাকাত প্রদান কারার কিছু সর্ত আছে। অসহায় দরিদ্রকে সাহায়্য করার ব্যপারে কোন সর্ত নেই। যে কেউ তা করতে পারে।
বাস্তবিক কিছু চাহিদা .……
এটা আমার
বাস্তবতাকে কেন্দ্র
করে লিখা।
প্রাণভুমি
আমি চিনি। এই শহরকে।
এর মানুষকে।পড়ন্ত
সূর্যের আলোয়
হেঁটে চলা এক মানুষের
ছায়া যতদূর যায় ঠিক
ততদুর আমি এ
শহরটা চিনি। শহর
আমাকে গল্প দেয়।
প্রতিদিন। রাস্তায়
হাঁটতে হাঁটতে অথবা সা
দেখে অবাক হই,খুশি,ভয়ও
পাই কোনওসময়। শহর
আমাকে চরিত্র চেনায়
হাতধরে। ছেলেবেলায়
মায়ের হাত
ধরে হাঁটতাম
অথবা বাবার। এখন
শহরের হাত ধরে হাঁটি।
হাঁটতে হাঁটতে তাদের
চিনি যারা আমার মতই
হাত
ধরে হাঁটছে শহরের।
তাদেরও
দেখি যারা হাত
ছেড়ে দিচ্ছে অবলীলায়।
ভাবি,
ভবিষ্যতে কি শহরের
আয়নায়
দেখা যাবে এদের?
বা এদের মনের আয়নায়
এই শহরটাকে? উত্তর
নেই। হয়তো এই প্রশ্নের
উত্তর হয়ও না।
আমরা বড্ড বড়
হয়ে যাচ্ছি প্রতিদিন।
মনের দিক থেকে।
চারপাশের দৌড়
দেখে তাই তাদের
টপকানোর জন্য
লোকেরা ছোটে। আমিও
ছুটতে যাই।
তখনি অবনীর বাড়ির
জানলায় আমার চোখ
পড়ে। থমকে যাই।
অবনীর পা নেই। বাড়ির
একমাত্র জানলা আর
অগাধ বইপত্তর ওর
সম্পদ। মাঠের পাশের
বটগাছে আটকানো ঘুড়ি আ
অনেকখানি আকাশে ও
নিঃশ্বাস নেয়।একদিন
ও আমাকে বলেছিল
কিভাবে ওর সূচীপত্রের
তালিকার ভিড়ে অনেক
মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!
ইচ্ছা ছিলো আজ পোষ্ট লিখবো না। তাও লিখছি। কারন অনেকেই আজ আশায় আছে আমি পোষ্ট লিখবো। খাওয়া দাওয়া আড্ডাবাজি কেমন হলো তার গল্প জানাবো। এসব লিখতে এখন আর আমার ভালো লাগে না। কারন রাত জেগে পোস্ট লিখে ১ টি মন্তব্য যখন প্রথম পাতায় ঝুলে তখন তীব্র মেজাজ খারাপ ছাড়া আর কি হয়! মনে হয় কার জন্য এসব অযথা পোষ্ট নিরন্তর লিখে চলা? আমি কখনো শত সহস্র কমেন্টের জন্য লিখি না। লিখি মুলত নিজের কথা গুলো বলতে। আশাবাদ থাকে গোটা পাচ দশ কমেন্ট পাবো! তিন চারটা কমেন্টেও যখন লেখা নিয়া উৎসাহ, ভালোলাগা মন্দ লাগা জানতে পাই তাও ভালো লাগে। কিন্তু একটা দিনলিপি লিখে ১টি মন্তব্য প্রাপ্তি তা দেখে আজ আমার আসলেই মেজাজটা বিগড়ে গেলো। এখন বলতে পারেন তুমি কোন লেখা লিখো যে পড়ে কমেন্ট করতে হবে বাপু? ভালো কথা তাহলে আপনারা লিখেন! এই ব্লগে দিনের পর দিন পোস্ট আসে না তাই নিতান্তই ছাগলামী করে প্রতিদিন অযথা লিখে যাই। তার কারনে এখন প্রথম পাতায় আমারই গোটা চারেক পোষ্ট ঝুলে। আর লেখার ২০ ঘন্টা পরে যখন দেখি ১ টি মন্তব্য নিয়ে পোষ্ট ঝুলে তখন নিজেকেই অভিসম্পাত দেই কেন প্রতিদিন লিখে যাচ্ছি?
ডোম(শেষ পর্ব) সংগৃহীত ও কাল্পনিক
আমরা নিজেরা একটু ভালভাবে যদি ভেবে দেখি যে এ ঘটনাটাই যদি আমার সাথে ঘটতো তবে আমাদের কী অবস্থা হতো। হুজুরের বাড়ীতে এসে হুজুরের সাথে দেখা করার সাথে সাথে হুজুর বললেন কিরে অনেক ভয় পেয়েছিস, না ভয়ের কিছু নাই। তোর কিছু হবে না। এবার তার বিস্ময় আকাশে ঠেকল। হুজুর কি করে এসব জানল। তার হঠাত মনে পড়ল বুজুর্গ ব্যক্তিরা আগে থেকেই সব জেনে যায় কার কাছে শুনে ছিল মনে নেই তবে এমন শুনেছিল।
সে হুজুরকে বলল, এখন আমার কি করা উচিত। তোর কিছু করতে হবে না। নে এ পানি পড়াটা নিয়ে যা ছেলেটিকে তুই খাওয়াবি। চাইলে তুই নিজেও খেতে পারিস। পানি পড়া নিয়ে ছেলেটিকে নিজে খাইয়ে দিল এবং নিজেও কিছু খেল।
দুইটা ট্যাকা
হঠাৎ একটা ঝাঁকুনি খেয়ে গাড়িটা থেমে গেল।এই নতুন ড্রাইভারটা যে কিভাবে গাড়ি চালায়!! গাড়ির প্রতি তার বিন্দুমাত্র যত্ন নেই,ছোটলোকের জাত।আজকে বড় মামা সামনে বসা না থাকলে কিছু একটা বলেই ফেলত মৌ।আর একটু হলেই তার নতুন আই ফোনটা হাত থেকে পরে যেত। মেজাজটা গরম হয়ে আছে,তার সাথে মনে হয় শরীরটাও।এতক্ষণ এসির বাতাসে শীত শীত লাগছিল, এখন গরম লাগতে শুরু করেছে।জানালার গ্লাসটা হালকা নামিয়ে বাইরে তাকাল মৌ।দুপুর গড়িয়ে বিকালের সূর্যটা পশ্চিম আকাশে উঁকি দিচ্ছে।সূর্যের তীব্রতা নেই,অথচ বাইরে গরম বাতাস বইছে। এরই মধ্যে লোকজন ব্যস্ত ভঙ্গিতে চলাফেরা করছে।তাদের চেহারায় কিছুটা ক্লান্তি থাকলেও বিন্দুমাত্র অস্বস্তিবোধ নেই।মৌ জানালাটা বেশিক্ষণ খোলা রাখতে পারলনা, বাহির থেকে যেটুকু বাতাস আসছে তাতেই তার অস্বস্তি লাগছে।বাইরের মানুষগুলো যে কিভাবে আছে এর মধ্যে!!
চেনা বাস চেনা রুট, চেনা রুটি বিস্কুট, চেনা চেনা চায়ের গেলাস!
কবীর সুমনের গান আমার সাংঘাতিক প্রিয়। এইটা নতুন কথা না। অনেক বার বলা কথা। কিন্তু কবীর সুমন কেন প্রিয় তার উত্তর আমার জানা নাই। তার অতি সাধারন সুরে অসাধারণ কথার সব গান যখনি শুনি মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু কোন গানই আর মুখস্থ হয় না। বড়জোর প্রথম দুই চার লাইনই মনে থাকে। তারপর আর মনে নাই। শুনলে মনে পড়ে। অথচ আগে গান মুখস্থ করার প্রতিভা কত দারুন ছিলো। অজস্র গান এক দুইবার শুনেই হুবহু বলে দিতে পারতাম। এখন তা পারি না। তার ধারে কাছেও পারি না । তাই গান এখন স্রেফ শুনার জিনিস। কিছুই আর মনে করতে পারি না তেমন। খালি হেড়ে গলায় সুরটা মনে পড়ে কষ্ট বাড়াতে। এরকম সবারই হতে পারে। কিন্তু আমার মনে হয় আমারটা আগে ভাগেই শুরু হলো। যাই হোক ব্যাপারটা জটিল কিছু না। এখনো যে শুনতে পারতেছি, ইউটিউব টা খোলা, ওলোর স্পিড দারুন তাতেই শুকরিয়া। জগজিৎ সিং গান গেয়ে গেছেন সেই কবেই ' বেশি কিছু আশা করা ভুল!'
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে
এক ফোটা পানিও কি রেখেছ চোখে
আবার কাঁদবো কি তবে হৃদয় জ্বালায়ে
হৃদয় সে তো মরুভূমি হয়েছে কবে
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।
দ্বিচক্র যান খানি পংখীরাজের মত
শহরের এ প্রান্থ থেকে ও প্রান্তে যেত।
লতার মত জড়িয়ে পথের দিশা দিতে যখন
মহাবীর মহনায়ক ছিলাম তখন।
সেই সে আমি আজ কোথায় গেলাম হারিয়ে।
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।
হঠাত তুমি কোথায় গেলে হারিয়ে
দিন ক্ষন মাস গেল পথ চেয়ে চেয়ে
মোবাইলের রিং সহসা বাজিত যখন
উচাটন হৃদয় নাচিত ময়ূরী নাচন
ভুল যখন ভাঙ্গল, সে তো তুমি নয়।
মহাকাশ সম শুন্যতা এল হৃদয় জড়িয়ে
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।
২৭/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
বনানী
'আহমদ ছফার সময়' বই থেকে নেয়া কিছু অংশ! (প্রথম পর্ব)
নাসির আলী মামুন সেলিব্রেটি মানুষ। সম্ভবত কোন বিখ্যাত কবি উনার নাম দিয়েছিলেন ক্যামেরার কবি। আল মাহমুদ থেকে শুরু করে ডক্টর ইউনুস, এস এম সুলতান থেকে শুরু করে শামসুর রাহমান, ছফা থেকে আব্দুল কাইয়্যুম সবার সাথেই উনার ব্যাপক দহরম মহরম। বাংলাদেশের জীবিত মৃত যত বিখ্যাত শিল্প সাহিত্য অর্থনীতি রাজনীতির মানুষ আছে তাদের বেশীর ভাগেরই কথামালা, ঘনিষ্টতা ও ছবির আর্কাইভ একমাত্র উনি। আহমদ ছফাও তার বাইরে না। বলা যায় ছফা ও সুলতানের সাথে তার ভাই সুলভ সম্পর্ক। তাই নাসির আলী মামুনের ব্যাবসা সফল ইন্টারভিউয়ের বই 'আহমদ ছফার সময়' গ্রন্থতেও সেই অন্তরঙ্গ আলাপের গন্ধ ও অন্য ধরনের প্রশ্নমালার ছড়াছড়ি। যদিও আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার সমগ্র নামে একটা বই আছে। সেইটাও খুব ইন্টারেস্টিং। কিন্তু পাবলিক ভালো খাইছে নাসির আলী মামুনের বইটাই। তাই এই ২০১৩ র বই মেলায় বইটার ফোর্থ এডিশন বাজারে আসলো। যদিও বাজারে আহমদ ছফার সমগ্রর কাটতি ওতো ভালো না। তবে সন্দেশ ও খান বাদার্স মিলিয়ে বললে ব্যাবসাটা খারাপ না। সামনের মেলায় হয়তো খান ব্রাদার্স তার সেকেন্ড এডিশনে আরো কিছু যুক্ত করে আনবে বাজারে। নাসির আলী মামুনের বইটা শ্রাবন থেকে বের হওয়া। বইটার পে
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ১০
অনেকেই ছোট বেলায় অনেক কিছু হতে চায়। সব নামকরা ব্যক্তিগণ দেখা যায় ছোট বেলায় হতে চেয়েছিলেন খেলোয়াড়, বড় হয়ে হলেন বৈজ্ঞানিক । আমি নামকরা কেউ নই তাই এরকম কোন ঝামেলাও নাই। আসলে ছোট বেলায় কী যে হতে চেয়েছিলাম, তাও জানিনা। তবে নেভি অফিসার দের সাদা ড্রেস দেখে ৭ম শ্রেনীতে থাকতে নেভি তে যোগ দেবার ইচ্ছা হয়েছিল একবার। কী ধব ধবে সাদা !!!
কোন ইচ্ছা বা লক্ষ্য না থাকলেও স্কুলে থাকা অবস্থায় খাতা ভরে ফেলতাম আঁকা ঝোকা করে । গ্রাম, নদী, গাছপালা , আকাশ - এগুলোই ছিলো আঁকার বিষয়বস্তু। বরাবরই এই প্রকৃতি আমারে টানে । প্রাণহীন এই ইট কাঠের খাঁচায় দম বন্ধ হয়ে আসে ।
এইস এস সি পরীক্ষার পর চারুকলায় ভর্তির জন্য ভেবেছিলাম । কিন্তু হয়ে উঠেনি। তুমুল স্ট্রাগল করছি, জানিনা সামনে কী - সেই সময়ে বাসা থেকে আপত্তি জানানো হল । বলা হল চারুকলায় পড়লে না খেয়ে মরতে হবে । তাই চারুকলায় পড়ার চিন্তা বাদ দিয়ে ভর্তি হলাম কমার্সে। বি কম। টাকা রোজগারে নামতে হবে । ২০ বছর বয়স থেকেই কামলাগিরি শুরু করলাম।
গাছে তেঁতুল জিবে জল
ন্যাড়ার বেলতলায় যাওয়া মানা থাকলেও তেঁতুলতলায় মোটেও বাধা নেই। তেঁতুল অনেক উদার, অসময়ে ঝরে পড়ে ন্যাড়ার মাথা ফাটিয়েছে_ অপবাদ দিতে পারবে না কেউই! তারপরও অধিকাংশ ন্যাড়া বেলতলার দিকেই ছোটে! শক্তের ভক্ত হিসেবেই বোধহয়! ব্যতিক্রম পাওয়া গেল নোমান মামাকে। এক মাওলানার ওয়াজ শুনে আজকাল তিনি তেঁতুলতলায় ঘোরাঘুরি শুরু করেছেন। এদ্দিন শুনতাম_ গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল; মামার হাব ভাবে মনে হয়_ গাছে তেঁতুল জিবে জল!
মহল্লার সামাদ সাহেবের বেশ কয়েকটি তেঁতুলগাছ আছে। তেঁতুলগাছের পাশাপাশি আছে মেয়ে মহুয়াও। মেয়েটি কারও সঙ্গে মেশে না; শুধু তেঁতুলের সিজনে তেঁতুলতলায় ঘোরাঘুরি করে। কখনও দু-একটা বিচি মুখে পোড়ে, বাকি সময় উপভোগ করে ঝুলন্ত তেঁতুলের সৌন্দর্য! বাড়িতে মানুষজন বলতে সামাদ সাহেব ও তার স্ত্রী, মহুয়া একাই ঘোরে ফেরে।
বেড়ানো: সিলেট
এ মাসের শুরুতে (জুলাই ২০১৩) একটা ঘুরাঘুরি.com গ্রুপের মাধ্যমে চক্কর দিয়ে আসলাম সিলেট থেকে। লালাখাল, পাংথুমায় প্রথম দিন ঘুরলাম। পরের দিন লোভাছড়া এবং শেষের দিন ঘুরলাম ছাতক
... এবারের ঘুরন্তিসটা সিরাম হইছে।
কিছু ছবি দেই পাংথুমায়, গোয়ানঘাট, সিলেটের।
০১:

০২:

০৩:

০৪:

০৫:
প্রিয় প্লে-লিস্টের গভীর থেকে উঠে আসা একটি উপলব্ধি
আজকাল বা পরশু যদি সে এসে দাঁড়ায়
ছায়ার মতো আমার ছায়ায়
ছায়ারো ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্য মন...
গানটা মনে পড়ে গেলো যখন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সামনে দিয়ে পার্কে ঢুকছিলাম তখন। কানে হেডফোন গোঁজার জন্য খানিক যাত্রাবিরতি নিতে হলো। তারপর মনে হলো পার্কে ঢুকে কি লাভ? এমন না যে, নীলা ভেতরে কোথাও আমার জন্য অপেক্ষা করে আছে। ও অনেকদিন আমার জন্য কোথাও গিয়ে বসে অপেক্ষা করে না।
একটা সময় দিনের বেশিরভাগ সময় সে লাইব্রেরীতে বা কমন রুমে বসে আমার জন্য অপেক্ষা করতো। সে সময়গুলোতে স্মার্টফোনও বাজারে নামে নি। ছিলো না ফ্রুট নিনজার মতো কোনো গেম। সে কিভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা আমার জন্য বসে থাকতো আমি বুঝতাম না। মাঝে মাঝে ওর কাছে জানতে চাইতাম, কিভাবে পারো তুমি? ও কিছু বলতো না এবং শুধু নিঃশব্দে হাসতো।
আমি এখন বুঝতে পারি, ও সেটা কিভাবে পারতো। কারণ ও ভালোবাসতো। ভালোবেসে ঘন্টার পর ঘন্টা কারো জন্য কোথাও বসে থাকা অসম্ভব না। বিশেষ করে ভালোবাসার প্রথম দিককার দিনগুলোতে তো একেবারেই না। যেকোন ভালবাসারই প্রথম দিককার দিনগুলো একেবারে ইউনিক। আমার অসাধারণ লাগে!
যে ঝড় তুলেছ তুমি
যে ঝড় তুলেছ তুমি হৃদয়ও কাননে
তুমি চাইলে চলে এসো
কোন এক ফাগুনে।
তুমি চাইলে চলে এসো..।।।
ফাগুনের আগুন ঝড়া ফুলও বনে
সাজাব তোমায় আমি যতনে যতনে
বঁইচি না কথার মালা পড়াবে গলে
ঝড়নার জল জল ছল ছল দুল পড়াব কানে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।।
বন্ধু তুমি আমার বন্ধু হলে
খোপায় জড়াব তোমায় ফুলে ফুলে
প্রভুর নামের মালায় সাজাব তোমায় নিরজনে,নিরজনে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।
বন্ধু কাঁদে শুধু বন্ধুর তরে
যতদিন আকাশে চাঁদ তারা নিহারিকা রবে
তুমি কি সেজেছ কভু সমীরনও সাজে
কিযে সুখ তাতে জানাব তোমায় নিরজনে নিরজনে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।
তব বিহনে এ দিল মরু সম,
চাতক পখির মত চেয়ে থাকি তব পথ পানে
এ তৃষ্ণা কি কভু মিটিবে প্রিয় তব বিহনে,এ ত্রিভূবনে।
তুমি চাইলে চলে এস.।।।
২৩/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
বনানী।