ইউজার লগইন
ব্লগ
মৃত্যু আমার অনেক প্রিয়
মৃত্যু আমার অনেক প্রিয়
আমি কখনও তাকে দেখিনি
শুধু দেখেছি যারা মুত্যুকে দেখতে পায়
তারা মুত্যুর সাথে চলে যায়।
তাদের এই চলে যাওয়া দেখতে দেখতেই
মৃত্যু আমার প্রিয় হয়ে ওঠে।
নিশ্চয়ই মৃত্যুর মধ্যে এমন কিছু আছে
যা দেখে সবাই, সকল মায়া-মমতা, সাজানো পৃথিবী
পেছনে রেখে চলে যায় মুত্যুর সাথে সাথে।
মৃত্যুর সাথে বন্ধুত্ব করতে আমার কোন রকমের দ্বিধা নেই
মৃত্যুকে ছুঁয়ে দেখার কৌতূহল আমার দীর্ঘ দিনের;
একবার মৃত্যুর সাথে দেখা হয়ে গেলে
আমি সবাইকে রেখে, একা চলে যাবো তার সাথে,
আমি কাউকে নেবো না আমার সাথে
আমি যে স্বার্থপর এই কথাটা তো পুরাতন!
আমার আকাশ দেখা(প্রথম পর্ব)
অনেক দিন বাদ আকাশের দিকে তাকালাম তাও আবার দক্ষিণ বারান্দায় দাড়িয়ে। সমান্তরাল নয় ১৫ ডিগ্রী থেকে ৯০ ডিগ্রী কোণে তাকালে আকাশটা দেখা যায়। না না ভূল হল ৯০ডিগ্রী পর্যন্ত তাকানো যাবে না,ছাদের ড্রপে বাঁধা আসবে। তাই সংশোধনটা করে নিলাম। নয়তো দুরবীন নিয়ে বসে থাকা মাস্টর ইকবাল নয়ত কানাডিয়ান পিঞ্জ লতিফুল কবির আবার ধরে বসবে। শালা চাপা মার। কি আর করব লতিফুল কবির, আমার বোনটা যে তোমাকে দিয়ে রেখেছি।
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আম্মাজান অনেক ঝামেলার মাঝেও আজকে শুধুমাত্র তোমার সৌজন্যে একটা ভালো সংবাদ পেলাম। তোমার জন্য একরাশ শুভকামনার সাথে কিছু বস্তুগত উপহারের ব্যাবস্থাও করবো।
তবে হ্যাঁ, তোমার পিতা মানে আমার শ্রদ্ধেয় দুলাভাইয়ের কাছে একটা ব্যাপক খানা-দানা পাওনা হয়ে গেলো। আমি জানি তিনি আমার এই স্ট্যাটাস দেখবেন আর মুখ চেপে হাসবেন। কারণ খানা-দানা তার অত্যন্ত পছন্দের বিষয়। শুধু উপলক্ষ দরকার। এইবার উপলক্ষের ব্যাবস্থা তুমি করছো আর খাওয়ার ব্যাপারটা আমি দেখুম। আহ ভাবতেই যেন কেমন লাগছে!
সবাই তোমার ফলাফলে অনেক খুশি। তাদের খুশিটা অনেকটা লাফালাফির পর্যায়ে চলে গেছে। বড়দের এইরকম শিশুসুলভ আচরন দেখতে ভালোই লাগে। অনেকটা বুড়ো বাবু স্টাইল।
তবে আমার উচ্ছাসটা তোমায় নিয়ে ভিন্ন ধরনের। আজ আমি নিজেই দেখে দিলাম তোমার খুব কাছের বান্ধবীর ফলাফল। এবং তারপর যা দেখলাম তাতে আমি মুগ্ধ। নিজের ভালো ফলাফলে তোমার যে আনন্দ তা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেলো কাছের বান্ধবীর খারাপ ফলাফলে। আর তখনই বুঝলাম শুধুমাত্র ভালো ফলাফল নয় তুমি ধীরে ধীরে ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠছো।
এ ,পি , ডি আফজাল মামু (প্রথম পর্ব)
কয়েকদিন থেকে আমার কি যে হয়েছে ঠিক বুঝতে পারছি না। কিছু না লেখতে পারার কষ্টটা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। অথচ আমার নতুন বাসার পরিবেশটা লেখালেখির জন্য চমৎকার। উত্তরার সাত নম্বর সেক্টরে ৬ তলা বিল্ডিংয়ের চারপাশে খোলা। আমি থাকি ষষ্ঠ তলায়,আশ পাশে দুতলার উপর কোন বাসা নেই। তাই তিনটি বারান্দায় বসলে আবারিত সমীরণে সর্বদা অবগাহন করি। শুধু বারান্দা কেন, জানালা বা বারান্দার দরজা খুলে দিলে পুড়ো বাসায় হাওয়ার লুকোচুরী খেলা আমাকেও তাতিয়ে তোলে লুকোচুড়ি খেলতে। লুকোচুড়ি না খেললেও ইফতারের পর একপাশে ছেলে শুলে আরেক পাশে মেয়ে এসে শুবে, আর ওদের চুলে আংগুল চালিয়ে বিলি কাটলে ওরা নাকি এমন মজা পায় যা নাকি ওরা বলতে পারে না, তবে অনেক মজা পায় এটা বলে। ফাক তালে গিন্নি এসে ছেলে বা মেয়ের পাশে গুটিসুটি মেরে শুবে। মাঝে মাঝে ওই যে বললাম খোলা জানালা দরজার অবারিত সমীরণ নিদ্রাদেবীকে ডেকে নিয়ে এসে আমাদের অনিচ্ছায় নিদ্রাপুড়ীতে নিয়ে চলে যায়। ঘুম ভাঙ্গে যখন তখন রাত সাড়ে এগার কি বার। তখন কার আর খাবার ইচ্ছা হয়। তবে তারাবির নামাজ মিস হবার আফসোস হয়। শুধু এশা র নামাজ পড়ি। আর আল্লাহ্র কাছে মাফ চাই। আল্লাহ আমি তো
বসরাই খাটি
যদি ধমক নাই দিবে
তবে বস গিরি কি হয়।
যতই তুমি কাজ করনা
ধমক সদাই রয়।
বস ইজ অলওয়েজ রাইট
সেই কবে থেকে শুনি
তাদের মাঝেও অনেক বস আছে
যাদের গুরুর মত মানি।
বসদের শিক্ষা বসদের ধমকেই
আজ মোরা এত পরিপাটি
পাহাড় সমান হার্ডল পার হই
বসরা তাই খাটি।
তরুণ রক্ত তাই বসের ধমক কাটার মত গায়ে বিঁধে। দিনে সাতবার চাকড়ি ছাড়ে। কাজে অনেক পাকা তাই অভিমানটাও বেশী। সন্তান তুল্য কলিককে সান্তনা দিতেই এই লেখা।

foundation
আইজাক অসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজের দুই কিস্তি পড়া শেষ হলো, তৃতীয় ও শেষ কিস্তি হয়তো অচিরেই পড়বো, সাম্প্রতিক সময়ের ড্যান ব্রাউন এবং সায়েন্স ফিকশনের আইজাক অসিমভ একই ধারার থ্রিলার লেখক, একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পাঠককে টেনে নিয়ে যেতে পারেন এবং অপ্রত্যাশিত চমকের মুখোমুখি করতে পারেন। তবে অসিমভের সায়েন্স ফিকশন মূলত বিজ্ঞানের ছদ্মবেশে "ফিকশন" যেখানে তেমন নতুন কোনো ধারণা উপস্থাপিত হয় না বরং সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক বিবর্তনের ধারায় মানুষের সাম্ভাব্য ভবিষ্যতের ছবি আঁকা হয়। সে ছবিতে ভবিষ্যতের প্রতি এক ধরণের নৈরাশ্যজনক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকট হয়ে ওঠে।
মোটা দাগে অসিমভের মানব সম্প্রদায়ের ইতিহাসের ধারাবাহিকতার প্রতি এক ধরণের ঋণাত্মক মনোভাব বিদ্যমান, মহাশূণ্য, স্পেসশীপ, রোবট, আন্ত:নাক্ষত্রিক যোগাযোগ জাতীয় শব্দগুলোকে মহাসাগর, জাহাজ, টেলিগ্রাফ, টেলিফোন শব্দে প্রতিস্থাপিত করলেও মূল গল্পে তেমন তারতম্য হবে না। পৃথিবীর মানচিত্রের বদলে অসংখ্য নক্ষত্র ও বাসযোগ্য গ্রহের নাম দিয়ে সেটাকে সায়েন্স ফিকশনে রূপান্তরিত করা হলেও আদতে এটা সোশিও পলিটিক্যাল ফিকশন।
রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।
অন্ধকারের এত রূপ কভু দেখি নাই
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
বাতায়নের দক্ষিন হাওয়া শিহরিত মনে
কথার মালায় কাটিয়ে দিব নিশি জাগরণে
দু চারটি নিহারিকা তব খোপায় গেথে
অন্ধকারেই দেখব তোমায় নয়নও জুড়াই।।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
হাত বাড়িয়ে নিশি ধরব খেলব নিশির খেলা
খেলায় খেলায় সাঙ্গ হবে নিশি রাতের মেলা
কি দোষ হতো আজ নিশিটি শেষ যদি না হতো
রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
অনুধাবন .
বিপর্যস্ত ভালবাসা, পর্যুদস্ত মন,
অবশেষে নিলাম বুঝে,
ধার করা ভালবাসায়, চলেনা জীবন।
তবু, নির্বোধ মন, ভালবাসা খুঁজে,
হেথা-হোথা, এদিক ওদিক,
নেশাগ্রস্ততায় অবিরাম ছুটে দিক-বিদিক।
শূণ্যতা তবু, উঠেনা ভরে পূর্ণতায়,
মধ্যনিশির নিঃসংগতায়,
মন যে তাই কেঁদে যায়, অসীম বেদনায়।
নিঁখুত ভালবাসা, মণিময় আশা,
কাংখিত সবার, তবু অনেকেরই,
অযাচিত ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধতায়, হৃদ্য়-মন
কাঁদে সংক্ষুব্ধতায়।
কাঁদে মন অপ্রাপ্তির জ্বালায়,
কখনও বঞ্চনায়, কখনওবা আত্মপ্রবঞ্চনায়।
মনোমাঝে নিরাশা, বাঁধে যে বাসা।
ভালবাসার স্নিগ্ধতা বড় বেশী প্রয়োজন,
এ জীবনে বুঝি হবেনা পাওয়া,
এভাবেই কাটবে কি সময়?
এমন অনন্ত প্রতীক্ষায়?
কখনও কি হবেনা শেষ, ভালবাসার অণ্বেষণ?
জ্বলবেই কি নিরন্তর দহনে, প্রেমপিয়াসী মন?
নেশাগ্রস্ত মন তো অবিরাম, ছুটে দিক-বিদিক।
শূণ্যতা তবু, উঠেনা ভরে পূর্ণতায়।
মধ্যনিশির নিঃসংগতায়,
মন যে তাই কেঁদে যায়, অসীম বেদনায়।
শিরোনাম নাই
খুব মন খারাপ হয়ে গেলো। এমনিতেই আমি এক আঙ্গুলের টাইপিস্ট। লিখতে অনেক সময় লাগে। প্রচুর ভুল ভ্রান্তি হয়। বেশ কয়দিন মহা ব্যস্ত ছিলাম ঢাকা থেকে আসা বন্ধু'কে নিয়ে। তাই লিখতে বসা হয় নাই। আজ সময় নিয়ে বসে বেশ অনেকদুর লিখে ফেলার পর জানিনা কেমন করে কি হল আমার ড্রাফট লেখাটা সম্পুর্ন হারায়ে গেলো
বুঝেন এবার কত বড় গাধা আমি।
আমি সরাসরি এ বি'র বিষয়বস্তঃ বক্সে লিখি। ওয়ার্ডে লিখে আবার যাচাই বাছাই করার ধৈর্য নাই।
ফিরবো ঘরে, কোথায় এমন ঘর?
ঘরে ফেরা বাঙ্গালীর সব সময়ের নস্টালজিয়ার জায়গা। সিনেমায় এই নষ্টালজিয়া দেওয়া হয়, গান বাজনায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়, কর্পোরেটরা এখন এডেও ঈদের বাড়ী ফেরা নিয়ে মোটামুটি স্বপ্নের ভ্রমন বানিয়ে ছেড়েছে। মিস্টি জিংগেলে জানান দেয় স্বপ্ন যাবে বাড়ী এবার কিংবা কোরাস গানে ঘরে ফেরা বলে আবেগাক্রান্ত করে দেয় মধ্যবিত্তকে। আমরা আসলে সবাই বাড়ীতেই ফিরতে চাই। কিন্তু বাড়ীতে আত্মীয় স্বজন, অসীম স্নেহ ভালোবাসা আর স্মৃতি ছাড়া আর কিছুই নাই। এতো সব মোহ-মায়া ও পিছুটান কাটিয়ে মানুষ এই নষ্ট শহরে থাকে শুধু উপার্জন কিংবা উপার্জনের পড়াশুনার জন্যেই। এই আয় রোজগারের পথ আর ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি বিস্তৃত ভাবে সব জেলা শহর আর বিভাগে থাকতো তাহলে আমার মনে হয় না কেউ এই শহরে আসতো মরতে!
নিষিদ্ধ না নিষিদ্ধ নিবন্ধিত অনিবন্ধিত জামায়াত
আদালতের নির্দেশের জামায়াত ই ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। নিবন্ধনের অবৈধতা ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, এবং জামায়াত আগামী ১২ এবং ১৩ তারিখে হরতাল ডেকেছে। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় হরতাল কেনো ১২ দিন পরে আহ্বান করা হলো? জামায়াতে ইসলামীও জানে এই ভরা ঈদের কেনাকাটার মৌসুমে হরতাল দিলে তার হরতাল মান্য করার মতো মানসিকতা এই ক্রয়উন্মাদ মানুষদের নেই। চাঁদের হিসেব মতে ঈদ হবে ৮ কিংবা ৯ই আগস্ট, ঈদ ফেরত মানুষদের ভোগান্তির বাইরে এ হরতাল নতুন কিছু যুক্ত করতে পারবে না। জামায়াত এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করে রায় পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিয়েছে।
সাংবিধানিক জটিলতা
আদলতের অবমাননা!! আইনের অবমুল্যায়ন বা আইন এর অপব্যবহার!! শব্দ গুলো শুধু ক্ষমতার কাছা কাছি মানুষের জন্য, বা রাজনীতির ট্যাগ সম্বলিত মানুষের জন্য। আমরা যারা প্রতি দিন আইন মেনে চলার চেষ্টা করি, এমন কি রস্তার ডানে হাঁটবো না বামে হাঁটবো, ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলবো, নাকি চলবো না তা কয়েকবার চিন্তা করি, তাদের জন্য এই সব শব্দ প্রযোজ্য।
কোন রঙ নেই।
ঘুম ভাঙল কেমন যেন এক বিষন্নতা নিয়ে। কিসের যেন এক দু:খ বোধ কাজ করছে বুকের ভেতরে। একটা শূন্যতা,হাহাকারের মত। কেন এমন কষ্ট কষ্ট অনুভূতি নিয়ে ঘুম ভাঙল। শোয়া থেকে উঠে বসল বিছানায়। পায়ে হাত রাখতেই কাটা জায়গাটায় হাত পড়ল। কি সুক্ষ্ম একটা দাগ! আপনা থেকেই চলচিত্রের মত ভেসে উঠল কিছু ছবি।
কয়েকটি বাচ্চা খুব দৌড়া দৌড়ি করে খেলছে। শুধু তাদের হাসি আর দৌড় চোখে ভাসছে। সময়টা ঠিক দুপুর নয়, সকাল ও নয়। হয়ত ১১টা বাজে বা তার কাছাকাছি। বাবা বাড়িতে আছে। বাবা বাড়িতে মানে দাড়োয়ান মালি দুজনের ত্রাহিত্রাহি অবস্থা।
বাগানের একপাশে কলাবতী ফুলগাছের ঝোপ হয়ে গেছে। গাঢ় মেরুন রং এর গাছ। কি সুন্দর কমলা,হলুদ,লাল,সাদা,আবার ফুটকি ফুটকি বিভিন্ন রং এর ফুল।মা বোধ হয় নিষেধ করেছিল গাছগুলি কাটতে। কিন্তু বর্ষা শেষ হয়েছে গাছে এই সময় কোন ফুল নেই। বাগান আর পরিষ্কার করা হয়নি।
বীর বিক্রম কর্নেল হুদার জীবন যুদ্ধ ও সেই সময়ের সহজ পাঠ!
রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়ে বিজয়ের ষোলো সতেরো বছর পরে আমার জন্ম। আমার প্রজন্মের ছেলেরা তিন চার টাইপের হয়। কিছু আছে যারা এইসব নিয়ে ভাবে না, কিছু আছে যারা আওয়ামীলীগ বিরোধিতা করতে যেয়ে মুক্তিযুদ্ধকে নিছক ভারত-পাকিস্তানের ব্যাপার মনে করে, তাদের ভেতরে আবার কিছু আছে যারা আরো খারাপ ভাবে মুক্তিযুদ্ধকে রায় দেয় এক পাকিস্তান থাকলেই ভারত টাইট থাকতো এই ভেবে, আর কিছু আছে আমার মতো যারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে শিহরিত হয়, নির্মম গনহত্যায় তীব্র ঘৃনা পোষন করে, মনে প্রানে গনহত্যার সহায়তাকারীদের বিচার চায়, একেকজন বীরের সাহসিকতাঁর গল্পে নিজে পুলকিত অনুভব করে, স্বাধীন দেশে বারবার সেই সময়ের মানুষের ত্যাগের গল্প মনে রাখে। আর সর্বশেষ টাইপ হলো যারা এইসব নিয়ে ভাবেই না। খালি ভালো মোবাইল, ভাল পর্ন, ভালো চাকরী যুতসই গার্লফ্রেন্ড এসব নিয়ে ভেবে বেড়ায়। এদের সংখ্যাই অনেক। এরা হেফাজতকে সমর্থন দেয় আবার হুজুগে পড়লে শাহবাগে যায়, দেশপ্রেম জাতীয়তাবাদ কে গালাগাল করে বেড়ায়। আবার ঠেকায় পড়লে দেশ কত মহান তাও প্রমানে ব্যাস্ত হয়ে যায়।
টু হেপ্পি বাড্ডেস...
টু দিমু নাকি দিমুনা, ভাবতে ভাবতে মনে হইলো দিয়াই ফেলাই। তার আগে ছুট্টু
একটা ভাষণ নাকি অন্য কিছু দেই...
ওয়ান
বহুত বহুত কাল আগের কথা। টিকাটুলির মোড়ের সিনামা হলটায় তখন পর্যন্ত কোনো এয়ার কন্ডিশন লাগেনাই, ঢাকার টাউন তখনো ইস্মাট হইয়া পারেনাই। সেই প্রাচীন যুগে আমাদের এক বড়ভাই জন্ম নিলেন। তো বড়ভাইরে এখন রিস্কাওলারাও আংকেল বলে। উনার হাতের ল্যান্ডস্কেপ ছবি বড়ই উপাদেয়। ইদানীং উনি ডকুমেন্টারী ছবি তুলার দিকে ঝুঁকেছেন। আমাদের মাশাল্লা যেটুকু ভাত ভুত হবার সম্ভাবিলিটি আছিলো সেগুলো মাইরা দেবার তালে উনি আছেন। যাই হউক... লোকটারে আমার হুদাকামেই বহুত পছন্দ। সেই বড়ভাই, অধুনা আংকেলেরে বিশাল একটা হেপ্পি বাড্ডে জানাই গেলাম এই পোস্টের মাধ্যমে।
হেপ্পি বাড্ডে রায়হান ভাই...
টু