ইউজার লগইন
ব্লগ
এলোমেলো কথামালা
শেষ হতে চলল রোজা। সামনে ঈদ, শপিং মলগুলোতে কেনাকাটার ধুম লেগে গেছে। সারা বছরের সব কেনাকাটা যেন এই ঈদের সময়টাতে সেরে ফেলবে মানুষ। গিন্নির ঈদের শপিং এর লিস্ট দেখে কিছুটা ভয় পেয়ে হিসেবটা একবার মিলিয়ে নিলাম। ভয়ে ভয়ে বলি কিছুটা কাটছাঁট করা যায়না? প্রয়োজন হলে আমারটা থেকে করতে পারো, গিন্নির উত্তর শুনে দমে যাই। আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারের এই এক সমস্যা, নড়াচড়ার স্কোপ নেই। অনেকেই এই সময়টায় তাকিয়ে থাকে, দিতে না পারলে দু পক্ষেরই মন খারাপ! অতএব কি আর করা! বিভিন্ন খাত থেকে টেনেটুনে বাজেট বাড়ানো ছাড়া আর কোন গত্যান্তর নেই।
গিন্নিকে বললাম তোমার বাজেট ফুলফিল করে দিলাম, এবার তুমি একাই শপিংটা সেরে ফেলো। লাভ হলনা, তাকে সঙ্গ দিতে যেতে হল। মহিলাদের সাথে শপিংএ যাওয়াটাও এক বিড়ম্বনা। বিশাল শপিং লিস্ট কিন্তু সহজে যেন কিছুই পছন্দ হয়না। ব্যাপারটা পছন্দের না, আসলে তাদের সেরাটা চাই। এই সেরাটা খুঁজতে গিয়ে সময়ের দিকে কোন খেয়াল থাকে না। এই মার্কেট সেই মার্কেট করে শেষমেশ আড়ংই পছন্দের জায়গা। তবুও খুশি যে শেষমেশ এই পর্বটা শেষ হল!
অলিখিত সব স্বপ্নগুলো ভেঙ্গেচুরে খানখান!
টানা দুই তিন সপ্তাহ লিখে একটা খানিকক্ষণ বিরতি দিলাম। বিরতি আরো লম্বা দেয়ার কথা ছিলো, ইচ্ছা ছিল বাড়ী থেকে ফিরে লিখবো আবার। কিন্তু তা আর হলো না। যে পিসি নষ্টের অযুহাত ছিলো তা আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলো সহজেই। পিসি ঠিক হয়ে গেলো একদিনেই। তাও গত দুইদিন না লিখে ভালোই করছি। পড়ার সময় পেলাম। এই সব লেখার চেয়ে পড়ার পিছনে সময় দিলে ভালো। কতো বই এখনো পড়া হলো না তা ভাবলে নিজেরই তীব্র মন খারাপ হয়। এখনও অজস্র বাংলা বইয়ের নামই জানা হলো না-পড়া তো দূরে থাক। এইসব ভাবলে মন উদাস হয়, তখন মনে হয় সারাদিন ফেসবুক ব্লগ না বসে থেকে, পড়েই দিন কাটাই। কারন বই পড়ার চেয়ে আনন্দময় কোনো কাজ হতে পারে না এই দুনিয়ায়। তবে আমার একটা বাজে অভ্যাস হইছে কিছুকাল ধরে। যে লাইন বাই লাইন মন দিয়ে পড়তে পারি না। বই শেষ করার নেশায় চটজলদি পড়ে যাই। এইভাবে বইয়ের সাথে অমনোযোগী সম্পর্ক মোটেও সুখের কথা না। আরো সিরিয়াস ভাব নিয়ে তাই এখন টেবিলে বই রেখে চেয়ারে বসে, পিসি অফ করে পড়তে বসি। কারন পাঠ্যবই/ শীট যদি ক্লাসের আগে লাইব্রেরীতে টেবিল চেয়ারে বসে গিলতে পারি তাহলে অন্য বইও সেইভাবেই আরো বেশি যত্নে পড়া ফরজ। তাই করে যাচ্ছি!
প্রথম প্রেম, প্রথম স্পর্শ্ব প্রথম চুম্বন
''একটি কথার দ্বিধা থরথর চুড়ায় সাত সাতটি অমরাবতীর সুখ '' মুহুর্তের আগে ভীষণ অস্থির মুহুর্তগুলো নিজের কাছেই লুকিয়ে রাখার সময়। সুমনের একটা গান ছিলো প্রথম সব কিছু
" প্রথম প্রেমে পরার পরে সবাই পস্তায়,
ক্লাশ পালিয়ে হন্যে হয়ে ঘুরেছি রাস্তায়"
নিয়মিত দেখছি যে মেয়েটাকে তাকে হঠাৎ কোনো একদিন একটু আলাদা করে দেখা, তার চোখ, তার হাসি, তার চোখের সামনে নুয়ে থাকা এক গুচ্ছ চুলে আলগোছে সরিয়ে দেওয়ার দৃশ্য আর কানের পাশে কুন্ডলিত চুলের ভেতরে নিজের অসহায় আত্মসমর্পনের মুহূর্ত। আমি তাকে, শুধু তাকেই ভালোবাসি, তার কাছে যেতে চাই, তাকে নিজের অনুভব জানাতে চাই, এই অনুভুতি প্রকাশের আগে নিজের ভেতরে এক ধরণের দ্বিধাদ্বন্দ্ব অস্থিরতা থাকে।
দম্ভের দণ্ড
গোলাম মাওলা রনি
টানছেন জেলের ঘানি
অহমিকার দণ্ড জেনো
মান ভুলো না মানী।
ফাদার অব ল’ তিনি
বলেন বারংবার
একটুখানি অহমিকায়
গেলেন কারাগার।
ইটিভি আর জিটিভি
নেই তিনি কোথায়
নীতিপ্রীতির নানা কথা
বলেন মুখে ঠায়।
সাংবাদিককে হেন জ্ঞান
করলেন কোন ভুলে
জটবাঁধা আইনের শাসন
তারই তরে খোলে।
মানীর মান রক্ষা করা
দায়িত্ব বল কার?
অহমিকার টুঁটি চেপে
ধর তো একবার।
আইন প্রণেতা বটে তুমি
আইনই তোমার কাল
নিজের হাত নিজেই তুমি
করলে একি লাল!
২৬.০৭.২০১৩
বন্ধুর সাহচর্য
এ বি তে এখন ঈদ আনন্দ। মোবাইল দিয়ে চেক করি যখন তখন। অনেক নতুন নতুন লেখা পড়তে পারছি। আহ কি শান্তি! আচ্ছা এবি'র এই আনন্দ কি শুধু ঈদ পর্যন্ত থাকবে? তারপর আবার আগের মত ঘুম ঘুম পরিবেশ চলে আসবে? আচ্ছা, যতক্ষন আনন্দ হচ্ছে সেইটা উপভোগ কইরা লই। এখুনি এত হা হুতাশ করে কি হবে !।
আজ ব্লগে ঢিকে আমার আগের লেখাটায় অনেক কমেন্ট দেখে আমিতো পুরাই টাস্কি। সবাই কত মহান। আমার লেখাও পড়সে। অনেক ধন্যবাদ সবাইকে। আমার ভাল লাগতেসে এই ভেবে যে আমি আস্তে আস্তে এবি তে যায়গা করে নিচ্ছি সবার ভিতর। সত্যি কথা বলি, এমন প্রানবন্ত একটা গ্রুপের অংশ হতে পেরে আমার মহা শান্তি লাগতেসে। যেখানে কেউ আজাইরা খালেদা / হাসিনা'র গীত গেয়ে গলা ফাটায় না। বরং সবাই খুব আন্তরিক ভাবে ইফতার পার্টির কথা বলে। শান্ত অভিমানি কথা লিখে। ওর কথা শুনে অনেকে শান্তকে শান্তনা দেয়। দেখলেই ভাল লাগে। সবার প্রতি সবার অন্যরকম ভাল বাসা আছে দেখে। এমন একটা ফোরাম অংশ হতে পারলে আমার আর কিছুই চাইনা। আসোলেই।
লালাখাল : হেভেন অন আর্থ!
গত দুই তিনদিনে যখনই ব্লগে ঢুকতেছি মন ভালো হয়ে যাইতেছে।
এত্ত এত্ত প্রিয় চেনামুখের হঠাৎ করে এভাবে ফিরে আসা,
মন ভালো না হয়ে কোন উপায় আছে নাকি!
সবাই লেখা দিতাছে, আমার মাথা ব্ল্যঙ্ক হয়ে আছে। কিছু লিখতে পারতেছি না, ব্যাপারটা ভাল্লাগতাছে না। তাই মনে হল, একটা ছবিব্লগ দিয়া দেই।
আমি গরিব সরিব মানুষ, ডিএসএলআর নাই তাই আর ফডোগফুর হইতে পারলাম না। কি আর করার, তাই দুধের স্বাদ গুড়াদুধে মিটাই! আমার মোবাইল ক্যামরাই ভরসা।
এখন লেখায় ঢুকি -
এখনো পর্যন্ত আমি বোধহয় সবচেয়ে বেশি বার ঘুরতে গিয়েছি সিলেটেই। এই সিলেট শহর থেকে জাফলঙের পথে বাসে ঘন্টা দেড়েক গেলেই সারিঘাট। সেখানে নেমে কাকচক্ষু স্বচ্ছ বরফ শীতল জলের সারি নদীতে নৌকায় ঘন্টাখানেক গেলেই..
সোনারং বালুকাবেলা,দু’ধারে সবুজ পাহাড় আর ছিমছাম চা বাগানের কোল ঘেঁষে..আকাশের সাথে সন্ধি করে অপরূপ নীল পানির লালাখাল। পৃথিবী-তে আমার দেখা দ্বিতীয় প্রিয় সুন্দরতম জায়গা। এক কথায় বললে, হেভেন অন আর্থ!
আমি দুইবার গিয়েছি এখনও পর্যন্ত। আজ প্রথম দেখার মুগ্ধতাটুকু শেয়ার করবো বলেই লিখতে বসা। দিনটা ছিল - ২০১০ সালের ১২ই ডিসেম্বর।
আর কথা না বাড়িয়ে ছবি দেখি -
ছবি ব্লগ: ঘুরন্তিস সিলেট - ২
এ মাসের শুরুতে (জুলাই ২০১৩) একটা ঘুরাঘুরি.com গ্রুপের মাধ্যমে চক্কর দিয়ে আসলাম সিলেট থেকে। লালাখাল, পাংথুমায় প্রথম দিন ঘুরলাম। পরের দিন লোভাছড়া এবং শেষের দিন ঘুরলাম ছাতক Smile... এবারের ঘুরন্তিসটা সিরাম হইছে।
আজকে কিছু ছবি দিচ্ছি লোভাছড়ার। লোভাছড়া হচ্ছে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় অবস্থিত। ওকে ... আর কথা না বাড়াই
০১ যাত্রা শুরু

০২

০৩

০৪
ছ্যাপ
স্থান: মৌচাক মার্কেট ট্রাফিক সিগন্যাল
সময়: মধ্য দুপুর
ঘটনা সাল : বহুদিন আগে (তখন ঢাকা শহরে নতুন ট্যাক্সি নেমেছে, ইয়েলো ক্যাব-ব্ল্যাক ক্যাব)
ট্রাফিক সিগন্যালে বেশ জটলা বাস-ট্রাক-রিকশা-মটরসাইকেল সব মিলিয়ে একটা বিরাট ভজঘট। সেই ভজঘট জ্যামে নতুন ঝা-চকচকে এক কালো ট্যাক্সি এসে থামলো। জ্যামে বসে ঘামতে থাকা অনেকেই ঘাড় ঘুরিয়ে কালো ট্যাক্সিটাকে দেখছে নগরবাসীর জন্য তখন এটা নতুন বস্তু। ভেতরে ড্রাইভার বেশ বনেদি ভাব নিয়ে উৎসুক নগরবাসীর দৃষ্টি উপভোগ করছে।
এক খালি রিকশা পেছন থেকে হালকা ব্রেক করে ট্যাক্সিটার পেছনে থামলো, কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না। রিকশাটা থামার ঠিক আগ মুহূর্তে সামনের চাকা দিয়ে হালকা একটা ঘষা দিলো ট্যাক্সিটার পেছনে এবং সেই আলতো ছোঁয়াতেই ট্যাক্সির পেছনে প্ল্যাস্টিকের খোলসের মত দেখতে বাম্পার নামক বস্তুটা দুম করে খসে পড়লো। রিকশাওয়ালা নির্বিকার। এদিকে ট্যাক্সির ড্রাইভার বেশ মারমুখি ভাব নিয়ে সিট থেকে তেড়ে এলো রিকশাওয়ালার দিকে মুখে খিস্তি-
- হালার পুত, করলি কি তুই কামডা !! তর রিকশা বেঁচলেও তো বাম্পারের দাম দিতে পারবি নারে হালার পুত। তুই এইডা কি করলি !!!
একাকীত্বের নিঃসঙ্গতায়
প্রিয় বন্ধু এসেছে ঢাকা থেকে বেড়াতে। খুব আনন্দের দিন কাটছে আমার। বন্ধুকে নিয়ে ঘুরে বেড়াই শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত। কথা আর শেষ হয়না আমাদের। মেয়েরা নাকি সারাদিন বক বক করতে পারে নন স্টপ এমন শুনেছি। এখন দেখছি ছেলেরাও অনেক বক বক করতে পারে।
আমি এমনিতে অনেক কথা বলার মানুষ না, কিন্তু ছাত্র জীবনের অনেক প্রিয় বন্ধুকে কাছে পেয়ে কথা আর ফুরোয় না। পুরনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করি দুজনে মিলে আর প্রান খুলে হাসি। ইচ্ছা মত খাই দাই আর রাত জেগে অফুরন্ত আড্ডা চলে।
আমি সিগারেট ছেড়েছি দুই মাস হোলো। খুব ভয়ে ছিলাম বন্ধু এলে সিগারেট না টেনে থাকতে পারবো তো। বন্ধু আমার সিগারেট খায়না, বরং সিগারেট তাকে খায়। প্রতি ১০/২০ মিনিট পর পর একটা ধরায়। মাঝ রাতে ঘুমিয়ে পড়েও ডোর চাইমের আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে যায়। বুঝতে পারি বন্ধু সিগারেট ধরিয়েছে দরজা খুলে।
গবিতা- দ্যা পোলা-ও / Ode - To Hash Lady
এবি'তে আইজকা এত নয়া নয়া পুস্ট দেইখা আমারো শখ চাগাইলো... অচিনদা অনেক আগেই কইছিলো বাফড়া শেষ। শেষ-মেষ তাই কারেন্ট টপিক্সেই হাজামাত করলাম। জিন্টু ঐদিকে খবর দিলেন পুলাপান নাকি কোবতে-ও নামাইছে আবেশের চোটে। আমি ভাবলাম আমিই বা বাদ যাই কেনো। তয় কথা হইলো গবিতা লিখতে গিয়া এই পয়লা টের পাইলাম যতিচিন্হে আমি অতি-পাকনা
। এইদিকে আবার বৃত্তের স্টাইলে ফেবুতে-ও হালকা স্ট্যাটাস-ও মাইরা দিছি লেখার। গবিতা লিখি বলে কি সাধ-আহলাদ-ও থাকবেনা??!!
======
চেখে দেখিনি, তবে নেহাত খারাপ লাগেনি পোলাও-টা
রাধতে দেখে।
ভালোই লেগেছে এই প্রথম উনাকে দেখে।
এই প্রথম উনাকে দেখে মুখটা তিতা হয়ে যায়নি
হেশেলে চুলটা বাধতে দেখে।
বলবনা ভাবিনি ''যাক, বেটি তাহলে এত দজ্জাল-ও না।''
ভেবেছি উনি ঐখানেই থাকছেননা কেন সবটা সময়
উনি ঐখানেই থাকছেননা কেন সবটা সময়
আলপটকা মন্তব্যের চেনা আতংকের গন্ডি ছেড়ে
আমন্ত্রণ
ছাদে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে ইমরান।পূর্ণিমার রাতেও আকাশের সেই তারা দুটো’কে এক নজর দেখার জন্য উদ্বিগ্ন ও।পৃথিবী থেকে মৃত্যুর অজানা,অচেনা,রহস্যময় জগতের অস্তিত্ব অনুভব করা যে যায়না এ সত্যটা কোনভাবেই বোঝাতে পারেনা নিজেকে।“ওই যে পাশাপাশি দুটো তারা দেখছ,ওরা তোমার বাবা আর মা”,ছয় বছর বয়সে চাচার মুখ থেকে শোনা কথাটি আজও অবিশ্বাস করতে পারেনা ইমরান।আজ ওর বাবা-মা’র বিবাহ বার্ষিকী।গভীর রাতে তাঁদের মিলনক্ষণে তারারা হয়তো নিজেদের বিসর্জন দিয়ে আলোকসজ্জার আয়োজন করেছে।আলোকিত আকাশের উজ্জ্বল তারাটাই হয়তো তাঁদের মিলনস্থল।ভাবতে ভাবতে চোখে পানি এসে গেল ইমরানের।দু আঙ্গুলের মাঝের লাল আলোটা নিভে যাবার উপক্রম।ঠিক তখনই ফোনটা বেজে উঠল।ইয়েস বাটনে চাপ দিয়ে ফোনটা কানে রাখল ইমরান।ওপাশ থেকে অসম্ভব মিষ্টি একটা কণ্ঠ ভেসে আসল,
“কেমন আছ?”
পাঁচ বছর বয়সে রোড এক্সিডেন্ট এ ইমরান বাবা-মা কে হারিয়েছে।তারপর ওর লালন পালনের দায়িত্ব নেন চাচা।তিন বছর পর তিনিও চলে যান।চাচীর নিষ্ঠুর ব্যবহার সহ্য করতে না পেরে একদিন বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যায়।আপন জনের ভালবাসা পাওয়ার সুযোগই মেলেনি ওর।
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৯)
পর্ব উৎসর্গঃ রমা চৌধুরী
একাত্তরে সব হারানো এই মহীয়সী নারী আজও সংগ্রাম করে চলেছেন বাঁচার তাগিদে কিন্তু মাথা নত করেননি কারো কাছে। অপার শ্রদ্ধা এই একাত্তরের জননীকে।
একাত্তরে মাদার তেরেসা

মাদার তেরেসা নামটি মনে এলেই শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে। এ যেন সেবা, মানবতার আরেক রূপ! মাদার তেরেসা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। এই মহীয়সী নারী নিজে এমনই এক স্থানে অবস্থান করছেন যে তাকে নিয়ে আলোচনা করা রীতিমত দুঃসাহসের ব্যাপার। তবে একাত্তরে তাঁর অবদান নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করা যেতে পারে। সেই চরম দুঃসময়ে তাঁর অবদানের কথা বাঙালী জাতি কোনদিনও ভুলবে না।
'' এমন দিনে তারে বলা যায় , এমন ঘনঘোর বরিষায়।''
১
সারাদিন এক অদ্ভুদ শব্দের মাঝে আছি। রাতের অন্ধকারেও মনে হয় সেই আওয়াজ শুনছি। অনেকটা প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের ''পোকা'' গল্পের মতো। ঘটনা খুলেই বলি। সামারে এখানে এক অদ্ভুদ পোকা এমন আওয়াজ করে কান ঝালাপালা করে দেয়। উইকিপিডিয়াতে দেখি আবার এদের নিয়ে বিরাট আর্টিকেল দিয়ে রেখেছে। পড়তে গিয়েও ধৈর্য্য হলো না। বদজাত পোকা কোহানকার।
এই টাইপের আরেক ধরনের পোকা ইদানিং মাথা খারাপ করে দিচ্ছে তা হচ্ছে এই ব্লগের লোকজন। ব্লগে কেন লিখি না। পোস্ট দিতে কী হয় এই সব বলে। শান্ত আগে পোস্ট নিয়ে আফসোস করতো এখন কমেন্ট নিয়েও আফসোস শুরু করেছে। তাই ভাবলাম একটা পোস্ট দেই। আবার কবে দেই না দেই তার ঠিক নাই 
ডুবে যেতে থাকা স্বপ্নেরা
লেখালেখির সাথে প্রায় আড়িই হয়ে গেছে ইদানীং, কেন জানিনা। তারপরেও হঠাত হঠাত মাথার পোকাগুলো নড়েচড়ে ওঠে। একটা দু'টো শব্দ একটা দু'টো লাইন মাথার ভিতর খেলা করে।
এরকমই কিছু লাইন সাজিয়ে ফেললাম অনেক অনেক দিন পর। সেটাকে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছিনা...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শালিকের চোখের কাজল মরে এলে;
পাখিগুলো সব ফুল হয়ে যায়।
কোমল শরীর নিয়ে ফুটে ওঠে অদ্ভুত সন্ধ্যায়,
বৃষ্টির ঘ্রাণ আর ভেজা ঠোঁটের ঘ্রাণ একাকার হয়ে যায়।
হাতের তালুতে আঁকা ভাগ্যরেখায় কাটাকুটি খেলার সাথী হয় অব্যক্ত যন্ত্রণা,
ডাইলিউটেড চোখের মণিতে ডুবে যেতে যেতে স্বপ্নেরা দপ করে জ্বলে ওঠে,
খুঁজে ফেরে খড়কুটো আর একটি নিশ্চিন্ত কাঁধ,
যেখানে অশ্রুরা নদী হয় পাহাড়ের কোল ঘেঁষে নামা ঝর্ণার ছায়া মেখে...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
"অগনন কুসুমের দেশে, নীল বা নীলাভ গোলাপের অভাবের মতন তোমার অভাব অনুভব করি!"
ঢাকা শহরে সাধ-সাধ্যের মাঝে শান্তি মতোন বাড়ি খুজেঁ পাওয়াই তো দুষ্কর। দক্ষিনা বারান্দা থাকে তো, রান্নাঘরের জানালা রইবে ঘুপচি মতোন, কিবা কমন স্পেস নয়তো শোবার ঘরের মাঝেই ইয়া চওড়া এক পিলার! তবে সাধ্যের মাঝে এই ছোট্ট ফ্ল্যাটটা বেশ ভালোই বলা চলে, হাওয়া-বাতাস চলাচল করে বেশ। সবচেয়ে ভালো কথা হলো একটা পাশে এখনো দালানকোঠা ওঠেনি তাই পুরোটাই ফাকাঁ বলতে গেলে। ঘরগুছানো রিমি’র পছন্দের কাজগুলোর একটা, কর্তব্যের খাতিরে নয়, ছোট্টবেলা থেকে পুতুলের ঘর-ঘর খেলার মতোই যেন আদর নিয়ে সংসারের খুটিনাটি কাজ করে ফেলে, এই করতে করতে আগামীকালের অফিস-ঘর দুইয়েই কাজের প্ল্যান সাজিয়ে ফেলে মনে মনে, কিবা কল্পনাপ্রবন মন পরতে পরতে করে নেয় স্বপ্নে্র বুনন। রান্নাঘরের গ্রীলের আগল গলে শরীর জুড়ানো বাতাস আসছে, ক্লান্তি দূর করে দেয়ার মতোই। কিন্তু আজকের সারাদিনের ধকলের কারনে কিচ্ছুতেই কিছু হচ্ছে না। ঘরদোর পরিষ্কার করে, কখন রান্নাটা শেষ করে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি। বুয়া সকালে কুটে বেছে না রেখে গেলে আজ রান্নাও বসাতো না, এখন সপ্তাহের রান্না করে তা ভাগে ভাগে ফ্রিজে তুলে সব গুছিয়ে তুলবে তবেই শান্তি।