ইউজার লগইন
ব্লগ
বন্ধু সামিয়ার বিয়ে!
শিরোনামটা মায়াবতীর বিয়ে লিখলে ভালো লাগতো। কিন্তু ইচ্ছা করেই লিখলাম না। কারন এই ব্লগের একজন মায়াবতী কিংবা তার সিসিমপুর বাহিনীর গল্পের চেয়ে বন্ধু সামিয়াই আমার কাছে বেশী আপন। সামিয়ার অবশ্য নামের শেষ নাই। সবার আদরের ছোটো বোন বলেই তার নাম কেউ ডাকছে স্বর্নালী কেউবা পিংকী। আর ছোট্ট শ্রেয় তার আব্বুর মতো পিংকী বলতে পারতো না তাই ডাকতো পিপু বলে। পিপু নামটা আমার খুব পছন্দের। শতকরা ষাট ভাগ এসেমেসে আমি ওকে পিপু নাম ডাকছি। তবে ভালো নাম সামিয়া সেইটারও আবেদন কম না। জানি এই পোস্ট ও কবে না কবে পড়বে ঠিক নাই!
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৫)
পর্ব উৎসর্গঃ অমি রহমান পিয়াল, যার লেখা না পড়লে এই পর্বটা লেখা হতোনা।
মারিও রয়ম্যান্স - লিমবার্গের থিল

ছেঁড়া জীর্ণ কাপড়ে কোনরকমে নিজের শরীর ঢেকে রাখা এক মায়ের কোলে একটি অপুষ্ট শিশু, চোখদুটো যেন ঠেলে বেরিয়ে আসছে! কিংবা পথের পাশে পড়ে থাকা মানুষের লাশ ছিঁড়ে খুবলে খাচ্ছে কুকুর... অথবা ভীত-সন্ত্রস্ত্র হয়ে লোকজন দ্বিগবিদিক ছুটছে জীবন বাঁচাতে... সবারই লক্ষ্য সীমান্ত পার হয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে...
চ তুমি কত ভাগ্যবান(পর্ব-2)
প্রত্যেকটি নবজাতক শিশু জন্ম গ্রহণ কালে কান্না করতে থাকে।আমার দৃষ্টিতে সেটা কান্না নয়, আমি আমার একটি কবিতায় লিখেছিলাম, সে তখন চিৎকার করে বলতে থাকে আমি মানুষ, আমি মানুষ। কিন্তু আমরা তার ভাষা বুজতে পারি না। তাই আমরা যে যার ধর্মে জন্ম গ্রহণ করি,প্রকারান্তরে সে সেই ধর্মের অনুসারী হই। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া। এই নবজাতক শিশুটি যে ঘরে যে বাবা মা বড় ভাইবোনের সাথে থাকে তাদের কাছ থেকেই সে সকল প্রাথমিক শিক্ষা পেয়ে থাকে। তারপর যখন সে শিক্ষাঙ্গনে যায় তার শিক্ষক, শিক্ষিকার কাছ থেকে বিদ্যাশিক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ ও পারিপাশ্বিকতার শিক্ষা লাভ করে। নিজ দেশে বা দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সময় সহপাঠীর কাছ থেকেও একে অপরের মাঝে পরিবেশ ও পারিপাশ্বিকতার আদান প্রদানে বিশ্বপরিবেশ বিষয়ে ধারনা জন্মে। দেশ ও দেশের বাইরে কাজ করতে গেলেও কিছুটা ধারনা হয়। তবে আমরা যে যত আধুনিক বা উদার মানসিকতার হই না কেন? রক্ষনশীলতা রক্ষনশীলতাই, এটা আলো ও আঁধারের মত।
ভুতের বাড়ি
ভুতের বাড়ি
(জুনাঈদ মাসুদ হোসাইন)
আমার বাড়ি সিসিমপুরে
ভূতের বাড়ির কাছে
রাতের বেলায় আমায় দেখে
ভূতরা সব, খিলখিলিয়ে হাসে
রাতে যখন টয়লেটে যাই
ভূতের হাসি শুনতে পাই
আমি যখন খাবার খাই
ভূতের কাশি শুনতে পাই।
আমি যখন ঘুমাতে যাই
ভূতের কথা শুনতে পাই
ভূতরা বলে, আহারে
আরামে ঘুমাচ্ছিস ভাই
আয় তুই আমাদের কাছে
ঘাড় মটকে খাই ।
আমার ঘাড় মটকাতে চাস শুনে পেল হাসি।
আমি মানুষ সৃষ্টির সেরা একটু দাঁড়া আসি।
মহান রবের নামটি নিয়ে গেলাম যখন তেড়ে
ভুতেরা সব পালিয়ে গেল সকল কিছু ছেড়ে।
আমার মেয়ে
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমার মেয়েটা অসম্ভব মায়াবতী। কিন্তু সেই মায়ার কথা সে কাউকে বলতে পারে না। চোখ জুড়ে তার সমুদ্র। অল্পতেই সেই সমুদ্রে সুনামী ওঠে। কেউ কিছু বললে কিছু বলতে পারে না, চোখ বেয়ে শুধু পানি পরে। কাউকে সে ভালবাসার কথা বলতে পারে না, রাগের কথাও না। মেয়েটাকে স্কুল থেকে আমি নিয়ে আসি। একদিন দেখলাম, মন খারাপ করে স্কুল থেকে বের হয়ে আসলো। কি হয়েছে জানতে চাওয়া মাত্র দেখি চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে। কারণ আর কিছুই না, তার পাশে বসে যে মেয়েটি, সে কিছু একটা বলেছে। তার মায়ের হয়েছে মুশকিল। কিছু বলতেই পারে না। সঙ্গে সঙ্গে চোখে পানি।
বোরিং...
বোরিং। নিজের সমন্ধে এই একটা শব্দই সব চাইতে বেশী যুতসই মনে হয়। বোরিং মানে সব সময় বোরিং ফিল করি তা না। বোরিং মানে বুঝাচ্ছি এন্টারটেইনিং না। বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলে দাঁড়ায় খাপ খাওয়াতে না পারা, কোনো অনুস্টানে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকা, চারিদিকে এত মজা আনন্দ তার দিকে সন্দেহের চোখে তাকানো, অল্প পরিচিত মানুষদের সাথে মিশে গিয়ে হাসি ঠাট্টা না করতে পারা। মোটের উপরে কথা অভ্যস্ত না এমন একটা হাঁসফাঁস আচরন কোথাও গিয়ে করে বেড়ানো। আবার সেই অনুষ্ঠানেই যদি আমার বন্ধু বান্ধবদের এনে দেওয়া যায় তবে আমার চেয়ে লাফালাফি আর কেউ করবে না, আনন্দের অতিসায্যে খেই হারিয়ে ফেলবে। তার মানে কি দাঁড়ালো? তার মানে আমি নিজের জগৎ নিজের বন্ধুময় পরিবেশ ছাড়া যেখানেই যাই ডিসওরিয়েন্টেড বোরিং ফিল করি। এই বিষয়ে ভালো জিনিস বলছিলো আমার বন্ধু অবশ্যই মেয়ে যার সাথে তাম্রযুগে আমার ভাব ভালোবাসা ছিলো। সে বলছিলো "বন্ধুদের সাথে দেখি তোমাকে কথার তুবড়ি ছোটাও, আমার সামনে আসলেই দেখি কোন কথাই খুজে পাও না। আমি যাই বলি শুধু তারই এন্সার দেও।" শুনে আমি খুব চিন্তায় পড়ে গেছিলাম। আসলেই তো আমি এমন কেন?
হেফাজতের উত্থান পতন
লেখাটা ৭ই মে লিখেছিলাম সামান্য কিছু অদল বদল করে ব্লগে টুকলাম আজকে
৫ই মে গভীর রাত থেকে শুরু করে ৬ই মে সারাদিন অব্যহত পুলিশ অভিযান, সহিংসতা , অগ্নিসংযোগ শেষে অবশেষে হেফাজতে ইসলাম পিছু হটেছে। বাংলাদেশের চলমান বাঙালী জাতিয়তাবাদী সাংস্কৃতিক উত্থানের বিপরীতে হেফাজতে ইসলামীর পশ্চাতমুখী বদ্ধ সংস্কৃতির ধারণা সাধারণের ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করলেও এর সাম্ভাব্য সমর্থকদের সার্বিক সংখ্যা সাধারণ মানুষদের আতংকিত করেছিলো। মিডিয়ায় তাদের নেতা ও কর্মীদের "গণতওবা", এবং 'কানে ধরা' ছবি তাদের বশ্যতা মেনে নেওয়ার, তাদের পরাজিত হওয়ার এবং মনোবল ভেঙে যাওয়ার প্রতীকি উপস্থাপনে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পেয়েছে , আনন্দিত হয়েছে।
বাসস্টপে সেইমেয়েটা কবে নেমে গিয়েছিল
তুমি আনন্দ৷
তুমি বেদনা…. তুমি ধুসর কল্প৷
বাসস্টপে সেই
মেয়েটা কবে নেমে গিয়েছিল
ল্যাপটপে অসুখ জড়িয়ে ছিল সুনন্দ অপার৷
মাউসের একফুট দূরে উবু হয়ে বসে ছিল চাঁদ
পাশে ল্যাপটপ আলোয় ঘুমায় বিবশ
চাকরী আমার৷৷
কেউ বোঝেনি কোনোদিন দূরত্ব কত
যে রঙ্গিন হয়
দূরত্ব আপন করে সে কতবার
অথৈ জলে নেবেছিল৷
কে যেন বলেছিল…এক গ্লাস সকালের
বিশুদ্ধ গঙ্গা জলে
জলছড়া দিয়ে বিশ্বজয় করে এসে নিজেই
অবাক হয়েছিল৷৷
দুটো নাম আসলে আলাদা আলাদা কাজ করে
প্রেমের মাঝখানে একজোড়া লাল হলুদ
সুতো জোড়ে৷
দেহ বাঁধতে গেলে সুঁচের ডগায়
একফোঁটা যে রক্তবিষ
গোলাপী ভ্রমর ওড়ায় সে বিষ, এক
দি্স্তা কাগজের মোড়ে৷৷
বাসস্টপে সেই
মেয়েটা কবে নেমে গিয়েছিল
তুমি আনন্দ …..তুমি অন্তর গল্প।
দূরত্ব আপন করে আমি কতবার জলে নেবেছিল
তুমি বেদনা…. তুমি ধুসর কল্প।।
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৪)
সুখী মানুষের দেশে
সুখ বায়বীয় একটি বিষয়, আপেক্ষিক ব্যাপার! সে তর্কে না গিয়েও বলা যায়, বাংলাদেশ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষের দেশ! আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত বিভিন্ন জরিপেও এটা একাধিকবার প্রমাণিত হয়েছে! দেখা যাক, কীভাবে বাংলাদেশ সুখী মানুষের দেশ_
ষ এ দেশের রাজনীতিকরা প্রতিনিয়ত গণমানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ান। এ দেশে যতটা মানুষ তার চেয়ে অনেক বেশি ভোটার! এ 'ভোটাররা সব দেখে, বোঝে। বুঝে-শুনেই আবার ভোট দেয়। নতুন করে নিপীড়নকারীরা ক্ষমতায় আসে, আবারও পুরনো নিয়মে নিষ্পেষিত হতে শুরু করে মানুষ। অতীতের কথা মনে রাখি না বলেই আমরা সুখী!
ষ অন্যের দুর্ভোগ দেখে অনায়াসে আমরা হাসতে পারি। কেউ হয়তো কলার খোসায় আছাড় খেয়ে পড়ল, সেটা দেখে সাহায্যে না এগিয়ে আমরা হাসি। আবার কারও গায়ে হয়তো কাউয়া পক্ষী ইয়ে করে দিয়েছে_সেটা মুছে দেওয়ার চিন্তা না করেও হাসি। আমরা সুখী হবো না তো, কে হবে!
ষ সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক এখন জানিয়ে দেয় কার সঙ্গে কার প্রেমের সম্পর্ক, কার সঙ্গে কার বিয়ে হয়েছে বা হবে। কারও সম্পর্ক ভেঙে গেলেও খুব আনন্দের সঙ্গে সেই স্ট্যাটাসে আমরা 'লাইক' দিই! যেন সম্পর্ক ভাঙাটা খুবই সুখের!
যুদ্ধ পর্ব -৩
এই হল আমার বাংলাদেশ, ক্ষমতাবানদের সাথে আপোষ করে থাকতে হবে।, তারা যত অন্যায় আর ভুল ই করুক না কেন? তাদের ভুলের কারনে আমার আপনার জীবন, পরিবার সব ধ্বংস হয়ে যাক, তাও টু শব্দ করা যাবে না। সমযোতা করে চলতে হবে। যা বলে তাই মাথা পেতে নিতে হবে। নইলে মিথ্যা মামলার পর মিথ্যা মামলা হবে। আপনার কিছু করারা থাকবে না।। আদালত এইসব মিথ্যা মামলার চার্জ গঠন করবে, তারা বুঝতে ই পারবে না এই মামলা যে মিথ্যা।। আসলে তারা আসামি পক্ষের কথা না শুনে ই চার্জ গঠন করব.। অসহায় আমরা, আমাদের উকিল রা নিজের মাথার চুল ছিঁড়ব। কিন্তু কিছু করার থাকবে না।
বলিউড হলিউড ভেরী ভেরী জলি গুড!
ইচ্ছা করেই দুই তিন দিন পোস্ট লিখি নাই। কারন টানা পোস্ট লেখার কিছু নাই। আমি তো ওতো মহান লেখক না যে লিখতেই হবে। লিখি সাদামাটা দিনলিপি তা মিস গেলেও কিছু করার নাই। আর যাদের লেখার কথা তারাই যদি না লিখে তবে কারোর কিছু আসলেই করার থাকে না। আর একটা লেখার পরে যখন দেখি মাত্র তিন চারটা কমেন্ট তখন খুব কস্ট লাগে। তবে এতো কস্ট জীবন নস্ট। তাই এখন আর কস্ট পাই না। ধরেই নেই অনেকেই পড়বে লেখাটা, হয়তো ভালোও লাগবে, কিন্তু কেউ কমেন্ট করবে না। তবে কমবেশী পড়ে যে অনেকে লেখা তা আমি মানি। নয়তো কবে কি লিখছি তার রেফারেন্স মাঝে মাঝেই এমন মানুষদের কাছ থেকে শুনি যাদের আমার লেখা পড়ার কথা না। অনেকেই বুকমার্কড করে ফেলছে চেনা জানা শুভাকাংখীরা তারা নিয়মিতই জানায় মন্দলাগা ভালো লাগা। আমি কতো কস্ট করে পোস্ট লিখি তা নতুন করে বলার কিছু নাই। আপনারা যখন এই পোস্টটা পড়ছেন তা লেখার জন্য আমাকে সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠে ভাবতে হইছে কিন্তু তখনই তো আর লেখা যায় না। লেখার সময় ফিক্সড হয় ভাত খাওয়ার পরে। বুয়া আসে নাই লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে মামা রান্না করলো। আমি মনের সুখে ওয়ান্স আপন টাইম মুম্বাই এগেইনের কাওয়ালী সুফী মিক্সড একটা গান বারবার শুনতে শুনতে
চ তুমি কত ভাগ্যবান(প্রথম পর্ব)
তখন ক্লাস সেভেন/এইটে পড়ি। রাত এগারটার আগে ঘুমুতে যাওয়া হতো খুব কমই। পড়াশুনার জন্য রাত জাগা তা বলা যাবে না, ফিফটি ফিফটি বলা যাবে। তখন বিনোদনের মাধ্যম রেডিও, প্রতিদিন রাত দশটায় কোন না কোন কেন্দ্র থেকে অনুরোধের আসর হতো। আমাদের ঠাকুর গাও থেকে আকাশবানী কলকাতা খুব সুন্দর শোনা যেত। বুধবারে আকাশবাণী থেকে হতো আধুনিক গানের অনুরোধের আসর।
ওগো বৃষ্টি তুমি চোখের পাতায় ছুয়ো না,
অথবা তোমার আকাশ দুটি চোখে আমি হয়ে গেছি তারা
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-৩)
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১)
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-২)
স্যার উইলিয়াম মার্ক টালি

একাত্তর, উত্তাল সারাদেশ। সর্বত্রই মানুষের মুখে শুধু যুদ্ধের আলোচনা, সচেতন বাঙালি মাত্রই সর্বদা জানতে আগ্রহী ছিল কোথায় কি ঘটেছে আর এর জন্য সবাই উন্মুখ হয়ে থাকতো একাত্তরের বিবিসিতে একটি কন্ঠ শোনার জন্য। একাত্তরের বিবিসি মানেই মার্ক টালি। তখনকার দিনে যুদ্ধের আলোচনা উঠলেই অনেকেরই প্রশ্ন ছিল বিবিসিতে আজ কি বলেছে মার্ক টালি? ধনাঢ্য ইংরেজ পরিবারের সন্তান মার্ক টালির জন্মস্থান কোলকাতা। বাবা বৃটিশ হলেও মা ছিলেন বাংলাদেশের নেত্রকোনার মেয়ে। তাইতো বাংলাদেশের সাথে তার সম্পর্ক নাড়ির।
এমন কি ছিল কথা?
সচরাচর যেমন হয়,
শুধু তাঁর কাছে ভয়,
শুধু সত্যের কাছে ভয়,
শুধু মিথ্যার অভিনয়।
শুধু মিথ্যার জয়।
সচরাচর যেমন হয়,
শুধু অস্তিত্তের আশায়
মিথ্যে ভালবাসায়
মিথ্যে সম্পর্কের সমন্বয়,
শুধু বিচ্ছেদের জয়।
সচরাচর যেমন হয়,
শুধু সম্পদের আশায়
আঘাতের প্রস্রয়।
সুখ শান্তির ভাষায়
দস্যুতার অন্বয়।
সচরাচর যেমন হয়,
যাতে নারীর ভয়
পুরুষের জয়।
যেখানে মিথ্যে দম্ভে
মনুষত্ত্বের পরাজয়।
সচরাচর যেমন হয়,
যেখানে নারীত্বের বেঁচাকেনা
সমাজের অহংকার।
যৌতুকের দেনায়
নারীত্বের সৎকার।
সচরাচর যেমন হয়,
যেখানে ঘুষের আগুনে পোড়া
মনুষত্তের গৌরব।
মানুষেরা অসহায়
নেই ফুলেল সৌরভ।
সচরাচর যেমন হয়,
যখন যুদ্ধের জয়,
শান্তির ক্ষয়
মিথ্যে সেবার ভাষায়,
মুল্যবোধের অবক্ষয়।
সচরাচর যেমন হয়,
ধর্মের ছায়ায়
সন্ত্রাসের জয়।
মানুষের স্বপ্নে, আশায়
বোমা গর্জায়।
সচরাচর যেমন হয়,
ঘরে কোণায়
নারীর আস্রয়।
তাদের কান্নায়
ধর্মীয় স্লোগান বাজায়।
আর কতকাল এমনি কাটবে দিন
আর কতকাল ঘটবে মনুষত্বের বিলীন।
আর কতকাল প্রস্রয় পাবে ঈস্রাফিলের বীণ।
হবে কোন কালে অত্যাচারীর বিষাক্ত হাত অস্রহীন।
