ইউজার লগইন
ব্লগ
টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (শেষ পর্ব)
কথায় কথা বাড়ে। আহমদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের পুরস্কার লাভ, আমার বউডার বদলীর অর্ডার দুটি খবর ঘণ্টা দুইয়েকের ব্যবধানে আসে। প্রথম খবরটি দিল টুটুল ভাইয়া, সাথে লীনা আপুর দীর্ঘ রিভিউ আমাকে এই লেখার রসদ ও বাল্যস্মৃতি রোমন্থনের উপহার হিসেবে এনে দেয়। যার সাথে যুক্ত হয় প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসংগিক অনেক কিছু। আমার বধূটি এতদিন আমার কাছ থেকে দুরে থাকায় প্রিয় বন্ধুদের প্রিয় পিঞ্চিং আমাকে কি পরিমাণ আদর আপ্যায়ন করছে তার কিছুটা ধারনা হয়ত দিতে পেরেছি। এটাই ছিল আমার প্রথম পর্বে প্রতিশ্রুত গল্প বলার বিষয়। কিন্তু প্রথম পর্বে অনেক মন্তব্য পেয়েছি যার উত্তর আমি দিয়েছি কিন্তু শাশ্বত স্বপন ভাইয়ের একটি প্রশ্ন ছিল, ভাবিকে আপনি অনেক ভালবাসেন? তার উত্তরটা এখানে দেবার চেষ্টা করছি। প্রশ্নটা অতি ছোট হলেও আমার কাছে তার গুরুত্ব অনেক। মন্তব্যের ঘরে দিলে হয়ত তা আমার ব্যক্তিগত ব্লগে থাকবে না।
সাতকাহন- ১
.................................................................................................................................
১
একদিকে অনুভূতি ঘেরা উচুঁ দেয়াল,
অন্যদিকে বাস্তবতার আকাশ-পাতাল ফারাক।
আমি না পারি অনুভূতির পাঁছিল টপকাতে,
না পারি আকাশ-পাতালের দূরত্ব ঘোঁচাতে।
শুধু প্রত্যাশায় থাকি,
একদিন হয়তো বিশাল আকাশ হূড়মূড় করে।
নেমে আসবে এই মাটির বুকে।
অপেক্ষায় আছি, অনন্ত অপেক্ষায় ।।
২
পথ চলতে হয় বলেই হয়তো পথ চলা।
সুখে থাকার অভিনয় করতে হয় বলেই,
হাসিমুখে কথা বলা।
জানি, তোমার বলার মতো কেউ হয়তো নই।
তবুও জেনে নিও,
আমার ভিতর বাহির বলে কিছু নেই,
যদি কিছু থেকেও থাকে, তা সবই তোমার।
আমার আনন্দ তুমি,
তাই এতো ভালোবাসি তোমায়।।
৩
সময়টা অকারণে থমকে গেছে,
দম দেয়া ঘড়িটা যেনো হারিয়েছে তার দম।
বড্ড অস্থির এই সময়টা।
মনের দরজায় উকিঁ দিয়ে যাচ্ছে হাজারো স্মৃতি,
জন্ম দিচ্ছে হাজারো প্রশ্নের।
স্মৃতিগুলোকে ঘুম পাড়িয়ে,
সকল প্রশ্ন সচেতনে এড়িয়ে দেখি,
পদার্থ
আমাদের পাঠ্যক্রমের বই গুলো দেখলে আমরা দেখি প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত। প্রথম দশ বছর আমরা সাধারন গনিত পড়ি, বার বছর ই আমরা ইংরেজি পড়ি। সাধারন গণিত শুরু হয় সংখ্যা গণনা দিয়ে, শেষ করি পাটিগণিত, বীজগণিত, আর জ্যামিতি দিয়ে , বিঞ্জান পড়ানো হয় আস্টম শ্রেণী পর্যন্ত। যারা বিঞ্জান এর ছাত্র, তারা বার বছর ই বিঙ্গান পড়ে, সাথে কম করে হলে ও দশ বছর অংক করে। ইংরেজি তে গল্প, কবিতা (ইংরেজি সাহিত্য) এবং ইংরেজি ব্যকরন দুই ই পড়ানো হয়।আজকের বিবেচ্য বিষয় আমাদের ১২ বছরের পাঠ্যসুচি না। আমরা আলোচনা করবো ১২ বছর এ আমরা ইংরেজি, বিংান আর গনিত বিষয়ে কিভাবে পড়ি আর কতটা পড়ি। এই পাঠ আমাদের জিবন কে কিভাবে ধবংশ করে দিচছহে সেই বিষয়ে।
স্মৃতিতে সৌভাগ্যের রজনী!
বাঙ্গালী মুসলিম জীবনে শবে বরাত নিয়ে লিখতে গেলে দশটা পোস্ট অবলীলাতেই দেয়া যাবে। আমি ওতো আলাপে যাবো না। আর এমনিতেই বানান ভুল আর যতিচিন্হে তালগোল পাকিয়ে লেখার অবস্থা ছেড়াবেড়া। এমন না যে আমি বানান জানি না। সমস্যা হইছে যে পুরানো ল্যাপটপ বা কম্পিউটারটাও পুরানো অভ্র তাই স্পেল চেকার নাই। আর নিজেও ওভারকনফিডেন্ট হয়ে লেখা শেষ করাটাকে বেশী ইম্পোরটেন্স দেই। আর যতিচিন্হের ভুলের কারন টা হলো কারেন্ট চলে যাবে তাই খুব তাড়াহুড়ায় লেখা আর যতি চিন্হ বিষয়ক তথ্য জানার অভাব। ব্লগে লেখার সময় আমি কোনোকালেই বানান শুদ্ধতা আর সেনটেন্স স্ট্রাকচার নিয়ে ভাবি নাই। সবসময় মনে হইছে লেখা শেষ করতে পারলেই হলো। আর কি বুঝাইছি তা বুঝলেই দায় শেষ। আর ব্লগে আমরা আমরাই তো। এখন যখন প্রায় প্রতিদিন পোস্ট লিখে চলছি কোনো কালেই তো ভাবি নাই এতো লিখবো!
একজন সিরাজ ভাই
আমার খুব বড় অসুখ বিশুখ হয়না , এই হাল্কা পাতলা ঠান্ডা লাগে, সর্দি, কাশ্ হাঁচি এসব হয় এ্রর বেশি সিরিয়াস কিছু না।
এমনিতে আমি হাল্কা পাতলা, কখনোই বেশি মোটা হই না যতই খাই না কেন, কিন্তু বেশি বসে থাকলে এই চিকন শরীরের ভিতর একটা পেট বের হয়ে যায়, খুব দৃষ্টিকটু ব্যাপার। পেট যাতে বের না হয় তাই একটু হাটা হাটি করি পার্কে গিয়ে। অসুখ না থাকলেও বয়স বাড়ছে, বন্ধু দের অনেকের খবর পাই হটাত করে হার্টের সমস্যা নিয়ে দেশ বিদেশের হাসপাতালে দৌড়াচ্ছে, ওপেন হার্ট করতে হয়েছে কয়েকজনের, আর ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার এসব তো খুব কমন ব্যাপার সবার ।সকাল বিকাল এক গাদা ট্যাব্লেট খায় সবাই ।
শুনেছি পরিবারের কারো কঠিন অসুখের ইতিহাস থাকলে নাকি সেটা পরের জেনারেশনের উপর আছর করতে পারে। তাই নিয়ম করে বছরে ২ বার ডাক্তারের কাছে যাই সব পরিক্ষা করে দেখতে যে যন্ত্রপাতি ঠিক আছে কিনা, আচমকা যেন বড় ধাক্কা না খাই। জীবনের প্রতি কার না মায়া আসে কন ? আর নিজেরে নিজে সবাই সব চাইতে বেশি ভালবাসে আর আয়নায় বার বার দেখে এটা হয়ত কেউ স্বীকার করেনা, কিন্তু সত্যি কথা।
কেউনা
একটি ৩*৩ রুবিক্স কিউব। পুরোটাই অবিন্যস্ত। যদি সাজাতে পারো তবেই পেয়ে যাবে জন্মদিনের উপহার। প্রতিটি তলেই তোমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বার্তা দেয়া।
একটি নীলাভ পাঞ্জাবি। এটাকে যেমন জিন্সের সাথে মানাবে, তেমনি মানাবে সাধারন পায়জামার সাথে। পরলে পরীর মতো লাগবে।
একগুচ্ছ লাল গোলাপ। যা সুন্দরের সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দেয়। হাতে নিয়ে তোমায় মনেহবে স্বর্গের অপ্সরী।
কুপার্সের ব্ল্যাকফরেস্ট কেক। স্বাদে সৌন্দর্যে অতুলনীয়। তাতে একটি মোমবাতি জ্বালানো থাকবে। এক ফুঁ তে নিভে যাবে , আর তখনই প্লাস্টিকের ছুরিটা তাকে এফোঁড় ওফোঁড় করে দেবে। একটুকরো মুখে তুলে খাইয়ে দেবে অতি আপন একজন কেউনা।
কেউনা রা সবসময়ই কেউনা হয়েই থাকে। তাদের স্বাবেক প্রেমিকারা তাদের বুকে মাথা রেখে বলে , যদি কক্ষনো চলে যাই তবে ভেবনা ভালোবাসিনি। আর তারা তা মেনে নেয়। বন্ধুরা অনেক চাহিদার সময়ে দেবার মতো সময় করে উঠতে পারে না। প্রচন্ড কষ্টের সময়ে অনিচ্ছাকৃত ভাবে অনুপস্থিত থাকে। ঠিক যেমন অনুপস্থিত থাকে প্রচন্ড ভালোবাসার প্রেমিকা। ঠিক যেমন অনিচ্ছাকৃত ভাবে ছেড়ে চলে যায়।
টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (পর্ব-২)
আমার লেখার প্রথম সমজদার হইলো আমার ক্লাসের বন্ধুরা। ছাত্র জীবনে যা লেখতাম তা কিছু বন্ধুর মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন কমন ই-মেইলের কল্যাণে সাড়া দুনিয়াতে রুয়েটের সকল বন্ধু, বড় ও ছোট ভাইয়েরা ছাড়াও আরও কয়েকটি গ্রুপ মেইল ও ব্লগের বন্ধুরা পড়ে।আমি বাহরাইনে অবস্থান কালীন কিছু লেখা ইংরেজীতে লিখি। তার কারন দুটি, প্রথমত তখন সেখানে কি বোর্ডে বাংলা ফন্ট না থাকা এবং আমি বাংলা টাইপে পারদর্শী না হওয়া, দ্বিতীয়ত ইউ এস নেভীর ভিতর আরবী ও ইংরেজী ছাড়া অন্য ভাষায় লেখা নিষিদ্ধ হওয়া। যদিও হিন্দি বাংলাসহ যে কোন ভাষায় কথা বলা যেত। আমার রুমমেট ও একই কম্পানির সহকর্মীদের মাধ্যমে কিছুটা পরিচিতি পেলে, আমার ইন্ডিয়ান, ফিলিপিনো, পাকিস্তানি, বাহরাইনই কলিগ ও কয়েকজন আমেরিকান বন্ধু আমার লেখা পড়ত। আর লেখায় উৎসাহ দেবার জন্য ছিল বাংলাদেশ স্কুলের সন্মানিত সভাপতি ও আল আহলী ব্যাংকে কর্মরত জনাব শাফখাত আনোয়ার, ভাবি আর আমার বাংগালী সহকর্মীরা। দুই তিনটা অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা আবৃতি করার পর একটা পরিচিতি চলে আসে। অন্য দেশের অবস্থা জানিনা তবে বাহরাইনে ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬সে মার্চ, ২১ সে ফেব্রুয়ারী ঈদে মিলাদুন্নবী, শবে
সিগারেট সমাচার
এ বছরের গরমকাল কেমন জানি ফাজলামি করতেসে আমার সাথে খুব। ২ দিন ফাটা ফাটি গরম পড়ে আবার তাপমাত্রা নেমে যায় ধুম করে, দিনের বেলায় অনেক গরম আর রাতের বেলায় রিতিমত লেপ গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। এত বছরের বইদেশ জীবনে এমন অবস্থা আর দেখি নাই। জুন মাস এলেই গরম হয়ে যায় সব কিছু, সব কিছুই পাখনা মেলে বের হয় আড়াল থেকে, নারী পুরুষ সবাই শরীর দেখানোর প্রতিযোগিতা শুরু করে দেয় যেন, তাতে আমার কোন ই আপত্তি নাই। দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া এমন একটা ভাব নিয়া দেখে যাই।
বখে যাওয়া দিনলিপি
বহু বছর পর আজ বাবুর সাথে কথা হল। ভালই আছে জানলাম। শেষবার যখন দেখা হয়েছিল বড় নড়বড়ে অবস্থার ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল ও। চাকরী বাকরি নেই, ওদিকে চৈতীর বাবা-মার বিশাল চাহিদা। শেষ পর্যন্ত এক যুগের সম্পর্কটা ছিন্ন হল। আকণ্ঠ ডুবে যেতে দেখলাম ওকে ….. ক্ষোভ, দুঃখ, নেশার মধ্যে। তখন আমরা বন্ধুরা বিস্তৃত মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছি। দূর থেকে আরও দূরে ক্রমান্বয়ে সরে সরে যাচ্ছি। হাত বাড়ালেও পরস্পরের নাগাল মেলে না। আর তাই ওকে ডুবে যেতে দেখলাম, ডুবে যেতে দিলাম।
ক্ষত চিরস্থায়ী হয় না। গভীরতার মাপকাঠিতে ক্ষতচিহ্নের গুরুত্ব বাড়ে হয়ত, তবে রক্তক্ষরণ চিরদিনই থেমে যায়। এটাই বেঁচে থাকার নিয়ম। ওর ক্ষতটাও শুকিয়ে গেছে জানলাম। কবিতার সাথে ভাব হয়েছে। মাস দুই পর বিয়ে করে ফেলবে। শুনে ভাল লাগলো। আত্মগ্লানি থেকে খানিকটা মুক্তি পেলাম।
বাবু ভাল আছে।
বিবাহ নিয়া কথাবার্তা
লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে তিনি বললেন, বিয়ে করার পরপরই আমি জানতে পেরেছি, সুখ কী জিনিস। কিন্তু তত দিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে…!
কত দেরি? নিজের কথা বলার আগে কবিগুরুর কথাই না হয় বলি। কবিগুরু বলে কথা-
রবি ঠাকুর প্রিয়নাথ সেনকে নিজের বিয়ের নেমন্তন্ন জানিয়ে যে চিঠি লিখেছিলেন তার মাথায় লেখা ছিল – ‘আশার ছলনে ভুলি কি ফল লভিনু হায়’।
ছেলেটি বলেছিল মেয়েটির জন্য সে নরক পযর্ন্ত যেতে রাজি। ঈশ্বর তার কথা শুনেছে। তাদের বিয়ে শেষ পর্যন্ত হয়েছে।
তাহলে কি বিয়ের কিছুই ভাল নেই? আছে। আছে। একটা গ্রিক মতবাদ বলি-
যদি ভাল স্ত্রী পাও, তা হলে তোমার নিজের লাভ।
কারন তখন তুমি সুখী হতে পারবে।
কিন্তু যদি খারাপ স্ত্রী পাও তা হলে দেশের লাভ, কারন তখন
তুমি দার্শনিক হতে পারবে।
এবার বিয়ে নিয়ে একটা সিনেমার কথা বলি। রাজেশ খান্না আমার বরাবরই পছন্দ। শর্মিলা ঠাকুরও। এই দুইজনের চমৎকার একটা সিনেমা আছে। আবিস্কার। তুমুল প্রেমের পর বিয়ে করেছিল ওরা দুজন। তারপর কিছুটা সময় গেছে। এখন বিয়ের দিনটার কথাও মনে পড়ে না। সেই তুমুল প্রেম তাহলে কই গেলো?
জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০১৩।।
আমি জীবনে কোনোদিন কোনো সাহিত্য পুরষ্কারে যাই নাই তেমন। শেষ গিয়েছিলাম মনে হয় বাংলার পাঠশালা এক পাতি বাম পাঠচক্র বেইসড সংগঠনের আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সাহিত্য পদকে। অনুষ্ঠানটা খুব সাদাসিদে ভাবে আর সি মজুমদার মিলনায়তনে হয়েছিলো। খুব বেশী কথা মনে নাই সেই অনুষ্ঠানের। তবে কাল যে আয়োজনে গেলাম তাতেও আমার যাওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা ছিলো না। কারন আমি সেরকম কেউ না যে কেউ দাওয়াত দিবে। আর চারিদিক কোনো সময় ফলো করা হয় না যে খোজ করে যাবো। তাই এই অনুষ্ঠানে যাবার প্রধান কারন আহমদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের পুরস্কার প্রাপ্তির অনুষ্ঠান বলেই। নয়তো কতো কিছুই তো হয় এই ভাবে কি আর জরুরী ভেবে যাওয়া হয়। আর অনেকদিন এবির লোকজনের সাথে ফেসবুক মোবাইল বাদে যোগাযোগ নাই। তাই ভাবলাম যে কয়জনই আসুক আড্ডা তো হবে!
বিদেশে পলাতক যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের বিচার প্রসঙ্গে ICSF এর ভিডিও সেমিনার
২২ জুন ২০১৩
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
========
২২ জুন ২০১৩ বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) এর আয়োজনে একটি ভিডিও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। “এক্সট্রাটেরিটোরিয়াল জুরিসডিকশন অফ দ্য আইসিটি: ব্রিঙ্গিং অ্যালেজড ওয়ার ক্রিমিনালস ব্যাক হোম” শিরোনামের এই সেমিনারে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ওয়ার ক্রাইমস ফাইলস প্রামাণ্যচিত্রের প্রযোজক এবং সেন্টার ফর সেক্যুলার স্পেস এর গীতা সেহগাল, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুম, প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বাউল, এবং এডভোকেট সাইফুল ইসলাম তারেক, সন্ত্রাস এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষক জনাব জামাল হাসান। আইসিএসএফ এর পক্ষ থেকে সদস্য ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এক্সট্রাডিশন (extradition) বিষয়ে তার গবেষণা পেশ করেন ।

বিজ্ঞাপন বার্তা
দেশের টিভি চ্যানেল দেখি আমি খুব। আর মজার ব্যাপার হল এইসব চ্যানেল এ মুল অনুষ্ঠানের প্রতি আমার আগ্রহ খুব কম। মানে আগ্রহ কমে গেছে কারন গতানুগতিক জিনিস হয় যেন ভাড়া করা মানুষ নিয়ে এসে কারো গুন গান শোনানো টক শো নামক অনুষ্ঠাণ গুলিতে, গানের অনুষ্ঠান গুলিতেও খুব কম পাই কাউকে যার গান ঘন্টা ধরে শুনতে ইচ্ছা করে আর খবরে তো দেখার কিছুই নাই কারণ ওখানে থাকে শুধুই সূয়োরানী আর দূয়ো রানীর কিসসা কাহিনী আর বক্তিমা , দেখলেই মনে হয় বলে উঠি " আ জাইগা ", কারন আমার খালি মনে হয় আমি যেন বাংলা সিনেমা দেখছি ।
অনেকদিন আগের কথা, তখন বাংলা সিনেমায় রানী সরকার নামের একজন ভদ্রমহিলা অভিনয় করতেন যিনি বেশিরভাগ ছবিতেই সৎ মা, চাচী কিংবা মোড়লের হিংসুক বউ এই ধরনের চরিত্রে, ওনার অভিনয় এতই নিখুত হত যে মনেই হত না সিনেমা দেখছি , যেন বাস্তবে কিছু দেখছি আর ইচ্ছা করত ওনাকে ধরে ওখানেই পিটাই, এতটাই বাস্তব সম্মত অভিনয় ছিল।
অস্থির অস্বস্তিকর দিনকাল!
ইদানিং চায়ের দোকানের উপর থেকে আমার মন গেছে উঠে কিছুই আর ভালো লাগে না আর। এভাবে যে কখনো প্রিয় চায়ের দোকান থেকে মন উঠে যাবে তা ভাবতেই পারি নাই। মন উঠে যাবার কোনো কারন নাই। এমনি এমনি মনে হলো ঢের হয়েছে চা খাওয়া আর চাবাজ আড্ডা এখন একটু অন্য কিছু করা যাক। আরেকটা বড় কারন হলো দেখলাম সবাই নিজের জগত লইয়া চিন্তিত আর পেরেশান। আমি সব পেরেশানি ভুলে চায়ের দোকানে পড়ে থাকি তাদের সেই অবকাশ টুকুও নাই। আর পুলক কোর্টে যাওয়া শুরু করছে, আদনান যায় অফিসে তাহলে ঠেকে গেলাম নাকি আমি!
দূর আকাশের তারা

ল্যাব এইড হসপিটালের আইসিইউ’র সামনে অনেক মানুষের জটলা। ছোট শিশুদের একটা দল কাঁচের জানালার বাইরে থেকে ভিতরটা দেখছে। রুমের ডান দিকের কর্নারের বেডে শুয়ে আছে আট বছরের শিশু রোদেলা। নিথর হয়ে পড়ে আছে, চোখে পলক পড়ছে না। ছোট শিশু, ব্যাথায় মুখমন্ডল নীল হয়ে আছে। শিশুদের দলটির একজন একজন করে দেখছে আর চোখ মুছতে মুছতে ফিরে আসছে। সবাই রোদেলার ক্লাসের বন্ধু। একটু দূরে সিঁড়ির কাছে অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে অহনা। চোখ দুটো ফোলা, দেখেই বুঝা যায় দু’চোখ সারাক্ষণই অশ্রুর বন্যায় ভাসছে। তাকে সান্তনা দিচ্ছে সবাই। কিছুই বলছে না অহনা, নির্বাক; ফ্যাল ফ্যাল করে শুধু তাকিয়ে থাকা ছাড়া মুখে যেন কোন ভাষা নেই। আজ এক সপ্তাহ হল রোদেলা ল্যাব এইডের আইসিইউ’তে পড়ে আছে। একের পর এক লোকজন আসছে আর চোখ মুছতে মুছতে ফিরে যাচ্ছে। ব্যাপারটা সবার কাছেই অপ্রত্যাশিত, কেউই বিশ্বাস করতে পারছে না মাত্র কয়েক দিনে অবস্থা এতোটা খারাপ হতে পারে।