ইউজার লগইন
ব্লগ
বিপ্লবের ভেতর-বাহির: শেষ পর্ব
বিপ্লবের ভেতর-বাহির ১, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ২, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৩, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৪, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৫
সিরাজ সিকদার নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন শেখ কামালও। বলা যায় তিনি গুলি খেয়ে মরতে বসেছিলেন। মরেন নাই শেষ পর্যন্ত, তবে ব্যাংক ডাকাতের একটা তকমা দীর্ঘদিন ধরে শেখ কামালের নামের সঙ্গে জুড়েছিল। এখনও হয়তো কেউ কেউ তা বিশ্বাসও করেন। অনেকের জানা সেই গল্পটা আগে বলি।
প্রসংগ হিন্দী ভাষা কিংবা ভিন্ন সংস্কৃতি
আজকাল বেশ একটা ট্রেন্ড শুরু হয়েছে দেশের আধুনিক ছেলেমেয়েদের মধ্যে “হিন্দী ভাষা”কে ঘৃনা করি টাইপ কথা বলার। যদিও “ঘৃনা” শব্দটা খুবই শক্ত, কোন কিছুকে নিয়ে মন্তব্য করার জন্যে, “অপছন্দ করি” কথাটা হয়তো তাও চলে যায়। যারা এধরনের ঘৃনা শব্দগুলো উচ্চারন করেন তারা কিন্তু অবলীলায় ইংরেজি, আরবী, চায়নীজ কিংবা ফ্রেঞ্চ গান, সিনেমা, বই পড়ছেন - উপভোগ করছেন। একশ কোটির বেশি মানুষ যে ভাষায় কাঁদেন, হাসেন, প্রেমিকাকে প্রেম নিবেদন করেন, রাত জেগে বই লিখেন, আবেগে কেঁপে কবিতা লিখেন সেই ভাষাকে আমরা কেনো ঘৃনা করি? তার কি কারণ? এতোগুলো মানুষের আবেগ প্রকাশের মাধ্যম কি করে অন্যদের ঘৃনার উদ্রেক করতে পারে? অনেকেই বলতে আসেন, তারা আমাদের সাংস্কৃতিকে গ্রাস করে নিচ্ছে, তাই ঘৃনা করি। তাই কি? নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে অন্যকে ঘৃনা করাই সার? তারা এসে চড়ে বসেছে আমাদের ওপর? বাধ্য করেছে আমাদেরকে তাদের সিরিয়াল দেখতে, শাড়ি পড়তে, তাদের গরু, পেয়াজ খেতে?
বুয়েটের বাপ(পর্ব-শেষ )
সকল দিনে যেমন ঝক ঝকে সূর্য কিরন থাকে না বা সব রাত্রি যেমন পূর্নিমার আলোয় ভাসিয়ে নেয় না তেমনি সকল প্রেমের উপাখ্যানও সফলতা লাভ করে না। আবার কারও হয়তবা হতে হতেও হয় না। সকল ফুলে ফল হয়না, সকল গাছেও ফল ধরে না। যাক এ নিয়ে কত বিরহের গান কবিতা গল্প আছে আমার আর এ বিষয়ে কিছু না বললেও সবাই জানি,
পথ হারা পাখি কেঁদে ফিরে একা
আমার জীবন শুধু আধারে ঢাকা।(নজরুল)
অথবা
কাঁদালে তুমি মোরে ভালবাসারই ঘায়ে
কাঁদালে তুমি মোরে।
নিবিরও বেদনাতে পুলকও লাগে গায়ে।
কাঁদালে তুমি মোরে।(রবি)
চিঠিও নাই ঠিকানাও নাই
কোথাই খুজি তারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।
সে যে ভিখারী করিল মোরে।
আমার কল কল ছল ছল ডল ডল যৌবনে
কিসের বান মারিল সে যে বুঝতে নারি ক্ষণে
কিসের ব্যথা কিসের জ্বালা বুজিতে না পারি
ডাক্তার বৈদ্যের সাধ্য কি যে আমায় ভাল করে।
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।
পড়ার টেবিল কাটার বাগান ঢুকতে গেলেই হানে,
যাকে যায় না ধরা যায় না ছোয়া সেই আমাকে টানে।
কোথায় যাব কি করিব বুঝতে নাহি পারি।
অকালে বুঝি যায় যে জীবন ভালবেসে তোমারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
বাংলার কলঙ্ক
ওরা কারা ?
ওরা বাংলাকে চায়না,
ওদের ঘৃন্য পদঘাত ,
পরম পবিত্র বাংলাকে কলঙ্কিত করে,
ওরা বাংলা মানেনা,
আথচ বাংলায় রাজত্ব করতে চায়,
হিংস্র থাবা বসায় বাংলার বুকে,
ওরা অস্বীকার করে বাংলার সৃষ্টি,
বিকৃত করে বাংলার ইতিহাস,
ওরা জানেনা বাংলার মাটি,
এখনও লাখো শহীদের রক্তে ভেজা,
বাংলার আকাশে বাতাসে এখনও
শোনা যায় বুক ফাটা চিত্কার,
ছেলেহারা বৃদ্ধা মা,অসহায় বাবা
ভাই হারা বোন,বিধবা রমনীর
শূন্যতা আর হাহাকার,
এই বাংলায়
এই বাংলাকে কলঙ্কিত করে
সেই নরপিশাচ রাজাকার ।।
হাবিজাবি
আরাফাত শান্ত'র দিনলিপি পড়ে আমি এলোমেলো হয়ে যাই।ফিরে চলে যাই অনেক পিছনে যখন আমিও ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় টোকাই'র মত ঘুরে বেড়াতাম মনের আনন্দে।আসোলেই শান্ত আপনি আমাকে মনে করিয়ে দেন আমার অনেক প্রিয় সেই দিনগুলির কথা।
প্রতিবছর নভেম্বর এলেই আমি দেশে যাবার জন্য ব্যাগ গুছাতে শুরু করি।নভেম্বরে যাই কারণ তখন একটু শীত শীত ভাব আসে দেশে, অনেক আরাম লাগে , বিশেষ করে গ্রামে গেলে ভোরের কুয়াশায় ভিজা ঘাসে খালি পায়ে হাঁটতে।খেজুরের রসের সিরনি , চাদর মুড়ি দিয়ে উঠোনে চুলার পাশে বসে গরম গরম হাঁসের মাংশ আর খোলা পিঠা খাবার কথা মনে হলেই আবার ছুটে যাবার জন্য পাগল হই।এবার যেতে পারবো কিনা জানিনা ।
দিনকাল
কেউ বাম, কেউ ডান, কেউবা আবার চিনাবাদাম
তবু কেন ঠোঁটের আগায় প্রাণটার আজ বিধিবাম
মাছে মাংসে ফরমালিন রোগীর ফলে বিষ
গণের কথা না ভাবলেও তাদের নীতিই ফিট।
কেউ বলে শহীদ জিয়া কেউ দেয় মুজিবীয় সালাম
ভাবখানা ধরে বলে দেশের তারা কেনা গোলাম।
একাত্তরের খুনি বাঁচাতে দেশ করে দেয় কেউ অচল
আমজনতা যুদ্ধ করে, আয়ের চাকা রাখতে সচল
ধর্ম নিয়ে ধর্ষ করে পার পেয়ে যায় সকল
ধর্ম পোষাক গায়ে দিলেই অপরাধী সফল।
কী যে হল দেশটার ভাই ঘুমাতে পারে না হরিদাশ পাল
ডাবের পানিতে ঘুমের ওষুধ, তরমুজেতে রঙ লাল।
ভেজাল মোরা খেয়েই যাচ্ছি বেড়ে যাচ্ছে ডাক্তারের বিল
একটু খানি বিষ্টি হলেই নগর মোদের চলনবিল।
নিত্য নতুন যানজটের দ্বিগুন সময় দিচ্ছি দাম
হাইওয়েতে মার্সিডিজ ঠেলাগাড়ির নতুন নাম।
ট্রেনে বগি ফাঁকা নেই তবুও তো লোকশান
হপ্তাখানেক আগে এলে তবেই পাবে টিকেটখান।
কত মানুষ মিডেল ইস্টে যায় আসে দিনে রাতে
বলাকাটার গলা কাটা ছাড়ে বিমান বড্ড লেটে।
একটুসখানি ফ্লাইওভার উড়ার আগে ধ্বসে পড়ে
বেকারী মালিক রাস্তা বানায় বড়সর ঘুষের জোরে।
বাড়িওয়ালা নয় তো ভাই নব্য নতুন ইয়াহিয়া
পরীক্ষার নাই শেষ( শনিবার থেকে জুনাঈদের পরীক্ষা। ও আপনাদের সকলের দোয়া চেয়েছে)
পরীক্ষার হল
নেই কোলাহল
কাগজের খসখস
কলমের ঠকঠক
মনের আছে বল
পরীক্ষার হল।
কারো হাত খাতায়
কারো হাত মাথায়
কারো লেখা ভালো
কারো লেখা মন্দ
কারও লেখা ধীরে
কারো লেখা জোরে
তবু লিখতেই হবে
লেখা নেই বন্দ।
টিচারের তেজ
খাতার পেজ
পরীক্ষার হলে নাই
কোনো কিছুর শেষ
ঘণ্টা যখন পড়ে যায়
সবার লেখা থেমে যায়
খাতায় তো থাকবেই ভুলের লেশ
জীবনে তো নাই পরীক্ষার শেষ
১৩/০৬/২০১৩ খ্রীঃ
মরুময় এই শহরে রোদে পোড়া দিন রাত্রী!
আমি সিগারেট খাই না একেবারেই। কিন্তু এই গরমে আমার খুব সিগারেট খেতে ইচ্ছা করে। মনে চায় মনের সুখে বেনসন টানি। কিন্তু তা আর হয়ে উঠে না, তার সম্ভাবনাও নাই। কারন এতোদিন খাই নি এই বুড়ো বয়সে সিগারেট টানার কোনো মানেই হয় না। সামান্য চা খাই তাতেই দাতের অবস্থা বারোটা। ভাইয়া দেশে এসেই বলে শান্ত চা খাওয়া কমা নয়তো চা খাওয়ার পর কুলি করে নে"। আমি তো বুঝাতে পারি না যে আগের চেয়ে অনেক কম চা খাই। সেই দুরন্ত ভার্সিটির দিন গুলোতে দিনে বারো তেরো কাপ চা খাইতাম। এখন চা খাই চার থেকে পাচ কাপ। তবে আমার চা খাওয়ার জন্য নান্নুর চায়ের দোকানে কাপটা একটু বড়। তাই পাবলিক ভাবে ঐ কাপে আমি সমানে শুধু চা খাই। কিন্তু এক কাপ চা খেতে যেয়ে যে আধা ঘন্টা লাগাই তা দোকানদার ছাড়া আর কেউ বুঝে না। আবার চা না খেলেও বিপদ। আমাদের ওয়ার্ডের যে আওয়ামীলীগ সভাপতি তিনি হাসতে হাসতে বলবেন শান্ত মামা আগের মতো চা খান না কেন? কোনো টেনশনে আছেন নাকি?
অনেকেই সমস্যায় পরছে ফুলফ্রেম আর ক্রপ বডি নিয়ে। আসলে বিষয়টা কি?
SLRএর সময় কালে কিন্তু এরম ফুল/হাফ (ক্রপ) বলতে কিছু ছিল না... ক্যাচাল্ডা লাগছে DSLR আসার পরে। এর লাইগ্গা সেই আমলের লুকগো এইসপ ক্যাচালে মাথা ঘামাইতে হয় নাই... মনোযুগ দিয়া খালি ফটুক তুলছে। তয় তাগোরে দুকানে যাইয়া এক্টা ফ্লিম কিন্তে হইতো আর বহুত হিসাপ নিকাশ কৈরা সবকিছু ভালোমত খিয়াল কৈরা ৩৬ খান ফটুক তুলতে পারতো
... কারণ ফ্লিম ক্যামেরার ক্যাপাসিটি সিল ৩৬টা ছবির
যখন DSLR মার্কেটে আইলো ... ঝামেলাটা বাধলো তখন... DSLRএ কোন ফ্লিম নাই... তার বদলে বসানো হইলো সেন্সর... সেন্সরকে ব্যাপক দায়িত্ব দিয়া বানানো হইলো। ক্যামেরার ভিত্রেই ছবিটারে প্রসেস কইরা ডিসপ্লেতে দেখানোরমত এক্টা বিশাল দায়িত্ব পাইয়া বসলে এই সেন্সর ভাইজানে। ফটুক তোলার লগে লগেই ছবি জমা রাখার জন্য মেমোরী/কার্ডের ব্যবস্থাও হইলো। তো এই সেন্সরের সাইজটা আসলো SLR এর ফ্লিমের স্ন্যাপের মাপে ;)। এইখানে একটা মজার বিষয় আছে... এই ফ্লিম ক্যামেরার প্রত্যেকটা স্ন্যাপ/ছবির জন্য যেই জায়গা... সেইটার মাপ হইলো 24mm x 36mm যেটাকে ৩৫মিমি ফ্লিম বলা হয়। আর ফুলফ্রেমের সেন্সরের সাইজও ২৪ x ৩৬
... ৩৫ মিমি।
সেদিন বাঁধভাঙা চোখের জল খুঁজে পেয়েছিল ভালবাসার আশ্রয়

শহরের ছোট্ট একটি এলাকা। আধুনিকায়নের ছোঁয়া তখনো লাগেনি তেমন। সারা মহল্লায় কয়েকটি একতলা বিল্ডিং, কিছু টিনশেড সেমিপাকা বাড়ি আর বাদ বাকী সব বাঁশের বেড়ার ঘর উপরে টিন কিংবা চাটাইয়ের ছাউনি। চলাফেরার রাস্তাগুলোর বেশির ভাগই কাঁচা আর বাড়িগুলোর ফাঁকে ফাঁকে বেশ কিছু খোলা মাঠ আর নিচু জমি। মোটকথা শহরের মধ্যেই কিছুটা গ্রামীণ পরিবেশের আবহ।
আমি আস্তিক আমি নাস্তিক আমি মানুষ
আমরা বন্ধু ,তোমার জন্য
আজ আমি ধন্য আজ আমি গর্বিত
তব সদস্য পদ লাভে আমি নই বিজিত।
আজ আমি জয়ী, আমি ত্রিকাল দর্শী
মম কন্ঠ আজ ছায়ানট আমি উর্বশী।
আমি আস্তিক আমি নাস্তিক আমি মানুষ
করি না কারো কিছুতে আঘাত, নই তো অমানুষ
আমি নেচে যাই গেয়ে যাই ছুঁটে চলি দূর্বার
দীপ্ত কন্ঠে সিনা টান করে বলি, আমি ব্লগার।
আমি সব্যসাচী আমি ভার্সেটাইল আমি অমিত বিশ্বাস
আমি টোকাই আমি শান্ত আমি অকিঞ্চনের বৃথা আস।
আমি তানবীরা, আমি রাসেল জেলের শেকল ভাঙ্গার গান।
আমি চিন্তক,কুহেলিকা,ও হাজরাও নিভৃত স্বপ্নচারীর প্রাণ।
আমি আজান দিয়ে নামাজ পরি, মন্দিরে বাজাই ঘণ্টা
গীর্জা প্যাগোডা যথারিতি যাই বৌদ্ধ হলে বলনা কোনটা।
আমি মানি না কোন কিছু দেশের বিপক্ষে যদি যায়।
আমি দূর্বার আমি করি চুরমার আমি ডরি না কোন কিছুতে যদিও মৃত্যু এসে যায়।
তাই আমি আনন্দে আজ গেয়ে যাই,
মোর ঘূম ঘোরে এলে মনোহর
নমঃ নমঃ নমঃ নমঃ
শ্রাবন ও মেঘে নাচে নটবর
রম ঝম ছম ছম রম ঝম,
আ, আ...... (নজরুল)
২৯ জ্যৈষ্ঠ,১৪২০
১২/০৬/২০১৩ খ্রীঃ
বিবর্তনবাদ
এখন আমি উলঙ্গ নই ৷
প্রজাপতি কিংবা ঘাসফড়িং আমার ইচ্ছের
আকাশও নই ৷ ঘুড়ি আর নাটায়ের জীবন
প্রিয়তমা নদীটির আত্মার স্রোতধারায়
এখন আমি প্রকৃতির স্তন থেকে পাঠ
করি কবিতার রক্তমথ
সমুদ্রের
ভেতরে জেগে উঠা প্রতিটি দুঃস্বপ্নকে খুন
করে ফিরে আসি আমার ভূগোলে
আমার আমিকে মেলে ধরি ডালপালার মতো ৷
এখন আমি সুলেখা রে খুঁজে ফিরি ওয়ারীর
ছায়া বৃক্ষের মৌনতায় ৷৷
দুই মাথা ওয়ালা পাখি
আমার ছেলে গতকাল আমাকে একটা গল্প নেট থেকে খুজে দেবার জন্য বলল, কারন গল্পটা ওর বইতে নেই কিন্তু সিলেবাসে আছে। গল্পটা লিখতে হবে ইংরেজীতে। আমি বাংলায় গল্পটা জানি কিন্তু ইংরেজীতে লিখতে হবে তাই ভাবলাম দেখি নেটে সার্জ করে যদি পাওয়া যায়, তবে প্রিন্ট করে দিলেই হবে। কিন্তু অনেক সার্চ করেও গল্পটা পেলাম না। কিন্তু একটা গল্প পেয়েছি যা আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না। আর ছেলের গল্পটা আমাকেই লেখে দিতে হবে। সেটাও সবার সাথে একদিনের জন্য শেয়ার করব যদি কোন সংশোধন থাকে বিনা সংকোচে করে দিবেন। আমি ইংরেজীতে লেখা কোন পোষ্ট ব্লগে দিতে চাই না। তবু একদিনের জন্য দিব, কারন আমি, আমরা বন্ধু একটি পরিবার এখানে ছোট বড় কিছু নেই। কিন্তু ছেলের স্কুলের স্যারদের কাছে ভুল ধরা খেতে আমার পাহাড়সম আপত্তি আছে।
গল্পটা হল
দুই মাথা ওয়ালা পাখি।
বাজেট, সিনেমা-এই সব আর কি
১.
বাজেট আসলে একটাই চিন্তু কিভাবে এবার রিপোর্ট করবো। কিভাবে সাজাবো পাতাগুলো। রিপোর্টের ধরণ কি হবে। প্রথম পৃষ্ঠায় কি কি থাকবে।
একসময় বাজেট রিপোর্ট মানেই ছিল কতগুলো সংখ্যা তুলে দেওয়া। ছবি দিতাম ব্রিফকেস হাতে অর্থমন্ত্রী। বাজেটে সংক্ষিপ্তসার বইটায় কিছু আয়-ব্যয়ের চার্ট থাকতো, সেগুলো হুবহু ব্যবহার করতাম।
অথচ অন্য দেশগুলো বাজেটের পরিসংখ্যান উল্লেখই করে না বলা যায়। কারণ সংখ্যা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ না। বরং বাজেটে দর্শন আর মানুষ কি পেলো সেটাই মূল।
এবার বাজেটের জন্য অন্য দেশের পত্রিকাগুলো দেখছিলাম। মজা লাগলো টাইমস অফ ইন্ডিয়া দেখে। ভারতীয়দের জীবনে সিনেমা তাদের জীবন যাপনের অংশ। ওদের বাজেট ইলাস্ট্রেশনটা এরকম:

অ্যাং লির লাইফ অফ পাই-এর ঘটনাস্থল ভারত। আর এটিই ছিল এবারের অন্যতম আলোচিত সিনেমা। এই সিনেমার একটা দৃশ্যকে ফিউশন করে বাজেটের মূল ছবি করেছে পত্রিকাটি। দেখে মজাই লাগলো।
২.
সৃষ্টিকর্তা কি ছোটোলোক? (পর্ব-১)
সব ধর্মেই বলা হয়ে থাকে সৃষ্টিকর্তা সর্ব শক্তিমান। তিনি কি কোনো জীব?
না তিনি কোনো জীব নন।
তিনি কি মানুষ?
জীবই যদি না হয়, তাহলে মানুষ তো নয়ই।
তিনি কোনো জীব নয়, মানুষ নয়। তাহলে আমরা ‘তাকে’ ‘তিনি’ বলে সম্বোধন করি কেন? আর সৃষ্টিকর্তা শব্দটাই তো ঠিক নেই। কর্তা হলো কোনো ব্যক্তি যিনি কর্তৃত্ব করেন। সৃষ্টিকর্তার মানে দাঁড়ায়, কোনো ’ব্যক্তি’ যিনি সৃষ্টির ওপর কর্তৃত্ব করেন।
সৃষ্টিকর্তার পরিবর্তে আমরা বলতে পারি সর্ব শক্তিমান কোনো ‘জিনিস’ বা ‘কিছু’।
এবং এখানেই আমাদের থেমে যেতে হবে। ওই ‘জিনিস’ সম্পর্কে আর কিছু বলা যাবে না। কারন সর্ব শক্তিমান কেনো ‘জিনিস’ বা ‘কিছু’ সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। মানুষ সর্ব শক্তিমান নয়। আর ওখানেই না থেমে যদি ওই 'জিনিস' সম্পর্কে আর কিছু বলা হয়, সেটা মানবিক পরিপ্রেক্ষিতে বলা হয়।