ইউজার লগইন

হাবিজাবি

আরাফাত শান্ত'র দিনলিপি পড়ে আমি এলোমেলো হয়ে যাই।ফিরে চলে যাই অনেক পিছনে যখন আমিও ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় টোকাই'র মত ঘুরে বেড়াতাম মনের আনন্দে।আসোলেই শান্ত আপনি আমাকে মনে করিয়ে দেন আমার অনেক প্রিয় সেই দিনগুলির কথা।

প্রতিবছর নভেম্বর এলেই আমি দেশে যাবার জন্য ব্যাগ গুছাতে শুরু করি।নভেম্বরে যাই কারণ তখন একটু শীত শীত ভাব আসে দেশে, অনেক আরাম লাগে , বিশেষ করে গ্রামে গেলে ভোরের কুয়াশায় ভিজা ঘাসে খালি পায়ে হাঁটতে।খেজুরের রসের সিরনি , চাদর মুড়ি দিয়ে উঠোনে চুলার পাশে বসে গরম গরম হাঁসের মাংশ আর খোলা পিঠা খাবার কথা মনে হলেই আবার ছুটে যাবার জন্য পাগল হই।এবার যেতে পারবো কিনা জানিনা ।

আজ দুইদিন ধরে প্রচন্ড কাশিতে ভুগছি।কাশি শুরু হলে মনে হয় যেন কলজে ছিড়ে বের হয়ে যাবে এই অবস্থা। তখন মনে মনে বলি এবার ভাল হলে আর সিগারেট খাবো না, একদম ছেড়ে দিবো।এমন প্রতিজ্ঞা জীবনে অনেকবার করসি আর ভাংসি। সেই ক্লাস এইট থেকে সিগারেট খাওয়া শুরু। তখন কি মজা পেতাম জানিনা, কিন্তু খেলে একটু বড় বড় ভাব আসত এটা মনে আছে। শুরু হয়েছিল সিজর্স সিগারেট দিয়ে, তারপর ক্যাপ্সট্যান, ভার্সিটিতে আমাদের বন্ধুদের নিয়ম ছিল যতক্ষন হলে থাকবো স্টার সিগারেট আর ক্যাম্পাসে গেলে ফিল্টার টিপড ।তখন স্টার সিগারেটের কোন ফিল্টার ছিলনা, দশটার প্যাকেট ছিল। পরিক্ষা থাকলে রাত জেগে পড়তাম আমরা , আর তখন প্রচুর সিগারেট লাগতো, হটাত যদি সিগারেট শেষ হয়ে যেত, অন্য রুমের বড় ভাইদের বিরক্ত করতাম, " ভাই, বিপদে পড়ে গেসি, একটা সিগারেট দিবেন, নইলে পড়তে পারতেসিনা", কপাল ভাল থাকলে দেখা যেত ঐ বড় ভাই দরজা খুলে একটা ৫৫৫ সিগারেট দিত, আর আমাদের পড়ার মুড খুব ভাল হয়ে যেতো।

আমি কিছু লিখতে চাইলেই খালি আমার হারানো দিনের মধুর স্মৃতিগুলির কথাই চলে আসে ঘুরে ফিরে। আর তাই দেখে আমার জানের দোস্ত ঢাকা থেকে এস এম এস করে বলে, " তুই বেটা খালি পুরান কাসুন্দি ঘাটস কেন? ওখানকার লাইফ নিয়ে লেখ ", কি করব, আমার প্রান কাসুন্দি ঘাটতেই বেশি ভাল লাগে।

আচ্ছা লিখি আজ সারাদিন কি করলাম। কাশির চোটে দুইদিন সিগারেট খাই নাই ভয়ে। ওইজে কথায় বলে চাচা আপন জান বাঁচা। আর সিগারেট না খাওয়ার কারণে খালি সারাক্ষন মনে হচ্ছে জরুরি কি যেন করতে ভুলে যাচ্ছি, তাই মনযোগ অন্যদিকে নেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিলাম আজ নিজে কিছু রান্না করবো।

দেশি গলদা চিংড়ি খাইনা অনেকদিন, ভাবলাম যাই কিনে নিয়ে আসি।বাঙ্গালী গ্রোসারি অনেক দূর আমার বাসা থেকে। গেলাম ২০ মিনিট ড্রাইভ করে বাঙ্গালী পাড়ায়।
জ্যামাইকা 'র হিলসাইডে লাইন ধরে বেশ অনেক গুলি দেশি গ্রোসারি, গুলিস্তানের চাঁনতারা হোটেল এর মত অনেক কয়টা বাঙ্গালী রেস্টুরেন্ট, সালোয়ার কামিজ, শাড়ি গহনা থেকে শুরু করে পাঞ্জাবি, শেরোয়ানী সব কিছুই পাবেন ঐ রাস্তায়। এমন কোন দেশিয় জিনিস নাই যে এখানে পাওয়া যায়না। দেশে বড় ইলিশ পাওয়া যায়না, কিন্তু এখানে বড় ইলিশের অভাব নাই। এরা কোনভাবেই দেশকে মিস করতে দিবেনা, মিস করার কোন ই উপায় নাই।আমি দেশিয় দোকান গুলিতে গেলে কেনা কাটা ছাড়াও ঘুরে ফিরে দেখি কি কি আছে, কে কি বলছে, মজাই লাগে।
আর এসব দেখে আমার গিবত করা লাগবেই, কারন খুব চোখে লাগে, কি করবো?

স্বাধিনতার পর পর আমাদের দেশ থেকে যারা আমেরিকায় আসতো তাদের বেশিরভাগ ছিল স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য আর কিছু আসতো এইচ ওয়ান ভিসা নিয়ে চাকুরি করতে।আর ছিল " শিপ জাম্পার" মানে মাল বাহী জাহাজ যখন এদেশের বন্দরে ভিড়তো, জাহাজের অনেক কর্মচারী যাদের খালাশি বলা হত , ওরা সুযোগ বুঝে জাহাজ থেকে নেমে যেতো নিউইয়র্কের বন্দরে, তারপর হারিয়ে যেতো।এরা অনেকেই সন্দীপের মানুষ। আর এরা বসতি করে নিউইয়র্কের ব্রুকলিন বরোতে।

আশির দশকে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অনেক ছেলে মেয়ে এই দেশে আসে, তাদের বেশির ভাগ পড়াশুনা না করে এখানে রয়ে গেছে , অর্ডজব করছে, অনেকেই হয়ত দেশ ছাড়ার পর আর কখনো ই দেশে যেতে পারে নাই কাগজের অভাবে।

স্বাধীনতার পর পর আমেরিকান সরকার বাংলাদেশ থেকে অনেক ফার্মাসিস্ট এনেছিল একেবারে গ্রীন কার্ড দিয়ে।এরা কিন্তু এই দেশে এসে নিজের দেশের কথা ভুলে গেল বেমালুম, নিজেদের এলিট ক্লাস ভাবতে শুরু করলো। আজ হয়ত দেশের সুযগ সুবিধা বেড়েছে ফার্মাসিস্টদের জন্য, স্বাধীনতার পর পর তেমন কোন জব অপরচুনিটি ছিলনা তাদের জন্য আমাদের দেশে। এরা বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে , দেশের সরকারি ভার্সিটি গুলি থেকে বিনা পয়সায় পাশ করে এসেও এখানে দেশের নিজের কলেজ ইউনিভার্সিটির কোন এলামনাই এসোসিয়েশন বানায় নাই। ওরা দেশ থেকে আসা কোন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় নাই কখনো, যদিও বাংলাদেশ সোসাইটি নামের সঙ্ঘ বানিয়ে সেটাকে নিজেদের এলিট ক্লাসের ক্লাবের মত বানিয়ে রেখেছিল, যেখানে অন্যদের কোন এক্সেস ছিলনা।

আমি আমার কোন লেখায় আগে লিখেছিলাম আমাদের জাতির রক্তে বড় ধরনের সমস্যা আছে, কথাটা কিন্তু খুব সত্যি।দেশে যেমন আমরা মুখে অনেক বড় বড় কথা বল্লেও বাস্তবে ভিন্ন কাজ করে থাকি, আমরা কখনই গরীব আত্মিয়দের সমান ভাবে ট্রিট করি না, গরিব আত্মিয়র বাসায় কোরবানির সময় পাঠানো মাংশের প্যাকেট খুব ছোট থাকে, আর বড়লোক আত্মিয় কিংবা প্রভাবশালী প্রতিবেশি র বাসায় গোটা রান পাঠিয়ে দেয়া হয়।ঈদের সময় দেখা যায় জাকাত নাম মাত্র সস্তা শাড়ি লুঙ্গি দিয়ে শেষ করে দেয়া হয় এমন অনেক কিছু বলা যাবে।

দেশের বাইরেও বাঙ্গালিরা সবার সাথে সমান ভাবে মিশে না। আর সেই কারণে কেউ কাওকে সন্মান করেনা।আবার যদি কারো অনেক পয়সা থাকে , তার যোগ্যতা যাই হোক না কেনো উনি সব অনুষ্ঠানে সাম্নের আসনে বসেন, যেমন ধরেন একজন শিপ জাম্পার যিনি হয়ত কন্সট্রাকশনের কাজ করে অনেক টাকা পয়সার মালিক হয়েছেন, এখন ওনার সখ হল মঞ্ছে সভাপতির আসনে বসবেন, দেখা গেলো দেশ থেকে আসা প্রধানমন্ত্রির সম্বর্ধনায় ওই শিপ জাম্পার
প্রধান্ মন্ত্রির পাশের চেয়ারে বসে আছে, কারন উনি ওইদিনের সব খরচ বহন করবেন অথবা প্রধান মন্ত্রীকে বড় ধরনের কোন চাঁদা দিবেন।

সবচেয়ে খারাপ লাগে যেটা আমাদের জাতিগত সমস্যা, সেটা হল আমরা শক্তের ভক্ত নরমের যম।সুযোগ পেলেই আমরা নিয়ম ভাঙ্গি কোনকিছু চিন্তা না করেই।বাঙ্গালিরা যখন এই দেশের কোন সুপার মার্কেটে যায় তখন ঠিক লাইনে দাঁড়িয়ে পয়সা দেয়, জোরে কথা বলে না, কিন্তু বাঙালি স্টোরে গেলেই দেখা যাবে হয়ত আপনি জিনিস নিয়ে লাইনে দাঁড়ানো, আরেকজন পিছন থেকে আপনাকে পাশ কাটিয়ে এসেই কাউন্টারে গিয়ে পয়সা দিচ্ছে, আপনি কি করবেন? ঝগড়া করবেন? বাঙালি রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে আপনি আরাম পাবেন না, খুব জোরে কথা বলবে, কিন্তু বাসে ট্রেইনে ওদের মুখ দিয়ে একটা কথাও বের হবেনা।

ভীন্ দেশীর কেয়ারে বাঙালি খুব ভাল কাজ করে, স্যার বলতে বলতে মুখ দিয়ে ফেনা বের করে ফেলে, কিন্তু নিজের দেশের মানুষের সাথে কাজ করতে গেলেই যত গন্ডগোল। তখন সবাই সৈয়দ বংশের, চৌধুরি বংশের, সবার বাসা গুলশান বনানিতে, সবাই ঢাকায় বর্ন আর রেইজড।
এখানকার কোন অফিসে গেলে নিয়ম ধরেই সবাই কাজ করে আসে, কিন্তু যখন দেশের এম্ব্যাসিতে যাই কোন কাজে, নিয়ম থাকা সত্বেও কেউ লাইনে না দাঁড়িয়ে কাউন্টারে হুমড়ি খেয়ে সবার কাজের ব্যাগাত ঘটাবে, সবাই নিজের পরিচিত অফিসার খুজে , নিয়মের ধার ধারেনা বিন্দু মাত্র।

নিউইয়র্ক স্টেইটে স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য সম্পুর্ন ফ্রি হেলথ ইন্সুরেন্স , ফুড স্ট্যাম্প যা দিয়ে মাসের বাজার করা যায়, লো রেন্ট হাউসের ব্যবস্থা আছে।এই দেশের নিয়ম হল কার হেলথ ইন্সুরেন্স থাকুক বা না থাকুক কোন অসুখ নিয়ে হস্পিটালে গেলে আগে চিকিতসা করে , পরে বিল দেয়া নিয়ে প্রশ্ন করে।দেশে বসে আপনারা হয়ত শুনে থাকেন, অমুকের বাচ্ছা আমেরিকাইয় হইসে তাই ঐ দেশের সিটিজেন আর নেকেই এটা নিয়ে ইর্ষা বোধ করেন।হ্যাঁ , এটা সত্যি যে এই দেশের আইন অনুযায়ি যে কেউ এই দেশে জন্মালে সে জমসুত্রে এই দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে, আর সেই বাচ্ছা ১৮ বছর পার হলে নিজের বাবা মার বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারে।

আমি যে বিষয়টা বলতে চাই তাহল, আমাদের দেশের অনেক রথি , মহারথি, হাজার কোটি টাকার মালিক, মন্ত্রী, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মচারী, রাজনিতবিদ থেকে শুরু করে অনেক ছোট খাত কেরানি পর্যায়ের মানুশেরাও এই দেশে সময় মত এসে বাচ্ছার নাগরিক্ত্ব নিয়ে গেছে বিনা পয়সায়, মানে হস্পপিটালের বিল না দিয়ে।এটা নিয়ম ছিল শুধুমাত্র রেসিডেন্টদের জন্য সে বৈধ আর অবৈধ যাই হঊক, কিন্তু আমাদের এই দেশে বাস করা মানুষেরা তাদের আত্মিয় স্বজন দের খবর দিয়ে এনে এসব করিয়ে এই পথ এখন বন্ধ হয়ে গেছে। এখন যে কেউ যে কোন মানুষ নিয়ে হাস্পাতালে গেলে তার এখান কার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চায়, যদি সাময়িক ভ্রমন কারি হয় কেউ, সেক্ষেত্রে, স্থানীয় কাউকে নিজের কাগজ পত্র দিয়ে হস্পিটাল বিল পে করার গ্যারান্টি পেপার সই করতে হয়। কিন্তু জন্ম নেয়া শিশু'র নাগরিকত্ব দেয়া বন্ধ হয় নাই।

স্টেইটের যে হেলথ ইন্সুরেন্স যা কিনা যে কোন ধরনের চিকিতসা এবং ঔষধ কেনার জন্য সম্পুর্ন ফ্রি, যা শুধু মাত্র একান্ত গরিব মানুষদের জন্য, ফুড স্ট্যাম্প যেটা শুধুমাত্র হোম লেস, জব লেস মানুষদের জন্য, আমাদের দেশি ভাইদের শতকরা ৬০/৭০ ভাগ মানুষ অন্যায় ভাবে এই সুবিধাগুলি নিয়ে থাকেন মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে।নিক তাতে আমার আপত্তি নাই, আমার আপত্তি হল যখন দেখি এই মানুষগুলি সমাজের ন্যায়পাল হয়ে বড় বড় কথা বলেন, মসজিদ বানান, হজ্জ করতে যান, দেশে অনেক যায়গা সম্পত্তি কিনেন, তখন আমার মনে প্রশ্ন আসে আমরা কেন এত দুই মুখি মানুষ? কেন আমরা ভাল হতে পারছি না?

এই শহরে বাঙ্গালিদের যত সমিতি আছে আমার মনে হয় দেশেও এত নাই, আর এই সব সমিতির কমিটিতে থাকার জন্য ইলেকশন করতে যত টাকা অপচয় হয় সেটা যদি নিজ নিজ গ্রামে ব্যয় করা হত তাহলে হয়ত অনেক গরিব মানুষের ভাগ্য বলদে যেতো।

সত্যি কথা হল আমাদের ভিতর কোন রকম দেশ প্রেমের বালাই নাই। সু্যগ পেলেই আমরা এদিক সেদিকে ছোবল দেই, বেঈমানি করি, নিজের অস্তিত্ব ভুলে যাই, অল্পদিনের বৈরাগি হয়ে নিজেকে আন টাচেবল মনে করি।নিজের স্বার্থের জন্য আমরা সব কিছুই করতে পারি, দেশে আর বিদেশে যেখানেই হউক।

বাঙালি কেনো এত আর্টিফিসিয়াল আর আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগে আমি বুঝি না।

যাইহোক, এই গল্প লিখে শেষ করা যাবেনা। আমি গলদা চিংড়ি কিনে বাসায় ফিরে খুব সময় নিয়ে মজা করে রান্না করলাম অনেক ঝাল দিয়ে। এরপর নিজের রান্না খেয়ে নিজেই নিজের প্রেমে পড়ে গেলাম। পাকা রাঁধুনি না হলেও একদম ফালাইন্না ও না।

পোস্টটি ৪ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আরাফাত শান্ত's picture


দারুন!
এরকম লেখা প্রতিদিন চাই।
শিপ জাম্পার আর ফারমাসিস্টদের কাহিনী শুনে মজা পাইলাম Tongue

টোকাই's picture


আমি কি আর আরাফাত শান্ত যে প্রতিদিন সুন্দর লেখা আসবে আমার পাতায়?
কালে ভদ্রে কিছু মনে হইলে লিখে ফেলি, তাও লিখতে বসল্রে অনেক কিছুই মনে আসে না।
চেস্টা করব।
অনেক ধন্যবাদ

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


পড়তেছি

হামিদ's picture


দীর্ঘ লেখা, কিন্তু চমৎকার! ফ্ল লেস্‌! এবং মূল্যবান!!!

পড়তে পড়তে মনে পড়ে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ডঃ আব্দুল্লাহ ফারুক (ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের ফাউন্ডার) স্যার একবার ক্লাসে বলেছিলেনঃ "ইংরেজরা আমাদের দুই আড়াই'শ বছর শাসন করে সবচেয়ে বড় সর্বনাশ যেটা করেছে তাহলো আমাদের রক্তের মধ্যে চাকর কালচার ঢুকিয়ে দিয়ে গেছে!"

আমরা জ্বী হুজুরের জাতে পরিণত হয়েছি। বংশ পরম্পরায় অবচেতনে করে যাচ্ছি চাটামি। আফসোস্‌! আমরা বুঝি নাহ্‌।

যতদিন আমরা এই চাকর কালচার থেকে মুক্ত হতে না পারবো, ততদিন আমাদের চরিত্রের স্খলন হতেই থাকবে...

টোকাই's picture


থ্যাঙ্ক ইউ আব্বা

আহসান হাবীব's picture


অসম্ভব সুন্দর লেখা। শতভাগ একমত
বাঙালি কেনো এত আর্টিফিসিয়াল আর আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগে আমি বুঝি না।

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


চমৎকার লেখা।
টিপ সই

টোকাই's picture


সবাইকে ধন্যবাদ

শওকত মাসুম's picture


দারুণ। আপনি অনেক ভাল লেখেন। আরও বেশি বেশি লেখেন আমাদের জন্য

১০

টোকাই's picture


্ভাল লিখি এটা বলে লজ্জা দিয়েন না। চেষ্টা করি নিজের মনের কথাগুলি প্রকাশ করতে। অনেক ভুল ভাল হয়ে যায়।

অনেক ধন্যবাদ !

১১

তানবীরা's picture


আমরা অনেকেই এর ভুকতোভোগী

১২

টোকাই's picture


হুম

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.