ইউজার লগইন
ব্লগ
চুপি চুপি ঘাড় আজা
তুমিও মিথ্যে বলতে পার বুঝিনি কখনও
এমন মিথ্যে বলায় দুঃখ নেই আরও বল আরও
বিষন্ন বাউন্ডুলে তুমি আবোল তাবোল-১৬ লিখে
সকাল সকাল মনটাই দিলে ভরে।
তোমার লেখার রূপ রস গন্ধে
আমরা বন্ধু আছি সতেজতায় ভরে।
তুমি এত লেখ, এত ভাল লেখ
তবু বল কিছু লেখ নাই
একি ব্লগের প্রতি ভালবাসা
নাকি মনুষ্য স্বভাব চাই-চাই-আরও চাই।
চুপি-চুপি ঘাড় আজা-ঘাড় আজা
এ দো গানা নেহী শুনা কাভি
কুছ বাত নেহী, পড়কে দিল ভর গিয়া আভি।
দুঃখের সারথি বন্ধুদের চেনালে তুমি
নতুন অবয়বে।
হায়েনার দল যতই বড় হউক,
মানুষ মনুষ্যত্ব সর্বদাই রবে।
আমি গ্রীন, আমি নতুন তাই ভেবেছিনু
কেউ কাউকে নাহি চেনে।
আমরা বন্ধুর বন্ধুত্বের গভীরতা অনেক
যদিও টোকাই ননসেন্স হাবীব এল এক্ষনে।
তুমি জানালে কত আপু ভাইয়্যার কথা
কে আছে কোথায় বা কি করে।
সাঈদ ভাইয়ের বিলাসী শেষ, তানবীরা (আপু) সিসিমপুরে।
০১/০৭/২০১৩
আবোল তাবোল - ১৬
# আমি, তুমি ও আমাদের কথকতা #
মাঝেই মাঝেই আমার খুব ইচ্ছা করে নিয়মিত একটা কিছু লিখতে,
শান্ত ভাই এর মত অত ভালো না লিখতে পারি -
নতুন আরও কিছু বন্ধুর মত লিখতে পারলেও একটা কিছু করা হতো।
তাও পারিনা। ভালোই লাগে না।
প্রিয় ব্লগ টাকে এভাবে ঘুমাতে দেখলে কারই বা ভালো লাগে!
মাসুম ভাই তাও মাঝে মাঝে আসেন, লেখেন - কমেন্টের উত্তরও দেন। রাসেল ভাই, নিভৃতদাও উঁকি দিয়ে যান মাঝে মাঝে।
শাপলা আপু সেই কবে একটা লেখা দিয়েই উধাও,
জোনাকি আপুর তো কোন আওয়াজ নাই।
জ্যোতি আপুকে কিছু বলবো না, অভিমান করলাম!
জেবিন আপু ছবি তুলতে তুলতে হারায়া যাইতাছে,
তাও একটা ছবিব্লগ দেয় না। এমনই পোস্টের কথা বাদই দিলাম!
আজ শুরুর মাসটাতেই প্রিয় মায়াবতী আপুর লাইফের খুব স্পেশাল কিছু সময় রয়েছে অপেক্ষায়, এই সময়টায় তার অনুভূতি জানাতে যে একটু আসবে তাও না! একটা বার দেখা পর্যন্ত দিতে আসে না আজকাল।
আর তানবীরা আপু এখন দেশে। কত্ত কত্ত মজা না জানি হচ্ছে সিসিমপুরে, তা যদি আমাদের সাথেও একটু আধটু শেয়ার কর হয় কি এমন ক্ষতি হয় তাতে?!
সাঈদ ভাই এর 'বিলাসী' সেই কবে শেষ,
আর নতুন কিছু দিতে আসে না! কিপ্টা হইয়া গেছে!
কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে( পর্ব-২)
ভাই সাপের খেলা, দেখবেন আসেন, আছে গোখড়া, পদ্মিনী, শঙ্খিনী, দারাজ, আরও অনেক অনেক সাপ। এই সব বিষধর, কাল নাগিনীর সাথে খেলা করবে আমার কাল নাগিনী, আমার সঙ্গিনী, আমার পিয়ারি, কমলা বেগম। তাই আসেন, সময় গেলে আর দেখতে পারবেন না। সুযোগ হেলায় হারাবেন না। সকাল ১০টা কি সাড়ে ১০টা, বাজারের বাঁশের হাট বসার ফাঁকা জায়গায় সাপের খেলা দেখানোর জন্য সাপুড়ে মিয়া/বিবির(বদি ও কমলা) দল সাপ খেলা দেখানোর জন্য হাক ডাক ছাড়ছে। ইতিমধ্যে লোকজনের ভীড় অনেক জমে উঠছে। কাজলের বোন ঢাকা থেকে এসেছে। সব বোন গুলো অপরূপ সুন্দরী এবং ভাল জায়গায় বিয়ে হয়ছে। বংশীয় পরিবার। এক ভাগ্নিকে সাথে করে মাছ, মাংসসহ অনেক বাজার করে মোটর সাইকেলে বাসায় ফিরছিল। কোলাহল ও গোলাকৃতির জটলা দেখে, কাজল ভোঁ ভোঁ করে চলা মোটর সাইকেল খানা গ্যাচ করে ব্রেক করে অকুস্থলে থামাল। যারা অকুস্থলে উপস্থিত তাদের সকলেরই প্রায় পরিচিত , তাই সন্মান বা ভয় যাই বলেন, অনেকে সরে গিয়ে জায়গা করে দিল। মটর সাইকেলে বসেই দেখল,সাপুরে স্বভাব সুলভ বগর বগড় করে যাচ্ছে।
ও সাপের খেলা।
আচ্ছা আইতাছি।
জেবীন আপুর বন্ধুর কবিতার বই" মুড়ি"
আফনের বন্ধু আবু বরকতের জন্মদিন
আফনের মাজেজায় চিনিনু তিনাক যিনি ছিল অচিন।
আফনের বন্ধু তাই মোরও বন্ধু,
কি দিব উপহার বল
সুদুর হিমালয় হতে তুলে আনা নাম জান কিছু ফুল
টেকনাফের ঝর্না হতে এক ঘটি জল।
আর কি দিব বল।
আমরা বন্ধু, আমরা শক্তি আমরাই সবার বল।
তোমার বন্ধুর,
কবিতার বইখানি প্রকাশিত নাম দিয়েছেন মুড়ি
তারুন্যে ভরা অবভব খানি, ঠোটে আঁটা বিড়ি।
তোমার লেখায়,
বন্ধু পরিবারের সকল অনুভুতি তুলেছ মুড়ি মুড়ি
কেমন বন্ধন বল, কেহ কাকেও ছাড়িতে না পারি।
কেহ কাউকে নাহি চিনি ব্লগের পাতার বাহিরে
তবু যেন মনে হয় চিনি তোমায় হাজার বছর ধরে।
যা শিখিনি ক্লাসে, যা শিখিনি মাঠে শিখেছি তা হেথায়।
এমনিই এক পাঠ্য শালা বিনে পয়সায় শিখায়।
বই না কিনেও বই পড়ার সাধ মিটে হেথা।
শান্ত টুটুল, টোকাই তানবীরা বলছি সবার কথা।
যখন তুমি আমি বুড়া বুড়ি হাতে নিব বই “মুড়ি”
নাতি নাতনি বলবে দাদু কবিতা কেন মুড়ি।
আমারও কথা, বক্কর ভাই, নাম কেন দিলে মুড়ি।
প্রথম পরিচয়েই দিলাম একখান ছোট্ট প্রশ্ন ছুড়ি।
৩০/০৬/২০১৩
পড়ানোর মুড়ি, ছড়ানোর মুড়ি ...
আলোর খেলা, কথার খেলা কোনটাতেই পারঙ্গম না, তাই এই নিয়ে আলোচনাতে মেতে উঠার প্রশ্নই আসে না কারুর সাথে, তায় আবার ইন্টারনেটে আড্ডা অচেনা লোকের সাথে! নির্দিষ্ট গন্ডি ছাড়া অচল আমি’র কাছে তখন আন্তর্জালে বন্ধু পাতানো অচিন্তনীয় বিষয়ই! আর সেই “এ,এস, এল প্লিজ” লেখাটা দেখলেই কথা বলার ইচ্ছে উবে যেত, তাই ঘাপটি মেরেই পড়ে থাকা কখন ভাইবোনরা অনলাইন হবে, তবেই আড্ডা হবে – এর অপেক্ষা করা। না চিনতাম ব্লগ, না আর কিছু।
আহমদ ছফা জন্মের ৭০ বছর পেরিয়ে!
আহমদ ছফা আমার এতো পছন্দের লেখক তাও উনাকে নিয়ে লেখার দুঃসাহস কখনো করি না। কারন যাদের মানুষ দেবতা তুল্য ভক্তি করে তাদের নিয়ে আসলে লেখা যায় না। আর আমি আসলে অন্য যেকোনো লেখক নিয়ে ঢালাও মন্তব্য করতে যেমন গায়ে বাধে না। কিন্তু পছন্দের লোক নিয়ে কেউ মন্তব্য করলে শুনি, নিজের আর কিছু বলা হয় না। কারন আমার পছন্দ সবার পছন্দ হতে হবে এরকম ফান্ডামেন্টালিস্ট চিন্তা আমার কখনোই ছিলো না। যখন সবাই মাসুদ রানা পড়ে সেই আমল থেকেই আমি হুমায়ুন আহমেদের লেখা বড়দের জন্য নানান উপন্যাস সমানে গিলছি। চিটাগাংয়ে শিবির আর ছাগুর বাম্পার ফলন। সেই বন্ধুরা তখন শাওন হুমায়ুন আহমেদ বিয়ে নিয়ে আদি রসাত্মক ফাজলামী করতো। আমি চুপচাপ শুনতাম। কি বলবো?
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-২)
সাদা মেম এবং রুপাইয়ের গল্প
আজ সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে। আকাশটা কালি গোলা মেঘের মত হয়ে আছে। কুমুদিনি টী স্টেটটাকে কেমন বুড়ো জুবুথুবু লাগছে। দোকানের দিকে গুটি গুটি পায়ে ছাতা নিয়ে এগুচ্ছি, পেছনে গোপাল ডাকল-
-দাদা চা খাইতেন্নি, টাটকা লোফ আছে।
এখানকার স্থানীয় লোকজন রুটিকে লোফ বলে। সম্ভবতঃ বিলেত থেকে এসেই এই শব্দটা অজ পাড়া গাঁয়ে খুঁটি গেড়েছে।
সকাল সকাল কেন যেন কিছুই ভালো লাগছে না। বসে পড়লাম গোপালের দোকানে। টিনের বর্ধিত ছাউনির নীচে বেঞ্চিতে যদিও বৃষ্টির ঝাপ্টা আসছে এলো মেলো বাতাসে, তবুও কেন যেন বসে থাকতে ভালোই লাগছে। খুব গরম চা নয় কিন্তু কয়েক চুমুক দিতেই মাথা ভার ভার ভাবটা কেটে গেল। ভাদ্র মাসের গুমোট ভেজা হাওয়ায় কেমন মন হুহু করা ভাব। গোপাল যত্ন করে স্বচ্ছ পলিথিনে মোড়া “দৈনিক সিলেটটা” দিল।
হেড লাইনটা শেষও করতে পারিনি, হঠাৎ রফিক মিঞা আর তার বউয়ের কান্না শোনা গেল। বুকের ভেতরটা ধ্বক করে উঠল। আবার কি হল?
দুবছর আগে এ বাড়িতে এভাবেই কান্নার রোল উঠেছিল। আবার কি হল? গোপাল বলল, যাইবেন্নি? ও টিনের খুপ্রি থেকে লাফ দিয়ে নেমে আসে। আমরা দুজনেই বাংলো বাড়িটার দিকে এগিয়ে যাই।
অলীক স্বপ্নের এপিটাফ..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
একটা সুপ্রাচিন মর্মরসম মর্ম ছিল আমার,
আর ছিল এক স্নিগ্ধ বালুকাবেলার শখ।
ভেবেছিলাম
একটা কু ঝিকঝিক নীল রেলগাড়ি হবে আমার,
আর
পাহাড়চুড়ায়
মেঘের উপর ঘরবসতি।
বিকেলবারান্দার হাসনাহেনার গন্ধমেখে,
বরফছোঁয়া মুগ্ধতায়
হৃদয়জুড়ে
ভালোবাসার স্বপনমেখে থাকবে;
একজোড়া ছোট্ট পেঙ্গুইন
আর
একখানা গালটুস শ্বেতভলুকের ছানা।
মাঝেই মাঝেই রোদ্দুর হবে খুব -
হয়তো খুঁজেই যাবো কল্পতরুর ছায়া,
তার মাঝেই দুপুরপুকুরের স্বপ্ন ভাগ;
আর বুকে বাঁজবে টুকরো মেঘের গান।
একেকটা দিন,
জোড়াশালিকের সঙ্গ নিয়ে হারিয়ে যাবো দুরে কোথাও।
হয়তো নিজেকেই ফিরে পাবো বারেবার,
শঙ্খচীলের ডানায়।
যেখানে অচেনা আকাশ,
সুনীল সাগর মাখে গায়;
নিমিষেই।
নিশীথের বর্ষণমুখরতায় ভেসে যেতে যেতে,
ধোঁয়াউড়া কফি মগের গালে;
হাওয়াই মিঠাই চুমু খেয়ে যাবে -
পোর্সেলিনের শুভ্র চায়ের কাপ।
কার্যত সাদাকালো;
সুপ্রিয় ভালোলাগা ক্ষণগুলো,
বিষণ্ণতার নীলের পরশে
লীন হয়ে যায় বলে।
শুধুমাত্র -
আমার তুমি,
কথনোই আমার ছিলে না;
বোধের জন্মমূহুর্তে -
সন্ধ্যার অন্ধকারে,
অকস্মাত্;
তলিয়ে যাওয়ার আগে।
ভেবেছিলাম,
ফুল বঊ - আবুল বাশার
মানবীয় সকল প্রচেষ্টা ও উদ্যমকে ব্যর্থ করে দিয়ে পরাজয়ের অনিবার্যতা স্বার্থক ট্রাজেডীর বৈশিষ্ঠ্য। মানুষ স্বভাবতই প্রতিকূলতার বিপক্ষে লড়াই করে, আশাকে সম্বল করে টিকে থাকে বিরুদ্ধ পরিবেশে কিন্তু প্রকৃতি সমাজ বাস্তবতা তার বিপক্ষে চলে যেতে পারে, সকল সম্ভবনা সত্ত্বেও বিজয়ী মানুষের সামগ্রিক পরাজয় আমাদের নতুন করে বিমর্ষ করে, আমরা হতাশ হয়ে ভাবি লেখক আরও একটু উদার হতে ভালো হতো, এভাবে হারিয়ে দেওয়াটা তার ঠিক হয় নি মোটেও, আমরা আসলে সুন্দর সমাপ্তির প্রত্যাশা করি, কিছুটা নিয়তিবাদী আমরা অলৌকিক কিছুর প্রত্যাশায় বসে থাকি আর লেখক আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন সব সময় সব প্রত্যাশা সামাজিক দাবি পুরণ করতে পারে না, লেখক বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে সমাজের বিদ্যমান শর্তগুলোকে সামনে রেখে চরিত্রের পরিণতি নির্ধারণ করেন, তাই পাঠকের প্রত্যাশাপুরণে ব্যগ্র না হয়ে লেখককে সামাজিক বাস্তবতার প্রতি সৎ থাকতে হয়, সে পরিণতি আমাদের সব সময় ভালো লাগবে এমনটা আশা করা অনুচিত।
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
জীবনে অনেকদুর পাড়ি দিয়ে এসে আজ যখন পিছনে ফিরে তাকাই আর জাবর কাটি তখন মনে হয় আহা, কতই না সহজ আর সুন্দর দিনগুলি ছিল।যদি ফিরে পাওয়া যেতো সেই দিন গুলি ,কতই না ভাল হত !
তখন মনে হত , ইস কেন আরো তাড়াতাড়ি বড় হচ্ছিনা, লেখা পড়া শেষ হচ্ছেনা, বিদেশ যেতে পারছিনা কেন? আর এখন মনে হয় যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ।
ছেলেবেলায় অল্প কিছু পেলেই মনের ভিতর একটা অন্যরকম আনন্দের অনুভুতি হোতো, যেটা এখন অনেক বড় কিছু পেলেও আর হয়না। সখের জিনিস জমানোর শুরু হয় বিদেশি সিগারেটের প্যাকেট জমানো দিয়ে।
বনানি আর গুলশানের দুতাবাস আর বিদেশীদের আবাসিক বাসাগুলির আশে পাশে খুজে বেড়াতাম সিগারেটের প্যাকেট , পেয়েও যেতাম, তখন কাগজের ঠোঙ্গার নীচের সাপোর্ট দিত সিগা্রাটের প্যাকেট দিয়ে আর তাই বাসায় বাজার আনলে সব ঠোঙ্গা উল্টায়ে দেখতাম নতুন কোন সিগারেটের প্যাকেট আছে কিনা। নতুন কিছু পাইলেই খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাইতাম।
প্রগতি বিরোধীতা মৌলবাদের চরিত্র
মৌলবাদ কথাটির ব্যবহার দর্শনগত। ভাষাতাত্ত্বিক ভাবেও শব্দটির মান একই অবস্থানে। ‘মৌল’ বা ‘মূল’ থেকে মৌলবাদ উ™ভুত হলেও এর অর্থ কোন বিষয়ে ‘ধ্রুব ধারণায় উপনিত’। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ে বিশ্বাসের বশবর্তী হয়ে ধ্রুব বা অপরিবর্তনীয় ধারণায় উপনিত হয় তখন তাকে মৌলবাদী বলে। অর্থাৎ নিজের বিশ্বাসের পক্ষে যা নয়, অযৌক্তিকভাবে তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই মৌলবাদ। বর্তমানে অর্থগত দিক থেকে মৌলবাদ শব্দটি একটি চতুর্মাত্রিক প্রতীতীতে রূপ নিয়েছে। অর্থাৎ এই শব্দটি দ্বারা চারটি বিষয়কে বোঝানো যায়,
১. বিশ্বাসের বশবর্তী ধারণাকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা
২. ধর্মীয় প্রতীক সমুহের ব্যবহার
৩. প্রগতিবিরোধী ও
৪. সা¤প্রদায়িক-জঙ্গিত্ব
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১)
একটি দেশ, একটি স্বাধীন ভূখণ্ড সবারই কাম্য। কোন কোন জাতিকে সেই স্বাধীন ভূখণ্ড অর্জন করতে অনেক বেশী মূল্য দিতে হয়। একটি যুদ্ধ কেড়ে নেয় অনেক কিছুই। কেড়ে নেয় লক্ষ বুকের তাজা রক্ত, বেঁচে থাকার অবলম্বন, ভিটেমাটি, নববধূর সোনালী স্বপ্ন, আশা, ভালবাসা। সব হারানোই বেদনার। অনেক হারানোর বেদনা নিয়ে একটি জাতি ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে ওঠে। বেদনার ধুসর জগতে তৈরী হওয়া ক্ষত একটু একটু করে বাড়ে। কোন কোন পিতৃহারা সন্তান তিল তিল করে বেড়ে ওঠে সেই ক্ষত বুকে নিয়েই, ক্ষত হয়তো একদিন শুকিয়েও যায় কিন্তু তার দাগটা থেকে যায় চিরস্থায়ীভাবে।
একজন মুক্তিযুদ্ধা যুদ্ধে যায় দেশ মাতৃকার টানে, শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্যে, দেশের মানুষের মুক্তির জন্যে। একজন সৈনিক যুদ্ধ করে নিজের দেশের প্রতি কর্তব্যের কারণে কিন্তু একজন ভিনদেশী! সে কেন অন্য দেশের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে? সে কোন অচেনা অজানা মানুষের হাহাকার শুনে নিজের জীবন বিপন্ন করবে? এখানে তো তার কোন দায়বদ্ধতা নেই!
আজ রাতে আমি লিখতে পারি - পাবলো নেরুদা
আজ রাতে আমি লিখতে পারি তীব্র শোকের পংক্তিমালা
যেমন লিখবো, "নীল তারা ছাওয়া আকাশ আছে কাছে
আরও আছে কাঁপন - সুদূরে।"
আছে আকাশের ঘূর্ণিপাকে গান গাওয়া নিশি হাওয়া
আজ রাতে আমি লিখতে পারি সবচেয়ে দুঃখী পংক্তিমালা
ভালোবেসেছি আমি তাকে, হয়তোবা কখনো সে'ও আমাকে।
বুকের মুঠোয় পুরে এমনই রাত পার
নিঃসীম নক্ষত্রের নিচে গাঢ় চুম্বন বারংবার
সে ভালোবেসেছিলো, কখনো আমিও তাকে।
অমন স্থিত চোখ পারা যায় ভালো না বেসে?
আজ রাতে আমি লিখতে পারি শোকার্ত পংক্তিমালা
এই ভেবে, সে আমার নয়। এও জেনে, তাকে হারিয়েছি আমি।
গাঢ় ,তার বিহনে গাঢ়তর আঁধারের শব্দ, শোনায় উৎসুক আমি
টুপটাপ শিশিরের মতো শব্দমালা ঝরে ভেতরে আমার
অপারগ প্রেম আমার, কী আসে যায় তাতে?
আকাশে তারারা এখনও ঝিলমিল - কেবল সে নেই, নেই সাথে।
এই ই সব। দূরে গাইছে কেউ। সুদূরে।
হৃদয় পরিতৃপ্ত নয়, হারিয়েছি তাকে।
দৃষ্টি খুঁজে ফেরে যাকে নিকটের আশে
মন তাকে চায় - নেই, নেই সে পাশে।
সেই রাত, গাছগুলো তেমনি সাদাটে
আমরাই শুধু নই আগের দু'জন।
নিশ্চিত,আর ভালোবাসিনা, কিন্তু হায় কী ভীষণ ভালোবেসেছিলাম!
আজ ২৬ শে জুনঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় এর ১৭৫ তম জন্মবার্ষিকী
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ শে জুন (বাংলা ১২৪৫ সালের ১৩ ই আষাঢ়) নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম যাদপচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়। তিনি মেদিনীপুরে ডেপুটি কালেক্টর পদে নিযুক্ত ছিলেন। পাঁচ বছর বয়সে বঙ্কিমচন্দ্রের হাতেখড়ি হয় কুল-পুরোহিত বিশ্বম্ভর ভট্রাচার্যের কাছে। পিতার অতি আদরের ৩য় সন্তান বঙ্কিম অসাধারন মেধাবী ছিলেন। তিনি একদিনেই বাংলা বর্ণমালা আয়ত্বে এনেছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৪৪ সালে মাত্র ছয় বছর বয়সে পিতার কর্মস্থল মেদিনীপুরের কলেজিয়েট স্কুলে এসে ভর্তি হন।
