ইউজার লগইন
ব্লগ
ইসকুল – সারমর্ম ও শব্দার্থ শিক্ষা
সফেদ পোষাকে সাজিয়া, নুরানী ভাবগাম্ভীর্য লইয়া জনৈক ভুঁইফোড় শফী হুজুর ও তার যোগ্য চেলা বাবুনগরী গাধায় চাপিয়া ” ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালানো ”র প্রতিবাদে জিহাদ করিতে চট্টগ্রাম নগরে স্থাপিত নাস্তিক মন্চের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইলেন । পথিমধ্যেই হুজুর মোবাইল তরঙ্গে ওহী ( মেসেজ ) প্রাপ্ত হইয়া ব্যাপক ক্ষমতা অর্জন করিলেন এবং গাধা পরিত্যাগ করিয়া ঘোড়ার সওয়ারী হইয়া ব্যাপক লম্ফঝম্ফ করিতে লাগিলেন । ওহী প্রাপ্ত শফী ও বাবুনগরী অর্থ, ক্ষমতা ও আশ্বাসে আস্বাদিত হইয়া জীবনের মোড় ঘুরাইতে অর্থাৎ টার্ন লওয়াইবার স্বপ্ন দেখিতে লাগিলেন ।
স্বপ্নে বিভোর ভন্ডহুজুর শফি বোরাকে চাপিয়া তাহার স্বপ্নরাজ্যের ইতিউতি ঘুরিয়া বেড়াইতে লাগিলেন । স্বপ্নের সাম্রাজ্যের সিংহাসনে আরোহনের পরিকল্পনা করত , ঘোরে আচ্ছন্ন শফি কাফেলা যোগে পাইক পেয়াদা সমেত শাপলা চত্বরের উদ্দেশ্যে টার্ন লইলেন । কিন্তু ঘোরের মধ্যে যাত্রার কারনে পথভুল করিয়া হুজুর লালবাগ আসিয়া উপস্থিত হইলেন ।
ছোট চাচা (প্রথম পর্ব) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।
ছোট চাচা (প্রথম পর্ব) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।
আমার ছোট চাচা অত্যন্ত পরহেজগার মানুষ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, কোরান পড়া ,তাহাজ্জুতের নামাজ পড়া সহ যত রকমের ইবাদত করার সবই করেন। দিন বা রাতে কখন ঊনি নিদ্রা যেতেন তা শুধু তিনি ও আল্লাহ তায়লাই জানতেন। এগার কি বার বছর বয়সেই উনি পবিত্র কোরানে হাফেজ হলে একটি বিখ্যাত মাদ্রাসায় হাদিস বিশারত হবার জন্য দাদাজান ভৃর্তি করে দেন। ছোট চাচা দেখতে অত্যন্ত সুন্দর ও মেধাবী ছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই। অল্প বয়সেই উনি একজন পরহেজগার মানূষ হিসেবে অত্র এলাকায় বেশ সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
কোরআন পোড়ানো
লাও আনযালনা হাযাল কোরআনা আলা জাবালিল লারাইতাহু খাশি’আম মুতাছাদ্দি আম মিন খাশইয়াতিল্লাহ, ওয়া তিলাকাল আমছালু নাদ্রিবুহা লিন্নাসি লা, আল্লাহুম ইয়াতাফাক্কারুন। (সুরা হাশর ,আয়াত-২১)
অর্থঃ আমি যদি এ কোরআন কে পাহাড়ের উপর নাজিল করতাম তবে নিশ্চয়ই তুমি দেখতে তা নত হয়ে আল্লাহর ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গিয়েছে। আমি এ সমস্ত দৃষ্টান্ত মানুষের জন্য উপস্থাপন করছি যেন তারা চিন্তা করে।
বন্ধুগন, গতকাল বায়তুল মোকাররমে যে ভাবে কোরআন পোরানো হল, এ আয়াতটি পড়ার পর অন্তরাত্মা কি ভয়ে কেঁপে উঠবে না।
আমরা কি পাহাড়ের চেয়েও শক্ত ও নিস্প্রান হয়ে গেছি। আজ আমরা নিজেদের কোথায় নিয়ে গেছি। একটু ভাবুন।
এ আয়াতে আল্লাহ আমাদের ভাবতেই বলেছেন।
আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়াত দান করুণ।
আমিন।
৬/০৫/২০১৩
আমি যদি রাজা হতাম (!)
আমি যদি রাজা হতাম (!)
কিংবা রাজার উজির-নাজির
ঘাড় ঝাঁকিয়ে, হাত উঁচিয়ে,
কখনো বা গাল খামচিয়ে মিথ্যে কথা, তওবা তওবা,
কখনই নয়। কখনই নয়।
আমি তো আর রাজা নই, মানুষ একটা (মানুষই তো!)।
শব্দ শুনেই ভ্রান্তি বাড়ে,
দৌড়ে পালাই, এদিক সেদিক।
গন্ধ শুকেই দিক হারাই,
শূন্যে উড়ি,
উড়ি - উড়ি, পাখা ছাড়াই।
রং দেখেই দৃষ্টিভ্রম,
ঝাঁপ দিই আগুন জেনেই, আগুন ছুঁতে।
কথার ছলে মাথা নোয়াই,
মরবো জেনেই হাটতে থাকি।
আমি তো আর রাজা নই, মানুষ একটা (মানুষই তো!)
পড়ি, মরি, পঁচে গলে গন্ধ ছড়াই।
এহাত-ওহাত, বেহাত হয়ে্ই
ঢলে পড়ি রাজার পায়েই।
আমি যদি রাজা হতাম (!)
কিংবা রাজার উজির-নাজির
ঘাড় ঝাঁকিয়ে, হাত উঁচিয়ে,
কখনো বা গাল খামচিয়ে মিথ্যে কথা, তওবা তওবা,
কখনই নয়। কখনই নয়।
হে মেঘ কন্যা
মেঘ কন্যার মন বুঝি আজ খুব খারাপ
খুব খারাপ, খুব খারাপ
তাই চোখের জল আর বাধ মানে না।
আমিও তোমার মতো, আজ মন খারাপের দেশে
মন আমার অনেক দিন ধরেই ভালো নেই
মনের মধ্যে বড় শঙ্কা, বড় ভয়
কোথায় জানি হারিয়ে যাচ্ছি
আমার দেশ মা, বড় অস্থির হয়ে পড়েছে।
কি হবে জানিনা, বড় ভয়
আশার আলো নিভু নিভু করছে।
বুকের ভেতর বড় এক আশা বেঁধে ছিলাম
কচি কচি মুখগুলোকে নিয়ে ভালোই দিন কাটছিল
সেই প্রান্তিক মানুষগুলোর শিশুরা যখন অ আ পড়ে
তখন আমি এক অনাবিল আনন্দ খুঁজে পাই।
কিন্তু দেশের মানুষগুলো কি যেন পাবার আশায় ছুটছে।
এতো সহিংস, এতো ধ্বংস যজ্ঞ, প্রাণ শিহরে ওঠে!
দুচোখ ছল ছল করে উঠে
কি করবো ভেবে পাইনা
বড় ভয়, বড় শঙ্কা, বড় হতাশা।
হে মেঘ কন্যা, তুমি কেঁদে ফেললে ধরণীর উপর
আমি কি করি বলতো?
আমি আর স্বপ্নধরা এবং দেশমাতা
কাঁদবো তাওতো পারিনা।
জানি না কি হবে! কবে এই ধ্বংস যজ্ঞ শেষ হবে!
হে মেঘকণ্যা
অজ্ঞাত
মনখারাপের সাথেই মেঘ লেগে থাকে।
চায়ের সাথে যেমন বিস্কুট। অবধারিত
সম্পর্ক। নোনতা কে আমি চিনতাম। বিস্কুট
বানাত। দিনের বেলা। আর রাতের
বেলা শুরু হত বিড়ি বাঁধার কাজ। রাজ্যের
গান তখন গাইত ও। পাড়ার একমাত্র জ্যান্ত
রেডিও। বাবা- জ্যাঠাদের
চিৎকারে মাঝে মধ্যে ঢিলে দিলেও
রেডিও জাগত সারারাত। কারোর
বকুনিতে নোনতা মিষ্টি হাসত। ওই
হাসিতেই পাশের বস্তির দু-
তিনটে মেয়ে কাত।তবে হাসিটাকে কাত
করেছিল শ্রাবণী। সেও মিষ্টি হাসত ।
নোনতার একতলা বাড়িটার ঠিক
উল্টোদিকের দোতলায় দাঁড়িয়ে সে হাসত।
আর রেডিওর গানগুলো সব প্রেমের গান
হয়ে যেত। একতলা আর দোতলার
ফারাকটা না বুঝলেও নোনতা বুঝত মেয়ের
বাবা হেব্বি ট্যাঁস। তাই শ্রাবণীর
বাবার কাছে ঘেঁষত না বিশেষ।
পথে ঘাটে শ্রাবণীর
সাথে দেখা হলে হাসত বোকা বোকা।
শ্রাবণীর 'নোনতা দা ' ডাকটা যেন ওর
নামের সম্মান বাড়াত। অন্তত শ্রাবণীর
সাথে দেখা হওয়ার পর ওর মুখ দেখে তাই
লাগত। শ্রাবণীর হাসি ওর মনকে নরম
করেছিল। তাই হয়তো শ্রাবণীর ঠিকানায়
একটা চিঠি যায়।
যে চিঠি শ্রাবণী হাতে পায়নি। শুধু
নোনতাকে কদিন আর পাড়ায় দেখা যায় না।
দুদিন পর যখন দেখা যায় তখন মাথায়
ভাবনাগুলো পড়ে আছে খুচরো হয়ে, উড়িয়ে নেবে সময়!
আজ সকালের ওয়েদারটা ছিলো অসাধারন। অনেক দিন এতো দারুন আবহাওয়া পাই নি সকালে। প্রত্যেকটা ভোরই অবশ্য খুবই সুন্দর আর শান্ত স্লিগ্ধ। কিন্তু এত দারুন ভোর আজ অনেক দিন পরে পেলাম। সাধারন আকাশে অনেক মেঘ ও বর্ষার ঝড়ের দিন হলে মামা আমাকে হাটতে যেতে মানা করে। বলে একদিন হেটে সাতদিন জ্বর সর্দি কাশিতে ভোগার কোনো মানে নাই। আমি দেখলাম টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ে আর দারুন হাওয়া আজকেই শ্রেষ্ট সময় পাঞ্জাবী আর ছেড়া চটি পড়ে হাটার। যদিও আরেকটু আগে বের হতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু সকালে আমার পরিচিত বন্ধু বড়বোন বড়ভাইদের গুড মর্নিং মুলক এসেমেস পাঠাই। আগে তা কিপ্যাড টিপে পাঠাতাম কোনো টেনশন ছাড়া। এখন টাচে লিখি। একজনকে পাঠাতে গিয়ে মেসেজ চলে যায় আরেক জনের কাছে। কি বিতিকিচ্ছিরি একটা ঘটনা। তাই সকাল বেলা মেসেজ লিখতে গিয়ে এখন খুব সাবধানে থাকি। সকাল সকাল স্মার্ট প্রমান করতে গিয়ে ইজ্জত সম্মানের ফালুদা হয়ে গেলে তা হবে জঘন্য ব্যাপার। কারন একেকজনের সাথে আমার একেক লেভেল সম্পর্ক তা যদি ওলট পালট হয়ে যায় তবে তার চেয়ে প্যাথেটিক আর কি হতে পারে?
আজও দাঁড়িয়ে থাকি
বৈশাখের ক্লান্ত দূপুর যখন
তোমার নরম অধর ছুঁয়ে যায়,
এক বিরক্তিকর ভাব নিয়ে যখন তুমি বল-
ভাল্লাগেনা কিচ্ছু ভাল্লাগেনা
তখন আচমকা এক পশলা বৃষ্টি
তোমার ঠোঁটের হাঁসি হয়ে এল
যেন ভাল লাগার আয়োজনে স্বয়ং বিধাতা।
জানালার ধারে অপলক নয়নে যখন
আমার পানে থাক চেয়ে,
এক না পাওয়ার আবেদন ঐ দৃষ্টিতে দাও ছুঁড়ে,
তখন কী করে ভাল থাকার অভিনয় করি
কী করে থাকি বসে প্রিয় ঘরে।
বৈশাখের তপ্ত রোদকে তুচ্ছ করে
অবিশ্রান্ত ঝড়কে উপেক্ষা করে
এসে দাড়িঁয়ে যাই ঐ জানালায়,
যেন বৃষ্টি তোমার নূপুর পড়ে ঘুরছে
আমার চারিপাশে ,হ্রদয় আঙ্গিনায়।
বৃষ্টিভেজা সেই দূপুর
লোনা ঘামের সেই সময়
কী কর ভুলি প্রিয়,
আজও তোমার জানালা ধারে
দাঁড়িয়ে থাকি
জেনে নিও।
ছায়া

ফ্রেমটির দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি
ওখানে তো কোন ছবি নেই!
হয়তো আছে, অদৃশ্য বলয়ে বন্দী আমি
দেখতে পাইনি, কিংবা দেখতে চাইনি
ফ্রেমটা কতকাল ঝুলে আছে দেয়ালে!
পুরনো ফ্রেম, রঙ চটে গেছে, ধুলো জমেছে অনেক
কি আছে ওখানে? কিংবা ছিল, কোন একদিন
কে যেন জবাব দেয়- ওটা তোমার ছায়া।
ও জমা রেখেছে তোমার ইতিহাস
আমার ইতিহাস! সে আর এমন কি!
কে ওটা?
কে যেন আবার বলে- ওটা তুমিই
আমি বুঝতে পারি না, ওটা কি আমি?
এত কুৎসিত! না না, এ তো আমি না!
নিজেকে চেনোনি?
ভাল করে দেখো আর একবার,
ভিন্ন চোখে, একেবারে ভেতরটা!
কি, আঁতকে উঠলে!
চিনতে পারনি?
ওটা তোমার কৃতকর্মের ছবি
নিজেকে অচেনা লাগে,
চিনতে চেষ্টা করি, ঐ ফ্রেমের মাঝে
এ তো আমি নই, হতে পারে না, এ মিথ্যে
তুমি ভুল বলছ, মিথ্যে বলছ
তোমরা সবাই ভুল দেখছ!
নিজের আসল চেহারাটা দেখে কষ্ট পেলে?
নিজেকে কি সবসময় লুকোনো যায়!
দেয়ালে ঝুলানো ফ্রেম, কত কথা জমা রাখে
চিন্তক
বিষাদে ভরে গেল মন
কেন বন্ধু ছেড়ে যাবে বন্ধুকে
তাও সুর্য যখন মধ্য গগনে।
এখনও যে অর্ধ দিবস গত হতে বাকি।
তবে কি লেবু চিপা হয়েছে বেশি
রাজনীতি আমার তোমার কারও
নয় পেশা তবু এরই তরে
ক্ষুদ্র, নয়তো বিনে শ্বার্থে
কুকুর সম মুগুর,
পাই উপহার।
জানিনা যে দিয়েছে সে কতটুকু জিতলও
আর যে খেয়েছে সে কতটুকু হারলো।
সব ---কি আর সব মুগুর
সইতে পারে।
তাই বিনে বাক্যে প্রস্থানই শ্রেয়।
প্রস্থানেই কি পাবে শান্তি
বন্ধু
যে শান্তি তুমি চাও।
দেশ মাতার কাছে চাও না,
চাইতে হবে না আর কিছু
কিন্তু পারবে কি তবু সইতে
চিল শকুনের থাবা
যখন ঊড়বে দেশ মাতার বুকে।
এক্ষনে
কে হবে মেম্বার
কে বা গ্রাম সরকার
আমরা কি তার খবর লইতাম
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।
আব্দুল করিমের গানটি খুব মনে পড়ছে।
তোমার অন্তরের খবর যে কিছুটা
আঁচ করতে পেরেছি।
দেশ, দেশ মাতা ও তার সন্তানরা
তোমার কাছে কত প্রিয়
তা যে আমি যে জেনেছি।
তাই তো বিস্বাদে ভরে গেছে মন।
০৩/০৫/২০১৩ইং
বিষন্ন বাঊন্ডুলে,
এ ধরার বুকে
কেঊ নয়
শুধু লাকি বা আনলাকি
দুঃখ যদি না থাকত
সুখ কি হত এত মধুময়
সুখ দুঃখ সবই যে আপেক্ষিক
সবই যে সময়ের সাথে সম্পর্কিত।
তুমি কি দেখনি
সাভারের ধ্বংস স্তূপ হতে উদ্ধার পাওয়া
সেই তরণটির ঊল্লাস
যেন সে বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার
বা তার চেয়েও বেশি কিছু
তার ঊল্লাসে ঊল্লসিত সাড়া জাতি
সাড়া পৃথিবী।
পরের দৃশ্যে সাহিনা
চাইনা তার পুনারাভিত্তি।
পকেটে লক্ষ টাকা সম দিনার
কোম্পানির দেয়া দামি গাড়ি
সাই সাই ঘুড়ে বেড়াই দল বেঁধে
কত দামি হোটেল,খাই,মজা করি।
একা হলেই চেপে ধরে নষ্টালজিয়া
সন্তানের কচি মুখ
প্রেয়সীর আদর, সুখ
ক্ষনিকে ক্ষত বিক্ষত হৃদয়
যেন ভিখিরি সম।
ছুটির দিনে পড়ন্ত বিকেলে
সমুদ্র তীরবর্তী অত্যাধুনিক পার্ক
একাকী বিষন্ন বাঊন্ডূলের
মত কত ঘুরে বেড়িয়েছি
আর সান বাঁধানো সমুদ্রতীরে বসে
পলকহীন দৃষ্টিতে,
তাকিয়েছে দৃষ্টির বাইরে।
আমার দৃষ্টি আমার কাছেই
ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে এসেছে ফিরে।
কপর্দক হীন হয়ে।।
আমি যখন কপর্দহীন
তখন নিভৃত স্বপ্নচারী।
যখন আমি বৃত্তশালী
দামী বাড়ি দামী গাড়ি,
প্রভাবশালী অনেকে বলে
তখন আমি ,
বিষণ্ণ বাঊন্ডুলে।
“ প্রতিনিধি – স্বল্পজ্ঞান প্রজন্ম ” – পরিচিতি ও প্রারম্ভিক সাফাই
উপরোক্ত শিরোনামধারী আমি ভবঘুরে রানা । কারো কারো কাছে লেখাটি বিরক্তিকর ও অযাচিত মনে হতে পারে, মনে হতে পারে অযথাই কালক্ষেপন, কারন আমরা বাস করছি “ ব্রেকিং নিউজ ” এর যুগে ।।মনযোগ ব্রেক করতে পারে এমন সব পিলে চমকানো, ভয়াবহ, রঙ্গীন, বিচিত্র ও রসালো খবর এর প্রতীক্ষায় থাকি সারাক্ষন, এলেবেলে কিছু কথা দু-এক লাইন স্বরচিত কবিতা এসব নিতান্তই বিরক্তিকর - তথাপি আমি আমার ব্যাপারে কিছুটা ধারনা দেবার ইচ্ছা সংবরন করতে পারলাম না l আমি মুলতঃ ডায়েরীর পাতায় আত্মকথন প্রকাশ হিসাবেই লিখে যাব ।l
শুরুতেই আমি পারি না এমন কিছু কাজের কথা বলে নেয়া জরুরী – পারিনা লেখালেখি অভ্যাস নেই বলে, পারিনা কম্পিউটার ঠিকমত চালাতে (এখনো ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালানোর মত জ্ঞানে সীমাবদ্ব), পারিনা অনেক কিছু এড়িয়ে যেতে, পারিনা আবেগ সংযত করতে এবং সর্বোপরি মিথ্যাচার দেখে চুপ থাকতে। l
ব্লগ সম্বন্ধে আমার যাবতীয় জ্ঞান অর্জনের সুচনা ২০১৩ এর এপ্রিলে ।এখনো আমি এই জগত সম্বন্ধে চলনসই ধারনা অর্জন করে উঠতে পারিনি, যা হোক তবুও শুরু করলাম পথচলা ।
অবরুদ্ধ কণ্ঠ- ১
৬ বছরের বাংলা ব্লগ এখনও অপূর্ণাঙ্গ এবং পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। কমিউনিটি ব্লগিং (মতামত, দর্শন, পর্যবেক্ষণ, সাহিত্য) বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। বিটিআরসি পরিসংখ্যান মতে জনসংখ্যার ৭.১% মানুষের ইন্টারনেট সুবিধা আছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর খুব ছোট অংশ ব্লগিং এ অংশগ্রহণ করে। বিশেষ করে যাদের লিখার এবং পড়ার অভ্যাস আছে শুধুমাত্র তারা ই ব্লগ সাইট গুলতে ঢুকে।অনলাইন এবং অফলাইন এ যোগাযোগের একটা মডেল দাড় করিয়েছেন শরত চৌধুরী। সেই মডেলটি নিচে দেয়া হল।
জাবর
চিন্তার তিন তার ছিঁড়ে যায়;
প্রেমিকের আজ মনে নেই চুমুর স্বাদ!
সেই শেষ কবে খেয়েছিলো-
টপাটপ কয়েকবার, এক বর্ষার সন্ধ্যায়!
জন্ডিস- পাওয়া ল্যাম্প পোস্ট এক -
গভীর রাতে তার ছায়াকে একাকী করে;
দীর্ঘতর আজ কোনো গ্রীষ্মের রাতের মেঘ -
সেই নি:শ্বাসের ঘ্রাণ মনে করিয়ে দেয় শীতল হাওয়ার!
ধুম্রশলাকার ধোঁয়ায় ঢাকা পড়ে দিন তার্।
কতো জনই পেতেছিলো চুমুর ফাঁদ
তবু একাকী ছায়া আজও সেই স্মৃতি নিয়ে
চুম্বন করে, ধোঁয়ার অধরে , জাবর কেটে চিন্তার!
জাবর
সন্ধি মুহিদ
৪ বৈশাখ ১৪২০
জ্বরাবাহন
জ্বর আনানোর কঠিন ব্রত, রৌদ্রে বেগুন পোড়া,
কিংবা রসুন বগল চেপে চৌপর দিন ঘোরা,
কিংবা জ্বরে সটান যিনি তাঁর শিয়রের কাছে,
জ্বর বাগানো সরল এখন, অন্য উপায় আছে-
দুই বছরের জঞ্জালে বেশ ধুলোয় মাখা দিন,
"এচ্ছো!" কেবল, "এচ্ছো!" আবার, পারলে বিরামহীন,
ক্লান্ত চোয়াল ঝনঝনানী মাথায় করে পার,
একটু যদি তর্ক চলে চাইনে কিছু আর,
ঠান্ডা পানির গোসল তাতে সঙ্গ দেবে সুখে,
সাফল্যেরই লালচে আভা পড়বে চোখে মুখে,
"জ্বর ছাড়ানোর উপায় কোথা?", শুধাও যদি এসে,
"বদ্যি ডাকো, বা কবিরাজ!", কইব মলিন হেসে!!