ইউজার লগইন
ব্লগ
বাবা
আজ কিছুতেই ভলো নেই ত্রিনয়নী। কদিন ধরেই মেঘলা আকাশ। মাঝে মাঝে সূর্যটাকে রুদ্রমূর্তিতে দেখা গেলেও একটা সময় ঝিমিয়ে পড়ে। এটা হওয়াটাও স্বাভাবিক। ঝড়-বৃষ্টি হবে তা ঠিক আছে। কিন্তু তারপরেও এই সব যেন তার কখনও খুব ভালো লাগে না। আবার যে খুব একটা খারাপও লাগে তাও না। কিছু একটা করতে মন চাচ্ছে। ত্রির্শোব্ধ এই রমনীর কোন কিছুই ভালো লাগছে না। অনেক কিছুই মিলে। মন চাচ্ছে একটি ছায়া শীতল হাতের স্পর্শ পেতে। ছোটবেলায় যেমন করে মা আদর করে দিতো। তুলতুলে নরম হাতের স্পর্শে নিদ্রাদেবীর কোলে চলে যেত ত্রিনয়নী। কিন্তু আজ মায়ের হাতের স্পর্শ পেতে ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে বাবার আদর পেতে। বাবার আদর!
আশ্চর্য সহজযান
অন্যমনা ঝরা-
বর্ষা আকাশে আকাশে ছন্নছাড়া মেঘ অনাবিল
মুগ্ধ শরীর-মুগ্ধ বন্য হরিণী !!
বালিয়াড়ি ঝলমল তখনো, ভার ভার
মন্থর আবেশে আবেশে!
কৃষ্ণচূড়া ভাঁজে ভাঁজে বৃষ্টিবিন্দু নীল !!
ছমছমে মাঠ ভরে ওঠে ভরে ওঠে ... ছন্দময়
অপার বিস্তার!
চোখের তারায় আর্তি - ধানখেত কাশবন
সরিয়ে সরিয়ে মুগ্ধতায়
ঘরে ফেরা কার... ফেরা নিজস্ব
শব্দে নিঃশব্দে ... নগ্ন মহোৎসবে।
অজস্র ঢেউয়ে সফেন সফেন গাংচিল ওড়ে!
শিহরণ ছড়িয়ে ছড়িয়ে
উদ্দাম চিল-ডাকে ওড়ে স্বাধীন স্বাধীন আর
দেখে কিরকম নিরিবিলি
পাতাঝরা অরণ্যে অরণ্যে... বৃষ্টি-
জাগা সাড়া ... পাতাখসানোর, দেয়
শরীর শরীরেরা কোমল থেকে কোমলতম...কোমলতা
য়! সারি দেওয়া
সারি দেওয়া পাহাড়, দিগন্তরেখায় মেলা জল,
একফালি আনন্দ আয়না..
দেখে অমোঘ উথ্থান ও অভ্যুদয় রাতজাগা শিশির
মেশান বর্ষণে বর্ষণে
আর অনায়াসে কি অনায়াসেই যে স্বর্গ নাবে...
স্বর্গ নাবে মাটির উঠানে --
ঝুরি নামা শিকড়ে শিকড়ে আ
মা,
মা, তুমি আমাকে গর্ভে ধরেছিলে
দশ মাস দশ দিন,
কত না কষ্টে কেটে ছিল সেই সব
দিনগুলো তোমার।
জন্মস্থলে আমি বড় হারামজাদা ছিলাম ।
কি অসহ্য প্রসবযন্ত্রণা! তবুও তুমি তোমার
অবগুণ্ঠিত কান্নাকে করেছিলে সযতনে গোপন,
হাসিতে রাঙিয়েছিলে আমায় জন্ম দেয়ার
এক অনাবিল সাধ।
প্রসব ব্যথায় যখন তুমি শয্যা শায়িত
যখন তুমি মৃত্যু অথবা জীবন জয়ের খেলায়
নিজের ভাগ্যকে সাহসিকতার সাথে দাঁড় করেছিলে,
ঠিক তখনি আমি তোমার শরীরের
সব শক্তির উৎসটুকু
রাসের মত চুষে চুষে খেয়েছি;
কারণ, আমি বড় হারামজাদা ছিলাম।
প্রসবের অন্তিম মুহূর্তে
তোমায় আমি শান্তি দেইনি মা,
যখন তুমি দুহাত মুষ্টিবদ্ধ করে
অসহ্য প্রসব যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছিলে,
আমি তখন গর্ভস্থলে বসে
ছোট ছোট লাথির আঘাতে তোমার প্রসব ব্যথাকে
আরও বেশী তীব্রতর করে তুলে ছিলাম,
আমি বড় হারামজাদা ছিলাম ॥
কত নিশি তুমি আমার শিয়রে বসি
যতনের দীপ জেলে
নিজ দেহটারে করেছিলে কঙ্কাল,
পৌষ মাসের রাতে আমার প্রস্রাব
আর মলে ভেজা কাঁথাগুলো শেষ হয়ে যেত;
কী স্নেহ মায়া-ভালবাসার দহনে তুমি
নিজ বক্ষের আবরণটুকু উন্মোচন করে
খেতে দিতে দুগ্ধ আমায়,
একজন অতিসাধারন ছেলের উপাখ্যান
ছেলেটি রাতে জানালা ধরে বসে থাকে। ঘুমের আগ পর্যন্ত জানালাই তার আশ্রয়।
মাঝে মাঝে জানালার বাইরে ঝড় হয়। প্রচন্ড ঝড়। ঝড়ের তান্ডবে পৃথিবীর অনেক কিছুই লন্ডভন্ড হয়ে যায়। সে ঝড় ছেলেটিকে স্পর্শ করতে পারে না। কিন্তু ওই বেহায়া বৃষ্টি!!! সে তো পিছু ছাড়েনা। ছুটে চলে আসে জানালার ফাকাঁদিয়ে। ভিজিয়ে দেয় ছেলেটির চিবুক। মাঝে মাঝে ঠোঁটের উপরে এসে পরে। তাতে ছেলেটি বিরক্ত হয় না। আসলে বলদ টাইপের ছেলে তো ? তাই সহজে রাগ হয়না।
কখনোবা দক্ষিণের দমকা হাওয়ায় ছেলেটির চোখ বুজে আসে। সে বৃষ্টির এই সব মানষিক অত্যাচার সহ্য করে যায়। দিনের পর দিন বছরের পর বছর। মুখে কোনোরূপ বিরক্তির চিনহ আনেনা। তাতেও বৃষ্টি থামেনা , অবিরাম ঝরতে থাকে।
ইদানিং বৃষ্টির এইসব ছেলেমানুষি ছেলেটা উপোভোগ করে। সে চোখ বুজে অনুভব করে দমকা হাওয়া। আর ছিটে আসা জল থেকে নেয় বৃষ্টির ছোঁয়া ; এই অনুভূতি অপ্রকাশ্যই থেকে যায়। সর্বদা সবার কাছে।
জলের সিঞ্চন শোনা যায়
কিছুই ঘটছে না, ঘটে না
আন্দোলন কোথাও কোন
মেঘ উঠে না, রৌদ্র পড়ে না
শুধু জলের সিঞ্চন শোনা যায়
দ্বিপ্রহরে দোলে দোলনায় দোলাচলে
শান্তির নিমিত্ত দাপাদাপি
খেয়ে ফেলে যদিও লেলিহান অনল
গালে প্রজাপতির ছাপ মেলে
ঠোঁটে ধরে মৃদু হাসি
দৃষ্টি গভীর তলে শুয়ে ঘুমন্ত
সে অপার সৃষ্টি।
টোকা দেবো বলে যেই
পরিয়েছি নূপুর পায়
মুক্ত চরাঞ্চলে পূর্ণিমায়
তখন নীরব নদীও ঘুমায়
সে জেগে উঠুক সুনিপুণ সুদৃঢ়তায়।।
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
তোমাকে পাওয়ার জন্যে কি প্রবল তৃষ্ণাটাই না আমি পুষে রেখেছিলাম। মরু সাহারায় পানির অভাবে মৃতপ্রায় মানুষ যেমন এক ফোঁটা পানির জন্যে হাহাকার করে, তোমার জন্যে আমি তারচেয়েও বেশি হাহাকার করেছি। ভালবাসা-হীনতায় এই বুক ফেটে গ্রীষ্মের শুষ্ক মাঠের মত শত ফাটা হয়ে চৌচির রূপ ধরেছে- এক আজলা ভালবাসার পরশে তুমি তাকে কখনো সিক্ত করো নি। দু হাতে আচল মেলে তুমি তাকে এক মূহুর্তে জন্যে ছায়া দাও নি। প্রতিটা মূহুর্তে আমি তোমার অপেক্ষায় ছিলাম, তোমার প্রত্যাশায় ছিলাম। কিন্তু দুরের কন্যা তুমি- দুরে ছিলে, দুরেই রয়ে গেলে। দুরের মানুষ এই জীবনে কোনদিন কাছের হলে না।
তারিন, তারিন- অধরা তারিন!
আজ থেকে অনেক বছর পরে হয়তো তুমি আমাকে পরিপূর্ণ ভাবে ভুলে যাবে। আমার কথা তোমার আর একটুও মনে পড়বে না। ছেলে-মেয়ে আত্মীয় স্বজন নিয়ে সুখের সংসার হবে তোমার। অনেক অনেক দুরের কোথাও একা নিঃসঙ্গ কাটবে তখন আমার সময়। আমি জানি তখনো আমি তোমাকে ভুলতে পারবো না। মানুষের মন দীর্ঘ বিরতিতে কষ্টের স্মৃতি ভুলিয়ে দেয়, শুধু আনন্দের কথাগুলোই মনে রাখে।
নারী
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের ও বেশী নারী। এই বিশাল গোষ্ঠী কর্মক্ষেত্রে পুরুষের সাথে সমান তালে এগিয়ে চলছে। শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, ধর্ম, দর্শন সবখানেই আজ নারীর উল্লেখযোগ্য পদচারনা। তারা আজ আর ঘরের কোনে, চার দেয়ালে বন্দী থাকতে রাজী নয়। তাদের মেধা, মনন, সৃজনশীলতা দিয়ে উদ্ভাবন করে চলেছে নতুন নতুন সব অজানা রহস্য কে। বিশ্ব কর্মক্ষেত্রের এমন কোন জায়গা নেই , যেখানে আজ নারীদের পদচারনা নেই।পুরুষের পাশাপাশি আজ নারীদের অবস্থান বিশ্বকে আরও উন্নতির দিকে ধাবিত করছে। বিশ্ব জয়ের নেশায় আজ তারা মাতোয়ারা।
আবার স্নেহ, মায়া-মমতায়, সেবায় এরা সিদ্ধ হস্ত। এদের কোমল প্রানের ছোয়ায় মরুতেও উদ্ভিদ জন্মায়। সেই বৃহৎ নরী সমাজকে আমাদের দেশের পুরুষ শাসিত সমাজ ঘরে বন্দী করে রাখতে চায়। এই পুরুষগুলো প্রভুর আসনে থেকে নারীদের দাসী বানিয়ে রাখতে চায়। অবজ্ঞা, অবহেলা আর শাসনের ছড়িটা যেন সবসময়ই নারীদের জন্য প্রযোজ্য। ধর্মের নামে কতগুলো অযৌক্তিক ফতোয়া জারি করে তাদের কে দমিয়ে রাখতে চায়। যেন ধর্মীয় ফতোয়া সব নারীদের জন্য।
এই জীবনের মানে তবুও এক আনন্দময় যাত্রা
আজকে এই মুহূর্তে আমার কোনো পোস্ট লেখার ইচ্ছা ছিলো না। কারন গত রাতেই একটা আস্ত পোস্ট লিখে ছেড়ে দিয়েছি তাই অনেকেই হয়তো পড়ে নাই এখনো। একদিনের ব্যাবধানে দুইটা পোস্ট দেয়া খুব একটা শোভন ব্যাপার না। আর এই ব্লগে পোস্ট দিতে দিতে আর আমার পোস্ট পড়তে পড়তে পাবলিকও টায়ার্ড। দুই তিন দিন আগে বিষণ্ণ ফোন করে বলছিলো এবিতে তো আপনার মতো পোস্ট দেয়ার লোক এসে গেছে। সে বুঝাতে চাইছে যে সেই আগের দিন নাই, নতুন নতুন ব্লগাররা এসে নিয়মিত পোস্ট লেখা শুরু করছে, ব্লগে খালি আমি ঘন ঘন পোষ্ট দেই না!
মাতৃ বন্দনা

মা মাই, মা আর কেউ না
কখনো তুমি দূর্গা, কখনো কালি মা
কখনো জগদম্বা, জগৎধাত্রী মহামায়া
এক অঙ্গে এত রূপ, পড়ে না কালিমা।
মা তুমি মাই আর কেউ না
অবাক দেবতারা ভাবে তুমি দেবী নাকি ঈশ্বর
দিয়ে দেয় সকল শস্ত্র বান তূন শর;
দুই হাত দশ করে বহাও স্নেহের নহর।
মা তোমার হবে না তুলনা
নানা সৃষ্টি সৃজনেও ঈশ্বরের পূর্ণ হলনা লীলা
আপনি সাঁজলেন মাতা রূপে, বর্ষেন কৃপা
কবি-ঋষি করলেন কীর্তন ঈশ্বরের মহিমা।
মা একজনই, নয় বহু
জল হাওয়ার মিশ্রণে মাটির গুণে মা
কোমলে কঠিনে ভালবাসা স্নেহে অনন্য
ভাব দর্শণে সর্বজীবে এক অভিন্ন।
মায়ের তুলনা মা
সব দিকে থেকে যদি কালো হয়ে উঠা বিষাক্ত ফেনা
ফনা তুলে ঘূর্ণীবাত্যার মাতম জাগায়
যদি সারা পৃথিবী বঞ্চনার গ্লানী হতাশার চাঁদ ডুবায়,
একটি মন্দিরের দরোজা খোলা কান্না জানাবার।
মায়ের মহিমা শেষ হবে না
মা না হলে নির্দয় পৃথিবী ধ্বংস হত থাকত না স্রষ্টার মহিমা
মা হয়ে সৃষ্টি করলে, মা হয়ে সৃষ্টি রক্ষা করলে
শেকল খুলে উড়িয়ে দেবো মাকে যদি এনে দাও...

শিশুটির বয়স মাত্র আড়াই বছর। ভালমত হাঁটতে পারেনা এখনও। বেশ ক’দিন ধরেই মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত সে। কান্নাভেজা কচি দু'টি চোখ খুঁজে ফেরে শুধু মা’কে। মা আর আসে না, আসতে পারে না। এগিয়ে আসে ফুপু, কখনো খালা কিংবা নানী। কোলে তুলে নেয় ছোট্ট শিশুটিকে, চেষ্টা চলে কান্না থামানোর। কাঁদতে কাঁদতে একসময় ঘুমিয়েও পড়ে।
মফস্বল শহরের একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চলে এক দুখিনী মা। চেতনে অবচেতনে অস্ফুট স্বরে কেবলই একমাত্র আদরের সন্তানের নাম ধরে ডাকে। দু’চোখ বেয়ে নামে অশ্রুর ধারা, মনে আফসোস- তার কিছু হলে তার সন্তানকে কে দেখবে? ও তো এখনও ভালমত হাটতেই পারেনা! পাশে বসা মা, বোনের হাত ধরে অনুরোধ- আমার ছেলেটাকে তোমরা দেখো। একসময় সবকিছু শেষ হয়ে যায়, চৈত্রের এক দুপুরে হতভাগিনী মা তার একমাত্র শিশু সন্তানটিকে ফেলে রেখে পাড়ি জমায় অন্য ভুবনে, যেখান থেকে কেউ কখনো ফিরে আসে না।
আজ মা দিবস হোক রাসেলের মা'য়ের... হোক ঋক'ঋতএর মায়ের
ঋহান কে যখন তার মা জিজ্ঞেস করে ... "বাবা... কাকে তুমি বেশী ভালোবাসো?" ঋহান উত্তর দেয় "বাবাকে" নাজ হয়তো এমনি রাগ করে বলে "তুই আমার কাছে আর আসবি না"। দশ মাস পেটে ধরে ... এত কষ্টের শেষে ছেলের এই উত্তর? যা ফুট!!! আচ্ছা ঋহানের মায়ের মনে কি একটু চিনচিন করে? হয়তো... হয়তো না। তবে তার পুরাটাই ঘিরে আছে ঋহানের জন্য... ভালোবাসায়... চিন্তায়... চেতনায়... সুখে... দু:খে... সব সময়ে। এ ভালোবাসা... একজন মায়ের ভালোবাসা... সন্তানের জন্য ভালোবাসা...
আজ মা দিবস। সারা বিশ্বের মানুষ (যারা অফিসিয়ালী মা দিবসে মা কে স্মরণ করে) বিভিন্ন ভাবে দিবসটি পালন করছে। বাংলাদেশেও এর ছোঁয়া লাগছে... ফেসবুকে আজ স্টেটাসে হিরিক পরে গেছে। বিষয়টা আমার কাছে নেগেটিভ কিছু লাগে না... আমরা সব দিনই মাকে ভালোবাসি... একদিন না হয় একটু উৎসব কইরা ভালোবাসলাম... তাতে কি আসে যায় 
শূন্য এবং এক
একমেবাদ্বিতীয়ম তুমি
তাহলে আমি কে ?
এই অবধি লিখে
চুপ করে ভেবেছি অনেক
এই সমরেখ চিন্তাগুলো
আমাকে জানালো-
আমি তবে শূন্য হ'তে পারি |
এমন আনাড়ি আমি
তখন বুঝিনি
শূন্য ছাড়া একই বা কোথায় ?
সকালে সন্ধ্যায়
সেই থেকে এক ও শূন্যের
তুমুল তর্কের ঝড়ে আছি
শূন্য বলে - প্রসিদ্ধি আমার
অথচ একের ঘরে আজীবন
সিদ্ধির সংসার |
আসল কথাটি জানে কেউ ?
শূন্যের অনন্ত আছে
এক মানে চেতনার ঢেউ....
সাধারন একজন মায়ের একজন অতি সাধারন সন্তান
আমার মা, বড্ড সেকেলে !!!!
সে ফেসবুক বোঝে না ! মা দিবস সম্পর্কেও জানেনা !! কিন্তু সে আমার মা।
গতরাতে মায়ের সাথে কথা হচ্ছিলো,
- মা , কাল তো মা দিবস। এইদিন সবাই সবার মা'কে অনেক উপহার দেয়।
-- মা, দিবস আবার কি জিনিস ? মায়ের আবার কোন দিবস লাগে নাকি?
- তোমার কি লাগবে বলো?
-- আমার কিছুই লাগবে না। তুমি ভালো আছো?
- হুম, অনেক ভালো; কিন্তু কি লাগবে বলো ?
-- আচ্ছা যা মোবাইলে কিছু টাকা পাঠিয়ে দিও। এত্তো বড় হয়ে গেছে এখনো জ্বালায়।
- হা হা হা, আমি তো ভালো ছেলে !!! পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো ছেলে। আমি আবার কিভাবে জ্বালাই?
-- হ তুমি তো সবার চেয়ে ভালো। ভালোই থেকো। কোন ভেজালে জড়িও না।
- আচ্ছা। মনে থাকবে।
-- রাতে ভাত খেয়েছো ?
- নাহ, একটু পরে খাবো।
-- কি রান্না করেছে আজ ?
- গরুর গোস
-- তোমাকে না বলেছি গরু খাওয়া কমাতে, এত্তো গরু খেলে তো প্রেসার বেড়ে যাবে।
- মা তুমি কোন টেনশন নিও না, আজই লাস্ট। এই সপ্তাহে আর গরু খাবো না।
-- মনে থাকে যেনো?
- আচ্ছা, মনে থাকবে। মা তোমার শরীর ভালো তো?
-- হ্যাঁ। এখন সুস্থ। তোমার অফিস ঠিক মতো চলছে তো ?
- হ্যাঁ, পারফেক্ট।
দৈনিকের রেশমাকথা
আজকের সকল দৈনিক পত্রিকাই সাভার বিপর্যয় নিয়ে সম্পাদকীয় লিখেছে। তাতে ধ্বংসস্তূপের নিচে ১৭ দিন চাপা পড়ে থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া রেশমার কথা ঠাঁই পেয়েছে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে। ঘটনা একই, তবে একেকটি পত্রিকার দৃষ্টিভঙ্গি ও উপস্থাপনা একেক রকম। কেউ বলছে এটা আল্লাহর কুদরত। কেউ অলৌকিক ঘটনা। কেউ আবার অতি সতর্কতার সঙ্গে ‘আল্লাহ’ শব্দটি উচ্চারণের বিপদ এড়িয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে!