ইউজার লগইন
ব্লগ
ভীড় ঠেলে আয়, সামনে দাঁড়া!
সাভার বিপর্যয়ের পরে কত মানুষ কত ভাবে মাঠে নামলো, কত কাজে কতো ভাবে ঝাপিয়ে আত্মনিয়োগ করলো অথচ আমি কিছুই করতে পারলাম না। একে তো পকেটে টাকা নাই। তারপর আবার যাওয়ার ইচ্ছাও পেলাম না। এতো লাশ এতো মৃত্যু যে দেখতেই ভালো লাগে না। তাও মানুষ যাচ্ছে। দেলোয়ার সাহেবের মতো বাস ড্রাইভাররা বাস চালানো বাদ দিয়ে সারা দিন রাত সাভারে ছিলেন। কী একটা অবস্থা!
দুঃখ-বিলাস
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ (পর্ব-১৪)
--শাশ্বত স্বপন
যেমনি তার চেহারা, তেমনি তার কথার স্বর। সবাই তাকে ভালোবাসত। সে ততক্ষণই বাসায় পড়ত যতক্ষণ শিক্ষকরা তার পাশে বসে থাকত। সেই কারণেই তার টিচার এর সংখ্যা সাবজেক্ট এর চেয়ে বেশি ছিল। টিফিন পিরিয়ডে সে টাকা খুব একটা খরচ করতে পারত না। কারণ তার প্রিয় খাবারগুলো বাসা থেকেই সরবরাহ করা হত। আব্বু, আম্মু বা আত্মীয়দের দেওয়া টাকা তার ব্যাগেই থাকত।
নিভৃত স্বপ্নচারী।
আমারও ছিল মনে
কেমনে ব্যাটা পেরেছে সেটা জানতে।
না নিভৃতস্বপ্নচারী আমি তোমাকে নয় আমার নিজকেই নিজে গালি দিচ্ছি। কেন আমি তোমার আগে এ প্রিয় নামটি আমার করে নিতে পারিনি। স্বপ্ন দেখতে যে আমিও ভালবাসি। তাই তো কবি গুরু যে বাণীতে জুতা আবিস্কার শেষ করেছিলেন। একি বানীর শুভ সুচনায় আমি আমার প্রিয় নামটি আবিস্কার করলাম।
কিন্তু এর অধিকার যে এখন শুধু তোমার। “আমরা বন্ধুর” রেজেষ্ট্রি অফিসে ডিজিটাল যুগে ডিজিটহীন মূল্যে তুমি যে তা নিজের করে নিয়েছ। কিন্তু তোমার সাথে আমার একটু পার্থক্য আছে, তা হল তুমি নিভৃতে স্বপ্ন দেখ, আমি নিভৃতে ও জেগে জেগেও স্বপ্ন দেখি। জেগে জেগে যা দেখি,বাস্তবে তা সফল হওয়া সম্ভব নয় তাই নিভৃতে ঘুমের ঘোরে তা পূরন করতে চাই।
কত রকমের স্বপ্ন, ছোট স্বপ্ন, বড় স্বপ্ন, লাল নীল,বা সাত রংগা স্বপ্ন। মুঠো মুঠো বা দুই হাত ১৮০ ডিগ্রী প্রসারিত অর্থাৎ দিগন্ত বিস্তৃত স্বপ্ন। একি তুমি হাসছ যে, আমার কথা শুনে, হাসবেই তো এভাবে কেঊ স্নপ্ন দেখে নাকি। কেঊ দেখে কি না জানিনা, তবে আমি দেখি না। আমি দেখি একটার পর একটা স্বপ্ন।
একজন সুইপারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা।
২০০২ সালের দিকে আমি কাজ করতাম কালুরঘাটস্হ রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলে।সেখানে ৩০/৩৫ বছরের বোকা-সোকা ধরনের একজন লোক কাজ করতো।তার নাম রাজু।রাজ বিহারী জলদাস(রাজু)।তত
তার সাথে আমার দারুণ ভাব ছিল।আমাদের ভাবের মূল কারণ আমরা দুজনেই একটু বেকুব(বোকা)টাইপের মানুষ।আমি কাজ করতাম যন্ত্রিক বিভাগে আর সে ছিল সুইপার মানে টয়লেট পরিস্কার
করতো।সেজন্য অনেকে আমাদের ভাবটাকে একটু বাঁকা চোখে দেখতো।সময়ে অসময়ে রাজু আমার কানের কাছে এসে ঘ্যান ঘ্যান করতো তাকে যেন আমি উপর থেকে নিচে নামিয়ে আনি অথাৎ
অফিসের টয়লেটগুলো ছিল দোতালায়।তার এই কাজ করতে ভাল লাগেনা।নাকে সব সময় গন্ধ লেগে থাকে।ঠিকমত খেতে পারেনা।তাছাড়া তার পূর্বপুরুষরা কেউ এই পেশায় ছিলনা।রাজুরা
বংশ পরিক্রমায় সবাই মৎস্যজীবি।আমি তাকে উল্টো প্রশ্ন করতাম তহলে এই লাইনে এলি কেন ? তার সোজা সাপ্টা জবাব পেটের দায়ে।আমি চুপ করে থাকতাম। রাজুকে আমি বোঝাতে
পারতামনা ছাপোষা একজন জুনিয়র অফিসারের পক্ষে একজন সুইপারকে প্রমোশন দিয়ে জেনারেল লেবার করার ক্ষমতা আমার নেই।
তুমিত্বের মাঝে আমিত্ব
বড় বেশী পাগলামী করি আমি....
অনেক ব্যাস্ততার মাঝেও তোমার কথা ভাবতে ভুলি না...
তোমাকে মেসেজ দিতে ভুলি না...
তোমার ছবি দেখতে ভুলি না...
তোমার খোজ নিতে ভুলি না...
আর তুমি একটু ব্যাস্ত হলেই এসব কিছুই করো না...
কারণ এখন তোমার অনেক ব্যাস্ততা...
তবে কি আমাক নিয়ে ভাবার সময়টুকুও নেই আজ তোমার..![]()
সারা দিনের কথা গুলো জমিয়ে রাখি রাতে তোমাকে বলব বলে আর আমি রাতে যা বলি পরের দিন সকালে তোমার তা মনে থাকে না। সারা দিনের অবসাধ, ভালো লাগা, খারাপ লাগা সব তোমায় বলি আর তুমি সে গুলা ভুলে যাও। আমার কত কষ্ট লাগে বল তো।
এভাবে বার বার আমাকে কষ্ট না দিয়ে এক বারে তোমার জীবন থেকে ছুরে ফেলে দাও। সহ্যের সিমা তা আবার কবে ভেঙ্গে যায় আমার, তাহলে তোমাকে একা করে দিয়ে এক বারে চলে যাব।
পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক
হল সেটা -
যখন তুমি অপরজনের হাত ধর
এবং সে তোমার সাথে চলা শুরু
করে ,,
কিন্তু সে প্রশ্ন করেনা
মুক্তি দাও
শেষ যদি হয় সকল আশার রেখা,
বিদায় থাকে ধুলোর বুকে লেখা,
অপেক্ষা আর কূল খোঁজে না কোন-
হে সর্বময়, আকুল চাওয়া শোন-
পাষাণভারে হার মেনেছে যারা,
শক্তি-শোক আর শেষ-সম্বল-হারা,
ধুঁকছে যারা সেকেন্ড সেকেন্ড গুণে,
ক্লান্ত বড়, আশার বাণী শুনে,
বাতাস যাঁদের সহায় হয়ে আছে
নিজের ছাড়া আর কেউ নেই কাছে,
এই যদি হয়, অভেদ্য এই খাঁচা,
বন্দী কারো আর হবে না বাঁচা,
ওদের তবে মুক্ত কর, মুক্ত কর বায়ু,
কষ্ট থামুক, পর্দা পড়ুক, এইটুকু হোক আয়ু!
আর যদি হয় ভাগ্যে লেখা ওদের ফিরে আসা,
দাও ফিরিয়ে, আপনজনের আর ভেঙ্গো না আশা!
অপেক্ষাতে মা-ভাই-বোন, আর অসহায় জায়া,
জলহারা ঐ শুকনো চোখে পড়ুক চেনা ছায়া!
আবার ফিরুক জলের ধারা হাতদুটো যাক কেঁপে,
জীবন ফিরুক আপনজনের জলপ্রপাতে চেপে।
কবিতা কাঁদে ভবিষ্যৎ ভাবনায়
কবি তোমার কবিতা আজ কাঁদে
অপরাজেয় বাংলার উঠোনে বসে,
কাঁদে পতাকা আজ ছিন্ন হয়ে
বসে ঐ মিনারের পাশে।
মিনারও কাঁদে মায়ের বুকে
প্রাণ নেই ঐ মিনারে,
নারীর সম্মান আজ ধর্ষিত হয়
কেঁপে উঠে এই সিনারে।
দেশ প্রেমের আজ নমুনা নেই
চাপাতী হাতে সবাই,
ক্ষণে ক্ষণে একী শ্লোগান শুনি
ধর ওদের কর জবাই।
জাতীয় পতাকার রং হয়ত পাল্টে যাবে
হয়তো রবে লাল,
রক্তের আরও বন্যা হবে
হারাবে মায়ের লাল।
এইতো আর কিছুদিন
তোমার স্মৃতি কবি মুছবে,
ভাস্কর্য মিনার জাতীয় সংগীত একদিন
স্মৃতির পাতায় খুজঁবে।
কবি তুমি কাদের নিয়ে লিখবে আজ
সবাই সাজে বোকা,
তুমিও কাঁদ কবিতাও কাঁদে
কাঁদ হয়ে আজ খোকা।
(উপরোক্ত ভবিষ্যতের দিকে কী যাচ্ছে দেশ?)
বাতাসে শুধুই লাশের গন্ধ
আজ কিছুতে যায় না
যায় না মনেরও ভার
আজ কিছুতে যায় না।
কবি গুরু তোমারও কি আমার মত
কখনও কখনও বিনা কারনে মন খারাপ হতো।
হয়ত বা হতও।
নইলে তুমি এ গান লিখবে কেন?
জান গুরু
আমার বিনা কারনে মন খারাপ হলে
আমি চাঁদের রাতে এক দৃষ্টিতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকি
খুজে ফিরি আমার কষ্টের কারন গুলো,
দু হাত দিগন্তে প্রসারিত করে
বা পড়নের লুংগি ভরে যতটউকু পারা যায় আলো ভরে নিতাম
কিন্তু তাতেও আমার মন কখনও ভাল হয়েছে মনে করতে পারি না।
আর যদি অন্ধকার রাত হতো
আমার খোজার পরিধি অনেক বেড়ে যেত।
কখনও তারা, কখন নিহারিকা
কখনও বা নাম না জানা যত নক্ষত্র আছে
তাদের কাছে আমি আমার ভাল না লাগার
কারন গুলো খুজে বেড়াতাম।
অন্ধকার রাতে ঝি ঝি পোকারা,
তাও কত রকমের ঝি ঝি পোকা,
বাঁশ ঝাড়ের আড়ালে আলো আধারিতে
কি যেন সব ছায়া ছায়া লাগত
আমার তা ভীষণ, ভীষন প্রিয়
আজও প্রিয়।
তাদের কাছেও
আমার ভাল না লাগার কারন গুলো খুজতাম।
কত ভুত প্রেতের গ্লপ শুনেছি,
অনেক সময় বেশী মন খারাপ হলে
ভাবতাম আহ ওসব যহি কিছু থেকেও থাকে,
অথবা পরী, বা আলাদীনের চেরাগের দৈত্য,
আমি তাদের কাছে কিছুই চাইব না।
বলব
সময় মত টান
কতই খেলা জানরে মওলা
কতই খেলা জান
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
কত সুন্দর বাড়ী আমার
কত সুন্দর গাড়ি
টাকা কামাই কাড়ি কাড়ি
ঘরে সুন্দর নারী
ভোগ বিলাসে আছি মজে-২
তোমায় স্বরি কি কখনও।
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
বন্ধু বান্ধব ছেলে মেয়ে
সময় কাটাই নেচে গেয়ে
ভোগ বিলাসে মত্ত থাকি-২
নতুন নতুন স্বপ্ন আঁকি।
যেতে হবে সকল ছেড়ে
মন মানে কি কখনও
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
২৬/০৪/২০১৩ইং
গ্লানি আমায় ক্ষমা করো প্রভু
গ্লানি আমায় ক্ষমা করো প্রভু
কর্মক্ষেত্রে মারা পড়ি কভু।
. . . এই যে মাতার কত আশা
. . . রুজি করে খাওয়াবে ছোড়া
. . . এই মেয়েটা চালাতে সংসার গেল মারা
. . . সেই দীনতা ক্ষমা করো
. . . . . . ক্ষমা করো প্রভু।
এই বেদনা ক্ষমা করো প্রভু
ভাতের দিকে তাকাই যদি কভু।
. . . ক্ষুধার জ্বালায় রুজির তাড়ায়
. . . যায় যদি গার্মেন্টস পাড়ায়
. . . সেই দীনতা ক্ষমা করো
. . . . . . ক্ষমা করো প্রভু।

পরষ্পর বিপরীত দুই তথ্য
[২য় ছবিটি তুলেছেনঃ তসলিমা আকতার]
কাকে বলি ওগো মৃত্যু থামাও ? মরে যাওয়া বুকে এনে দাও প্রান!
অন্য সবার মতোই মন মেজাজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত। অবশ্য নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না সবাই ভারাক্রান্ত কিনা? কারন রাস্তা ঘাটে পাড়া মহল্লায় লোকজন টিভিতে যে মর্মান্তিক সাভার পরিনতি খেতে খেতে কিংবা হাসতে হাসতে উপভোগ করছে তা দেখে অবাক হই। হোস্টেল মুভির যেরকম নারকীয় সব সিন মানুষ ইন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে মজা নেয় লোকজন হয়তো সেভাবেই ব্যাপারটাকে ইঞ্জয় করছে। তবে কোনো বিবরনেই সাভারের এই জঘন্য গনহত্যার লাইভ দেখা আমার জন্যে টলারেট করা সম্ভব না। লাকিলি বাসায় টিভি নাই ছয় সাত মাস ধরে।
দ্বিতীয় ট্র্যাজেডি কি হব তাহলে আমরা রানা প্লাজার অনুরুপ ???

সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটিতে আমি অনেক দিন ধরে অধ্যয়নরত । এই ভার্সিটি সিলেটের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভারসিটি হিসেবে পরিচিত । নিজেদের যোগ্যতা তা দ্বারা আমাদের এই ভার্সিটি এখন সিলেটের অন্যতম নামকরা একটি প্রাইভেট বিশ্ব বিদ্যালয় । প্রতি বছরই এখানে প্রায় হাজার খানেক স্টুডেন্ট ভর্তি হয় । বিশেষত বিবিএ ডিপার্টমেন্টে । কিন্তু অনেক দুঃখের সাথে লিখতে হচ্ছে যে । সাভারের রানা প্লাজার মত আমাদের এই ভার্সিটির বিল্ডিঙের মধ্যেয় রয়েছে অনেক ফাটল । এখানে উল্লেক্ষ আমাদের এই ভার্সিটি মধুবন নামে একটি মার্কেটের উপর অবস্থিত । সেই মার্কেটের বিভিন্ন অংশেই রয়েছে ফাটল । সম্প্রতি সিলেটে ঘটে যাওয়া ভুমিকম্পে এই ফাটল বেড়েছে । এখানে বলে চলে প্রতিনিয়ত এই মার্কেটের ভিতরে প্রায় ২৫০০ থেকে ৩৫০০ মানুষ চলাচল করে ।
অধর চন্দ্র সাহা
অধর চন্দ্র সাহা,
জানিনা স্কুলটি
আপনি নিজে না আপনার স্বজনেরা
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
আমি এও জানিনা আপনি জীবিত না মৃত।
কোনদিন জানতাম না এটাই স্বাভাবিক
আমি কেন আপনার এলাকার ক্ষুদ্র গণ্ডি
পেরিয়ে কেঊ আপনার নাম জানতো কি?
অথচ আজ সাড়া দেশ কেন? সাড়া পৃথিবী
আপনাকে এক নামে চেনে
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা পাওয়া স্কুলটিকে চেনে।
আপনি জিবিত বা মৃত যাই হউন না কেন
আপনার কাঁধে যে এ পর্যন্ত ৩১০ সন্তানের লাশ।
লাশ, না না, লাশও তো নয়,
ছিন্ন ভিন্ন, রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড।
রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড গুলো নিয়ে
ঊচ্চ শব্দে সাইরেন বাজিয়ে এক একটি
এম্বোলেন্স যখন আসছিল আর ঘাড়ে তুলে দিচ্ছিল
আপনার শত ছিন্ন, মাংস পিন্ড স্ম লাশ
আপনার কি বলার সামর্থ আছে,
আপনার অনুভুতি।
হাঁ হাঁ আমি পাগল, একজন পিতাকে
এ উদ্ভুট প্রশ্ন তো একজন পাগলেই
করতে পারে।
আপনি পিতা আপনার কষ্ট হয় আমার হয়না।
যখন আমার চোখের সামনে
আমার ভাই মরে
আমি কিছু করতে পারি না।
আমার বোনে চিৎকার করে বলে
ভাইয়া আমার হাতটা কেটে ফেল
তবুও আমাকে বাচাও।
নিজ হাতে ভাইয়ের পা কেটেচ্ছি,
হাঁ হাঁ একটুও আমার হাত কাঁপেনি।
আমার স্বপ্নের শৈল্পিক পতাকা এখন কোন দিকে উড়ছে
মেঘদের পালক
খসে পড়ছে বৃষ্টিহীনতার করুণ
করতালিতে
ম্লান হয়ে উঠেছে পথের মানবিক
ধূলোপ্রাণ!সাম্প্রদায়িকতার
অশ্লীন কথোপকথনে নীল
হয়ে গেছে বাতাসের লাবন্য প্রভা
উদ্ভট অন্ধকারের
রহস্যে ডুবে যাচ্ছে প্রজাপতির মুক্ত
উড়াল
ওরা আমার স্বপ্নের শৈল্পিক পতাকার
ডানা ভেঙে দিতে চায়
ওদের উলঙ্গ যৌনাচারে স্থবির
হয়ে পড়েছে-
আমার ভেতরের মুক্ত নদীটির ছুটে চলা
হায় পতাকা,আমার সবুজাভ
স্বপ্নগূলি কী ফের
গিলে খাবে সেই সব অজগর ?
আমার কবিতার রক্তাক্ত
উপমাগূলি কী বাড়ি ফেরা ভূলে যাবে ?
আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না? দেশটা যে আমাদের
আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না?
দেশটা যে আমাদের
আমাদের ঊপজেলায় একজন ছাত্রনেতা যার নাম চলন। আমায়িক ভদ্র ও সজ্জন একটি ছেলে। তার বাবা মা দুজনই শিক্ষকতার মত মহান পেশায় জীবিকা অর্জন করেছেন।
তার নাম চলন হবার পিছনে যতটুকু জানি তার নানা বাড়ি আক্কেলপুর। তখনকার দিনে বাস যোগাযোগ তেমন ছিল না। ট্রেন যোগাযোগই ছিল একমাত্র মাধ্যম। তার মা ট্রেনে তার নানা বাড়ি যাচ্ছিল। আর চলতি পথে ট্রেনেই তার জন্ম হয়। সেই স্মৃতিকে মা বাবা স্বরর্ণীয় করে রাখার জন্যই তার নাম রাখেন চলন। অনেকে আদর করে ডাকে চলন্ত।
গতকাল বীভৎস ঊদ্ধার অভিযানের দৃশ্য দেখতে দেখতে হঠাৎ একটি খবর এত বেশী কষ্ট দেয় তা ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা আমার নেই। একজন মা এ ধ্বংস স্তূপের মাঝেও একটি সন্তান প্রসব করেছেন। হয়তবা সেই মা দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় অসময়ে সন্তান প্রসব করেছেন। অথবা সে তার অনাগত সন্তানের সম্ভাব্য ডেলিভারির খবর জানার পরও সেই সন্তানের মুখের আহার সংগ্রহের উপাত্তে বাধ্য হয়ে কাজে যোগ দিতে এসেছিলেন। এখন পর্যন্ত আমি জানি না সেই মা ও নব জাতককে জীবিত বা মৃত ঊদ্ধার করা গেছে কি না।