ইউজার লগইন
ব্লগ
আলোর পথযাত্রী
সবেমাত্র এইচ এস সি পরীক্ষা শেষ করেছি। অফুরন্ত অবসর। আর ক’দিন পর ভর্তি কোচিং এ ব্যাস্ত হয়ে পড়তে হবে। তাই কোচিং এ ভর্তির আগে কিছুদিন বেড়ানোর উদ্দেশ্যে বাড়িতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আমার এই বেড়ানোর সাথে বাবা তাঁর কিছু কাজ আমার কাঁধে চাপিয়ে দিলেন। বাবার সেই বিশেষ কাজে আমাকে পটুয়াখালী যেতে হয়েছিল । অনেক দিন পর ওখানে গেলাম ! একটা সময় বাবার চাকুরীর সুবাদে কয়েকটা বছর আমাদের ওখানে থাকতে হয়েছিল। ছোট্ট শহর, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, ছিমছাম। তখন ছিল, এখন চেহারা বদলে গেছে অনেকটাই। পটুয়াখালীতে আমার অনেক ভালো লাগা স্মৃতি আছে, যেগুলো মনে পড়লে প্রায়শঃই নস্টালজিক হয়ে যাই। মনে আছে শহর ঘেঁসে দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট্ট নদীটা, নামটা ঠিক মনে নেই কিন্তু ভাল লাগা রয়ে গেছে এখনও।
নববর্ষের নবধারায় প্রথম দিনে!
পোষ্ট দিতে ওতো বেশী ইচ্ছা করে না। কারন এবির প্রথম পাতাতেই আমার তিন খানা পোস্ট। এইটা দিলে হবে এক হালি। একটা ব্লগের প্রথম পেইজেই যদি কোনো ব্লগারের চারটা পোষ্ট থাকে সামহ্যোয়ার ইনের আমলে তার নাম দিছিলো ফ্লাডীং। এই ফ্লাডিংয়ের খুব চল ছিলো তখন। অনেক ছাগল প্রজাতির ব্লগারই এই কাজ করে ধরা খাইতো। এখন নাম বললে দেখবেন তারা একেকজন কতো বড়ো বড়ো শেঠ, ফেসবুকে কত শত লাইক কিন্তু তখন নিজের পোষ্ট প্রথম পাতায় রাখার জন্য তাদের রিপোস্ট ফ্লাডিং কত সহ্য করছি আমরা। শুরুর দিকে ব্লগে রেটিং সিস্টেম ছিলো। পাচে রেটিং আমরা দিয়া আসতাম ১ করে। তারপর আসলো মাইনাস সিস্টেম। মাইনাস সিস্টেমে ছিলো মজা। কে কত বড় ছাগল তার পরিচয় তাদের পোস্ট কতো মাইনাস খায়। জাফর ইকবালকে নিয়ে একটা বিদ্বেষী পোস্ট ছিলো সেই পোস্ট তখনি পাচশো ছয়শোর উপরে মাইনাস খেলো। এরকম পাতি ছাগলদের আরো অনেক কান্ড আছে। তখন সবার লক্ষ্য ছিলো ফাস্ট পাতায় পোস্ট রাখা। কিন্তু সামুতে এতো আজাইরা পোষ্ট লোকজন দিতো যে এক ঘন্টার ভেতরে প্রথম পাতায় পোস্ট নাই। তবে আমরাও ছিলাম এক কাঠি সরেস। ব্লগ খুলেই দশ পাতা অব্ধি পেইজ ভিজিট করে ব্লগ শুরু করতাম। একটু পরের দিকে যখন অনেক ব্লগ ছাড়া শুরু
পায়ের ধুলো নেই-১০
হৃমায়ূন আহমেদ: যে ছিল এক মুগ্ধকর। এটি স্থপতি শাকুর মজিদের বই। হুমায়ূন আহমেদকে যেভাবে দেখছেন তার বর্ণনা। আমার ভালো লেগেছে। বইটি পড়া শেষ হতে না হতে হাতে নেই হুমাযূন আহমেদ স্মারকগ্রন্থ।পড়ি আর আমার একটা ধারণা গলে গলে মন থেকে বেরিয়ে যায়। আমার মনের গভীরে একটা হাহাকার তৈরি হয়। একটা ভাবনাকে আঁকড়ে থেকে আমি দুর্দান্ত কিছু স্মৃতি তৈরি থেকে বঞ্চিত থেকেছি। বঞ্চনার কথা বলার আগে ধারণার কথা বলি। আমি মনে করতাম লেখকের সঙ্গে পাঠকের সম্পর্ক ব্যক্তিগত নয়। ব্যক্তি মানুষটার কাছাকাছি যাওয়ার কোন মানে নেই। লেখক অনেক দিন বেঁচে থাকুন এই কামনা করি তাঁর অনেক লেখা পড়ার আ্গ্রহ থেকে। কিন্তু বই দুটি পড়ে মনে হলো হুমায়ূন আহমেদের কাছাকাছি হলে জ্ঞানের রাজ্যে আরো সাবলীল হতে পারতাম।
পহেলা বৈশাখ নাকি পহেলা অগ্রহায়ণ-কোনটি আমাদের নববর্ষের দিন ?
বাঙালির ইতিহাস চার হাজার বছরের। আর বাঙালির নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস মাত্র সেদিনের !
বাংলা সন ও পহেলা বৈশাখ শিরোনামে কালের কণ্ঠে প্রকাশিত (১৪ এপ্রিল ২০১১) ড. শরদিন্দু ভট্টাচার্যের লেখায় পাই "বাংলা বছরের পঞ্জিকায় যে ১২টি মাস বর্তমান, তার ১১টিই নক্ষত্রের নামে নামাঙ্কিত। এ ক্ষেত্রে 'বৈশাখ' বিশাখা নক্ষত্রের নামে, 'জ্যৈষ্ঠ' জ্যাষ্ঠা নক্ষত্রের নামে, 'আষাঢ়' আষাঢ়ার নামে এবং এরূপ শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন ও চৈত্র যথাক্রমে শ্রবণা, পূর্বভাদ্রপদা, অশ্বিনী, কৃত্তিকা, পৌষী, মঘা, ফাল্গুনী ও চিত্রার নামে অঙ্কিত হয়েছে। যে মাসটি নক্ষত্রের নামের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, সেটি হচ্ছে অগ্রহায়ণ; আর এই নামটির সঙ্গেই মিশে আছে বাংলার কিছু ইতিহাস, কিছু স্মৃতি এবং কিছু বিস্মৃত হয়ে যাওয়া তথ্য।
বিলাসী (২০১৩) - ৩
খুড়া বলিয়া বেড়াইতে লাগিলেন, এ যে ঘটিবে, তিনি অনেক আগেই জানিতেন। তিনি শুধু তামাশা দেখিতেছিলেন; কোথাকার জল কোথায় গিয়া মরে! নইলে পর নয়, প্রতিবেশী নয়, আপনার ভাইপো! তিনি কি ফেসবুকে রিপোর্ট করিতে পারিতেন না? তাঁহার কি ব্লগে পোস্ট দেবার ক্ষমতা ছিল না? তবে কেন যে করেন নাই, এখন দেখুক সবাই। কিন্তু আর ত চুপ করিয়া থাকা যায় না! এ যি সুশীল সমাজের নাম ডুবিয়া যায়! আস্তিকদের মুখ পোড়ে !
তখন আমরা সুশীল সকল লোক মিলিয়া যে কাজটা করিলাম, তাহা মনে করিলে আমি আজও লজ্জায় মরিয়া যাই। খুড়া চলিলেন সুশীল-বংশের অভিভাবক হইয়া, আর আমরা দশ-বারোজন সঙ্গে চলিলাম আস্তিকের বদন দগ্ধ না হয় এইজন্য।
মৃত্যুঞ্জয়ের পোড়ো-বাড়িতে গিয়া যখন উপস্থিত হইলাম তখন সবেমাত্র সন্ধ্যা হইয়াছে। মেয়েটি ভাঙ্গা বারান্দায় একধারে ব্লগ লিখিতেছিল, অকস্মাৎ লাঠিসোঁটা হাতে এতগুলি লোককে উঠানের উপর দেখিয়া ভয়ে নীলবর্ণ হইয়া গেল।
স্মৃতিতে অম্লান – অন্য রকম জোছনা !

নাগরিক জীবনে নানা ব্যাস্ততার মাঝে ফেলে আসা দিনগুলোর কিছু কিছু স্মৃতি কখনো কখনো মনকে আন্দোলিত করে। আমরা অনেকেই হয়ত এগুলো ভেবে মাঝে মাঝে নস্টালজিক হয়ে যাই।
আমাদের কাজিনদের একটা বড় গ্রুপ ছিল। প্রতি বছরই পরীক্ষা শেষ হলে সাবই মিলে একসাথে গ্রামে বেড়াতে যেতাম। কমপক্ষে পনের দিন গ্রামে থাকা হত, সবাই মিলে বেশ মজা করতাম। ফাইনাল পরীক্ষা শেষ, গ্রামে বেড়াতে গেছি।
একদিন সন্ধ্যার পর আমরা ঠিক করলাম রাতে খেঁজুরের রসের পায়েস খাব। নানাদের খেঁজুর গাছ তখনও কাটা শুরু করেনি, তাই মামাত ভাই শ্যামলকে নিয়ে খেঁজুরের রসের সন্ধানে নেমে পরলাম। ও বলল নদীর ওপাড়ে ওর বন্ধুদের বাড়ি থেকে রস পাওয়া যাবে তবে রাত একটু বেশি না হলে হাঁড়িতে তেমন রস জমে না। আমরা ঠিক করলাম রাত দশটার পরেই যাব, তবুও খেঁজুরের রসের পায়েস খাওয়া চাই।
শিকড় ছেঁড়ার কষ্ট এবং বিপন্ন মানবতা
ভদ্রলোকের নাম ছিল রনবীর গুহ। পেশায় হোমিও ডাক্তার। সবাই বলত রবি ডাক্তার। আমাদের বাড়ির আনতিদূরেই ছিল ওনাদের বাড়ি। ওনার ছেলে স্বপন ডাক্তার ছিল আমার বাবার ছেলেবেলার বন্ধু, তাই ও বাড়িতে যাতায়াতও ছিল অবারিত। ভদ্রলোককে আমি ডাকতাম দাদু।
রবি দাদুর হোমিও ফার্মেসিটি ছিল আমাদের বাজারেই। আমি বাজারে গেলে ওনার ফার্মেসিতে যাওয়া ছিল অবধারিত। ওনার ফার্মেসির দুটি জিনিসের প্রতি আমার আকর্ষণ ছিল প্রবল। প্রথমত ওখানে গেলে উনি মিষ্টি হোমিও ঔষধ (এক ধরনের মিষ্টি ছোট্ট সাদা দানা বিশেষ) খাওয়াতেন যা ছিল আমার অনেক পছন্দের আর ছিল ওনার ফার্মেসির সেলফে রাখা একটা ছোট্ট সাদা পুতুল। আহামরি কিছু না, তুলা দিয়ে তৈরি হাঁটু ভাঁজ করে বসা এক বৃদ্ধ, দেখতে ছিল অনেকটা রবি দাদুর মতই। পুতুলটির মাথাটি একটি স্প্রিং দিয়ে ওটার শরীরের সাথে আটকানো, হাত দিয়ে মাথাটি ছুঁয়ে দিলেই ওটা দুলত। ওখানে গেলে আমি মুগ্ধ হয়ে ওটার দিকে তাকিয়ে থাকতাম।
অনুপম অনুপম!
শিরোনামের দ্বিতীয় শব্দটুকু বিশেষ্য, প্রথম অংশটুকু বিশেষণ!
বলছি আমার একজন প্রিয় শিল্পী অনুপম রায়ের কথা। আমাদের সবার চেনা ভারতীয় বাংলা সিনেমার সুরকার কাম প্লেব্যাক শিল্পী নয়, আজ বরং একটু অচেনা কেবলই শিল্পী অনুপম রায়ের গান নিয়ে কিছু কথকতা হয়ে যাক।
অনুপম রায় কে কেবলই একজন প্লেব্যাক শিল্পী ভাবলে ভয়ংকর একটা অন্যায় হবে। কারন সে একই সাথে তার বেশিরভাগ গানের লেখক এবং সুরকারও বটে। আমার মতে একটা কবিতা বা গান তখনই সত্যিকার পূর্ণতা পেয়ে থাকে যখন কবি নিজেই তার কবিতাকে তার অনুভূতির সুরে সাজিয়ে একটি গানে পরিণত করে তুলতে পারেন। বর্তমান সময়ে দুই বাংলা মিলিয়েও এরকম শিল্পী হাতেগোনা কয়েকজন মাত্র পাওয়া যায়। এজন্যই আমার মতে, অনুপম সত্যিই অনুপম।
দূরে থাকা মেঘ তুই দূরে দূরে থাক!
ইদানিং প্রত্যেকটা সকাল শুরু হয় অনেক ভোরে। আমার যদি ঘুম থেকে উঠার তাড়া থাকে সামান্য, তাহলে আমি অন্তত রাতেই দুই তিন বার জেগে উঠি, সময় দেখি আবার শুই আবার উঠি এভাবেই চলে। পাচটার দিকে উঠে পড়ি। উঠেই প্রথম কাজ মোবাইলে ফেসবুক স্টেটাস দেখা মাইনষের। এই অভ্যাসটা মোটেও সুবিধের না। চোখই ভালো মতো খুলি নাই তার ভিতরেই আমার অনেকের পলিটিক্যাল প্রপাগান্ডা ময় স্ট্যাটাস পড়তেছি কি একটা বিপদ আমাদের মতো লোকদের। আমার এক বন্ধু সেদিন বলছিলো যে আমরা প্রযুক্তি ব্যাবহারের সিস্টেমটা বুঝি না?
প্রকৃত ধর্ম অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
পবিত্র কাবা শরীফের গিলাফ একটি বস্ত্রখন্ড যা দিয়ে কাবা শরীফকে আচ্ছাদিত করে রাখা হয়। বর্তমানে গিলাফ কালো রেশমী কাপড় নির্মিত, যার ওপর স্বর্ণ দিয়ে লেখা থাকে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ", "আল্লাহু জাল্লে জালালুহু", "সুবহানাল্লাহু ওয়া বেহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম" এবং "ইয়া হান্নান, ইয়া মান্নান"। ১৪ মিটার দীর্ঘ এবং ৯৫ সেমি প্রস্থ ৪১ খণ্ড বস্ত্রখণ্ড জোড়া দিয়ে গিলাফ তৈরি করা হয়। চার কোণায় সুরা ইখলাস স্বর্ণসূত্রে বৃত্তাকারে উৎকীর্ণ করা হয়।
পবিত্র কাবা শরীফের যে গিলাফে মহান আল্লাহ-রাব্বুল আল-আমিনের বাণী লেখা থাকে সেই লেখাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিকৃত করে উপস্থাপন করে, প্রচার করে, প্রকাশ করে ধর্মপ্রান মানুষকে যারা বিভ্রান্ত করে তারা কি ইসলামের অবমাননাকারী নয়? তারা কি পবিত্র কোরআন অবমাননাকারী নয়?
একজন মুসলমান হিসেবে আমি আমার ধর্মের অবমাননাকারী, পবিত্র কা’বা শরীফ অবমাননাকারী, পবিত্র কোরআন অবমাননাকারী তথাকথিত সাংবাদিক, মিথ্যুক, প্রতারক মাহমুদুর রহমানের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই ।
ঘুমন্ত কুম্ভকর্ণ আবার জেগে উঠেছে
আমি ফটিকছড়ির ভূজপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামের মেঠো ধুলাই আমার কবিতার অঙ্গ। তার ঝির ঝিরে হাওয়া আমার গ্রীষ্মের প্রাণ। এখানের শীতের কুয়াশা গাঢ়, খেজুর গাছ থেকে রস পড়ে নিয়ম মেনে, ফুল ফুটে বসন্তে, ভ্রমর গায় গুঞ্জরনে। এখানের বর্ষায় হাঁটু জল হয় না, মাঝে মাঝে বান ঢাকে পুকুর-বিলে একাকার হয়। শাপলা কুড়াবার জন্য ঠিক অন্য এলাকার মতই আমাদের গ্রামেও বাচ্চারা উলঙ্গ হয়ে ডুব দেয় পুকুরে। নবান্নের হাসি ফুটে গৃহবধুর মুখে, ধানের মরা খর ছড়িয়ে পড়ে পথে পথে। এমন রূপসী গ্রাম বাংলার সবখানেই, আমাদের গ্রামটা কি একটু বেশীই?
যখন কেউ বলে জামায়াত মাত্র চার পার্সেন্ট, আমি অবাক হয়ে যাই। তারা চার পার্সেন্ট হতে পারে কিন্তু তাদের সাপোর্টার আমাদের গ্রামের প্রায় সব লোক। তারা বিএনপিতে ভোট দেয় আর ধর্মগোঁড়ামি নিয়ে জামায়াতকেই পছন্দ করে। সেই ছেলে বেলা থেকেই শিবিরের মারামারি কাটাকাটির কথা শুনে আসছি। মাঝখানে ১০-১২ বছর চুপ-চাপ ছিল এলাকাটা। কিন্তু সাম্প্রতিক হেফাজতের কল্যাণে ঘুমন্ত কুম্ভকর্ণ আবার জেগে উঠেছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু কথা
মাদ্রাসা শব্দটি আরবী درس (দরস) থেকে এসেছে। درس মানে হল পাঠ। আর মাদ্রাসা মানে হল যেখানে পড়ানো হয় বা বিদ্যালয়।আমাদের দেশে কয়েক ধরনের মাদ্রাসা আছে। প্রথমে একে একে এই মাদ্রাসাগুলোর পরিচয় দেই-
নূরানী/তালিমুল কুরআন/ফোরকানীয়া মাদ্রাসা:
নাম ভিন্ন হলেও এ মাদ্রাসাগুলোর কাজ একই। কুরআন শরীফ শুদ্ধ করে পড়ানো।আধুনিক পদ্ধতিতে শুদ্ধভাবে কুরআন শেখানোর জন্য এ মাদ্রাসাগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তাজবীদ (কুরআন শেখার জন্য সহীহ উপায় সমূহ এই বইতে লেখা থাকে) সহকারে এখানে কুরআন শেখানো হয়। প্রতিটি হরফের মাখরাজ (উচ্চারণ স্থান), মদ (কোন জায়গায় টেনে পড়তে হবে, কতটুকু টেনে পড়তে হবে), এদগাম, ক্বলব, এজহার, গুন্নাহ (উচ্চারণের ধরণ সম্পর্কিত বিভিন্ন টার্ম) প্রভৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা সহকারে এখানে কুরআন শেখানো হয়।এই মাদ্রাসাগুলো মূলত ছোটদের জন্য তবে বয়স্ক কেউ শুদ্ধ করে কুরআন পড়ার জন্য তালীমুল কুরআন বা ফোরকানীয়া মাদ্রাসায় যেতে পারে।
হাফেজী মাদ্রাসা
একজন ফরহাদ মজহার এবং অনৈসলামিক রাজনীতি - এক
আমার ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিষ্টের একজন বন্ধু গোত্রীয় Farhad Mazhar নামে অন্য একজনের স্টেটাসের লাইক দেয়ার সূত্র ধরে আমি সে স্টেটাসটা একটু পড়ে দেখি।
লোকটার স্টিটাসটা পড়লাম। পইড়া মনে একটা প্রশ্নের উদয় হইলো। তার আগে কই, উনি ঐ স্টিটাসে অনেক কতা লিখেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু তুলে ধরলাম:
"আমরা চিৎকার শুরু করি তের দফা মানা যায় না। ফলে ধর্মতাত্ত্বিক বয়ানের মোড়কের মধ্যে এই মানুষগুলোর (হেফাজতে ইসলাম) নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক উদ্বিগ্নতা আমাদের কানে এসে পোঁছায় না। কারন এদের আমরা মানুষ বলেই গণ্য করি না। আমরা আগেই প্রচার শুরু করি বাংলাদেশ তালেবান হয়ে যাচ্ছে।"
স্টিটাসটাতে আরো অনেক কতা আছে। এর আগে লেখা আছে,
প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা (শেষাংশ)
৬
হলরুমটা বিশাল। মাঝের সারির চেয়ারগুলো থেকে মঞ্চের কার্যকলাপ দেখা একটু দুষ্কর।আরেকটু লম্বা হবো কবে, ইশ্শ্... ভাবতে ভাবতে কুশি বারবারই ঘাড় উঁচিয়ে স্টেজে কি হচ্ছে না হচ্ছে দেখার চেষ্টায় রত। আইভী রহমান টুকটাক স্বামীর সাথে কথা বলছেন, আমিন রহমান শনিবারের এই বিকেলটায় অনেকদিন পর স্ত্রী আর মেয়েদের সঙ্গ উপভোগ করছেন। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্প্যানির ব্যস্ততা তাঁকে অল্পক’টা দিন দেশে থাকতে দেয়। চার বছরের ছোট্ট কঙ্কা বাবার কোল, মায়ের কোল এক্কাদোক্কা করছে।
"কি’রে আমিন, রেজা ভাইয়ের বাসার অনুষ্ঠানের পর ডুব দিলি যে?”"
কাফন দিয়ে কেনা আমার পতাকার স্বরাজ!
শাহনাজ রহমাতুল্লাহর গান থেকে শিরোনামের লাইন টা নেয়া। এই গানের অরজিনাল ভার্সন আমি শুনি নাই। কনক চাপার একটা ভার্সন শুনছিলাম সেইটা ভালো লাগে নাই তবে মনে গেথে আছে শুধু সায়ানের গায়কীটাই। সেই সামুর আমলে ২০০৮ য়ের দিকে পোষ্টও দিছিলাম গানটা নিয়ে। এখন যখন অনেকের প্রিয় পোস্টের ভীড়ে সেই গানটার পোস্ট দেখি অবাক লাগে। তখন মনে হয় ব্লগিং করে এতোদিনের এই অযথা সময় নষ্ট পুরোটা কখনোই মাঠে মারা যায় নাই। তবে মাঠে মারা গেলো না গেলো না তা নিয়ে ভাবি না কখনো। আমি আমার সময়ে যা করার উচিত ছিলো তাই করার চেষ্টা করছি মাত্র। আমার সময়ে সব চেয়ে কম ছিলো মানুষের দেশপ্রেম, কাজের কাজ কিছু করতে না পারলেও নিজের বুকে তা ধারন করেছি। যে দেশে জন্মেছি তার জন্য অপরিসীম মায়া অনুভব করি এইটাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি। আর কিছুর দরকারও নাই। সকালে উঠে ফজর নামায পড়েই হাটতে বের হই সংগী হিসেবে একজন বা দুই জন ছাড়া কেউ নাই বলা যায় ইদানিং একা একাই হাটি। ভোরের নির্মল বাতাস যখন আমার গায়ে এসে বাধে তখন শুধু জাতীয় সংগীতের লাইনগুলাই মনে হয়। আল্লাহর কাছে ধন্যবাদ জানাই বারবার যে এমন একটা দেশে আমাকে জন্ম দিয়ে বাচিয়ে রেখোছো এতো দারুন ভাবে এতো ভালোবাসায়।