ইউজার লগইন
ব্লগ
সময় মত টান
কতই খেলা জানরে মওলা
কতই খেলা জান
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
কত সুন্দর বাড়ী আমার
কত সুন্দর গাড়ি
টাকা কামাই কাড়ি কাড়ি
ঘরে সুন্দর নারী
ভোগ বিলাসে আছি মজে-২
তোমায় স্বরি কি কখনও।
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
বন্ধু বান্ধব ছেলে মেয়ে
সময় কাটাই নেচে গেয়ে
ভোগ বিলাসে মত্ত থাকি-২
নতুন নতুন স্বপ্ন আঁকি।
যেতে হবে সকল ছেড়ে
মন মানে কি কখনও
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
২৬/০৪/২০১৩ইং
গ্লানি আমায় ক্ষমা করো প্রভু
গ্লানি আমায় ক্ষমা করো প্রভু
কর্মক্ষেত্রে মারা পড়ি কভু।
. . . এই যে মাতার কত আশা
. . . রুজি করে খাওয়াবে ছোড়া
. . . এই মেয়েটা চালাতে সংসার গেল মারা
. . . সেই দীনতা ক্ষমা করো
. . . . . . ক্ষমা করো প্রভু।
এই বেদনা ক্ষমা করো প্রভু
ভাতের দিকে তাকাই যদি কভু।
. . . ক্ষুধার জ্বালায় রুজির তাড়ায়
. . . যায় যদি গার্মেন্টস পাড়ায়
. . . সেই দীনতা ক্ষমা করো
. . . . . . ক্ষমা করো প্রভু।

পরষ্পর বিপরীত দুই তথ্য
[২য় ছবিটি তুলেছেনঃ তসলিমা আকতার]
কাকে বলি ওগো মৃত্যু থামাও ? মরে যাওয়া বুকে এনে দাও প্রান!
অন্য সবার মতোই মন মেজাজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত। অবশ্য নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না সবাই ভারাক্রান্ত কিনা? কারন রাস্তা ঘাটে পাড়া মহল্লায় লোকজন টিভিতে যে মর্মান্তিক সাভার পরিনতি খেতে খেতে কিংবা হাসতে হাসতে উপভোগ করছে তা দেখে অবাক হই। হোস্টেল মুভির যেরকম নারকীয় সব সিন মানুষ ইন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে মজা নেয় লোকজন হয়তো সেভাবেই ব্যাপারটাকে ইঞ্জয় করছে। তবে কোনো বিবরনেই সাভারের এই জঘন্য গনহত্যার লাইভ দেখা আমার জন্যে টলারেট করা সম্ভব না। লাকিলি বাসায় টিভি নাই ছয় সাত মাস ধরে।
দ্বিতীয় ট্র্যাজেডি কি হব তাহলে আমরা রানা প্লাজার অনুরুপ ???

সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটিতে আমি অনেক দিন ধরে অধ্যয়নরত । এই ভার্সিটি সিলেটের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভারসিটি হিসেবে পরিচিত । নিজেদের যোগ্যতা তা দ্বারা আমাদের এই ভার্সিটি এখন সিলেটের অন্যতম নামকরা একটি প্রাইভেট বিশ্ব বিদ্যালয় । প্রতি বছরই এখানে প্রায় হাজার খানেক স্টুডেন্ট ভর্তি হয় । বিশেষত বিবিএ ডিপার্টমেন্টে । কিন্তু অনেক দুঃখের সাথে লিখতে হচ্ছে যে । সাভারের রানা প্লাজার মত আমাদের এই ভার্সিটির বিল্ডিঙের মধ্যেয় রয়েছে অনেক ফাটল । এখানে উল্লেক্ষ আমাদের এই ভার্সিটি মধুবন নামে একটি মার্কেটের উপর অবস্থিত । সেই মার্কেটের বিভিন্ন অংশেই রয়েছে ফাটল । সম্প্রতি সিলেটে ঘটে যাওয়া ভুমিকম্পে এই ফাটল বেড়েছে । এখানে বলে চলে প্রতিনিয়ত এই মার্কেটের ভিতরে প্রায় ২৫০০ থেকে ৩৫০০ মানুষ চলাচল করে ।
অধর চন্দ্র সাহা
অধর চন্দ্র সাহা,
জানিনা স্কুলটি
আপনি নিজে না আপনার স্বজনেরা
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
আমি এও জানিনা আপনি জীবিত না মৃত।
কোনদিন জানতাম না এটাই স্বাভাবিক
আমি কেন আপনার এলাকার ক্ষুদ্র গণ্ডি
পেরিয়ে কেঊ আপনার নাম জানতো কি?
অথচ আজ সাড়া দেশ কেন? সাড়া পৃথিবী
আপনাকে এক নামে চেনে
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা পাওয়া স্কুলটিকে চেনে।
আপনি জিবিত বা মৃত যাই হউন না কেন
আপনার কাঁধে যে এ পর্যন্ত ৩১০ সন্তানের লাশ।
লাশ, না না, লাশও তো নয়,
ছিন্ন ভিন্ন, রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড।
রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড গুলো নিয়ে
ঊচ্চ শব্দে সাইরেন বাজিয়ে এক একটি
এম্বোলেন্স যখন আসছিল আর ঘাড়ে তুলে দিচ্ছিল
আপনার শত ছিন্ন, মাংস পিন্ড স্ম লাশ
আপনার কি বলার সামর্থ আছে,
আপনার অনুভুতি।
হাঁ হাঁ আমি পাগল, একজন পিতাকে
এ উদ্ভুট প্রশ্ন তো একজন পাগলেই
করতে পারে।
আপনি পিতা আপনার কষ্ট হয় আমার হয়না।
যখন আমার চোখের সামনে
আমার ভাই মরে
আমি কিছু করতে পারি না।
আমার বোনে চিৎকার করে বলে
ভাইয়া আমার হাতটা কেটে ফেল
তবুও আমাকে বাচাও।
নিজ হাতে ভাইয়ের পা কেটেচ্ছি,
হাঁ হাঁ একটুও আমার হাত কাঁপেনি।
আমার স্বপ্নের শৈল্পিক পতাকা এখন কোন দিকে উড়ছে
মেঘদের পালক
খসে পড়ছে বৃষ্টিহীনতার করুণ
করতালিতে
ম্লান হয়ে উঠেছে পথের মানবিক
ধূলোপ্রাণ!সাম্প্রদায়িকতার
অশ্লীন কথোপকথনে নীল
হয়ে গেছে বাতাসের লাবন্য প্রভা
উদ্ভট অন্ধকারের
রহস্যে ডুবে যাচ্ছে প্রজাপতির মুক্ত
উড়াল
ওরা আমার স্বপ্নের শৈল্পিক পতাকার
ডানা ভেঙে দিতে চায়
ওদের উলঙ্গ যৌনাচারে স্থবির
হয়ে পড়েছে-
আমার ভেতরের মুক্ত নদীটির ছুটে চলা
হায় পতাকা,আমার সবুজাভ
স্বপ্নগূলি কী ফের
গিলে খাবে সেই সব অজগর ?
আমার কবিতার রক্তাক্ত
উপমাগূলি কী বাড়ি ফেরা ভূলে যাবে ?
আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না? দেশটা যে আমাদের
আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না?
দেশটা যে আমাদের
আমাদের ঊপজেলায় একজন ছাত্রনেতা যার নাম চলন। আমায়িক ভদ্র ও সজ্জন একটি ছেলে। তার বাবা মা দুজনই শিক্ষকতার মত মহান পেশায় জীবিকা অর্জন করেছেন।
তার নাম চলন হবার পিছনে যতটুকু জানি তার নানা বাড়ি আক্কেলপুর। তখনকার দিনে বাস যোগাযোগ তেমন ছিল না। ট্রেন যোগাযোগই ছিল একমাত্র মাধ্যম। তার মা ট্রেনে তার নানা বাড়ি যাচ্ছিল। আর চলতি পথে ট্রেনেই তার জন্ম হয়। সেই স্মৃতিকে মা বাবা স্বরর্ণীয় করে রাখার জন্যই তার নাম রাখেন চলন। অনেকে আদর করে ডাকে চলন্ত।
গতকাল বীভৎস ঊদ্ধার অভিযানের দৃশ্য দেখতে দেখতে হঠাৎ একটি খবর এত বেশী কষ্ট দেয় তা ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা আমার নেই। একজন মা এ ধ্বংস স্তূপের মাঝেও একটি সন্তান প্রসব করেছেন। হয়তবা সেই মা দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় অসময়ে সন্তান প্রসব করেছেন। অথবা সে তার অনাগত সন্তানের সম্ভাব্য ডেলিভারির খবর জানার পরও সেই সন্তানের মুখের আহার সংগ্রহের উপাত্তে বাধ্য হয়ে কাজে যোগ দিতে এসেছিলেন। এখন পর্যন্ত আমি জানি না সেই মা ও নব জাতককে জীবিত বা মৃত ঊদ্ধার করা গেছে কি না।
একজন বলরাম এবং কিছু কথা

আজ ছুটির দিন। ছুটির দিনটি আনন্দেই কাটে অমিয়র। বিকালে রুপা ও একমাত্র মেয়ে আদৃতা নিয়ে ফ্যামিলি এলবাম দেখছিল। অমিয়র তিন বছরের মেয়ে এটা ওটা প্রশ্ন করছে, অমিয় উত্তর দিচ্ছে। এটা আমার দাদা, এটা দাদী। আচ্ছা বাবা দাদী তোমার কি হয়? তোমার দাদী তো আমার মা হয়। আদৃতা বলে আমি তোমার মা না ? অমিয় উত্তর দেয় হ্যাঁ, তুমি তো আমার মা। আদৃতা দুহাত প্রসারিত করে বলে আমি তোমাকে এতগুলো ভালবাসি। বুক ভরে যায় আনন্দে। দুহাতে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে অমিয় আর মনে মনে ভাবে আমার কোন দুঃখ নেই, এই তো আমার সব। এর জন্যে তো আমি যে কোন কিছু ত্যাগ করতে পারি। মনে পড়ে বাবা বলতেন আগে বাবা হ, বুঝবি সন্তান কি । তখন বুঝিনি এখন বুঝি বাবা ঠিকই বলেছিলেন।
এমনই গহীন অন্ধকার
স্বপ্ন, হয় এমনই।
রমনার বুকে
সবুজ সবুজ প্রমোদ,
নীল আকাশ ছুঁয়ে ছুঁয়ে
সাদা মেঘ এলো-মেলো,
কখনো বা এ-ওকে জড়ানো।
বাবুই বাসা,
ঝড়ের পরেই চুপসানো দরজায় বাবুই জোড়ার খুনসুটি।
ঝিরঝির মৃদু বাতাসের তাড়ায়
লালচে শেওলা নিরুপায়,
একে ওকে জড়িয়ে লালাভ ভালবাসা। আহা।
সব ছাপিয়েও কিছু অস্থির,
স্বপ্ন ভাঙার স্বপ্ন,
কালো মেঘে ছাওয়া ধবল চরাচর
এমনই গহীন অন্ধকার।
নীলে নীলে ছেঁয়ে যাওয়া সময়।আহা।
মার চিৎকার,
খোকা, জেগে উঠ।
দেশে যেমন; এই প্রবাসেও আমরা তেমনটি কেনো?

অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ক্যালগেরিস্থ বাংলাদেশ সেন্টারে ক্যালগেরির স্বনামধন্য ফুটবল ক্লাব বেঙ্গল টাইগার্সের ক্ষুদে ফুটবলারদের মাঝে সার্টিফকেট বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় গত ১৪ এপ্রিল। দিনটি ছিলো বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ। সংগঠনের ক্ষুদে ফুটবলাররা ছাড়াও, তাদের অভিভাবকসহ বেশ কিছু দর্শক-স্রোতা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। ব্যাপক পরিসরে না হলেও আয়োজনটি এক কথায় ছিলো চমৎকার। বন্ধু আজহারুল ইসলাম মাখনের সাথে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়েছিলাম একজন দর্শক হিসেবেই। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে উপস্থাপক জুবায়ের সিদ্দিকী আমার নাম ঘোষণা করে বিশেষ অতিথির আসনে নিয়ে বসালেন। যার জন্য আমি একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। ক্যালগেরি আসার পর এমন আয়োজনে এটাই আমার প্রথম উপস্থিতি। অনেকদিন থেকেই অসুস্থ। আর তাই অনিচ্ছা সত্বেও নিজেকে নিজের মধ্যে গুটিয়ে রাখার একটা প্রবণতা কাজ করে। তবে হ্যাঁ, বেশ কিছুদিন পর এমন একটি চমৎকার আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে বেশ ভালো লেগেছে।
আস্তিক বা নাস্তিক-২য় পর্ব
আস্তিক বা নাস্তিক-২য় পর্ব
ফেবুতে এক জনের পোষ্ট দেখলাম শেখ হাসিনা তো ব্লগার নাস্তিক ও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান মন্ত্রী মুসলমানদের প্রধান মন্ত্রী নন। বাংলাদেশে ৮৫-৯০% লোক মুসলমান বাকী সব মিলে ১০-১৫% বাংলা মায়ের সন্তান অন্যান্য ধর্মাবলম্বি। নাস্তিক যে দু চারজন আছে তাদের যদি % এর হিসেবে নিতে যাই তবে দশমিকের পর এতই শুন্য আসবে যে তা জিরো পাওয়ারের ভাল্বের নামান্তর হবে। তাই তাদের আমি কখনই হিসেবে ধরি না। আবার নাস্তিকদের মাঝেও অনেক প্রকার নাস্তিক আছে যেমন প্রকৃতি বাদী নাস্তিক, আবার কোন কোন নাস্তিক উপাস্যে বিশ্বাসী নন কিন্তু সৃষ্টি কর্তা একজন আছেন তা বিশ্বাস করেন। আমার মতে সে কি করে নাস্তিক হন। কারন আমরা যারা আমাদের আল্লাহকে ঊপাস্য হিসেবে মানি তাঁর একটি নাম খালেক যার অর্থ হল সৃষ্টি কর্তা। তাহলে সে কি করে নাস্তিক হয়। তাই আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম আওয়ামীলীগ ভোট যে ৩৫-৪২% ভোট পায় ২৫-৩২% ভোট তো মুসলিমদের হওয়ার কথা, অথচ তাদের তুমি অমুসলিম বললে কি করে।
সে বলল প্রমান দেখাও
একজন মুসলমান শুধু আল্লাহতায়ালার কাছেই তার ইমানের বা মুসলমানিত্বের প্রমান দেন।(চলবে)
সাভার ট্রাজেডি
কষ্টের নীল ঢেউ
উড়ে যায় শ্বেত কবুতর
ভেসে যায় সাদা মেঘের ভেলা
সোনালী রোদ্দুরে, স্বপ্নীল দু’চোখ
নীলাকাশে সুখের পাখনা মেলা।
বাজপাখির তীক্ষ্ণ নখের থাবায়
কেঁপে ওঠে ধরণি,
স্বপ্নের হয় অবসান
অশ্রুসজল জননী চেয়ে রয়-
নির্বাক,
ঈশাণ কোণে কালবৈশাখী
থমকে যাওয়া জীবন।
মরে যাওয়া পদ্ম পুকুরে
কষ্টের চাষবাস,
তপ্ত মাটির বুকে
ধূসর বৃক্ষের অবিরাম ক্রন্দন,
নিস্পলক চেয়ে থাকা
ছল ছল চোখ-
আতিপাতি করে খোঁজে
জীবনের স্পন্দন
ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নের আর্তনাদ-
লাল রঙের ভেঁজা মাটি
তুলোর মত সাদা পালক,
ছড়ানো-
পোড়া মাটির প’রে,
ধুলোয় লুটোপুটি।
হাজার মনের মেঘ কাটাতে
অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামেনা
পাঁজর ভাঙার শব্দ
দিকে দিকে শুধু বাজে
শূন্য বুকের কান্না থামেনা!
লাল সাগরের বুকে
কষ্টের নীল ঢেউ
আছড়ে পড়ে তীরে বার বার,
পাথর চোখের শূন্য দৃষ্টি মেলে
চেয়ে চেয়ে শুধু দেখা-
শবের পাহাড়।
অসহায় মানুষের মুখে মুখে
শুধুই হাহাকার,
বাতাসে লাশের গন্ধ শুকে শুকে
ধেয়ে আসে অপেক্ষার শকুণ
এবার সময় হল তার!
"ভয় পেয়ো না, আমি আর পিছু ফিরে আসব না"
যদি কখনও শোনো এই আমি আর নেই এই সুনীল ধরায়,
জানি কাঁদবে হয়ে অসহায়,
কিন্তু ভয় পেয়ো না আমি আর পিছু ফিরে আসব না ।
কাক ভোরে অথবা কোনো এক সকালে,
যদি মনে পরে যায় অতীতের কোনো কথা,
এক ফোঁটা হলেও ঝরিও তোমার দুটি চোখের পানি,
না না ভয় পেয়ো না আমি আর পিছু ফিরে আসব না ।
যদি কখনও হাঁটতে হাঁটতে একলা মনে হয় নিজেকে,
চোখ বন্ধ করে ডেকো একটিবার এই আমাকে,
ছাঁয়ার মতো থাকব তোমার প্রতিটি পদক্ষেপে,
ভয় পেয়ো না চিরো কালের মতো তোমার কাছে পিছু ফিরে আমি আসব না।
যদি কখনো মেঘলা আকাশে দেখতে পাও ঐ চাঁদটাকে,
বইছে মাতাল হাওয়া এমন কোনো রাতে,
চাঁদের মাঝে যদি দেখো আমার সেই চেহারা,
একটু মনে করো বলেছিলাম তোমায় এমন কোনো একটি রাতের কথা,
যে রাতে আমার স্মরণে পরবে চোখের পানি হাজার জনের মাঝে থেকেও একলা হবে তুমি যাকে বলে ভীরের মাঝেও একা,
একটু কেঁদো মন খুলে,
না না ভয় পেয়ো না আসব নাকো আমি ।
জানি থাকবে না মনে এই আমাকে,
তোমার প্রথম ভালোবাসা নই আমি।
জানি অনেক ভুল করেছি ক্ষমা করো তুমি।
সত্যি বলছি আর কোনোদিনও ফিরব নাকো আমি।
"পারলে আমায় মনে রেখো আর ভালো থেকো তুমি ।"
শোক প্রকাশ নয়, চাই কঠোর আন্দোলন!
সাভারের রানা টাওয়ারে সংঘটিত ঘটনায় এখন পর্যন্ত দেড় শতাধিক মৃত্যুর ও সাত শতাধিক আহত হওয়া অসংখ্য শ্রমিক কর্মচারী নিখোঁজ থাকার ঘটনায় আজ সারা জাতি গভীরভাবে শোকাহত।
এ জাতি আর কতদিন এভাবে শোক পালন করবে? এ জাতি আর কতকাল নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করবে? এ জাতি আর কত আহত ব্যক্তির দ্রুত আরোগ্য কামনা করবে?
স্পেকটা থেকে এই রানা টাওয়ায় প্রতিটি ঘটনার পর জাতি শোক প্রকাশ করে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত আর আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের কামনা করতে করতে আমরা আজ ক্লান্ত।
তাই আর শোক প্রকাশ নয়, নয় কোন নিহত ব্যক্তির আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া প্রার্থনা বা আহত ব্যক্তির দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য কামনা!
এখন সময় এসেছে প্রতিরোধ করার, এখন সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার। মুখ বুঝে সহ্য না করে এই খুনি আর খুনির দোসরদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আর রুখে দাঁড়িয়ে নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার এখনই সময়!
বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।
বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।
হায় প্রভু তুমি আমাদের কত অসহায় করে সৃষ্টি করেছ। কত মায়ের আহাজারি, বাবাগো একটু বাচাও, কিশোরী বোন সাড়া পৃথিবীর ভাইদের ডেকে ডেকে বলছে আমাকে বাচাও ভাইয়া, আমি বাঁচতে চাই। পাঁচ ছয় ইঞ্চি দূরে বোনটিকে সাড়া পৃথিবীর ভাইয়েরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে বাঁচাতে। আজ যে সে অবহেলিত বলতে গেলে ঘৃনিত ১৫০০ টাকা মাসিক বেতনের গার্মেন্টস শ্রমিক নন। আজ সে মানুষ, সাড়া পৃথিবীর সকল ভাইদের বোন। একজন ভাই হাত নেড়ে নেড়ে বলছে ভাই আর কত সময় লাগবে আমাকে বের করতে। ভাইদের মুখে জবাব নেই। কি জবাব দিবে তারা নিজেরাই যে জানেনা কখন পারবে তাকে তার পরিচিত আলো ঝলমলে নির্মল বাতাসে ফিরিয় আনতে নাকি আর ফিরে আসা হবে না তার পরিচিত ভালবাসার পৃথিবীতে অথবা তার প্রানপ্রিয় আপনজনের কাছে।