ইউজার লগইন
ব্লগ
আস্তিক বা নাস্তিক
আমার অফিসের এক কলিগ সেদিন আমার চেম্বারে ঢুকে অনেকটা ফিস ফিসিয়ে বলল আপনি তো ব্লগ টগে লেখেন একটু সাবধানে থাকবেন যেমন চারদিকে ধর পাকড় আরম্ভ হইছে বলা তো যায় না। আমি তাকে আদর করে আমার সামনের চেয়ারে বসতে বললাম। কারন এ সময় তাদের কোন অবস্থায় চেতানো যাবে না। তার বিদ্যার দৌড় মাদ্রাসায় কয়েক বছর যাওয়া আসা। তাছাড়া আমি কার্য উদ্ধারের জন্য অনেকটা আলু স্বভাবের। যাকে যা মালিশ করলে কাজটা হবে তাকে তাই মালিশ করি। তবে তা কখনই নীতির বাইরে গিয়ে নয়। আমি তাকে বললাম আমি যদি ব্লগে লেখতে পারতাম তবে নিজেকে ধন্য মনে করতাম। তবে আমি বিভিন্ন বিষয়ে লিখি তা তো আপনারা জানেন, বিশেষ করে আপনি।
আমি যে কবিতা লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি হাঁ
আমি যে গল্প লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি, হাঁ,
আমি যে কয়েকটা গান লিখেছি পড়েছেন, জী,হাঁ
তাহলে বলুন তো এ লেখা গুলোই যদি আমি কোন ব্লগে লিখতাম তা হলে আপনার দৃষ্টিতে কি আমি নাস্তিক হয়ে যেতাম। না তা কেন?
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ (পর্ব-4-12)
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ (পর্ব-৪)
--শাশ্বত স্বপন
সিঁদুর কেন আমাকে কবিতা দিল? এডভান্স চিন্তা-ভাবনা করে কোন লাভ নেই। কোন ছেলেকে হয়তো সে ভালবাসে অথবা ভালবাসতে চায় এবং তাকে হয়তো কবিতাটা দেবে। আমাকে দিয়ে হয়তো রিহার্সাল করিয়ে নিচ্ছে। মাথাটা কেন জানি ঘুরছে। বিছানায় কিছুক্ষণ শুয়ে রইলাম। যন্ত্রণাটা কমতেই আবার স্মৃতিতে এলো সেই মেয়েটার ছবি। ভাবতে শুরু করেছি, কেন সে এমন হলো? তার নাম কি? কবে এমন হয়েছে?
রানা প্লাজা ধ্বসে জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন
প্রচুর রক্তের প্রয়োজন... ব্যাগ ব্যাগ রক্ত লাগবে... শয়ে শয়ে আহত আমাদের বোন এবং ভাইয়েরা... দয়া করে যে যেখান থেকে পারেন ... সহায়তা করুন।
৮টি অপারেশন থিয়েটারে প্রায় ১৩০ জন চিকিৎসক আহতদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। আহতদের জন্যে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন। যারা রক্ত দিতে আগ্রহি দয়া করে এনাম মেডিকেল হসপিটালে যোগাযোগ করুন। ...স্থান- এনাম মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, সাভার, ঢাকা।
Victims from the Savar incident are being take to Enam Medical College. They need bags and bags of blood.
PLEASE!!!
Those who can donate......here is the address of Enam Medical College:
9/3, Parboti Nagar, Thana Road, Savar Dhaka, Bangladesh.
Phone: 7743778-82
Mobile: 01718846107
============================
Give Blood Save a Life.
Contact:
Taslima Akhter 01711544544
Enam Medical 01681212777
Tuhin 01923337010
তেতো হয়ে গেছে সব হঠাৎ অসময়!
পোষ্ট লিখতে বসলাম আরেকটা। করার মতোন তেমন কিছু নাই আসলে। তাই লেখতে বসা। কারেন্ট থাকলে ফ্যানের বাতাসে এখন আমার আর কিছুই করতে ভালো লাগে না। দুপুরে থেকে সন্ধ্যা অবধি টানা বই পড়তে পড়তে ভালো লাগছে না। এখন আবার বই নিয়ে বসতে ইচ্ছা নাই। আমার পিসির টেবিল ছাড়া আর টেবিল নাই রুমে। শুয়ে শুয়ে বই পড়লে আমার কেনো জানি বইয়ের প্রতি সিরিয়াসনেস কমে যায়। তাও উপায় নাই গোলাম হোসেন। শুয়ে বসেই পড়ছি। শুয়ে বসে পড়ার আরেক সমস্যা হলো বারবার মোবাইলে ফেসবুক দেখা। ফেসবুক ব্যাপারটা অসহ্য। যদি অনেকের মতো ফেসবুক ছাড়া কাটাতে পারতাম তাহলে দারুন হতো। কিন্তু ফেসবুকে এক মোহে থাকি। আর মানুষের আপডেট জানার অদম্য ইচ্ছা পোষ মানে না। ফেসবুক থেকে সুমনাকে ডিলেট মারছে পুলক। কারন সুমনা ওরে চড়কীর মতো ঘুরাচ্ছে। ডিলেট মারার পর পুলকের মনে হলো আর তো আপডেট জানা যাবে না। এখন বলতেছে শান্ত ভাই ডিলেট ফেরানোর কোনো ওয়ে আছে? আমি বললাম একটা ওয়ে আছে। নতুন একটা চকলেট আসছে নাম এটম। তার ট্যাগ লাইন হলো এটম খাও চাপা পিটাও। আপনি এটম চাবাতে চাবাতে বলবেন সুমনা আমার একাউন্টে কি জানি এক সমস্যা হইছে? অনেকেই ডিলেট কিভাবে জানি?
হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা
কালহ্যা রাইত থাইক্যাই আমার একটাই চিন্তা মাতাডার মইধ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে, আমরার হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা অইয়া গেছুন অহন আমগোর কি অইব। মাইনে আমাগোর সংসদের কিতা অইব। আমারে মিঠামাইনের মাইনষে পাইলে এমন পিডান ডাই না পিডাইব আড্ডি গোড্ডি খুইজ্যা পাওন মুশকিল অইব। এই ব্যডা তর বাড়ি অইছে গ্যা দিনাজপুর আর তুই বেডা এমন কইরা কইলি মনে অয় হের বাড়ি তোর দেশে। আর হারা দেশের পাবলিকে তো পাইলে হাটের মাইরের মতন আন্ধা গোন্ধা মাইর লাগাইব আর কঈব যে, অত গুলা মাইনষের রক্ত আর কত মা বইনের ইজ্জতের দাম দ্যায়া যে সংসদ আমরা আনছি হেইডারে লইয়া তুমি মশকরা কর। কি অইব মানে?
আমি তো রাজনীতি করি না আর এর জন্য যে মেধার দরকার তাও আমার নাই। তবু সময় পেলেই মাঝে মাঝে সংসদ অধিবেশনের চলতি বিবরণী দেখতাম। ঊনার মত মানুষের গুনের বিষয়ে একটি বর্ণ লেখা বা ঊচ্চারন করা আমার পক্ষে শুধু অসম্ভবেই না রিতিমত অন্যায়। শুধু বলব সংসদ অধিবেশন দেখেই ঊনার প্রতি আমার আশক্তি বা দুর্বলতা বলেন এমন পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে যে বিরুধী দলের কেঊ যখন ঊনাকে বাজে কথা বলত তখন অন্তরে খুব ব্যথা পেতাম।
সুন্দরবন
চিরাচরিত নিয়ম অনুসারে সুন্দরবনে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে বিপক্ষে অনেক মতামত বিভাজন তৈরি হইছে। বাঙ্গালিরা নিজের ভালো কোনও দিন বুঝল না। দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দিল না।
যারা এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে তাদের দাবি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের ব্যাপক উন্নতি সাধন করিবে, বহু লোকের কর্মসংস্থান করিবে। আমরা তর তর করে উন্নতির মগডালে উঠিয়া যাইব। তাহাদের যুক্তি হইলো সাভারে তো অনেক শিল্প কারখানা আছে কই তাতে তো ঢাকার কারো দম নিতে আর রমনা পার্কে ঘুরিতে সমস্যা হচ্ছে না, তাইলে বাঘের এত প্রবলেম কি? বিদ্যুতের সুবিধা বঞ্চিত বাঘেরা এখন আধুনিক যুগে প্রবেশ করিবে, তারা ফেবু ইউজ করিবে, টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল দেখিবে। মাননীয় স্পিকার আমি চোদনা হয়ে গেলাম।
অপেক্ষার বৃষ্টি
ঠিক পাঁচটায় ঘুম ভেঙ্গে গেল শান্তনার। প্রতিদিন এই সময়ই ঘুম ভাঙ্গে তার। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা ভারী বরষায়ও। কাকভোরে উঠে তড়িঘড়ি করে ছুটতে হয় কাজে। সংসারে তার আপন বলতে একমাত্র ছোট ভাই অপু। কিশোরী সান্তনা যখন মাত্র প্রাইমারীর গণ্ডি পেরিয়ে হাই স্কুলে প্রবেশ করল তখনই বাবা ওকে ফাঁকি দিয়ে চলে যায়। আর মা, কয়েক বছর ওদের দু ভাই বোনকে আগলে রেখে সেই যে বিছানায় পড়ল, আর উঠলো না। দুই বছর ভোগে, শুধু ভোগে না বলে বলা যায় সবাইকে ভোগায়। তারপর সব শেষ! সেই থেকেই সান্তনার মাথার উপর আর কেউ থাকে না। পাশে থাকে শুধু অপু। ওর জন্য অপু আর অপুর জন্য ও।
এ সব কি জানে চাঁদ
চাঁদ ডুবে গেলে আকাশে..
দুয়ারে ধ্রুবতারা কাঁদে দীর্ঘশাস
চাঁদের সঙ্গে ধ্রুবতারার অভ্র স্বভাব ৷
চাঁদ তার মুখের বুনন পরশে উজ্জ্বল
ধরে রাখে ধ্রুবতারা অনন্ত সুখ
মুখের আদলে যেন চাঁদ
হাসি লেগে থাকে ধ্রুবতারা একরাশ ৷
চাঁদ ডুবে গেলে..
চাঁদ ভালবাসা ঘিরে আকাশ
বেয়ে নাবে আসে দগ্ধ সুখ
চাঁদ ডুবে গেলে কি বিষন্ন ঝড়
ওঠে ধ্রুবতারা মনে
এ সব কি জানে চাঁদ !
শোলার মুকুট পরে সকালে সূর্য্য
জেগে উঠে আসে
রোমশ শুভ্র শরীর নিয়ে তার রোদ আসে
ধ্রুবতারাকে জড়ায়........
উড়ন্ত রোমন্থনে সুগন্ধ লোমশ শরীর
অন্ধকারে
দৃষ্টি আরো অন্ধ হয়ে নিকশে কালো হয়
ধ্রুবতারা
সে হারিয়ে যায়..অসহ্য যন্ত্রনায় সমস্ত
দিনভর ...
এ সব কি জানে চাঁদ !
আকাশ পাড়ায় নাবে শুন্যতা
ধ্রুবতারা কোথায় .......!!
শোনো....অদেখা ধ্রুবর ম্রিয়মান খুশিতে
সুখভঙ্গের ডায়েরী নিয়ে ঘুরে বেড়ায়
রঙিন পাখি.. সবুজ মাছি.. গন্ধ ফলেরা
এ সব কি জানে চাঁদ !
.খবরে প্রকাশ....ধ্রুবতারা আজ চাঁদ
ভালবাসা ছেড়ে নেবেছে পৃথিবীর পথে
মেঘ থেকে মহিলা আঁচল
উড়ে আসে ..ঘিরে নেয় ধ্রুবতারাকে
বজ্র থেকে পুষ্প বৃষ্টি হয়
মহিলা সংগঠনের দরজাতে সমস্ত সুখ
হুদাহুদাই (৭)
বন্ধুদের সাথের যেকোন ট্যুর নিদেন পক্ষে আড্ডাও প্রান ভরে উপভোগ করি! যত সামান্যই কিছু হোক না কেন, একসাথে কাটানো সময়টা কাজ করে ক্লান্তি দূরকারী ঔষধের মতোন, প্রানের উচ্ছ্বাস, কাজের আগ্রহ অকারনেই ফিরে পাই। আমার বন্ধুভাগ্য দারুন! খুব খুবই বিরল ক্ষেত্র ছাড়া আমার কাছেধারে যারাই আসেন প্রত্যেকেই এককথায় চমৎকার মানুষ, তা দেশে কিবা বিদেশেই হোক না কেন। সিডনীতে থাকাকালীন স্বল্পসময়েও আমার ভালো সংখ্যকই বন্ধু জুটেছে, এর মাঝে গ্রেসিটা, মাইকেল, তারান, শাহেদ এদের সাথে তো দিনমান চলতে হতো।
স্ট্যাটিস্টিকস ক্লাশে পাগলা এক টিচার ছিলো, প্রবাবিলিটি বুঝাতে গিয়ে রীতিমত গেম্বলিং এর রোলেট নিয়ে আসতো! এই সময়ে নানান কথায় যখন জানতে পারলো যে কখন যাইনি আগে, মাইকেল কথা দিলো যে ও নিয়ে যাবে সিডনীর সবচেয়ে বড় ক্যাসিনোতে!
স্টার ক্যাসিনো, ডার্লিং হারবার ঘেষে অবস্থান নেয়া অনেক অনেক বিনোদন মূলক সেন্টারের কাছেই আছে সুবিশাল এই বিখ্যাত ক্যাসিনো। প্ল্যান করার সময় যতজন আসার কথা, ইউনুভার্সাল থার্ডহ্যান্ড দেখায়ে অনেকেই এলো না শেষমেষ। ৪/৫জনের দল নিয়েই শুরু হলো আমাদের “সিডনী ডে আউট”।
ন'টা সতেরোর বাসে
একটা ভীড় ভীড় সকাল ছড়িয়ে ছিলো সারাটা বাস জুড়ে।
দেরী হয়ে যাচ্ছে বলে হালকা খিটিমিটি,
দু' টাকার পত্রিকায় পাতা ওল্টানোর খসখস,
পায়ে পাড়া পড়ায় বিরক্তি,
সবকিছুই ছিলো ঠিকঠাক,
অন্য দিনের মতোই।
আলতোভাবে চোখে লেগে থাকা ঘুমের গন্ধটাও যাবো যাবো করছিলো।
তুমি নেমে গেলে বাস থেকে,
একটানে সবটা সকাল কেড়ে নিয়ে ভীড় থেকে
ন'টা সতেরোর বাসে
অকাল দুপুর ছুটে এলো হুড়মুড়,
হঠাৎই বড় বেশী রোবটিক সবকিছু।
এক স্টপেজ পরেই নামতে হবে প্রতিদিনের অফিস।
শুধু ন'টা সতেরোর বাস,
একটা সকালকে আলাদা করে দিলো অনেকগুলো বছর থেকে...
মনের অতল গভীরে জলের গান!
চারিদিকে অশান্তি আর অশান্তির রাজ্য। পারসোনালী অনেকের মনে হয়তো শান্তি থাকতে পারে কিন্তু আমি কারো মুখেই শান্তির ছবি দেখি না। এক ফোটা সস্তিও নাই কারো ভিতরে। অনেক আগে মানুষ মুখে শুনতাম শান্তির মা মইরা গেছে। এখন দেখি শান্তির মা বাপ তো দূরে থাক, জেনারেশন সহই এখন গায়েব। আগামী দিন গুলোতে মানুষ শান্তির নামও কেউ মনেও রাখবেনা। এমনিতেই আমি নিজেই বিষন্ন বিলাসে আক্রান্ত থাকি সব সময়। এখন চারিপাশে মানুষদের দেখি এতো বেশী অস্থির আর অশান্তির বেদনাক্লিষ্ট মুখ অবাক হই। যদিও আমরা সবাই যে যেভাবেই থাকি নিজেরে সুখী প্রমান করতে ভালোবাসি। জাতি হিসেবেই এইটা আমাদের একটা বিশাল গুন। এই গুনের বিপরীতে আমার অবস্থান। কারন নিজেরে সুখী প্রমান করার ভেতরে কোনো সস্তি নাই। এইটা এক ধরনের ফাকি। এইসব ফাকিবাজী জীবন ফিলোসোফী আমার ধাতে সয় না। আমার ভালো লাগতেছে না তা আমি জানাবো সাহস করে। এই সাহসই যদি না থাকে তাহলে বেচে লাভ কি? কারো মন রক্ষার জন্য ভালো থাকার অভিনয় করতে আমার ভালো লাগে না। প্রতিদিন আম্মু যখন ফোন দেয় জিগেষ করে কেমন আছোস?
বিরিশিরি ভ্রমন : কুমুদিনী হাজং এর সাথে সাক্ষাত
দুই একজন কে জিজ্ঞাস করলাম কিন্তু বলল চিনেনা। তবে একজন মধ্য বয়স্ক বাঙালি চিনলেন। তিনি রিক্সা চালকদের বলে দিলেন কুমুদিনী হাজং এর বাড়ির কিভাবে পৌছান যাবে। ধন্যবাদ দিয়ে চললাম ওনার নির্দেশিত পথে।
কুমুদিনী হাজং টংক আন্দোলনের নেত্রী। এটা ছিল ১৯৪৬-৫০ সাল এ নেত্রকোনা অঞ্চলের কৃষকদের পরিচালিত একটিআন্দোলন। টংক প্রথা হলো উৎপন্ন ফসল দ্বারা জমিদারদের খাজনা পরিশোধ করা। যেটা টাকায় খাজনা পরিশোধের চেয়ে বেশি ছিল। হাজং সম্প্রদায় এ ব্যাবস্থায় দিনে দিনে নিঃস্ব হয়ে পরে। এ সময় সুসং দুর্গাপুরের জমিদারদের ভাগ্নে কমিউনিস্ট নেতা কমরেড মনি সিংহ-এর নেতৃত্বে ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে টংক প্রথা উচ্ছেদ, টংক জমির খাজনা স্বত্ব, জোত স্বত্ব, নিরিখ মতো টংক জমির খাজনা ধার্য, বকেয়া টংক মওকুফ, জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ ইত্যাদি দাবি নিয়ে টংক আন্দোলন শুরু হয়। হাজং সম্প্রদায় নিজেদের স্বার্থেই টংক আন্দোলনের সংগে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছিল। সে সূত্রেই কুমুদিনী হাজং এর স্বামী লংকেশ্বর হাজং ও তাঁর তিন ভাই টংক আন্দোলনের সংগে জড়িয়ে পড়েন।
পানির উৎস রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
বাংলাদেশে সুপেয় পানির অফুরন্ত সম্ভাবনা নদীনালা, খাল-বিল, পুকুরসহ সবরকম জলাশয় দখল ও দূষণের কারণে পানির আধার ধ্বংস হয়ে পানি সঙ্কট বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া জলাশয় দখল ও দূষণের শিকার হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। পানির উৎস দখল ও দূষণ রোধসহ পরিবেশ উন্নয়নে সবাই যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখলেই জলাধার দূষণ ও দখল রোধ করা সম্ভব।
জলাধার দখল ও দূষণরোধসহ পরিবেশ রক্ষায় জরিমানা আদায়, শাস্তি প্রদান করে কখনো পরিবেশ উন্নয়ন সম্ভব নয়। সবার মধ্যে যদি দায়বদ্ধতা, দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলা যায় তবেই পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কোন উন্নয়ন বা অবকাঠামোমূলক প্রকল্প যেন পরিবেশ বিধ্বংসী কোন কার্যক্রম পরিচালনা না করে সেজন্য তাদের দায়বদ্ধ করে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ আইনের অধীন ৬৪টি জেলায় পরিবেশ আদালত গঠিত হয়েছে। এ আদালতগুলো সক্রিয় করতে নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে সহযোগিতা করতে হবে।
বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৫
আমার কিশোর ভাই, প্রিয় ছিল স্বাধীনতা
শ্লোগানে উত্তাল হোত খুব। দর্পিত বাতাস
তাকে ডাক দিল, স্টেনগানে বাজাল সংগীত
বিরোধী বন্দুক থেকে একটি নিপুণ গুলি
বিদ্ধ তারে করে গেছে, ছিন্ন কুমুদের
শোভা দেহ তার পড়েছিল? জানি না কিসব
ঘাস জন্ম নেবে তার শয়নের চারপাশে,...
বিরোধী গুলির ক্ষতে যখন সুস্থির শুয়ে
আকাশের নীচে, চোখে তার বিস্মিত আকাশ
মানবিক সত্যরীতি, বঙ্গদেশ সুখের বাগান।
কবিতাটি লিখেছিলেন কবি হুমায়ুন কবির, তাঁর ছোট ভাই ফিরোজ কবিরকে নিয়ে। তাঁর কিশোর ভাইটি বরিশালে ১৯৭১ সালে আগস্ট মাসে পাক সেনাদের হাতে ধরা পড়েছিলেন। ১৮ আগস্ট বরিশালে ব্যাপ্টিস্ট মিশন সংলগ্ন খালপাড়ে দাঁড় করিয়ে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের একটি বড় কাজ মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস। স্বরূপকাঠি গণপতিকাঠি গ্রামের শোভারাণী মন্ডল সরাসরি যুদ্ধ করেছিলেন। তাঁরও একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল।
প্র: আপনি যে দু’টো মুক্তিযোদ্ধা গ্রুপে অংশগ্রহণ করেছিলেন সেই দু’টো গ্রুপের উচ্চ পর্যায়ে অর্থাৎ লিডিং পর্যায়ে কারা ছিলেন ?
পিকাসোর নায়ীকারা ও একজন সজিব মাহফুজ।
তোমার লেখা প্রথম কবিতা পড়ে
মুগ্ধ, অভিভুত হয়েছিলাম।
তাও খুঁত বের করে টক জাল মিষ্টি নয়
ভীষন তিতা মন্তব্য করেছিলাম।
প্রস্তুতি নিয়েছিলাম আসন্ন আক্রমনের
কিন্তু না তুমি এলে যা ভেবেছিলাম তার
ঊল্টোটা নিয়ে,
হয়ে গেলাম তোমার লেখার অন্ধ ভক্ত।
গোগ্রাসে পড়তাম তোমার কবিতা
তোমার লেখা পিকাসোর নায়িকারা পড়তাম আর ভাবতাম
নিজের মত করে, নিজের নায়িকাদের মত করে ভাবতাম।
কি আশ্চর্য তোমার কবিতায় তুমি যে Photo caption গুলো দিতে
ঘুমের আড়ালে তারা হুবহু আমার কাছে আসত।
আমি কত দেশ মহাদেশ, কল্পনার সকল স্থানে
তাদের নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি।
কিন্তু তুমি কোথায়?
কোথায় হারিয়ে গেলে তুমি
আমি তোমায় অনেক খুজেছি
অমিয় রহমান,পিয়াল, অনিমেষ রহমান
আর কত জনকে পুঁছেছি।
কেউ তোমার কথা বলল না।
আমি তো তোমাকে চিনতেও পাড়ব না।
তোমার ছবিটা তো ছবি ছিল না।
ছিল একটা camouflage বা ছদ্মবেশ।
আমি তোমাকে বহুবার বলেছি
যার লেখা এত সুন্দর সে কেন ছদ্মবেশ ধারন করবে।
নাকি খ্যাতির বিড়ম্বনা, হতে বাঁচার জন্য।
তুমি শুধু চুপ থাকতে।
জান, সজীব, তুমি আমাকে ভাঈয়া বলতে,
আমার কানে আজও সে আওয়াজ ভেশে আসে।