ইউজার লগইন
ব্লগ
অবরুদ্ধ কণ্ঠ-২ (যুদ্ধ পর্ব)
একটা সময় পার করলাম, বলা টা হয়তো ঠিক না। কিছুটা পথ অতিক্রম করলাম। এই পথ নতুন, এই পথে হাটার ধরন নতুন। সামাজিক ভাবে অছ্যুত এই পথ। নিয়তি যখন আমাকে এই পথের ধারে এনে দাড় করিয়ে দিল, আমি জেনে গেলাম এর কোন বিকল্প নেই, এই পথের কারনে পরিচিত অনেক বন্ধু বা আত্মিয় ই গায়েব হয়ে গেল নিমিষে। অনেকে থেকে গেল। অনেকে নতুন যোগ হল।
এই নতুন মুখ বা আধা পরিচিত মুখ যারা এই পঙ্কিল দুর্গম পথে আমার পাশে রাসেল এর জন্য এসে দাঁড়ালেন তাদের মাঝে প্রথম ফোন টা আমি পাই ফিরোজ ভাই এর কাছ থেকে। আমি তখন ও কোর্টে এ পৌছাই নি। কল পেয়ে ও তাকে না দেখা পর্যন্ত আমি বুঝতে পারিনি এটা সংহতির ফিরোজ ভাই।কেম্ন করে যেন সে এই পুরো পথটা ই আগলে রেখেছে আমাদের। সে ই পরিচয় করিয়ে দিল কিছু "মানুষের" সাথে।
বাংলাদেশের সর্বোবৃহৎ পেপার লাইব্রেরী
সংবাদ!
সংবাদ!
সংবাদ!
আমি একটি ওয়েব সাইটের সংবাদ পেয়েছি। এখানে বাংলাদেশের সমস্ত পত্রিকার ওয়েব এড্রেস রয়েছে। আপনি খুব সহজেই এখান থেকে বাংলাদেশের সব দৈনিক পত্রিকার ইন্টারনেট সাইটে যেতে পারবেন। আমার মনে হয়, এটা বাংলাদেশের সর্বোবৃহৎ পেপার লাইব্রেরী। আমি নিচে ওয়েব সাইটটির এড্রেস দিলাম। বন্ধুরা, ইচ্ছা হলে তোমরা দেখে নিতে পারো_
সংবাদ!
সংবাদ!
সংবাদ!
আমি একটি ওয়েব সাইটের সংবাদ পেয়েছি। এখানে বাংলাদেশের সমস্ত পত্রিকার ওয়েব এড্রেস রয়েছে। আপনি খুব সহজেই এখান থেকে বাংলাদেশের সব দৈনিক পত্রিকার ইন্টারনেট সাইটে যেতে পারবেন। আমার মনে হয়, এটা বাংলাদেশের সর্বোবৃহৎ পেপার লাইব্রেরী। আমি নিচে ওয়েব সাইটটির এড্রেস দিলাম। বন্ধুরা, ইচ্ছা হলে তোমরা দেখে নিতে পারো_
ব্লগারদের আন্দোলন - ব্লগারদের কাদা ছুড়াছুড়ি : তবুও শাহবাগ জেগে থাকবে
আজকের যে কাদা ছুড়াছুড়ি চলতেছে তার প্রধান দায় আইজুর(দুই বা ততোধীক ব্যক্তির নিক. সে-ই শাহবাগ নিয়ে কাদা ছুড়াছুড়ি শুরু করেছে প্রথম--
শাহবাগ মাঠা কর্মসূচি, ইমরান ব্লকার না, পাঞ্জাবি পড়ে, হাস্যকর কর্মসূচী দেয়, সাহস থাকলে শিবিরের মিছিল মোকাবেলা করেন, পুলিশ প্রহরায় এইসব মাঠা কর্মসূচি সবাই পারে, আওয়ামী মিডিয়া সেলের নিয়ন্ত্রক, আমি শাহবাগকে দুর্বল নেতৃত্বছাড়া করতে চাইছি, তিন ভাঁড়ে ডিসিশান দেয়, ইমরান আর কন্ডম একই কথা, পাঞ্জাবির হিসাব দেও, সাভার ট্রাজেডিতে প্রজন্ম চত্ত্বর এত মাতামাতি করছে কেন, সব শেষে সাভার ট্রাজেডিতে টাকার হিসাব চাওয়া।
একটা আন্দোলনকে দুর্বল করতে হলে মুখপাত্রকে হেয় করতে হয়। এইটা শাখামৃগের ভাল জানা আছে। বার বার বলা হচ্ছিল ইমরান হল মাইক। সবাই মিলে ডিসিশান নেয়ার পর একটা মাইক দিয়ে প্রচার করতে হয়। একজনকে মাইক হিসেবে মেনে নিতেই হবে। তাই ইমরান ওখানে। যারা শাহবাগ আন্দোলন সংশ্লিষ্ট তারাই এই ডিসিশান নিছে যে ইমরানই মুখপাত্র হবে।
আমি ঝড় আঁকতে পারি না তবুও ঝড় বয়ে যায়/ আমার উঠোনে আমার আঙ্গিনায়!
পোস্ট দেই না কয়েকদিন যাবত। লেখতে পারি অনেক কিছু নিয়েই কিন্তু লেখি না। ভালো লাগে না আর এই অযথা দিনলিপি লিখে বেড়াতে। আবার লিখতেও মন চায় খুব। এক নাগাড়ে বানান ভুল আর যতি চিন্হে গড়বড় লেখাগুলো লিখে ফেলার পর এক ধরনের মানসিক শান্তি খুজে পাওয়া যায়। কেউ কেউ পড়ে তা যখন ভালো মন্দ বলে তা শুনে অনুপ্রেরনা পাই লেখার। কিন্তু ইদানিং আর লেখতে ইচ্ছা করে না। আবার অমুক বই পড়ে তমুক সিনেমা শেষে কিংবা অযথাই গতানুগতিক আলস্যের একটা দিন কাটিয়ে মনে হয় লিখে ফালাই কিছু। কিন্তু লেখা আর হয়ে উঠে না। ব্লগে এখন অনেক নতুন নতুন ব্লগার তাদের নানান লেখা পড়তে ভালোই লাগে। তখনো মনে হয় লিখে ফালাই কিন্তু আর পারি না। লিখছি না এইটা তেমন কোনো সমস্যাও না। তবে তার সাথে সাথে পড়ছিও না। বাসায় এতো বই অপঠিত হয়ে এখনো পড়ে আছে ভাবলেই মেজাজ খারাপ লাগে। তবে পড়ে ফেলবো সামনেই হয়তো এই আশাতেই দিন কাটাই। বই পড়ার চেয়ে উত্তম কিছু নাই। লেখার ইচ্ছা ছিলো সিনেমা নিয়ে। তাও ইচ্ছা করতেছেনা এখন। অনেক সিনেমা দেখে ফেললাম এরই মাঝে। তবে আমার খুব ইচ্ছা হিন্দী ছবি নিয়ে লেখার। তাই অসাধারন মামাকে বলে মামার অফিসের ব্রডব্যান্ড থেকে হিন্দী ছবি নামাচ্ছি নতুন নতুন। হলিউড
৫মে গুম হওয়া লাশ
৫মে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরনীয় দিন। এদিন যেমন অনেক ঘটনা ঘটেছে, তেমনি এ দিনকে কেন্দ্র করে আরও অনেক কিছু ঘটে যেতে পাতো। তাই এ দিনটিকে নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। আমি নতুন করে আর তেমন কিছুই লিখতে চাই না, আবার একটু লিখতেও ইচ্ছে করে। তাই এ লেখা।
ক্রাইম...


ছোট চাচা (পর্ব-২য়) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।
আব্বার ঘুম ভেংগেছে কিছুক্ষন আগে। চাচার চিৎকার শুনে হুড়মুড়িয়ে উঠে দরজা খুলে গেঁটের মুখে চাচাকে অজ্ঞান পড়ে থাকতে দেখে আব্বাও তত জোরে ভাইয়াকে ডাক দিলেন। এক চিৎকারে বাড়ির সকলে জেগে উঠলেন। চাচাকে ধরাধরি করে উঠানের চৌকিতে শুইয়ে চোখ মুখে পানির ঝাপ্টা দিতে লাগলেন। ইতিমধ্যে পাশের বাড়ীর সবাই এসে উপস্থিত হলেন। বড় চাচাও এসে হাজির হলেন। উনিও আলেম মানুষ। ছোট চাচার সাড়া শরীর কাঁদা পানিতে মাখামাখি, তাতে বড় চাচার মনে কেমন জানি সন্দেহ হল। বড় চাচা ছোট চাচার কানের কাছে মুখ নিয়ে আস্তে করে ডাকলেন শামছুল উঠ কি হয়েছে তোর। আর মা, বড় আপা দাদি বিরামহীন মাথায় পানি ঢেলে যেতে লাগলেন। এটাই যেন গ্রামাঞ্চলের চিকিৎসা। জর, হউক বা কেউ অজ্ঞান হউক মাথায় আচ্ছা করে পানি ঢাল নয়তো স্যালাইন দাও। যাক চাচার জ্ঞান ফিরতে তেমন সময় লাগলো না। বড় চাচা ও বাড়ীর সবার বার বার জেড়ার মুখেও ছোট চাচা একটি কথা বললেন না। বড় চাচা কিছু দোয়া দুরুদ পড়ে একটি তাবিজ গলায় পড়িয়ে দিয়ে উনাকে গোসল করানোর জন্য বড় ভাইয়াকে হুকুম দিয়ে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন।
আমাদের গল্প
দীর্ঘ ৪ সপ্তাহ পর আমার মেয়ের সাথে আমার দেখা হওয়াটা খুব বেশী আনন্দময় অভিজ্ঞতা ছিলো না। জেলের নিয়মে সপ্তাহে এক দিন নির্দিষ্ট সময়ে নাপিত এসে চুল-দাড়ি পরিচর্যা করে, যেকোনো কারণেই হোক গত ৪ সপ্তাহে আয়নায় মুখ না দেখায় নিজের চেহারা বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা আমার ছিলো না।
হাসপাতালে এসে প্রথমবারের মতো আয়নায় মুখ দেখে মনে হলো নিজের অপরিচিত একটা মুখোশ এঁটে আছি, ব্লেড-রেজরের বিষয়ে এক ধরণের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা এখানে আছে, বিক্ষুব্ধ, অপমানিত, নির্যতিত এবং বঞ্চনার শিকার কারাবন্দীদের অনেকেই নিজস্ব অপমানবোধ কমাতে হয়তো হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করে ফেলতে পারে সংশয় থেকে বন্দীদের এসব দেওয়ার নিয়ম নেই।
সেই দুশ্চিন্তাক্লিষ্ট, বিষাদগ্রস্ত অপরিচিতের মুখোশ নিয়ে আমি আমার ২০ মাস বয়সী মেয়েকে দেখলাম ৪ সপ্তাহ পরে, যার সাথে আমার সম্পর্ক শব্দে, স্পর্শ্বে, গন্ধে এবং চাক্ষুষ গড়ে উঠেছে কিন্তু স্মৃতি নির্মাণের সুযোগ এখনও তৈরি হয় নি।
শেষ বেলার গল্প
ওল্ডহোমের উপর ভিত্তি করে অনেক গল্প, নাটক ও গান হয়েছে। এটিও খুব সাধারণ একটি গল্প। কাছের একজন মানুষের একাডেমিক কাজের অংশ হিসেবে খুবই স্বল্প পরিসরে ওল্ডহোমের উপর একটি মুভি তৈরির জন্য একটি গল্প প্রয়োজন ছিল, তার অনুরোধেই এই প্রচেষ্টা। আমাকে বলা হয়েছিল পজেটিভ ফিনিসিং হতে হবে তবে ড্রামাটিক কোন কারণে নয়, স্বাভাবিক নিয়মেই। আমি চেষ্টা করেছি সেভাবেই লিখতে, সবার সাথে শেয়ার করার জন্য আজ ব্লগে দিলাম।
আকাশটা যেন ভেঙ্গে পড়েছে আজ। পূব আকাশ কালো করে সেই যে একটানা শুরু হয়েছে আর থামাথামি নেই। দুপুরের পর থেকে তৈরি হয়ে বসে আছে রওশন আরা। আজ সে তার নতুন বাসায় যাবে। নতুন একটা ঠিকানা পেতে যাচ্ছে সে, যেখানে তাকে অভ্যর্থনা করার জন্য অপেক্ষা করে আছে অনেক মানুষ! আজ থেকে সে আর একা নয়, সে হবে অনেকের একজন! একাটা বিশাল পরিবারের একজন! একা একা থাকতে কি কারো ভাল লাগে! কথা বলার, গল্প করার কেউ নেই। সারাদিন মনমরা হয়ে বসে থাকতে থাকতে দিন দিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিল সে। আজ থেকে তার সাথে কথা বলার জন্য থাকবে কত লোক! সব তারই বয়সী। কত সুখ দুঃখের গল্প করতে পারবে, আনন্দ বেদনা সেয়ার করতে পারবে! এর চেয়ে বেশী আর কি চাই!
দুর্ভাগ্যের পাগলা কুকুর
কী জানি কোন রাশি নিয়া বর্তমান বছরটা এসেছে। কোথাও কোন সান্তি নেই। এই ২০১৩ সালে সরকারের মেয়াদ শেষ। এটা সরকারী তথা আওয়ামীলীগের জন্য একটা দুঃখের সংবাদ। আবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে, সেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হালি মারদাঙ্গা যুদ্ধাপরাধীর রায় হয়েছে। আরো অনেক বাঘা বাঘা রাজাকার বিচারাধীন আছে। এটা জামাত-শিবিরের জন্য একটা দুঃসংবাদ। গার্মেন্টেস এ বিক্ষোভ এবং তাজরীন, রানাপ্লাজার মত প্রানহানীর ঘটনা গার্মেন্টস মালিকদের জন্য চিন্তার বিষয়। সাথে সাথে ভাবিয়ে তুলছে ঢাকা শহরের ভবনমালিকদের যারা ৫তলা ফাউন্ডেশনের উপর ১০তলা বানিয়েছে। এবার যাই সরকার বিরোধী আন্দোলনের দিকে।প্রধান বিরোধী দল শুধু হরতাল আর হরতাল ডেকেই যাচ্ছে। কিন্তু কোন হরতালই সফল হয় না। বিরোধী দল হরতাল ডাকলেই একটা না একটা ভ্যাজাল লেগেই থাকে। হরতালের সময় রানাপ্লাজা ধ্বংস, ফলে হরতাল উড্ডু করতে হল, এখন আবার হরতাল ডাকল, আবার আসছে মহাসেন, হরতাল তুলে নিতে হল। এগুলি বিরোধী দলের জন্য বরই কষ্টের বিষয়। আসলে বেআক্কেলের মত হরতাল ডাকলে এভাবেই আক্কেল হয়। জামাত শিবির কোন কর্মসুচী দিতে পারে না শুধু হরতাল ছাড়া। হরতাল ওদের নেশা আর গাড়ী ভাংচুর , জা
কোথায়
প্রিয় মীর,
কোথায় আপনে ? হন্য হয়ে প্রতিদিন খুঁজি । প্লিজ মীর ! এ বি'র দোহাই লাগে ! এ বি লিভ করবেননা ! হৃদয় দিয়ে আপনার অনুপস্থিতি অনুধাবন করছি !
আমি জানি আমার কোন মন্তব্য আপনার বিরক্তির উদ্রেক করেছে । আমি এও বিশ্বাস করি ভিন্ন মতের প্রতি সহমত না হলেও মীর যথেষ্ট সহণশীল । কিন্তু আমি বুঝতে পাইনা মীর কেন দীর্ঘদিন প্রিয় ব্লগ ছেড়ে !
ব্লগার ভাইদের আটকে আমরা সবাই আহত । এ ক্ষেত্রে জাগরণ মন্চের ভুমিকাও আশাপ্রদ নয় । সাভারের ভবন ধ্বসে মানুষ হত্যা, জামাত-শিবির-হেফাজতের তান্ডব, পুলিশি অ্যাকশন, মানুষের প্রাণহানি, সবতাতে রাজনীতিকদের নাক গলানো এবং রাজনীতির রং ছড়িয়ে সুবিদা হাতানোর মরিয়া চেষ্টা ইত্যাকার নানা কারণে মানুষ দারুণ হতাশ । আর ঠিক এসময়ে মীরের মতো উদ্দীপ্ত তারুণ্য যদি পিছিয়ে পড়তে চায় সেটা হবে সবার ব্যর্থতা । আমি আশা করি আমরা সেটা হতে দেবোনা । মীর, এজ আই হোপ, অবশ্যই ফিরে আসবেন, লিখবেন...লিখবেন... এবং লিখবেন !
কি অদ্ভুত!
কি অদ্ভুত আমাদের এই দেশ! গনতন্ত্র, গনতন্ত্র আর গনতন্ত্র বলে আমরা গলা ফাটাই। জনগন সকল ক্ষমতার উৎস। আর জনগনের এই ক্ষমতা, মানে আমাদের একটি অ¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬¬----মুল্যবান (“অ” এজন্য যে নির্বাচন হয়ে গেলে আমাদের ভোটের আর কোন মুল্য থাকে না) ভোট দিয়ে আমরা আমাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করি। নির্বাচনের আগে কত্ত প্রতিশ্রুতি দিয়ে গলা ফাটিয়ে মাইকে ঘোষনা দেয়---আমরা সংসদে গেলে আপনাদের জন্য এটা করব, ওটা করব, হান করব, তান করব ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু দেখেন, যাদের কে আমরা সংসদে পাঠালাম তারা এখন সংসদে যায় না। এখন তাদের কাছে রাস্তা হল সংসদ। আর সংসদ??????? দীর্ঘ ৭৭ দিন আমাদের এই নেতারা সংসদে যায় না। ৯০ দিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ পাতিল হবে। আগামী ৩ জুন সংসদে বাজেট অধিবেশন বসবে। তাই তারা এখন তাদের সদস্য পদ বাচিয়ে রাখার জন্য সংসদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর সদস্যপদ বাচিয়ে না রাখলে তো তারা বেতন-ভাতা, সম্মানী পাবে না। সংসদে গেলে তো তারা সম্মানী পাবে কিন্তু যারা সকল ক্ষমতার উৎস, এই জনগন, তারা কি পাবে?
বুয়েটের বাপ(পর্ব-২)
বুয়েটের বাপের কাহানি বলার আগে চল দেখি আমাদের ফ্যামিলি গেট টুগেদারের কি হল। এক এক করে চঞ্চল, প্রিন্স, জহির, লেবু, মিজান (ঠাকুর মিজান), জামিল, আফজল মামু বউ বাচ্চাসহ আগে যারা ছিলাম তাদের সাথে এসে হাজির হল। আমার বাচ্চাদের পরদিন পরীক্ষা থাকায় মেরিট ব্যাচেলর হিসেবে উপস্থিত হলাম। না হয়ে উপায় ছিল না, কারন আমি যে হোষ্টের খাতায় নাম লিখিয়েছি। তবে এমন হতভাগা আমি শুধু একা না, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টর ইকবাল ও মুহিত কাকুর ভাতিজা শুভ কিবরিয়াও আমার মত একাকি এসে আমার মনবল বাড়িয়ে দিলেন। মাস্টর ইকবাল আমাকে সুযোগ পেলেই বাঁশ দিতে ছাড়েন না, তারপরও কেন জানি ও না আসলে আমার কাছে যে কোন গেট টুগেদার পানসে পানসে লাগে।
আসলে আমার মা নেই আজ
আসলে আমার মা নেই আজ 22বছর মা জে কি জিনিশ তা সুদু আমি যানি কারন যার মা নাই তার এই পুথিবিতে কোনো মুলো নাই তার পমান আমি নিজে আমার মা যখন মারা যায় তখন আমার বসয় মাএ চার বসর তার পর বাবা আবার বিয়ে করলো আমাদের দিকে তাকিয়ে কারন আমরা ছিলাম ছোট তাই আমার মামা রা ওনাকে বিয়ে করেছিলো তার পর আর কোনো শুখ বা আনদো আজও আমার কপালে মিলেনি তার পর বাবা 2005 মারা যায় এর পর আমার জীবনে কি আর আছে বাকী তাইনা কারন যার মা ও বাবা নাই সে বুজে আসলে পূথিবি কি জিনিশ সুদু আছে গূনা আর সুদু অবহেলা এ চারা আর কিছু নাই আমার জীবন অনেক কষ্টে জীবন আসলে আমি আজ ভাবলাম অনেক কথা লিখবো কিন্তু সময় অভাবে লিখতে পারিনা কারন কথায় বলে না জে গরিবের শান্তি নাই তাও আমার টা ঠিক তেমন