ইউজার লগইন
ব্লগ
নির্বাণের পথে
১.
এখন সকাল, এখানে সকাল
মেঘলা সকাল, মাটি ভেজা ভেজা গন্ধ,
তোমার আকাশে কতো তারা ভাসে
তুমি দেখোনাতো তোমার জানালা বন্ধ।
কিছু একটা করবো করবো করে প্রায় পুরো জীবনটা পার করে দিলাম, অথচ এখন পর্যন্ত কিছুই করলাম না। করতে পারলাম না কথাটা লিখতে গিয়েও লিখলাম না, কেননা সেভাবে চেষ্টাও করি নি কখনও। আবার উল্টোটাও সত্য, বেঁচে থাকা মানেই তো নিরন্তর সংগ্রাম করে যাওয়া। তার মানে চেষ্টা যে করি নি, তাও তো না।
২.
তোমার চিঠি কালকে পেয়েছি
ক'হাজার মাইল পেরিয়ে এসেছে
তোমার কথার ছন্দ,
একা একা রাত কাটানো কবরে
কুয়াশা জড়ানো ভোরের খবরে
পাওয়া না পাওয়ার দ্বন্দ।
সত্যিই সে ভালবাসে
আমি একটা ছেলেকে চিনি। ছোটবেলায় তাকে আমাদের বাসার চারপাশে একটু বেশিই দেখা যেত। কারণ সে আমার মেজো আপাকে ভীষণ ভালবাসত। আমার এই আপা খুবই সুন্দর ছিল বলে তাকে অনেক ছেলেরাই ভালবাসত। আর আমার বড় আপার কাজ ছিল সে ছেলেদের কাছ থেকে ছোট বোনকে বাঁচানো। তবে সে ছেলেটা ছিল আলাদা। আমার বোন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় তার কাছ থেকে প্রথম চিঠি পায়। আর সে ছিল তখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। ( আজকাল এই বয়সে প্রেম করা স্বাভাবিক হলেও ১৭ বছর আগে স্বাভাবিক ছিল না) ওদের আসল বাড়ি ছিল অন্য বিভাগে। কোন একটা কারণে সে তার বাবা মা'র সাথে থাকত না । খালার বাসায় থাকত।
জাগতিক
লিটনের পজিটিভ দিক ছিল মাত্র একটা। সেটা হলো যেকোন নেশা থেকে মুক্ত হতে তার সময় লাগে না।
সে আমার বন্ধু ছিল
আজ থেকে প্রায় ১০-১১ বছর আগের কথা। জনকণ্ঠ পত্রিকাতে একটা জায়গায় অনেকেই বন্ধু হতে চেয়ে একটা লাইন আর নিজের ফোন নম্বরটা দিত। তখন, একটা ছেলে , নাম তন্ময়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, সে লিখেছিল যে , "সুন্দর মনের না , সুন্দর চেহারার বন্ধু চাই"। আমার মেজো আপা এটা দেখে রেগে দোকান থেকে ফোন দিলেন বকবেন বলে। ফোন ধরেছিল, আপা একটু বকা দিতেই ছেলেটা বলেছিল দয়া করে যেন তার কথাটা শুনে। কারন সকাল থেকে সে অনেক বকা শুনেছে। পরে ঘটনা যা ছিল তা হল, তাদের বন্ধুদের গ্রুপের একটা মেয়ে তাকে প্রেমের অফার দিলে সবাই মিলে সেই মেয়েকে অপমান করে এবং বন্ধুদের গ্রুপ থেকে তাকে বাদ দিয়ে দেয়। তাই প্রতিশোধ নিতে সে এই কাজটা করেছে। আমার বোন সরি বলে, বাসার ফোন নম্বরটা দিয়ে আসে। বোন হোস্টেলে চলে যাওয়ার সময় আমাকে বলে যায় তন্ময় হয়ত ফোন দিতে পারে।আমি অপেক্ষায় ছিলাম। নতুন মোবাইলের সেই সময়টাতে ফোনে কথা বলতে দারুণ মজা লাগত
ভবের বেড়ি পায়ে জড়ানো
১.
বছরের প্রথম দিনটাকে ফ্রেশ আর ঝামেলামুক্ত রাখার তাড়না থেকে মনে হয় সবার মধ্যেই এক ধরনের হালকা উত্তেজনা কাজ করে। এর পেছনে কি কোনো বিশেষ কারণ আছে? পহেলা জানুয়ারি কি ক্যালেন্ডারের অন্য সব দিনগুলোর মতোই আরেকটা দিন নয়? যদি না সেদিনের সাথে কোনো বিশেষ স্মৃতি জড়িয়ে থাকে?
২.
রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডের রায়- ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ
রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আজ। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাজীব হায়দারের বাবা জানিয়েছেন “ আমি ন্যায়বিচার পাইনি। আমি হতাশ।” সকল আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি ( ফাঁসী কিংবা যাবজ্জীবন) না হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের অপরাধের ভয়াবহতা আদালত যথাযথ উপলব্ধি করেন নি, আদালত নমনীয় রায় দিয়েছে।
হোয়াইট সান্টা আর ব্ল্যাক পিটের গল্পটি
উত্তর আমেরিকার সান্টা ক্লজের ওলন্দাজ রূপটি হলো ‘সিন্ট নিকোলাস’ বা ‘সিন্টারক্লাশ’। যদিও আজকাল আমেরিকার দখলে সান্টা ক্লজ কিন্তু সান্টা ক্লজের আদি দাবিদার কিন্তু ওলন্দাজরা। বলা হয়ে থাকে, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সমসাময়িক কাল থেকে, নিউ ইয়র্কের ওলন্দাজ কলোনিতে (নিউ আমর্স্টাডামে) বসবাসকারী অভিবাসী ওলন্দাজ নাগরিকরা সেখানে এই রীতিটির পালন পুনরায় শুরু করেছিলেন। আজকের এই আনন্দময় রীতিটির পেছনের গল্পটিই এখানে বলব। কেমন করে সান্টা সব বাচ্চাদের আপন হলো।
বর্তমানের ভাবনা ১
হঠাৎ করেই সমাজে জঙ্গীবাদ, পরধর্মঅসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি বিস্তৃত হয় না। মানববৈরী মানসিকতা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা পেতে দীর্ঘ প্রস্তুতিকালীন সময়ের প্রয়োজন হয়।
ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবোধ উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান স্বর ছিলো। আমরা অন্তত ৫ প্রজন্ম ধরে অমুসলিম প্রতিবেশীদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতির চর্চা করেছি। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অন্যতম প্রতিবন্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করেছি তাদের, তাদের শিক্ষানুরাগ, তাদের কৃষ্টিলগ্নতা আমাদের ঘৃণা উস্কে দিয়েছে।
গ্রে-ক্লাউড
গ্রে-ক্লাউড আমার রাউটারের নাম। খুব কাজের জিনিস। অনেকটা সিথ্রিপিও'র মতো। ওরকম একটা রোবট পেলে খারাপ হতো না। কেন যে আরও ৩০ বা ৫০ বছর পরে জন্মালাম না!
অ্যানিকিন আর পাডমের গর্ভে জন্ম নেয়া জমজ সন্তানেরা আবারও একদিন গ্যালাক্সিতে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে। অ্যানিকিন কি জানে, নিজের অজান্তেই সে জড়িয়ে যাচ্ছে ডার্ক সাইডের সাথে? পাডমেও বুঝতে পারছে না বিষয়টা। আহা স্টার ওয়ার্স! কিভাবে সম্ভব এতোটা অসামনেস নিজের ভেতরে ধারণ করা?
শেলডন আর অ্যামি শেষ পর্যন্ত সেক্স করেছে! ওদের ব্রেক-আপটা দেখতে দারুণ লাগছিল। জানতাম যে একদিন ওরা ঠিকই এক হয়ে যাবে আবার। নাটক-সিনেমায় সবসময় অবাস্তব জিনিসপাতিই দেখায়, তাই না? ওই জন্যই আমরা নাটক-সিনেমা এত পছন্দ করি। বাস্তব জীবনে তো যেটা ভাবি, সেটা কখনোই ঘটে না।
আমি এমন কেন?
কিছুক্ষণ আগে আমার ফোনটা হাত থেকে পরে ভেংগে গেল। ভাংগা স্কিণটার দিকে তাকিয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। কান্না পাচ্ছে। কাউকে কষ্টটা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু কেউ নেই , যাকে বলতে পারব মনের দুঃখটা।
আসলে আমি যত্ন নিতে জানি না। সেটা কোন বস্তু হোক বা সম্পর্ক। মায়ের সাথে মেয়ের যে সহজ সম্পর্ক, সেটা আমার কোনদিন হয় নি। চাইলে হয়ত হতে পারত। মা কাজ নিয়ে ব্যস্ত বলে আমিও কখনও সেই নিজেকে সেই ব্যস্ততার অংশ করি নি। আজ নিজের ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে মাসে একবার মায়ের সাথে কথা বলি।
বড় বোনদের থেকেও নিজেকে সবসময় আলাদা করে রাখতাম। একা একা খেলতাম। ওদের পছন্দ কিছু নিজের পছন্দ হলেও বলতাম উল্টোটা। আস্তে আস্তে তাদের পছন্দের উল্টোটাই আমার পছন্দ হয়ে গেল।
এক্সএক্সওয়াইওয়াইএক্সএক্স
কংকালেরা কিন্তু সিগারেট খায়। একটা কংকালকে চিনি যার প্রিয় সিগারেট হচ্ছে গোল্ড লীফ। একটু কড়া ধরনের টোব্যাকোগুলো আসলে অদ্ভুত।
ঠিক তেমনি অদ্ভুত একটু কড়া ধরনের সঙ্গীতায়োজনগুলি। রড স্টুয়ার্টের একটা দুই মিনিটের ট্র্যাক আছে। অ্যামেইজিং গ্রেস। শেষ মুহূর্তে এক প্যারার একটা লিরিক মাত্র। পৃথিবীতে যে কত রকমের অবাক করা জিনিস আছে!
ইন্টারস্টেলার সিনেমাটা আমার কাছে একটু হরর হরর লাগলো কেন যেন। তবে বেস্ট সায়েন্স ফিকশন মুভি আমার দেখা। স্টার ওয়ার্সগুলো দেখতে দারুণ লাগছে। আরটুডিটু খুবই কুল।
আর পড়ি হচ্ছে রিসার্চ পেপার। অতিরিক্ত ভিডিও গেইম খেলার আসক্তিকে কেউ কেউ নেগেটিভ হিসেবে দেখে থাকে, কিন্তু বেশিরভাগ গবেষণা বলছে ভিডিও গেমে আসক্ত হওয়ার সঙ্গে ভায়োলেন্ট হওয়ার সম্পর্ক খুবই কম।
---
হেমন্তের গল্প
চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে আমি আগে কোনোদিন যাইনি। ওইদিন আমাদের কোথা থেকে কি শুরু হয়েছিল জানি না। আমি, পদু, গনেশ, রাখাল, অমিতাভ, রঞ্জন, গৌতম মিলে কিছু একটা শুরু করেছিলাম। সেই কিছু একটার শুরু হয়েছিল গাঁজা খাওয়া থেকেই। এরপর চান্দা তুলে মাল খাইতে খাইতে আমরা আরও এক লেভেল উপরে ওঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে শুরু করলাম।
সেই অনুভবের বশবর্তী হয়ে দলেবলে পৌঁছে গেলাম চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে। তিনতলা। একটা অপ্রশস্ত করিডোর চলে গেছে ফ্ল্যাটের দরজা থেকে পেছনের দিকের ওয়াশ রুম পর্যন্ত। এটি একটি নটিপাড়া। ম্যানেজারটি দেখতে ঠিক নটিপাড়ার ম্যানেজারদের মতো নয়। আমাদের জেনারেশনের ছেলেদের মতো মুখে দাড়ি। বেশ ভদ্র গোছের মনে হল। আমরা বললাম- আমাদের কাছে কাউকে পাঠিয়ে দিতে।
শেষ থেকেই শুরু
শেষ থেকেই শুরু করতে হবে। দিন শেষে প্রথম কাজ হচ্ছে দ্রুত বিছানায় যাওয়া। একজন সুস্থ মানুষের ছয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। সেই হিসেবে ঘুমাতে যেতে হবে যাতে ঘুম আসার আগের অস্থিরতা পাশ কাটিয়ে ছয় ঘণ্টা ঘুম হয় এবং সূর্যোদয়ের দেড় ঘণ্টা আগে ঘুম ভাঙ্গে। পৃথিবীর প্রকৃতি, আবহাওয়া ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটাই একটি সুস্থ, কর্মময় এবং আনন্দময় জীবনের সঠিক স্লিপিং সাইকেল।
কখন
প্রতিটি জাতীয়তাবাদী ধারণাই সংখ্যালঘুর প্রতি নির্মম হয়ে উঠতে পারে। ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতিচর্চার আরোপিত রাজনৈতিক কাঠামোতে বঞ্চনার ক্ষোভ প্রকাশ করা এবং ন্যায্য অধিকার আদায় করে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় অবধারিতভাবেই একই ভৌগলিক পরিসরে বসবাসরত ভিন্ন ধর্ম-ভাষা-সংস্কৃতিজীবী গোষ্ঠী অপর হয়ে যায় এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক আন্দোলনে তাদের স্বর হারিয়ে ফেলে।
ডিলাইটফুল ডিসেম্বর
সেই ক্লিশে কিছু কথা দিয়েই লেখা শুরু করতে হয়। প্রথমেই আসবে, ব্লগে লেখি না অনেকদিন। লেখার সময় পাই না খুব একটা। আর যা সময় পাই তখন অন্য ডজনখানেক কাজে ব্যস্ত থাকি। ব্লগ লেখাটাও আর মিস করছি না। তবুও নিজে নিজে লেখি সময় পেলে- অবশ্যই তা ডায়রীতে, সেইজন্যেই লেখা আমি ভুলি নাই, লেখা যদি ভুলে যেতাম তাহলে হয়তো ব্লগ মিস করতাম। ব্লগ লেখার জন্য মন উশখুশ করে না আর। উপলক্ষ্য ছাড়া ব্লগে লেখা আর হয়ে উঠে না। আজও লিখছি বিশেষ কারনে। দ্বিতীয় কথা হলো এখন ব্লগ পড়িও না। ফেসবুকেই থাকি। ট্যাবে অটোমেটিক ওপেন হয়। কিন্তু আগে যেমন এক পোষ্ট ছয় সাতবার পড়তাম তেমন পড়াই হয় না। আর নিজের লেখা তো পড়ি না খুব একটা। কারন প্রতিটা লেখা পড়লেই মনে হয় ট্রেন ধরার তাড়া নিয়ে লিখেছিলাম, অজস্র ভুল, আরও গুছিয়ে-ভালো করে লেখা যেত। কিন্তু হলো না। কি আর করা যাবে। সবার সব কিছু হয় না। তাই ব্লগের চার্ম হারিয়ে ফেললাম আবার। সামহ্যোয়ার ছাড়ার পর অনেকদিন লি