ইউজার লগইন
ব্লগ
র্যানসমওয়্যার ও সচেতনতা শর্টকাটে
কম্পিউটার কি?
কম্পিউটার হল দুনিয়ার সবচেয়ে বোকা জিনিষ। আপনি যেইভাবে বলবেন ঠিক সেইভাবে কাজ করবে।
হাল আমলের নতুন সাড়া জাগানো কম্পিউটার থ্রেট হল র্যানসমওয়্যার। ভাইরাস, ওয়ার্ম, এ্যাডওয়্যার, ম্যালওয়্যার, রূটকিট ফেলে এখন আমরা র্যানসমওয়্যারের যুগে। আগে মানুষ বিনোদনের জন্য ভাইরাস লিখে ছেড়ে দিত এরপর মজা দেখত। কিছু হ্যাকার টাকা পয়সার ছোট বড় চুরি চামারী করে। আর কিছু হ্যাকার ডিফেন্স ইনফরমেশন সংগ্রহ করে। এটা হয় বিভিন্ন দেশের সরকারী যোগসাজসে। মানুষ বাড়ার সাথে সাথে এখন মানুষের চাহিদা বেড়ে গেছে অনেক গুন সেই সাথে বেড়েছে টেকনোলজির পরিধি। ব্যাঙ্ক একাউন্ট হ্যাক করা এখন বেশ কষ্ট সাধ্য আর ধরা পড়ার সুযোগ অনেক বেশী। তাই আবিষ্কার হয়েছে র্যানসমওয়্যারের।
এখন প্রশ্ন হল এটা কি জিনিষ আর কাজ করে কিভাবে?
ট্র্যাডিশন
“আমরা যদি রাজকীয় কার্যক্ষেত্রে প্রবেশ করিতে না পারি, তবে কৃষিক্ষেত্রে প্রবেশ করিব। ভারতে বর দুর্লভ হয়েছে বলিয়া কন্যাদায়ে কাঁদিয়া মরি কেন? কন্যাগুলিকে সুশিক্ষিতা করিয়া কার্যক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও, নিজের অন্নবস্ত্র উপার্জন করুক।“ বেগম রোকেয়ার এই উক্তি প্রসঙ্গেই মনে পড়ে গেল একটা ঘটনা।
নিকট আত্নীয়ের সুপুত্রের জন্য বছর দু’য়েক ধরে হন্যে হয়ে পাত্রী খোঁজা হচ্ছিল।এদিক হলে ওদিক হয় না, পাত্রী পছন্দ হলে পাত্রীর ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড পছন্দ হয় না, ফ্যামিলি পছন্দ হলে পাত্রী’র হাইট (উচ্চতা) কম, হাইট ঠিক থাকলে পাত্রীর গায়ের রঙ ঠিক ততটা উজ্জ্বল কিংবা ফর্সা নয়, আর টেনে টুনে সব মিলিয়ে পছন্দের একটা মাপকাঠিতে আসার প্রানান্তকার চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায় পাত্রী পক্ষের ছেলে পছন্দ হয়নি, কিংবা ছেলের চাকরি পছন্দ হয়নি টাইপ সমস্যার কারণে।
বন্ধু ছাড়া একা আমি
আজও সময়ের পনের মিনিট পর কাজ থেকে বের হলাম। ওরা সবাই নিশ্চই চলে গেছে। লকার রুম থেকে তাড়াতাড়ি ড্রেস পাল্টে বের হয়ে এলাম। ওরা ঠিকই চলে গেছে। থাকবে না নিশ্চিত ছিলাম। কখনও ওরা আমার জন্য অপেক্ষা করে না। তবুও মনের কোথাও একটা আশা বা গোপন ইচ্ছা ওরা আমার জন্য কাজ শেষে অপেক্ষা করবে। এই দূর প্রবাসে একই দেশ থেকে এসেছি সবাই। একই জায়গায় কাজ করি। ওদের চারজনের একজন দেরি করলে ঠিকই তো অপেক্ষা করে। আমার জন্য কেন করে না?
আমি হয়তো মেনি পোলার ছিলাম, শুধু বাইপোলার না
নিজেকে নিয়ে অনেক বড় একটা রিয়ালাইজেশন হয়েছে সম্প্রতি। সে ব্যপারটা জানানোর জন্যই এই লেখাটা। তবে রিয়ালাইজেশনটা বলার আগে কিছু পরিকল্পনার কথা বলতে চাই। অনেকে এগুলোকে ফ্যান্টাসী বলে কিন্তু আমি পরিকল্পনাই বলি। বলতে পছন্দও করি। পরিকল্পনাগুলোর সাথে আমি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলাম, এখনও আছি। তবে সেগুলোর কোনোটিই এখনও বাস্তবায়িত হয় নি। কোনটা যে বাস্তবায়িত হবে, জানি না। কোনোটা কি আদৌ বাস্তবায়িত হবে? তাও জানি না।
পরীক্ষা
আমি সব সময়ই মাঝারি মানের ছাত্র ছিলাম। ক্লাশের শেষ ব্রেঞ্চে বসে অন্য সব অমনোযোগী ছাত্রদের বিভিন্ন ধরণের কায়দাকেতা দেখে প্রতিনিয়ত বিস্মিত এবং মুগ্ধ হতাম। পরীক্ষার আগের রাতে নাক-মুখ গুঁজে বইয়ের পাতা উল্টানোর সময় ক্লাশে প্রথম হয়ে সবাইকে চমকে দেওয়ার অলীক ভাবনা মাথায় আসতো না, কোনোমতে ৫৫ থেকে ৬০ পেলেই আমি খুশি। আমার পরীক্ষাময় জীবন সব সময়ই প্রথম শ্রেণীর নম্বর পেয়ে পরবর্তী ক্লাশে উত্ত্বীর্ণ হয়ে মাণ-সম্মান বাঁচানোর লড়াই।এভাবেই হেলতে দুলতে যখন এইচএসসি পাশ করলাম, ভালো ছাত্রেরা সবাই বুয়েট- মেডিক্যাল কোচিং করে ভীষণ রকম ব্যস্ত জীবন কাটাচ্ছে। আমার যেহেতু এত বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস নেই, আমার লক্ষ্য কোনোমতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া।
ফিরে দেখা ২৬শে ফেব্রুয়ারী
লিখতে হুট করে কার না ভালো লাগে। আমার আরও বেশী ভালো লাগে। অনেকদিন কিছুই লেখি না। সময় পাই না লেখার। আর লেখার সময় টুকুতে বই পড়ি, নয়তো সিনেমা দেখি। নয়তো অলস ভাবি। লেখার ভাবনা সব সময় থাকে আবার হারিয়ে যায়। এই জন্য আমার এক প্রিয় মানুষ বলছিলো-- সেই একদিন কখনোই আসবে না। যদি তুমি প্রতিদিন না লেখতে পারো অথবা লেখার ভেতরে না থাকলে। কোনও যাদুকর এসে বর দেবে না তোমাকে'। আমি অবশ্য উনার কথা শুনি নাই। ব্লগ লেখাই ছেড়ে দিয়েছি। ফেসবুকেও কম লিখি। একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে বসে থাকি। মাঝে মাঝে ব্লগে আসি, চুপচাপ চলে যাই। কমিউনিটি ব্লগের এই দুর্দিনে আমার কিবা করার ছিল, হয়তো সপ্তাহে চারটা পোষ্ট দিতাম। লোকজন পিঠ চাপড়াতো। কিন্তু দিনশেষে সেই একই অবস্থা। আমাদের কারো জন্যেই কিছু যায় আসে না, কারো শুন্যতায় কিছু যায় আসে না। আজ আমি লিখতে আসলাম মেইনলি কারন, অভিজিৎ রায়ের নির্মম খুনের পর ১ বছর হয়ে গেল। মাসকাবারীতে খুন হলো আরো চার প
একঘর জোৎন্সা
হুমায়ুন আহমেদের "আকাশ জোড়া মেঘ" বইটা পড়ে এত কষ্ট পেলাম যে অনেকক্ষণ কাঁদলাম। যদিও আত্মহত্যাকে আমি ঘৃণা করি। তবুও এত কষ্ট হচ্ছিল। ভাবলাম লিখি। আমার আগের লেখাটাতে মীরের মন্তব্যটা পড়ে ইউটিউব থেকে শিরোনামহীনের গানটা শোনলাম। মীর ঠিকই মিলিয়েছে। অনেকদিন পর শিরোনামহীনের গান শুনলাম। "তুমি চেয়ে আছো তাই" গানটা অনেকবার শুনলাম। এক সময় এই গানটা প্রিয় তালিকায় ছিল।
এখন রাত ২:১৫। মাঝে মাঝে দূরের বড় রাস্তায় একটা দুইটা ছুটে যাওয়া গাড়ির শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। বিছানার মাঝে বসে আছি। কাচের বড় জানালার অর্ধেকটা পর্দা সরিয়ে দিয়েছি। বাইরে ভরা পূর্ণিমা আজ। গোল চাঁদটার দিকে তাকিয়ে আছি। জোৎন্সার আলো বিছানার অর্ধেকে ছড়িয়ে পরেছে। পুরো ঘরে অদ্ভুত এক আলোয় ভরে গেছে। মুগ্ধ হয়ে দেখছি বলব না। তবে চোখ ফেরাতে পারছি না।
International Art Festival 2015
আমরা সবাই স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি । আর সেই স্বপ্নগুলি যখন পূরণ হতে থাকে তখন আনন্দতে মেতে উঠি। নৃত্যশিল্পী হিসেবে আমারও ইচ্ছে/স্বপ্ন আছে। বড় বড় উৎসবে নাচবো, নাচ শিখাবো, নৃত্য পরিচালনা করবো। ২০১৫ এর ডিসেম্বর এ সেই স্বপ্নগুলোর মধ্য থেকে একটা স্বপ্ন পূরণ হলো
! হ্যাঁ, বন্ধুরা আমার নৃত্য পরিচালনায় একটি নৃত্য প্রদর্শন হয়েছিল নৃত্য উৎসব ২০১৫ -বেইজিং এ
! আমরা নেচে ছিলাম #পাশান নৃত্য !
এটা চীনের লোকনৃত্য ।
মার্চে আবার সেই সুযোগ পেতে যাচ্ছি
! সবাই দোয়া করবেন!
সবার স্বপ্ন পূরণ হোক সেই আশায় আপনাদের এই ছোট্ট বন্ধু
তন্ময়
পারব কি ফিরে যেতে
এখন আর কবিতা লেখা হয় না। খুব যে লিখতাম তাও না। মনের এলোমেলো ভাবনাগুলোকে ডায়রির পাতায় সাজিয়ে লেখা পর্যন্তই আমার কবিতা। বন্ধুদেরও দেখাই নি সবগুলো। শুধু তাদের জন্য লেখাগুলো পড়ে শোনাতাম।
বন্ধুদের অনেকেই জীবনানন্দ দাসের কবিতা গুলোকে গলা কাপিয়ে আবৃত্তি করত। বলতাম, তোরা বুঝিছ কবি কি বলতে চেয়েছে? এভাবে হয় না। কবির কথাগুলোকে বুঝতে হবে, চিন্তাটাকে নিজের চিন্তায় আনতে হবে। না বুঝে বলাটাকে পড়া বা মুখস্ত বিদ্যা বলব আবৃত্তি বলব না।
ওরা বলত, তোর একটা কবিতা দে তোর ভাবনা তো বুঝতে পারি , এবার আবৃত্তি হবে।
না, ডায়রির পাতায় বন্দি কথাগুলো আবৃত্তি হয় নি উচ্চস্বরে। লেখাগুলোয় হাত বুলিয়ে শূন্য চোখে তাকিয়ে থাকি। কারো কাছে এগুলো কথা, কারো কাছে কবিতা, কারো কাছে বা ভাবনা।
ভালোবেসে, ছবিতা..![অ'ড টু মাই বিলাভড]
ছোট্ট চিঠির
আদর পরশ
ঘুম চোখ ভোর
রাত দুপুরে,
মন কেমনের
অবাক হরষ
বুক শিরশির
হৃদয়পুরে।
চোখ পাকানো
মারার ছলে
ঘোর শাসনে
হাসির লহর,
চুপটি বসে
মন হারানো
শালিক গোনার
অলস প্রহর।
ঘাসজমিনে
পা দোলানো
অবাধ
চুলের ঢেউ,
চারুকলার
দুপুররোদে
পুকুরধারে
কেউ।।
রুপকথা ক্ষন
চায়ের কাপে
চুমুর টানে
সাঁঝের ছায়া,
কিংবা বিকেল
খানিক দুরে
পথের ডাকে
আধেক মায়া।
কি আসে যায়
বিষ্টি এলে?
হুট বাতাসে;
পরান মেলে।
খুব অকারন
তোমায় ছুঁলে?
ছোট্ট দুহাত,
আর কিছু নেই।
জগৎ জুড়ে
খেলার ছলেই,
চাই বা কি আর;
তোমায় পেলে?!
ধূসর গোধূলিঃ প্রথম স্বপ্নপূরণ
অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আমার প্রথম উপন্যাস ‘ধূসর গোধূলি’। আমার প্রথম স্বপ্নপূরণ। প্রকাশকঃ সৈয়দ রহমতুল্লাহ রাজন, র্যামন পাবলিশার। বই প্রকাশে সার্বিক সহযোগিতা এবং প্রচ্ছদের জন্য দুরন্ত দুরা ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বইটি ১৪ই ফেব্রুয়ারী মেলায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পাওয়া যাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ১৯৭-১৯৮ স্টলে। এবি’র সকল বন্ধুদের বইমেলায় আমন্ত্রণ।


শূন্যে আটকে যাওয়া চিৎকার
কম্পিউটারের স্পীকারটার ওপর চাপ ফেলতে ভাল লাগে। কাজ হচ্ছে না কোনকিছুতেই! কাকে যেন একবার বিপ্লবের ডাক শুনিয়ে কনভিন্স করেছিলাম। আজ আর মনে নেই, সে কে ছিল। কেন সে মাঝখানে কয়দিন বিপ্লবের স্বপ্ন চোখে নিয়ে দিন-রাত আমার সাথে সাথে ঘুরেছিল?
মানুষ কিসের আশায় জীবন যাপন করে? পৃথিবীতে নিজের উপস্থিতিকে অন্তত নিজের কাছে স্মরণযোগ্য করে রাখতে, নাকি নিজের লিগেসি টিকিয়ে রাখতে? আচ্ছা, যে সুপারহিরোর কোনো পাওয়ার নাই, সে যদি পৃথিবীর জন্য নিজেকে সন্তপর্ণে বিলিয়ে দিতে চায়; তার কি কোনো উপায় আছে? তার পক্ষে কি কোনভাবে নিজের ইচ্ছেপূরণ করার সুযোগ আছে?
ওসুওফিয়া ইন লন্ডন সিনেমায় মানুষের চরিত্রের খুব 'র' ভার্সনটা দেখানো হয়েছে। যেখানে কৌতুক, প্রেম, আর মহত্ব হাত ধরে পাশাপাশি হাঁটে। অপর পাশে নীচতা আর ব্যর্থতার হাহাকার।
শেষ একুশে ফেব্রুযারি
" অমর একুশে ফেব্রুয়ারি" রাত ১২ টায় বন্ধুর ম্যাসেজ পেয়ে সাথে সাথে কল করলাম।
কল ধরতেই ঐ পাশে চিৎকার চেঁচামেচি ।
"কি রে শহীদ মিনারে ফুল দিয়েছিস?"
" হ্যাঁ, তুই এত রাতে সজাগ কেন? ঘুমা। সকালে উঠতে হবে না?"
"সরি রে, আমি হোস্টেলে। পরশু হিসাব বিঞ্জান পরীক্ষা। বাড়ি যাই নি। কাল মাঠে যাচ্ছি না।"
" ভাষা দিবসে বাংলায় কথা বল, সরি না বলে দুঃখিত বল"
যাক, একটু শান্তি হলো। দুপুর থেকেই টেনশন হচ্ছিল কি করে বন্ধুকে বলব যে এবার ২১ শে ফেব্রুয়ারি তার সাথে থাকতে পারব না। গত ১৯ বছরেও যা হয় নি।
আমার এই বন্ধুটা হচ্ছে আমার প্রাণের বন্ধু। আমার সাথে তার পছন্দ অপছন্দ চিন্তা ভাবনা ৯০% মিলে। আমাকে এতটা আমার আম্মাও বুঝে না। তবে সেদিন সেখানেই কথা শেষ হয় নি। তারপর কি হল বলছি। আরও অনেক কথা শেষে বললাম,
"এখন রাখি রে। অংকটা মিলিয়ে ঘুমিয়ে পরব।"
"তুই আয় না বন্ধু। তোকে ছাড়া,,,,,,,"
দি গ্রেট রেড স্পট
১.
ভালার মুরঘালিস্। অর্থ, অল মেন মাস্ট ডাই। ডানেরিস টারগেরিয়েন নামের ছোট্ট রুপালী চুলের মেয়েটির আকর্ষণে 'গেম অব থ্রোন্স' দেখতে বসে আটকে গেছি। আচ্ছা; এখানে একটা ম্যারি, ফাক, অ্যান্ড কিল ট্রিভিয়া দিই। গেম অব থ্রোন্সের ডানেরিস, স্টার ওয়ার্সের রে, আর হ্যারি পটারের হারমিওনি; তিনজনের মধ্যে কাকে আপনি বিয়ে করতে চান, কার সাথে সেক্স, এবং কাকে খুন করতে পারবেন? আমার সিরিয়াল হচ্ছে, বিয়ে- হারমিওনি, সেক্স- ডানেরিস আর কিল- রে। রে-কে কিল করতে চাই শুনে জিমি অবাক হচ্ছিল কারণ ওর সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র হচ্ছে রে, ওই তিনজনের মধ্যে। আমার অবশ্য কাউকেই খারাপ লাগে না। জাস্ট বন্ধুদের প্রায়োরিটি মাথায় রেখে সিরিয়াল সাজাচ্ছিলাম।
২.
বই মেলায় আসুন--আমার বই কিনুন...
বই মেলায় আসুন--আমার বই কিনুন

১৯৯৪ সালের বই মেলায় আমার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ’ ২০১১ সালে ২য় বার মুদ্রণ হয়েছিল রোদেলা প্রকাশনী থেকে(স্টল নং১৫৩-১৫৪-১৫৫)। ২০১৩ সালে জিনিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে আমার গল্পগুচ্ছ ‘ভাদ্র ভাসান’ প্রকাশিত হয়েছিল( স্টল নং১০১-১০২)। এ বছর অণুপ্রাণন প্রকাশন থেকে আামার উপন্যাস ‘গন্তব্যহীন দূঃখবিলাস’ প্রকাশিত হয়েছে(স্টল নং ২৬৮)। সবগুলো স্টলই সোহরাওয়াদ্দী উদ্যানে। বাংলা একাডেমির লিটল ম্যাগ চত্বরে আছে অণুপ্রাণন এর ম্যাগাজিন স্টল, অণুপ্রাণন এর ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিনে আমার লেখা বেশ কিছু গল্প আছে।
সকল বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ রইলঃ বই মেলায় আসুন--আমার বই কিনুন...