ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রিয় পাঠক পাঠিকা, আপনাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
প্রিয় পাঠক পাঠিকা, অনেক দিন ধরে আপনাদের একটা বিষয়ে সচেতন করব বলে ভাবছি। জরায়ু-মুখ ক্যান্সার নারীদের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি এবং জরায়ু-মুখ ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বর্তমান বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতি বছর অর্ধকোটী নারী নতুন করে আক্রান্ত হন।
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৩,০০০ নারী নতুন করে জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং প্রতিবছর মৃত্যুবরণ করেন প্রায় ৬,৬০০ নারী। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে সারাদেশে ১৮ জন নারী মারা যাচ্ছেন জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে। জরায়ু-মুখ ক্যান্সার ১৫- ৪৫ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে বেশী দেখা যায়, কিন্তু ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশের প্রায় ২ থেকে ২০ বছর আগেই একজন নারী এ রোগের ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হন।
একটি কৌতুক, দুটো নগদ পাইরেটেড পদ্য এবং এক চিমটি ভ্রমনাচার
নিউ ইয়র্কে হাজব্যান্ড ষ্টোর নামে একটা দোকান খোলা হয়েছে যেখানে খোলাখুলি স্বামী বিক্রি করা হয়। ছয়তলা দালানে নানান ক্যাটাগরীর সোয়ামী ভাগ করা আছে। একেকতলায় একেকরকম স্বামী বিক্রি করা হয়।
কড়াকড়ি নিয়ম হলো ক্রেতা যে কোন ফ্লোর থেকে স্বামী পছন্দ করতে পারবে, তবে একজন একবারই পছন্দ করতে পারবে, এবং সেই পছন্দ অপরিবর্তনীয়। আরেকটা নিয়ম হলো নীচতলা থেকে উপরে যাওয়া যাবে, কিন্তু উপর থেকে নীচে নামা যাবে না।
আমার ঈদ
ঈদ উপলক্ষ্যে ছুটি পেলাম মোট ১১ দিন।৭ তারিখ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত। ৭ তারিখের জন্য অপেক্ষা করছিলাম সারা রোজার মাসের প্রতিদিন। সবকিছু মিলিয়ে কেমন দমবন্ধ লাগছিলো অনেকদিন ধরেই। ৬ তারিখ রাতে ঘুমালাম না তেমন।অনেকদিন ধরেই নির্ঘুম রাত কাটছিলো, যার চিহ্ন কিশোরী বয়সের মত হাজার হাজার ব্রণের উৎপাত। ৭ তারিখ সকালেই ছোট একটা ব্যাগ গুছিয়ে বের হলাম বাসা থেকে। বাড়ী যাবো ভাবতেই খুব ভালো লাগছিলো, আমার শান্তির জায়গা। দ
জাহানারার তহবিলের পূর্ণ হিসাব
জাহানারাকে নিয়ে ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর থেকে যে চাঁদা উঠেছিল তার একটা হিসাব আমার নিজস্ব ব্লগে রেখে দিলাম। যে কেউ এইখানে তার হিসাবটা দেখে নিতে পারবেন।
TA – ১,০০০
MKL – ৫০০
BFR – ১,৫০০
ফাহিম – ৫,০০০
নাজ – ২,০০০
RUB – ৫,০০০
রাসেল – ৮,০০০
মোট ২৩,০০০ জমা হয়েছিল
জাহানারার পরিবারকে দেয়া হয়েছে
রায়হান ভাই ৩,০০০
রুবাই ২,০০০
মাসুম ভাই ২,০০০
জয়ীতা ১,০০০
কাটে না সময় যখন আর কিছুতেই--------
প্রিয় বাবা
ইদানীং ফোন ধরে তোমার সঙ্গে খুব বেশী কথা বলা হয়ে ওঠে না, দু্চারটে কথা বলার পর - আর কথা বিশেষ খুঁজে পাই না। কিন্তু ফোন রেখে দেবার পর মনে হয়, তোমাকে কি যেন বলা হল না। মনে হয়, আরেকটু কথা বললে ভালো লাগতো।সারাদিন চুপিচুপি মন ভার করে ঘুরে বেড়াই।
শুভ জন্মদিন :: মেসবাহ ভাই ও শাশ্বত সত্য
ধরেন বিকালে ধানন্ডির ৫এর বিখ্যাত ফুচকা খাইতে ইচ্ছা হইলো? ০১৭১..... হ্যালো মেসাবাহ ভাই ... বিকালে আসতেছি 
আবার ধরেন ঝুম বৃষ্টি? বোঝেনইতো... বৃষ্টির সাথে খিচুরির একটা গভীর সম্পর্ক
... আর খিচুরি মানেই ল্যাব এইডের ক্যান্টিনের চমৎকার রান্নার খিচুরী... খাইতে মন আকুপাকু করে? ০১৭১..... হ্যালো মেসাবাহ ভাই ... বাইরে বৃষ্টি
.. বাকি কথা মেসবাহ ভাই বলবেন 
শিরোনামহীন!
১.
বিস্মরণের শুকনো পাতা মাটিতে যায় মিশে
আবার জেগে উঠবে নতুন সবুজ ঘাসের শীষে।
চোখ খুলবে নতুন কুঁড়ি হাত বাড়াবে শাখা
জাগবে নতুন গানের খাতা ভালোবাসায় আঁকা।
রঙে রঙে রঙিন হবে বর্ণমালার ফুল
সেই ফুলেতে গড়িয়ে দেবো মন কিশোরীর দুল।
২.
একটু যেন অভিমানের আভাষ পেলাম কথার কোণে
সেই ব্যথাটুক মিলল এসে সঙ্গোপনে আমার মনে।
যেই কথাটি লুকিয়ে থাকে নৈঃশব্দ্যের নীরব স্বরে
শিল্পান্তর
পূব আকাশে আলোর রেখা ফুটে উঠেনি। বাতাস জুড়ে এখনো মিহি রাতের গন্ধ। ঝিঝি পোকার ডাক আর ভোরের পাখির মিষ্টি গুঞ্জন ভেদ করেও অনেক দূর থেকে স্পষ্ট শোনা যায় মুয়াজ্জিনের আযানের ধ্বনি “আসসালাতু খাইরুম মিনান্নাওম”। আরো কিছু সময় আগেই ঘুম থেকে উঠে গেছে ওমর। ঠিক সময় মতন উঠে যায় প্রতিদিন। দেরি হয়না কখনো। এই জন্য প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই একবার করে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দেয় ওমর। ধবধবে সাদা পাঞ্জাবী পায়জামা রেডি করাই
আধা-টেকি পোস্টঃ নিজ হাতে লেখা মোর কাকের ঠ্যাং খাসা !
আমরা বন্ধুর টেক্সট এডিটর ব্যাপক ঝামেলার। তাই শুরুতেই মূল পোস্টের লিঙ্ক। যারা এইখানে পড়ে বুঝতে পারবেন না, তাদের জন্য।
অন্তর্জালে ইংরেজির জন্য হাজার হাজার ফন্ট। সংখ্যাটা কি কম বলে ফেললাম? লাখ লাখ বলবো? ফন্ট নিয়ে গুতাগুতি করার সময় আমি এমন একটা সাইটও দেখেছি যেটায় নিজের হাতের লেখায় ৬২টা চিহ্ন(ইংরেজি লেটার ২৬টা বড় হাতের, ২৬টা ছোট হাতের+অঙ্ক ১০টা+ আর কোনো অপশনাল চিহ্ন) সাইটের সরবরাহ করা পিডিএফের নির্দিষ্ট জায়গায় লিখে আপলোড করে দিলে সাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই চিহ্ন অনুযায়ী তৈরি করে দিবে।
চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসি
ইদানীং আমার অবসর সময়ের অনেক খানি খেয়ে নিচ্ছে ESPN Soccernet। বিশ্বকাপ ফুটবলের কারনে ফুটবলের প্রতি হারানো আগ্রহ আবার ফিরে পেয়েছি। বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে, কিন্তু শুরু হয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ। আর দু'দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ এর গ্রুপ পর্ব। এবার চ্যাম্পিয়ন লীগ আমি একটু বিশেষভাবে অনুসরণ করবো। কারন একটাই, এবারই প্রথম আমি ইএসপিএন এর চ্যাম্পিয়নস লীগ ফ্যান্টাসিতে দল নামিয়েছি। 
ভূমিকম্প: অতঃপর?
হাইতি, ইরান বা গুজরাটে যে ভূমিকম্প হল তার সিকিভাগও আমরা ঈদের দিন বা তার আগের রাতে অনুভব করি নাই। তবে, আমার জানামতে আমরা ব্লগারসকল কেউই এই যাবৎ বঙ্গদেশে এমন ঝাকি খাই নি। হতে পারে পরবর্তি ভূমিকম্পটি হবে একটু পরেই বা হয়ত শ্রীঘ্রই। কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার মাত্র। জীবনের এপর্যন্ত সব স্বপ্ন চিন্তা ভাবনা, যুদ্ধ, সংগ্রামের ইতিটেনে হয়ত পরে থাকতে পারি কোন দেওয়ালের নিচে পিষ্ট অবস্থায় অথবা ধ্বংসস্তুপে বসে
কৈশরের চান রাত
Chan rat e "chan glass" kina
চান রাত। ক্যামেরা হাতে ইফতারের পর বের হওয়া, সোজা নিউ মার্কটে যাওয়া… মানুষের আনন্দ দেখে নিজের আনন্দিত হওয়া…দোকান্দারদের সবচে বেশি আনন্দ…তারা আজকে সারা রাত বেচা বিক্রি করে ভোর রাতে বাড়ি রওনা দিবে।
আমাদের 'উত্তরদা'। সাপ্তাহিক চিত্রালী।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সিনেমা বিষয়ক যে কয়টা প্রত্রিকা বেশী জনপ্রিয় হয়েছিল তার মাঝে সাপ্তাহিক 'চিত্রালী' ছিল অন্যতম। বর্তমান বাংলাদেশে যাদের বয়স ৪০ বা তার বেশী এবং পত্রিকা পাঠে যাদের অভ্যাস ছিল, তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে এ সত্য জানা যাবে। ওই সময় চিত্রালী পড়তেন না এমন লোকের সংখ্যা বিরল ছিলো। সিনেমার নায়ক/নায়িকাদের বড় ছবি, তাদের সাপ্তাহিক কর্মকান্ড তুলে ধরতো চিত্রালী। সাপ্তাহিক চিত্রালী
আনন্দ আজ আমার কাছে
আনন্দ হয়ত বিকেলের সোনালী রোদ্দুর
অথবা আবীর মাখা সান্ধ্য মেঘ;
তাতে কল্পনার রঙ আছে,
আছে কবিতার আবেগ,
আছে চাপা হৃদ্যতার আঁকুতি,
গভীর অন্তর্ভেদী দৃষ্টি;
আনন্দ হয়ত সময়ের বুকে
একচিলতে অর্থহীন অনুভূতি!
আনন্দ আমার বর্তমান;
বর্তমান কি ক্ষনস্থায়ী?
নাকি কল্পনার ডানায় অসীমের বিস্তৃতি!
সময় তার শেষ দেখতে চায়,
প্রায় নিভে যাওয়া অনুভূতি
ডানা মেলে বাতাসে ভাসতে চায়;
বারো রকম ছাগু - একটি গবেষণা ধর্মী পোষ্ট।
বাংলা ব্লগ ইতিহাসে "ছাগু" সম্প্রদায় একটি বিশাল স্থান লইয়া রহিয়াছে। ইহাদের বংশবৃদ্ধি যাহাতে না হয় , সেইজন্য অনেক উদ্যোগ লওয়া হইয়াছে পূর্বে । সকলের সেই উদ্যোগ ব্যর্থ করিয়া ইহারা শুধু বংশবৃদ্ধিই করে নাই , ইহাদের রকমভেদ বাহির হইয়াছে ।
অধূনা বাংলা ব্লগ গবেষণা করিয়া বারো রকমের ছাগু সম্প্রদায় চিহ্নিত হইয়াছে। সেই গবেষণা খানি আজ আপনাদের সম্মুখে পেশ করিয়া আমি নিজেকে বড়ই কৃতার্থ মনে করিতেছি।