ইউজার লগইন
ব্লগ
আজ রোদ্দুরের ১০ পূর্ণ হলো...
রোদ্দুর। আমার ছেলে। চার ক্লাসে পড়ছে। গবর্ণমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। একদম বাপের ন্যাওটা। বাবার যা কিছু তার ভালো লাগে তা সে অনুকরণ করবে। শত বাধা দিলেও শুনবেনা। বাবা পাকিস্তানের নাম শুনতে পারেনা, সেও না। পাকিস্তানী কোনো জিনিস জ্ঞানত সে স্পর্শ করেনা। বাবার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। রোদ্দুরেরও প্রিয়।
দ্বিতীয় সেমির পর আপডেট: এক্সপ্রেস ছুটছেই
কোয়ার্টারের আগে শুরু হওয়া এই রাউন্ডে শর্ত রেখেছিলাম যে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যত বেশী দল সেমিতে তুলতে পারবেন ততই লাভবান হবেন, আর সেখানে চার চারটি দলকে কোয়ার্টারে তুলে এর পূর্ণ সুবিধা ভোগ করছে একমাত্র আখাউড়া এক্সপ্রেস, দলের মালিক উদরাজী ভাইকে টুর্ণামেন্ট পয়েন্ট দিচ্ছে উদারভাবেই ;)।
মুভিব্লগ: ৮ শিক্ষামূলক সিনেমা
মানুষজন খামাকাই আলতু ফালতু সিনেমা বানায়। সিনেমায় যদি শিক্ষামূলক কিছু নাই থাকে, তাহলে সেসব সিনেমা দেশ বা জাতিকে কি দিতে পারে? শিল্প থেকে শিক্ষার উপাদান আমাদের নিতে হবে। সিনেমা থেকে উচ্ছন্নে যাওয়া কাজের কিছু না। বরং সিনেমা থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবন গড়াই হওয়া উচিৎ আমাদের ব্রত। বিশেষ করে যারা বেশি সিনেমা দেখেন তাদের জন্য এটি বেশি প্রযোজ্য। আজকে আমি কিছু শিক্ষামূলক সিনেমার তালিকা দিলাম।
একখানা পলিটিকাল কোবতে
লিডার আমায় শিক্ষা দিল
ক্যাডার হতে ভাইরে
বোমাবাজির মন্ত্র আমি
নেতার কাছে পাইরে
মান্ত্রী শিখায় তাহার সমান-
ক্ষমতা নাই; করতে প্রমান
হাটের মাঠের দখলদারি
পুরোটা তাই চাইরে
গড ফাদারে মন্ত্রণা দেন
তাহার তেজে জ্বলতে
চাঁদে চাঁদে হেসে হেসে
চাঁদার কথা বলতে
ইঙ্গিতে তার করি মার্ডার
প্রয়োজনে ক্রস দা বর্ডার
ইন্ডিয়াতে পিন্ডিখানা
চটকে ফিরি ভোটতে
দেশের নেতা, দশের নেতা
আমি তাদের ছাত্র
এবি ফ্যান্টাসী কাপ আপডেট: শীর্ষে এখনও আখাউড়া এক্সপ্রেস
এবি ফ্যান্টাসী কাপের আরেকদফা আপডেট হলো, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা শকে মোটামুটি সবাই পিছিয়ে পড়লেও সমানের লাইনে দাঁড়ানো কয়েকজনের মধ্যে জমে উঠতে পারে জমজমাট লড়াই। সবকিছু নির্ভর করবে আজকের সেমিফাইনালের ওপর।
পিটার দ্য র্যাবিট (শেষ পর্ব) -বিট্রিস পটার
পিটার অনেক হাঁপাচ্ছিল আর ভয়ে কাঁপছিল, তাই বিশ্রাম নেবার জন্য একটু বসল। ও বুঝতেই পারছিল না কোনদিক দিয়ে যাবে, আর ভিজে চুপচুপে হয়েছিল। এদিক ওদিক থুপ থুপ করে আস্তে আস্তে হাঁটাহাঁটি করে সে এদিক ওদিক দেখা শুরু করল। একটা দেয়ালের গায়ে দেখল একটা দরজা, কিন্তু তালা বন্ধ আর এটার নীচ দিক থেকে তার মত একটা মোটাসোটা খরগোশের যাবার কোন উপায়ই নেই। একটা ইঁদুর দরজার সামনে দিয়ে মটরশুঁটি আর সিম নিয়ে যাচ্ছিল বনের দিকে তার বাড়ির জন্য। পিটার তাকে দরজাটা কোনদিকে জিজ্ঞেস করল, কিন্তু ইঁদুরটার মুখে এত বড় মটরশুঁটি ছিল যে, সে বলতে পারলনা, শুধু মাথা নাড়ল। পিটার কাঁদতে লাগল। তারপর নিজেই বাগানের উলটা দিকে যাওয়া শুরু করল রাস্তা খুঁজতে, কিন্তু সে বারবার ধাঁধাঁয় পড়ে যাচ্ছিল। গিয়ে দাঁড়াল একটা পুকুরের কাছে, যেখান থেকে ম্যাগ্রেগর সাহেব তাঁর পানির ঝাঁঝরি ভরেন। একটা সাদা বেড়াল কতগুলো গোল্ডফিশের দিকে তাকিয়ে আছে স্থির হয়ে, মাঝে মাঝে লেজ নড়ছে তাইই বোঝা যাচ্ছে ওটা বেঁচে রয়েছে। পিটার ভাবল- থাক, ওর সাথে কথা না বলাই ভাল। কারণ বেড়ালরা কেমন হয় তার চাচাত ভাই বেঞ্জামিন বানির কাছে শুনেছে।
বন্ধু বিনে
পিটার দ্য র্যাবিট- বিট্রিস পটার
এককালে ছিল চার খরগোশ- ফ্লপসি মপসি তুলোর-লেজ আর পিটার। মায়ের সাথে তারা থাকত নদীর চরায়, একটা মস্ত ফার গাছের কোটরে। এক সকালে মা খরগোশ তাদের ডেকে বললেন-সোনামণিরা, তোমরা সামনের রাস্তার বড় মাঠে খেলতে যেতে পার, কিন্তু ম্যাগ্রেগর সাহেবের বাগানে যেওনা যেন। তোমাদের বাবার একটা দুর্ঘটনার হয়েছিল ওখানে আর ম্যগ্রেগর গিন্নী তাঁকে পিঠেতে পুরে দিয়েছিলেন। এখন দৌড়ে যাও, কিন্তু দুষ্টুমি করনা। আমি একটু বাইরে যাচ্ছি।

মা খরগোশ তার ছাতা আর ঝুড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলেন বনের পথ ধরে রুটির দোকানে, কিনলেন পাউরুটি আর কিশমিশ দেয়া রুটি। ফ্লপসি মপসি আর তুলার-লেজ লক্ষী তাই, ওরা গেল জাম পাড়তে। আর দুষ্টু পিটার ছুটে গেল ম্যগ্রেগর সাহেবের বাগানে, বেড়ার তলা দিয়ে বহু কষ্টে চেপেচুপে! সেখানে খেল একটু লেটুশ, একটু বরবটি, তারপর খেল মূলা। তারপর, একটু খারাপ লাগছিল বলে ধনে পাতা খেয়ে নিল। আর কুমড়া মাচার কাছে এসেই কার সাথে দেখা হয়ে গেল জান? আর কার সাথে, ম্যাগ্রেগর সাহেব!
[sb]আমাদের চৌধুরীবাড়ী`র জন্য লেখা আহবান...[/sb]
[আমাদের চৌধুরীবাড়ী`র প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদ]
আজ আমার বন্ধু ব্লগে আমার প্রথম দিন। প্রথম দিনে বন্ধুদে একটি আহবান জানাই, পথ চলায় সকলের আন্তরিক সহযোগীতা চাই।
আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অন্যমাত্রা মিডিয়া এন্ড পাবলিকেশন্স থেকে আমার সম্পদনায় প্রকাশিত হবে অস্তিত্ব জানান দেয়ার কাগজ ‘ আমাদের চৌধুরীবাড়ী’।
ছবি পোস্টের হাতে খড়ি
কোরিয়া এসে ছবি তুলেছিলাম কয়দিন খুব। কিন্তু ব্লগে দেই নাই।
আজ দিয়ে দেখি পারি কিনা।

বসন্ত এসেছিলো গাছে.।.।।

গাছেই থাকলো কিন্তু মনে আর আসলো না।

নদীর নাম মিরাং এই নদীর গল্প শুনতে শুনতে মাঝে মাঝে মনে হয় শালাদের পদ্মা,মেঘনা অথবা যমুনাতে যদি চুঁবাতে পারতাম

আমার জেলখানা।
হেথাক তোকে মানাইছে না রে...
সকালে ঘুম থেকে উঠেই সন্ন্যাসী হয়ে যেতে ইচ্ছে হল। ইচ্ছেটার পিছনে নিশ্চয়ই কোন না কোন কারন আছে। প্রধান কারনটা তখনই আবিষ্কার করে ফেললাম। গ্রামে ফেরার জন্য মনটা কাঁদছে। কান্নাটা বিলাপের রূপ নেওয়ার আগেই বিছানা ছাড়লাম। শুয়ে থাকলে মনটা আরও আস্কারা পেয়ে যাবে। কম্পিউটার অন করে লিখতে বসলাম। আমার কান্নাগুলো হয়ে গেল কিছু বাংলা অক্ষরের সমষ্টি।
গুরুর জন্য শুভকামনা

পপগুরু আজম খান গুরুতর অসুস্থ। জিহ্বার নিচে মাংস বেড়ে যাওয়ায় গত ১৫ দিন ধরেই নাকি তিনি স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন না, গান গাওয়া তো দূরের কথা। আজ নাকি তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। শুনলাম তাঁর নাকি ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু ক্যান্সারের খবরটির সত্যতা জানতে পারলাম না এখনও।
ভয়ে ভয়ে বেঁচে বর্তে আছি।
যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল ১৪। তখনো হাফপ্যান্ট পরে বনে বাদারে ঘোরাফেরা চলে দেদারসে। এর গাছের আমটা, ওর গাছের কলাটা চুরিতেই কেটে যায় খেলার সময়। এট্টু নুলোছাপা গড়নের ছিলাম বোলে গায়ে গতরের খেলাতে কেউ আমায় দলে নিতে চাইতোনা। কৈশোরের সম্পূর্ণ দুরন্তপনা সপে দিয়েছিলাম একলা একলা নিষেধের বেড়া ভেঙে অনিয়মের খেড়োখাতায়। যুদ্ধের ডামাডোলটা তেমন একটা ছড়ায়নি তখনো আমাদের গায়ে। কেমন একটা গুমোট বাতাস বয়ে যায় শুধু। আমি প
ব্লগ কি বিকল্প গণমাধ্যম হতে পারবে?
আমাদের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক (বেতার ও টেলিভিশন) মিডিয়াগুলো নিজেদের গণমাধ্যম হিসেবে দাবি করলেও সত্যিকার অর্থে সেগুলোর কতোটুকু শুধু ‘মাধ্যম’ এবং কতোটুকু ‘গণ-মাধ্যম’ তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। একটি মিডিয়া বা মাধ্যম মানুষের কিছু বিষয় নিয়ে কথা বললেই সেটি গণমাধ্যম হয়ে যায় না। গণমাধ্যম হতে হলে মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকতে হয়; জনমানুষের নিজস্বতা, স্থানীয় ধ্যানধারণা ও সংস্কৃতি গণমাধ্যমে