সেই কচি মেয়েটি এবং আমি
ভূমিকাঃ-
একটা বিষয় নিয়ে বারবার লিখলে বা ঘাঁটলে সেটারে সোজা বাংলায় কয় ত্যানা প্যাঁচানি। তবে ক্যান জানি ত্যানা প্যাঁচানোতে দারুন মজা পাইতেছি। সেই বুড়ো লোকটি এবং আমি পোস্ট করার পর একজন ব্লগারের হাপিত্যেশ দেইখা মনের ভিতরের মারা যাওয়া বান্দরটা দাঁত কেলিয়ে হেসে উঠলো। তাই লেখাটার রম্য সিকুয়েল লিখতে মন চাইলো। মাইন্ড খাইলে কিছু করার নাই।
উৎসর্গঃ-
জনৈক ব্লগার। কে সেইটা আপনার বের করবেন লেখা পইড়া, না পারলে আমি তো আছিই।
কৃতজ্ঞতা-
নাজ আপা, তার গল্পের থেইকা ইনসপায়ারড হইয়া লেখা। আপত্তি থাকলে আওয়াজ দিয়েন, পোস্ট লগে লগে ফ্রিজে যাইবো।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
বাপস্! যে গরম পড়িয়াছে তাহাতে সম্ভবত হিমালয়ের বরফ গলিয়া এতক্ষণে উহা ন্যাড়া হইয়া গিয়াছে। এমন কি পৃথিবীর তাবত সমুদ্রপৃষ্ঠ বাষ্পীভূত হইয়া যাওয়াটাও বিচিত্র নহে। এই সুতীব্র গরমে চরম ভবঘুরেও নিজ গৃহকোণ হইতে বাহির হয় না। এমন কি যে সকল ভিক্ষুককুল আজীবন চেষ্টা করিয়াও আমার নিকট হইতে কিছু বাগাইতে পারে নাই তবুও চেষ্টার ত্রুটি রাখে নাই তাহারাও আজিকে ক্ষান্ত দিয়াছে। অথচ চৈত্রের এই দাবদাহে আমি হাতপাখা হস্তে নিয়া ঘুরিতেছি। এক্ষণে অনেকেই হয়ত পুলক বোধ করিতেছেন। কল্পনায় আমাকে কোন এক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড় করাইয়া দেওয়াটাও বিচিত্র নহে। সত্যকথা বলিতে সেখানে দাঁড়াইয়া থাকিতে পারিলে আমিও দুদন্ড শান্তি পাইতাম, তা সে পাখির বাসার মত চোখ তুলিয়া কেহ আসিয়া বলুক আর নাই বলুক, "এতদিন কোথায় ছিলেন?"। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে বিধি সর্বদা কম্যুনিষ্ট অর্থাত বাম। এই মুহুর্তে আমার অবস্থান গাবতলি বাস স্টপে। বিশেষ প্রয়োজনে কুষ্টিয়া দৌড়াইতে হইতেছে। ভাবিয়াছিলাম এই দুর্দান্ত গরমে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে চাওয়া হতভাগার দলে বোধ করি আমি একলাই রহিয়াছি। কিন্তি ইকি! বাস স্টপে আসিয়া দেখি লোকে লোকারণ্য। বুঝিলাম বিধি আসলেই বাম দল সাপোর্ট করেন। কেউ সিদ্ধ হবে কেউ হবে না, তা হবে না তা হবে না।
ভিড় ঠেলিয়া বাসে উঠিয়া দেখি বেস কয়েকটা সিট খালি পড়িয়া রহিয়াছে। আসন খালি থাকা সত্বেও কিছু লোক জনের দাঁড়াইয়া থাকিবার হেতু অনুসন্ধান করিতে গিয়া জানিলাম উহারা মফিজ গোত্রীয়। আসনে বসিতে হইলে যে অতিরিক্ত পয়সা গুনিতে হয় তাহা উহারা গুনিবে না। দুঃখে মনে মনে কিছুক্ষণ নিজ ললাট চাপড়াইলাম। আগে জানিলে আমিও দাঁড়াইয়া যাইতাম। সে যাই হোক পয়সা যখন গুনিয়াছি বাছিয়া বাছিয়া ভাল আসনখানা দখল করাটা আমার নৈতিক দায়িত্ব। ঠেলিয়া ঠুলিয়া জানালার পাশে একখানা আসন প্রায় ম্যানেজ করিয়া ফেলিয়াছিলাম, হেন কালে আমার চোখ পড়িল তাহার চোখে, চার চক্ষুর মিলন হইল। তাহার বাঁশরীসম নাক, মেঘ কালো কেশ, সুমিষ্ট কমলার ন্যায় অধর কোন কিছুই অবলোকন করিতে পারিলাম না কারণ তাহার সর্বাঙ্গ বোরকা দিয়া আবৃত। এক্ষণে বুঝিলাম কবি কেন বলিয়াছেন, "একটা বুরকা পরা মেয়ে পাগল করেচে!"। বিশ্বের তাবত মুসলিমের উপর আমার ভারী রাগ হইল। ইহাদের কারণে চৈত্রের এই দাবদাহে বেচারি নিজেকে হিজাবের আবরণে আবৃত করিয়াছে। কি পশ্চাদপদতা! জাগো গো ভগিণী! থুড়ি! এইখানে ভগিনী বলিলে আবার প্রবলেম। দেখিলাম তাহার পাশের আসনখানা খালি রহিয়াছে। মুহুর্তেই সিদ্ধান্ত বদলাইতে বিলম্ব হইল না আমার। হুড়মুড়াইয়া তাহার পাশে গিয়া বসিলাম। এইক্ষণে অনেকেই আমাকে লুল ভাবিতে পারেন। তাহাদের জোর গলায় বলিতে চাই, অসহায় এক নারীর পাশে দাঁড়ানো, নিদেন পক্ষে বসাটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাহার পাশে কোন এক লুল বসিয়া তাহাকে উত্যক্ত করিবে দেশের একজন সচেতন নাগরীক হিসাবে আমি ইহা কিছুতেই সহ্য করিব না। আহা বেচারী গরমে কী কষ্ট পাইতেছে। হাতপাখা খানা হাতে লইয়া তীব্রভাবে বাতাস করা শুরু করিলাম। ভাবখানা নিজেকে বাতাস করিতেছি ছিটেফোঁটা তাহার পানে ছুটিতেছে। কিন্তু এ পথে হইবে না। তাহার সাথে ভাব জমাইতে হইলে আমাকেই পদক্ষেপ নিতে হইবে এবং এসব ক্ষেত্রে পিছপা হওয়াটা আমার স্বভাব নহে। সূতরাং তাহাকে বলিলাম যে প্রয়োজনে তিনি আমার হাতপাখাখানি ধার করিতে পারেন। ছোট একটা ধন্যবাদ দিয়া সে আমার হাত হইতে হাতপাখাখানি প্রায় ছিনিয়া লইল। কিন্তু তাহার ছোট্ট ধন্যবাদখানি আমার কানে চিনিসম সুমিষ্ট ঠেকিল, বুকে শেলসম বিঁধিল। হাতপাখার শোকে কাতর হইলাম না কারণ আমার হৃদয় তখন স্বপনের রঙীন পাখা মেলিয়াছে।
আরিচা ঘাট আসিতে আসিতে তাহার সহিত আমার সখ্যতা তীব্রতর হইল। নিজের পারফর্মেন্সে নিজেই নিজের পিঠ চাপড়াইলাম মনে মনে। ফেরিতে উঠিবার পর সে জানাইল সে তৃষ্ণা বোধ করিতেছে এইক্ষণে কিছু কেক কুকের শ্রাদ্ধ করা যাইতে পারে। শুনিয়া আমি খানিক দমিয়া গেলাম। কবি সাধে বলেন নাই, "ভালবাসা মোরে ভিখারী করছে ...."। আমার মনোভাব বুঝিয়াই কিনা জানি না সে বলিল কেক কুকের ব্যবস্থা তাহার সাথেই রহহিয়ছে। শুনিয়া আমার হৃদয় পুনরায় পুলকিত হইল। কেক অথবা কুক কোন একটার শ্রাদ্ধ করিতে গেলেই তাহার আব্রু খুলিয়া যাইবে, শ্রীমুখ খানি দেখিতে পাইবো এই ভাবিয়া পুলক দ্বিগুন হইল। তাহার হস্ত হইতে আমার হস্তে কোকের বোতলখানি সমাগত হইবার সময় তাহার আলতো স্পর্শ পাইলাম আবারও পুলকিত হইলাম। পুলকিত আমি অগ্র পশ্চাৎ বিবেচনায় না নিয়া কোকের বোতলখানি এক নিঃশ্বাসে নিঃশেষ করিলাম।
ইহার পর গতানুগতিক রাস্তায় চলিতে পারিতো কাহিনী। বালিকার সাথে কথা বলিয়া আমার সেল নাম্বার খানি তাহাকে হস্তগত করিতে পারিতাম। তাহার পর হাতপাখা খানা সমেত তাহাকে বিদায় দিতে পারিতাম। তাহার পর ম্যাসেঞ্জারে তাহার সহিত কথা হইতে পারিতো। ভালবাসা নামক কট্টিন জিনিসটাকে অনুভব করিতে পারিতাম। অতঃপর শুভ বিবাহের কর্ম সারিবার পর ব্লগে আমাদের প্রেম কাহিনী লইয়া পোস্টও আসিতো, কিন্তু হতভাগার কপালে পোড়া আলু ছাড়া আর কিইবা আছে। আমার ঘুম ভাঙিল সাত দিন পর কুষ্টিয়া সরকারী হাসপাতালে।সে পাষাণী আমার হৃদয় ছাড়া আর সমস্ত কিছু লইয়া পলায়ন করিয়াছে।





অপিষের কাজে দম ফেলানির টাইম পাইতাছি না .... লেখাটা ফাক পাইলেই পড়ুম , লেখাটা পড়ার জন্য হাত পা নিশপিশ কর্তাছে
নো প্রবলেমো। সময় মত পইড় আর একটা প্লাস দিও। আমি প্লাসের কাঙ্গাল।
কেউ কথা রাখে না... তাই বলে বিমা'ও না?!! পাপিষ্ঠ, পড়বো বলে কথা দিয়া, না পইড়া জ্বালায়ে গেলো মানু'র হিয়া...
ওহে রবি ঠাকুর----সেইরম অইচে....
আমি ভাবছিলাম অন্যরকম হইবো। যেহেতু বোরকার কথা বলা হয়েছিলো, ভাবছিলাম পর্দার ভেতর জেএমবি টাইপ কিছু হইবো। যাইহোক, সিক্যুয়েল মজা লাগলো। নিজের দূর্দশার কাহিনী খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুললেন।
থ্যাংকু। আপনার নিজের দুর্দশার পর্বটাও মন্দ হয় নাই। হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেছে।
হা হা হা। কঠিন রমজান কঠিন। এরম রম্য অনেকদিন পড়িনাই। হাসতে হাসতে চোখদিয়া পানি বারাইয়া গেল।
থ্যাংকু
একটা কুশ্চেন ছিল মানু। বুরকার উপ্রে দিয়া বাতাস যে দিলা সেইটা কি কচি মেয়েটার শরীলে লাগছে?
সেইটা আর জিজ্ঞাস করার টাইম পাওয়া গেল কই?
আমারটা ফেইল মার্চে।
কইছে আপনেরে। আপনার কারণে নতুন কইরা রম্য লেখার উৎসাহ পাইতাছি।
হা হা হা চরম হৈছে, ভাবতাছি, এইটার পরের পর্ব কে লিখবে?
কেউ আগাইয়া আসুন, অনুপ্রানিত প্রেন কাহিনীর সিক্যুয়াল বন্ধ হৈতে দিবেন্না---
এর জন্য যোগ্য কনটেস্টেন্ট হচ্ছে বিমা ভাই। আমি তার নাম সাজেস্ট করতাচি। কি বলেন শাওন?
নিচ্চিৎ নিচ্চিৎ, বিমা তো থাকবেই, তবু, নারী ব্লগারদেরও আগাইয়া আসা উচিৎ, লুলামী নিয়া----খিকয---
হ, খালি আম্রাই আমাগো দূর্দশা লইয়া রম্য লিখুম, হেইডাতো ফেয়ার না। নিচ্চয় হেগো কুনু না কুনু গঠনা আচে। সেসব বলগে আসুক।
তুমি এক্টা লেইখা ফেলো
আবার!!! পট্টি মার বন্ধ করেন টুটুল ভাই!!!
@ শাওনের সাথে আমি সহমতের উপ্রে একমত পোষন করিলাম।
এইজন্যই বলেচিলুম, সিলিং ফ্যান লইয়া ঘুরিবেন। তাইলে হয়তো ঐটা আলগানোর ভয়ে আপনাকে কেক্কুক সাধিতো না
ওরে অভাগা, দেশে এখন কারেন্টও থাকে না। সিলিং ফ্যান শুধু গলায় দড়ি দেওয়ার সময় কাজে আসে। ঐটা নিয়া ঘুইরা কি লাভ
হাসতে হাসতে জান শেষ। চরম রমজান আলী চরম!
চ্রম হইছে
বকলম এক্টা রিস্ক লৈবেন্নি? লেইখা ফেলান
আর যে যাই লিখুক রমজান আলী উরপে রঞ্জন উরপে মানু'র মতো হইব কিনা সন্দেহ। তয় মাঠে বাফড়া, মাসুম ভাই, মেসবাহ, অচিনদা, বিমা আর কানু গ্রুপের মতোন প্লেয়ার থাকতে কিচ্ছু কওন যায় না।
মানু'র লেখার ধারে কাছে যাওনের সাধ্য আমার নাই। মানু রকস্ (মানে ডায়মন্ড পাত্থর)।
পামের চোটে ফাইটা গেছি
জটিল জটিল;
মানুর করূণ কাহিনী পইড়া হাসতে হাসতে চোখ দিয়া পানি পড়তাছে।
মানুর কপালটাই খারাপ। নরম হাতের ছোঁয়ার লোভে সব গেলো।
সব যায়নাই মানুর হৃদয়খানি এখনো আছে সম্ভাবনা আছে এইরকম মর্মান্তিক কাহিনী আরো ঘটার
বলেন কি? হূদয় ছাড়া আর সব নিয়া গেছে?
হৃদয় থাকুক আর নাই থাকুক, দুনিয়াতে নারী জাতি থাকিলে কাহিনীর অভাব হইবে না।
খেক খেক ঃডি
মানু সত্যি কৈরা কও তো
তোমার সমস্ত কিছু লৈয়া পলায়ন করিয়াছে? চেক কৈরা কইতাছো?
তাইলে আর এই হুদামিছা হৃদয়া দিয়া কি করপা
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। মানু জবাব দেও। তোমার ইজ্জতের বেইজ্জতি করতাছে টুটুল।
বুঝি নাই
মানুষ, জটিল প্রশ্ন কিন্তু। জাতি উত্তর চায়
দেহ পাবি মন পাবি না টাইপ কাহিনী মনে হয়
ইস
হাহাহাহাহহাহা। জটিল হইছে। এমদম মাসুমীয় থুক্কু মানুষীয় হইছে।
ইয়ে মানে মানুর কি হৃদয় ছাড়া আসলেই কিছু ছিল?
কি বলেন এইসব? মানুর নাই?
নাই যে এইটা তো বুঝছ? কেন খামাখা সবার সামনে এইসব বইলা পুলাডার ভবিষ্যত আন্ধাইর বানাইতাছ? সরল মনে লেইখা ফালাইছে।
তাইলে বিয়া করতে চায় যে?
কত কিছু কইতে মন চাইতাছে, বলতে পারতাছি না
এইসব কি কও? ওর কি সখ আল্হাদ নাই?কবিতা লেখতে লেখতে জীবনটা তেজপাতা বানাইয়া ফেলছে, আজো প্রদীপরে শিখার দেখতে পাইলো না বরং সব হারাইলো।আহারে।তোমগো দিলে মায়া নাই?
যাক জইতা অন্তত আছে আমার পাশে, আর কি লাগে
এর পরে গোলে শট নিবো কে?????তাড়াতাড়ি রেডী হন।।টেনশন ভালো লাগছে না.........।
আপনি নিতে পারেন।
হে হে হে হে হে হে......... একমাত্র টুটুল ছাড়া সবার কপাল'ই মন্দ দেখতেছি
আহারে বেচারারা
টুটুল ভাইয়ের জীবনেও এইসব ঘটতে পারে। আমি শিওর শীতকালে জ্যাকেটের পাশাপাশি উনি বর্ষায় ছাতা এবং গ্রীষ্মে হাত হাত পাখা হাতে ঘুরতেন।
প্রেমিক বালক পাইলো শেষে কচি বালিকার দেখা
ভিড়ের বাসের দোকলা আসনে বসিয়া ছিল সে একা
কালবিলম্ব না করিয়া বসিল বালক পাশে
একেবারে কন্যার গা ঘেঁষে
আব্রুতে ছিল ঢাকা তাহার মুখশ্রী
চোখ দেখিয়াই লইলো বুঝিয়া বালিকাটি সুশ্রী
হৃদয় মাঝে জাগিল তব উর্মি উথালপাথাল
প্রণয় ভূত আর বালক জানিয়ো ঠিক বিক্রম-বেতাল
বালক ভীষণ ব্যস্ত হইয়া কন্যা-সেবা রত
"দর্শনধারী হইবো তোমার"- বালকের মনে ব্রত
তালপাখারি বাতাস করিল
গোপনে হা-হুতাশ করিল-
কন্যা ফিরিয়া চাও
কচি মনখানি নাও
কন্যা সহসা বালককে দিলো ভাও
শুনিলো বালক কন্যার মুখে 'ধন্যবাদ' -এর রা-ও
এবার বুঝি হইবে সূচনা মন দেয়া ও নেয়ার
কন্যা তব বালকের তরে দেখাইল খুব কেয়ার
কেক সাধিল, কোক সাধিল স্বীয় ঝুলিখানা খুলিয়া
বালক ভাবিল হ্যামলেট নিজেরে, বালিকারে ওফেলিয়া
প্রেম তৃষ্ণায় কাতর বালক লইল হাতে কোক
অমৃত সূধা চলিল গিলিয়া ঢোকের পর ঢোক
তারপরেতে কী হইয়াছে জানিতে বুঝি চাও?
হাসপাতালে ঘুমন্ত বালককে একবার দেখিয়া যাও
নিজের তেষ্টা জানিতে গিয়া বালক পড়িল ফাঁদে
সব হারাইয়া বিবস্ত্র বালক গুমড়ে গুমড়ে কাঁদে!
মান শেষ পর্যন্ত বিবস্র হৈয়া গেল ... আহারে পুলাডা
মারাত্বক হইছে। আইরিনরে স্বাগতম।
স্বাগতম আইরিনকে।
মানু শেষ পর্যন্ত বিবস্ত্র!আহারে ভালো পুলাডা সব হারাইলো।
মানু-দি বিবস্ত্র

manu the bibostro
জটিল জটিল
স্বাগতম আইরিন আপু ।
ফাইভ ষ্টার কবিতা হইছে।
কবিতা ভাল হইছে
ম্রাত্মক কবিতা হইছে। পুরাই সব্বোনেশে।

মারাত্মক হইছে
হাহাহাহা
এতো ভাব লন কেন? কুক খাওয়ানোর পয়সাইতো ছিল না, তো আবার নিবে কি?
পয়সা নেয় নাই তো তাতাপু। ইজ্জত নিছে। ইজ্জত লুট করছে।
ইজ্জত লুট করছে????সেই সময় কি মানু কইছে ছেড়ে দে শয়তান!!!!!!!!তোর বাড়িতে বাপ-ভাই নাই????তুই আমার.।.।।।
বুঝি নাই
হা হা হা।।
ভাইরে পারেনও আপনেরা! হাসতেই আছিইইইইই..হিহিহিহাহাহা..
লুলামির উচিৎ শাস্তি!
হ
ভাইরে একেবারে ফাডায়ালাইছেন!!
আপনের লেখা পড়ে আর লগ-ইন না করে পারা গেলনা।
এবির ইদানিংকার উথাল-পাথাল প্রেম প্রেম আবহাওয়ায় সিক্ত হইয়া এখন আমারও যে একটা উত্তরাধুনিক পেম কাহানি লিখতে মঞ্চাইতেছে
দেরি কিয়ের। জলদি দেন।
জলদি লিখেন
ওর একটা জ্যাকেট লাগবো। কে দেবেন? আওয়াজ-দি সাউন্ড দেন
আমি দিমু না
মাসুম ভাই আপনার দিকেই তাকায়া আছে। জ্যাকেট কি আসলেই দিতে চান নাকি এমনই থাকুক সেটা চান?
জ্যাকেট তো আমার কাছে নাই, আছে টুটুলের। নাজ দিবো কিনা বুজতাছি না।
দিলেই কি দিবেন নাকি পড়তে? সন্দেহ আছে যথেস্ট।
জ্যাকেট, শার্ট, লুঙ্গি যা হোক একটা কিছু দেন বেচারিকে। নাউজুবিল্লাহ। দেশে ধর্ম কর্ম থাকল না।
মানু ভাই অল টাইম রকস্
হা হা হা
সিলাম, সিলাম, বস।

বিয়াপক।
থেংকু থেংকু
খেক খেক, জটিল হইসে ... সিরিজ হিসেবে চলুক এ কাহিনী....
আমারটুকু আমি লিখলাম। বাকিটুকু সবাই করুক।
নাহ! ভাবছিলাম হইলেও হইতে পারে সুখস্মৃতি, কিন্তু যখনই কোক সাধা হইলো বুঝলাম এবার ও মানু গেছে!!... এটাও তার অনেকগুলো মনপোড়া স্মৃতির একটা...
আমার এক খালাতো ভাই একবার ট্রেনে একজনের সাথে ইফতার করতে গেছিলো, তিনি উনারে খেজুর খাওয়াইয়া সর্বসান্ত করেন নাই শুধু, আদর করে স্টেশনে রেখে গেছিল্ যেখান থেকে লোকেরা তারে হসপিটালে দিয়ে আসছে... ৭দিন পর তার জ্ঞান ফিরছে...
অনেক অনেক মজা লাগছে পড়তে, লুকিয়ে থাকা বান্দরটা জেগে উঠে কাজের কাজ করাইছে তোমারে দিয়া...
লোকজন সুখ স্মৃতি খায় না। আমি কি করব
: দারুন লাগলো,,,,,,,সব গিেয় েচ,,,,,,, ছোয়া টো পায়াছান
মন্তব্য করুন