বন্ধু - ২
আড্ডাবাজি চলে যখন তখন, ক্লাসের ফাঁকে, ক্লাসের পরে , দিনে রাতে, যখন যেমন ইচ্ছা তেমন। বাঁধা দেবার কেউ নাই, শাসন করার কেউ নাই, কোন নিয়ম কানুনের বালাই নাই। সে যেন এক আদিম উল্লাসের সময় । আজ এত বছর পর মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ কয়টা বছর যেন ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। ভাবি, ইস, যদি আরেকবার ফিরে পেতাম ! তাইলে মনে হয় একদম সব কিছু প্রোগ্রাম করে করতাম যেন কোথাও কিছু বাদ না পড়ে।
হলে গিয়ে অনেকের সাথেই গভির সখ্যতা হয়ে গেল। ডালিম ছিল আমার রুম মেট, সেই অনার্স থেকে শুরু করে মাস্টার্স এর শেষ পর্যন্ত।আরো প্রিয় বন্ধুরা হোলো ফজলু, এনু, বাচ্চু, মুকুল, ওয়াসিম, লেবু, শাহিন(গিট্টূ), পিন্টূ। এরা সবাই হয়ে গেল আমার জানের দোস্ত। একসাথে পাশা পাশি রুমে থাকা, পড়া, খাওয়া সব কিছুই একসাথে। হলে না থাকলেও প্রতিদিন বাসা থেকে এসে আড্ডায় যোগ দিত আব্বা, মামু, সিমু।একটা দিন ও মনে করতে পারিনা আমরা কেউ কাওকে না দেখে পার করেছি। দল বেঁধে ক্লাস করা, পরিক্ষা দেয়া, এক রিক্সায় তিন জন করে বসা, ক্লাসের পর চানখার পুলের নিরব কিংবা ঢাকা কলেজের সামনে চিটাগাং হোটেলে খেতে যাওয়া, বলাকায় সিনেমা দেখতে যাওয়া, নিউমার্কেটে বালিকা দেখতে যাওয়া, কোন কিছুই কাওকে বাদ দিয়ে হত না।
শাহিন কে আদর করে আমরা গিট্টু বলে ডাকতাম কারন ও খুব শর্ট আর গোল গাল ছিল। নিলখেতের ছেলে , বাসা এত কাছে, কিন্তু হলেই থাকতো আড্ডার লোভে। একবার মটর সাইকেল এক্সিডেন্ট করে গিট্টু পা ভেঙ্গে অনেকদিন বাসায় শুয়ে থাকলো, আর আমাদের তখন ডাইলি আড্ডাটা ওর খাতিরে ওর বাসাতেই হত, অর প্লাস্টার করা পায়ে যার যা খুশি লিখতাম উলটা পালটা। গিট্টু আর্মিদের মত ছোট করে চুল কাটত আর সান গ্লাস পরতো। মটর বাইকে তিনজন চড়লে ট্রাফিক সার্জেন্ট ধরতো, গিট্টুকে দেখে আর্মি মনে করে অনেক সময় ছেড়ে দিত, আর যদি পাত্তা না দিত, গিট্টু খুব অফেন্ডেড হয়ে পুলিশের সিরিয়াল নাম্বার জিজ্ঞেস করতো, তখন পুলিশ ভয় পেয়ে যেত। এটা খুব মজার ব্যাপার ছিল।
এরমধ্যে আমরা আস্তে আস্তে রাজনিতির সাথে জড়ালাম মজা করতে করতেই। শাহিন কলেজ থেকেই ছাত্রলিগ করতো। আমরা যোগ দিলাম জাসদ এ। আদর্শগত কোন কারন ছিলনা। জাস্ট মিছিল করা, স্লোগান দেয়া, আর এটেনশন পাওয়া। জাসদ করে মজা পাচ্ছিলাম না। বড় দল গুলির দৌড়ানি খেতে ভাল লাগছিল না। তাছাড়া সিঙ্গেল রুম ও পাচ্ছিলাম না। তখন আমরা দেখা করলাম একটা বড় দলের হল কমিটির নেতার সাথে। উনি ত মহা খুশি আমাদের এত বড় গ্রুপ দেখে। সানন্দে আমাদের নিয়ে নিলো দলে আর একসাথে পাশা পাশি সব সিঙ্গেল রুম দিয়ে দিল আমাদের। আমরা তো এত সুযোগ সুবিধা পেয়ে উল্লসিত। মজার ব্যাপার হল আমরা কেউ কোন মাস্তান বা নেতা কিছুই ছিলাম না। কিন্তু দল বেঁধে ঘোরার কারণে সবাই ভাবতো আমরা একটা কিছু। এটা বুঝতে পেরে আমরা নিজেরাই হেসে অস্থির হয়ে যেতাম।
রাজনিতির সাথে জড়িয়ে আমরা দেখেছি ছাত্র রাজনিতি আর কিছুই না , জাস্ট ভাব নিয়ে চলার জন্য সবাই জয়েন করে , পরে হয়ত অনেক বখে যায় আর অনেকে ওটাকেই মাল কামানো আর ঊপরে উঠার সিড়ি হিসেবে নিয়ে নেয়। এখানে কোন ই আদর্শগত ব্যাপার নাই, ট্রাস্ট মী ।
সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের সময়ের মানে আশির দশকের অনেক ছেলেরাই যারা আমাদের খুব পরিচিত আর একসাথে মিছিল মিটিং করেছি পরবর্তিতে এম, পি, মন্ত্রি হয়েছে। খুব অবাক হয়েছি এটা দেখে এইজন্য যে আমাদের চেয়ে ভাল কে আর চেনে ওদের। যাইহোক , তবুও বল্বো, অনেক চোর বাটপার মন্ত্রীর চেয়ে ওরা অনেক বেটার।
ফার্স্ট ইয়ারেই আমাদের প্রিয় বন্ধু ফজলু'র বিয়ে ঠিক হয়ে গেলো। প্রেমের বিয়ে। যেতে হবে যশোরের এক গ্রামে। নো চিন্তা। আমরা সবাই চাঁদা তুলে একটা ১৪ ইঞ্চি সাদ কালো টি ভি কিনে ফেললাম উপহার হিসাবে, তারপর ব্যাগ গুছিয়ে বাসে চড়ে জীবনের প্রথম রওনা হলাম যশোর আমরা ১৫ জন।
অনেক হাসি ঠাট্টা আর গল্পের ভিতর কখন আমরা এত লম্বা জার্নি করে যশোর টাউনে পৌছে গেলাম টের ই পাই নাই।ওখানে ফজলুর এক বন্ধুর গ্যারেজে আমাদের খাওয়া দাওয়া আর রেস্টের ব্যবস্থা হল। তারপর তিন চাকার ভ্যান গাড়িতে চড়ে উচা নিচা মেঠো পথ ধরে আমরা রওনা দিলাম গ্রামের পথে। ঘন্টাখানেক পরে আমরা যেখানে পৌছলাম সেখানে কোন দালান কোঠা নাই, ইলেক্ট্রিসিটি নাই, আছে শুধু সবুজ গাছপালা, ধান ক্ষেত, আর কিছু মাটির ঘর। অদ্ভুত ভাললাগার মত নিরব আর শান্ত একটা গ্রাম।
বিয়ে উপলক্ষে ফজলুর বাবা দেয়ালের উপর টিনের চাল দিয়ে আলাদা দুইটা রুম বানিয়েছে। ওটার একটা রুম আমাদের দেয়া হোলো। ঘরে কোন আসবাব নাই, মাটির ওপর চাটাই বিছিয়ে তার ওপর তোশক আর চাদর বিছানো। সবাই খুশিতে আত্মহারা, একসাথে ঘুমাবো সবাই। দুইদিন পর বিয়ে।
রঙ্গিন কাগজ কেটে গাছের সাথে ঝুলিয়ে পুরা বাড়ি সাজান হল। ভুরি ভোজন আর প্রচুর ফ্রেশ গাঁজার ব্যবস্থা হোলো। পল্লী বিদ্যুতায়ন থেকে তদবির করে ইলেক্ট্রিসিটির টেম্পরারি লাইন পাওয়া গেলো । ঢাকা থেকে আনা বনি এম এর গানের ক্যাসেট বাজতে থাকলো মাইকে। আর আমাদের নন স্টপ তাস খেলা চলতে থাকলো।গ্রামের বাড়িতে রাত হয় তাড়াতাড়ি, কিন্তু গভীর রাতেও আমাদের চোখে কোন ঘুম নাই, যেনো ঘুমালেই যদি কিছু মিস করে ফেলি এই ভয়ে সবাই জেগে আছে আর কথা বলছে।
ভুরিভোজনের পর কারো কারো প্রকৃতির ডাক এলেও দিনের বেলায় কেউ সেটা সারতে চায় নাই কারন ওদের টয়লেট বাড়ির পিছনে তাল পাতা দিয়ে ঢাকা কাঁচা টয়লেট। প্ল্যান হল রাত আরো গভির হলে সবাই মিলে ধান ক্ষেতের আইলে গিয়ে কাজ সেরে আসবে।
ভাংতি পয়সা দিয়ে ২/৩ দলে ভাগ হয়ে আমরা সবাই তিন তাস খেলছিলাম। হটাত ফজলু এসে বললো " তোদের সবার মানিব্যাগ, ঘড়ি, আংটি, চেইন সব দে", অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম " কেনরে, কি হইসে/", ফজলু তখন বললো যে ওদের গ্রামে নকশালের খুব উতপাত আছে। খবর এসেছে এই বারিতে ঢাকা থেকে বিয়ে উপলক্ষে মানুষ এসেছে আর ওদের কাছে অনেক টাকা পয়সা আছে, ওসব লুট করতে আসবে।এটা শোনার পর আমি ভাবলাম সবাই হয়ত বলবে, আরে ধুর, এটা কোন ব্যাপার নাকি, আমরা সবাই মিলে ফাইট করবো, ভয়ের কি আছে? কিন্তু ঘটনা ঘটল ঠিক তার উলটা।
আমাদের সবার চেহারা ভয়ে পাংশু হয়ে গেল, মিছিল করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওজোয়ান রা সবাই ইদুর হয়ে পারলে গর্তে ঢুকে পড়ি এই অবস্থা।আগের প্ল্যান ছিল সবাই মিলে ধান ক্ষেতে যাবো প্রাকৃতিক কাজ সারতে, কিন্তু দেখা গেলো ওই খবর শোনার পর আর কারো সাহস নাই ঘর থেকে বের হবার, যে যেমন পারল গুটি শুটি মেরে শুয়ে পরলো।
পরদিন জেনেছিলাম নকশাল রা ঠিক এসেছিলো, কিন্তু ফজলুর স্থানীয় বন্ধুরা আবার নকশালদের বিরোধী দল্কে অনুরোধ করেছিল যেন বাড়ি পাহারা দেয়। সকাল হতেই উঁকি মেরে দেখি বেশ কজন মানুষ রামদা, বল্লম, আর গাদা বন্দুক নিয়ে এখানে সেখানে হাটা হাটি করছে, পরে বুঝলাম এরা আমাদের আক্রমণ করতে নয়, পাহারা দিতে এসেছে। যাক, বাচাঁ গেলো এ যাত্রা !
নকশালের ভয়ে আমাদের উল্লাসে একটূ ভাটা পড়লো। ফজলু যতই অভয় দিচ্ছিল ভয় না পেতে, কিন্তু আমাদের মনের অবস্থা হল, এখান থেকে পালাতে পারলেই বাঁচি। বিয়ের দিন চলে আসলো।
আমরা সবাই বরযাত্রি হয়ে ফজলুকে বর সাজিয়ে হেটেই ওদের পাশের বাড়িতে মানে কনের বাড়িতে গেলাম। কলাগাছ দিয়ে বানানো তোরণে গেইট ধরেছে ছেলে মেয়েরা। আমরা আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম কত দিবো, তবুও একটু দর কষা কষি চলছিলো। কিন্তু বেশি সময় নিচ্ছে দেখে জামাই মুখের রুমাল ফেলে গেইট ঠেলে ঢুকে পড়ল আমাদের নিয়ে। এখানে ফজলু সম্পর্কে একটু বলি। ফজলু আমাদের তুলনায় বেশ বড় সড়, গায়ে প্রচুর শক্তি, আর খেতে পারে মহিষের মত, একাই দশ জনের খাবার খেতে পারে। ঢাকা থেকে আসা তার প্রিয় বন্ধুদের এভাবে বাইরে দাঁড় করিয়ে দর কষা কষী ফযলুর কাছে বেশি বাড়া বাড়ি মনে হয়াতে নাকি সে এরকম করসে, আর এটা নিয়ে পরে ফজলুর বৌয়ের কাছে আমাদের অনেক কথা শুনতে হইসে।
যথারিতী বিয়ের পর্ব শেষ হল, খাবার দেয়া হয়েছে জামাই আর বন্ধুদের জন্য স্টেজে। বিরাট ডিসে করে গোটা ছাগলের রোস্ট। এর আগে আমি আর কখনো ছাগলের গোটা রোস্ট দেখি নাই। অবাক হয়ে হাঁ করে তাকিয়ে থাকলাম কিছুক্ষন আমরা সবাই। কিন্তু সেটা বেশিখন নয়, ক্ষুধার্ত ছিলাম, তাই সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়লাম ছাগলের ঊপর, আর মিনিট বিশেক পর দেখা গেলো ছাগলের হাড় গোড় ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নাই।
নতুন বৌ কে পাল্কিতে চড়িয়ে আমরা বন্ধুরা পালকি কাঁধে নিয়ে ফজলুর বাড়িতে রওনা দিলাম, ফজলুর খুব সখ ছিল সেও পাল্কিতে বসবে, কিন্তু ওর ওজন বেশি , তাই বেচারা আমাদের সাথে হেটেই বাড়ি ফিরলো। তখন প্রায় ঘোর সন্ধ্যা। মনের ভিতর নকশালের ভয়, তাই হাসি ঠাট্টা অনেক কমে গেছে। তাড়া তাড়ি রাত কাটিয়ে কখন ঢাকা রওনা হব তার জন্য অধির অপেক্ষা,কিন্তু মুখে বলতে পারছিলাম না, পাছে ফজলু মন খারাপ করে তাই।
পাশাপাশি ঘরের একটায় আমরা বন্ধুরা, আর পাশেরটা ফজলুর বাসর ঘর।দুই ঘরের মাঝখানে হালফ ওয়াল তার উপরে ভি শেইপে টিনের চাল। চাল আর ওয়ালের উপর কোন কিছু দেয়া নেই, ইচ্ছা করলেই উঁকি দেয়া যায়, আমাদের প্ল্যান ও তেমনি ছিল । ফজলু তো আমাদের মত একি গোয়ালের গরু, তাই আমাদের মাথায় কি প্ল্যান আছে সেটা ঠিক বুঝে ফেলেছে। সে যথারিতি ঘরে গিয়ে কাপড় পালটে কিছুক্ষন পর বৌকে নিয়ে আমাদের ঘরে চলে এলো। আমরা তো অবাক। বললাম, এই বেটা, তুই এখানে কি করিস, যা ভাগ তোর বঊ নিয়ে। সে হেসে বলে, নারে দোস্ত, তোদের ছেড়ে আমাদের ঘুম হবেনা, আমরা আজ রাতে সবাই আড্ডা মেরে কাটাবো, আর এটাই আমার বাসর রাত ।
ব্যস, শুরু হয়ে গেলো আড্ডা, চললো সারা রাত। কেউ আর ঘুমায় নাই। সকাল হতেই আমরা ভ্যান গাড়িতে চড়ে সবাই রওনা দিলাম ফজলুকে রেখে টাউনের উদ্দেশ্যে।
অনেক আনন্দ, মজা, ভিন্ন অভিজ্ঞতা, ভাল লাগা, ভয় ভীতি সব কিছু মিলিয়ে মনে রাখার মত একটা ভ্রমন ছিলো সেটা আমাদের, যা আমি কোন্ দিন ভুলি না।
আজ এত বছর পরেও আমাদের সবার বন্ধুত্ব এখনো অটল আগের মতই। হয়ত আমরা আর আগের মত বন্দনহীন নই, সবার বয়স হয়েছে, লেজ গজিয়েছে, জীবিকার প্রয়োজনে দেশ বিদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে গেসি, কিন্তু যোগাযোগ এখনো অটুট। প্রায় ই ফোনে কথা বলি, দেশে গেলেই দেখা হয়, একসাথে আড্ডা মারি, স্মৃতি রোমন্থন করি, প্রান খুলে হাসি, খোচা খুচি করি, সেসব একটু ও কমে নাই।
আমি বন্ধুত্বকে অনেক উপরে আসন দেই, আসোলে সব কিছুর উপর। প্রিয় বন্ধুর সাথে আর কারো তুলনা চলেনা। একটা প্রেমিকা চলে গেলে কাঠ খর পোড়ালে আরেকটা প্রেমিকা পাওয়া যেতে পারে, স্ত্রী চলে গেলে, মরে গেলে কিংবা ডিভোর্স হয়ে গেলে সেটা রিপ্লেইস করা যায়, কিন্তু মনের সাথে জিড়িয়ে থাকা প্রিয় বন্ধুকে হারালে তার স্থান আর পুরন হয়না কখনো।জীবনের এমন কিছু কথা থাকে যা শুধু প্রিয় বন্ধুকেই বলা যায়, কলেমা পড়ে বিয়ে করা স্ত্রীর সাথেও ওসব শেয়ার করা যায়না। এক গ্রন্থিতে বাঁধা আর এক শিকড়ে বেয়ে উঠা যৌবনের শ্রেষ্ঠ সাথী বন্ধুর তুলনা শুধু বন্ধুই হয়, আর কেউ নয়।





নতুন বৌ কে পাল্কিতে চড়িয়ে আমরা বন্ধুরা পালকি কাঁধে নিয়ে ফজলুর বাড়িতে রওনা দিলাম, ফজলুর খুব সখ ছিল সেও পাল্কিতে বসবে, কিন্তু ওর ওজন বেশি , তাই বেচারা আমাদের সাথে হেটেই বাড়ি ফিরলো। @ এমন বেয়ারা হওয়া অনেক ভাগ্যের।
সে যথারিতি ঘরে গিয়ে কাপড় পালটে কিছুক্ষন পর বৌকে নিয়ে আমাদের ঘরে চলে এলো। আমরা তো অবাক। বললাম, এই বেটা, তুই এখানে কি করিস, যা ভাগ তোর বঊ নিয়ে। সে হেসে বলে, নারে দোস্ত, তোদের ছেড়ে আমাদের ঘুম হবেনা, আমরা আজ রাতে সবাই আড্ডা মেরে কাটাবো, আর এটাই আমার বাসর রাত @ অতুলনীয়
এক নিশ্বাসে পড়লাম। অনেক ভাল লেখেছেন। অনেক
একটানে পড়লাম অনবদ্য!
ইয়ে! চাংখারপুলের আশেপাশে আরো কি সব আখড়া ছিল...?
ভাল লেখা। মজা নিলাম ... চলুক।
আহ্্ দারুন। চলুক।
ভাল লাগলো। লিখতে থাকুন, সাথে আছি।
সবাইকে ধন্যবাদ আমার লেখা পড়ার জন্য
একটানে পড়লাম অনবদ্য!
মন্তব্য করুন