অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৬ জন অতিথি অনলাইন

আবোল-তাবোল

ঠান্ডায় কাহিল হয়ে গেছি, কাশি আর গলার ব্যাথা। হুনছি অরজিনাল ফেন্সি খাইলে কাশি লুকানোর পথ খুইজা পায় না, Batting Eyelashes রিস্ক নিবো ভাবলাম, কিন্তু দাম শুইনা চান্দি Angry গরম হইয়া গ্যাছে। ১০০০ টাকা অনলি।
কমদামের ও আছে, কিন্তু প্রশাব মিশ্রিত থাকার সম্ভাবনায় গলার ব্যথা আর কাশিরে হজম কইরা কম্পুর সামনে বসে আছি।
Cool :[ বোকা বিভিন্ন ধরণের হয়। দেখেন তো এইগুলার সাথে নিজের মিল খুইজা পান কিনা Laughing out loud

* কেউ মিসকল দিলে আপনি সাথে সাথে কলব্যাক করেন।
* মশা কামড়ালে আপনিও মশাকে কামড়াতে চান।
* ছ্যাঁকা গিফট করার পরও আপনি প্রেমিকার পিছু হাঁটেন।
* বিয়েবাড়িতে উপহার দিয়েও আপনি না খেয়ে চলে আসেন।
* ছাতা ভিজে যাওয়ার ভয়ে বৃষ্টিতে আপনি ছাতা মাথায় দেন না।
* জুতার তলা ক্ষয় হবে বলে জুতা আপনি মাথায় করে পথ চলেন।

মানিব্যাগের বিভিন্ন ব্যবহার সম্বন্ধে একটু উপদেশ দেয়। Laughing out loud

একটি ফটো স্টোরি: শেষ পর্ব

প্রথমেই স্বীকার করে নিই, আগের পর্বে মহাস্থান গড় জাদুঘরে ঢোকার রাস্তার ছবি দিলেও ওইটা ছিলো একটা শুভংকরের ফাঁকি প্রায়। কারণ জাদুঘরের ভেতরে ক্যামেরা ব্যবহার করতে অনুমতি লাগে। এত বড় প্রত্নতাত্তিক জাদুঘর আমি আগে দেখি নি। এখানে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন সময় যা কিছু সম্পদ খুঁজে-খুঁড়ে পাওয়া গেছে, যুগ ভাগ করে করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। তবে মুসলমান যুগের নিদর্শনগুলোর সংখ্যা হাস্যকর রকমের কম এবং সেগুলোর মানও তত উন্নত নয়।
এক্ষেত্রে হিন্দুদের মহিমা স্বীকার করতেই হবে। বিশেষ করে তাদের তৈরী দেব-দেবীর মূর্তিগুলোর ভেতরে যে বহুমুখী অর্থ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, অবিশ্বাস্য ব্যপার-স্যপার! এছাড়া যুদ্ধের পোশাক, মেয়েদের অলংকার, গৃহস্থালী সামগ্রী'র যা নমুনা দেখলাম, এককথায় অ-সা-ধা-র-ণ।

হঠাৎ পড়লো মনে

পুষির কথা মনে পড়লো হঠাৎ। না, না, আমার পুষি বিড়ালের কথা না । যদিও আমার ধবধবে সাদা পুষি বিড়ালটা ছিল বিড়ালকূলের গর্ব এক অনন্য ব্যতিক্রম । তাকে মনে পড়ে প্রায়ই । এত বাধ্য একটা বিড়াল নিয়ে যে কেউ গর্ব করতেই পারে, কারণ সে কথনও চুরি করে খেতনা । বরং অন্য বিড়াল, এমনকি কুকুরকেও সে আটকে দিত আমার কোন খাবার চুরি করা হতে । উঠোনে বসে খাবার খেলেও সে কাক বা হাঁস-মুরগীদের কাছে ভিড়তে দিত না । তার নির্দিষ্ট পাত্র ছাড়া অন্য কোন পাত্রের খাবারের দিকে সে ফিরেও তাকাতোনা । তবু আজ তার কথা নয় । সেই ছোট্টবেলায় তার অকাল প্রস্থানে ধূলায় গড়াগড়ি দিয়ে কত যে কান্নাকাটি করেছিলাম, সে কথাও আজ নয় । আজ অন্য এক পুষির কথা হঠাৎ করে মনে পড়লো । এই পুষিটা হচ্ছে একটা মেয়ে, আমাদেরই প্রতিবেশী ।

বুদ্ধিমানের প্যাচালী

অনেকগুলা খালাতো-মামাতো-চাচাতো ভাইবোন থাকলে অনেক প্যাচ লাগে যেমন মজাও হয় তেমনি, একেকবারের আড্ডায় শুরু হয় কাউকে নিয়ে পচাঁনি দেয়া, তাতে বের হয় কতো কতো না জানা কাহিনী! সাধারনত একজনের একের বেশি কাহিনী থাকে না তবে ব্যতিক্রম ও থাকে। তেমনি এক আড্ডায় পাওয়া এক কাজিনের কাহিনী, যা কি না দেখা গেলো ছোটকাল থেকেই ঘটনাবহুল! Laughing out loud

বাসবন্ধু...

বিয়ের পরের শব্দ...গুলো

মাকে খুশি করতে পারার মতো আনন্দ আর নেই। ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি মা পান খান। এবং এক খিলি পান এগিয়ে দিলেই মা খুশি। মাকে খুশি করা যে খুব সহজ- এটা জানতাম ২৯ বছর পর্যন্ত।
এরপর জীবনের কোনো এক লগ্নে এসে বিয়ে করতে হলো। আমার আড়াই যুগের ধারণা পাল্টাতে সময় লাগল আড়াই দিনেরও কম। পান আনতে মনে ছিল না। কিন্তু ব্যাখ্যাটা হলো এরকম- বিয়ে করে পাল্টে গিয়েছি! অথচ আগেও কতদিন ভুলে গিয়েছি পান আনতে। তখন এমন কথা শুনিনি। ওদিকে মায়ের কাছে গেলে, মায়ের সঙ্গে গল্প করলে বউকে তার জবাবদিহি করতে হয়। হায়, এ কোন জীবনে প্রবেশ করলাম আমি! মা আর বউয়ের মাঝে একটা দেয়াল খুঁজে পেলাম। এপাশে গেলেও দেয়ালে পিঠ ঠেকে, ওপাশে গেলেও ঠেকে যায়।

আড়ালের মানুষ

বাবা শব্দটা আসলে মা শব্দটার মত অত মধুর নয়। মা বললেই আমাদের সামনে আসে মমতাময়ী নারী যিনি বাসায় আসতে দেরী হলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। পাশে বসে ভাত খাইয়ে দেন। আর বাবা!! বাবা বলতে আমরা সাধারনত বুঝি গুম্ফধারী এক ব্যক্তিকে যিনি বাসায় আসতে দেরী হলে কোমড়ে হাত দিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, আর বিরবির করে বলতে থাকেন “হারমজাদাটা আজকে আসুক। পিটিয়ে আড্ডাগিরি যদি না ছুটাইছি??” ইনিও প্রায়ই খাবার টেবিলে সঙ্গপ্রদান করে থাকেন। তবে তা মার তুলনায় চিরতার রসের মত সঙ্গ। এই সময় আলোচনা চলে পাশের বাসার অমুকের ছেলে তমুকের জীবনের সাফল্যের কথা।

শীত এলো বন্ধু, শীত এলো।

(এক বন্ধুবরকে উৎসর্গিত)

১।
শীত এলো বন্ধু, শীত এলো
গতকাল শুক্রবারে মসজিদে নামাজে একটাও ফ্যান চলেনি
বুঝা গেলো বন্ধু, শীত এলো।

শীত এলো বন্ধু, শীত এলো
অফিসে অনেক টাইস্যুট, সুয়েটার চাদর পরা দেখছি
বুঝা গেলো বন্ধু, শীত এলো।

শীত এলো বন্ধু, শীত এলো
ব্লগে ব্লগে পিকনিকের আমেজে খুশির বন্যা চলছে
বুঝা গেলো বন্ধু, শীত এলো।

২।
শীত এলো বন্ধু, শীত এলো
সকালে ঘাসের পাতায় শিশির বিন্দু দেখার দিন এলো
শীত এলো বন্ধু, শীত এলো।

শীত এলো বন্ধু, শীত এলো
গ্রামীণমেলায় মিঠাই নিয়ে নগরদোলায় দোলার দিন এলো
শীত এলো বন্ধু, শীত এলো।

শীত এলো বন্ধু, শীত এলো
স্বামী স্ত্রীদের একই কম্বলে ঘুমানোর দিন এলো
শীত এলো, শীত এলো।

আমি অমুক এই মর্মে শপথ করছি যে...

সাঈদের পিকনিক সংক্রান্ত পেচ্ছাপেছি পোস্টটা বেশ জমে উঠেছে।
আমি ব্যস্ত মানুষ, সময় পাই না। তারপরও আড্ডা, পিকনিক আর
পেচ্ছাপেছির কথা শুনলে শরীরের মধ্যে কেমন জানি প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়।
আমি সময় বের করে ফেলি। তো যা বলছিলাম...
ছোটদের, বড়দের, সকলের... অনুরোধ, আবেদন আর নিবেদনের পাশাপাশি
মুঠোফোনে এসএমএস এসবের কারনে একটু সময় বের করে নেবার ব্যাপারে
চেষ্টা করে সফল হয়েছি। অতএব,

প্রিয় ভাই, বোন, বন্ধুরা-
আমি অমুক এই মর্মে শপথ করছি যে, আগামী ডিসেম্বর মাসের যে কোনো
শুক্রবার সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এবি বন্ধুদের বাৎসরিক পিকনিকের
জন্য যে স্থান নির্ধারিত হবে- তার সাথে আমি সম্পৃক্ত থাকবো এবং
পিকনিকটি সম্পূর্ণভাবে সফল করার জন্য আমার তরফ থেকে যা যা করার
তা অবশ্য আমি সুচারুরুপে সম্পন্ন করবো।

এলো বুঝি পৌষ মাঘের পালা, হালা, এইবার পিকনিকের ঠ্যালা সামলা !!!

হেডিং দেখে কেউ মাইন্ডাইয়েন্না ,
পিকনিক নিয়া ২ ছত্র লেখার চেষ্টা করছিলাম আর কি !!!

দেখতে দেখতে আরেক টা শীতকাল চলে এল। গত শীতে এবি থেইকা পিকনিকে গিয়া যে মজমা , যে ফূর্তি করছে সেটা মনে উঠলেই এখন পিকনিক করতে মঞ্চায় শুধু।

সক্কাল সক্কাল বের হইলাম, বাসে চড়লাম, কিছুদূর গিয়া টায়ার ফাটলো ( টায়ারের উপর জয়িতা বইছিল বলেই নাকি টায়ার ফাটছিল, লোকমুখে শুনি)। মেসবাহ ভাই আমাদের নিয়া গেল সেইইই গাজীপুরের ভিতরে কোন এক বনে। এর থেইকা সুন্দরবন আরো কাছে মনে হয়!!! একদম সকাল ১২ টার সময় পৌছলাম সেখানে। পাশে ছিল পদ্মা নদীর লেক। সেখানে নৌকায় চড়লো বালকেরা, বালিকারা বৈঠা বাইলো। কেউ কেউ নদীর লেকের পাড়ে বাঁশী বাজাইলো কেউবা উদাস হয়ে দেখলো বউ পাশে নিয়ে। ব্যাচেলর ছেলেরা নারীদের হাসি দেখে গলে গলে পড়লো, ক্লিক ক্লিক করে ছবি তুলতে লাগলো।

সঙ্গীতের বাস্তব প্রয়োগ

শচীনদেব বর্মনের গান কেমন লাগে আপনার? তার “ডাকাতিয়া বাঁশী” শুনেছেন? গানটা আমি শুনেছি অনেকবার, কখনো অনেক ভাল লেগেছে, আবার কখনওবা তেমন একটা আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি । মনের খেয়াল, কখন কোনটা ভাল লাগবে তা মনই ভাল বলতে পারে । তা’ছাড়া, যে জিনিষটাকে আমরা যেখানে যেমনভাবে দেখতে অভ্যস্ত, অথবা ইচ্ছুক তেমনভাবে দেখা পেলে ভাল লাগাটা উপচে ওঠে । তবে অন্য রকম কি আর হয় না ! তাও হয় । আশা করি আপনারাও শুনেছেন এ বিখ্যাত গানটি । তবে, দেখেছেন কখনও এ গানের অপরূপ বাস্তব প্রয়োগ? না, আমিও দেখিনি, তবে বাস্তব প্রয়োগের চমকপ্রদ এক কাহিনী শুনেছি । যদিও সময় ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দেখবার সৌভাগ্য (?) হয়নি ।

এগিয়ে চলা...

শূন্যে ভেসে ভেসে একদিন মনে হল হঠাৎ
আর কতদিন এভাবে ভেসে বেড়ানো
হাওয়ার পালের লাগাম টানা বোতাম টাকে
চেপে দিয়ে হারিয়ে যাবার সময়টুকু নিঃস্তব্ধ
অপলক ভাবে অনুভব করার কল্পনাগুলোকে
আর পেছনের ঐ বদ্ধ দরজায় গুমোট করে না রেখে
সময় এসেছে এগিয়ে জয়োল্লাস করার।
চেপে রাখা নিঃশ্বাসের সবটুকু শেষ করে নতুন শ্বাসে
জীবনের স্বাদকে মনের আলমারীতে তোলার।

----------------------------------------------

বিস্মৃত স্মৃতি

সেই কবেকার কথা । কিন্তু কিছুতেই তা ভুলতে পারা যায়না । আর কিই বা এমন বিষয়! ব্যাপারটাতো মাত্র চারআনার (পচিঁশ পয়সা) । কত টাকা, কত শতটাকা, এমনকি কত হাজারটাকা চলে গেছে কত ভাবে! সেসব নিয়ে কখনও-সখনও একটু দুঃখবোধ জাগলেও ঐ চারআনার কথা কোনমতেই ভুলতে পারেননা জামিল আহমেদ ।

আমার সেই বন্ধুর সরল স্বীকারোক্তি - ২

এরপর প্রায় দেখতাম মেয়েটিকে। দেখা হলে মুচকি মুচকি হাসতো। এমনি একদিন দুপুর আড়াইটার দিকে, ৩ বন্ধু মিলে দোকানের সামনে বসে আছি। দুপুরের সময় আবাসিক এলাকার রাস্তায় লোকজনের আনাগোনা কম থাকে সাধারণত। তাই যত কু্কীর্তি আছে করার সময় তখনই। সেই ক্যাসেটের দোকানদার রিয়াজ ভাই এই সময় প্রতিদিন দুপুরের খাবার খেয়ে এসে গাজা টেনে বসে থাকতো দোকানে। আমরা তখন দোকানের রাজা। বেশি ভলিউম দিয়ে গান শোনা ছিল সেই বয়সের ফ্যাশন। তার উপর ক্যাসেটের দোকান মানেই অনেকগুলো বড় বড় স্পীকার। সেদিন কি যেন মনে হয়েছিলো, রিয়াজ ভাই থেকে চেয়ে নিয়ে আমরাও গাজা ধরালাম। জীবনে প্রথম গাজা ধরালাম সেদিন, প্রথম কয়েক টান দেয়ার সময় সিগারেটের সাথে কোন পার্থক্য খুঁজে পাইনি। ৫/৬ মিনিট পরে যখন উঠে দাঁড়াতে গেলাম তখনি বুঝতে পেরেছিলাম সিগারেট এবং গাজার পার্থক্যটা কোথায়। যাই হোক, ততক্ষণে স্পীকারের প্রত্যেকটা শব্দের মাঝেই হারিয়ে যাচ্ছিলাম আর মনে হচ্ছিলো এভাবে য

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প: কিছু নতুন ভাবনা

ঈদ কিংবা লম্বা ছুটিতে শহরের মানুষ পরিবারের সবার সঙ্গে ছুটি উপভোগ করতে গ্রামের বাড়িতে যায়। নগরজীবনের এটা স্বাভাবিক চিত্র হলেও সাম্প্রতিককালে এর ধরন অনেকটাই পাল্টেছে। অনেকে এখন লম্বা ছুটি গ্রামে না কাটিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অন্য কোথাও বেড়াতে যান। গত তিন-চার বছর ধরে ঈদের ছুটির সময়ে কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি বা বান্দরবানের হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো পরিপূর্ণ বলে পত্রিকাগুলোতে খবর বেরুচ্ছে। এমনও শোনা গেছে, হোটেলে জায়গা না পেয়ে অনেককে গাড়িতেই রাত কাটাতে হয়েছে। বেড়ানোর এই চিত্র কিন্তু কিছুকাল আগেও ভাবা যেত না। ঘরকুনো বলে যে বদনাম আছে, নাগরিক মধ্যবিত্তরা বোধহয় সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। আর কিছু না হোক, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের জন্য এটা বেশ আশাপ্রদ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ