আত্মমগ্ন কথামালা (পাখিসূত্র)
.
.
একঝাঁক পাখি উড়ে যাবে জমাট বরফের ভিতর দিয়ে
ছন্দহীন ডানায় বয়ে নেবে সুখ ও দুঃখের সকল বিশ্লেষণ
পায়ের নখে ছিঁড়ে দেবে ফুলেদের রঙিন সঙ্গম
সূর্যদেবতার পাপ ছড়িয়ে দেবে মঠের দেয়ালে জানালায়
গৃহত্যাগী সন্যাসীরা কোষ মুক্ত তরবারি হাতে হত্যায় নিবিষ্ট হবে
সদ্যজাত শিশুদের রক্ত পানের উত্সব শেষে ঘরে ফিরবে কিষাণীর এলোমেলো পা
পাখিসুত্র লেখা হবে স্বর্ণকারের কষ্টি পাথরে|
পদাধিকার বলে
পদাধিকার বলে আয়েশ হয় বেশ
গদির পেছনে তোয়ালে ঝুলে
গালে তলপেটে পশ্চাদ্দেশে
পুরুষ্টু চর্বি ছলছল করে।
পদাধিকারীর উত্থিত পূজাবেদীতে
ধুপ ঘি সুগন্ধী মাখে কুমারী পৌত্তলিক।
পদাধিকার বলে মিসেস পদাধিকারীর
দশাসই হাতে বাইশ ক্যারেট অহঙ উঁকি দেয়।
পদাধিকারীর নাতিশীতোষ্ণ কক্ষে শহরের
ভাঁড় সম্প্রদায় গোলটেবিল স্তুতিসভা করে।
পদাধিকার বলে উন্মুক্ত মঞ্চে
বিশিষ্ট আলোচক বনে যায় কেউ কেউ।
সকলের দোয়াপ্রার্থী
১.
তিনি খুবই বিখ্যাত ব্যক্তি। নোবেলও পাইয়া যাইতে পারেন। একসময় তিনি মিডিয়ার সামনে আসতেন না। একটা রহস্য রাখতে চাইতেন। হঠাৎ কি যেন হইলো. মিডিয়া ক্রেজ শুরু হইলো তার। দুষ্ট লোকেরা বলে তাঁর শুভাকাঙ্খিরা নাকি কইছে নোবেল-টোবেল পাইতে হইলে মিডিয়ায় ঘন ঘন আসতে হবে। তারপর নাকি তার মন ঘুরছে, তিনি মিডিয়ায় পারলে প্রতিদিন আসেন।
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে উঠতি যৌবনে আমরা সবগুলো ছেলেবন্ধু পারস্পরিক শত্রুতা ভুলে দল বেঁধে দেবদাস হতাম। আমাদের চরণসমুদয় অনাথের মতো নিস্তেজ হয়ে পড়তো। বিরহীসংঘের সমাবর্তনে বিগত বান্ধবীকে প্রতারণার দায়ে গোষ্ঠি উদ্ধারে লিপ্ত হতাম।
বয়স বাড়ে; সময় বদলায়; দৃষ্টি ও দর্শন বদলে যেতে থাকে। পৃথিবীর সবখানে, সবকিছুতে ছড়িয়ে আছে আর জড়িয়ে আছে প্রেম।
মাঝরাতে কান্দায় পরদেশী...
চাঁদি য্যায়সা রাঙ হ্যায় তেরা গেয়ে পঙ্কজ উধাস কিন্তু একটা বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। মডার্ন মিউজিক সহকারে তার সেই পরিবেশনা আচমকাই গজলপ্রেমী করে তুলেছিলো একটা প্রজন্মকে। এই তারাই আরো শুদ্ধতার খোজে শুনেছে সেসব গজলের আদিরূপ। আদি গায়ন। বাংলা ফোকে ঠিক এই কাজটাই করেছিলেন মুজিব পরদেশী। না ব্যান্ড ফরম্যাটে গাননি তিনি, সেই আদি অকৃত্রিম হারমোনিয়াম ব্যবহার করেছেন। আমি বন্দী কারাগারে (যা পরে বেদের মেয়ে জ্যোসনা ছবিতেও
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (ছয়)
রাঙ্গামাটি ভ্রমণবৃত্তান্ত লিখতে গিয়া আমি নিজেই খানিকটা ক্লান্তি অনুভব করতেছিলাম...পাঠকের ক্লান্তিটাও ঠাহর করবার পারি সেই নিরীখে। একই পথের গল্প, স্মৃতির স্পর্শ নিয়া বাঁইচা থাকনের গল্প...এইসব বহুত পুরানা কেচ্ছা...ট্রাভেলগ লিখনের মজাটা তৈরী হয় তখনই, যখন সেইসব বৃত্তান্ত নষ্ট হইয়া যাওয়া স্মৃতি হয়। আমি নিজে এই স্মৃতিকাতরতা উপভোগ করি। যেই কারনে সেই কিশোরকালের ডায়েরীর ক্ষয়াটে চেহারার মাঝেও পুরানা বর্ণমালা
ki komu
কি লিখুমরে ভাই... exam is going on let me first finish the xams.. then..
মার্ক টোয়েন সিন্ড্রম
ছোটবেলা থেকেই আমার প্রিয় শখ গুলোর একটা হলো বই পড়া। তাই বলে আমাকে জ্ঞানের সমুদ্র ভাবলে ভুল হবে। আমার আগ্রহ ছিলো সব রকমের গল্পের বইতে। তিন গোয়েন্দা, ফেলুদা, টেনিদা, কাকাবাবু, টিনটিন এমনকি চাচা চৌধুরী পর্যন্ত। দিনের বেশীর ভাগ সময় কাটতো তাই ফেলুদা তোপসের সাথে মগনলালের পিছনে তাড়া করে, না হলে কিশোর পাশার সাথে গোলমেলে ঘড়ির রহস্য ভেদ করে। বই পড়ার পাশাপাশি আর একটা শখ ছিলো, সেটা হলো বই জমানো। স্কুলে পড়ি, এত
পরিক্রমা
চেনা বিন্দু স্বীকার্য নয়, অচেনায় মুগ্ধ পরিক্রমা-
বিগত দিনের গান শেখালো কি?
অসময়ে প্রকৃত স্থি্র
মাটির গন্ধে মুখ;
চেনা হেমন্তে্র ধানে বিগত বৈশাখ
স্মৃতি থেকে কোন কিছু
ঝেড়ে ফেলা যায় কি আসলে?
স্মৃতিতে লাঙল চলে,
বাতাসের স্পর্শ পেতে উঠে আসে
হাড়হীন প্রচ্ছন্ন প্রবাস
একা লাগে?
কার বলো একা লাগে না!
আধ পাকা প্রেম- ট্র্যাজিক কমেডি টাইপ আরকি
..রুপার সাথে দেখা করতে যাবে ভাবলেই চিরজীবন ক্যাজুয়াল টিপুও একটু সময় নিয়ে নেয় আয়নার সামনে। ঠিক এইরকমই টিপিকাল, টিপু আর রুপার কাহিনী।
টিপুদের গ্রুপের অনেকের প্রেম হৈলো সেই ক্যাম্পাসে থাকতেই। তিনজন ইতিমধ্যে বিয়েও করে ফেলছে।
একজন মেয়ে গ্রুপ মেট, দুইজন ছেলে গ্রুপ মেট। সবারই আলাদা আলাদা স্পাউসের সাথে কিন্তু।
কিন্তু টিপু সবসময়ই বৈলা আসছে,
ব্লগ আড্ডার আরো ছবি
আরো ছবি এ্যাড করা হল এই লিঙ্কে । আরো ছবি আসিতেছে।
ব্লগ আড্ডা
ডাইরী ৭৪
এক.
আমি বুঝে পাই নাই কখনো ভালোবাসারে, আর তাহারে। অথচ নিজের মতো বুঝে নিতে চাইছিলাম...অন্য সুরে, পরিচিত গান গাইছিলাম। যখন একান্তে ছিলো হারাবার ভয়, তখনো কখনো চাইনাই তাহারে...আহারে, আহারে!
এবারের বইমেলায় কেনা বইয়ের তালিকা
আমার সারাজীবনের বইয়ের সংগ্রহ অবহেলায় নষ্ট হয়ে গেছে। হাতের কাছে প্রিয় বইয়ের অভাব তীব্র হয় খুব। যতদিন ছিলো, ততদিন কষ্ট হয় নাই। মনে হইছিলো হোগ্গা। কিন্তু যেদিন সত্যি সত্যি বুঝলাম এগুলো আর পাওয়া যাবে না, সেদিন পাগল হয়ে গেছিলাম। কিছুদিন খুব খারাপ কাটলো। একথা কাউরে বলতে পারি নাই। বুঝাইতে পারি নাই। তখনই পণ করেছিলাম প্রিয় বইগুলো আবার সংগ্রহ করবো। গত বইমেলা থেকে শুরু করেছি। গত বইমেলাতেও প্রচুর বই কিনেছি। ক