ইউজার লগইন

"নেভার লেট মি গো"

কোনো কোনো ছবি দেখে হঠাৎ বিষন্ন হোয়ে যাই, কাজুও ইশিগুরোর "নেভার লেট মি গো" উপন্যাসের চলচিত্রায়ন দেখেও একই রকম বিষন্ন হলাম। যদিও উপন্যাসের পরিসরে যেভাবে বিষয়টা উঠে আসা সম্ভব ছবিতে সেভাবে অনেক কিছুই উপস্থাপন করা সম্ভব না, মাঝে মাঝে শব্দ ছবির চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে, আমার এমনই ধারণা।

অমরত্বের সন্ধান করছে মানুষ, ভালো ভাবে বেঁচে থাকবার তাড়নায় মানুষ অমৃতবারি সন্ধান করেছে, প্রতিটি জীবন কোনো না কোনো সময় সমাপ্ত হয়ে যায়, কেনো এ জীবন, কেনো এ মৃত্যু এইসব দার্শণিক সংকটের মীমাংসা করতে চেয়েছে মানুষ, নিজের নশ্বরতার ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করতে অজর অক্ষয় যৌবন কল্পনা করেছে, ভেবেছে পরের ক্ষতি না করে এই নশ্বর জীবনকে সামাজিক নিয়ম মেনে যাপন করলে কোথাও না কোথাও মৃত্যুর পরে তাকে অমরত্ব দেওয়া হবে। স্বর্গ নরক ভালো কাজ মন্দ কাজের এইসব সামাজিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী কল্পনায় আর ছবি গীতিকাব্যে কিংবা স্বগতঃউচ্চারণে অন্য সবার কাছে উপস্থাপন করেছে, এদের কেউ কেউ এখনও অমর। তাদের বিস্তৃত উপস্থিতি পাওয়া যায় সকল উপাসনালয়ে যখন তাদের বহুযুগ পরের ভক্তেরা তাদের জীবন যাপন অনুকরণ করতে চায় এবং তাদের বানীকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চায়, যুগের জটিলতা কিংবা অস্থিরতাকে অবজ্ঞা করে প্রাচীন একটি রীতিকেই প্রামাণ্য মেনে এই জীবন যাপন মুলত সেই বক্তার চরনে নিজেকে উৎসর্গ করে দেওয়া অবলীলায়।

আমরা এখন যে বয়েসে সে বয়েসে মৃত্যু স্বাভাবিক, চারপাশেই পরিচিত মানুষের মৃত্যুর সংবাদ শুনি, আমাদের পরিচিত মানুষেরা একে একে মৃত্যু বরণ করছেন, আমাদের সময়ের নায়কেরা মৃত্যু বরণ করছেন, আমাদের নেতা কিংবা ভক্ত মানুষেরা সবাই একে একে অনিশ্চিত পথেই চলে গেছেন এ জীবনকে নশ্বর জেনে। তাদের প্রত্যেকের পাশে আমরা যেতে পারি নি, তাদের প্রতিটা অসুস্থতা কিংবা অপূর্ণতা আমরা পূর্ণ করতে পারি নি।

একটা বয়েসে মানুষের মৃত্যুভয় বেড়ে যায়, সে বয়েসে মানুষের ধর্মে মতি হয়, অনেক বিষন্ন মানুষ ভরপুর যৌবনেও মৃতবত বেচে থাকেন, যৌবনের উপাসনাই শ্রেষ্ট উপাসনা এমনটা ধর্মগুরুগণ বলে গেছেন সে কারণে অনেকেই নিজের আকাঙ্খার ডানা ছেঁটে ধর্মমতে নিজের জীবনকে মানিয়ে নিতে শিখেছেন।

মৃত্যু তেমন নতুন কোনো দৃশ্য নয়, কারো জন্যেই নয়, প্রথম মৃত্যুর কষ্টটা চাপা পড়ে থাকে স্মৃতির অতলে কিন্তু সেখানে ফিরে যাওয়া যায় না, প্রথম জানাজা, প্রথম কান্না এবং প্রথম শূণ্যতার উপলব্ধিগুলো এভাবেই হয়, অবশ্য কিছু কিছু মৃত্যুর জন্য মাঝে মাঝে মনে হয় অসতর্কতাকে দায়ী করা চলে।

আমার ছোটো বোন যে সময় মারা গেলো আমি তখন হয়তো প্রথম শ্রেণীতে, আমি কখনও মামাকে জিজ্ঞাসা করি নি কেনো, তবে তার নাভীর চারপাশে জমে থাকা পুঁজ হয়তো প্রসবকালীন সংক্রামণের একটা উদাহরণ, আমি জানতে পারি নি কিন্তু এরপরও মনে হয় হয়তো এই মৃত্যু এড়ানো যেতো। তার সৎকারের সব আয়োজনের সামনে ছোট্ট আমি দাঁড়িয়ে কখনই উপলব্ধি করতে পারি নি মৃত্যু কেমন হতে পারে। আমাদের পরিচিত একজন সাময়িক মৃত্যু শেষে পুনরায় জীবিত হওয়ার পর "নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স" এর কথা শুনিয়েছিলেন, তারও কয়েক বছর পরে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিলো, হতে পারে এটা আমার বিশুদ্ধ কল্পনা কিংবা হতে পারে বাস্তবে এমনটাই ঘটেছিলো কিন্তু বিহারী দাদীর কথা মনে হলে আমার মনে হয় তিনি একবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে জীবনের পথে ফিরে এসেছিলেন।

এইসব মৃত্যুর সাথে সাথে আমাদের বেড়ে উঠবার গল্প জুড়ে আছে, কিন্তু দার্শণিক্ সংকট এখন অমীমাংসিত, যদিও এইসব ঘটনার সাথে মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক নেই কিন্তু ছবিটার সাথে সাথে সাম্প্রতিক মৃত্যুর ঘটনাগুলোও মনে পড়ে গেলো।

ক্লোনিং এর নৈতিক প্রশ্নও এখনও অমীমাংসিত, স্টেম সেল রিসার্চ নিয়ে ধর্মবাদী, জীবনবাদী এবং গবেষকদের ভেতরে একটা তীব্র লড়াই অনেক দিন ধরেই চলছে, ক্লোনিং সম্ভবপর কি না, স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মতো জটিল কোনো একটি সিস্টেম পুনরায় রিবুট করা যায় কি না, কিংবা প্রাপ্ত বয়স্ক কোনো কোষ পুনরায় ক্যান্সারাস গ্রোথের মতো বারংবার পুনঃবিভাজিত হতে হতে ্নতুন জাইগোট কিংবা শিশুতে রুপান্তরিত হবে কি না, এটার মীমাংসা হয়েছে, ক্লোন ভেড়া, ক্লোন কুকুর বাজারে এসেছে, যদিও মানুষের সাথে প্রাণীর সম্পর্কের স্মৃতিচিহ্নবিহীন এইসব ক্লোন কোনো রকম সান্তনা হয়ে আসে নি।

প্রথম ক্লোন ভেড়া, ডলি, পূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে নি, হয়তো পরিণত বয়স্ক কোষ তার অনুতে অনুতে লিখে রাখা বিভাজনের ইতিহাস ভুলে যেতে পারে নি, কিংবা আমাদের আরও কিছু জানা এখনও বাকী।

মনস্তত্ব [ সাইকোলজি] কে কখনই বিজ্ঞানের মর্যাদা দেওয়ার যোগ্য ভাবতে না পারা আমরা দুইজন বন্ধু ক্লোনিং এর সাফল্যের সংবাদ পেয়ে প্রথম ভেবেছিলাম মনস্তাত্বিক গবেষণার এবং এটার বিজ্ঞান হয়ে উঠবার জটিলতার অবসান হলো এবার। শরীরবৃত্তীয় কারণে নয় মানুষের মনস্তাত্বিক বিকার কিংবা অপরাধ প্রবনতা মূলত তার পরিপার্শ্বিকতার কারণেই তৈরি হয়, এর হয়তো শরীরতত্ত্বীয় কোনো পরিণতি থাকে কিন্তু মূলত তার সামাজিক পরিপার্শ্বই নির্ধারণ করে দেয় সে ভবিষ্যতে কি হয়ে উঠবে, সে কারণেই একজন খুনীর দুটো ক্লোন করে যদি ভিন্ন ভিন্ন দুটি পরিবেশে তাদের বেড়ে উঠবার সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে নিশ্চিত জানা যাবে মানুষের ডিএনএতে কখনই লেখা থাকে না সে খুনী হয়ে উঠবে না সন্ত হবে। পরিবেশ না ডিএনএ জীবের আচরণ নিয়ন্ত্রন করে কি সেটা জানা যাবে ভেবে আনন্দিত হয়েছিলাম, এই সংক্রান্ত অন্যান্য মনস্তাত্বিক জটিলতা কিংবা অন্যসব ভাবনা তখনও মাথায় আসে নি।

তবে তারও কিছু দিন পরে আমার চাচা যখন কিডনী নষ্ট হয়ে ক্রমশঃ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের পরিবারের এক একটা দিন বাঁচিয়ে রাখবার লড়াই দেখে মনে হলো ক্লোনিং এই সমস্যার সমাধান নিয়ে আসতে পারতো। তারও পরে নিতান্ত অসভ্যের মতো মনে হলো এটা নিয়ে বেশ জটিল একটা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস লেখা সম্ভব, যেখানে একজন শিশুর জন্ম হবে শুধুমাত্র ডোনার হিসেবে, তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হবে তার ডিএনএ যার কাছ থেকে এসেছে তার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে দেওয়া, একটা উপন্যাসের পরিকল্পনাও করেছিলাম সে সময়ে যেখানে মাতৃত্ববোধ, বাস্তবতা এবং বাচতে চাওয়ার একটা দ্বন্দ্ব সব সময়ই ক্রিয়াশীল থাকবে।

সে সময়ে এই উপন্যাসটি লেখা হয়েছে এমনটা জানা ছিলো না, এই উপন্যাসটি সমাপ্ত হয়েছে ২০০৫ সালে, প্রায় একই বিষয় নিয়েই লিখিত উপন্যাসটি অবশ্য আমার মনস্তাত্ত্বিক জটিলতাকে আরও সম্প্রসারিত এবং বৈষয়িক করেছে। পৌনে একযুগ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর এবং চলমান বিভিন্ন নৈতিক বিতর্কের ভেতরে থেকে যে বিষয়টা উপন্যাসটার বিষয়বস্তু হয়েছে সেটা একটু অদ্ভুত।

কোনো একটি কল্পিত বোর্ডিং স্কুলে অসংখ্য শিশু বেড়ে উঠছে, এদের সবাই অন্য কারো ক্লোন এবং তাদের লালন পালন করা হচ্ছে একটি মাত্র কারণে যেনো তারা পূর্ণ বয়স্ক হয়ে উঠবার পর তাদের সকল অঙ্গ দান করে তাদের ডিএনএর উৎসকে দীর্ঘ জীবন দান করতে পারে। একদল মানুষ নিজের বিকল হতে পারে এমন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এদের জন্ম নিশ্চিত করেছে।

এদের বেড়ে উঠবার সময় এদের ভেতরে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হয়, সামাজিক কোনো অদৃশ্য রীতির কারণে এরা বিদ্রোহ করতে পারে না, তাদের জীবন কাটে অপেক্ষায়, কবে তাদের ডাক আসবে। তারা একটা একটা করে অঙ্গ দান করে একটা সময় মৃত্যু বরণ করে ।

উপন্যাসের বিষয়বস্তু হিসেবে বেশ চমৎকার বলা যায়, যদিও উপন্যাস বলেই অনেক কিছুই উপেক্ষিত এখানে। সেসব প্রশ্ন উত্থাপন না করে বলা যায় ছবিটি উপন্যাসের মূল অংশগুলোকে আলাদা আলাদা করে উপস্থাপন করেছে। একই সাথে একটা নিরুত্তর প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে, আমাদের নিজেদের অমরত্বের জন্য আমরা কি অন্য কাউকে এভাবে ধীরে ধীরে হত্যা করতে পারি কিংবা তাদের সারা জীবন মৃত্যুর অপেক্ষায় রেখে দিতে পারি

বিশ্বাস ভেঙে যাওয়া, নিজের জীবনের নিরর্থকতা উপলব্ধি করবার পর মানুষ কিভাবে বাচে সেটা চিত্রিত হয় নি, তবে আমার মনে হয় আশাবিহীন মানুষের বেচে থাকবার কোনো কারণ থাকে না, যারা ধর্মে গভীর বিশ্বাসী তারা কায়ে ক্লেশে জীবনের সকল আকাঙ্খাকে অস্বীকার করে নিপাট নিরুত্তেজ জীবন যাপন করে, তাদের একটা ভবিষ্যত কল্পনা থাকে, তাদের অনন্ত পরকালে তারা চির সুখ ভোগ করবে ভবিষ্যত অমর অজর সুখভোগের কল্পনায় তারা একটা জীবন কাটিয়ে দেয়, তাদের জীবনের লক্ষ্য হয়ে যায় মৃত্যু তারা মৃত্যু কামণা করে, স্রষ্টার দিদার কামনা করে, এদের সবাই মৃত্যুকে খুব স্বাভাবিক ভাবেই গ্রহন করতে পারে।

মৃত্যু স্বাভাবিক এবং এভাবে ইশ্বরের সাথে বান্দার মিলন হয় এই গভীর বিশ্বাস থেকে তারা প্রতিটি মৃত্যুতে অবিচল থাকতে পারে, কিন্তু যাদের সে বিশ্বাস নেই তারা পরবর্তী একটি মুহুর্তের জন্যে বেঁচে থাকে সারাটা জীবন।

ভালোবাসা যতই গভীর হোক না কেনো ভেতরের শূণ্যতাকে পুরোপুরি ভরে দিতে পারে না, মানুষের ভেতরে একটা অংশ সবসময়ই শূণ্যতাবোধ করে, বিষয়টা আধ্যাত্মিক নয় বরং বিষয় সম্পৃক্ততার, সম্পূর্ণ সমর্পন কিংবা বিসর্জনের মতো মহৎ কোনো লক্ষ্য না থাকায় সবাই পরিপূর্ণ আনন্দে বেঁচে থাকতে পারে না।

তাই বান্ধবী এবং প্রেমিকার মৃত্যুর পর যে বালিকা নিজের মৃত্যু পরোয়ানায় নির্বিকার সাক্ষর করে দেয় তার জন্য সামান্য সহানুভুতি আর বিষন্নতা আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখে।

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

তানবীরা's picture


ভালোবাসা যতই গভীর হোক না কেনো ভেতরের শূণ্যতাকে পুরোপুরি ভরে দিতে পারে না, মানুষের ভেতরে একটা অংশ সবসময়ই শূণ্যতাবোধ করে, বিষয়টা আধ্যাত্মিক নয় বরং বিষয় সম্পৃক্ততার, সম্পূর্ণ সমর্পন কিংবা বিসর্জনের মতো মহৎ কোনো লক্ষ্য না থাকায় সবাই পরিপূর্ণ আনন্দে বেঁচে থাকতে পারে না।

সত্যিই তাই। এভাবে ভেবে দেখিনি।

নাজ's picture


আমার চোখও এই প্যারাতে-ই আটকে গিয়েছে।
সত্য কথা।

কিছু বলার নাই's picture


পোস্টের উল্লেখ করা মুভি দেখিনাই, বইটাও পড়িনাই, তবে পোস্ট পড়ার পর আরেকটা মুভির কথা মনে পড়ল। এক বন্ধুর সাজেশনে 'মাই সিসটার'স কিপার' ছবিটা দেখছিলাম। মুভি হিসাবে খুব একটা সুবিধার না (ইন ফ্যাক্ট, বেশ বাজে!), তবে কাছাকাছি বিষয় নিয়েই মুভিটা। উইকিতে দেখলাম এটাও একটা উপন্যাস থেকে নেয়া। ছবিতে 'সেইভিয়র সিবলিং' শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহ করে যখন কিডনী দেয়ার মত অবস্থা হয়।

'ডোনর বেইবি'/'সেইভিয়র সিবলিং' এখন বেশ পরিচিত পশ্চিমে। তবে খবর টবর বেশী পাওয়া যায়না এই সংক্রান্ত। দুইমাস আগে ফ্রান্সে এইরকম একটা ব্যাপার হইছে...লিংক। ফ্র্যান্সে এইটা প্রথম তাই যথারিতী তর্কাতর্কি চলতেছে।

মেডিকেল ইথিকস এমনেই জটিল, তারউপর এখন যোগ হইছে বায়োটেকনোলজি। 'god' save morality!

সামছা আকিদা জাহান's picture


মৃত্যু স্বাভাবিক এবং এভাবে ইশ্বরের সাথে বান্দার মিলন হয় এই গভীর বিশ্বাস থেকে তারা প্রতিটি মৃত্যুতে অবিচল থাকতে পারে----পলায়নপর মনবৃত্তি, আত্মবিশ্বাসের অভাব।
কিন্তু যাদের সে বিশ্বাস নেই তারা পরবর্তী একটি মুহুর্তের জন্যে বেঁচে থাকে সারাটা জীবন।-------ঈশ্বর তার সৃষ্টির বিনাশ চায় না তাই প্রতিটি মূহূর্তই প্রোয়জনীয়।

ভাল থাকুন।

শওকত মাসুম's picture


আগ্রহ হলো দেখার।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.