কাঁকন'এর ব্লগ
আজকের হাবিজাবি (ভর দুপুরে একলা রাতে অন্যমন)
১)
"তবুও ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল বিছানায় সে ফিরবে পাশ......."
কখনো কখনো পাশ ফিরে শোয়ার কোন নির্দিষ্ট অর্থ থাকে না কিন্তু মাঝে মাঝে পাশ ফিরে শোয়া মানেই মুখ ফিরিয়ে নায়া।
"আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে.......আমি তোমার জন্য এনে দেব অঝোর শ্রাবন...."
আজকের হাবিজাবি "ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মোটি"
১)
"বহুদিন আগে নাকি ছিলো ভগবান, ধনুকেতে টান দিয়ে ছুড়ে দিত বান
কথা নাকি শুনে তার সব হনুমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে দিয়ে দিত প্রাণ
_____________ প্রজারা তাকে কত করে সম্মান
তাই সীতা সতী কিনা করতে প্রমাণ প্রজাদের অনুরোধে আগুন জ্বালান"
হে বিশ্বাসভঙ্গের দেবী, অবাধ্যতার দেবী (promiscuity and disobedience) তোমাকে অভিবাদন।
আমায় ডেকো না ফেরানো যাবে না(বিদায় আমরা বন্ধু)
এই আমরাবন্ধুতে আমি অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি। সহব্লগারদের কাছে আমি এইজন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। কিন্তু কিছু ব্লগারদের রূঢ় ব্যাবহারে আমি যারপর নাই ব্যাথিত, দু:খিত, মর্মাহত, থতমত, আতঙ্কিত, কষ্টিত,বেদনার্ত। মানুষ এমনও হয়। এমন ব্যাবহারও করতে পারে। আমি কারো নাম উল্লেখ করে কাউকে ছোট করতে চাই না, কিন্তু না বলেও পারছি না যে কতিপয় প্রাগৌতিহাসিক ব্লগারের লুলামি, ভন্ডামি,অপপ্রচারে বিভ্রা
ঐশ্বরিক ক্ষমতা অথবা সীমাহীন অক্ষমতা
গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যায় অয়নের, অয়ন চৌধুরীর, অয়ন চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের উদীয়মান তারকা অথবা যার সব বই হটকেকের মত বিক্রি হয়। নতুন উপন্যাস টা শেষ করার জন্য অথবা যান্ত্রিক নগর জীবনের ক্লান্তিকর অভিনয় থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে এক আধা মফস্বলের ডাক বাংলো তে পরে আছে বেশ কয়েকদিন। ভালোই কাটছে বেশ অভিনব, সে চিরকালের শহুরে ছেলে। এখানে ঝিঁঝিঁর ডাক, শেয়ালের আনাগোনা, খাটাশ নামক প্রাণীর দেখা পেয়ে ভালোই কাটছিলো।
আমার ভালো লাগার কিছু অজনপ্রিয় চলচ্চিত্র
পথ ও প্রাসাদ - (উৎপল দত্ত, সন্ধা রায়)
নবম মাত্রার রোবট সংক্রান্ত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
১)
পৃথা কমলা রং এর কমলার রস পান করতে করতে রিক্তর কথা ভাবছিলো, রিক্তর কথা ভাবতে তার যত ভালো লাগে কমলা রং এর কমলার রস পান করতে তার ততই বিরক্ত লাগে। পৃথার প্রিয় হচ্ছে স্বপ্ন পানীয়, যেকোন স্বপ্ন পানীয়ই তার মনে চনমনে ভাব নিয়ে আসে, নিয়ে যায় তন্দ্রার জগতে। বিশেষ করে মার্কেটে যে নতুন ড্রিংকস টা এসেছে বেগুনি রং এর জারুল ফ্লেভারের পার্পলী সেটা এখনো চেখেই দেখা হোলো না।
আমার কাছে দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোক
ঠিক যেখানে দিনের শুরু...ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ কালো রাত্রি শেষ
মন যতদূর চাইছে যেতে ঠিক ততদূর আমার দেশ
ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ কালো রাত্রি শেষ
মন যতদূর চাইছে যেতে ঠিক ততদূর আমার দেশ
বেহিসেবি ভাবনার এলোমেলো কথা
নিজের এবং চারপাশের মানুষজনের জন্ম আসলে এক চমৎকার দুর্ঘটনা। এই শ্বাপদসংকুল পৃথিবীতে অনেক আগেই আমার কোন পূর্বপুরুষ মারা যেতে পারতো।আমার বাবার আমার মায়ের সাথে বিয়ে না হয়ে অন্যকারো বিয়ে হতে পারতো এবং আরো অনেক কিছু হতে পারতো তাহলে তো আর জন্মানো হোতোনা। জন্মনিয়ন্ত্রণ আরো ২০০ বছর আগে সহজলভ্য হলে হয়তো রবীন্দ্রনাথের জন্মানো হোতো না। এই কুড়িয়ে পাওয়া জীবন নিয়
ভুতরাজ্যে টুকিটাকি
এখন যারা বড় তারা ছোটবেলায় কমবেশি সবাই ভুতের গল্প শুনেছেন নানী-দাদীর কাছে, তবে এখন যারা ছোট তাদের একটা বড় অংশের সাধারনত এভাগ্য হয় না। তারা বড় হয় শ্রেক-নিমো দেখে আর বড় হয়ে ড্রাকুলা-ভ্যাম্পায়ারের হরহ ফিল্ম দেখে; হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুমার ঝুলির ভুতেরা। আজকের এই পোস্ট গ্রাম-বাংলার ভুতেদের নিয়েই। আসুন আমরা আমাদের ছোট্ট বেলার ভুতেদের কথা মনে করি।
আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি
সিঁথি খুব আয়েশ করে শেষ রাত্রির শেষ কাপ চা টা উপভোগ করছে তরিয়ে তরিয়ে।
দিক্কার জানাই (একটি পোস্ট দেয়ার জন্য হাত নিশপিশ করা প্রযোজনা যখন সঙ্গত কারনেই পোস্ট লিখার কিছু নাই)
বাস্তবে কেউ থাকুক না থাকুক কল্পনায় পাখা মেলতে পুরুষ জাতির কোন সমস্যা নাই; গান কবিতা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে তাদের স্বপ্নলোকের কল্প কন্যা; বনলতা সেন, সুরন্জনা থেকে বরুণা কিংবা নীরা, সুলতা; নীলা, নীলান্জনা, অধরা, রুবি রায়,বেলাবোস, অনামিকা, চুমকি, মারিয়া, সোনিয়া এমন কি বোরখা পরা মেয়েও আছে।
নড়বড়ের সৌজন্যে আমরা বন্ধু এসো রান্না শিখি
সুধি ব্লগারবৃন্দ নড়বড়ের সৌজন্যে আমরাবন্ধু এসো রান্না শিখি অনুষ্ঠানে আপনাদের স্বাগতম। আজকে আমরা শিখবো কিভাবে চা রান্না করতে হয়। শুধু চা নয় যেকোন রান্নার জন্ই আপনার গরম পানি রান্নার সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে; যেহেতু এখানে সাত ঘাটের পানি খাওয়া থুক্কু সাত ব্লগের পোস্ট পরা ব্লগার রা আছেন তাই আমি বাই ডিফল্ট ধরে নিচ্ছি আপনারা গরম পানি রান্না করতে পারেন। তারপরো যেসব ব্লগাধম গরম পানি রান্না করতে প