ইউজার লগইন

তানবীরা'এর ব্লগ

ছুঁয়েছে এ গান আমার কান্নার সাত সুর

If you love something, set it free; if it comes backs it's yours, if it doesn't, it never was. রিচার্ড বাক’এর এই উক্তিটিকে মন্ত্র করে তিতলি সারাক্ষণ মনে মনে আউরাতে থাকে। নিজেকে শক্তি দিতে চেষ্টা করে। দশ বারের মধ্যে আট বার সে হেরে যায় নিজের কাছে আবার দু’বার জিতেও যায়। সে অপেক্ষা করে থাকবে সায়ানের ফিরে আসার। সায়ানতো তার নিজের অংশ, পথ ভুলে যায় না লোকে? সায়ান পথ হারিয়ে ফেলেছে, পথ খুঁজে ফিরে এসে তার সায়ান তাকে খুঁজবে তিতলি জানে। তিতলি তার সমস্ত দরজা, জানালা, ঘুলঘুলি খুলে দিয়ে সায়ানের ফেরার অপেক্ষায় রইলো। কতদিন করবে অপেক্ষা? দশ বছর? বিশ বছর? পুরো জন্ম কিংবা জন্মান্তর?

ছোটমা’র জন্যে একরাশ ভালোবাসা

দেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলাম তখন এক আড্ডায় বান্ধবীরা একটু অনুযোগ করলো আমার কাছে, এতো গল্প লিখি কিন্তু স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি লাইফের কোন গল্প মানে বান্ধবীদের নিয়ে গল্প কেনো লিখিনি এখনো। কি দুর্দান্ত দিন ছিলো আমাদের। সবসময় পড়াশোনায় ভালো কিন্তু দুষ্টমীতে ওস্তাদ হিসেবে আমাদের বান্ধবীগ্রুপের নাম ছিল সব ইন্সটিটিউটে। আমিও ভাবলাম তাইতো কেনো লেখা হয়নি সেগুলো এখনো?

ট্যুর দ্যা বার্সেলোনা

গত বছর দেশ থেকে ফিরে এসে অবধি কোথাও যাই নাই। চাকরী বাকরী নাই কই যাবো। পয়সা নাই মানে স্বপ্ন পরিকল্পনা কিছুই নাই। রোজ রাঁধি, খাই, ব্লগাই, ফেসবুকাই। আমার মতো পাড়াবেড়ানি মানুষের জন্যে চরম কষ্টের দিনরাত পার করা। কিছুদিন আগে একটা অনুষ্ঠানে পুরনো বন্ধু শ্যামার সাথে দেখা হলো। প্রবাসী থাকতে সপ্তাহে সপ্তাহে দেখা হতো, প্রবাসী ভেঙ্গে এখন হয়েছে সীমানা পেরিয়ে সাথে বন্ধু বান্ধবের মুখও বদলে গেছে। সপ্তাহে সপ্তাহে এখন অন্য মুখ। গান –বাজনা, খাওয়া – দাওয়া, আড্ডা সব প্রায় একই আছে শুধু মুখগুলো বদলে গেছে। শ্যামা এখন বার্সেলোনা আছে, রয়টার্সে চাকরী নিয়ে, খুব ধরলো একবার যেতে।

হ্যাপি ম্যান''স ডে

বেচারা পুরুষরা

মেয়েদের গায়ে হাত তুললে – জালিম
মেয়েরা তাদের গায়ে হাত তুললে – বুজদিল
বউকে কারো সাথে দেখে ফেলে কিছু বললে – জেলাস
বউকে কারো সাথে দেখে ফেলে কিছু না বললে – মিনমিনে
নিজে কারো সাথে বের হলে – বেঈমান
ঘরের বাইরে থাকলে – আওয়ারা
ঘরের ভিতরে থাকলে – অকর্মা
বাচ্চাদের বকলে – জালিম
বাচ্চাদের না বকলে – দায়িত্বহীন
বউদের চাকরী করতে না দিলে – সন্দেহবাতিকগ্রস্ত
বউদের চাকরী করতে দিলে – বউয়ের কামাইয়ে চলা
মায়ের কথা শুনলে – বাবু
বউয়ের কথা শুনলে – হাবু

একটি হিন্দী চেইন মেইলের অনুবাদ। সময়ের স্বল্পতা'র জন্যে ছন্দ মিলাতে পারিনি। Puzzled
কেউ মিলিয়ে দিলে আপডেট করে দিবো। তবুও পুরুষজাতিকে শুভেচ্ছা জানাতে ভুললাম না Tongue

আমার কানে কিছু বলতে এলো সে, হাতছানি তার অজানায় বহুদূর

প্রবাস জীবনের ব্যস্ততায় আর তিতলির অবুঝপনায় ক্লান্ত হয়ে সায়ান আস্তে আস্তে তিতলির সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দিল। মেইল, ফোন সবকিছু সে নিজে কমিয়ে দিল, তিতলির ডাকে সাড়া দেয়াও কমিয়ে দিল। ওদের মধ্যে একটা অলিখিত নিয়ম ছিল, প্রতি ভোরে দুজন দুজনকে সুন্দর একটা দিনের শুভকামনা জানিয়ে উইশ করা, সেটা সায়ান বন্ধ করে দিল। শুধু যে তিতলির অবুঝপনা আর ঝগড়া এটার কারণ ঠিক তাও নয়। আজকাল সায়ান ভবিষ্যৎ এর কথাও ভাবছিল। সামনের সুন্দর উজ্জল ক্যারিয়ার আর ভবিষ্যৎ ফেলে সে সহসা দেশে ফিরতে চায় না। আর তিতলিও তার পরিবারের খুব ন্যাওটা। তাদের ছেড়ে সে এই দূরদেশে আসার কথা ভাবতে পারে না। তাহলে এ লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপের ভবিষ্যৎ কি? কি দরকার এ মূল্যবান সময় আর শক্তি বৃথা নষ্ট করে তার রাত জাগার?

জীবন থেকে নেয়া (মরে গেলেও)

কথায় কথায় মরে গেলেও এটা আমি করবো না, খাবো না, এভাবে কথা বলা আমার স্বভাব। এভাবে কথা ছোটরা বলে বড়’রা না। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে আমি বুড়ি হয়ে যাচ্ছি কিন্তু বড় আর হচ্ছি না। সবাই এটা নিয়ে অনেক বকে বকে এখন ক্ষ্যান্ত দিয়েছেন। তোর মানসিক বয়স কোথাও আটকে আছে, তোর মানসিক ডেভেলাপমেন্ট হচ্ছে না, বলতে বলতে সবাই ক্লান্ত। আমিও মেনে নিয়েছি একরকম যে বড় হওয়া হয়তো আর হবে না এ জীবনে। সবচেয়ে বেশি বলেছেন এক ভদ্রলোক। যার সাথে ঝগড়া করতে করতে এতো বছর পার হয়ে গেছে টের পাইনি। তারপরও এখনো কিছু না হতেই ঘাড় বেঁকিয়ে ঐটাই বলি, মরে গেলেও তোমার সাথে থাকবো না। তিনি আজকাল বলেন, মরারতো আর দেরী নাই, এতোদিন যখন থাকলা কষ্ট করে, বাকি কয়টা দিনও থাকো। এতোদিন যে যেভাবেই বলেছে, সেগুলো শুনতে একরকম লাগতো। কিন্তু এজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন মানুষটা, “তোমার জন্য মরতে পারি, ও সুন্দরী তুমি গলার মালা” যখন বলেন সেটা, তখন অন্যরকম লাগে।

খুঁজবো কোথায় তাকে, দুচোখে হারাই যাকে

যখন থেকে সায়ান পড়তে গেলো এ্যামেরিকা তখন থেকেই দুজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি চরম আকার ধারন করেছে। ঝগড়া করতে করতে এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে তিতলি। দুজনের মধ্যে ভৌগোলিক ব্যবধান আর সময়ের ব্যবধানতো আছেই তার সাথে আছে নিদারুন মানসিক চাপ। চব্বিশ ঘন্টা যার ভাবনায় সে বুঁদ হয়ে থাকে সারা পৃথিবী থেকে তাকে লুকিয়ে রাখার যন্ত্রনা। সারাদিন মনে মনে যাকে ভেবে তার সময় কাটে, মুখে কখনো তার নাম উচ্চারন না করতে পারার ব্যাথা। প্রাত্যহিক জীবনের সাথে লুকোচুরি খেলে কতো কষ্টে সায়ানের জন্য সময়টুকু সে যোগাড় করে রাখে তা সায়ান যেন আজকাল বুঝতেই পারে না। সায়ানের সবকিছুতেই দেরী হয় নইলে সে ব্যস্ত, সময় নেই, নাকি তিতলিকে এড়িয়ে যাওয়ার বাহানা এগুলো তার। তবে কি বদলে যাচ্ছে তার সায়ান একটু একটু করে? আগেতো এতো ইনকনসিডারেট ছিল না, তিতলির সুবিধাই ছিল সায়ানের বড় চাওয়া, তিতলির সান্নিধ্যই ছিল তার বড় পাওয়া। কি করবে সে?

আমরা বন্ধুর প্রোডাক্ট বাই প্রোডাক্ট নিয়ে চিন্তা ভাবনা (আপডেটেড)

সারাদিনে দুটো জায়গায় থাকি আমি চরম কমফোর্ট নিয়ে। বাড়িতে আমার নিজের ইজি চেয়ারে ঠ্যাং লম্বা করে বসে কোলে ল্যাপটপ নিয়ে ফেসবুকে টুকুর টুকুর আর এবিতে কুটুর কুটুর। ফেসবুকের উন্নয়ন সাধনে আমার অবদানেরতো শেষ নাই সবাই জানেন। এখন ভাবলাম এবির জন্য কি করা যায়। এবি ভর্তি আবিয়াইত্তা পোলাপান, খালি ম্যাসেজ দেয় ইনবক্সে, আপু ডাচ যোগাড় করে দেন, আলুই খাই তবুও খাই। বিমার বিয়েতো দেখা যায় আগুনে ঘৃতের কাজ করেছে। কেউ কেউ মনের দুঃখে ফেসবুকে নিজের খোমার ছবি সরাইয়া দিয়া, মোমবাত্তির ছবি লাগাইয়া শোক পালন করতেছে। আমার ফেসবুকের ইনবক্স তাদের দুঃখে কষ্ট উথলাইয়া উথলাইয়া উঠছে আর ঠারে ঠোরে আমারে বড় হওয়ার দায়িত্ব কর্তব্যে সম্পর্কে জ্ঞান দিচ্ছে। ভাবছি বড় বড় ব্যবসায়ীরা মূল ব্যবসার সাথে কিছু সাইড ব্যবসা রাখেন, প্রোডাক্ট বাই প্রোডাক্ট। টেক্সটাইল মিলের মালিকরা আস্তে আস্তে গার্মেন্টস খুলেন, এরপর খুলেন নিজের শোরুম আর তারপর নিজের মার্কে

তোমার জন্য মিছেমিছি কাব্য লিখি না

মাঝে মাঝে ভাবি তোমায় কিছু উপহার পাঠাবো
না দামি ব্র্যান্ডেড কোন শার্ট কিংবা ঘড়ি নয়
ফরাসি পারফিউম বা ট্র্যান্ডি সানগ্লাসও নয়
খুব সাধারণ কিছু, খুব সাধারণ
ধরো রোজ গায়ে মাখি যে সাবানটা তার কিছু অংশ
কিংবা কিছুটা টুথপেষ্ট, বডিলোশন বা শ্যাম্পু
তা নইলে রোজ যে জ্যাম জেলি খাই
বোয়াম থেকে তুলে দিবো তাদের কিছুটা বা
আমার প্রিয় চকোলেটের বাক্স থেকে একমুঠো চকোলেট।

আমি এখন আর জানি না তোমার প্রিয় রঙ কোনটা
জানি না কোন গান এখন উতলা করে তোমায়
কোন বইটা পড়ে অনেক ভাবো তুমি
যেমন তুমিও জানো না আমার প্রিয় কবি কে এখন
কোন সিনেমা দেখে আমি হাঁপুস নয়নে কেঁদেছি
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গিয়ে আর ঘুম না এলে
বুক ব্যাথা করলে কি কি সব ভাবি।

একদিন দুজনের সব জানার প্রতিজ্ঞা ছিলো
পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেলেও আমরা দুজনে দুজনার
ছোট থেকে ছোট দুঃখ, সামান্য থেকে সামান্য আনন্দ
একসাথে ভাগ করে নিবো, পাশে থাকবো।

হয়তো জরুরী নয় তবুও

কঠিন, তাত্বিক কিছু লেখার জন্য যে ধরনের একাডেমিক পড়াশোনা ও চিন্তা ভাবনার গভীরতার প্রয়োজন হয় তা আমার নেই। লেখালেখি, নাচ, নাটক এগুলো আমার বেঁচে থাকার রসদ, নিজেকে সান্ত্বনা দেয়া যে না আমি মরে যাইনি, বেঁচে আছি এখনো। তাই আমি এগুলো থেকে আনন্দ নেয়ার চেষ্টা করি। সারাদিনে অনেক ধরনের স্ট্রেন যায় যেগুলো এড়ানোর কোন রাস্তা নেই, তাই যেই ঝামেলাগুলো এড়ানো সম্ভব সেগুলো অন্তত এড়িয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করি। জীবন আমাকে শিখিয়েছে, একটা খারাপ সম্পর্ক মেনটেন করতে যতোটা এফোর্ড দিতে হয়, ভালো সম্পর্ক মেনটেন করতে ততোটা দিতে হয় না। তাই তাত্বিক কিছু নয়, কিছু উপলব্ধি লিখতে কেন যেন আজ ইচ্ছে করছে। ছোটভাইসম গৌতমকে অনেক বার বলেছিলাম নেদারল্যান্ডসের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে লিখবো। মেয়ের স্কুলকে খুব কাছে থেকে ফলো করেছি একটা সময়, নিজেদের স্কুল জীবনের সাথে পদে পদে তুলনা করেছি কিন্তু লিখবো লিখবো করে কয়েক বছর চলে গেছে লেখা হয়ে ওঠেনি।

মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো

মাঝে মাঝে তিতলি আর সায়ানের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়ে যায়। পরে ঝগড়ার কারণ দুজনের একজনও খুঁজে পায় না। কখনো খুঁজে পেলেও অবাক লাগে এটা কী এতো তীব্র অভিমানের কোন ব্যাপার ছিল?

বকুলকথা (শেষ পর্ব)

খোঁজ নিয়ে কাকিমার অনুমতি নিয়ে বকুল পাড়ার কাছাকাছি একটা পার্লারে ঢুকলো কাজ শেখার জন্য। মনপ্রাণ ঢেলে দিয়ে বকুল কাজ শিখতে লাগলো। ভুরু প্লাক দিয়ে শুরু করে খুব দ্রুতই স্কীন কেয়ারে পৌঁছে গেলো সে। কাজের জায়গায় আস্তে আস্তে অনেকের সাথে তার বেশ ভাব হলো। ভাগ্য বিড়ম্বিত অনেকেই আছে এ পৃথিবীতে তাহলে সে শুধু একা নয়। দুর্ভাগিনীরা দায়িত্ব নিয়েছে সুখী মানুষদের সুন্দর করে সাজিয়ে গুজিয়ে তোলার। অন্যদের দুঃখের কথা শুনে, নিজের দুঃখ ভাগ করে এক রকম দিন কেটে যাচ্ছিলো। সেখানে একটা আলাদা পরিবার তৈরী হলো তার। সবচেয়ে বেশি ভাব হলো ঝর্ণাদির সাথে। গোপন থেকে গোপন দুঃখও দুজন দুজনের মধ্যে ভাগ করে নিতে লাগলো। স্বামী সন্তান নিয়ে ঝর্ণাদিকেও অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় দৈনন্দিন জীবনে। একদিন ঝর্ণাদি বকুলকে বললো, এতো ভালো কাজ শিখে এখানে কেনো পড়ে থাকবি তুই? আমি চলে যাচ্ছি ভালো পার্লারে, তুই যাবি সাথে?

বকুলকথা (২)

আস্তে আস্তে বকুল অনুভব করতে লাগলো তার ওপর কাকু-কাকিমার এ নির্ভরতা নিতান্তই স্বার্থ নির্ভর, ভালোবাসা নির্ভর নয়। আগে পাড়ার কেউ যদি বকুলকে ডেকে জিজ্ঞেস করতো, ও বকুল কি খবর তোর? এভাবে বোস বাড়ি পড়ে থাকলেই চলবে? পরের সেবা করেই যাবি? বিয়ে থা, চাকরি কিছুই করবি না?

বকুলকথা (১)

বকুল একবার উঠছেতো আবার বসছে বিছানায়। অস্থির লাগছে প্রচণ্ড কিন্তু কিছু করার নেই তার, জানে না কি করলে অস্থিরতা কমবে। টেবিলের ওপরে থাকা বইগুলো উল্টাচ্ছে, বাণী বসু’র লেখা ইদানীং খুব টানে তাকে। বহুবার পড়া “একুশে পা” আবারো খুলে বসলো, যদি মনটাকে ব্যস্ত রাখা যায়। কিছুক্ষণ অক্ষরগুলো চোখের পরে নাচানাচি করলো, অক্ষরগুলোকেই চিনতে পারছে না সে। পড়ার বৃথা চেষ্টা বন্ধ করে আবার বসলো। আজ ছুটির দিন হয়েছে বলেই জ্বালা। কোথাও যাওয়ার নেই তার, বন্ধু নেই বান্ধবী নেই। পার্লার আর বাড়ি আর বাড়ি আর পার্লার এইই জীবন প্রায় চল্লিশ ছুঁই ছুঁই বকুলের। কর্মঠ মেদহীন শরীর দেখে কেউ ধারণাই করতে পারবে না আটত্রিশ কাটাচ্ছে বকুল এখন। সবাই ভাবে বড়জোর ত্রিশ। যদিও আজকাল কেশে রূপালী রেখে দেখা দিতে শুরু করেছে। সেদিন ঝর্ণাদিকে বলে মেহেদী রঙে ডাই করেছে নিয়েছে চুল সে। পরিচ্ছন্ন থাকতে বকুল খুবই ভালোবাসে। ছোটবেলার অভ্যাস, রাঙা কাকিমা করিয়ে দিয়ে

প্রেম ......... ঢাকা স্টাইল (শেষ পর্ব)

এ ঘটনার কিছুদিন পর এক ছুটির দিনে বেশ ভোরে কঙ্কার ঘুম ভেঙে গেলো। সারা বাড়ির সবাই তখন ঘুমে বিভোর, ছুটির দিনের আয়েশী ঘুম। ক্লাশের পড়াশোনার চাপে আজকাল আর গল্পের বই পড়ার সময়ই পায় না কঙ্কা। ভাবল ঘুম যখন ভেঙ্গেই গেলো শুয়ে না থেকে যাই একটু বই পড়ি। যেই ভাবা সেই কাজ, উঠে কঙ্কা হাত মুখে ধুয়ে চায়ের মগ নিয়ে বই হাতে বসার ঘরে যাচ্ছিল। দরজা জানালা খোলা দেখে আর রান্না ঘরের টুকটাক মৃদু শব্দে কঙ্কা বুঝতে পারল মা একবার উঠে ওদেরকে ডেকে দিয়ে গিয়ে আবার শুয়েছে। খুব সন্তর্পনে কঙ্কা যাচ্ছিল যাতে কারো ঘুম না ভেঙ্গে যায়। বসার ঘরে ঢুকতে ঢুকতেই হঠাৎ অকারণে বারান্দার দিকে চোখ গেলো তার। তার ই.এস.পি বলছিল কিছু একটা ঘটছে ওদিকে। এগিয়ে যেয়ে দেখতে পেলো রাজমিস্ত্রী মজনু হাতে পাইপ নিয়ে দুলে দুলে ছাদের উপর ডাই করে রাখা ইট ভিজাচ্ছে, এমন ভঙ্গিতে ইট ভিজাচ্ছে দেখে জীবন বীমার এ্যাড এর কথা মনে পড়ে গেলো কঙ্কার। জীবন বীমার এ্যাডে যেমন