ইউজার লগইন

ফড়িং

 
"ভাইয়া শোন"
"এই ভাইয়া, শোন না!"
"ভাইয়া, শোন না..."
আলতো করে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম মিতুকে, "সর তো, জ্বালাসনে!"
বেশ বুঝতে পারছি মিতুর চোখ ছলোছলো। খানিকটা পর আস্তে করে বললো, "ভাইয়া, আমাকে একটা ফড়িং ধরে দে না।"
"এই ভাইয়া, দে না একটা ফড়িং ধরে!"
"ভাইয়া, শোন না," ওর ক্ষুদে আঙ্গুল দিয়ে আমাকে গুঁতাতে লাগলো।
বিরক্তির শেষ সীমায় আমি, এতো বোকা কেন মেয়েটা? এখানে আমি ফড়িং কোথায় পাবো?
"এই ভাইয়া! ভাইয়া রে...দে না একটা ফড়িং!"
হঠাৎ মাথায় যেন আগুন জ্বলে উঠলো। এক ধাক্কায় ছুড়ে ফেললাম মিতুকে ঐ ধূসর দেয়ালে। আর তাল মিলিয়ে ঝনঝন করে কাঁচ ভাঙ্গার শব্দ শোনা গেল।

চোখ মেললো বিপুল। হাঁপাচ্ছে...ঘামে ভিজে গেছে শার্টটা। ঘর অন্ধকার, বাইরে এলোপাথাড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। ঝাপসা হয়ে এসেছে জানালার কাঁচ। পাল্লা দিয়ে ঝাপসা হয়ে এলো বিপুলের চোখ। চাঁদ কিংবা তারার আবছা আলোয় ঘরটা যখন একটু একটু আঁচ করা যাচ্ছি্‌ল, তখন সে ঘরের কোথাও মিতুকে দেখতে পেল না বিপুল। অথচ কোত্থেকে যেন ওর রিনরিনে কণ্ঠ তখনো শুনতে পাচ্ছিল বিপুল, "ঐ যে ফড়িং, ভাইয়া! ঐ যে..." ওর গলায় ফড়িং খুঁজে পাবার উত্তেজনা, "ঐ যে, ঐ যে ভাইয়া। দে না ধরে!" ফড়িং...এর শেষটুকু এক অনুনাদ হয়ে সারা ঘরময় ধাক্কা খাচ্ছে, তারপর যেন দ্বিগুণ জোরে প্রতিধ্বনিত হয়ে ওর করোটিতে আঘাত করছে! দশটা আঙ্গুলে মাথার খুলি আঁকড়ে ধরলো, তারপর আর্তনাদ করতে করতে দরজায় লুটিয়ে পড়লো বিপুল।

কাঁচের জগটা ভাঙ্গার শব্দেই জেগে উঠেছিল নাহার। তারপর গোঙ্গানির শব্দ, শেষে এই জান্তব আর্তনাদ। দরজায় আছড়ে পড়েছে বিপুল, ধুপধুপ শব্দ করছে। ওর বাবা ইজিচেয়ারেই ঘুমিয়ে পড়েছিল, কিছুক্ষণ হল জেগে উঠেছে। এখন পাথরের মতো মুখ করে বসে শুনছে ছেলের আর্তনাদ। সে কি অমানুষিক আর্তনাদ!"মা, মা রে...দরজাটা খোল মা!"
ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন নাহার। আরেফিন সাহেব সে কান্নার আওয়াজ শুনে একবার স্ত্রীর দিকে তাকালেন। তারপর "যেন কিছুই হয়নি"- মতো করে চোখ ঘুরিয়ে দরজাটায় স্থির করলেন। প্রতিরাতেই তো এমন হয়, প্রতিরাতে... শুধু নাহার বেগম ক্লান্ত হন না।

"দরজাটা খোল, মা! মা! দরজা খোল।" এই কাঁদতে কাঁদতে ভেঙ্গে পড়ে বিপুল, তারপর হিংস্র হয়ে উঠলো আবার। সরোষে কিল বসাতে লাগলো দরজায়, "খোল! খোল!"
"বাবা রে...বাবাটা আমার!" এপাশ থেকে ডুকরে কেঁদে উঠলেন নাহার। আরেফিন সাহেবেরও চোখের কোণা দিয়ে এক কি দু ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। তবে চোয়াল সেই আগের মতোই শক্ত।
স্বামীর দিকে তাকালেন শুধু একবার, তারপর হঠাৎ বিছানা থেকে লাফিয়ে উঠলেন নাহার। দরজার দিকে ছুটে গেলেন। দরজার কাছেই ইজিচেয়ারে বসা আরেফিন সাহেব উঠে দাঁড়ালেন। স্ত্রীকে জাপটে ধরে নিরস্ত করলেন। তারপর বিছানায় আছড়ে ফেললেন। নাহার বেগম পুরোপুরি নিরস্ত হলেন না। ফোঁপাতে ফোঁপাতে হামা দিয়ে এলেন দরজার কাছে। তিন ইঞ্চি পুরু  সেগুন কাঠের দরজায় কান পাতলেন। ওপাশে বিপুলের বিড়বিড় শব্দ আর হুটোপুটির আওয়াজ পাওয়া গেল।
-"ভাইয়া"
-"ফড়িং দেব না।"
-"দে না ভাইয়া"
-"নাআআ"---চিৎকার করে উঠলো বিপুল।
"বাবারে...ও আমার বাবুটারে...", এ পাশ থেকে আর্তনাদ করে উঠলেন নাহার। হঠাৎই যেন সম্বিত ফিরে পেল বিপুল, "এই মা! এই মা! কাঁদিস ক্যান? এই মা কাঁদিস কেন? এই!"
নাহার হু হু করে কাঁদতে লাগলেন।
"এই মা কাঁদবি না..." হিংস্র চিৎকারে গলা ফাটালো বিপুল, ধুমধুম করে কিল পড়তে লাগলো দরজায়।
তারপর হঠাৎ শান্ত হয়ে বলে, "দেখ না মা, মিতুটা কি বিরক্ত করছে! ফড়িং দিয়ে ও করবেটা কি বল?"
বিড়বিড় করতে লাগলো আপনমনে, ওপাশ থেকে নাহার বেগম দরজার গায়ে হাত বুলাতে লাগলেন, যেন ছেলের মাথায় হাত বুলাচ্ছেন। কান পেতে রইলেন দরজায় সারাটা রাত, আরেফিন সাহেব শান্ত নির্বাক চোখে চেয়ে রইলেন সেদিকে।

"এই মা! মা! মা রে..." ফিসফিসিয়ে ডাকছে বিপুল, "এই মা! শোন না!" নাহার বেগম ঘোরাক্রান্তের মতো হাত বুলিয়েই যাচ্ছিলেন দরজায়। ওপাশ থেকে হালকা আঁচড়ের শব্দ এলে যেন ঘোর ভাংলো।
"দরজাটা খোল, মা।"
নাহার চুপ করে রইলেন। একটা কথাও বললেন না।
"দেখ না মা, মিতু কি জ্বালাচ্ছে। ওকে একটা ফড়িং ধরে দেব রে মা! দরজাটা খোল।"
আকুল কণ্ঠে নাহার বললেন, "বাবা তুই মিতুকে দেখিস?"
-"হু"
-"সত্যি দেখিস?"
-"হু তো!"
তারপর একটু বিরতি দিয়ে বিপুল বিড়বিড় করে বলতে লাগলো, " কি যেন একটা গান গায় মা...গুনগুন করে। আমার মাথাটা ধরে যায়। দরজাটা খোল না মা!"
উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টিতে একবার স্বামীর দিকে তাকালেন নাহার। সারা রাত জেগে ছিলেন, এই শেষ রাতে তন্দ্রামতো এসেছে, সামান্য ঢুলছেন আরেফিন সাহেব। নাহার আলতো পায়ে উঠে দাঁড়ালেন। সতর্ক হাতে ছিটকিনিটা খুলে দিলেন।

দরজার ওপাশে এলোমেলো ভঙ্গিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল বিপুল। চোখের মণি অস্বাভাবিক ঘোলা। ঠোঁট দুটি নড়ছিল, কি যেন বিড়বিড় করে বলছিল, বোঝা যায় না এমন। নাহার ফিসিফিসিয়ে বললেন,"কোথায় মিতু?" বিপুল জবাব দিল না। "কোথায় মিতু, বল?"
ক্লান্ত স্বরে জবাব দিল বিপুল, "ঐ যে," অন্ধকারের দিকে হাত বাড়িয়ে কিছু একটা নির্দেশ করলো।
"কই রে বাবা? কই!"- কান্না চাপতে চাপতে অস্থির দৃষ্টিতে অন্ধকারে মরীচিকা খুঁজে বেড়াতে লাগলেন নাহার।
"দেখছিস না ক্যান মা? ঐ তো!"
নাহার শব্দ করে কেঁদে উঠলেন, "মিতু মা রে...মা রে...কই তুই মা?"
"দেখছিস না ক্যান মা! ঐ তো মিতু!" আস্তে আস্তে উন্মত্ত হয়ে উঠলো বিপুল,"দেখ মা! ঐ তো মিতু! দেখ না মা! দেখ!"
হতাশ দৃষ্টিতে নাহারের দিকে তাকালো বিপুল, তারপর গলা চেপে ধরলো, "দেখ মা দেখ! ঐ যে মিতু দৌড়াচ্ছে, দেখেছিস?" গলায় বিপুলের আঙ্গুলগুলো আরেকটু শক্ত হয়ে এঁটে বসলো। নাহার গলা থেকে আঙ্গুলগুলো আলগা করার চেষ্টা করলেন, তখন বিপুলের শরীরে অমানুষিক জোর, একটা আঙ্গুলও ঢিলে করতে পারলেন না। জান্তব গলায় চিৎকার করে উঠলো, "দেখ মা, দেখ!"

আরেফিন সাহেবের ঘুম ভেঙ্গে গেল সে উন্মত্ত চিৎকারে। কয়েকটা মুহূর্তের জন্য কি করবেন বুঝে উঠতে পারলেন না যেন। তারপর দেয়াল থেকে নামিয়ে নিলেন দোনলা বন্দুকটা; জানতেন তিনি,একদিন এমনটাই হওয়ার ছিল!
গুলির শব্দে কেঁপে উঠলো পুরো গ্রাম। নাহারের গলায় চেপে বসা আঙ্গুলগুলো ঢিলে হয়ে এলো। ঢিলে হয়ে এলো আরেফিন সাহেবের আঙ্গুলও, ধোঁয়া ওঠা বন্দুকের নলটা মাটিতে ঢলে পড়লো। বিপুল খুব স্বাভাবিক গলায় বলে উঠলো,"বাবা!" ওর চোখে বিস্ময়। আরেফিন সাহেব মাটিতে স্থাণুর মতো বসে রইলেন। নাহার হিংস্র গলায় ছেলের কানে ফিসিফিসিয়ে উঠলো, "মিতুকে মারলি ক্যান? বল, মিতুকে মারলি ক্যান?" তারপর কলার ধরে ঝাঁকাতে লাগলো বিপুলের, "বল! বল আমাকে, বল!" ক্লান্ত স্বরে ধীরে ধীরে বলে উঠলো বিপুল, "ও যে ফড়িং চেয়েছিলো মা!"

বিপুলের চোখ ভেঙ্গে অন্ধকার নেমে আসতে লাগলো, তার মাঝে কোত্থেকে ছুটে এল মিতু,"ভাইয়া দেখ! ফড়িং," খিলখিল করে হাসতে হাসতে আবার বলে উঠলো,"দেখ না ভাইয়া, ফড়িং তো!" বিপুল শূন্যে হাত নেড়ে ক্লান্ত গলায় বলে উঠলো, "যা তো! যাহ!"

ছবিসূত্র

পোস্টটি ১৪ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আহমেদ রাকিব's picture


দেখ মা দেখ! ঐ যে নীতু দৌড়াচ্ছে, দেখেছিস?
মিতু হবে বোধ হয়।

বেশ  ভালো লাগলো ভাইয়া। একটানে পড়েছি।

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


নীতু যে কেমনে কোত্থেকে আসলো কে জানে Thinking?

নজরুল ইসলাম's picture


দেয়ালে ছুঁড়ে মারলে কাঁচভাঙ্গার শব্দ কেন?

অনুগল্প হিসেবে ভালো। কিন্তু আমার মতে প্রথম অংশটা নিয়ে আরেকটু ভাবতে পারেন। মিতুর মৃত্যুর রহস্যটা প্রথমেই খোলাসা হয়ে যায়।

বাবার গুলি করা ছাড়াও সমাধান ছিলো হয়তো। গল্পের প্রয়োজনে বাবাকে খুনি বানালেন?

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


দেয়ালে ছুড়ে মারা আর কাঁচ ভাঙ্গার শব্দটা আলাদা ঘটনা। একটা স্বপ্নে আরেকটা বাস্তবে...যদিও সবার মন্তব্যেই বুঝতে পারছি শুরুর স্বপ্নটা কেউ ধরতে পারে নাই। এটা লেখক হিসেবে আমার ব্যর্থতা Sad
গল্পটা আসলে কোনো সাসপেন্স ধরে রাখা টাইপ না। একটা পাগল ছেলে তার আদরের বোনকে মেরে ফেলার পর তাদের পরিবারের কোনো এক দুর্যোগময় রাতের গল্প।
সবাই বলার পর মনে হচ্ছে বাবার গুলি করার অংশটা দুর্বল, লেখার সময় মনে হয়নি।

নজরুল ইসলাম's picture


স্বপ্নের ব্যাপারটা ধরতে পারছিলাম। কিন্তু কাঁচ ভাঙ্গাটা যে ব্রিজ তা বুঝি নাই। আপনি সেটাকে স্বপ্নের লগে মিলায়ে দিছেন। এক প্যারায়।

বকলম's picture


আসলে কি ঘটেছিল মিতুর? উত্তেজনা নিয়ে পড়েছি লেখাটা কিন্তু মনটা প্রশ্নবোধক হয়েই রইল।

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


মিতুকে তার পাগল ভাই মেরে ফেলেছিল

নীড় সন্ধানী's picture


মৃত্যুটা অপ্রত্যাশিত ছিল। মিতুর কি হয়েছিল, কেন হয়েছিল, এটা অস্পষ্ট রয়ে গেল। ইচ্ছে করেই রেখেছেন নাকি?

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


মিতু তার ভাইয়ের কারণে মারা গেছে এটুক ইংগিত রাখতে চেয়েছি, বাকিটা গল্পের ফোকাসের বাইরে।

১০

নুশেরা's picture


ঘোরে থাকা মানুষের আচরণ আর সংলাপগুলো যথাযথ। তবে এই ধরণের গল্পের খুব সমঝদার নই Sad

প্রথম অংশে বিপুল নিজেই কথক। তখনও যদি সে সুস্থ থেকে থাকে, বোনের মৃত্যুর পর অসুস্থ হয়েছে। সেই স্মৃতি নিয়মিতই তাকে তাড়া করে। ঘটনাটিতে কাঁচ ভাঙ্গা জড়িত, কাজেই বাবামার তত্ত্বাবধানে তার ঘরে কাঁচের জগ থাকার কথা না।

বাবার গুলি করাটা স্বাভাবিক লাগেনি। গুলিতে বিপুল আহত বা নিহত হয়েছিলো কিনা সেটাও স্পষ্ট না, কারণ ঐ অবস্থাতেও মা জানতে চাইছেন কেন সে মিতুকে মেরেছিলো। অবশ্য অস্পষ্টতা লেখকের ইচ্ছাকৃত কিনা জানি না।

১১

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


এই ধরণের গল্প হ্যান্ডেল করতে পারি নাই। যাক গে, কাঁচ ভাঙ্গারে তেমন গুরুত্ব দেয়ার কিছু নাই। প্লাস্টিকের জগ তো খুব বেশি দিন হয় নাই পপুলার হয়েছে!

বাবার গুলি করাটা অস্বাভাবিক এখন আমারো মনে হচ্ছে, কিন্তু গুলির পর বিপুলের কি হয়েছিল আসলে তা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় নাই।

১২

বিষাক্ত মানুষ's picture


আমার কাছে তো ভালই লাগলো Smile

১৩

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


Laughing out loud

১৪

অপরিচিত_আবির's picture


আমারো গল্পটা ভালোই লাগছিল তবে বাবার গুলি করবার অংশটা দুর্বল লেগেছে, ভিন্ন ভাবে শেষ করা যেত বলে মনে হয়। এছাড়া বাকিটুকু ভালোই লেগেছে।

অঃটঃ পিএল এ ব্লগিং করবার মজাই আলাদা, কি বলিস?

১৫

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


নাহ...আমি পরীক্ষার প্রেশারে ভাল ব্লগাইতে পারি। যেমন, এই গল্পটা এক সপ্তাহ আগে লেখা Wink

১৬

টুটুল's picture


মন্তব্যগুলো পেন্সিলের লেখাকে একসময় বলপয়েন্টর লেখায় রূপ দিবে... Smile

১৭

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


মনে হয় না। Puzzled
মানুষ ভুল করতে করতে শিখে, আমি নতুন নতুন ভুল আবিষ্কার করি।

১৮

কাঁকন's picture


আমি প্রথমে ভাবছিলাম মিতুর হাতে কাঁচের চুড়ি ছিলো দেয়ালে লাইগা ওগুলা ভাঙছে; মানসিক অসুস্থতার জন্য যাকে ঘরে বন্দি করে রাখা হয় তার ঘরে কাচের জগ বা কাচের অন্য কোন কিছু সাধারনত রাখা হয় না দুর্ঘটনার ভয়ে।

১৯

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আমার প্লটে কোনো সময়কাল দেই নাই, হইতেই পারে ঐ আমলে প্লাস্টিক চালু ছিল না Laughing out loud

আসল কথা হইলো ঐভাবে ভেবে দেখি নাই

২০

কাঁকন's picture


প্লাস্টি কাচের ও আগে কাসা/পিতল/এলুমিনিয়ামের জগ ছিলো ;
এইসব টুকিটাকি খেয়াল রাইখেন আপনার হাত ভালো; আপনারে দিয়া হওয়ার চান্স আছে; এইসব টুকিটাকি খেয়াল রাখলে লিখা বেশি বাস্তবের কাছাকাছি হয়

২১

শাওন৩৫০৪'s picture


....একটা কিছু লেখতে বসছিলাম, কিন্তু এইটা পৈড়া স্তব্ধ হৈয়া গেলাম...লেখাটা নিয়া কিছু বলতে পারবো না, প্রিয়তে...

২২

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


Innocent

২৩

অদ্রোহ's picture


গল্পের ডিটেলের কাজ আরেকটু বেশি থাকলে ভাল হত বোধ হয় ,শুধু সংলাপ দিয়ে পুরো ব্যাপারটাকে ভিজুয়ালাইজ করতে একটু সমস্যা হল ।

গল্পের শুরুটা বেশ সতেজ ,কিন্তু শেষদিকে এসে একটু মেলোড্রামাটিক মনে হল ,একটু যেন মিইয়েও গেল ...

২৪

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


সংলাপ...মেলোড্রামা... মনে হয় নাটক লেইখা ফেলা দর্কার ছিল Wink

২৫

মুকুল's picture


একই পরিবারে খুনাখুনি ভালো লাগে নাই। এই রকমটা দু:স্বপ্নেও দেখতে চাই না।

২৬

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


দুঃস্বপ্নে যা দেখেন না, তা মাঝে মাঝে এইখানে আমার ব্লগে দেইখা যাইয়েন

২৭

আশরাফ মাহমুদ's picture


ভালো লাগছে। কখনো গল্প রিরাইট করার ইচ্ছে থাকলে মীতু চরিত্রটাকে আরেকটু উজ্জ্বল করে তুকে ধরতে পারেন; সেসাথে বিপুলের বোধগুলোকে আরেকটু ধোঁয়াশা করতে পারেন- কে হত্যা করল বা কীভাবে হলো সেটা আরেকটু প্যাঁচ লাগুক। আমার মনে হলো।
একটা কথা- গল্পে কোন চরিত্রকে 'সাহেব সাহেব ডাকলে হুমায়ুন আহমেদ টাইপ লাগে। মন খাইয়েন না আবার।

২৮

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


গল্পে আমি বয়সটাকে তুলে ধরতে পারি না, সাহেবটা সেইজন্যই ব্যবহার করা। মুরুব্বি টাইপ কাউকে নাম ধরে ডাকছি ভাবতে যেন কেমন লাগছে। আসলে বুড়ো হবার পর লেখালেখি শুরু করা উচিৎ Glasses

২৯

রায়েহাত শুভ's picture


এই গল্পটা পৈরা আমি কালকে রাত থেকে থম ধরে বসে আছি...
আর আমার যেই যেই পয়েন্টে একটু খুঁত খুঁতানি ছিল, অইন্য অনেকেই সেই পয়েন্ট গুলা কৈয়া ফেলছে...

৩০

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


কি আর বলবো...গল্পটা অনেকবার রিরাইট করার চেষ্টা নিছি। একবার লেখার পর ঐটার উপর চার পরতে কাটাকুটি চালাইছি। তারপরেও ব্লগস্পটে দেয়ার সময় গল্পের শেষে কিছুটা লেখক-কথন জুড়ে দিছি। খুঁতখুঁত আমার নিজেরও করতাছে Sad

৩১

মুক্ত বয়ান's picture


গল্পটা প্রথমে বুঝি নাই। পরে সবার মন্তব্যে বুঝলাম।
আরেকটু ডিটেইল আশা করি তোমার গল্পে। Smile

৩২

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


Undecided

৩৩

মানুষ's picture


বড়ই প্যাঁচ লাগা গল্প

৩৪

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


হ, আসলেই Wink

৩৫

নরাধম's picture


 

 

প্যাঁচ  লাগাইয়া গল্প লিখছেন। তবে ভাল লাগছে।

৩৬

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


:Cool

৩৭

তানবীরা's picture


আমার কিন্তু বেশ ভালো লেগেছে

৩৮

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


Smile ধন্যবাদ

৩৯

নীড় _হারা_পাখি's picture


বহুত পেজগি মার্কা গল্প। প্রথমে বেশ ভালই লাগছিল। পরে শেষের দিকে আর বুঝতে পারলাম না ।আর এই সব খুনা খুনি ভাল লাগে না। ভাল গল্প লিখেন।

৪০

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


মাথা ভরা পেজগি... কি করি? Puzzled

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.