পদ্মলোচন'এর ব্লগ
অপ্রকাশিত চিঠি
মা,
এই চিঠিটা কোন দিন তোমার হাতে পৌছাবে না। কখনোই পোস্ট করা হবে না। কখনোই এই কথা গুলো তোমার কানে যাবে না। কখনোই তোমাকে বলতে পারবো না। মনটা প্রায়ই খুব খারাপ থাকে। তুমি বারবার ফোনে জিজ্ঞেস কর মন খারাপ নাকি মিথ্যে বলি। জানি আমার এই মিথ্যেটুকু তোমাকে একটু হলেও শান্তি দেয়।
প্রবাসী ছাত্র ডায়েরি - ৪র্থ পর্ব
প্রথমেই দুঃখ প্রখাস পালা। গত কয়েকদিন আমি অসম্ভব ব্যস্ত ছিলাম বার এপ্লিকসশন নিয়ে। বার এপ্লিকেশন শেষ হওয়ার পরে আলস্য পেয়ে বসে। ঐসময়টায় আমার ৯০% সময় কীবোর্ডের সাথে যুদ্ধ করে কেটেছে। অনাকাংখিত আলস্যজনিত দেরীর জন্যে স্যরি আছি।
হেফি বাড্ডে নীড়ুদা
যারা নীড়দাকে চিনেন তাদেরকে নীড়ুদা সম্পর্কে কিছু বলার নাই। যারা চিনেন না তাদের বলি এমন অসাধারন মানুষ, লেখক খুবই কম। বিনয়ী, নম্র, চিন্তাশীল অনন্য এক মানুষ নীড়দা। আজ তার জন্ম দিন। হেফি বাড্ডে দাদা।
কেক খান, কোক খান। পিচ্চিদের আর ভাবীকে নিয়ে অনেক বেশী ভালো থাকুন এই কামনাই রইলো।

দাবী দাওয়া জানাইয়া ডেভুদাকে আবেদন
বরাবর
ডেভুদা,
আমরা বন্ধু.কম,
অন্তর্জাল।
বিষয়ঃ কোট করিবার ও লিঙ্ক দিবার সুযোগ চালু করিবার আবেদন।
জনাব,
সবিনয় নিবেদন এইযে, আমি আপনার ব্লগের একজন নগন্য ব্লগার। কানা ছেলে হৈবার হেতু আমি অনেক কিছুই করিতে পারি না। তাই কোট করিবার ও লিঙ্ক দিবার অপশন অতি সত্বর চালু করিবার অনুরোধ জানাই।
বিনীত
কানা ছেলে পদ্মলোচন
আমরা বন্ধু.কম,
অন্তর্জাল।
৩ জানুয়ারী ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
২০ পৌষ ১৪১৬ বঙ্গাব্দ
প্রবাসী ছাত্রডায়েরী - ৩য় পর্ব (নিউ ইয়ার স্পেশাল)
দেশে থাকতে বন্ধুদের কাছে ওয়েস্টমিনিস্টারে নববর্ষ উদযাপন, ফায়ারওয়ার্ক, ইত্যাদি নিয়ে অনেক কথা, গল্প শুনেছি। নিজেরও ইচ্ছে ছিলো দেখার। তাই ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্ল্যান করছিলাম ওয়েস্টমিনিস্টার যাওয়ার। প্ল্যান হচ্ছিলো লম্বা সময় নিয়েই। জন্মদিন রাতে ছোট ভাই হিমেল জানালো ও আর ওর বন্ধু ফাহিম আসবে আমাদের সাথে নববর্ষ উদযাপন করতে।
সে যাক আজকে শুধুই ৩১ তারিখ রাত নিয়ে কথা হবে। যা মনে আছে।
প্রবাসী ছাত্র ডায়েরি - ২য় পর্ব
দিল্লী থেকে বিমান বদলানো হবে। দেড় ঘন্টার ব্রেক। নেমে ভিতরে ঢুকছি, এয়ার পোর্ট কর্তৃপক্ষ বলল যারা ছাত্র আছে তারা যাতে হাতে ভিসা লেটার নিয়ে দাঁড়ায়। আমার মেজাজ খিচড়ে গেল। আরে বেটা আমি খালি এইখানে চেঞ্জ করতেছি তোদের কেন আমার ভিসা লেটার দেখানো লাগবে। সেটা হাতে নিয়ে দাড়ালাম তাও। লাইন ধরে এগিয়ে গেলাম। কাগজ দেখছিলো। পাশের লাইনে দাঁড়ানো এক সিলেটি ছেলে আজাইরা সব প্রশ্ন করছিলো। আমিও তাকে বাংলায় বুঝানোর চেষ্টা
মোবাইল মোবাইল প্রেম ( রম্য অপপ্রয়াশ)
ফোনটা ধরেই আবিরের মাথায় রক্ত উঠে গেল। নিরীহ ধাচের একটা ছেলে আবির। কারো সাতে নাই পাচে নাই। নিজের পড়া, বন্ধুবান্ধব, আড্ডা আর প্রেমিকা অনন্যাকে নিয়েই খুশী। বড়ই জটিল প্রেম । ডিজিটাল যুগের ডিজিটাল প্রেম। দেখার থেকে মোবাইল , ইন্টারনেট ইত্যাদির ভূমিকাই বেশি ।
আবিরের ভ্রু কোচকানো দেখে জাহিদ অবাক। যে এই শান্ত শিষ্ট প্রায় লেজবিশিষ্ট ছেলেটার আবার মেজাজ খারাপ ক্যান?
- কি মামা কি হইলো তোর আবার?
ক্যামনে ছবি দিবেন
আমরা বন্ধু ডট কমে যারা ছবি দিতে চান তাদের জন্যে একটা টিউটোরিয়াল দিলাম। দেখেন :) আশা করি উপকারে লাগবো
প্রাবাসী ছাত্র ডায়েরি - ১ম পর্ব
এইটা আমার বৈদেশে আগমন এবং অতঃপর এইখানে অবস্থা পর্যবেক্ষন নিয়া একখানি পুস্ট। জিয়া থেইকা শুরু করবো কারন এর আগে কি হয় মোটামুটি সব জানা আছে সবাইর।
প্রেজেন্ট স্যার
আমি রোল নং ৬৩। আপনাদের ক্লাসে আপাতত সবচেয়ে পেছনের বেঞ্চের ছাত্র। হাজিরা দিতে এলাম। প্রেজেন্ট স্যার।
আমার নাম জাবির। আমি ক্লাস ব্লগে পড়ি। আমি খুব সুন্দর নাচতে পারি। আমি কবিতাও আবৃত্তি করতে পারি। উম এছাড়া, আমি ছড়া পড়তে পারি। ছোটন ছোটন পায়রা গুলো ঝোটন বেধেছে............ Twinkle Twinkle big star .........
আচ্ছা আজকে যাই , কালকে আবার হাজিরা দিবো।

