ইউজার লগইন

বিষাক্ত মানুষ'এর ব্লগ

তাকে যত তাড়াই দুরে ----- [মহীনের ঘোড়াগুলি]

..

মহীনের ঘোড়াগুলি ব্যান্ডের সবগুলো গান আমার কাছে ছিলো না, ক'দিন আগে অনেক খোঁজার পর সবগুলো গান জোগাড় করলাম। পুরনো শোনা গানগুলো আবারো শুনলাম, একেবারে না শোনা গানগুলো বারবার শুনলাম।

আজ নিস্তব্ধ ভরদুপুরে একা একা রুমে বসে পুরনো শোনা গানটা শুনতে শুনতে মনে হলো ঠিক এই মুহুর্তটার জন্যই যেন গানটা তৈরী করা হয়েছে .....

বারবার শুনছি.............

তাকে যত তাড়াই দুরে
তবু সে আসে মেঘলা চোখে ঘুরে ফিরে
তাকে আমি হারাই দুরে দুরে
যদি সে গেয়ে ওঠে অন্য কোন সুরে

আজকাল বা পরশু
যদি সে এসে দাড়ায়
ছায়ার মত আমার ছায়ায়

ছায়ারও ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্যমন

সে অবুঝ খেয়ালি
সে ভিষন একাকী
আবেগ সবই তার তো ফাঁকি

এখনো ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল
বিছানায় সে ফিরবে পাশ

বর্শায় গাঁথা জাহানারা বেগমের আঁচল

সরু গলিটার শেষ মাথা থেকে ছোট ছোট পা ফেলে জাহানারা বড় গলিটায় এসে একটু জিরিয়ে নেবে কিনা ভাবছে। তাকে আরো ৪০০ মিটারের মত হাঁটতে হবে। প্রাচীন শরীর সব সময় কথা শুনতে চায় না। জাহানারা বেগমের বয়স যতটা না তাকে দেখলে তারচেয়েও বয়স্ক লাগে। নিঃসন্তান বিধবা তিনি, নিকটাত্মীয় বলতে দুটো ভাই, তারাও থাকে অনেক দুর। একই শহরে থেকেও যে অনেক দুরে চলে যাওয়া যায় এই মহাব্যস্ত হরিয়ে যাওয়ার শহরে সেটা জাহানারা খুব ভালোই জানে।
নিঃসন্তান হওয়ায় স্বামীর সাথে তার দাম্পত্য জীবন খুব একটা সুখকর ছিলো না কোন কালেই, স্বামী মারা যাবার পর জাহানারার চট্টগ্রামে তার বাপের বাড়িতে চলে আসে, দুই ভাইয়ের কেউ এ বাড়িতে আর থাকে না, ভাড়া দিয়ে নিজেরা আলাদা আলাদা সংসার পেতেছে শহরের অভিজাত এলাকায়। বাড়িটির নোনা ধরা দুটো রুম জাহানারার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়, ভায়েরা মাস শেষে কিছু টাকাও লোক মারফত প্রতিমাসে পাঠায়, সেটা দিয়েই তাঁর ভালোভাবেই দিন চলে যায়।

এ জার্নি বাই মাইক্রোবাস, সিডান, হিরু হুন্ডা ফ্রম ঢাকা টু জিন্দাপার্ক টু চিকেন বিরিয়ানী

দুই-তিনদিন আগেই প্লান হইছিলো বৃহষ্পতিবার ১৮ মার্চ এবির ফটু মন্ত্রনালয় টঙ্গী রেল স্টেশন এর আশপাশে গিয়া ফটু তুলতে চায়। সকাল নয়টার ফটুগ্রাফার তিনজন (হাসান রায়হান, রায়হান সাঈদ আর বৃত্ত শুভ) রওনা দিলো ফটু তুলতে। আর দুধভাত আমজনতা সাড়ে ছয়জন (আমি, শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, জয়ীতা, টুটুল, লীনা ফেরদৌস এবং তার মেয়ে মাধূর্য) আমরা রওনা দিলাম একটু বেলা করে সকাল এগারটায়।

জোনাকিদের সমাধি

grave1.jpg

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে জাপানের ছোট এক শহরের গল্প। মার্কিন বোমারু বিমান তখন নিত্য সেই ছোট শহরের আকাশ অন্ধকার করে ইচ্ছে মত বোমা ফেলে যায়। সেই ছোট শহরের ছোট দুই ভাই-বোনের গল্প। ভাইটির নাম সিয়েতা বয়স ১৫/১৬, বোনটির নাম সেতসুকো বয়স তিন/সাড়ে তিন। তাদের বাবা জাপানি নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, যুদ্ধের ময়দান থেকে অনেকদিন ধরেই তার কোন খবর নেই।

বুঝতার্তাছিনা

error.JPG

(কি বিপদ ........ পুষ্ট সাবমিট কর্তে গিয়া দেখি কয় ৫০ শব্দ লাগবো ! ৫০ শব্দ এখন কৈ খুইজা পাই !!!!! )

ঠিকাছে তাইলে রায়হান ভাইয়ের মতন একটা জুক্স কই -

একবার এক দ্যাশে এক হোজ্জা আছিলো (আমি জানি আপনেরা সবাই হোজ্জারে চিনেন , হুদাই ৫০ শব্দ বানানির চেষ্ট কর্তাছি) সেই হোজ্জার বউ একবার পাশের বাড়ির মুর্গা চুরি কৈরা জবাই দিয়া চিলি-চিকেন উইথ অনিঅন ঝাল কারী রান্না কইরা ফেল্লো (কেকা ফেরদৌসীর রেসিপি দেইখা দেইখা) । হোজ্জা রাইতে খাইতে বইসা কয় মুর্গা রান্লা কেম্নে ! আমি তো মুর্গা কিনি নাই !!
বউ কয় পাশের বাড়ির মুর্গা ইভিনিং ওয়াকে এদিক আইছিলো ধইরা রাইন্ধা ফেলছি ('রাইন্ধা' শব্দটা লেখতে গিয়া 'রান্ধা' কামেলরে মনে পইড়া গেলো ... আহা আমাদের দুলাভাইলে কপাল বটে !)

যা দেখছি, যা পড়ছি, যা শুনছি (ভার্সন মে '১০)

যা দেখছি-
অনেক বছর আগে "The Fabulous Destiny of Amelie Poulain" সিনেমাটা দেখে অবাক হয়ে চিন্তায় বসে ভেবেছিলাম, এমন শৈল্পিক ভাবে পর্যায়ক্রমে দৃশ্যপট এনে এত সুন্দর উপস্থাপনা কিভাবে সম্ভব!!!!
সেই দুর্দান্ত অভিনেত্রী Audrey Tautou, সেই দুর্দান্ত পরিচালক Jean-Pierre Jeunet এর আরেক সিনেমা 'A Very Long Engagement' নেট থেকে নামিয়ে দেখা শুরু করেছি।

আজ মালা'র জন্মদিন, এই দিনে যে একদিন কারো জীবন থেকে চলে গিয়েছিলো

আজ ১২ই মে।

আজ মালা'র জন্মদিন।

অপর্ণা সেনের মত ছিলো যার অভিমান। মধুবালার মত যে কথা বলতো।।

আজ এই দিনে যে মালা কারো জীবন থেকে সোফিয়া লরেনের মত যে হেঁটে হেঁটে চলে গিয়েছিলো। সেই মালা'র জন্য গান...

মালা

তোমার জংলা পাড়ের ঢাকেশ্বরী শাড়ি
তোমার পিসি চন্দ্রের ঝুমকো কানের দুল
আজ ১২ই মে, তাই সকাল থেকে
জন্মদিনের তোড়া তোড়া ফুল।

তোমার সানন্দার পাতা থেকে ছিঁড়ে নেয়া
রেনী পার্কের সংসার
তোমার স্বামী আজ অনেক দিনের পড়ে
তোমার ঘরে নিয়ে
হাজারো বিদেশি উপহার

এই শুভ দিনে নানান কাজের ফাঁকে
পড়ছে কি মনে তোমার
এই ১২ই মে তুমি চলে গিয়ে ছিলে
জীবন থেকে আমার

আজ যাও তুমি কোথায় চলে রোজ রাত্তিরে
মনের ভেতর ঘুমের ঘোরে
তোমার সাজানো শরীরের ভেতরে
মালা তুমি কে, তুমি কে

তোমার কথা বলা যেন মধুবালা
তোমার হাঁটা চলা সোফিয়া লরেন
তোমার গন্ধ ফরাসী আনায় আনায়
অভিমান অপর্না সেন

কত রঙ্গ দেখি দুনিয়ায় ----- [হীরক রাজার দেশে]

hrd

'ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে' এই কথা আবারো প্রমান করিবার জন্য অদ্য গানের পোস্ট দাখিল করিলাম।

আজকের ইছালে ছওয়াব মজমা আপেডট


সারা বিশ্বের কুটি কুটি মানুষের অনেক জল্পনা কল্পনার শেষে আজ বুধবার ১৭ ই মার্চ ২০১০ ইং , ৩ রা চৈত্র ১৪১৬ বাং , ৩০ রবিউল আউয়াল ১৪৩১ বাংলাদেশ ঢাকার মিরপুর ১২ নাম্বরস্থ জনাব-এ-আলা রায়হান সাঈদ দস্তিগর-এ-রউশন বাবা এবিপুরী ছাহেবের চাইরতলা দরগাহ শরীফে মাতমে ইস্তেহাব সওয়ালে জীগিরে আহসান শুরু হইয়াছে।

মেজবাহ ভাইয়ের রাজপুত্র

আজকে সন্ধ্যায় ল্যাবএইড গেছিলাম । আমি , রায়হান ভাই, টুটুল চাচা, বাফড়া আর জয়িতা। সবাই মিলে একযোগে লিফটে ওঠার সময় একটু ছোট সমস্যা হলো, আমার হাতে কতগুলো ফুল ছিলো সেটা দেখে সিকিউরিটি বললো ফুল উপরে নেয়া যাবে না, এখানে রেখে যান। আমি তখন ফ্রন্ট ডেস্কের সামনে এগিয়ে গেলাম, ডেস্কে এক টাই পড়া ভদ্রলোক বসে আছেন কিন্তু আমি কৌশলে উনাকে এড়িয়ে গেলাম কারন ভদ্রলোকের পাশেই এক ব্যাপক সুন্দরী কন্যা গলায় ল্যাব এইডের আইডি

কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ৪

জীবনদায়গ্রস্থ পাত্রর ডাকে কি কেউ সারা দিবেন ?

আমার এক পরিচিত পাত্র বিপদে পড়ছে ।
তাহার একখানা বিবাহ সম্পর্কিত ছিভি দরকার । পাত্রের যোগ্যতা সে সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত জানে। এছাড়া সে আর কিছু জানে না Stare

আছেন কোন দিলওয়ালা (দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে), গুর্দাওয়ালা, দয়াবান (আহা .. বিনোদখান্না আর মাধুরীর সেই...) , মানবতাবাদী, মহাজ্ঞানী, মহাজন (আবার সেই মহাজনীয় মাথা ব্যথা শুরু হইলো) !!!

একখান প্রশ্ন ছেলো

কানু গ্রুপ জিনিস্টা কি ?

উদাহারন সহ সংজ্ঞা দ্যান

কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ৩

বিয়ের আগের দিন সকাল সাড়ে সাতটার বাসে চড়ে রওনা দিলাম কোশালিনের উদ্দেশ্যে। সাথে একটা ছোট ব্যাগ আর ডজনখানেক সফর সঙ্গিনী , প্রায় নয় ঘন্টার জার্নি খুব মেজাজ খারাপ নিয়ে শুরু হলো , বাস ভর্তি লোকজন কিন্তু সুন্দরী সফর সঙ্গিনী নাই একটাও। সুন্দরী তো দুরের কথা ত্রিশের নিচেই কেউ নাই। জানলা দিয়ে বাইরের প্রাকৃতির ফটু তুলতে তুলতে পুরাটা রাস্তা কাটাইলাম। বাইরে মন খারাপ করা থেমে থেমে ঝিরঝির বৃষ্টি, এরমধ্যেই বিকাল স

কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ২

ক্লাস শেষে হল রুমের বাইরে এসে নিজের ব্যাগ থেকে একটা ছোট সাইজের কার্ড বের করলো লীনা। সেটাতে এক রোমান্টিক কবিতার চার লাইন লিখা । আমাকে অর্থ বুঝিয়ে দিলো সেই চার লাইনের , তারপর আমার নাম কার্ডে লিখতে লিখতে আমি বিড়ি ফুঁকি কিনা জানতে চেয়ে তার সাথে একটা বিড়ি খাওয়ার সঙ্গী হতে আমন্ত্রন জানালো ।

কার্ড হাতে নিয়ে জানতে চাইলাম,
- তোমার বিয়ে কোথায় হচ্ছে?
- আমার গ্রামে।
- কদ্দুর এখান থেকে ?