ইউজার লগইন
ব্লগ
ধূসর গোধূলিঃ কোটাখালীর বাঁকে
স্কুলে যাওয়া শুরু করার পর থেকে অয়নের ছোট্ট জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এতদিনের চেনাজানা ক্ষুদ্র গন্ডিটা বড় হতে শুরু করেছে ডালপালা ছড়িয়ে। ওর পরিচিত মানুষের তালিকায় যোগ হচ্ছে অনেক নতুন মুখ। স্কুলে বন্ধুদের সংস্পর্শে এসে এই সময়টুকু কখন যে শেষ হয়ে যায় টেরই পায়না! বড় ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীরা ওকে নিয়ে আড়ালে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে, ও ঠিকই শুনতে পায়। তখন মা’র কথা খুব মনে হয়। মনে আছে ও যেদিন প্রথম স্কুলে এলো, মা ওকে কাজল পরিয়ে দিয়েছিলেন। ছোটদির একটা কাজলদানি আছে, পিতলের। দুইদিক দিয়ে চাপদিয়ে ওটা খোলা ও বন্ধ করা যায়। মা কাজল পরিয়ে দিতে দিতে বলেছিলেন- ‘আমার বাছার যেন কারো নজর না লাগে’! সেদিন খুব সকালে উঠে ওর জন্য খেজুরের রসের পায়েস করেছিলেন, সেই পায়েস খেয়ে বাবার হাত ধরে স্কুলে এসেছিল ও।
ত্রিকালদর্শী, দুর্গতী নাশিণী মা
গতকাল ১৪ই অক্টোবর ২০১৩ খ্রীঃ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঢাকা থেকে দিনাজপুর এলাম ঈদের ছুটিতে। দুই ঈদে ঢাকা থেকে দেশের যে কোন যায়গায় যাওয়া যে কত কষ্টকর তা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আজ ১৫ই অক্টোবর কখনও বৃষ্টি থেমেছে বলে মনে হয় না। অঝোর ও অবিরাম বৃষ্টি থামার কোন লক্ষণই দেখতে পাচ্ছি না।অনেকের বাড়ীর উঠোন এরই মাঝে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। সবকিছুকে উপেক্ষা করে মা দূর্গাকে বিদায় দিচ্ছে ভক্তরা।মা তুমি কখন কোন বাহনে ধরাধামে তোমার চরণ রাখ আমি জানিনে তবে যতটুকু জানি তুমি সর্ব সময় অবনী-ভক্তের কাছে আস হাসি মুখে। কিন্তু ত্রিকাল দর্শী মা যাবার সময় ভক্তদের ভবিষ্যত সুখ দর্শণে হাস, দুঃখ দর্শণে কাঁদ। মাগো, তোমার বিদায়ে তোমার ভক্তরা অশ্রুসিক্ত হবে এটাই তো স্বাভাবিক, কিন্তু এবার ভক্তদের চেয়ে তোমার কান্না এত বেশি কেন মা? তবে কি ত্রিকালদর্শী মা তোমার ভক্তদের ভবিষ্যত অমঙ্গল দর্শণে অশ্রুসিক্ত হয়েছ ?
তাই যদি হয় তবে মাগো তোমার অশ্রু জলে ভেসে যাক সকল অকল্যাণ। ত্রিকালদর্শী, দুর্গতী নাশিণী মা তুমি তো জান কোন কর্মে বা কিভাবে সকল অশুভ দূর হয়, আর তাই তুমি করাও তোমার ভক্তদের দ্বারা।
ঘুম অথবা ঘুমহীনতায়
কষ্টগুলো সোনালী র্যাপিংপেপারে মুড়ে রাখি সুস্বাদু চকোলেটের মতো।
রাত পুড়ছে জোনাকধরা হাতের মুঠোয় ।ঘরময় এই শীতলতা----- এক পশলা বৃষ্টির পরে।
দীর্ঘশ্বাসের দাগগুলো ধারাজলে মুছে গেলে চারপাশ ঘিরে থাকে নিঃসীম স্থবিরতা।স্থবিরতা?
নাকি মুমূর্ষার গন্ধ ভেসে আসে মাঝরাতের বেহালার মতো ক্লান্ত; বিধ্বস্ত !
নীলঅন্ধকারের বুক জুড়ে 'কুব', 'কুব' করে খুব ডেকে যায় নাম না জানা রাতজাগা পাখী।কে জানে কি যে ব্যাথার বৃষ্টি ঝরে তার পাখসাটে!স্রোতে ভেসে যায় তার কয়টা পালক
কি আশ্চর্য সমাসঙ্গ পাখী ও মানুষের!যেখানেসেখানে অগোচরে মায়ার পালক ছড়ানো
ধু-ধু তেপান্তরের মাঠে টগবগটগবগ সাদা ঘোড়া
পালিয়ে যাচ্ছে রূপকথার গল্প-কাহিনী।আর কোন ঠাকুরমার ঝুলি নেই।জিয়ন-কাঠি?নেই।
জীবন গুটিয়ে আছে কেন্নোর মতো; কুন্ঠিত।ম্রিয়মাণ।
কেন যে আধোঘুমের ভেতরে আচমকা ফালিজ্যোৎস্নার মতো এক চিলতে স্বপ্ন ঢুকে পড়ে
প্রথম প্রেমে মরে যাওয়ার গান - চিরকুট
গানটা এতই ভালো লেগেছে যে লিরিক্সটা শুনে শুনে লিখেই ফেললাম
গানঃ প্রথম প্রেমে মরে যাওয়ার গান
কথাঃ সুমি
ব্যান্ডঃ চিরকুট
একটু তোমায় নিলাম আমি
এক চিমটি মেঘে থামি
জলের ছিটেয় নিলেম পাগলামি
একটু তুমি বুকের ভিতর
বেপরোয়া শ্রাবণ ভাদর
ভাসাও ডোবাও তোমার-ই আমি।
মরে যাবো রে মরে যাবো,
কি অসহায় আমি, একবার ভাবো।
তোমাকে ছেড়ে যাবো কোথায়?
তোমাকে ছেড়ে কি বাঁচা যায় ?
মেঘের-ই ওই নীলে তুমি জীবন দিলে,
এ বড় সুন্দর জ্বালায় আমায়
মেঘের-ই ওই নীলে তুমি জীবন দিলে,
এ বড় নির্মম পোড়ায় আমায়!
একটু রাত ডুবে আসে
একটু আলো নীভে আসে
তুমি দূরে একা লাগে
মধুর ওই চাঁদটাকে
অ্যালুমিনিয়াম লাগে
হাঁটি আমি চাঁদ ও হাঁটে।
মরে যাবো রে মরে যাবো,
কি অসহায় আমি, একবার ভাবো।
ভালো লাগে না, লাগে না রে
বাঁচাবে আজ বলো কে আমারে?
বুঝিনা, জানিনা মেনেও মানিনা,
সে ছাড়া নেই আমি ঘোর আঁধারে,
এপারে ওপারে খুঁজি যে তাহারে
সে ছাড়া নেই আমি, চাই তাহারে।
একটু তোমায় নিলাম আমি
এক চিমটি মেঘে থামি
জলের ছিটেয় নিলেম পাগলামি
একটু তুমি বুকের ভিতর
বেপরোয়া শ্রাবণ ভাদর
ভাসাও ডোবাও তোমার-ই আমি।
স্বাধীনতার খোঁজ
স্বাধীনতাতেই জীবনের স্পন্দন অনুভব করা যায়।স্বাধীনতাতেই উন্নতি।নির্মল শুদ্ধ বাতাসকে কোন জায়গায় আবদ্ধ করে রাখলে তা দূষিত হতে বাধ্য।স্বচ্ছ বয়ে চলা পানিকে আটকে ফেলুন পানি দূর্গন্ধযুক্ত হয়ে যাবে।যারা যতো স্বাধীন তারা তত উন্নত।কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত না।তাকে নিজের মতো বেড়ে উঠতে উৎসাহিত করুন।
যারা শৈশব বা বাল্যকালে ভালবাসা কম পায় তারা বড় হয়ে ভীতু ও পরাজিত মানসিকতার হয়।বাল্যকালে স্নেহ ভালবাসা পেলে মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করতে শেখে।যে সব পরিবারের পিতা মাতারা নিজেদের সন্তানকে নিজের পথ চিনে নিতে বলে ,নিজের খেয়ালখুশি মতো গড়ে ওঠতে প্রেরণা দেন,প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি করতে সাহায্য করেন সে সব ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে অনেক কিছু জয় করতে শেখে।এডিসনকে তার অভিভাবকরা জোর করে স্কুলে পাঠাতে চাইলেন কিন্তু এডিসন অন্য কাজে ব্যস্ত রইলেন।নিজের স্বাধীন ইচ্ছায় কাজ করতে থাকলেন।অভিভাবকের পীড়াপীড়িতে তিনি যদি স্কুলে যেতেন তাহলে হয়তোবা বড় একজন ডক্টরেট হতেন কিন্তু বড় বৈজ্ঞানিক হতে পারতেন না।
বন্ধু আমার
আজ আমি আমার এক বন্ধুর গল্প বলবো। এইচএসসি পরীক্ষার এক মাস আগে তার ইতালীতে ভিসা হয়ে যায়। সেটা ২০০২ এর ঘটনা। ওর বাড়িতে গিয়েছিলাম তার আগের দিন, ব্যাগ গুছাচ্ছিলো সেদিন। আন্কেল কলেজের শিক্ষক, আমাদেরকে দেখে জিজ্ঞেস করছিলেন প্রস্তুতি কেমন। ওনার কন্ঠে উত্তর পাবার আকুতি ছিলো না, আকুতি ছিলো আমাদের মাঝে নিজের সন্তানের ছায়াকে।
সুমিত ছিলো ওর নাম। তখন ৮ লাখ টাকা জোগাড় করতে গিয়ে নিজেদের বাসাটা বিক্রি করে দেন ওর বাবা। ভাড়া বাসায় থেকেছিলো ওরা। বন্ধুটি আমাদের জড়িয়ে ধরে অঝোর ধারায় কেদেছিলো। আমরা কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না, তবে এটা বুঝেছিলাম যে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন ওকে নিয়ে ঘোরা হবে না, ওদের বাসায় মিস্টি খাওয়া হবে না।
ইতালীতে বহুদিন ছিলো, অনেক চড়াই উৎরাই পার করে ওরা। ওর বাবা অবসর নেন, ছেলের টাকায় মেয়ের বিবাহ দেন। আমরা অনেক আনন্দ করি ওকে ছাড়াই। বিয়ের আগে ফোন দিয়ে বলেছিলো,"আমার বোনটা যেন সুখী হয় তোরা দেখিস!"
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
১৬.১০.১৩
নিবিড় সন্ধ্যায় পাখিদের সংকীর্তণ
গুচ্ছ আঁধার জমে থাকা
বৃক্ষরাজির শির্ করে রাতের আবাহণ
মিথ্যে হয়ে যায় নাগরিক জীবন
কী-বোর্ডের ঠক্ঠক্ মুছতে পারে না
প্রাচীন জলের ঐকতান
দায়বদ্ধ চরণে বাঁধা শেকল
মন চায় উপড়ে ফেলতে শেকড়
যেখানে আছে পোঁতা যাবজ্জীবন কারাবন্দী যুগল।
-------
শ্লোক এবং শোক
একে অপরের
ভুল সেখানেই
বৈরাগীকে বানানো ঘরের!
-----
মৃত মাছের সাথে ভেসে ওঠে
প্রাণহীন বন্ধুর মুখ
ভুলতে পারি না
জলে ডুবে তোর চলে যাওয়া
তোকে হারানোর দুখ্!
-------
ঘেরাটোপ চারদেয়ালের
পেরেক ঠুকে বিসর্জন সব খেয়ালের
নবান্নে বিদ্রোহী হবার সাধ জাগে
লোভ নেই আর দ্রব হবার
কারো অনুরাগে।
প্রেম!!!প্রেম!!!
আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে ভালবাসতো ,মেয়েটিও তাকে ভালবাসত কিন্তু সামনে আসলে খুব বিরক্ত এমন একটা ভাব নিতো। ঐ ঘটনা মনে করে লিখা.।.।.।.।.।
চোখ পাকিয়ে ঠোঁট ফুলিয়ে,
এড়িয়ে ঠিকই যাচ্ছিস,
এড়িয়ে যাওয়ার ছলেও কি তুই,
এড়িয়ে যেতে পারছিস?
সামনে এসে দাড়াই যখন,
দেখিস না চোখ মেলে,
বইয়ের পাতায় রোদ খেলে যায়,
আমার দেখা পেলে।
চোখের পাতায় চোখ মেলে না,
মনের পাতায় মন,
এই অভিনয়,বল তুই আর চালাবি কতক্ষণ?
চলে আয় তুই,বলে দে সব,
না বলা যতো কথা,
ভালবাসার গল্প দিয়ে
লিখে যা গল্পগাথা।
আপনজন
১৭বার ফোন দেয়ার পরও রিসিভ না করার পর মেসেজ দিলো রবি।
"তমা, একটু ফোনটা রিসিভ করো।শুধুমাত্র ভয়েসটা শুনবো,তারপর কেটে দিও।"
তমা বড় বেশি বাস্তববাদী।স্বার্থপরতা তার রক্তে রক্তে।বাস্তবতাকে খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করে পারে ও।একই ভার্সিটিতে পড়ে ওরা কিন্তু ডিপার্টমেন্ট আলাদা।আলাদা ডিপার্টমেন্ট হওয়া সত্ত্বেও ফেসবুক,স্কাইপিরএই যুগে বন্ধুত্ব তৈরি হতে সময় লাগেনি।
ফেসবুকে ঘন্টার পর ঘন্টা চ্যাট করার পর মোবাইল নাম্বার আদান প্রদান হতেও দেরি হয়নি দুজনের।বেশ কয়েকদিন কথা বলার পর হঠাৎই রবি টের পায় তমার প্রতি তার নিজস্ব কিছু অনুভূতি আছে।তমার সাথে কথা বলতে বড় বেশি ভালো লাগে ওর।মোবাইলে কথা বলাতে তমার চরম বিরক্তি থাকা সত্ত্বেও রবির অনুরোধে কথা চালিয়ে যায় ও।
মজার ছড়া
বিকেলবেলা দুই বন্ধুতে
যাচ্ছিনু বৌবাজার,
উদ্দেশ্য আর কিছুই না,
নাশতা,পান-আহার।
হাঁটতে হাঁটতে একটু দূরে,
গিয়েই চমকে ওঠি,
চোখে পড়লো কথা বলছে,
নরনারীর এক জুটি।
প্রথমে ভাবলাম ঈভ টিজিং,
কিছু করা দরকার,
বন্ধু বলে,বাদ দে,
এসব দেখতে আছে সরকার।
আমি এখন তারুণ্যে ঠাসা,
মনেতে বারুদ গুলি,
আমাকে কি আটকাতে পারে,
বন্ধুর ও ক'টা বুলি।
বীরদর্পে যেই না আমি,
এগিয়ে গেলাম কাছে,
দেখিলাম নর ধরে আছে হাত,
নারী যদি হারায় পাছে।
বুঝতে পারলাম ভিজছে দুজন
শীতল প্রেমের জলে,
আমি তখন সটকে আসি,
কোন কথা না বলে।
একার রূপকথা
১৯.
সুন্দর মাত্রই আমার আরাধ্য
মননে ও মেধায়
হোক সে নারী অথবা পুরুষ,
অন্তরে থাকুক মোহাম্মদ কৃষ্ণ
বুদ্ধ বা যীশুর ক্রুশ।
১২.১০.১৩
সুরে সুরে মাতোয়ারা কত না দিন
সেইসব সময় আমাদের
দু বন্ধুতে কেটেছে কি যে উচ্ছ্বল বর্ণিল!
ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় কাটকাটি
হ্রস্ব তরল নেশা ভুলিয়েছে
ব্যক্তিগত-পেশাগত হতাশা।
ঐ সব আকাশ পৃথিবী ছোঁয়া আড্ডা
ফিরে আসে না আর
আমরা এখন করি শুধু সংসার!
পূর্ণিমা বর্ষা কেমন করে পার হয়ে যায়,
রিকশাগুলো একাকী ঘোরে
বামপাশ পড়ে থাকে ফাঁকায়।
যায় দিন যায়-মাস-বছর যায়
কত মোবাইল নেট চ্যাট
সাগর পেরোনো কথা উড়ায়,
আমার অপক্ষো তোমার আশায় আশায়
চোখ মুছিয়ে কেউ দেয় না
এন্টিসেপ্টিক হাগ্,
কেউ বলে না যত সমস্যা আসে আসুক
আমরা তুমুল বাঁচব বন্ধু
মরণকে বালাই ষাট্।
ইনবক্স খালি, মেসেজে নেই তোমার
ভালোবাসার বিলোড়ন,
আমার একাকী সময় ক্ষয়ে যাচ্ছে
শুভ মন-বোধন।
হিংসুক মনের ভাবনা!
অতিথি পাখির ডানায় মায়া বাঁধা থাকে
মুঠোফোনে ছুঁড়ে দেয়া শব্দে
প্রবাসী আপনজনের উদ্বিগ্নতা
কখনো কখনো ভালোই লাগে।
তিথি- শুধুই একটি গল্প
সারাদিন অনেক ধকল গেছে আজ তিথির।সেই ভোরবেলা ওঠে নাশতা তৈরি করে বাচ্চাটাকে স্কুলে আর স্বামীকে অফিসে পাঠিয়ে ঘরদোর গোছগাছ করতে করতেই পুরো সকালটা শেষ ওর।আজকে আবার ব্যাংকে গিয়েছিলো টাকা তুলতে।ব্যাংকের ক্যাশিয়ার পরিচিত থাকায় টাকা তুলতে বিশেষ বেগ পোহাতে হয়নি।তারপরও বাসায় আসতে আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে ওর।দুপুরের রান্নাবান্না শেষ হতে হতেই বাচ্চাটা স্কুল থেকে এসে পড়ে।ওকে গোসল করিয়ে,খাইয়ে ঘুম পাড়ানোর সময় নিজেও একটু ঘুমিয়ে নেয়।
সারাদিন কাজ করতে করতে নিজের জন্য একটুও সময় বের করতে পারে না ও।তাই বলে কি ও অসুখী?না বেশ সুখেই আছে ও।তিনজন মিলে বেশ ছিমছাম,গোছানো সংসার।এটাই কি চেয়েছিলো ও?হয়তোবা হ্যা,হয়তোবা না।স্বামীর ভালোবাসা পাচ্ছে,নিজের সংসার নিজের মতো চালাচ্ছে এইতো বেশ ভালো আছে ও।একটা মেয়ে জীবনে এর থেকে আর বেশি কি চায়?তিথিও আর কিছু চায় না।
তবুও মাঝে মাঝে একটু খচখচানি লাগে মনে।একটা শ্যামলা মুখ,আর দশটা সাধারণ মুখের মতই একটা মুখ যা সবসময় হাসিতে উদ্ভাসিত থাকতো।মাঝে মাঝে রাতের বেলা ঐ মুখটার কথা ভেবেই বুকটা খচ করে ওঠে ওর।কেমন আছে ও?এখন কোথায়?
আমি একজন খাঁটি বেকার।তাই বেকারদের নিয়ে একটা ছড়া পোস্ট দিলাম
উস্কোখুস্কো চুলের বাহার,
কপালের ঘাম মুখেতে,
ছিড়ছে জুতার শুকতলি,
আর পয়সা নাই যে পকেটে।
ঘরে ঢুকলে আব্বার কের্ত্তন,
আম্মার লাই দেয়া হাসি,
সমাজের আর সকলের কাছে,
আমি খোদার খাসি।
কি করছেন?কিছুই না।
উত্তর দিবো কতো,
বেকার টাইটেল নিয়ে আজ,
ঘুরছি অবিরত।
বেকার পোলার মত বালাই,
এই দুনিয়ায় নাই,
সাধ করে কি আমরা সব,
বেকার থাকতে চাই?
চাকরির আশায় পার করি দিন,
ঘুরে ঘুরে হতাশ,
চাকরি করা দোস্ত দেখলে,
অপমান লাগে চটাস।
সকালে যাই রাতে ফিরি,
শান্তি নাই কপালে,
ঘরের সকল কাজে থাকি,
হয়ে সাক্ষী গোপালে।
কোরবানী
কোরবানী হোক লোক দেখানোর দায়,
কোরবানী হোক মিথ্যেটুকুর সায়,
কোরবানী হোক অহম জেদ আর ক্রোধ,
কোরবানী হোক অ-সমতার বোধ,
কোরবানী হোক হামলে নেয়া দ্যুতি,
কোরবানী হোক মিথ্যে প্রতিশ্রুতি,
কোরবানী হোক অনড় ইগোর চাওয়া,
কোরবানী হোক দুর্নীতিতে পাওয়া,
কোরবানী হোক দেখায় বিভেদ যত,
কোরবানী হোক কোরবানীরই মত,
কোরবানী হোক 'অসত্য' আর 'দামী',
কোরবানী হোক আস্ফালনের 'আমি',
কোরবানী হোক 'অনাচারের সাধ',
কোরবানী দিক কোরবানীরই স্বাদ!!
ঈদ মুবারক!!!
ধর্মের আলোকে(!!!) স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গিপনাঃ
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গি-পনা তিনটি একেবারেই আলাদা বিষয়। এই বিষয়গুলির উদ্দেশ্য সময়কাল ভেদে পার্থক্য হলেও রাজনৈতিক বিচারের এক। বিশেষ করে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিষয় তিনটির আন্ত-সম্পর্ক দ্রুততার সহিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও সাধারণ জনগণের মননে এই তিনটি বিষয়ের আন্ত-সম্পর্কটি এখনো তেমন জায়গা করে নেয়নি, তবে বিষয় তিনটির অতি উচ্চমাত্রার আন্ত-প্রতিক্রিয়াশীলতা দেশের রাজনীতিতে ক্ষমতায় পালা বদলের হাতিয়ার হয়ে উঠছে। অন্যান্য সামাজিক সমস্যা গুলিকে ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। আর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রিক এই ইস্যুগুলির বাণিজ্যিক নিউক্লিয়াস হিসাবে ব্যবহ্রত হচ্ছে ধর্ম।