ইউজার লগইন
ব্লগ
গল্প: এক শীতে হারানো সুখের গল্প
আবার শীতকাল চলে এসেছে। অথচ এখনো চলছে কার্তিক মাস। তারপরও বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরে।
শীতকালটা আমার খুব বেশি প্রিয় ঋতু না। আবার অপ্রিয়ও না। শীতের ভোরে ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে কুয়াশার উড়ে বেড়ানো দেখতে ভালো লাগে। জিন্স-জ্যাকেট-কেডস্ ইত্যাদিতে নিজেকে আগাগোড়া মুড়িয়ে ধূমায়িত চায়ের কাপে চুমুক দিতে ভালো লাগে। এরকম কয়েকটা বিষয় আছে যেগুলো ভালো না লাগার কোনো কারণ নেই। তবে খারাপ যেটা লাগে সেটা হচ্ছে- অসহ্য ঠান্ডার কারণে পানিতে হাত দিতে না পারা। যেসব কাজে পানির সংস্পর্শে যেতে হয়, সেসব কাজ করতে না পারা। বরফের মতো ঠান্ডা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে সাইকেল চালিয়ে গভীর রাতে বাড়ি ফেরা। এ কাজগুলো শীতকালে করতে খুব বিরক্ত লাগে কিন্তু না করলেও চলে না। সব মিলিয়ে এ ঋতুটি একটি মিশ্র ঋতু।
থ্যালাসেমিয়াঃ ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, পর্যাপ্ত প্রচারণা। (প্রথম পর্ব)

এইচআইভি কিংবা হেপাটাইটিস নিয়ে মানুষের মাঝে যতটা সচেতনতা আছে থ্যালাসেমিয়া নিয়ে তেমনটা এখনও গড়ে ওঠেনি। একমাত্র যারা ভুক্তভোগী তারাই এই রোগ সম্পর্কে জানেন। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হারটা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় দেশে আনুমানিক ৫০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ারের সংখ্যা এক কোটি ২০ লাখ এবং বছরে প্রায় ছয় হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার হয়ে জন্মগ্রহণ করছে। থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার তুলনায় প্রতিরোধই শ্রেয়। আর এই রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজন মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা।
শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার অপ্রকাশিত ফোনালাপ
দেশের সর্বত্রই বর্তমানে একটাই আলোচনা- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ফোনালাপ। সাধারণ, অসাধারণ সব মানুষের আগ্রহ, কৌতূহলের পরিধি এতটাই ব্যাপক- সূর্য পশ্চিমে উঠলেও আরো কম ‘পাত্তা’ পেতো। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ফোনালাপটি গুরুত্বের সাথে প্রচার প্রকাশ করেছে। কিন্তু তা খণ্ডিত, ভগ্নাংশমাত্র। শুধু ৩৭ মিনিট নয়, তারা আলাপ করেছেন আরো বেশি সময় ধরে। মিডিয়ার অগোচরে। কথোপকথনের বাদ পড়া অংশটুকু স্বপ্নলোক থেকে জানাচ্ছেন কল্পলোকের বাসিন্দা শফিক হাসান
শেখ হাসিনা : হ্যালো! কেমন আছেন?
খালেদা জিয়া : আবার হেলানোর ফন্দি! হেলাতে হেলাতে আমার পীঠ দেয়ালে ঠেকিয়ে দিলেন। আর কত হেলাবেন?
শেখ হাসিনা : ছি ছি, এভাবে বলছেন কেন? হাজার হলেও আপনি আমার বন্ধু মানুষ।
খালেদা জিয়া : বন্ধুত্বের দরজায় আপনি খিল লাগিয়ে রেখেছেন। নইলে এডিসিকে দিয়ে ফোন করাতেন না। নিজেই করতেন!
শেখ হাসিনা : এডিসি আপনার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের ফোনে...।
বিস্রস্ত জর্নাল থেকে কিছু জার্নাল- শেষ পর্ব
কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে, সপ্তাহ খানেক ধরে লিখি না কিছুই। মামার বিয়ে কিংবা দিনলিপি বা হরতাল নিয়ে পোষ্ট লেখা যেত কিন্তু মাথা খাটাতে ইচ্ছা করছে না। পুরানো এক পোষ্ট খুজতে গিয়ে হঠাৎ এই সিরিজটার কথা মনে পড়ে গেল। ভাবলাম আরো কিছু লেখা যায় বিস্রস্ত জর্নাল বই থেকে। কিন্তু সমস্যা হলো বই পাচ্ছিলাম না। বইয়ের হজবরল অবস্থা দেখে মামা সব বই কার্টুন বন্দি করেছে আমার এবসেন্সেই। তাই জমিয়ে রাখা বই ছাড়া সব গুলাই বাক্সবন্ধি। তবে কিভাবে জানি এই বইটা খুজে পেলাম বিনা পেরেশানীতেই, তাই লিখতে বসলাম আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিস্রস্ত জর্নাল থেকে টুকে নেয়া কিছু লাইন!
২২৭। আমার কোনো এক বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে একজন বক্তা সহৃদয় আক্ষেপের সঙ্গে বলেছিলেন, টেলিভিশনে গিয়ে আমি আমার জীবনের মুল্যবান সময়ের অপব্যায় করেছি।
আমি তাঁর সঙ্গে একমত নই।
আন্তরিক ভাবে মানুষ যা করে তা কোনোকিছুই নষ্ট হয় নয়।
কেন অপচয় বলব? শরীর নির্ভর শিল্প পৃথিবী থেকে মরে যায় এই জন্যে? শিল্পমুল্য ছোট তাই?
কিন্তু আমি কি করতে পারি। আমার ভেতরে আছে যে ব্যাপারটা। সাহিত্যের বা সামাজিক বেদনার মতো এইরকম অত্যাচারীভাবেই যে আছে!
গণতন্ত্রের সংগ্রাম ও শহীদ নূর হোসেন
যে অধিকারের জন্য ৩০ লাক্ষ মানুষ শহীদ হতে হল, তার এক দশক পরেই জন্ম নিল বাংলার মাটিতে এক বিশ্ব বেহায়া স্বৈরাচার, মানুষের নুন্যতম গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে যখন বঞ্চিত হল, তখন এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গন আন্দোলন গড়ে তুললো,.....১০ই নভেম্বর ১৯৮৭..সকাল থেকেই গুলিস্তান, জিরু পয়েন্ট, পল্টন এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এসে জড়ো হতে লাগলো,..তরুন, কিশোর, বৃদ্ধ সকল বয়সী প্রতিবাদী মানুষের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠলো পুরো এলাকা...সে এক অভাবনীয় দৃশ্য। সবাই স্বৈরাচারী এরশাদের হাত থেকে মুক্তি চায়, চায় গনতন্ত্র...যেখানে মানুষের অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে।
আমি কখনো স্বৈরশাসক এরশাদকে পছন্দ করতে পারি না...
আমি কখনো স্বৈরশাসক এরশাদকে পছন্দ করতে পারি না...
কারণ
তখন বুঝতে শিখেছিলাম দেশের মানুষের হাহাকার...
তখন নুর হোসেনের পরিবারের কান্না আমাকে স্পর্শ করেছিলো....
তখন দেখেছি একটা দেশকে কীভাবে বিপর্যস্ত করে ধ্বংসের শেষ সীমায় নেয়া যায়...
আমি আস্থা রেখেছিলাম দুই নেত্রীর উপর
কারণ
তারা স্বৈরাচার এরশাদ হটানোর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল
জেল জুলুম অত্যাচার সয়ে দেশের মঙ্গলে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিল
আর আমি এখন দেখছি
দুই নেত্রী এরশাদকে আসলে ত্যাগ করতে পারে নাই 
যখন যার প্রয়োজন হয় সেই ডেকে নেয়
.......................................... আমি স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি... আমি নব্বই দেখেছি... আমি এরশাদের পুনর্বাসন দেখে বুঝতে পারছি রাজাকারের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া...
আমি কাউকে দোষ দেই না... "যখন কেউ বলে ৪২ বছর আগের গণ্ডগোল নিয়ে এত লাফানির কি আছে" তখন মনে হয় দোষ অন্যের না দোষ আমার রক্তে...

হরতাল
ঠাডাভাঙ্গা নিউজ !!!
আকাশে আজ দিবাকর রাত্রে হরতালের চাঁদ
দেখা গিয়েছে,
হরতাল মোবারক
দেশ আবারো মেতে থাকবে হরতালের আনন্দে,
হরতাল উপলক্ষে বিশেষ আকর্ষণীয়
আয়োজন
:>→
রাস্তার
মোড়ে মোড়ে চলবে ডিজে পার্টি উইত
বিরানি মিক্স এন্ড ছিড়া কাঁথার নেতাদের
রকিং ও চিকি ছিকি ভাষন।
তাছাড়া রজনী কান্তের পিকেটার
ফ্যানরা লুঙ্গী ড্যান্সের পাশাপাশি ককটেল
ড্যান্সের করে পিকিটিং চালাবে, তাদের
উৎসাহ দিতে ড্যান্সে অনন্ত জলিল ও
বর্ষা থাকবে।
আর এই গণতন্ত্রিক উৎসবকে সামজিক
উৎসবে ছড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন
হরতাল আহবায়করা
আশাকরি, এই হরতালের আনন্দে চারদিন
ডুবে থাকবে সারা দেশ
সবাইকে আবারও হরতাল মোবারক
হিপ হিপ হুররে
এবং আমরা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছি
অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলনটা খুব দ্রুতই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেলো, পূঁজিবাদী ব্যবস্থার আভ্যন্তরীণ দুর্বলতায় ভোক্তা-ব্যবসায়ী-রাষ্ট্র- আইন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের মাণ অক্ষুন্ন রাখার ন্যুনতম নিশ্চয়তা নেই, অর্থের পরিমাপে মানুষের মূল্য নির্ধারিত হলে, প্রয়োজনীয় সেবাগুলোর প্রাপ্যতা এবং মাণ অর্থে নির্ধারিত হলে শুধুমাত্র গুটিকয়েক মানুষ সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা কিনে ফেলতে পারে এবং গণমাধ্যম অশ্লীল ভাবে সেগুলোকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করে সবার ভেতরে তেমন জীবনযাপনের স্বপ্ন তৈরি করতে পারলেও সে পথে সবার সহজ গতায়ত নেই। অর্থনীতি এবং প্রোডাক্টিভিটির ইঁদুর দৌড়ে শুধুমাত্র কয়েকজন সফল হবে, বাকীরা সেই সাফল্যের আশায় পূঁজিবাদী অর্থনীতের যাতাকলে পিষ্ট হবে। তবে অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলনটা এই সহজ প্রতিযোগিতামূলক বাস্তবতার বিরুদ্ধে ছিলো না বরং বিদ্যমান ব্যবস্থায় ন্যায্যতার অভাবে আন্দোলনটা শুরু হয়েছিলো।
স্বপ্নালু অশ্রু
সেদিন বিশাল পার্টি ছিলো গ্রান্ড হোটেলে। প্রচুর লোক, ব্লন্ড চুলের অপরুপ সুন্দরী, কমপ্লিট স্যুটের কর্পোরেট, রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের ছড়াছড়ি। ওয়াইন সার্ভ করার দায়িত্ব আমার ওপর পড়েছে আর আমার সাথে সিন্থিয়া আর জোবিহা। জোবিহা ইসরাইলের। প্রথম যেদিন দেখা হলো বেশ ভড়কে গিয়েছিলাম। শেভ করা ছিলাম না, চোখ দুটো লাল। ভোর বেলা আধ ঘুমে ড্রেস রুমে জামা চেন্জ্ঞ করে যখন টেবিলের বিশাল বিশাল সাদা কাপড় লন্ড্রিতে নিয়ে যাচ্ছিলাম তখন হঠাৎ পেছন থেকে আমাকে একটা মেয়ে ডাকলো।
পেছনে তাকিয়ে দেখি অপরুপ সুন্দর কালো চুলও মেয়ে। মেয়েটির চেহারার সবচেয়ে আকর্ষনীয় হলো চোখ আর তার মোটা ভ্রু। বিশাল বিশাল চোখে চোখা চোয়াল আর নাকের সাথে অদ্ভুত ভাবে মিলিয়ে গেছে। ডোরা কাটা সুন্দরী যাকে বলা যায়।
: (সুইডীশে) তুমি কি এখানে নতুন?
: এই তো কিছুদিন।
: যাই হোক, ওয়াইনের বোতল গুলো কার দায়িত্বে? একটাও সাজানো নেই। ফ্রেন্ঞ্চ ওয়াইনের সাথে লেবানীজ। হোয়াইটের সাথে রেড। কাল কি নতুন কেউ কাজ করেছে এখানে?
: তা তো বলতে পারবো না। তবে কোথায় এরকম হয়েছে বলতে পারো?
দুঃখী বেহালা

দূরে বহুদূরে একাকী পথিক
ঘুমহীন খা খা রোদ্দুরে
আনমনে হেঁটে যাওয়া
ধূলি ধুসরিত শহরের পথে।
ব্যস্ত সড়কে অবিরাম ছুটেচলা
যান্ত্রিক শব্দের ভিড়ে
রঙিন কাঁচের আড়ালে
হতাশ জীবনের জলচ্ছবি।
জানালার কার্ণিশে তৃষ্ণার্ত কাক
অপেক্ষায় বৃষ্টিমুখর ক্ষণের,
ধূসর আকাশ; মেঘহীন, স্তব্ধ
দূরে কাঁদে জারুল, সোনাঝুরি।
সড়কদ্বীপে একা ল্যাম্পপোষ্ট
রোদেপোড়া ক্লান্ত পথচারী
দীর্ঘ পথচলায়, অপেক্ষার প্রহরে
বিরহী দুঃখী বেহালা।
পাশাপাশি জীবনের অদেখা ভূবনে
নীরব রাতের স্বপ্নবিহীন চাওয়া পাওয়া
মাঝরাতে তুমুল বৃষ্টি, তপ্ত নিঃশ্বাস
নিঃসঙ্গতার আড়ালে সুখের চাষবাস।
অক্টোবরের সিনেমা দেখা দেখি!
সিনেমা দেখতে আমার খারাপ লাগে না এখন আর। আগে অবশ্য কখনোই এত ভালো লাগতো না, কারন টিভিতে কত অপশন রিমোটের ঘুরে ঘুরে কত কিছুতে চোখ বুলানোর সুবিধা। সেই তুলনায় সিনেমা দেখতে হলে পিসি খুলে বসে থাকো। টানা দেখে যাও। তাই দীর্ঘ দিন আমার সিনেমা দেখার জায়গা টেলিভিশনে। টেলিভিশনে সিনেমা দেখার কথা শুনলেই পাবলিক হাসে, বলে উঠে টিভি কি সিনেমা দেখার একটা জায়গা হলো?
ত্রুটিহীন দুঃসময়
ভাবনার কার্নিশে ডাহুকেরা ঝিমিয়ে আছে কিছুক্ষন। মেঘলা দুপুরে সান্ধ্যআইন মেনে চলা ন গরীর পথগুলো শান্তিতে ঘুমিয়ে। বৃষ্টির ফোটাগুলো আমার লোমশ হাতে দৌড়ঝাপ দিয়ে যায়। বাতাসের শীষে কিছুগান খুব পরিচিত লাগে। দুঃখ পাবার বিলাসী সময় কাটছে এখন। দীর্ঘস্হায়ী নয় জেনেও "যাক না সময় যাক না চলে" মুডে চোখ বুলাই সবুজ বনানীর পানে।
রক্তাক্ত কারাগার, ৩ নভেম্বর'৭৫
সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে সংঘটিত হয়ে গেলো ২/৩ নভেম্বর রাতে রক্তাক্ত এক কুখ্যাত জেলহত্যাকান্ড। মুজিব খুনি মেজর ফারুকের বিশ্বস্ত রিসালাদার মোসলেমউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দলকে তারা(ফারুক,রশিদ,মোশতাক) পাঠান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে। দলবল নিয়ে গভীর রাতে জেলে পৌছে আওয়ামীলীগ নেতাদের হত্যা করতে চাইলে জেলের আইজি, ডিআইজি এবং জেলার হতবম্ব হয়ে পড়েন। জেলে এই সময় ফোন আসে বঙ্গভবন থেকে। আরেক খুনি মেজর রশিদ এর আগেই আইজি প্রিজন নুরুজ্জামানকে জানিয়েছিলেন মোসলেমউদ্দিনের জেলে আসবার কথা।
ফোন করে মেজর রশিদ জিজ্ঞাসা করেনঃ- মোসলেমউদ্দিন কি পৌঁছেছে?
নুরুজ্জামান বলেন, জী পৌঁছেছেন কিন্তু আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।
রশিদঃ আপনি প্রেসিডেন্টের(মোশতাক) সাথে কথা বলেন ।
মোশতাক ফোন ধরলে নুরুজ্জামান বলেন স্যার মোসলেমউদ্দিন সাহেব তো বন্দিদের গুলি করার কথা বলছেন।
মোশতাকঃ সে যা বলছে তাই হবে। ....এই বলে মোশতাক ফোন রেখে দেন।
তোমার রহমান নাম,যে গেঁথেছি অন্তরে।
তোমার কোন কোন দানকে
করিব অস্বীকার,
অধম, গোলাম, না চাহিতেই
যেথা দিয়েছ ঢেলে অপার।
তুমি অসীম দয়াবান
তাই শিখিয়েছ কোরআন।
সৃজিলে মানবেরে
শুকনা মাটি দিয়ে
জ্বীনকে বানালে কোন সে লীলায়
অগ্নি শিখা দিয়ে।
জবান দিলে তুমি সকল সংযোগের
বাহন করে।
জমিনকে বানালে আবার
সৃষ্ট জীবের আহার্য্যের আঁধারে।
ফলমূল, শস্যাদি, খেজুর
কত শত আহার্য,
রয়েছে সুগন্ধি ফুল,
ভাষাহীন তার সৌন্দর্য।
নদী ও মহোদধি
বয়ে চলে নিরবধি,
কেউ কারও সীমা
কভূ করে না লংগন,
নদীর পানি হয় যে মিঠা
সমুদ্রের পানিতে হায়! কত যে লবণ।
শুধু কি তাই!
নদী ও সাগরে
কত যে মনি মুক্তা রাজি ঝড়ে,
নৌকা ও জাহাজে চড়ে যাই
দেশ হতে দেশান্তরে।
সমুন্নত আকাশ বানিয়ে তুমি
শিখিয়েছ ভারসাম্য,
মানবেরে করেছ আদেশ
রাখিতে হিসেবে সাম্য।
নক্ষত্র বৃক্ষরাজি
সর্বদা অনুগত
চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র চলে
নিখুত হিসেব মত।
জ্বীন ও মানবেরে
দিয়েছ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে
পার যদি নাও অবকাশ,
ছেড়ে গিয়ে আমার জমিন ও আকাশ।
উভয়ের কি সাধ্য বল
নড়িতে এক তিল
তব অনুমতি নাহি যেথা
যার ভিসা মিলিবে যথা
সে যাবে হেথা
