ইউজার লগইন
ব্লগ
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৮
জার্মানী বনাম সার্বীয়া
আজিরা দিনপঞ্জী... ২
আপাতত রিফিউজি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছি, এক পরিচিত বন্ধুর বদান্যতায় সপ্তাহের জন্য একটা ঘর পাওয়া গেছে অবশ্য। আশেপাশের জায়গাটা খারাপ না, রাস্তার নাম রিভারসাইড রোড... নদী ঠিক না, তবে নদী থেকে বেরিয়ে আসা একটা খাল মতো জায়গা আছে পাশেই... ওর থেকেই এই নাম।
পাট বিষয়ক ব্যানারটি জটিল লাগলো... কিছুদিন থাকুক
পাটের জীবন রহস্য উন্মোচিত করে যারা
আমাদের জীবনে আনন্দ এনে দিলে
অ ভি ন ন্দ ন তোমাদের !
অভিনন্দন আমরা বন্ধুকে । অভিনন্দন মাথার উপরের ব্যানারটি যিনি তৈরী করেছেন তাঁকে ! সিম্পলী গ্রেট !ব্যানারটি কিছুদিন মাথার উপরে ঝুলিয়ে রাখবার অনুরোধ রাখলাম ।
অভ্রঃ এ দেশের কি হবে! বিচার নাই! সত্য পরাজিত।
বন্ধুরা কিছুক্ষন আগে জানলাম/ দেখলাম - অভ্র বিজয় জটিলতার অবসান হয়েছে!!!!!! আপনাদের জন্য পুরো খবরটা কপি করে দিলাম! বিচারটা মনে হচ্ছে, তালগাছ আমার জাতীয় হ্ল!
পারভেইচ্যারে, বল খেলাডা তওবা কইরা ছাড়। উৎসর্গ: আর্জেন্টিনার দুস্থ সাপোর্টারদের উদ্দেশ্যে ;)
আর্জেন্টাইনদের জন্য নিবেদিত,
ব্রাজিল সমর্থক গোষ্ঠী প্রযোজিত
নজরুল ইসলাম পরিচালিত
ইউটিউব পরিবেশিত
মাসুম ভাই এবং লীনা আপাকে উৎসর্গীকৃত
মহান ফুটবল সঙ্গীত
"বল খেলাডা তওবা কইরা ছাড়" ছাড় ছাড় ছাড় ছাড় [ইকো ইফেক্ট হবে]
অডিও ভিডিও ডাউনলোড লিঙ্ক: http://www.youtube.com/watch?v=KaQOF2uqcHU
জনগনের বিশেষ সুবিধার্থে গানের কথা নিচে লিপিবদ্ধ করে দেওয়া হইলো:
পারভেইচ্যারে
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৭
আর্জেন্টিনা বনাম দঃ কোরিয়া
একটা ভাল খবর
বিল্ডিং বুল্ডিং বেকাইয়া পরে, এক সমানে পাচ ছয় ডা বিল্ডিং আগুনে পুইরা যায়, মাইন্সে থাহে পাহারের উপরে হেইডা পিছলা খাইয়া আইয়া পরে মাইন্সের মাথায়, একটার পর একটা আকামতালি হইতাছে। এর মাঝে একটা খবর সকালের পত্রিকা মারফত পাইলামঃ পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কার করলেন এক দেশি ভাই মাকসুদুল আলম।খবর টা হেভি করা লাগসে কারন এই জিনিসটা যেই উদ্ভিদের ক্ষেত্রে আবিস্কার করা গেছে ঐটাই পুরা লাল হইয়া গেছে।তাইলে পাট ও লাল হওনের
চট্টগ্রাম মেয়র র্নিবাচন: জনগণের চাইতে আভ্যন্তরীণ কোন্দলের ক্ষমতা অনেক বেশি...
যখন এই পোস্ট লিখতে শুরু করলাম তখন চট্টগ্রাম মেয়র নির্বাচনের ভোটাভুটি চলতেছে। আমি এক্কেরেই ঢাকার পোলা। চট্টগ্রামের সাথে আমার কোনরম রক্তের সম্পর্ক কোনকালে ছিলো না। বিভক্তির ষষ্ঠ ডিগ্রী দিয়া যদি জোরকৃত সম্পর্ক তৈরী করতে চাই তাইলে হয়তো মেয়র পদপ্রার্থীগো লগেও আমার সম্পর্ক বের কইরা ফেলা সম্ভব। হা হা হা। কিন্তু শহর চট্টগ্রাম আমার অনেক প্রাণের জায়গা। সেই নব্বই দশকের মধ্যভাগ থেইকা চট্টগ্রামে আমার যাতায়াত।
একজন মাকসুদুল আলম, পাটের জিনোম ডিকোডিং এবং একটি গর্বের কথন...।
এইতো মাস ছয়েক আগে রিসার্চ রিলেটেড কিছু পেপার খুজতে গিয়ে একটা পেপারে এম.আলম নাম দেখে একটু খোজাখুজি করলাম, পেয়ে গেলাম উনার লিঙ্ক। ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াই (ম্যানোয়া) এর মাইক্রোবায়োলজির প্রফেসর। ল্যাবের নামটাও তার নামে, "আলম'স ল্যাব"। হাস্যোজ্জ্বল একটা মুখ তার প্রফাইলে। দেখে মনে হলো বাংলাদেশী অরিজিন, কিন্তু তেমন কোন ইনফরমেশন চোখে পড়লো না। এবং যথারীতি ভুলে গেলাম।
--------------------
এই রাস্তাটা সোজা চলে গেছে এক সরলরেখার মত, দৃষ্টিসীমা যতদূর প্রসারিত, ততদূর রাস্তাটি কোনরকম বাঁক খায়নি। যেতে যেতে একসময় সরু হয়েছে, সরু হতে হতে একটা সুতোvর মত হয়ে ও মিশে গেছে অরণ্যের সবুজের সাথে। তারপর অরণ্য না রাস্তা- রাস্তা না অরণ্য আর কিছু বোঝা যায় না। দূরের নীল আকাশ, ঘন সবুজ আর স্লেটরঙা রাস্তাটা যেখানে মিলেছে দীর্ঘ সময় নিষ্পলক সেদিকে তাকিয়ে থাকলে ঘোরভাব আসে। সমস্ত অনুভূতিকে স্থবির করে দি
আজিরা দিনপঞ্জী... ১
একটা ঘর, রংগিন কাঁচের জানালার ওপাশে গ্রীষ্মের ঝকঝকে তারাজ্বলা আকাশ। দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে কোন একটা উত্তরের অপেক্ষায় আছি... মাঝে মাঝে ভ্রূ কুঁচকে ভাবি... প্রশ্নটা ঠিক ছিলো তো? কিংবা আদতে কোন প্রশ্ন ছিলো কি? বহুদিন ধরে আটকে রাখা অনুভবের নদী একটু ফাঁক পেলেই উছলে উঠতে চায়... অবিমৃষ্যতা ভেবে সেটুকুও দু'পায়ের তলায় প্রাণপণে চেপে রাখি। জীবন বড়ো অদ্ভূত হয়ে সামনে হাজির হয়। খুশি হবার পথ খুব বেশি নেই, যাকিছুই বা আছে অন্য কারোর অখুশি'র চাপে হারিয়ে যায় বারবার। মন কেবলি আকুলি বিকুলি করে চেনা পরিচিতদের ভিড়ে ফিরে যেতে... আবার বিষম দোটানায় পড়ি... পরিচিতদের ভিড়ে পরিচিতিটাই যদি হারিয়ে যায় কোনভাবে? কি করি, কোথায় যাই বুঝে পাই না... অপরিচিত রাস্তায় অজানা গাছের পাতা ছুঁয়ে বলি, তোমাদের প্রার্থনায় আমাকেও রেখো। কারো বিরুদ্ধে আমার মন অভিযোগের খাঁড়াও তোলেনা... খালি মনে হয় সবাই সবার মতো ভালো থাক...
ডাইরী ১১১
এক.
পাহাড়ও ধ্বসে পড়ে মানুষের অপরাধে। চাপা পড়ে সরলতা আর অপরাধ; এক সাথে।
দুই.
পাহাড়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে এইবেলা এক মিনিট নীরব দাঁড়িয়ে ছিলাম। পাহাড়কে আর কতোটা সময় দেয়া যায় জীবনের!
তিন.
আর যারা মরে গেলো পাহাড়ের চাপে, তারা কেউ ছিলো না আমার। যতোটা চিনেছি পাহাড় ততোটা চিনি নাই মানুষেরে...
চার.
পাহাড়ের কোনকিছু হলেই আমার মনে পড়ে একদিন আমাদের পাহাড় সমীপে জীবন উৎসর্গ করবার কথা ছিলো...
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৬
চিলি বনাম হন্ডুরাস
এই বর্ষায় প্রেম করুন সকলে
মাটির কঠিন বাধা হল ক্ষীণ দিকে দিকে হল দীর্ণ
নব অঙ্কুরও জয় পতাকায় ধরাতল সমাকীর্ণ।
ছিন্ন হয়েছে বন্ধন বন্দীর
হে গম্ভীর।
কক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড় ধ্বস, নিহত অর্ধশতাধিক!

ঢাকায় দু দুটো বড় বিপর্যয়ের পর এখন শুরু হয়েছে পাহাড় ধ্বস। কক্সবাজার ও বান্দরবানে ১৫ জুন মঙ্গলবার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পাহাড় ধ্বসে পড়ে। এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। নিখোঁজ আছেন বেশ কয়েকজন। এর মধ্যে ৫ জন্য সেনা সদস্য রয়েছেন।