ইউজার লগইন

নীড় সন্ধানী'এর ব্লগ

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না

যুদ্ধ শেষ। দেশ মাত্র স্বাধীন হয়েছে। স্কুলে যাবার বয়স হয়নি আমার তখনো। পটিয়ায় দাদার বাড়ীতে গ্রামে থাকতাম। স্কুলে ভর্তি হবার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর সেই গ্রামটিতে শৈশবের চমৎকার ৪ বছর কেটেছে।

ন কবিতা (১০০% কপিরাইটেড)

বন্ধু তুমি কথা দাও
আমাকে আর কখনো খুঁজবে না।

বন্ধু তুমি জানবে না-
এবার যেখানে যাবো
সেখান থেকে কেউ ফিরে আসে না।

উল্টো দহন

নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি মানুষের আকর্ষন দুর্বার। যেদিন থেকে ওর সাথে প্রকাশ্যে দেখা সাক্ষাতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলো সেদিন থেকে ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হওয়াটাই যেন জরুরী হয়ে গেল। নিষেধ অমান্য করার আনন্দ রোমাঞ্চ আলাদা।

ন কবিতা (দাড়ি কমা বাদে, ১০০% কপিরাইটেড )

তোমাকে দেখি আর নিজেকে দারুন উচ্ছৃংখল লাগে
তোমাকে দেখি আর নিজেকে বড় অপাংক্তেয় লাগে

আমাকে উচ্ছৃংখল রেখে তুমি
দু'পায়ে আলতা মেখে হাঁটছো ওই সংসারে

ভরাডুবি চাঁদটাকে আজ বিষ জ্যোৎস্নায় চুবিয়ে
খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে

দাড়িওয়ালা খেয়ে ধায়, গোঁফওয়ালা লটকে যায়

যে বয়সে ছেলেরা বালিকাদের কাছ থেকে একটু মনোযোগের আশায় জিন্সের তালি দেয়া প্যান্টের সাথে উল্টা সেলাই করা টিশার্ট পরে থুতনির গোড়ায় এক চিমটে দাড়ি নিয়ে রাস্তার মোড়ে কিংবা বালিকা স্কুলের গেটের অদূরে অপেক্ষমান থাকে, সেই বয়সে আমার এক বন্ধু রীতিমত কামেলত্ব অর্জন করেছিল বালিকা বান্ধবী সংগ্রহে। তার নেটওয়ার্ক ছিল সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টনের মতো।

ওয়েব ভ্রমন বিনোদন, বিফলে মূল্য ফেরত (উৎসর্গঃ কাগু)

আজ একটা ওয়েব সাইট ভ্রমনে গেলাম। বাংলাদেশের 'আইটির প্রবাদপুরুষ', ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রণেতা', 'বাংলাদেশের কীবোর্ড মোগল' মোস্তফা জব্বারের ওয়েবসাইট।

http://www.bijoyekushe.net

মাল্টিমিডিয়া জনকের ওয়েবসাইট বলে প্রত্যাশাও বেশী ছিল। কিন্তু বিনোদন পাইছি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশী। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন চাইলে।

টহল পুলিশ - আপনার কোন কাজে লেগেছে?

'টহল পুলিশ' শব্দটা শুনলেই চোখে ভাসে কাঁধে ৩০৩ রাইফেল ঝুলিয়ে ২/৩ জনের একটা পুলিশদল রাস্তার পাশ দিয়ে অলস পায়ে হেঁটে যাচ্ছে কিংবা মোড়ের পানবিড়ির দোকানের টুলে বসে আড্ডা দিচ্ছে অথবা ফুটপাতের পিলার হেলান দিয়ে বসে বসে ঝিমোচ্ছে।

নক্ষত্র গজব

ভিনগ্রহবাসীর আক্রমনে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল।

যে লোকটা পাহাড়কে ভালোবাসতো

কালকেও লোকটাকে লিখতে দেখেছি। রাতভোর না পোহাতেই শুনি লোকটা গভীর খাদে পড়ে মারা গেছে। লোকটাকে চিনতাম, খানিকটা জানতাম, শোকাহত আমি সেই ভোর থেকে। খাদের কিনারায় কেন গিয়েছিল লোকটা জানা যায়নি।

লোকটা পাহাড় ভালোবাসতো, ঝর্নার গড়িয়ে চলা ভালোবাসতো, আকাশে মেঘেদের সাথে মিতালী পাতাতে ভালোবাসতো।

এক অলস বিড়ালের প্রেম ও এক 'সুশীল' মানুষের অমানবিকতার গল্প

শব্দটা ক্ষীন, কিন্তু বাঁশীর মতো তীক্ষ্ণ। আধোঘুমে বুঝতে পারছিলাম না ঠিক কোথা থেকে শব্দটা আসছে। বাইরে থেকেও হতে পারে। আমি যে ঘরে ঘুমোতাম তার দুটো জানালা ছিল। খাটের পায়ের দিকে একটা, বামদিকে আরেকটা। জানালা খোলা, পর্দাগুলো নামানো। আরেকটু ঘোর কাটতেই শব্দটা আরো পরিষ্কার হলো। বেড়াল ছানার আওয়াজ নয়তো?

দুর্বিসহ ভ্রমন কান্ড (দুই)

চরম হতাশার মধ্যেও দুটো সুখবর পাওয়া গেল। এক. এই ট্রেনটা চট্টগ্রামেই যাচ্ছে। দুই. ট্রেনটা সামনের একটা স্টেশানে থামবে যেখানে নেমে গিয়ে সুবর্ন এক্সপ্রেসের জন্য অপেক্ষা করা যায়, যদিও সুবর্ন এক্সপ্রেস ওখানে থামবে না।

আকাশের ওপারে আকাশ, বাতাসের ওপারে...........

সেই আট বছর বয়সে আবদুল্লাহ-আল-মুতির বই থেকে আকাশ নিয়ে কৌতুহলের যে অভিযাত্রা, আজও তা অব্যাহত আছে। ৪০ হাজার কিলোমিটার ব্যাসের কমলালেবুটা লক্ষকোটি জীবজড়প্রানসমেত সেকেন্ডে ২৯ কিলোমিটার গতি নিয়ে সুয্যিমামার চারপাশে যে ঘুরে মরছে তার মায়া ছাড়িয়ে মহাশুন্যে উড়াল দিতে সেকেন্ডে ১১কিমি শক্তি লাগে, কী নিদারুন ভালোবাসা বুকে তার!

দুর্বিসহ ভ্রমন কান্ড (এক)

এয়ারপোর্ট স্টেশানে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই ট্রেনের হুইসেল শুনলাম যেন। জানুয়ারীর তীব্র শীতের বিকেল। সেবার সত্যি খুব শীত পড়েছিল, কয়েক বছর আগে। জোব্বা জ্যাকেটে শীত মানছিল না। টেক্সী থেকে নেমেই হাতের ব্যাগ আর কাঁধের ব্যাগ শক্ত করে ধরে ছুট দিলাম প্ল্যাটফর্মের উপর দিয়ে। ট্রেন ছেড়েই দিচ্ছিল।

ন'কবির কবিতা প্রচেষ্টা

১.
তোমার সকল উপেক্ষা
যেন আমারেই লক্ষ্য করে।

ঠিক যেমন তোমার প্রতীক্ষা
আমাকে লক্ষ্য করে না।

*************************************************

পাদটীকাঃ

উল্টে দেখাঃ রক্তাক্ত একটা স্মৃতি

২২শে ডিসেম্বর ১৯৯০। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকেন্ড ইয়ার অনার্সে পড়ি তখন। ভার্সিটিতে কী একটা পরীক্ষা ছিল সেদিন। কিন্তু হবে না বোধহয়। কারন ইসলামী ছাত্র শিবির অবরোধ ডেকেছে। দাবি ভিসির পদত্যাগ। অথচ যৌক্তিক কোন কারন নেই। ব্যাপার হলো এই ভিসি শিবিরের পছন্দ না। কিন্তু যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের নিয়ন্ত্রনে, মসজিদের ইমাম থেকে রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়নটা পর্যন্ত সবকিছু শিবিরের পছন্দের হতে হবে। সবাই বাধ্য শি