অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৩ জন অতিথি অনলাইন

অন্যজগত

গুমোট দিনে একটুখানি বাতাস
পাওয়ার আশা,
আবেগঢালা নিত্যনতুন আলাপ-ছবির
বাসা,
খবর দেওয়া খবর
নেওয়া ঠাট্টা হাসির লহর
একটু চেনা আর অচেনায় ছোট্ট কথার
বহর,
অস্থিরতা অপ্রাপ্তিদের একটু
দূরে ঠেলে
এক জগতে বেশ সয়ে যায়
আরেকটাতে পেলে-

সেই জগতেও লোভ-কামনা, ক্রোধের
ছড়াছড়ি
আবেগ নিয়ে ব্যবসা এবং কারোর
হাতে ছড়ি,
নিয়ন্ত্রনের লালচে চোখে শব্দ
ছোঁড়া বারণ
আর জগতের শতেক ঢিলে ঢেউ
তোলাটাই কারণ,
বাক্স খুলে অশান্তি আর কুমন্ত্রনার
ডাক,
কী প্রয়োজন? একটা জগত, থাক না!
বেঁচে থাক!

একটা জগত- গড়ার আগেই, হয়ত
ভাঙ্গার পথে,
হাজার হাজার জগত হবে হাজার
হাজার মতে!!

স্বপ্নের বীজ বোনার অপেক্ষায়

(মুক্তগদ্য)

পদব্রজে চন্দ্র ভ্রমণ

ইহকাল ধরে চন্দ্রে যাত্রা করিবার রাস্তা খুঁজিয়া বেড়াইতেছি। উহু, ভাগ্যদেবীর কোনরকম কৃপাদৃষ্টি এই অভাগার দিকে পড়ে নাই। আমার অদ্যকালের সমস্ত সাধনাই সাড় হইল। কোন রূপ সুফল কিম্বা কুফলের পাপড়ি হৃদয় মেলিয়া সাড়া দিলনা। ইহা কি হইল? ভগ্নহৃদয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরি। বাল্যকাল হইতেই চন্দ্র অভিসারের বিরাট দৈত্যাকার স্বপ্ন লালন করিয়া লালিত হইয়াছি। আমার এই দৈত্যাকার স্বপ্ন বুঝি এই বার মুখ থুবড়াইয়া পড়িয়া দন্ত মুখ এক করিয়া ফেলিল। স্বপ্নের দৈত্যের দন্ত মুখ যথাস্থলে রাখিবার লক্ষে অন্য কসরৎ অবলম্বন আবশ্যক। অন্যমনস্কে ফুলার রোড পদতলে পেষণ করিতেছি। কিন্তক পদ বাবাজীদের যেন আর কথা শুনিবার জো নাই। সেই পূর্বান্ন লগ্ন হইতে হাটিয়া বেড়াইতেছে উহারা। যেন সামনে আগাইতে লজ্জা পাইতেছে। কোন মহৎ উপায় অবলম্বন করা কিঞ্চিৎ জরুরি। কি করা যায়? হঠাৎ রিকশার টুং টাং শব্দ যেন আমার দেহ মনকে আন্দোলিত করিয়া ফেলিল। উহার এক রাশ সুখানুভতি আমাকে ঝঁকিয়া ধরিল। চকিতেই মাথায় খেলিয়া গেল, হায় হায়… চন্দ্রের সাথে মর্ত্যের যদি ডাইরেক্ট কানেকশান রাস্তা তৈয়ার করা যায়! কি আনন্দ, কি আনন্দ! আমার দুনিয়া বসন্ত বাতাসে পরিপূর্ণ হইয়া গেল। আহা, মধু, মধু!

তোমার জন্ম দিনে(সুফিয়া কামাল)

তোমার জন্ম দিনে কি দিব তোমে
উপহার
আজ তুমি সকল কিছুর উর্ধে
কোন কিছুর নেই দরকার।
তুমি তো নেবার মত কেউ নয়
দিয়ে গেছ জীবন ভর
ঘোর অন্ধকারে প্রদীপটি জ্বেলে
চলে গেলে আপন ঘর।
সে ঘরে আলো আছে কি না
জানি নাতো দয়াময়
সন্তানের দোয়া বৃথা নাহি যায়
দোয়া মাঙ্গি, মায়ের ঘরখানি কর আলোকময়।

টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (পর্ব-১)

আমরা বন্ধু ব্লগে সদস্য হবার জন্য যখন নিবন্ধন করি আমাকে বলা হয় আপনাকে কিছুদিন পর্যবেক্ষন করা হবে তারপর আপনার লেখা প্রকাশ করার মত হলে আপনাকে সদস্য করা হবে। তবে এতে হতাশ হবার কিছু নেই আপনি বিভিন্ন লেখকের লেখায় মন্তব্য করতে পারবেন। আমার/আপনার এক একটা মন্তব্যও অনেক মুল্যবান। এভাবে ব্লগকে মাতিয়ে রাখুন। একদিন হয়ত আপনার সদস্য হবার দ্বার উন্মোচন হবে। আমাকে খুব বেশীদিন অপেক্ষা করতে হয়নি কিছদিনের মধ্যেই আমি সদস্য পদ প্রাপ্তির সনদ পেয়ে যাই।
এর আগেও আমি ফেবুসহ কয়েকটি কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমে লিখতাম। আমি প্রকৌশলীদের কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমেও লিখি। তবে আমরা বন্ধু ব্লগে আসার পর আমার যা মনে হচ্ছে তা ছোট সময় আমার এক রশিক দুলাভাই এর একটি কথা মনে করিয়ে দেয়।
এই শালা ক্লাসে তোর রোল নম্বর কত রে?
এক।
তোর ক্লাসে ছাত্র কজন,
দুজন। ও আচ্ছা।
আর একজনকে একই প্রশ্ন করলে ,সে উত্তর দিল আমার ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা ১৫০ আর আমার রোল ০৫। ও আচ্ছা।

আজ ২৬ শে জুনঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় এর ১৭৫ তম জন্মবার্ষিকী

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ শে জুন (বাংলা ১২৪৫ সালের ১৩ ই আষাঢ়) নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম যাদপচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়। তিনি মেদিনীপুরে ডেপুটি কালেক্টর পদে নিযুক্ত ছিলেন। পাঁচ বছর বয়সে বঙ্কিমচন্দ্রের হাতেখড়ি হয় কুল-পুরোহিত বিশ্বম্ভর ভট্রাচার্যের কাছে। পিতার অতি আদরের ৩য় সন্তান বঙ্কিম অসাধারন মেধাবী ছিলেন। তিনি একদিনেই বাংলা বর্ণমালা আয়ত্বে এনেছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৪৪ সালে মাত্র ছয় বছর বয়সে পিতার কর্মস্থল মেদিনীপুরের কলেজিয়েট স্কুলে এসে ভর্তি হন।

আজ কবি সুফিয়া কামালের ১০২ তম জন্মবার্ষিকী

ঘন ঘোর অন্ধকারের মধ্যে বেশ কিছু নারী মোমবাতি জ্বালিয়ে ধীর গতিতে সামনে এগোচ্ছে। এক একজন নারী তার নিজের সময়কে হাসি মুখে পার করে পিছনের নারীকে সামনে এনে তার আরেক হাতে নিজের মোমবাতির বাকি জ্বলন্ত অংশটুকু রেখে যাচ্চেন। আলোকিত অন্ধকার সভ্যতায় দাঁড়িয়ে জাপসা চোখে আমি দেখতে পাচ্ছি নারী জাগরণের প্রথম পথিকৃৎ রাস সুন্দরী দেবী, বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, নুরুন্নেচ্ছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী, আশালতা সেন, লীলা নাগ প্রমুখ। তবে আমার সময়ে স্পষ্টভাবে যাকে চলে যেতে দেখলাম তিনি বেগম সুফিয়া কামাল। আরেক নারী জাহানারা ঈমামের হাতে নিজের মোমবাতিটি দিয়ে তার সময়কে হাসি মুখে অতিক্রম করলেন ।

জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ পাচ্ছেন আহমাদ মোস্তফা কামাল : অভিনন্দন কামাল ভাইকে

বইপড়ুয়া মনষ্ক পাঠকের কাছে "আহমাদ মোস্তফা কামাল" অনেক আগেই পৌঁছে গিয়েছেন, জয় করে নিয়েছেন তাদের চিত্ত। বলা যায়, আহমাদ মোস্তফা কামাল বাংলা সাহিত্যে একটি সমীহ জাগানো নাম। আমরাবন্ধু ব্লগে তাঁর সরব উপস্থিতি রয়েছে।

কামাল ভাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি, সঙ্গে শুভকামনা অনেক-অনেক।

পুরষ্কার যেটাকে আমরা আসলে কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই গ্রহন করি। দীর্ঘদিন ধরে কোন একটা কাজ গেলে আমাদের আম-জনতার ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটে বেশীর ভাগ সময়েই। আমাদের ধরে রাখতে পারি না। কিন্তু একজন সাহিত্যিক দীর্ঘ দিন ধরে পরিকল্পনা করেন, যাচাই বাছাই করেন, লেখার প্লট নির্মাণ করেন, মানুষের সংস্পর্শে এসে তাদের ভেতরের মানুষটাকে, চিন্তা চেতনাকে নিজের মধ্যে নিয়ে আসে। এরও অনেক পরে অনেক যাচাই বাছাই শেষে সে গল্পটা বলা শুরু করে।

“কিছিকো কইবো নাকো ,স্বপ্নে দেখিলে......।।"

দুটি গপ্ল বলি,
প্রথমে যে গল্পটি বলব তা অনেক ক বছর আগে ১০০বিখ্যাত ব্যক্তির জীবনী গ্রন্থের একটি কাহিনী তাই ঘটনায় বর্নিত বুজুর্গ গনের নাম মনে নেই। তবে কাহিনীটি পুড়োপুড়ি মনে আছে।
ঘটনাটি এরকম,
প্রত্যেক এলাকা বা সমাজে বখে যাওয়া এমন দু একজন ছেলেপেলে থাকে যারা উঠতি বয়সে এহেন খারাপ কাজ নেই যা করে না। ইরাকের বাগদাদে ঠিক এমনিই একটি ছেলে ছিল। সকলেই তাকে এড়িয়ে চলত। মেয়েদের তো কথাই নেই। একদিন তার কি মনে হলো সে আছরের নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে প্রবেশ করল। অজুখানায় প্রবেশ করে অজু করছিল। বলা বাহুল্য, অজুখানার কিছু অংশ উচু জায়গায় এবং কিছু অংশ নিচু জায়গায় অবস্থিত ছিল। সে উচু জায়গায় বসে অজু করছিল। এমন সময় তখনকার বিখ্যাত বুজুর্গ আধ্যাতিক সাধক(সম্ভবত হাসান বসরী রঃ) মসজিদে প্রবেশ করে নিচু জায়গায় অজু করতে বসলেন। উচু জায়গায় বসে যে ছেলেটি অজু করছিল তার ব্যাপারটা পছন্দনীয় হয়নি। সে ভাবল এত বড় বুজুর্গ নীচে অজু করবে আর আমি উচু জায়গায় বসে অজু করবো এটা হয়না, সে যথারীতি উচুস্থান থেকে নীচুস্থানে নেমে অজু করে নামাজ পড়ল। কয়েকদিন পড় ছেলেটি মারা গেল।

এলোমেলো অনূভুতি

অনেকদিন হলো লেখা লেখিতে তেমন একটা সময় দিই
না। আসলে দিই না বল্লে কিছুটা ভুল হবে ,সময়
আজকাল হয়েও ওঠেনা .যেন সমুদ্রের ঢেউ এর
মতো ব্যাস্ততার এক বোঝা এসে পড়েছে আমার উপর .

যদিও ভালোই
লাগছে আলসেমিতে জং লেগে যাওয়া জীবনটা নতুন
ভাবে তার নতুনত্ব খুজে পেয়েছে বলে।

ঘরে একটা নতুন অনুষ্ঠান হবে আগামী বৃহস্পতিবার
তা নিয়ে মানষিক ভাবে প্রস্তুত হলেও শারীরিক
ভাবে এখনো নিতে পারিনি।মানুষ মরলেও
নাকি অনুষ্ঠান করতে হয়। আসলে সবি বদ্ধ সমাজের
আবদ্ধ রীতিনীতি .

আমার মনে হয় জন্মের পর থেকে মা বাবা ভাত
খাওয়ানো শিখিয়েছেন বলেই আজ ভাত খাচ্ছি।
যদি তারা আমাদের জন্মের পর থেকে খর -
খুটো খাওয়ানো শিখাতো আমরা হইতো তাই ই খেতাম।
তাদের দোষ দিয়েও লাভ নেই কারণ তারাও
যে একি চক্রে ঘুরছে .

আজ রাতটা যেন ঘন কফিতে দু-তিন ফোটা দুধের মতো . নিজের
চেহেরা নিজের ছায়াতে খুজে পাচ্ছি অস্তিত্ব
হিসেবে।। কেমন একঘেয়েমি সভাব ওই চাঁদের ,,
এতো মেঘ আসছে তবুও যেন নিজের
পাতানো জাইগা সে ছাড়বেইনা। বিরক্ত
হয়ে দেখি শেষে মেঘটাই সরে যাচ্ছে।চাঁদের
মদ্ধে আমাদের রাজনীতিবিধদের কেমন যেন মিল
খুঁজে পাচ্ছি .যাক সেসব কথা, আমার

যে ইতিহাস বলতে চাই না

ব্লগ জগতে অবস্থানে দিক থেকে একমাত্র শক্তিশালী অবস্থানে আছে আওয়ামী লীগ ও বাম দলের ব্লগাররা। প্রায়-ই দেখতে পাই এই ব্লগাররা একে অপরের দলের দোষ-ত্রুটি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। বিশেষ করে ইস্যুটি হয়; স্বাধীনতা পরিবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ও বাম দলগুলোর বিশেষ করে চৈনিক বামদের ভূমিকা নিয়ে। কে কতো দোষ বা অপরাধ করেছে তাই হয় তার মূল বিষয়। আওয়ামী লীগের কথা শুনলে মনে হয়; স্বাধীনতার পরে তারা শুধু একটি মাত্র ভুল করেছে আর বামের কথা শুনলে মনে হয় এরা কোন ভুল-ই করে নাই। আমরা আমজনতা ইতিহাস পাঠের মাধ্যমে এদের দোষ গুলোর দেখার চেষ্টা করি।

কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে

আমি যখন বাইরাইন প্রবাসী তখন ওখানকার পরিবেশ,ধর্মীয় বিষয়ে (বিভিন্ন ধর্ম)পড়াশুনা, বড় ভাইয়ের মৃত্যু মানষিক ভাবে আমাকে ভীষণ দুর্বল করে তোলে। আমি নিয়মিত ধর্ম পালন ও পারলৌকিক বিষয় নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করতে লাগলাম। এ ভাবনা চিন্তার মাত্রা এক সময় এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে আমার মানষিক অশান্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। আমার কাছে পৃথিবীর যাবতীয় বিষয় অতি তুচ্ছ মনে হতে লাগল। নিছক এ পৃথিবী, আর এর জন্য এত কষ্ট। তারপরও পরকালে যে শাস্তির বর্ননা দেয়া আছে সে সব চিন্তায় কিছুই ভাল লাগছিল না। আমি তখন আমাদের কোম্পানির ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ারিং হায়দ্রাবাদী বুজুর্গ খান সাহেবের সাথে কথা বলি। সময়টা ছিল এশার নামাজের পর। খান সাহেব কিছুক্ষন চুপ করে থেকে আমাকে নিয়ে আবার মসজিদে প্রবেশ করলেন। এটা কোম্পানির অফিসারদের থাকার জন্য বাসস্থান ও অফিস সংলগ্ন মসজিদ। তিনি আমাকে সুরা জুমার ১০ নম্বর আয়াত পড়তে দিলেন এবং ইংরেজীতে যে অর্থ লেখা আছে তা পড়তে বললেন।
৬২:১০ ফাইযা কুদিয়াতিছ্‌ ছালাতু ফান্‌তাশিরূ ফিল্‌ আর্‌দ্বি ওয়াব তাগূ মিন্‌ ফাদ্বলিল্লাহ।

অবকাশ যাপন কর

তিনিই সে আল্লাহ্‌
যিনি চিরঞ্জিব ও চিরস্থায়ী
যার ঘুমতো দুরে থাক তন্দ্রা ও
কখনো স্পর্শ করে না।
আকাশ ও জমিনে নেই কেহ
তাঁর সমকক্ষ
নেই কেহ সুপারীশ কারি তার
অনুমতি ব্যতিত।
জানা আছে তাঁর দৃষ্টির সামনে ও পিছনে।
কেহ পারে না বিন্দু মাত্র জ্ঞান অর্জন করতে
তাঁর অনুমতি ব্যতিত।
তাঁর সিংহাসন আকাশ ও জমিন বেষ্টন করে আছে
তাই সমস্ত কিছুর রক্ষনাবেক্ষন করা তাঁর পক্ষে
মোটেই কঠিন কিছু নয়।

তাইতো তিনি বলেন...
আমি যাকে খুশি রাজ্য দান করি
যার কাছ থেকে ইচ্ছা তা হরণ করি।
যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান করি
যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি করি
আমার হাতেই রয়েছে সকল ক্ষমতা
আমি সমস্ত কিছুর উপার ক্ষমতাবান।
আমি দিনকে রাতের ভিতর আর
রাতকে দিনের ভিতর প্রবেশ করাই।
আমি মৃত হতে জীবিতকে বের করে আনি
আর জীবিতকে করি মৃত।
আমি দুই নদী ও সমুদ্রকে পাশাপাশি
প্রবাহিত করি
কিন্তু কেউ কারও সীমা করে না অতিক্রম
তাই তো তোমরা পাও নদীর সুপেয় পানি
যখন সাগরের পানিকে পাও লবণাক্ত।

আমি সপ্ত আকাশকে স্তরে স্তরে স্থাপন করেছি
সর্বনিম্ন আকাশকে করেছি প্রদীপমালা দ্বারা
সুসজ্জিত।
আমি চন্দ্র সূর্য গ্রহ নক্ষত্রকে

বিষন্ন সৈনিকগুলো সারি সারি

সারি সারি বিষাদের আলনা
স্থির-নিশ্চুপ সময়গুলো
কাঁচের চৌকোণো আধারে বিরুপ উষ্ণতায় মিইয়ে মৌণ
চোখ জুড়িয়ে দেয়া ঘ্রাণ নেই
নাকি-কান্নায় মোচড় দেয়

অতৃপ্ত আত্মা চিরকালের শুভানুধ্যায়ী
মুক্তির মন্ত্রের উচ্চারণ থেমে নেই
আমি তার প্রাণের সুরে সুর মেলাতে গিয়ে
স্তব্ধতায় দ্বিগুণ বিস্ফারিত হয়েছি

আতংকিত সেনারা রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে
তারা প্রমাদ গুণছে বিষন্ন গোধূলি আলোয়।

গোলাপী চাদর

একটি গোলাপী চাদর গায়ে জড়িয়ে
যেই নেমেছি অতল সাগর তলে
কিছুই ভেজেনি
ভিজেছে শুধু হৃদপিন্ড, সেখানে জল।

আরো গভীরে ভেসে যেতে চেয়েছি আমি
নভোমন্ডলে, অরণ্য গহীন আঁধারে
সেখানে চোখ মেললেই দেখি
হরিণী শাবক, রুপোলী ঘোড়-দৌড়।।

প্রকৃতি প্রেম

একদিন নিউইয়র্ক টাইমস এ একটা খবর চোখ আটকে গেলো। একটু ব্যতিক্রমধর্মী মনে হয়াতে
খবরটা ভাল করে পড়লাম।এটা মনে হয় ১৯৯৪/৯৫ সনের সামারের কথা। খবরটা ছিল এমনঃ
" গাছের কাছে যুবকের ক্ষমা প্রার্থনা"

ম্যানহাটানের সেন্ট্রাল পার্কে এক যুবক বাইক চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে গাছের সাথে তার বাইক্ টা চেইন দিয়ে বেঁধে পাশের বেঞ্চে ঘুমাচ্ছিল। পার্ক পুলিশ এসে যুবক কে ডেকে তুলে জিজ্ঞেস করল যে বাইক টা তার কিনা, জবাবে যুবক হ্যাঁ সুচক মাথা নাড়লে পুলিশ তাকে হাতকড়া পড়িয়ে পার্ক প্রিসেন্টে নিয়ে যায়। এই দেশে গাছ পালা পশু পাখির ব্যাপারে মানুষের সহানুভুতি এবং আইনের প্রয়োগ খুব কঠিন।

যুবক তার ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে পার্ক কমিশনারের কাছে আবেদন করে।পার্ক কমিশনার ছিল তখন এক প্রকৃতি প্রেমিক রসিক আর কট্টর ইহুদি বুড়ো।বুড়ো সেই যুবক কে পার্কের সেই গাছের কাছে নিয়ে গেলো, তারপর সবার উপস্থিতিতে গাছকে জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বললো।
যুবক তাই করলো এবং পরবর্তি ৬ সপ্তাহ অই যুবক্ কে স্বেচ্ছায় পার্ক পরিচর্যার জন্য সময় ব্যয় করতে হল।তারপর তার আইনের বেড়াজাল থেকে নিস্কৃতি মিললো।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ