ইউজার লগইন

মেসবাহ য়াযাদ'এর ব্লগ

বিদেশ যাইতে মঞ্চায়

আমরা কতিপয় বন্ধুরা আছি, যাদের কাজ হচ্ছে ঘুরতে যাওয়া। এক একটা ট্যুর এক একজন অর্গানাইজ করে। আমাদের ঘুরতে যাবার কোনো তাল লয় নেই। হঠাৎ সন্ধ্যায় সিদ্ধান্ত নিলাম, ঘুরতে যাবো। ব্যস, বাসায় যেয়ে জামা-কাপড় নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। রাতের গাড়ীতে চড়ে বসি। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কুমিল্লা, শ্রীমঙ্গল জাতীয় ট্যুরগুলো সচরাচর ২ দিনের হয়। রাতে যাত্রা শুরু করে পরদিন থাকি। তার পরদিন ফিরে আসি। সেন্টমার্টিনের ট্যুর হয় ৩/

রোদ্দুর থেকে সমুদ্দুর

১ মার্চ কী টেনশন আমার !

ঘুড়ি উৎসবে যাবেন কি ?

প্রতি বছরের মত এবারও ঘুড়ি উৎসব হচ্ছে। এবারের ভ্যানু হচ্ছে কক্সবাজারের ইনানী বিচে। যারা ঘুড়ি বানাবেন অর্থাৎ ঘুড়িয়ালরা চলে গেছেন ৫ তারিখ রাতে। বাকী দল যাবে ১১ তারিখ রাতে। মুল উৎসব হচ্ছে ১২ মার্চ ২০১০, শুক্রবার। শনিবার সারাদিন ইনানী থেকে রাতের গাড়ীতে করে ১৩ মার্চ রোববার সকালে ঢাকায় ফিরবো আমরা।
অনুষ্ঠানমালা :
শুক্রবার সারাদিন সৈকতে ঘুড়ি উড়ানো

আদরের বাবা এবং তার ছেলেমেয়েরা...

আদর আমার বন্ধু। তার বড়াপার বিয়ে হয় নিজের পছন্দে। আদরদের বাবার বাড়ি আর বড়াপার শ্বশুরবাড়ি একটাই। আপার পছন্দ ছিলো তারই জেঠার (বড় চাচা) ছেলে। আদরের বাবা এ বিয়েতে একদম রাজি ছিলেন না। তার মা’র কারনেই আপার বিয়েটা হয় ১৯৮২ সালে। এটি আদরদের পরিবারের প্রথম বিয়ে।

বেবাকতে দোয়া করবেন...

ভয়ানক পেরেশানীতে অাছি... অদ্য বিকাল ৩.৩০ মিনিটে ছেলের মায়ের পেট কাটাকাটি করা হবে... বেবাকতে দোয়া করবেন...

 

রায়হান ভাইয়ের ৫ পয়সা দান এবং...

সে অনেক কাল আগের কথা। আরবের লোকেরা তখন গুহায় থাকতো। রায়হান ভাই স্কুলে পড়তেন। আমাদের বিমা হয়ত ভুমিষ্ঠই হয় নাই। মুক্লা অ, আ পড়তো। সেটা ছিলো এক পয়সা, দুই পয়সার যুগ। একদিন রায়হান ভাই স্কুলের নাম করে অঞ্জু ঘোষের বাংলা সিনেমা দেখতে যাইতেছিলেন। কিছুদুর যাবার পর দুই ফকির তার কাছে এসে দীর্ঘসময় ঘ্যান ঘ্যান করার পর তিনি অনিচ্ছা স্বত্বেও দুই ফকিরকে ৫ পয়সা দিয়ে ভাগ করে নিতে বললেন। তারপ

নর নির্যাতন !!!

অ.    অনেকদিন থেকে ভাবছি একটা পোস্ট দেবো। যার শিরোনাম হবে : নর নির্যাতন। এই নামে অনেক বছর আগে আমার ছোট বোন সুলতানা শিপলু ভোরের কাগজে একটা পোস্ট লিখেছিলো। তুমুল হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিলো সে লেখা ছাপা হবার পর। এক সময়ের তুখোড় লেখিকা ছোট বোন এখন আর লেখেনা। এবার ছাড়া গেলো ৩ বছরের বইমেলায় ওর ৩ টা বই বেরিয়েছিলো। স¤প্রতি এবি’র পিকনিকে যাবার পর আমাদের ৩/৪ বন্ধুর দুরবস্থা দেখে নর নির্যাতন লেখার ই

বইমেলা কাহানী...

আমার প্রায় প্রতিদিনই বই মেলায় যাওয়া হয়েছে। কোনো কোনো দিন আড্ডাবাজ কাউকে না পেয়ে শ্রেফ একটা চক্কর মেরেই চলে এসেছি। অফিস থেকে ৬ টা নাগাদ বেরিয়ে নিউমার্কেট, নীলক্ষেত পেরিয়ে টিএসসিতে হিমু মটর সাইকেলটা রেখে মেলায় ঢুকে যাই। নজরুল মঞ্চ পার হয়ে তথ্য কেন্দ্রকে বায়ে রেখে লিটল ম্যাগ চত্বরে ঢু মারি। তারপর আড্ডা উড্ডা মেরে মেলা ঘুরে আটটা নাগাদ ছবির হাঁটে ফিরে আসি। ওখানে আমার বন্ধুরা সরাতে আর কাগজে ছবি আঁকে। সে

অপনার মা যখন লেখক

অপনার মা যখন লেখক

নুশেরা তাজরীন | তারিখ: ১৭-০২-২০১০

জীবনের যত ভালোবাসা এবং ছ্যাকা...

৭৮ সালের কথা। আমি তখন চাঁদপুর খলিশাঢুলী প্রাইমারি স্কুলের ৪ ক্লাসের ছাত্র। ক্লাসের জোছনার (বেদের মেয়ে 'জোছনা' নয়) প্রেমে পড়লাম। সেই আমার প্রথম প্রেম। জোছনাকে লেখা চিঠি জামার বুক পকেটে রেখেছি, পরদিন তাকে দেব বলে। একটু পর পর হাত দিয়ে দেখছি-চিঠিটা আছে কি না ! বড় ভাইয়ের চোখ পড়লো একসময়। অত:পর পকেট থেকে চিঠি উদ্ধার এবং ধোলাই...প্রেম বলে পালাই পালাই..

এমন চিঠি পেতে কার না ভালো লাগে ?

বন্ধু, বন্ধুতা, সিদ্ধান্তহীনতা, অমিমাংশিত সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় নিয়ে
কোনো এক বালিকাকে লেখা জনৈক বালকের চিঠির চুম্বকাংশ...

সব্বোনাষ ! ২ বার নাম দেখায় ক্যান ??

এবি’র চড়ুভাতি : যে সকল ঘটনা কেহই উল্লেখ করে নাই


ক. সাধারনত পিকনিকের বাস/ গাড়ী আসে দেরিতে। অথচ আমাদের বাসটি নির্দ্দিষ্ট স্থানে আসিলো সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে। যার আসার কথা ছিলো ৮ টার সময়।

কেমতে দিমু ?

বেশ কয়ডা সেরাম ফটুক নেটে পাইছি। শেয়ার করতে মঞ্চায়। কেমতে দিমু ? জলদি কন, নৈলে কৈলাম অইন্য বলগে দিয়া দিমু...

পিকনিক সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ...

অবশেষে পোলাপাইনের বিশেষ অনুরোধে আমি ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব নিলাম আবারো (প্রথমবার নিছিলাম সুর্য উৎসবে, সে প্রসঙ্গে আর কথা না বলি)। সব অকর্মার দল। কিয়ের বলে পিকনিক করবো ! মাগার কামে নাইমা দেখি সবতের বিয়াপক অভিজ্ঞতা এই ব্যাপারে !

সবতে সব কাম কৈরা দিছে। আমি খালী যা যা করছি :
১. আপন টাকা দিয়া কিনা অকটেন পোড়াইয়া, নিজের মটর সাইকলে লৈয়া মিরপুর দুয়ারিপাড়া গিয়া একখান বাস ঠিক করলাম