ইউজার লগইন
ব্লগ
বন্ধু হবার জন্য এলাম: হাত বাড়িয়ে দাও...
শুভ ব্লগিং। আমরা বন্ধু। আমিও এলম এই বন্ধুত্বে যোগদিতে। যদিও অন্য ব্লগে লিখছি বেশ কিছুদিন ধরেই, কিন্তু আমরা বন্ধু ব্লগে এই মাত্র পা দিলাম। নিবন্ধন করেই বেড়িয়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু ঐ মেসেজটা আমাকে একটু ভাবতে বললো, ‘কেন কোন লেখালেখি ছাড়াই বেড়িয়ে যাচ্ছি?’
তাই তো! আমরা বন্ধু ব্লগে এসে বন্ধুদের উদ্দেশ্যে যদি কিছু না বলি তবে তো সৌজন্যবোধটুকু থাকলো কই? তাই সবার প্রতি রইল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। অন্য ব্লগে আমাকে কেউ কেউ চিনে থাকবেন। আশা করি এ ব্লগে একটা সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রয়েছে, তা চিরদিন থাকবে। বুদ্ধির মুক্তিই আমাদের কাম্য।
ব্লগিং আমার অত্যান্ত প্রিয় মাধ্যম হলেও, বর্তমানে আমি চোখের সমস্যায় ভুগছি। ইতোমধ্যে দু চোখে তিনবার করে লেজার সার্জারি এবং তিনবার করে ইনজেকসান নিতে হয়েছে। দৃষ্টি কিছুটা ঝাপসা। জানি না কতদিন এই চোখ ভাল থাকবে। তবে যতদিন আছে কামনা করি লেখালেখি করার চেষ্টা করে যাবো।
বন্ধুতা..
বন্ধু,
বলো বন্ধু তোমার কোন্ জনা?
যখন তোমায় কেউ বোঝে না,
বোঝে তোমায় যেই জনা..
আনন্দেতে ভাসায় যে জন,
দুঃখ পেলেও;
অশ্রু মুছে -
হাসায় আবার যেই জনা..
বন্ধু,
তোমার বন্ধু;
জেনো -
সেই জনা.. সেই জনা..!
[পৃথিবীতে যাদের একটা হলেও প্রাণের বন্ধু আছে,
তাদের সবার কাছেই
বন্ধুত্বের প্রতিটি দিন একেকটা বন্ধু দিবস।
তবুও সেই প্রাণের বন্ধুদের প্রতি আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালবাসার যে বন্ধন তার সম্মানে একটা আলাদা স্পেশাল দিন, খারাপ কি?!
হাজার হোক,
বন্ধুরাই তো আমার সেই পরিবার যা বেছে নেয়ার স্বাধীনতা একান্তই আমার!
রক্তের সম্পর্ক থাকুক না থাকুক,
আত্মার সম্পর্কে যে আত্মীয় সেই তো আমার বন্ধু।
ভালবাসার একটা বন্ধুও যেন হারিয়ে না যায়,
এমনটাই হোক এই বন্ধু দিবসের কামনা। ]
ভাল থাকুক সকল হৃদয়,
প্রতিটি দিন - প্রতিটি ক্ষণ।
সব্বাইকে বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা ও অনেক অনেক ভালবাসা। <3
"দেভদাস"
বিমানের আসনে বসিয়া দেভু নিজের নখ নিজে কামড়াইতেছিল। বিমান বলিলে অনেকে আবার বাংলাদেশ বিমান মনে করিয়া থাকে। উহা বাংলাদেশ বিমান নহে, বিদেশী কোন এক বিমান হইবে।
বিমান ঢাকার আকাশে ঢুকিয়াছে, কিছুক্ষনের মধ্যেই বিমানবন্দরের মাটি স্পর্শ করিবে। দেভু জানালা দিয়া ঢাকার আকাশ দেখিতেছিলো। তাহার মন অসম্ভব রকমের ভার হইয়া আছে। বিলাত ওরফে লন্ডনে ১০ বৎসর কাটাইয়া দেশে আসিয়াছে। অনেক চেষ্টা করিয়াছিলো বিলাতেই থাকিয়া যাইবে। কিন্তু কপালে ছিলো না বলিয়া আর থাকা হইলো না, বরং তাহাকে এক প্রকার জোর করিয়াই দেশে ফেরত পাঠাইয়া দেয়া হইলো।
চিঠি
চিঠি
এম আর মামুন
এই শহরে ডাকপিয়নের
আর মেলে না দেখা,
মুঠোফোনের বদৌলতেই
হয় না চিঠি লেখা।
বাবার কাছে টাকা চেয়ে
মেসেজ পাঠায় ছেলে,
ভয়েস মেল ও চিঠির কদর
দিচ্ছে দূরে ঠেলে।
ইমেল, ফ্যাক্স, শর্ট মেসেজে
ব্যস্ত মানুষ আজ,
তাইতো বুঝি জিপিওতেও
থমকে গেছে কাজ।
হারাক চিঠি, তবুও মানুষ
দেখলো দুচোখ ভরে,
সরকার আর বিরোধী দল
চিঠির চর্চা করে।
যেই ছেলেটা যুদ্ধে গেল
করল জীবন দানও,
মায়ের কাছে সেই চিঠিটার
মূল্য কত জানো?
৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান, মেজর নাসিরের বই ও অনেক অজানা কথা
১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর ও ৭ নভেম্বর-এই তিনটি দিন নিয়ে আমার ব্যাপক আগ্রহ। এ নিয়ে কিছু বইও আছে। সাফায়াত জামিল ৪৬ ব্রিগেডের প্রধান ছিলেন। আবার ৩ নভেম্বরের অন্যতম অভ্যুত্থানকারী। তিনি একটি বই লিখেছেন। সেখানে তিনি অনেক ঘটনার কথা বলেছেন। কর্ণেল হামিদ কোনো অভ্যুত্থানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না। তিনি পাশে থেকে বা কাছে থেকে দেখেছেন। ব্রি. সাখাওয়াতও অভ্যুত্থান কাছ থেকে দেখেছেন। তিনিও একটা বই লিখেছেন। মে.জে. মইনুল হোসেন চৌধুরী (অব.) কিছু লিখেছেন, তবে তিনি সেসময়ে দূরেই ছিলেন। ‘সৈনিকের হাতে কলম’ লিখেছেন নায়েক সুবেদার মাহবুবর রহমান, তিনি বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সভাপতি ছিলেন। তিনি যেসব অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন, তা এক কথায় ভয়াবহ। কিন্তু কোনো বইতেই আমি খালেদ মোশারফের অভ্যুত্থানের অনেক কিছুই জানা যায় না। অথচ এই অভ্যুত্থানটি সফল হলে আজ বাংলাদেশের চেহারা অন্যরতম হতো।
জয়তু বন্ধুতা !
সামুয়েল ইকবাল। ডাক নাম গগন। আমার বন্ধু। রংপুর মুন্সি পাড়ার ছেলে। ওর বৌ শাপলা। সামুয়েলদের রংপুরের বাসায়ও গিয়েছিলাম। সেটা ৯৮ বা ৯৯ সালের গল্প। হঠাৎ একদিন শুনি সে বন্ধুটি দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সাথে তার বৌ। যেদিন তাদের ফ্লাইট- তার ৪/৫ দিন আগে ঢাকায় চলে আসলো ওরা। নবাবপুরের একটা হোটেলে উঠলো। সেখান থেকে ফোন করে জানালো আমায়। হোটেলে উঠায় একটু অভিমানই হয়েছিলো আমার। তারপরও তার সাথে দেখা করতে হোটেলে যাই। সেখানেই পরিচয় তার বৌ শাপলার সাথে। নতুন বৌকে নিয়ে বাসায় আসতে বলি। পরদিন আসে। সারাদিন বাসায় থেকে রাতে আবার হোটেলে ফিরে যায়। সেই সামুয়েল ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেশ ছেড়ে ইংল্যান্ডের পথে উড়াল মারে। তার সাথে যোগাযোগটা নিয়মিতই রয়ে যায়। এখনও আছে। প্রায়ই ফোনে বলে, চলে আসবে দেশে। আবার বলে- এসে এখানে কী করবে ? গত বছর তাদের একটা কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। এই ছেলেটাকে আমি খুব মিস করি...
তোমার বার্তা
অহেতুক ভিজে ফিরে গেল
অনাহত একাকী এ সন্ধ্যা ,
ছাদের কার্নিশে কার জমা রয়ে গেল
জলেভেজা বিরহগাঁথা ।
রিমঝিম বৃষ্টির গানে ,
অনিয়ত মেঘের গর্জনে
সদ্যজাত কতগুলো দীর্ঘশ্বাস
চাপা পড়ে গেল চিরতরে ।
একে একে নিভে গেল সবকটা
ফ্ল্যাটের আলো ।
এমনি যে কত রাত , কতগুলো বর্ষা ফুরালো ।
ভেবে ভেবে এই একাকিত্ব
এখনো যে থিঁতু হয়ে বসে ,
তোমার বার্তা কেন আজো ভেসে এলোনা
বাদল বাতাসে ।
অলিম্পিক ভাবনা
খেলা বিষয়ে আমার নিজস্ব কিছু পক্ষপাতিত্ব আছে, নৌকা বাইচ, অশ্বচালনা, জিমন্যাস্টিক কিংবা ডাইভিং আমি খেলা মনে করি না, সাঁতারও আমার কাছে ঠিক খেলা মনে হয় না যেমন মনে হয় না রেসিং। বর্শা , জ্যাভলিন, শটপুট, শ্যুটিং, তীরন্দাজী ব্যক্তিগত দক্ষতা, মনোসংযোগ কিংবা মানসিক দৃঢ়তার উদাহরণ হতে পারে কিন্তু সেসবকে আমার খেলা মনে হয় না কখনও।
আমি খেলা বিষয়ে রক্ষণশীল, দলীয় কিংবা ব্যক্তিগত লড়াইয়ের জায়গা থেকে টেবিল টেনিস, লন টেনিস, ফুটবল, বাস্কেটবল, ওয়াটারপোলো, ব্যডমিন্টন, এসবের বাইরে অলিম্পিকে তেমন খেলা হয় না। পৃথিবীর নামি-দামি- বিখ্যাত- বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া বাস্কেটবল খেলোয়ারেরা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র অলিম্পিক বাস্কেটবলে সোনা পায় নি কখনও। একটা পর্যায়ে অবশ্য পেশাদার খেলোয়ারদের অলিম্পিকে অংশগ্রহন করার স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ছিলো, সে সময়ের পর যখন পেশাদার খেলোয়ারদের জন্য অলিম্পিক উন্মুক্ত হলো সে সময়ের পরেও যুক্তরাষ্ট্রের সেরা খেলোয়ারেরা অলিম্পিকে আসতে নারাজ ছিলো, তারা ব্যক্তিগত অর্জনের জন্যে খেলে দলীয় অর্জন তাদের কাছে খুব বেশী গুরুত্ব পায় না সম্ভবত।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা হে প্রিয় রন্টি ভাই!
আগষ্ট মাসটা খালি ইভেন্ট আর ইভেন্টে ভরপুর। বলা যায় দুর্ঘটনার মধু মাস। ১৫ই আগস্ট, ১৭ই আগস্ট, ২১ শে আগস্ট, রবি-নজরুল শামসুর তিন কবির মৃত্যু বার্ষিকী। আবার এই মাসের ভিতরেই আবার ঈদ। ১৪ দিনের মতো সরকারী ছুটি। বলা যায় চকবাজারের ইফতারীর মতোই রমরমা। তবে চকবাজার ইফতারী মোটেও ভাল জিনিস না। আস্ত খাশি ফ্রাই ইহা মাইনষের খাবার না বাঘের খাবার। দূরে থাকাই ভালো। আমার ১৩ ফ্রেন্ড গেছিলো গত বছর উৎসব করতে করতে। পরিনতি ৪০০ মিলিগ্রাম ফ্লাজিল। যাই নাই দেখে মন খারাপ ছিলো পরে তাদের এই ভোগান্তি দেখে মেলা মজা নিছি। কি সব ফাউ প্যাচাল পারতেছি মেইন কথায় আসি!
সন্তানের অপেক্ষায় তারা এভাবেই জেগে থাকেন - চেনা অচেনা কত ব্যালকনিতে - এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকেন তারা - উদ্বিগ্ন - উন্মুখ - স্নেহাকুল
সিলেট থেকে ঢাকা - সরলরৈখিক দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার - সড়কপথে ভ্রমণের হিসেবে বোধহয় আরো ৪০ কিলোমিটার যোগ হবে - দূরত্ব যেমনই হোক প্রতি সপ্তাহান্তে আমাকে যেতে হয় - যেতে হবে - ওখানে এক ভদ্রমহিলা নিয়ত অপেক্ষা করেন - তার ছেলে আসবে - দুটো দিন - অন্তত দুটো দিন তার কাছে থাকবে.
এই সপ্তাহে পারছি না যেতে - মা জানেন - তবু বোধহয় অপেক্ষা করবেন - অপেক্ষা তার অস্তিত্বে - অপেক্ষা তার অবচেতন মনে - বড় অদ্ভুত মায়েদের মন.
ভাল লাগা ভাবনারা - ৪
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
মিছিলের সব হাত
কন্ঠ
পা এক নয় ।
সেখানে সংসারী থাকে, সংসার বিরাগী থাকে,
কেউ আসে রাজপথে সাজাতে সংসার ।
কেউ আসে জ্বালিয়ে বা জ্বালাতে সংসার
শাশ্বত শান্তির যারা তারাও যুদ্ধে আসে
অবশ্য আসতে হয় মাঝে মধ্যে
অস্তিত্বের প্রগাঢ় আহ্বানে,
কেউ আবার যুদ্ধবাজ হয়ে যায় মোহরের প্রিয় প্রলোভনে
কোনো কোনো প্রেম আছে প্রেমিককে খুনী হতে হয় ।
যদি কেউ ভালোবেসে খুনী হতে চান
তাই হয়ে যান
উৎকৃষ্ট সময় কিন্তু আজ বয়ে যায় ।
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় ।
-হেলাল হাফিজের কবিতা। নাম- নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়। রচনাকাল- ১৯৬৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। হেলাল হাফিজকে নিয়ে আসলে বেশি কথা বলা যাবে না। অল্প সংখ্যক কবিতা লিখেছেন এবং তাই দিয়ে বাংলা কবিতাকে নিজের স্থান থেকে আরো বেশ খানিকটা উপরে উঠিয়ে দিয়েছেন। ক্ষণজন্মা প্রতিভা।
দুই এবিবাসীর জন্মদিনের শুভেচ্ছা...
যদিও পার্টি পুর্টির দাবাত ইত্যাদি পাইনাই, তবুও সবাইরে জানায়া দিয়া যাই...
আজ এই মহান দিনে, মহান লগ্নে, দুই জন মহামানব এসেছিলেন এই পাপিষ্ঠ ধরাধামে।
এই দু'জনে আগমনে হেসে উঠেছিলো পৃথিবী, নেচে উঠেছিলো সকল ব্যলেরিনারা, নতুন গানে সুর দিয়েছিলো অনেক সুরকার (এগুলো সব কাব্যিক কথাবার্তা)। আসলে তাদের আগমনে সবচাইতে খুশি হয়েছিলেন তাদের জন্মদাতা জন্মদাত্রীরা।
এই দু'জনকে নিয়ে আমার অনেক কিছু বলবার আছে, কিন্তু সময় হাতে কম। তাই শুধু এটুকু বলে যাই যে, উনারা দুইজনেই আমার খুব ভালো বন্ধু। উনাদের মত বন্ধুসুলভ বন্ধু আমি খুব কমই পেয়েছি আমার জীবনে।
শুভ জন্মদিন প্রিয় হাসান রায়হান ভাই এবং রাসেল আশরাফ ভাই...
অনেক অনেক বছর বেঁচে থাকেন, অনেক অনেক বছর বন্ধু হয়ে থাকেন...
দুজনে
দুজনে
এম আর মামুন
তোমায় আমার ভালবাসা
রাখতে চাই সারা জীবন
মরন এলে একসাথে
মরবো দুজন
ভালবাসার ফুলদানিতে
রাখতে চাই তোমাকে ধরে
তোমাকে কাছে না পেলে যাব মরে
প্রেমের কসম দিচ্ছি তোমায়
তুমি আছ হৃদয়ে
একা একা গোপনে
আমি তোমাকে ছাড়া
কিছুই চাই না জীবনে
এই মনে ছিল কত আসা
তুমি আমার ভালবাসা
এই জীবনে হারাতে চাই না
এই মন দিয়েছি তোমাকে
তুমি ছাড়া কিছুই চাই না
তোমার আমার ভালবাসা
রাখতে চাই সারা জীবন
মরন এলে মরব একসাথে দুজন
সারা দিন বসে ভাবি
সারা রাত বসে ভাবি
আমি তোমাকে নিয়ে
চাঁদের দেশে দেব পারি
এ আমার স্বপ্ন কি স্বপ্ন হবে নাকি?
সুখে আছে যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা/ দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো এ দুঃখ রইবে না!
হেডলাইন দেখে চমকিত হবার কিছু নাই। ইহা কবীর সুমনের গান। বলা যায় অসাধারন গান। গানের টাইটেল " আমেরিকা প্রবাসী বাঙ্গালীর গান"। গানটার প্রত্যেকটা লাইন অসাধারন। তার ভেতরে আমার ভালো লাগে এই চার লাইন। গানের কথা গুলো অনেক টা এরকম---
আজ জানলার কাচে ডেকে গেছে এক পাখির মতন সকাল
যেনো রাখালিয়া বাশী এই শহুরে গলার ফাসি
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবে না।।
আমি ভিটে মাটি ছেড়ে এসেছি মহান টাকা পয়সার দেশে
এই দুনিয়া সর্বনেশে এরা সাগর ডিঙ্গিয়ে বোমা ফেলে আসে বীরপুরুষের বেশে
মরে কখনো বাচেনি যারা
আহা তাদের খিদের ইতিহাস এক বিশ্রী অন্ধকারা
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবেনা .।।
আজ সকালকে ডেকে বলি গাও রবি নজরুল গীতি
তাতে আমার ভীষণ প্রীতি দেখো সুরুচির পরিমিতি
আমি দেশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে দুখান করেছি হিন্দু মুসলমানে
মুখের ভাষায় দেয়াল উঠেছে এই জল ওই পানি
আমি সবই মানি সবই মানি
শুধু মানি না যখন রহিম পরান ভাইরা মুক্তি চায়
তারা দুবেলাই খেতে চায়
আহা পাকস্থলীতে ইসলাম নেই, নেই কো হিন্দুয়ানী
বেহুদা
বাংলা ব্লগের সাথে পরিচয় ২০০৫ এর ডিসেম্বরে, যখন কেবলমাত্র সামহোয়্যার ইন ব্লগ শুরু হলো- সে হিসেবে বাংলা ব্লগের একেবারে প্রথম দিক থেকেই এরসাথে পরিচয়, বসবাস,গত ৬ বছরে বিচিত্র বিষয়ে লেখা হয়েছে, প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে, কখনও নিজের আগ্রহে কখনও নিতান্ত বাধ্য হয়ে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে, এভাবে ব্লগগুলোতে ধীরে ধীরে লেখার পর লেখা জমেছে। বাংলায় লেখার এমন সহজ সুযোগ পেয়ে সে সুযোগের যাচ্ছেতাই ব্যবহার করেছি, এভাবেই মনে হয় গত ৬ বছর পনেরোশোরও বেশী লেখা লিখে ফেলেছি। অনুভুতি কেমন হওয়া উচিত সেটা নিয়ে চিন্তিত। বিষয়টা আনন্দিত হওয়ার না কি বিব্রত হওয়ার সেটাও বলা কঠিন