ইউজার লগইন
ব্লগ
অ্যওয়ার্ড গিভিং সেরিমনি ২০১০
একটা পুরানো পেচ্ছাপেছির গল্প বলি, মেসবাহ ভাই একবার রায়হান ভাইকে হালকা চাপ দেয়ার উদ্দেশ্যে বললো
অতীব শ্রদ্ধেয় রায়হান ভাই খালী নিজেরে বুইড়া মনে করে...
ভাই এর জবাবে যে কমেন্ট করলো সেটা ছিলো অদ্ভুত। কমেন্টে একাধিক লাইক দিয়ে কে কয়টা দিলো সেটা দেখানোর ব্যবস্থা নাই। আমি সেই কমেন্টটায় অসংখ্য লাইক দিতে চাই। আর পেচ্ছাপেছিটাতো ছিলো অতি অদ্ভুত।
সকলের অবগতির জন্য বলে রাখি, দুলাভাই (শুধু আমার না সোহেল কাজীরও দুলাভাই) মানে মেসবাহ য়াযাদ এখনও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকলেও বয়েস কিন্তু কম না উনার। প্রোফাইলের ছবি দেখে কেউ বিভ্রান্ত হইবেন্না, উহা ভাগিনা আই মিন তাহার ছেলের ফটুক।
সম্প্রতি এবির পিকনিকের চমৎকার ছবিগুলো দেখে আমার মনে হয়েছে, সাঈদ ভাইএর জীবনের দারুণ একটা সময় চলছে। তার দ্রুত বিয়ে করে বউ নিয়ে এনজয় শুরু করে দেয়া উচিত।
মাঝরাত্তিরের চিঠি
প্রার্থনায় থাকে চাঁদের আভাস, একটুকরো মেঘ... প্রার্থনায় থাকো তুমি, কিংবা তোমার পাশে গহীন বনের বন্ধুর পথে একটুখানি হাঁটবার কাল। নিশিভোর হওয়া রাতের একটুখানি ধ্রুবতারার আলোও যোগ দিতে চায়, শুরু হয় আমারা একলা রাতের গান। মেঘ-পাহাড়ের বৃষ্টিরা থাকে, থাকে গাঢ় সবুজ পাইনের সারি... বাদামী ফলের ককর্শতায় তাদের রং বদলের পালা। দিন পেরোয়, বছর ঘুরে আসে। রাতগুলো ক্রমশ অন্ধকার হয়, হয় দীর্ঘতর... আপ্রাণ ঘুমেরা ক্রমেই জড়ো হয় মুয়াযযিনের প্রথম ঘুমভাংগানির সুরে। এঁকেবেঁকে চলা এক পাহাড়ী পথ শেষ হয় শহরপ্রান্তের সাদা নৌকোদের দিগন্ত জুড়ে। একটা নেহায়েতই বেকুব চাঁদ অন্য কোন পৃথিবীর সমস্ত শুভ্রতাকে জড়িয়ে ধরে সাগরের খুব কাছে নেমে আসে। পাশেই পড়ে থাকা খাঁ খাঁ শূণ্যতার দিকে তাকিয়ে চোখ বুঁজে ফেলি আর ভাবতে থাকি কতোখানি ক্ষতি হতো পৃথিবীর, এই শূণ্যতাটুকু অশূণ্য হলে?
বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি
এই লেখাটার একটা ইনট্রো দেয়া দরকার। লেখাটা খুবই ব্যাক্তিগত। কিন্তু যে জমানা পড়েছে, প্রাইভেট স্পেস বলে কিছু নেই।আমার চিটাগাং এর কিছু বন্ধু গোপনে গোপনে প্রেম করে এই খবরের প্রতিক্রিয়া হিসাবে এটা তাদের উদ্দশ্যে লেখা। কিন্তু বন্ধু বাফড়া বললো যে রেফারেন্চ না থাকলেও এটা পড়া যেতে পারে। তার কথায় বিশ্বাস করেই এটা পোস্ট করা...
বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি
যাইবি দক্ষিনে, বলিবি পশ্চিমে, রহিবি পুরবমুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি তবে ত রহিবি সুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি সাধিবি মনের কাজ
সাপের মুখেতে ভেকেরে নাচাবি তবে তো রসিকরাজ
বউ কাব্য
উদরাজী নাকি বউরে ভীষণ ভয় পায় (আমার কথা না মেসবাহ’র মত ) । সেদিন জানা গেলো টুটুলও তার বউকে....। অবশ্য জগতে দুই-একজন বীর পুরুষ ছাড়া সবাই বউকে কম-বেশি সমীহ করে। এজন্যেই অনেকে পিকনিকে বউ নিয়া যাইতে সাহস পায় নাই। উদরাজী নাকি একবার বিড়ম্বনায় পড়ছিল...। আমি নিজেও খুব একটা সাহসী পুরুষ নই। বিয়ের আগে মানুষ যখন বউ নিয়া নানা রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর থাকে, আমি তখন দাম্পত্য জীবন এবং বউ সম্পর্কিত কিছু অনুকাব্য রচনা করেছিলাম। যার অনেকগুলোই পরবর্তিতে দাম্পত্য জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সংগে কাকতালীয় ভাবে মিলে গেছে। সেইসব অনুকাব্যের বেশ কয়েকটি এবির বন্ধুদের জন্য এখানে উদ্ধৃত করলাম। আগেই বলে রাখছি, এই অনুকাব্য গুলোর বেশ কয়েকটি ইতিপুর্বে বিভিন্ন পত্র/পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
১.মা বলে বউয়ের ভেড়া
বউ বলে বলদ
জানিনি কোথায় গলদ !
২.আমার বউ আমায়
পেয়ে অভিভূত
আমি তার বশীভূত
ডাইরী ১১৪
১.
দৌড়তে দৌড়তে টের পাই বয়সী বায়স এসে খুটে খেয়ে গেছে ফুসফুস-হৃৎপিন্ড এবং যকৃত। অথচ থামলেই স্মৃতির চাবুক আছড়ে পরবে পিঠে ও পাজরে। দৌড়তে দৌড়তে টের পেয়েছি বন্ধুর পথ বড় সমতল ঠেকে মায়োপিক চোখে। যদিও ছন্দপতন হলে সম্ভাবনার গিলোটিন বিভাজন এঁকে দিবে শরীরে ও শিরে।
দৌড়ে দৌড়ে কোথাও পৌছবো নাকি...দৌড়ে দৌড়ে কতদূর যায় ঘূণে ও ঘোরে আবিষ্ট শরীর?
২.
শীতে ও সর্দিতে বেঁচে বর্তে থাকা যায়। একেকটা হাঁচিতে মনে হয় ফিরে এসেছি সম্বিতে। কান খাঁড়া করে যখন শুনেছি অপসংস্কৃতি...তখন তারা শিল্প হয়ে বেজে যায় এক বিকাল-দুই সকাল-স্বপ্নাবধি। বৈচিত্রের মনোটনিতে গিয়েছি ফেসে এই বেলা।
৩.
বহুদিন পর এক টুকরো সময় পেয়েছি কুড়িয়ে। আবারো তাই সাদা কালো, হরফে হরফ, আবেগের অ্যালিগরি...
পিকনিক রিপোর্ট

দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্রতিবেদন শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।
সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।

অপনষ্টক
১.
বড় কষ্টে গড়া এ মহাসংসারও একদিন নুয়ে পড়বে
আর আমি তো কোন নশ্বর।
২.
আমাদের মসজিদের ইমামটা বোধহয় মারা যাবে
ওর ফজরের আযান দিতে খুব কষ্ট হয়
আমি ওর কথা ভাবি,
আচ্ছা কিসের ভরসায় ও সারাটাজীবন কাটিয়ে দিলো
একদিনও আযান মিস না করে?
৩.
বুজে যাওয়া চোখ মেলে দেখি
আলো এসে গেছে।
তাহলে?
এখন আরো একটা দিন
আমার সামনে।
৪.
হাতুড়ি দিয়ে দেয়ালে পেরেক ঠুকতে খুব মজা,
আমার একদিন কন্ঠনালীতে পেরেক ঠুকে
আজীবনের নেশা মেটাতে ইচ্ছে হয়।
৫.
প্রিয় বিছানা আমার
তোমার প্রতিটি ক্যাঁচ-ক্যাঁচ
আমাকে তোমায় উপলব্ধি করতে
সাহায্য করে, জেনে রেখো।
৬.
কয়েকটা ছোট ছোট বৃষ্টির ফোঁটা কার্ণিশ বেয়ে
পলিথিনের ওপর পড়ে সুরের জাল বুনে ফেলতে পারে।
আমার শরীরটা এত অকাট যে বৃষ্টির ফোঁটারা
জীবিকা অথবা জীবন- ৭
সকালের দিকে রাতের বাসি ভাত-তরকারি খাওয়ার পর আর কিছু করার থাকে না মনু মিয়ার। দুপুরের খানিকটা আগে দিয়ে যদি সালমা বেগম তাকে রান্নাঘরে ডাকেন তো কিছু তরি-তরকারি বা মাছ-গোস্ত কেটেকুটে চাল ধূয়ে দেওয়ার পর ফের খাওয়ার আগ পর্যন্ত তার তেমন কাজকর্ম থাকে না। দুপুরের খাওয়ার পর হাঁড়ি-বাসন-কোসন পরিষ্কার করে গাইটাকে কিছু খেতে দেয়। কোনো দিন কলের মুখে দীর্ঘ পাইপ লাগিয়ে সেই পানি দিয়ে ফেলে দেওয়া গন্ধসাবান দিয়ে ডলে গাইটাকে গোসল করায়। গাইয়ের জন্য সাবান দেখে একদিন রহমান সাহেব আর সালমা বেগম দুজনেই হাসতে হাসতে যেন পড়ে যাবেন এমন হয়। রহমান সাহেব বলেছিলেন, গরুরে সাবান দিয়া গোসল দিতে কই দেখছস? আরো জমিদারেও মনে কয় এমন করবো না!
মনু মিয়া গাইটার শরীরে সাবান ডলতে ডলতে হেসে বলেছিলো, টুকরা-টাকরা সাবান কতডি জমছে! হালায় না দিয়া কাম লাগাইতাছি!
ছবি প্রদশর্নীঃ উৎসর্গ - বকলম ভাই।
আমাদের বন্ধু বকলম ভাইয়ের ছবি গুলো আমি দেখি আর ভাবি, কি করে এত সুন্দর ছবি তোলা যায়। অনেকদিন ধরে ভাবছি, বকলম ভাইয়ের ছবি গুলো দিয়ে একটা পোষ্ট দিব, বকলম ভাইয়ের পাশাপাশি নিজেও কিছু নাম কামাব! পারমিশন কি করে পাওয়া যায় তা নিয়েও ভাবছিলাম। আজ মনে হচ্ছে পারমিশনের কি দরকার! ফাঁসি দিলে আমাদের বকলম ভাই দেবেন, দেক। বকলম ভাই দাম্মাম, আল-খোবার এলাকায় থাকেন, যেখানে আমিও অনেক বছর ছিলাম!
বকলম ভাই, আরব দেশের ছবি তুলছেন এখন! অথচ আমি যখন ছিলাম তখন রাস্তায় ক্যামেরা হাতে ছবি তুলতে দেখলে আরব মুতাওয়া মেরে তক্তা বানিয়ে দিত। দুনিয়া পাল্টে যাচ্ছে! আসুন প্যাচাল না পেড়ে ছবি দেখি।
অভিমানী দম্পতির চিঠি চালাচালি
স্ত্রীকে স্বামী
আমার পেটে-বুকে খুব জ্বালাপোড়া করছে। এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়। অনেক বছর ধরে এই যন্ত্রণা সহ্য করে যাচ্ছি। ওষুধ খেতে খেতে আমার চুল উঠে গেছে।
চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করছে। তবু তোমার ইচ্ছা পূরণের অদম্য ইচ্ছায় কাগজটা, কলমটা নিয়ে বসলাম। আমিতো তোমাকে কিছুই দিতে পারি না। অন্তত এই চাওয়াটা পূরণ করি না খানিকটা।
আমার বোনাস লাইফ
[এই পোস্টটা মাইনুল এইচ সিরাজীকে উৎসর্গ করলাম]
দরজী মামুর কথা মাত্র এ কয়টা দিনে ভুলে যাবার কথা নয়, নিশ্চয়ই মনে আছে আপনাদের (দ্রঃ ঘড়ি)। সেই দরজী মামুর সেলাই ঘর ছিল আমাদের ঘরের সাথে একেবারে লাগোয়া ।তার হাতে তৈরী লাল রঙের একটা জামা গায়ে মাছ ধরছিল ছেলেটি । বয়স তখন দুই কি তিন বছর । ঘাবড়াবেন না প্লিজ ! আমাদের বসত ঘরের বারান্দার পাশ ঘেসে ছিল একটা নিষ্কাশন খাল (নালা বলাই ভাল)। সারা বছর শুকনো থাকত, বর্ষাকালে মাঠের অতিরিক্ত পানি এটা দিয়ে বয়ে যেয়ে নদীর পানির সাথে মিশত । আবার বর্ষায় নদী যখন দু’কুল ছাপিয়ে ভরে উঠত, তার পানি যখন উপচে উঠবার জন্য আকুল হত, এই খালটি তখন সে পানি টেনে নিয়ে টগবগ করে হাসতো ।
আজিরা দিনপঞ্জী... ১৬
এতো বেশি কিছু ভেবেই চলছি যে ভাবনার নৌকোটা কোথাও সুবিধেমতো নোংগর করানো যাচ্ছেনা। তিরতির করে চলছে তো চলছেই। অথচ কোন ভাবনাই আরেকটার সাথে কোন যোগাযোগ রাখছেনা... আপনমনে, কখনো সমান্তরালে আবার কখনো আড়াআড়ি যাচ্ছে... খেই হারিয়ে যাচ্ছে বারবার।
কোন দূরত্বটা বেশী? চার ইঞ্চির নাকি সাড়ে চার হাজার মাইলের? সেই শীতের রাতে সিএনজির ভেতরে কনকনে ঠাণ্ডায় নিজেকে আপাদমস্তক চাদরে মুড়ে বসে থেকে... পাশেই থাকা হাতটার দিকে তাকিয়ে এই ভাবনাটা আপনা থেকেই চলে আসছিলো মাথায়। একদম স্বাভাবিক কথা চালাতে চালাতে আমি কেবল প্রার্থনা করছিলাম ''প্রভু, দোহাই লাগে... একটিবারের জন্যেও যেন আমার গলা কেঁপে না উঠে। বোকামিই বলুক কেউ, আর ভালোবাসাই বলুক... আমার নিজের একান্ত এই ভাবনার তরংগ যাতে স্পর্শ না করে তাকে।''
রাংটিয়া, সমতল ও পাহাড়ীয়া এলাকা।
বাংলাদেশের শেরপুর দিয়ে ভারত বর্ডারে কাছাকাছি একটি জায়গার নাম রাংটিয়া। সমতল ও পাহাড়ীয়া এলাকা। পাহাড় ভাগাভাগিতে আমরা অনেক কম জায়গা পেয়েছি। পাহাড়ীয়া এলাকার বেশীর ভাগ এলাকাই ভারতের! পাহাড়ের গাছপালা ও পরিবেশ দেখতে চাইলে আপনি রাংটিয়ায় গিয়ে গজনীতে যেতে পারেন। ঢাকা থেকে খুব ভাল রাস্তা। ময়মনসিংহ, শম্ভুগঞ্জ হয়ে আপনি সরাসরি রাংটিয়া চলে যেতে পারেন। দিনে যেয়ে দিনে ফিরে আসা সম্বব, তা না হলে নালিতাবাড়িতে এক রাত কাটিয়ে পরদিন মধুটিলা ইকোপার্ক দেখে ফিরতে পারেন। টাওয়ারের উপর উঠে বিশুদ্ব হাওয়া খেতে খেতে মনটা এমনিতে চাঙ্গা হয়ে যাবে।

বন্ধুদের নিয়ে বের হয়ে যান।
শুধুই ছবি- ভাল বা মন্দ
কোনদিন ভাল একটা ছবি তুলতে পেরেছি বলে মনে পড়েনা । তবু ক্যামেরা চালাই- কোন কিছু না ভেবেই । আবার ছবি আপলোড-ডাউনলোড বা সাইজ-রিসাইজ মাথায় ঢোকেনা । যদিবা কোন গুতোগাতা খেয়ে ঢুকে পড়ে, তা বের হয়ে যেতে সময় লাগেনা মোটেও ।
এবারের পিকনিকের ছবি সবার দেখা হয়ে গেছে ইতিমধ্যে । তবু আমারও ইচ্ছা হলো ডানা মেলবার ।
এই সেই বাস, যা এবার সবাই পছন্দ করেছে -
রাজধানী স্কুলের সামনে দীর্ঘ প্রতীক্ষা-
স্বাস্থ্য রক্ষায় হাসির কোন বিকল্প নাই
সেন্ট মার্টিন (দুশো বছর পরে)
মুখবন্ধঃ ২০০৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সেন্ট মার্টিনে ছিলাম দুদিন। আরো থাকার খুবই ইচ্ছে ছিলো কিন্তু নিরন্তর ব্যস্ততা দিলো না আমায় অবসর। “ফার ফ্রম দি ম্যাডিং ক্রাউড” এ ধরতে গেলে প্রায় রিমোট অঞ্চলে যেয়ে আমার মন প্রশান্তিতে ভরে ছিলো। গাড়ি নাই, কারেন্ট আসে মাত্র দু এক ঘন্টার জন্যে, গরম পানি নাই, মোবাইলের নেট ওয়ার্ক নাই, ল্যাপটপ নাই, ফেসবুক নাই, ব্লগ নাই আহা কি শান্তি কতোদিন পর। এই মুগ্ধতার রেশ বহুদিন আমার মনে ছিলো আরো বহুদিন থাকবে আমি জানি। আমি স্বভাবগত ভাবেই ক্ষ্যাত টাইপের মানুষ, বহুদিন বিদেশে থেকেও ক্ষ্যাতত্ব ঘুচে নাই। কয়লা ধুলে যা হয় আর কি। আমার কেনো যেনো ওয়েল এ্যরেঞ্জড ভ্যাকেশেনের থেকে এসব খাওয়ার ঠিক নাই, শোওয়ার ঠিক নাই টাইপ ভ্যাকেশন খুব ভালো লাগে। নীল দিগন্ত নামে এক রিসোর্টে গেছি রিসোর্ট দেখতে, পাশে লেকমতো কেটেছে তারা তাতে দেখি সাপ দৌড়াদোড়ি করে খেলছে, পানির ওপর থেকে দেখে প্রশান্তিতে মনটা ভ
