ইউজার লগইন
ব্লগ
শিক্ষাব্যবস্থার জোয়াল টানছে কারা?
অদ্যাবধি পিতৃত্বের সবচেয়ে বড় চাপটা অনুভব করেছি গত ২ মাস যাবত, ছেলেকে স্কুলে দেওয়ার আগে এতটা চাপ অনুভব করিনি কখনও। ছোটোদের ক্লাসে এত বাহারী ধরণের বিষয়াদি আলোচিত হবে এমনটাও ধারণা করি নি, এবং এই চাপ কিংবা তথাকথিত শিক্ষাপদ্ধতিগত যন্ত্রনা এবং আমার নিজের মুঢ়তা কিংবা অদক্ষতায় আমার ব্যক্তিগত আচরণ ততটা পিতৃসুলভ ছিলো না। আমি গত ২ মাসে বেশ কয়েকবার নিজের ভাবনার নিয়ন্ত্রন হারিয়েছি, ছেলের সাথে বিশ্রী রকমের চিৎকার করেছি, কখনও কঠোর হতে হয়েছে, স্কুলের হোমওয়ার্ক, ক্লাশওয়ার্ক নিয়মিত জমা দেওয়া এবং না দেওয়ার এই ক্রমাগত "টাগ অফ ওয়ার" আমার ভেতরের সবচেয়ে নির্দয় অংশটিকে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। অবশেষে বেশ জঘন্য একটা পরিস্থিতিতে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম "এইসব পদ্ধতিগত যন্ত্রনা" আমি বিন্দুমাত্র আমলে আনবো না, আমি অন্তত শিক্ষা বিষয়ে মাথা ঘামাবো না। হোম ওয়ার্ক, ক্লাশ ওয়ার্ক, স্কুলের গ্রেড কিংবা অন্যসব জটিলতা নিয়
আমাদের গাজীপুর
বাংলা দেশে ৬৪ জেলা আছে । তার মধ্যে গাজীপুর একটি জেলা । গাজীপুর হাতে পারে বাংলা দেশের একটি অন্যতম পর্যটন জায়গা। গাজীপুরে আছে প্রাকৃতিক নানা সুন্দর্য এবং নানা রকমের জায়গা, যা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষন করবে এবং পাশা পাশা গাজীপুরে ঐতিয্য ধারন করে রাখবে চিরকাল। গাজীপুর নাম করন করা হয়েছে ভাওয়াল রাজাদের আমল ..............................................আসিতেছে (আমাদের গাজীপুর )
হ্যালো কুট্টুস...
হ্যালো কুট্টুস
মাস পাচেক আগে ঋহানের আগমন... এটা সব্বাই জানে
এখন ঋহান ব্যাঙ্গের মত লাফানো শিখছে... এটাও অনেকেই জানে
তাহলে কি বলবো নতুন করে? আসলে বলার কিছু নেই... আবার বলার শেষ ও নেই। এই ধরেন অফিস থেকে ফিরে বাসায় অথবা আব্বুটা তার নানা বাড়ি... আব্বুটার পেছনে গিয়ে চুপি চুপি যদি বলি কুটুস পুটুস... চারিদিকে খোজা শুরু করে শব্দের উৎস। আর খুজে পেলেই তার ভুবন জুড়ানো হাসি। তাছাড়া অন্য কোন ভাবেই তার এটেনশন পাওয়া মুশকিল।
আবার বিছানায় ফেলে ব্যাপক ডলাডলি... ব্যাপক কথাকথি। বোঝায় যাচ্ছে টকেটিভ হবে
... তবে ভাষন না দিলেই হয় । একটা বিষয় বোধগম্য নয়... ঋহন জয়ীতার কোলে গেলেই ঘুমায় যায় ক্যান? 
না বদলানোর শপথ!
কাল বুয়েট যাচ্ছিলাম। নীলক্ষেত থেকে বুয়েট হেঁটেই যাই। কারণ অযথা বেশি টাকা দিবো ক্যান?! প্লাস হাঁটতে সেই রকম ভালো লাগে আমার!
(নিজের ব্যাপারে বলি বাপ্পি দুনিয়ায় একটা কাজই ভালো পারে, সেটা হচ্ছে হাঁটাহাঁটি!)
যাবার পথের রাস্তাটায় ভাত বিক্রি করে কিছু মহিলা। রিকশাওয়ালা/ভ্যানওয়ালারা সেখানে খায়। খিচুড়িও থাকে দেখেছি। একদিন অন্তত খেয়ে দেখার ইচ্ছে আছে! (বাঙালির একদিনের পান্তার মত!) তো কাল যাবার সময় দেখলাম কয়েকজন মিলে একসাথে ভাত খাচ্ছে।
খুব সাধারণ ঘটনা, কিন্তু আমার চোখ আটকে গেলো তাঁদের মুখ দেখে। কী অদ্ভুদ একটা শান্তির ছোঁয়া, মুখে কী অদ্ভুদ সুখানুভূতির আঁচড়!
আমি থমকে দাঁড়ালাম! কেএফসি/নান্দো'স/হ্যালভেশিয়ায়...নানান পার্টি/গেটটুগেদার এ আমার যে সব ছবি আছে। সে সব ছবিতে কি কখনো এই রকম সুখানুভূতি খুঁজে পাওয়া যাবে?
নিজের কাছে নিজেই লজ্জা পেয়ে গেলাম।
কার্পেট ব্যাপারীর জাহাজের খবর
আদিম যুগে যখন মানুষ বাড়িঘর তৈরি করতো তখন আমাদের পিতা আমাদের জন্য ঢাকা শহরের কোন এক কোনায় একটা মাথা গুজবার ঠাঁই তৈরি করেছিলেন। এখন মর্ডান যুগ, চারদিকে হাল ফ্যাশনের ফ্ল্যাট আর আমাদের বাড়িঘর নিতান্তই পুরানো। আমরা বুকে দীর্ঘশ্বাস চেপে একষ্ট ভাইবোনেরা মেনে নিয়েছি, সবার ভাগ্যে সব থাকে না। কিন্তু আমার মা জননী এই কষ্ট সহ্য করতে পারেন না। ওনার বান্ধবীদের নতুন চকচকা ঝকঝকা ফ্ল্যাট, কিচেন ক্যাবিনেট, টাইলস, স্লাইডিং ডোর আরো কতোকি। আর আমাদের প্রায় ছাল ওঠা মেঝে, ঘুনে ধরা দরজা। জননীর দীর্ঘ শ্বাসে প্রকম্পিত হয়ে আমি বললাম, ঠিকাছে টাইলস করাতো আপাততঃ সম্ভব নয়, তোমার ঘরটাকে পুরো কার্পেট করে নাও, তাহলে মেঝে দেখতে হবে না, তোমার বান্ধবীদের কাছেও প্রেষ্টিজ ঠিক থাকবে।
রোদকণা
বিশাল সমুদ্র আহ্বান করে না
লাল পাহাড় ডাকে না
শান্ত নদী স্মরণ করে মাঝরাতে
দূর কাশবনে শুধু মগ্ন নির্জনতা ডাকে।
অনুভূতিহীন দিন কেটে যায় বিরহ-সন্ন্যাসে
শীতল কুয়াশার চাদর সরে
রোদকণা জমে থাকে রূপালী বিভ্রমে।
প্রতারণা করে মেঘ পরাজিত চাতকের সাথে
তবুও বর্ষণ হলে চাতকের জলতৃষ্ণা হয়।
অপেক্ষার সময় প্রসারিত হয়ে
জমে থাকা কথানুড়ি
নিঃশব্দে গড়িয়ে যায় ঝর্ণার ধারে।
স্বপ্নগুলো উড়ে যায় গভীর অরণ্যে।
মা জয়িতা, হারিকেনটা নিয়ে আয় তো।
সালাম সাহেবের বয়স অনেক হল। এখন পুরাপুরি বৃদ্ব কালে আছেন। স্ত্রী তামান্নাও বুড়ি হয়ে গেছেন। একমাত্র ছেলেটাকে অনেক পড়া শুনা শিখিয়েছেন, বিরাট বড় চাকুরী করে আমেরিকায়। মাইক্রোহিট নামের একটা ওয়ার্ল্ড রিকগনাইসড কোম্পানীর অপারেশন ডাইরেক্টর। সারা বছর নানা দেশে ঘুরে বেড়ায়। ছেলেটা নিজের ইচ্ছায় ম্যচাচুসেটস এর এক বনেদী পরিবারে বিবাহ করেছে। বিদেশী ছেলের বউটা অনেক ভাল। বিবাহের পর অনেকবার এসে গেছে।
একটা সুখবর : দাদাভাইয়ের, আমাদেরও

সব আড্ডায়ই একজন থাকে যাকে ছাড়া আড্ডা জমেনা। যিনি আড্ডার প্রধান আকর্ষণ। মানে প্রাণ ভোমরা। যিনি আড্ডাকে মাতিয়ে রাখেন, নিস্তেজ ম্যান্দামারা সময়কে আনন্দের ফুল্লধারা বানান। সেইরকম একজন আমাদের মেসবাহ য়াযাদ ওরফে দাদাভাই ওরফে বিনয় কাকু। উনার মত মাইডিয়ার লোক ইহ তল্লাটে খোঁজ দ্যা সার্চ দিলে খুবই কমই পাওয়া যাবে। দাদাভাইয়ের সাথে যারা পরিচিত হয়েছেন তারা এই বিষয়ে দ্বিমত করবেননা এইটা নিশ্চিত।
পিকনিক নিয়া দুইটা শিক্ষামূলক ঘটনা
পিকনিকে তো যাইতাছেন? বউ নিয়া যাবেন? তাহলে আসেন একটা গল্প কই।
একবার এক কামেল লুক বউ আর ছেলে নিয়া গেল পিকনিকে। এই লুকের মূল কাজ বউয়ের পিছন পিছন ঘুর ঘুর করা। নিজের বউয়ের পিছন যে ঘুর ঘুর করতে পারে সে যে কামেল লুক এই নিয়া আর সন্দেহ নাই।
পিকনিক নেতা দাদাভাই সকাল থেইকাই খালি রান্দে, আর রান্দে। কিন্তু রান্দোন আর শেষ হয় না। সকাল যায়, দুপুর গড়ায়, বিকালও যায় যায়। কিন্দু রান্দা চলতাছেই।
পরে দাদাভাই বুদ্ধি কইরা ভাপা পিডাওয়ালারে বসাইয়া দিল। শীতের বিকালে পিডা বানায়, আর সাথে সাথে ফুরুত। লাইনে না খাড়াইলে পিডা নাই।
ঐ লুকের পোলার লাগছে জবর খিদা। সেও আইসা লাইনে খাড়াইতে চায়, কিন্তু কামেল বাপ কয়, যাও, যাও, এখনই খাবার খাইবা। পিডা খাওন লাগবো না।
কিন্তু দাদাভাইয়ের রান্দোন আর শেষ হয় না।
কামেল লুকটা গেল বউয়ের কাছে। যাইয়া শোনে পুত্র তার মায়েরে বলতাছে,
ঘড়ি
বাড়ির পাশেই স্কুল । রাস্তার সমান্তরালে পূর্ব-পশ্চিম লম্বা একটা সেমিপাকা ভবন ।ইটের দেয়ালের উপর টিনের চাল । প্রাইমারী স্কুল আর হাই স্কুল দুই-ই এই একই ভবনে । একেবারে পূর্ব দিকের পাঁচটি কক্ষ প্রাইমারী স্কুলের জন্য নির্ধারিত । সেখানে ক্লাশ ওয়ান থেকে ক্লাশ ফাইভ পর্যন্ত পড়ানো হতো । আর বাকী অংশে সিক্স থেকে নাইন পর্যন্ত । পশ্চিম দিকে উত্তর-দক্ষিণ লম্বা অন্য একটি পাকা দালান (যেটিতে ছাদ ছিল, টিনের চাল দেওয়া বেশ চওড়া বারান্দাও ছিল) । সে দালানে হেডমাস্টার, অন্যান্য শিক্ষক এবং ক্লাশ টেনের জন্য ছিল একটা করে কক্ষ । এই বিল্ডিংয়ের আরও কয়েকটি কক্ষ লাইব্রেরী ও হেডমাস্টারসহ কয়েকজন শিক্ষকের আবাসিক কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হতো । এই স্কুলে একটানা দশ বছর পড়ার পর স্কুল জীবন সমাপ্ত হয়েছিল ।
”তোমার ব্লগ এতো হিট কেন?”
আমি বলছি না চুপচাপ ব্লগ পড়ে গেলেই চলবে, আমি চাই
কেউ একজন আমার পোস্টে মন্তব্য দিক
শুধু পোস্টের হিট বাড়াবার জন্য
বার বার রিফ্রেশ করতে করতে মাউস প্যাডটা নষ্ট
আমি বলছি না কেবল মন্তব্য দিলেই হবে, আমি চাই
কেউ একটা প্লাস দিক। আমি সিঙ্গেল নিকে
কাউকে মন্তব্য করার জন্য বলছি না।
আমি জানি এই ইন্টারনেটের যুগ
ব্লগারদের মুক্তি দিয়েছে মাত্র একটি নিকে ব্লগানোর দায় থেকে
আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক, আমার কাউকে ’ট্যাগিং’ করা লাগবে কিনা
ক্যাচাল পোস্টকে উস্কে দিতে আরো একটা
রিভার্স গেম লাগবে কিনা
ছোটখাট খোঁচাখুঁচি, লাল বাটনে টিপ আমি নিজেও করে নিতে পারি
আমি বলছি না আমাকেই লগইন করতে হবে, আমি চাই
কেউ একজন কমন নিকের পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগে
লগইন করুক, কেউ আমাকে তাদের ’মালটি নিক’ -টাও দিক
আস্তিক-নাস্তিক সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক, ”তোমার ব্লগ এত হিট কেন?”
‘আমরা বন্ধু’ যেসব ক্ষেত্রে বন্ধুসুলভ নয়...
ডিসক্লেইমার: ‘আমরা বন্ধু’ অনেকক্ষেত্রেই বন্ধুসুলভ। কিন্তু নিন্দামন্দ না করলে নাকি পেটের ভাত হজম হয় না! গত দুদিনে দুটো বিয়ের দাওয়াত খেয়ে এসেছি, পেট এখনো ভুটভুট করছে। গত কদিন কারো নিন্দামন্দ করি নি বলেই হয়তো রোস্ট, কাচ্চি বিরানী বা টিকিয়া কাবাবগুলো এখনো হজম হচ্ছে না। সামনের শুক্রবারে আবার এবির পিকনিক। ইচ্ছা আছে অন্তত দুটো খাসি আর চার-পাঁচেক মুরগি সাবাড় করা, সাথে এক লিটার কোক আর যা যা থাকে, সেগুলোর একটু একটু করে চেখে দেখা। নিন্দামন্দ না করলে যদি ওগুলো হজম না হয়, তাইলে পিকনিকটা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে পারবো না। তাই এই লেখা। পরিষ্কার কথা- এর মধ্যে কোনো ভংচং নেই। 
এবি'র পিকনিক : সর্বশেষ সংবাদ
ইতোমধ্যে এবির পিকনিকের সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মাসুম ভাইয়ের যোগাড় করা স্পটেই যাচ্ছি আমরা। এজন্য তারে এবিবাসী সবাই থ্যাংকু জানাই। গাড়ী, বাবুর্চি, মেন্যু, পিঠাওয়ালা সবার সাথে সিডিউল ফাইনাল হয়েছে। তাইলে ওই কথাই রইলো। ২৪ ডিসেম্বর সকালবেলায় আমাদের যাত্রা শুরু হচ্ছে। আশা করছি, নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত সময়ে সবাই চলে আসবেন। এ পর্যন্ত যারা যারা চাঁদা নিশ্চিত করেছেন, তাদের মধ্যে আছেন :
শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, টুটুল, নাজ, হাসান রায়হান, নাজনীন খলিল- ২ জন, আসিফ, জয়িতা, জেবীন, বিমা, মাথামোটা, বাফড়া, বৃত্তবন্দী, ফারজানা, বোহেমিয়ান, মামুন ম. আজিজ, ঈশান মাহমুদ- ২ জন, ডটু রাসেল, লিপি, নাজমুল হুদা, শাহাদাত উদরাজী, ভাস্কর, আনিকা, সাঈদ, সোহেল কাজী, নাহীদ, ফিরোজ কবীর, মৌসুম, তাজীন, গৌতম- ২ জন, মুক্ত বয়ান, বিলাই শাওন, ছায়ার আলো- ২ জন, আলী আরাফাত শান্ত, মিতু ভাবী- ৫ জন এবং মেসবাহ য়াযাদ। সব মিলিয়ে: ৪৪ জন।
গণহত্যা-অ্যানথনি ম্যাসকারেনহাস (প্রাককথন)
প্রিয় ব্লগার আদিল মাহমুদ অনেক শ্রম স্বীকার করে অ্যানথনি ম্যাসকারেনহাস এর ১৯৭১ নিয়ে প্রামান্য লেখা 'গণহত্যা' বইটি স্ক্যান করে ব্লগে দিয়েছিলেন। সেটা ডাউনলোড করে পড়েছি, পড়ার পর থেকেই পুরো বইটি পুনরায় টাইপ করে ধারাবাহিকভাবে ব্লগে দেওয়ার একটা ইচ্ছা মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো। পুরো বইটি ধারাবাহিকভাবে ব্লগে প্রকাশের পর এটিকে একটি ই-বুক হিসাবে প্রকাশের ইচ্ছে আছে। অন্যান্য কমিউনিটি ব্লগেও লেখাটি দেওয়া হবে।
লেখকের কথা
১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। বাংলাদেশের রক্তস্নাত বিজয় দিবস। আমি তখন ঢাকায়। নেতৃবর্গের সঙ্গে নানান আলাপ আলচনার সময় কথা উঠে আসে আমার ওইতিহাসিক ১৩ই জুন, ১৯৭১ এর রিপোর্ট খানা নিয়ে; যা লন্ডনের The SUNDAY TIMES পত্রিকায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। অনেকেই চেয়েছিলেন এই রিপোর্টটি ক্ষুদ্র পুস্তিকার আকারে বের হউক।
থিউরি অব ডিজিটাল কান্ট্রি
আবির তার মানি ব্যাগ থেকে একটি সবুজ রঙের কার্ড বের করে কার্ড রিডার মেশিনে প্রবেশ করানোর সাথে সাথেই তার বায়োডাটা বেরিয়ে আসল। নিজের ছবি, নাম, ঠিকানা, পিতা/মাতার ছবিসহ নাম ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ, জন্মস্থান, জন্মতারিখসহ প্রয়োজনীয় যাবতীয় ইনফরমেশন। আবিরের বয়স ২১ বছর। সে ড্যালিয়েন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজী বিভাগের স্নাতক শ্রেণীর শেষ বর্ষের ছাত্র। ছাত্র বলেই তার কার্ডটি সবুজ। যারা স্কুলে এখনো ভর্তি হয়নি তাদের কার্ডটি কালো। আর যারা ছাত্রজীবন শেষ করে কর্মজীবনে পা রেখেছেন তাদের কার্ডটি নীল রঙের। নীল রঙের কার্ডটি আবার দু’ধরনের একটি ব্যবসায়ী অপরটি চাকুরীজীবি। কালার এক হলেও ক্যাটাগরি ভিন্ন হওয়াতে সহজেই ডিফারেন্স বুঝা যায়। চাকুরীজীবন শেষ করার পর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী পান হোয়াইট কার্ড। আর যারা স্টুডেন্ট লাইফ শেষ করে এখনো চাকুরী বা ব্যবসায