অ্যওয়ার্ড গিভিং সেরিমনি ২০১০
একটা পুরানো পেচ্ছাপেছির গল্প বলি, মেসবাহ ভাই একবার রায়হান ভাইকে হালকা চাপ দেয়ার উদ্দেশ্যে বললো
অতীব শ্রদ্ধেয় রায়হান ভাই খালী নিজেরে বুইড়া মনে করে...
ভাই এর জবাবে যে কমেন্ট করলো সেটা ছিলো অদ্ভুত। কমেন্টে একাধিক লাইক দিয়ে কে কয়টা দিলো সেটা দেখানোর ব্যবস্থা নাই। আমি সেই কমেন্টটায় অসংখ্য লাইক দিতে চাই। আর পেচ্ছাপেছিটাতো ছিলো অতি অদ্ভুত।
সকলের অবগতির জন্য বলে রাখি, দুলাভাই (শুধু আমার না সোহেল কাজীরও দুলাভাই) মানে মেসবাহ য়াযাদ এখনও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকলেও বয়েস কিন্তু কম না উনার। প্রোফাইলের ছবি দেখে কেউ বিভ্রান্ত হইবেন্না, উহা ভাগিনা আই মিন তাহার ছেলের ফটুক।
সম্প্রতি এবির পিকনিকের চমৎকার ছবিগুলো দেখে আমার মনে হয়েছে, সাঈদ ভাইএর জীবনের দারুণ একটা সময় চলছে। তার দ্রুত বিয়ে করে বউ নিয়ে এনজয় শুরু করে দেয়া উচিত।
বিয়ে সম্পর্কে ইদানীং আমার মনে যে ধারণাটা নতুন উঁকি দিয়েছে সেটা হলো, বিবাহিত জীবনের প্যরামিটার হচ্ছে দায়িত্ববোধ। যারটা যত বেশি সে তত সুখী। আরেকটা পেচ্ছাপেছির গল্প বলি,
নুশেরা'পু একবার একটা স্পঞ্জ এন্ড জেলী পোস্ট দিয়েছে, যথারীতি মাসুম ভাই সেটায় প্রথম কমেন্ট করতে বসলেন। কিন্তু কমেন্ট টাইপ করে পোস্ট করে দেখলেন, নীড়দা তার আগেই একটা কমেন্ট করে ফেলেছেন। এরপরে কি হইলো সেটা আর বলবো না। তাইলে মাইর একটাও আমার পিঠ থেকে মাটিতে পড়বে না।
টুটুল ভাই একবার ছোটভাইকে (শাতিল ভাই) পাত্রীস্থ করার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম যেতে চেয়েছিলেন। চট্টগ্রামে বিয়েতে বড় বড় আলুর টুকরা দিয়ে ঝাল ঝাল গরুর মাংসা রান্না হয়। গরম গরম পোলাও আর ঝাল ঝাল মাংস, ভাবতেই জিভে জল এসে যায়। অনেকদিন খাই না।
যে কথা বলছিলাম, টুটুল ভাইএর সেই পোস্টে সাঈদ ভাই ঘোষণা দিলো হাঁসের বাচ্চার নাকি সাঁতার কাটা শেখা লাগে না। লোকটারে এইজন্য ভালো লাগে। এই লোক যদি বিয়া নাও করে ক্ষতি নাই। তবে তার যে বিয়ার সময় হইসে এবং সেইটা চেহারা দেখে বুঝা যায়, এ কথা হান্ড্রেড পর্সেন্ট সত্য।
আজ বছরের শেষদিন। শেষদিনের পোস্ট এটা মাথায় নিয়েই লিখতে বসেছি। একটা বিষয় হচ্ছে কি, এবি'র প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার কোনো শেষ নেই। আমার নিজের ভাষায় লেখা-লেখি করার এরকম একটা অনলাইন প্ল্যটফর্ম এখনো আছে, আমি এখানে আসার আগে জানতাম না।
সত্যযুগে সামহোয়ারইনে এমন পরিবেশ ছিলো। সে সব পোস্ট এখন ডিলিট হয়ে গেছে। আমার বড়-সড় একটা দুঃখের কারণ হচ্ছে, আমি সে সময় নিয়মিত ব্লগিং করতাম না। আর এখন যে সামু একটা উদ্দেশ্যহীন ব্লগে পরিণত হয়েছে, ঠিক তা নয়। সেই ব্লগটা এখন ব্যস্ত শহরের ঘিঞ্জি কোলাহলপূর্ণ নাগরিক জীবনের মতো হয়ে উঠেছে। মানুষ এই ব্যস্ত-ঘিঞ্জি-জঞ্জালপূর্ণ পরিবেশ থেকে একটু মুক্তির আশায় অনলাইনে খুটুর-খাটুর করে। সেখানেও যদি একই অবস্থা হয়, তাহলে আর যাওয়ার জায়গা বাকী থাকলো কি?
এখন নতুন কোন ব্যক্তি যদি ব্লগিংএর জন্য সামু'তে রেজিস্ট্রেশন করে, আমি নিশ্চিত তার কাছে ব্লগিংএর অভিজ্ঞতাটা পুরোপুরি ভিন্নরকম হবে। সে ব্লগিং সম্পর্কে ভিন্ন একটা ধারণা পাবে। যেটা আসলে বাংলা ব্লগিংএর আনন্দময় পূর্ণচিত্রটি থেকে ভিন্ন। সেই আনন্দময় পরিবেশটা কিন্তু এখনো এবি'তে আছে।
বলছিলাম সামুর কথা। এ বছর ব্লগজগতে যে কয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তর্ক হয়েছে তার মধ্যে রূপগঞ্জে জমি অধিগ্রহণ বিষয়ক উত্তেজনা ছাড়া বাকী সবক'টিকে অর্থহীন মনে হয়েছে আমার কাছে। অফলপ্রসূ।
অন্য একটা ব্লগের লিংক এখানে তুলে দেয়ার উদ্দেশ্য মূলত এ বিষয়ে আমার বক্তব্য এবং প্রিয় পোস্টটিকে তুলে ধরা। এজন্য ব্লগারের প্রতি কৃতজ্ঞতা এখানেই জানিয়ে রাখছি। এবং সেই সঙ্গে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি পোস্টে উল্লেখিত অন্য সবার নামের জন্যও।
একটা বিতর্ক দেখে শেষ পর্যন্ত হা হা প গে অবস্থা হয়েছে। সেটা হচ্ছে নেভারেস্ট বিতর্ক। এই বিতর্ক বিষয়ক যাবতীয় লিংক পাওয়া যাবে এই পোস্টটায়।
শেষ পর্যন্ত আরিফ জেবতিক ভাই সচলে কিছু ছবি প্রকাশ করে বিতর্কের ইতি টেনেছিলেন। এইটা ব্যপক বিনোদনের যোগান দিয়েছে বছরের একটা লম্বা সময়জুড়ে। তবে জ্বিনের বাদশা যে একজন শক্তিশালী ব্লগার সেটার প্রমাণ আছে হিমুর সচলের পোস্টগুলোয়। ভালো লেগেছে ফিউশন ফাইভের পোড়ামাটির অনুসন্ধানগুলোও। সব মিলিয়ে এটা ছিলো এবারের সবচে' হিট ব্লগ সোপ।
আর কিছু কিছু বাজে নাটক হয়েছে খালেদা জিয়ার বাড়ি, প্রভার ভিডিওচিত্র -এসব নিয়ে। তবে সামু'তে ফাও বিনোদনের অভাব কোনকালেই ছিলো না, এখনও নাই। ২০০৯ এর জুন মাসে এই ব্লগার একটা লেখা পোস্ট করেন। তার জীবনের প্রথম লেখা। এরপরে শুরু হয়ে গেল হুলস্থুল। পোস্টটায় ঢুকলে মজা মিস্ নাই।
যাই হোক, প্রচুর লিংকিং হয়েছে, ইতোমধ্যে কেউ কেউ হয়তো আমাকে তেড়ে আসতে উদ্যত হওয়ার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছেন, কেন এসব আবোল-তাবোল বকা শুরু করেছি ভেবে; তবে সত্যি করে বলছি, আমার কিন্তু আসলেই একটা পোস্ট লেখার ইচ্ছা আছে।
এবি'র দুইজন দারুণ ব্লগার হচ্ছেন জয়িতা'পু আর রাসেল ভাই। এ দুইজনের সঙ্গে আমার কখনো দেখা হয় নি, দুইজনকে অসম্ভব ভালো পাই। দুইটা দারুণ নাম পাশাপাশি লিখেছি বলেও ভালো লাগছে। এরা দু'জন লেখা দেন কম, কমেন্ট করেন বেশি। আমার কথা হচ্ছে, দুইটা কাজই কি বেশি বেশি করা যায় না? এ কথা বলছি কারণ, আপনাদের দুইটাই তো চমৎকার হয়।
আর একজন আছেন; যার লেখা, কমেন্ট -সবকিছুই দুর্দান্ত হয়। সম্ভবত সে কারণে তিনি দুইটা কাজই খুব কম কম করেন। তিনি হচ্ছেন জেবীন আপু। কীবোর্ডবাজি করেন কম, কিন্তু যতটুকু করেন একদম সলিড। চাইলে তার ফ্যানক্লাব থেকে ঠিকানা নিয়ে যে কেউ মহামতির লেখা আর কমেন্টের চমৎকারিত্ব পরখ করে আসতে পারেন।
ব্লগের দুইজন মানুষের প্রত্যাবর্তন মনে মনে খুব আশা করি। একজন হচ্ছেন মিস লস্ট হার্ট ২০১০ কাঁকন, আরেকজন মিস্টার লস্ট হার্ট ২০১০ নজরুল ভাই। এ দু'জনের লেখা এককথায় দারুণ এবং আমরা দুর্ভাগ্যবশত তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি, বন্ধু হওয়া স্বত্তেও। কথায় কথায় দুইটা উপাধি যখন দিয়েই দিলাম তখন আরো কিছু দেই। বছরের অনেকটা সময় ধরে ব্লগের বন্ধুদের দেখছি। একটা মূল্যায়ন দাঁড় করানো জরুরি।
তার আগে শিরোনামে যে অ্যওয়ার্ড গিভিং সেরিমনির কথা বলা হয়েছে সেই আনুষ্ঠানিকতাটি সেরে নিই। এই বছরের কিছু সেরা পোস্ট দেখে নেয়া যাক। এগুলো ছাড়াও আরো অনেক পোস্টই দিন-মাস-সপ্তাহজুড়ে মানুষের মনে জায়গা ধরে রেখেছিলো। ক্ষুদ্র আমার ততোধিক ক্ষুদ্র এই পোস্টের সীমিত পরিসরে সবগুলোকে উঠিয়ে আনা সম্ভবও না। তাই বছরজুড়ে ব্লগিংএর যে মচ্ছব এখানে বসেছিলো তার কিছু অংশমাত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
আমি একটুও কাঁদতে পারিনি -নুরুজ্জামান মানিক
জামায়াত-শিবিরের প্রতিষ্ঠান: আসুন চিনে রাখি ও বয়কট করি-শওকত মাসুম
বউরঙ্গ (পোলাপাইনের জন্য না)-শওকত মাসুম
কেনো ছেলেদের সাথে পরামর্শ করা যায় না ???? -তানবীরা
রোমান্টিক কায়-কারবার, রোমান্টিকতা ও লর্ড বায়রন -বাফড়া
গুলনাহার-সাহাবউদ্দিন নামা -সাহাদাত উদরাজী
ছোটগল্প : ঠোঁটবাঁকা লুৎফরের জীবনচরিত -আবদুর রাজ্জাক শিপন
আষাঢ় মাসে আসেন আষাঢ়ে গপ্পো করি। (আপডেটেড) -সাঈদ
বন্ধু তোমায় না পাঠানো এই চিঠি -রোবট
সম্রাটের মৃত্যু, গাড়ি ভাংচুর এবং সুশীলদের প্রতিক্রিয়ার জবাবে দু'পয়সা -নজরুল ইসলাম
আমার আধুনিক ভাষা শিক্ষা -শাপলা
আবার আসিব ফিরে- চাচাকাহিনী -বাফড়া
ঘোর শ্রাবণে পৌষ মাস, আয়লা-এষার ছয় মাস-মামুন হক
আমার মেয়েরা, আমার মায়েরা-৩ -মামুন হক
বাঙালির গরব : বাঙালিই থামিয়ে দিয়েছিল বিশ্বজয়ী আলেক্সান্ডারকে -হাসান রায়হান
পুরানো কাসুন্দি (উৎসর্গঃ ব্রা-জিল সাপোর্টার ভাই বেরাদারগো...) -মেসবাহ য়াযাদ
টুটুল -নাজ পরিবারে নতুন অতিথী -নুরুজ্জামান মানিক
একটা ভদ্রলোকের গল্প বলি (উৎস্বর্গ-নজরুল ইসলাম পলান)-শওকত মাসুম
ঈশ্বরের অনুশোচনা -- শেষ পর্ব (বৈজ্ঞানিক কল্প গল্প) -কাঁকন
উদ্দেশ্যহীন, শান্তিময় জীবন... -মেসবাহ য়াযাদ
ব্লগারের বই, অটোগ্রাফ এবং ... -নুশেরা
১৪২ জনের বঙ্গোপসাগরে ১৯ ঘন্টা হারিয়ে যাওয়ার গপ্পো- ১ -মেসবাহ য়াযাদ
একজন দীপা এবং ভুলে যাওয়া একটা প্রেম -নীড় সন্ধানী
২০১০ এর প্রথম পোস্টটিই ছিলো মারাত্মক একটা পোস্ট। পড়ে আমার হাসতে হাসতে চোখে পানি এসে গিয়েছিলো।
পোস্ট ছাগলের হাল চাষ - ১ -কাওছার আহমেদ
সেরা পোস্টের তালিকায় গত বছরের এই পোস্টটিকেও অন্তর্ভূক্ত করতে হচ্ছে। কেননা এটা না থাকলে পরের পোস্টগুলোই আসতো না।
এবির প্রথম পোস্ট - নতুন ব্লগে লিখতে ভালই লাগতেছে - টুটুল
যাক, সেরা পোস্টের ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে আসলে মাথার চুল পড়ে টাক হয়ে যাবে, তবু খোঁজ শেষ হবে না। এখন দেখে নেয়া যাক এ বছরের উপাধিগুলো। উল্লেখ থাকে যে, ইহা অত্যন্ত সিরিয়াস বিষয়। তাই ডিসক্লেইমার ভুলিয়া গেলে কোনমতেই চলিবে না। এইফাঁকে ডিসক্লেইমারখানা জানিয়ে দিই, ফান পোস্ট। সাধু সাবধান।
মিস আমরা বন্ধু ২০১০: নুশেরা আপু
মিস্টার আমরা বন্ধু ২০১০: মাসুম ভাই
মিস্টার ডিপেন্ডেবল: মেসবাহ য়াযাদ
মিস্টার আনপ্রেডিক্টেবল: হাসান রায়হান (ভাই যে কখন কারে দৌড়ের উপর রাখেন ঠিক নাই, মাঝে মাঝে নিজেও দৌড়ের উপর থাকেন।)
মিস ইন্টারন্যাশনাল: তানবীরা আপু
মিস্টার ইন্টারন্যাশনাল: জ্বিনের বাদশা
মিস্টার অর্গানাইজার: জ্বিনের বাদশা (দুইটা ক্যটাগরীতে বিজয়ী)
মিস্টার স্টোরী টেলার: শাওন ভাই (আমি তার কাছে নস্যিরও নস্যি)
মিস্টার নিউ কামার: নাজমুল ভাই (ভদ্রলোকের উদ্যম সত্যি প্রশংসনীয়, আরীবের প্রতি আদর জানাই।)
মিস্টার ড্যাডী অভ দ্য ইয়ার: টুটুল ভাই (ঋহান পিচ্চুটাকে প্রচুর আদর, ওকে জন্মের পর থেকে দেখছি, কেমন টুক টুক করে বড় হয়ে যাচ্ছে। আর কী ভীষণ আদুরে যে হয়েছে! মাশাল্লাহ।)
মিস ওয়েলকাম ব্যক ফেলো: লীনা আপু (বিশ্বকাপের পর তিনি সব পোস্ট ডিলিট করে এবি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। কেন গিয়েছিলেন জানি না, তবে এটা ঠিক যে সে সময় অনেকেরই খুব খারাপ লেগেছিলো। প্রিয় লীনা আপু আবার রি-এন্ট্রি করেছেন এবং সমানে তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ।)
মিস অলরাউন্ডার: তানবীরা'প্পু (সব ধরনের লেখা-লেখিতে পটু। যেমন জমাট ধারাবাহিক লিখতে জানেন, তেমনি মুক্তগদ্যের উড়ুক্কু কার্পেটে ভাসিয়ে উড়িয়েও নিয়ে আসতে পারেন পাঠককুলকে। ছবি তোলেন দারুণ। অন্তর্জালে বিচরণও সদর্প। এবং তার মাথায় সবসময় ঘুরতে থাকে নানা রকম লেখা-লেখির আইডিয়া। অলরাউন্ডার ব্লগারদের মধ্যে রাংকিং হলে ভদ্রমহিলা একদম উপরের দিকে থাকবেন।)
মিস বেস্ট ফার্স্ট পোস্ট: আইরিন সুলতানা (নির্মলেন্দু গুণ কি তাকে এখনো তাড়া করে নি? আমার জানতে ইচ্ছে করে।)
মিস্টার বেস্ট ফার্স্ট পোস্ট: সিমু নাসের (দি মোটরসাইকেল ডায়েরিজ)
মিস বার্ড অভ দ্য ইয়ার: যুগ্মভাবে দুইজন। বছরের প্রথম পর্ব মাতিয়েছিলেন একলব্যের পুনর্জন্ম, দ্বিতীয় পর্ব রুমিয়া। এ দু'জন কবির জনপ্রিয়তাও ঈর্ষণীয়।
মিস্টার বেস্ট ওয়ার্ডমেকার: সাহাদাত উদরাজী (পেচ্ছাপেছি, এবি'র কিছু রসিক ব্লগার মিলে এ শব্দটিকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন প্রায়। এই পোস্টে শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিলো। শব্দটির জন্য এ্যপ্রোপ্রিয়েট বানান কি হবে, সেটা ঠিক করে ফেললে কেমন হয়?)
মিস্টার ম্যাচমেকার: সাহাদাত উদরাজী (বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী। মেয়েদের মধ্যে একজন ছিলেন নুশেরা'পু। কিন্তু তিনি বিজয়ী হতে পারেন নি, কারণ আমাদের মুকুল ভাই এখনো অবিবাহিত)
মিস্টার রাইটার: নীড় সন্ধানী (তার টাইগার পাস সিরিজ, কুয়াশা, মেঘ, পাহাড় ছুঁয়ে আসার ধোঁয়াশা গল্প পড়লে মাথা খালি চক্কর দেয়। কতখানি প্রতিভাবান হলে একটা মানুষ এত সুন্দর লিখতে পারে? অন্যান্য ব্লগে তার আরো অনেক চমৎকার লেখা আছে।)
মিস্টার ফটোগ্রাফার: অবধারিতভাবেই রায়হান ভাই (নোমিনেশনে ছিলো বকলম ভাই আর সাঈদ ভাই'র নাম। তবে এবি'তে এগিয়ে আছেন ভাই-ই। তার 'আরিয়েন আকেলিনকে নিয়ে সোনার গাওয়ে এক দুপুর' -এর তিন নম্বর ছবিটা অতি অদ্ভুত। উওমেন ফটোগ্রাফি নিয়ে ভাইএর আরো কিছু কাজ আছে বিভিন্ন পোস্টে-অ্যালবামে।)
মিস্টার ট্রান্সলেটর: যুগ্মভাবে ভাস্করদা' ও অদিতি আপু (মিলান কুন্ডেরা ও কোলিয়া সিনৎসিন-এর জন্য)। এই ক্যাটাগরীতে জোর লড়াই করেছে রায়হান ভাইএর সোয়াচ অভ নো গ্রাউন্ডের অনুবাদটি। ক্যটাগরীটা আসলে হার্ড ছিলো। এমনকি অরিত্রদা'রও দারুণ কিছু অনুবাদের কাজ রয়েছে। লেখাগুলোর মধ্যে ভালো ফাইট হয়েছে।
মিস্টার কমেন্টার: বাতিঘর (বেশ কিছুদিন হলো দেখি না। কয়েকদিন পর পর এসে এমন চিল্লাচিল্লি লাগায় দেয় যে অদ্ভুত ভালো লাগে। মনে হয়, পৃথিবীতে এখনো এমন মানুষ আছে?)
মিস্টার সেলিব্রেটি: মেসবাহ ভাই। এক পাংখার জোরেই তিনি সেলিব্রেটি, এছাড়া তার নিজের গুণাবলী তো লিখে শেষ করা সম্ভব না। সর্বশেষ এবি'বাসীর দিল জিতেছেন একটা সফল পিকনিকের আয়োজন করে।
মিস্টার মুভি ম্যন: এইটাও অবধারিতভাবে নির্ধারিত। মাসুম ভাই। তার 'আমার দেখা সেরা ১০ ছবি, আপনার তালিকাটা শুনি তো' -রীতিমতো একটা মুভির গুদাম হয়ে গড়ে উঠেছে। এরকম গুদাম তার বিভিন্ন ব্লগে আরো আছে।
মিস গার্ল অভ ২০১০: জয়িতা আপু।
মিস্টার বয় অভ ২০১০: রাসেল ভাই।
মিস্টার আবজাব: মীর। (সবাইকে যেহেতু উপাধি দিলাম, সুতরাং নিজেকে রেহাই দিয়ে লাভ নাই।)
যাক দীর্ঘ পোস্টের শেষে এসে প্রত্যেকের প্রতি দ্বিতীয়বার কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আর ধৈর্য্যচ্যূতি ঘটাবো না। এবি কিংবা এবি'র পরিচিত সবাইকে যে বিশেষ মাত্রায় ভালো পাই, সেটাও এখন এখানে বলতে চাচ্ছি না। শুধু বলবো, অনাগত বছরের উপলক্ষে বরাদ্দ করলাম শুভেচ্ছা নিরন্তর, সবার জন্য।






এবি ব্লগের ষোলকলা পূর্ণ হলো এই পোষ্টের মাধ্যমে।
থ্যংকিউ আরিফ ভাই।
নুশেরাপু,তাতাপু আর লীনাদি মিস হলো কেমনে??
উনারা তো মিসেস
উদরাজী কাকারে যেমনে এওয়ার্ড দিসো তোমার গাল কিন্তু সামলিয়ে রেখো।
এর মানে কি?বালক আবার মহাশয় হয় কেমনে??

মিসেসদেরকে মিস সম্বোধনে লিখতে আমারো প্রথমে এই কথাটা মনে হয়েছিলো। কিন্তু উপাধিতে বৈবাহিক অবস্থা দিয়ে মিস-মিস্টার বিচার হয় না, তাই চিন্তাটা বাদ দিয়ে দিসি।
এই বয় কিন্তু বালক না, খুব খিয়াল্কৈরা।
তবে বালিকারা নাকি আজীবন বালিকাই রয়ে যায়। এজন্যই বোধহয় বালক বয়সের একটা ছেলের চেয়ে সমবয়সী একটা মেয়ের বুদ্ধি-পরিপক্বতা সবকিছু থাকে বেশি বেশি।
বাৎসরিক কড়চা অত্যন্ত উপাদেয় হয়েছে। এবির ব্লগিংটা স্বয়ং সম্পূর্ন হলো এর মাধ্যমে। ভেরি গুড জব।
শুধু একটা ক্রাইটেরিয়া যোগ করতে হবে, "বিনয়ের অবতার অফ দি ইয়ার + সব্যসাচী লেখক = মীর
নতুন বছরের মুচমুচে শুভেচ্ছা আপনাকে, ফ্রেশ ফ্রম দি ওভেন
প্রথম লাইনটির জন্য অসংখ্য ধইন্যাপাতা।

দ্বিতীয় লাইনে আমাকে কঠিনভাবে পচানোর জন্য কি করুম বুজতেসি না। তীব্র প্রতিবাদ জানাই
শাস্তিমূলকভাবে আপনার অলরাউন্ডার উপাধির বর্ণনাটা একটু এডিট করে দিয়ে আসলাম।
আর ওভেনের নাম শুনেই মনে হলো, শুক্রবার দিন তিনটা পর্যন্ত বিছানায় পড়ে আছি, নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে, একদুম টিক্না। এখনই গিয়ে উদরপূর্তির কাজটা সেরে আসা যাক।
আরো অনেকে এসেছে, কিন্তু তারা কেউ নয়, নাজমুল হুদা মিস্টার নিউ কামার । আমার মগজ মোটেই ক্রিয়েটিভ নয়, মীরকে কি উপাধি দেওয়া সঠিক হবে তা কিছুতেই মনে আসছেনা ।
[অঃটঃ নামের পাশে মন্তব্য পড়ে আমি অশ্রুসিক্ত]
সুন্দর একটা কাজ করেছেন । সময়াভাবে পোস্টে উল্লিখিত লিঙ্কগুলো এখন দেখা হলোনা ।
আপনাকে আমি ভাল পাই । ধন্যবাদ মীর, অনেক ধন্যবাদ
ধন্যবাদ সাদরে গৃহীত নাজমুল ভাই।
লিংকগুলোয় কিন্তু অবশ্যই সময় করে গুতো দেবেন।
ব্লগ দুনিয়া বড়ই আজব।
কতবার যে এই পোস্টটাতে ঢু মারতে হচ্ছে । একেকটা লিঙ্কে যাই আর হা হা গড়াগড়ি খাই । একবারে সবতো পড়ার সময় করতে পারি না, ধীরেসুস্থে এগুচ্ছি । এত সুন্দর একটা পোস্ট তৈরী করার মত ধৈর্য সম্ভবত মীর ছাড়া আর কারোর নেই । আজব এই ব্লগ দুনিয়ার সাথে যতই পরিচিত হচ্ছি আর জড়িয়ে পড়ছি, ততই মুগ্ধ হচ্ছি বিস্মিত হচ্ছি ।
আবারো ধন্যবাদ মীর ।
বছরের শেষ দিনে একটা পারফেক্ট পোষ্ট হইছে
ধন্যবাদ মীর ভাইকে .......
ধন্যবাদ সুমন ভাইকেও।
নাম জানলো কেমতে
চুপচাপ পড়ে গেলাম।
চুপচাপ জেনে গেলাম।
চুপচাপ দেখে গেলাম।
আচ্ছা, চুপচাপ নোট নিলাম।
ওয়েল ডান মীর।
থ্যংকিউ বস্।
বছরের শেষ দিনে দারুণ এক্টা পোষ্ট পেলাম মীরের কাছ থেকে।জোশশশশশশশশশশশশশ। ঘুরাঘুরি করে এস ব্যাপক টায়ার্ড, নাইলে একটু পেচ্ছাপেছি করতাম।
আমার তো মাসুম ভাই এর পাশাপাশি মীরকেও মিস্টার আমরা বন্ধু ২০১০ বলতে ইচ্ছে করে।
ইচ্ছে করে কোন লাভ নাই। কারণ যার যা উপাধি সেটা দেয়া হয়ে গেছে।
আর আমার জন্য পার্ফেক্ট উপাধিটা পাইসি, এইজন্যই আমি খুশি।
কেন? আমার ইচ্ছা আমিও এ্যাওয়ার্ড দিছি।এহহহহ খালি নিজেই দিবো!
আরে!
আয়োজক গুষ্ঠি কি অ্যওয়ার্ড পায় কুনোদিন?
জয়িতা'পু কি কয়?
আমি এক্টা নয়া কইরা আয়োজন করছি তো সেইটাতে আপনারে দিলাম এ্যাওয়ার্ড। আর রায়হান ভাইরে ফটুকগ্রাফারের এ্যাওয়ার্ড দেওন যাইবো না কারণ উনি আমার সব দাঁত বাইর করা ফটুক তুলছে।
লুকজনের দৌড়ানির ভয়ে বেশি কিছু বললাম। তবে ছবিগুলোতে আপনাকে সত্যি দারুণ দেখাচ্ছে।
অনেক কিছু জানলাম। শুভ নববর্ষ।
ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা গৃহীত। আমার পক্ষ থেকে আগেই শুভেচ্ছা দেয়া হয়েছে।
পোস্টটা পড়ে বেশ মজা পেলাম।
গৌতমদা'কে দেখেও খুশি হলাম।
দারুণ পোস্ট হইসে।আমারেও একটা উপাধি দেয়া হইসে দেখি।আহা বড়ই খুশী হইলাম
ধন্যবাদ। 
আপ্নারে উপাধি দিসি কিন্তু অভিনন্দন দেই নাই। এইটা ঠিক হয় নাই।
আরো আরো কবিতা চাই।
সেইরকম একখান পোষ্ট
। এক সাথে অনেক ব্লগের লিংক । আর উপাধি গুলা তো জোশ হইছে ।
ফাটাফাটি হইছে। অনেক ধ্যনবাদ মীর। আমিও জয়িতারে সমর্থন দিলাম 'মিস্টার আমরা বন্ধু' মীরের জন্য সবচেয়ে পারফেক্ট।
পোষ্টটার জন্য মীর কে ধন্যা দিলেও কম হবে।
আমরা বন্ধুর একটা দারুন ব্লগিঙ বছর গেল ২০১০। মীরের লেখা দিয়ে পূর্ণতা পেল। জয়িতার সাথে একমত জানায়ে গেলাম।
মীররে একটা সংবর্ধনা দিলে কেমন হয়???
ওরে পাইবেন কৈ ?
কিন্তু সমস্যা হইলো মীরকে শুধু ভার্চুয়ালে পাবা, সো ভার্চুয়ালী সংবর্ধনা দিতারো ।
বছর শেষের সেরা পোস্ট কষ্ট করে করছেন দেখে ভাল্লাগ্লো
আরো কিছু লেখা যোগ করি... সময়ের বরই অভাব...
তাই... সব্বাই লেখা এড করলে ক্যামন হয়?
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীতে উত্তাল সেই গণআদালত: পলাশ ভাইয়ের তোলা ছবি এবং রায়ের বিস্তারিত - নজরুল ইসলাম
বন্ধু তোমায় না পাঠানো এই চিঠি - রোবোট
সোনামুখী সুঁইয়ে রূপালী সুতো - আবদুর রাজ্জাক শিপন
আবার আসিব ফিরে- চাচাকাহিনী - বাফড়া
১১৭৭২৯ আর সেই নয়টা মাস - জেবীন
লাল মনিরহাটের প্রথম যুদ্ধ - আশফাকুর র
জীবিকা অথবা জীবন - জুলিয়ান সিদ্দিকী
মীরের পুরোটাই সেইরম লেখায় ঠাসা....
গল্প: এক হারিয়ে যাওয়া মহাপুরুষের কথা - মীর
গল্প: লা ফিমে কুই মী ফন দি ক্রায়া
আমার খুউউবি প্রিয় একটা লেখা
গল্প: সাদা বকপাখিদের ঝাঁকে যদি আপনি আর আমি থাকতাম
এই লেখাটার পর কেউ আর ভদ্রলোক হইতে চায় না
একটা ভদ্রলোকের গল্প বলি (উৎস্বর্গ-নজরুল ইসলাম পলান) - শওকত মাসুম
এই ছেলেটার লেখার লিংক আলাদা করে দিলাম না... পুরোটাই প্রিয়: শাওন৩৫০৪
চিন্তাজাগানো লেখালেখির জন্য গৌতম'এর ব্লগ পড়তে পারেন
যার পোস্ট কয়েকবার পড়তে হয় ভাস্কর'এর ব্লগ
দারুণ একটা সালতামামি হইছে।
নিজে কিছু লিখি না। এইটা ভাইবা শরম পাই। কিন্তু কিছু করার নাই। লেখার ক্ষমতা নাই।
তারপরও আমরা বন্ধু।
বাই দ্য ওয়ে, নুশেরা'পুর সাথে শুক্রবার দেখা হইছে। উনি নোয়াখালীতে আসছিলেন। অপর্ণা মামনিও ছিলো সাথে। আমরা অনেকক্ষণ আড্ডা দিছি।
খেতাব পাইয়া মির ওয়ার্ল্ড টাইপ একখান ভাষণ আর ওমাগো বলতে ইচ্ছা করতাছে।
সালতামামি দারুণ হইছে। সত্যি এবি একটা দারুণ জায়গা। আর এটাো বলি ব্লগার হিসাবে এবির বড় কৃতিত্ব মীরকে আবিস্কার করা। বাকিরা তো পুরান পাপী।
...সহমত।
ওমাগো বলেন মাসুম ভাই।
জ্যোতিষি হিসেবে বিশ্লেষক'র নাম দিতে পারতেন!!!
গুড জব মীর ।
অন্তত তিনবার এ পোস্টে ঢুকেছি মন্তব্য দেবো বলে, তিনবারই কাজের জন্য উঠে যেতে হয়েছে ।
ধন্যবাদ প্রিয় মীর চমৎকার সালতামামির জন্য ।
মিস্টার ষ্টোরী টেলার যদি শাওন হয় তো,
মিষ্টার গল্পকার অবশ্যই 'মীর' হওয়া বাঞ্চনীয় !
জোশিলা
আপনার একটা গল্প মাথায় ঘুর ঘুর করে মাঝে মাঝেই!
আপনার কলম চলুক।
যা যা বাদ গেছে-
Blogger of the year- মীর
ইয়ে মানে মিস্টার মিস বাদ্দিয়া মিস্টার-মিসেস-মাস্টার দেয়া যায় না? টুটুলদা-নাজভাবী-ঋহাণ
মুকুলের বিয়ে ইনশাল্লাহ ২০১১ সালেই হবে, সাঁঝু শাওন বাফড়া এপু এদেরও যদি হয়...
তখন... উদরাজীর কাছ থেকে পুণ্যময় অ্যাওয়ার্ডটা আমি পুনরুদ্ধার করে ফেলবো মুহাহাহাহা
আমার পোস্ট সিলেকশনে ব্যাপক গলতি। এই পোস্টের দিন এবিতে ধরাদিবস চলছিলো। কমেন্টগুলো পড়া ফরজ, পোস্টের চেয়ে কমেন্ট উত্তম
কানুগ্রুপ কুনু অ্যাওয়ার্ড পাইলো না
কয়েকটা লিংক নতুন যোগ করসি। আমি মনে মনে কিছু লিংক চাচ্ছিলাম। টুটুল ভাইএর কাছ থেকে কিছু পেয়েছি। সেজন্য তাকে ধন্যবাদ।
আর যারা আমাকে পচানোর চেষ্টা চালা্চ্ছেন তাদের সবার পেটে পিলে হবে।
নাজ আপুকে দেখে ভালো লাগলো।
মীর... লোকেন বোসের বহুল আলোচিত নিচের অভ্র নিয়ে পোস্টটা মনে হয় আপনার লিস্টে ঢুকতে পারে... বিবেচনার অনুরোধ জানাই
মোস্তফা জব্বার, যদি মনে করেন 'অভ্র' বিজয়ের পাইরেটেড, মেহদী বিজয় হ্যাক করে অভ্র বানিয়েছে, তাহলে তা প্রমাণ করুন
টুটুল ভাইকে এখনই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি না। তার কাছে আরো কিছু লিংকু চাই। জানায়া গেলাম।
আফসুস এখনো জ্যাকেট কিনতে পারলাম না।দেশে গিয়ে টুটুল ভাইয়ের জ্যাকেট ধার করা লাগবেই লাগবেই।
হা হা হা হা হা....... আগে দেশে তো আসেন, তারপর জ্যাকেট
পোষ্ট পড়ে তো নিজেরে ছেলেব ছেলেব লাগতেছে।
যাইহোক, আর একটা খেতাবের বড় অভাব অনুভব করতেছিলাম, মি. ব্যাচেলর
এইটার জন্য প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে কে হইতারে?
বাহ অনেক লিঙ্ক চলে এসেছে। লোকেনদাকে দেখি না ম্যালাদিন।
আরি! আমার জ্যাকেট কাহিনী তাইলে ফ্লপ খায় নাই

থেঙ্কু থেঙ্কু
খিকজ্। ইউ হলেন ওয়েলকু।
এওয়ার্ড গিভিং নাকি নববর্ষের খেতাব দিলেন ভাই
আয় হায় আমার বাসায় এইটা কে?
খেতাব না আপু, উপাধি।
আপনাকে প্রচুর ধইন্যাপাতা।
মন্তব্য করুন