ইউজার লগইন
ব্লগ
আরীব ও প্রকৃতি
তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয় ফেসবুকে। আমার স্ট্যাটাসে কমেন্ট করেন, লাইক করেন। একদিন কৌতূহলবশত তাঁর প্রোফাইলে ঢুঁ মারলাম। সরকারের অবসরপ্রাপ্ত পদস্থ কর্মকর্তা তিনি। শখ তাঁর শিশু পালন। প্রিয় উদ্ধৃতি-'প্রকৃতি প্রার্থনার বশ নয়। প্রকৃতি প্রার্থনার বশ হলে পৃথিবীর চেহারা বদলে যেত। পৃথিবীর জন্য প্রার্থনা তো কম করা হয়নি'।
কিন্তু তাঁর ওয়ালে কিছু মন খারাপ করা কথাবার্তা দেখে কষ্ট লাগল।
ফেসবুক ছাড়াও বিভিন্ন ব্লগ এবং প্রথম আলোতে আমার লেখা পড়ে তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।
একদিন আমার ইনবক্সে তাঁর একটি মেসেজ পেলাম এরকম-'''আপনি তো অনেক লিখেন । ১ বছর ৯ মাস বয়সের একটি জীবন্ত জড়মানবকে নিয়ে লিখতে পারেন ? যার শ্রবণযন্ত্র ছাড়া আর কিছুই স্বাভাবিক নয়, যাকে সুস্থ করে তুলবার কোনো ব্যবস্থা এখনও কেউ করতে পারলো না ! মৃত্যুই যাকে তার সকল কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে, তেমন কাউকে নিয়ে কিছু লিখতে পারেন আপনি?'
গল্প: সাদা বকপাখিদের ঝাঁকে যদি আপনি আর আমি থাকতাম
আপু কি করেন, আপনি কালকে থেকে আমার ফোন ধরছেন না কেন?
-কেন ফোন করলেই ধরতে হবে না কি? এমন কোনো বাধ্যবাধকতা আছে?
না তা নেই। আপনাকে আমি যে মেইলটা করেছি দেখেছেন?
-নাহ্। কাল থেকে নেটে বসি নি।
একটা মেইল করে সেটার আবার রিমাইন্ডার দিতে হয়। আফসুস এমনই দিন-কাল পড়েছে। কপাল সবই কপাল।
-আরে না না। আসলে কাল থেকে মনটা একটু উদাস। তাই কিছু চেক করা হয় নি।
আচ্ছা কালকে কইরেন। এখন কি করতেসেন?
-বসে বসে একটা কথা ভাবতেসি।
সেটা অবশ্য ভালো। এখন মানুষ অনেক কম ভাবে। ভাবা ভালো। ভাবনায় অনেক সমস্যা দূর হয়।
-আরে সমস্যা হবে কেন, আমি ভাবছি একটা সুখের কথা।
তারমানে বিয়ের কথা?
-ঠিক। আমার হবু-জামাইটা এখন ব্যাংককে। ও যে কবে আমাকে বিয়ে করে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসার সময় পাবে সেটাই ভাবছি।
সে আসলেই বিয়ে করে ব্যাংকক চলে যাবেন। পাতায়া বীচে বিকিনি পড়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু?
ছেঁড়া মেঘে ছেঁড়া রূপকথা... (২)

''রাজকন্যা পড়ায় ফাঁকি দিতোনা বাবা?''
''তা দেবে কি করে? ও তো ফাঁকি দেয়া শেখেই নাই, আর তারপরেও যদি ওর কখনো পড়তে ইচ্ছা না করতো ও চুপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো। আর ও একটু বেশি সময় ধরে পড়াশুনা না করলেই ডাইনীটা ওর জন্যে অনেক কঠিন সব শাস্তির ব্যবস্থা করতো। যেমন সারারাত ধরে ভয়ানক চেহারার রোবট ওকে ভয় দেখাতো, নাইলে ওকে চিরতার রস গেলানো হতো কিংবা ইলিশ মাছের কাঁটা বাছতে দেয়া হতো। ওর তাই না পড়ে উপায়ই ছিলোনা যে।
আবহমান

পত্রিকায় পড়লাম পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ বলেছেন, তিনি না পুরুষ, না নারী। তিনি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। এ কথা বলার পর ঋতুপর্ণ ঘোষ নিয়ে ফিসফাস অনেক কমে গেছে। আমি ঋতুপর্ণ ঘোষের এই অবস্থানটাকে সমর্থন করি।
বলতে দ্বিধা নেই, এই লোকটি সম্বন্ধে আমার ব্যাপক আগ্রহ। ব্যক্তি ঋতুপর্ণ ঘোষ নয়, তাঁর সিনেমা নিয়েই আমার ব্যাপক আগ্রহ। পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের বড় ধরণের ভক্ত আমি। সব চরিত্র কাল্পনিক ছবিটা দেখে আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না, এই ছবিটা নিয়ে কিভাবে লেখা যায়। খেলা, দোসর বা তিতলী খানিকটা সহজ সিনেমা। সব চরিত্র কাল্পনিক ছবিটাকে সিনেমাকাব্য বলা যায়। কালপুরুষ ছবিটা দেখে যেরকম বিভ্রান্ত লাগে, সেরকম মনে হয়েছিল সব চরিত্র কাল্পনিক দেখে।
আজকের এই লেখার বিষয় অবশ্য তার নতুন ছবিটা, আবহমান। আবারও বলি আমি মুগ্ধ।
ভালাবাসার বাংলাদেশ
গিয়াস ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসটা পছন্দ হইলো...
বুক ফাটাইয়া একটা চিক্কুর দেই... এমন হয়
এই জয় এই বিজয়
ও আমার বাংলার হৃদয় বলো, এত্ত আনন্দ রাখি কোথায়...!
আর কিছু বলার অবস্থা নেই.... আসুন কিছু ছবি দেখি।



একলা রাতের গান
ছবিটা দেখেছিলাম না হলেও বছর দশেক আগে, সনি টিভিতে। জুয়েল থিফ না রিটার্ন অফ জুয়েল থিফ এ ধরনের একটা সংশয় ছিল মনে। গানটা ইউটিউব থেকে নামাতে গিয়ে নিশ্চিত হলাম জুয়েল থিফ। ঐ সময়ের প্রচলিত গানগুলোর চেয়ে একেবারে ভিন্নরকমের সুর আর গায়কী। যদিও ক্রেডিট লাইনে সুরকার হিসাবে শচীন দেব বর্মণ এর নাম আছে তবুও ধারণা করা হয় এ গানটার সুর আসলে তাঁর সুযোগ্য সন্তান রাহুল দেব বর্মণ এর, যিনি পঞ্চমদা নামেই সমধিক পরিচিত। গীতিকার ছিলেন মজরুহ সুলতানপুরী আর গেয়েছেন আশা ভোসলে। যখন প্রথম শুনি, প্রথমেই মনে হয়েছিলো কী গান!!! আজ আবার শুনলাম, আবার মনে হল- কী গান!!! গানের মাধ্যমে সেনসুয়ালাইজেশন (বাংলাটা কি হবে?!) তৈরি করা, সহজ নয় নিশ্চয়! কোথায় যেন পড়লাম এ গানটা তার সময়ের চেয়ে বিশ বছর এগিয়ে ছিল - সুরে, অর্কেস্ট্রেশনে।
শারদীয় শুভেচ্ছা সবাইকে
বাবা পুজো দেখতে যাবো- রাজকণ্যা প্রতিবছরের মতো এবারো বায়না ধরলো। কি আর করা, গতকাল সন্ধায় বেরিয়ে পড়লাম। উদ্দেশ্য দেবীদর্শন। বাসার কাছেই সিদ্ধেশরী কালি মন্দির। প্রথম ঢু টা সেখানেই। আলো ঝলমল পুজা প্রাঙ্গন দেথে – সে কি উচ্ছাস তার। রানী – রাজকন্যা ব্যস্ত দেবী দর্শনে, আর আমি- বালিকা দর্শনে। রংগিন সাজের নানা কিসিমের মানুষ। ভালই। তবে মফস্বলর পুজোর আমেজটা এখানে নেই।
সবাই কে শারদীয় শুভেচ্ছা।
-মমিনুল ইসলাম লিটন, Cell- 01675-171733
ফাইন ফাইন!
ফুটপাতে চাকাওয়ালা চায়ের দোকান
পাউরুটি বিস্কুট আর খিলিপান
ফাউ মেলে রসালো খিস্তিখেউড়
হাই তোলে ছালতোলা ল্যাংড়া কুকুর।
এক কোণে তারে বাঁধা ক্যাসেট প্লেয়ার
বেজে চলে একমনে করে না কেয়ার
কখনো বাজছে আশা কখনো আলীম
মমতাজ পরদেশী নকুল সেলিম।
এভাবেই কেটে যায় রাত আর দিন
জীবনের সবটাই ফাইন ফাইন।
একদিন শনিবার ঠিক বারোটায়
লাঠির বাড়ি পড়ে গাড়ির চাকায়
থতমত দোকানীর পাছায় লাথি
চোখের সামনে দেখে নিভছে বাতি।
হতবাক হয়ে ভাবে দোষ কি আমার
পাওনা দিয়েছি মেপে যতটুকু যার:
এলাকার বড় ভাই বিশটাকা রোজ
আরও বিশ সরকারী রুলের খরচ।
এছাড়া রয়েছে কিছু খুচরো কামাল
মাঝে মাঝে দিতে হয় তাদেরো সামাল।
ফাউ যায় আরো বিশ রোজ গড়প্রতি
এরচেয়ে বেশি গেলে হয়ে যায় ক্ষতি।
সালাম আর সালামীতে নেই কোনো খুঁত
তবু এই ব্যবহার ভারী অদ্ভুত!
উপরে সূর্য জ্বলে মাটিতে আইন
জীবনের সবটাই ফাইন ফাইন।
এরপর দুইদিন ফুটপাত ফাঁকা
ছেঁড়া মেঘে ছেঁড়া রূপকথা... (১)
এইবার সংশয় অথবা প্রশ্ন বিষয়ক আরো তিন পয়সার আলোচনা...
যে কোনো ধইরা নেয়া সত্যরে প্রশ্নের মুখামুখি করনের প্রবণতাটা শুরু হইছিলো রেনে দেকার্তের পথ ধইরা। কিন্তু তার এই পথ আসলে মানুষরে সমস্যায়ও ফেললো। পরম সত্য খুঁইজা নেওনের যেই উদগ্র বাসনা দেকার্ত সাহেবের ছিলো, সেইটা মানুষরে অনিশ্চয়তার হাঁসফাঁস অবস্থার মধ্যে ফেইলা দ্যায়। দেকার্ত সাহেব অনেক কিছুরেই প্রশ্ন করতে শিখাইলেন, মধ্যযূগীয় মানুষের স্টিগমাটিক প্রবণতারে প্রশ্নবিদ্ধ কইরা অনুসন্ধিৎসু আধুনিক মানুষ হইয়া উঠনের প্রেরণা জোগাইলেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজে গিয়া পড়লেন ধর্মানুভূতির খপ্পরে। এই ধর্মানুভূতি পরম সত্যের আশ্রয়স্থল আর একমাত্র বিশ্বাস্য পথ হইলো তার প্রক্রিয়াতে।
নারী -" ডান হাতে খড়গ জ্বলে, বাঁ হাত করে শংকাহরণ"
যুগ যুগ ধরে কোমলতার প্রতীক রুপে মানা হয় নারীকে। নমনীয়তার কোন কথা উঠলেই উপমা হয়ে আসে নারী। আজন্ম লালিত ধ্যান ধারনার মমতাময়ী বাহক। এই সুনির্দিষ্ট গন্ডির বাইরে কেউ কেউ যে বেরিয়ে আসতে চায় না তা নয়, তবে প্রবল ইচ্ছাশক্তি, প্রতিকূলতার সামঞ্জস্যকর সুব্যবস্থাপনাতে মুষ্টিমেয়রাই উদ্ভাসিত হতে পারে পাদ-প্রদীপের আলোয়। অনেকক্ষেত্রে এরাই সুপরিচিত হন ইস্পাত কঠিন রমনীতে। কাজের পরিব্যপ্তি, সিদ্ধান্ত নেয়ার দৃঢ়তা, পরিস্থিতির সাথে চলার ক্ষমতাই সমাজে নারীকে প্রতিস্থাপিত করে কঠিন মানবী রুপে। ঠিক যেন “ ডান হাতে খড়গ জ্বলে, বাঁ হাত করে শংকাহরণ ”।
ইতিহাসের পাতায় ঠাইঁ করে নেয়া অনেকের মাঝে তেমনই অনমণীয় নারী হিসেবে পাওয়া যায় হাতশেপসুৎ, এলিজাবেথ I, মাতাহারি আর মার্গারিট থ্যাচারের নাম।
হাতশেপসুৎ - রানী নয় ছিলেন যিনি রাজা!
মনে পড়া বন্ধুদের আপডেট খবর
সারা দেশ জুড়ে আছে কত শত বন্ধুরা। সে একটা সময় ছিল আমাদের। এবিতে সে সময়কার অনেক বন্ধু এখন লিখছে। তাদের দেখে স্মৃতির জাবর কাটতে বসলাম। আজ অনেক কথা, অনেকের কথা মনে পড়ছে। খুলনা মানেই হাসিনাদের নুরপুরের কলোনীর বাসা। সামনে খুলনা বেতার কেন্দ্র। রাত জুড়ে আড্ডা। পারশে (বানানটা ঠিক হল কি ?) , ভেটকি , চিংড়ি কত মাছ যে খেয়েছি। আর খেয়েছি হাসিনার মায়ের স্নেহমাখা গালি। সেই হাসিনা এখন খুলনা ছেড়ে ঢাকায়। দিব্যি ঘরনী। চাকরী করে ওয়াপদাতে। আইচগাঁতির আ আ মামুন চট্টগ্রামে। বাবু ব্যবসা করছে, খুলনাতেই। টারজানও খুলনায়। ওসি ইবিএল ব্যাংকে, খুলনায়। চাপা মামুন পুলিশে, যশোর পোস্টিং। ডা. এনাম চিটাগাং ডাক্তারি করছে। রাহা বাংলা ভিশনে কাজ করে। হাসান ভাই খুলনায়, প্রথম আলোতে। দীবা ঢাকায়, এইচএসবিসিতে...
ভাত দে - বাদ দে - বাড্ডে - হ্যাপী বাড্ডে মুক্ত বয়ান।

খোমা বইতে দেখি, ব্লগ বাচ্চা (মাইক ওয়ালা) মুক্ত বয়ানের আজকাই বাড্ডে!!!
ভাবলাম যাই গিয়া, ওয়ালে দুইটা কথা লেইখা আসি সুন্দর কৈরা, গিয়া দেখি, বিপুল সংখ্যক জনতা ইতমধ্যেই ওয়ালে প্রচুর লেখা লেইখা রাখছে, আর তাছাড়া পরিচয়ের সূত্র যেহেতু ব্লগে, তো, ব্লগে বলতে না পারলে শান্তি নাই।
আমি আবার কারো প্রশংসা করতে পারিনা, শুধু কিছু মানুষ, স্নেহের যায়গায়, ভালোবাসার জায়গায় বৈসা যায়, ছোটো-বড়-কাছে-দূরের, কেম্নে জানি, জিনিষটা বুঝিনা আসলে। যাই হোক, মুক্তরে নিয়া কিছু বললাম না, শুধু পুজায় বেশি নাচানাচি কৈরা যেনো বেশি মজায় বাড্ডে পালন করতে পারে, সেই কামনা রৈলো।
এখন কেক্কুক দিবো কেডা?
মুক্ত কৈ?
সংশয় অথবা প্রশ্ন বিষয়ক দুই পয়সার আলোচনা...
আধুনিক দর্শনের প্রারম্ভিক পর্বের দার্শনিক হিসাবে রেনে দেকার্তরেই ধরা হয়। এই আধুনিকতার মূল শর্ত হইলো সংশয়। আগের আমলের প্রায় সকল দার্শনিক চর্চাতে বিশ্বাস বিষয়টার বড় ভূমিকা থাকতো। রেনে দেকার্ত দেখাইলেন জগতের যেই পরিবর্তনশীলতা তাতে আসলে কোনো ঘটনারেই বিশ্বাসের গন্ডীতে আবদ্ধ করন যায় না আর। হেরাক্লিটাস নামের একজন আইয়োনিয়ান দার্শনিক যিনি এই পরিবর্তনশীলতার কথা দেকার্তের জন্মের আড়াই হাজার বছর আগে কইছিলেন তারে স্মরণ কইরা দেকার্ত তার সংশয় পদবাচ্যের শুরু করেন।
বাঘে ছুঁলে আঠার ঘা
শিরোণামের কথাটা হয়তো কিউই পক্ষীর দেশের লোকেরা আগে শুনে নাই। তবে এবার শুনুক বা না শুনুক একদল রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হাতে নিদারুণ নাকানিচুবানি খেয়ে কথাটার বাস্তবতা যে হাড়ে-মজ্জায় অনুভব করতেছে সে বিষয়ে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ নাই। বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সমীহ জাগানো শক্তি নিউজিল্যান্ড, এর আগের প্রতিটি সফরেই হেসে খেলে সিরিজ জিতে 'বাংলাদেশ এগোচ্ছে, লেগে থাকলে হবে, জয় নয় অংশগ্রহণই বড় কথা'- জাতীয় মায়াময় বক্তব্য দিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। কিন্তু এবারের বাংলাদেশ শুধু তাদেরই না বলতে গেলে গোটা ক্রিকেট বিশ্বকেই চমকে দিয়েছে। ভারতীয় আনন্দবাজার গোষ্ঠী ছাড়া ( এরা কেবল বেছে বেছে বাংলাদেশের হারার খবরগুলোই ফলাও করে প্রচার করে) অন্যান্য অনেক দেশের খেলার খবরে স্থান করে নিয়েছে বাংলার বাঘের হাতে অল ব্ল্যাকসদের নাস্তানাবুদ হবার ঘটনা।