ইউজার লগইন
ব্লগ
একা একা বৃষ্টিতে ভেজার গল্প
১.
রাত্র বাজে তিনটা। প্রায় ঘন্টা দেড়েক বিছানা-বালিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর, এই খানিক আগে ক্ষ্যান্ত দিয়েছি। হবে না আজ রাতে আর। ভাবলাম এরকম ভিন্ন একটা সময়ে কিছু লেখার চেষ্টা করলে সেটা কেমন দাঁড়ায় দেখা যাক।
২.
ঢাকা শহরে আমার সবচেয়ে প্রিয় রাস্তা ছিল গুলশান-২ নম্বর থেকে কূটনৈতিক পাড়ার দিকে চলে যাওয়া শুনশান রাস্তাটা। অফিস যাওয়ার পথে ওই রাস্তাটাই সাধারণত ব্যবহার করতাম। একটা চায়ের দোকান ছিল, রাস্তার মাঝামাঝি পর্যায়ে। ওরকম বড়লোকী এলাকায় ছোট্ট চায়ের টঙ দেখলে কার না চা পানের ইচ্ছে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আমি যেদিনই ওই রাস্তাটা দিয়ে অফিসে যেতাম, সেদিনই ওখানে একটা টি-ব্রেক নিতাম।
বিষণ্ণ বাউন্ডুলে ওরফে বর্ণকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
ফেসবুকে দেখেছিলাম নোটিফিকেশন গতকাল। ভেবেছিলাম কেউ না কেউ পোষ্ট দিবে। যখন দেখলাম কেউ দিলো না, দেয়ার সম্ভাবনাও আপাতত দেখছি নাই তাই আমি লিখতে বসলাম। ব্লগ লিখতে আমার আর ভালো লাগে না। নিজের হাতের লেখার অবস্থাও যে দশার, এই ব্লগে লেখা দেয়ার অবস্থাও তাই। বছর তিনেক আগে আমার এক মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব ছিল, নামকরা ব্লগার। সামুর লোকেরা নাম বলার সাথে সাথেই চিনবেন। সে ঢাকা ভার্সিটি নিয়ে এত অহংকার ছিল, কোন এক কারনে আমার হাতের লেখা দেখে বলেছিলো, 'শান্ত দা আপনার হাতের লেখার অবস্থা এই কেন?
বিষয়- ধর্মের ভিত্তিতে হল বরাদ্ধ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন হলে (একাত্তর হল) সকল ধর্মের ছেলেরা সিট পাবে এমন একটি সংবাদ দেখি। এই প্রসঙ্গে অনেকে আনন্দিত সেই সাথে ধর্মের ভিত্তিতে হল প্রদান করা উচিত কী অনুচিত না নিয়ে অনেকে মতামত দিয়েছেন। অমুসলিম ছেলেদের জন্য জগন্নাথ হল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মের ভিত্তিতে হল আলাদা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে বিষয়টি চোখে লাগে। তবে বাস্তবতার কারণে ধর্মের ভিত্তিতে হল বরাদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া যাচ্ছে না! একাত্তর হলের বিষয়ে সবার সাথে আমিও আনন্দিত। তবে বাস্তবতার কারণে অমুসলিমদের জন্য আলাদা হল এখনো জরুরী। কেন জরুরী তা আলোচনা করা জরুরী।
আত্নার কাটা-কুটি
আমার বাবা খুব সাধারণ একজন মানুষ। অনেক কিছু শিখেছি আমি আমার বাবার কাছ থেকে। বাবাকে নিয়ে কখনো গল্প করা হয় নি। এখন একটা কথা বলতে খুব ইচ্ছে করছে। ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছ থেকে সৎ থাকা, নির্ভেজাল থাকা আর অহংকার না করার শিক্ষা পেয়ে পেয়ে বড় হয়েছি। আমি তাই জোর গলায় বলতে পারি আমার বাবাকে কখনো অসৎ কোনো কাজ করতে দেখিনি। বাবারও দোষ আছে, তবে দোষ-গুণের পাল্লায় আমি ভালোকেই বেশী চিনেছি। আমি বাবাকে আদর্শ মানি, অনেক কারণেই মানি। বাবাকে আমি অনেকটা ভেতর থেকে দেখতে পারি, পড়তে পারি।
সাম্প্রতিক ভাবনা
স্টিফেন হকিং বলেছেন ঈশ্বর নেই-
হকিং বললেন ঈশ্বর নেই- কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকায় এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।
ইংরেজির প্রতি ভালোবাসা, বাংলার সাথে প্রেম!
আমি জানি, যারা এই মুহূর্তে এটা পড়তে আসলেন, ভাবছেন এই বুঝি ইংরেজি-বাংলার ক্লাস শুরু হয়ে গেলো! না, এই কথা বলতে আসিনি, বলতে চাচ্ছি আমাদের অনেকেই আছেন যারা জীবনের (মূলত ছাত্র জীবনের) এমন কিছু কাল পার করে এসেছি যখন মুখস্ত করা মনে রেখে পরীক্ষায় খাতা ভরে দিয়ে পাশ করার চিন্তায় ছিলাম অনেকটা সময়েই। আমিও এর বাইরে ছিলাম না কোনোভাবেই। 
নবম শ্রেণী*তে থাকতে আমি এমনি ছিলাম। দশম শ্রেণি থেকেই আমার পরিবর্তন হতে থাকে, যার ফলশ্রুতিতে আমার বাংলা আর ইংরেজির প্রতি প্রেম-ভালোবাসার জন্ম হয়, আর সেই প্রেম এখনো অটুট রয়েছে আমার সবটা জুড়ে।
*(ঐসময় বানান টা ঈ-কার দিয়ে লেখা হলেও বর্তমানে কিন্তু ই-কার দেয়া হয়)
তার পরেও অনেক কিছুর প্রেমে পড়লেও এই ভাষা দুটোর প্রেম-ভালোবাসা থেকে বের হতে পারি নি, তাই এই প্রায়-বুড়ো বয়সেও অফিসে বসে কাজের ফাকে লিখছি বাংলা ব্লগ (এখানে প্রথম লেখা) আর যাচাই করছি নিজের ইংরেজি শব্দ জ্ঞান।
Freedom Dance Team of Bangladesh - CTGU
আমি চীনে পড়াশুনা করি। মেডিসিন এন্ড সার্জারি নিয়ে পড়ছি । পড়াশুনার পাশে পাশে নাচ আমার সঙ্গী ছিল। প্রায় ১৪ বছর ধরে নাচ করি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্যান্স টিম আছে । অনেকগুলি আছে । কিন্তু একমাত্র আমার টিমকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যান্স টিম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমি যেই সিটিতে আছি ওখানে একটা ড্যান্স স্টুডিওতে জ্যাজ ড্যান্স শিখাই ।
আগামী মাসের ৭/৮ তারিখে আমাদের ""বিগ ড্যান্স শো"" ।
আজকে ছিল কোরিওগ্রাফি পর্ব । সবাই নিজের ড্যান্স দেখাবে । তার মধ্য থেকে ২ জনের কোরিওগ্রাফি সিলেক্ট করবে । পিক দেখে বুঝে গেছেন যে আমারটা সিলেক্ট করেছে !!
জি হ্যাঁ আমারটাই প্রথম হয়েছে । কিন্তু কথা হচ্ছে সেকেন্ড হয়েছে একটা মেয়ের ড্যান্স । পিচ্চি মেয়েই বলা যায় । অসাধারণ নেচেছে ! কোরিওগ্রাফিও সেই ছিল । মাত্র ৩ বছর হল মেয়েটা নাচে । আমার তো অনেক বছর হল । !!!
মেডিক্যাল শিক্ষা ব্যবস্থা -১
আমি চীনে থ্রী গরজেস মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিবিএস পড়ছি । এখানকার শিক্ষা ব্যাবস্থা আর বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভিন্নতা রয়েছে ।
বাংলাদেশের মেডিক্যালে প্রফ আইটেম কার্ড এক্সাম রয়েছে চীনে তা নেই । এখানে প্রফ নেই টার্ম ফাইনাল রয়েছে , আইটেম নেই কিন্তু লেকচার কুইজ রয়েছে। বাংলাদেশে এনাটমি বায়োকেমিস্ট্রি ফিজিওলজি এক সাথে পড়ায় । কিন্তু চীনে সিলেবাসটা অন্যরকম । আমাদের আগে বায়োকেমিস্ট্রি পড়ায় তারপর ফিজিলজি । এর পিছে একটা কারন রয়েছে তাহলো বায়োকেমিস্ট্রি এর সাথে ফিজিওলজি খুব বেশি কানেক্ট। তাই এরা আগে বায়োকেমিস্ট্রি পড়ায় যাতে ফিজিলজি ভাল করে বুঝতে পারে। বাংলাদেশে এনাটমি ,হিসটলজি , এম্ব্রায়লজি একটা বিষয় হিসেবে পড়ায় । কিন্তু এখানে ৩টাই আলাদা করে পড়ায় আলাদা বিভাগ করা। এখানে পিঁপিঁটি + বই পড়ায় । আজকে এতটুকু । পরবর্তী পোস্টে আরও জানানো হবে
ঘরের ভেতরে নিরাপদে আছে তো আমার কন্যা শিশুটি
অনেকদিন পর একটা ছবি দেখলাম।হিন্দি ছবি। ‘হাইওয়ে’।পুরো ছবিটা দেখে কিছুক্ষণ আমি বুদ হয়ে ছিলাম।আর ছবির বিষয়টা আমার মাথায় কুট কুট করে যন্ত্রণা দিচ্ছিল বেশ কয়েকদিন। ছবির নায়িকা আলিয়া ভাট অভিনয়ও করেছে দুর্দান্ত।নিজের ঘরের ভেতর বাবার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর হাতে দিনের পর দিন যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল মেয়েটা। একদিন নিজের মাকে বিষয়টা জানানোর পর মা বলেছিল, চুপ, চুপ কাউকে কিছু বলো না।মেয়েটার বিশ্বাস ভেঙ্গে যায়।কষ্ট হয়। কিডন্যাপাররা যখন মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে কিছুদিন পর ছেড়ে দিতে চায় , মেয়েটা যেতে চায় না। কিডন্যাপারকে বলে, যে জীবনটা সে ফেলে এসেছে সে জীবনে সে আর কখনো ফিরে যেতে চায় না। মহাবীর নামক সেই কিডন্যাপারকে তার অনেক বেশি বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে যে, যখন তার প্রভাবশালী বাবা তাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করে সে ফিরে যেতে চায় না নিজের বাবা- মায়ের কাছে। কারণ তাদের কাছে তাদের সোশ্যাল স্ট্যাটাস তাদের ক
মানব প্রগতির দায়
আমাদের সমাজ কেন দিনদিন হিংস্র হয়ে যাচ্ছে? এর উত্তর খুঁজে বের করতে হবে। এসব বিষয়ে সমাজ বিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে থাকেন। রাষ্ট্র একদিকে বিচার না করে ‘ক্রসফায়ার’ দিচ্ছে। অন্য দিকে পাবলিক দুই টাকার জন্য পিটিয়ে মেরে ফেলতে পিছ পা হচ্ছে না। সংখ্যালঘুর বাড়ি যেহেতু দখল করলে কেউ কিছু বলে না, সুতরাং যতোদিন সংখ্যালঘুর কাছে জমি থাকবে, ততদিন এগুলো চলতে থাকবে রাষ্ট্রের পরোক্ষ মদদে।
গল্প: কেপলার ৪৫২'র বাসিন্দারা
সকাল থেকে আকাশ কালো করে বৃষ্টি ঝরছে। থেমে থেমে দমকা হাওয়া এসে আছড়ে পড়ছে কাচেঁর জানালায়। আজ যেন একটু বেশিই ঠান্ডা। ঘুম ভেঙ্গে যাবার পরও অনেকক্ষণ চোখ খুলতে ইচ্ছে করে না। কম্বলটা আরও একটু ভাল করে জড়িয়ে নিয়ে বিছানার আরামে ডুবে থাকতেই বেশি ভাল লাগে। ছোট-বড়, দরকারী-অদরকারী কত রকমের ভাবনারা যে সে সময় এসে মাথায় ভিড় জমায়, তার হিসাব কে রাখে।
শুভ জন্মদিন বাবা :)
১.
লিফটে ওঠার সময় যদি সাথে ঋহান থাকে তাহলে লিফটের বাঁটন প্রেস করার সুযোগ আর কেউ পায় না। ঋহান কখনো অফিসে আসলে... লিফটে অন্য কেউ থাকলে সে যদি কাঙ্খিত বাঁটন প্রেস করে ফেলে... ঋহানের চেহারা দেখলে মনে হয় সারাদিন লিফটেই ঘুরি
। একটা সময় সে শুধু GF প্রেস করতে পারত... এখন সে 5 প্রেস করতে পারে। বিষয়টা আসলে কিছু না... ঋহান ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে...
২.
পার্থিব এই জগতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্ধারিত জন্ম মৃত্যু চিরন্তন সত্য। সময়ের পরিক্রমায় আমরা ছোট হতে হতে নিঃশেষ হতে থাকবো... শিশুরা বড় হতে থাকবে... প্রকৃতির অমোঘ নিয়মতো এটাই। আকাশের সাথে প্রতিযোগিতায় ঋহান... আমরা ফিরবো মাটির কাছে... মানতে না চাইলেও এটাই সত্যি।
৩.
নানু বাড়ীর গল্প
ঘুম আসছে না। দুপুরে বৃষ্টি ছিল। ভালো ঘুমিয়েছি। বাড়ীতে বৃষ্টি হলে কোনো টেনশন লাগে না। ভাবা লাগে না যে রাস্তা ঘাট ভেসে গেল নাকি। মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে ভাবনাও আসে না মাথায়। মনে হয় নামছে নামুক না। টিনের চালে ঝপঝপ শব্দ মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনি।দুটো শব্দ আমার খুব প্রিয়, এক আম্মু যখন সেলাই করে সেই মেশিনের শব্দ আর বৃষ্টির শব্দ ঢাকায় আগে যখন এক রুমের বাসায় থাকতাম, মাথার উপরে দীর্ঘ চার বছর ছিল টিনের চাল আর ফল সিলিং। গরমে কষ্ট হতো, কিন্তু বৃষ্টিতে যখন শব্দ শুনতাম কি যে ভালো লাগতো। আর বাড়ীতে ছাদ দেয়ার অবস্থা আমাদের ছিল কিন্তু আমার কারনেই দেয়া হয় নি এক যুগ আগে নতুন করে বাড়ী বানানোর সময়। কারন টিন আমার ভালো লাগে, মাথার উপরে টিন না থাকলে কি আর গ্রামের বাড়ীর ফিলিংটা আসে। আরতি মুখোপাধ্যায়, আমার এককালে কত ভালো লাগার শিল্পী। দেশটিভিতে লাইভ গাইছেন, সেই ভালো আর লাগে না। কারণ উনার বয়স হয়ে গিয়েছে, গলার সেই শার্পনেস
কবিতা: ভীষণ বাজে
আমরাবন্ধু ব্লগে কবিতা পোস্ট করার একটা ছোট্ট সমস্যা আছে। কবিতা বেশি বড় না হলে, পুরোটা বাইরে থেকে দেখা যায়। বিষয়টা আমার কাছে কিছুটা অশ্লীলমতো লাগে। যে কারণে সাধারণত এ ধরনের পোস্টের শুরুতে কিছু অপ্রয়োজনীয় বাক্য জুড়ে, কবিতা ঢেকে রাখার চেষ্টা করি। তো এবার ভেবেছি, কবিতার শানে নুযুলকে এই অংশে অন্তর্ভূক্ত করে দেবো।
তোমার ঘরের আলমারিটার ঝুলন-চাবি আমায় দেবে?
১.
বাংলাদেশ আর দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার শেষ দুইটা ম্যাচ দেখে মনে হলো, আমার ভেতরে ক্রিকেটের প্রতি আগে যে আকর্ষণটা ছিল, সেটা কমতে শুরু করেছে। আজকাল এত হেসেখেলে নিজের দেশকে জিততে দেখলেও সেই আনন্দে ফেটে পড়তে ইচ্ছে করে না, যেটা একসময় মোহাম্মদ রফিককে একটা ছক্কা পিটাতে দেখলে করতো। মুস্তাফিজ-সৌম্যদের চোখ ধাঁধানো বোলিং-ব্যাটিং দেখে সেই উত্তেজনা টের পাই না, যেটা একসময় অনিশ্চিত আফতাবকে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে দেখলেই টের পেতাম। তবে নিজের কথা বাদ দিয়ে যদি ভাবি, তাহলে বলতে হবে- বাংলাদেশের খেলা দেখাটা এখন একটা শান্তির উপলক্ষ হয়ে গড়ে উঠেছে। পুড়ে যাওয়া ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাতাসে আমি কি কখনো খুব বেশি সুসংবাদ ভাসতে দেখেছি? রাজাকার কাদের মোল্লা আর কামারুজ্জামানের ফাঁসি এবং ক্রিকেট দলের উন্নতি ছাড়া?
২.